পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
অণুবীক্ষণ যন্ত্র কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) গ্যালিলিও
  2. খ) লিউয়েন হুক
  3. গ) রবার্ট হুক
  4. ঘ) মাইকেল ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা

১৬৮৩ সালে ডাচ বিজ্ঞানী লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন এবং এই যন্ত্র ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়া, হাইড্রা, ভলভক্স ইত্যাদি আবিষ্কার করেন ।
গ্যালিলিও টেলিস্কোপ ও থার্মোমিটার আবিষ্কার করেন।
রবার্ট হুক প্রথম কোষপ্রাচীর আবিষ্কার করেন।
মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো ও তড়িৎ বিশ্লেষণের সূত্র আবিস্কার করেন।
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ এবং ব্রিটানিকা।

.
পানিতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের ভরের অনুপাত -
  1. ক) ২ঃ১
  2. খ) ১ঃ২
  3. গ) ১ঃ১৬
  4. ঘ) ১ঃ৮
ব্যাখ্যা

পানির আনবিক সংকেত H2O.
পানির একটি অণুতে রয়েছে ২টি হাইড্রোজেন ও ১টি অক্সিজেন পরমানু।
সুতরাং পানিতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের ভরের অনুপাত
= (হাইড্রোজেনের পারমাণবিক ভর × 2) : (অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর × 1)
= (1 × 2) : (16 × 1)
= 2 : 16
= 1 : 8

.
কোন গ্যাসের অণুতে দুটি পরমাণু বিদ্যমান নেই?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) ক্রিপ্টন
  4. ঘ) হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

পদার্থ মাত্রই অসংখ্য পরমাণুর এক সাথে অণু হিসেবে আবদ্ধ থাকার একটি স্থায়ী অবস্থা।
আমাদের চারপাশের বায়ুতে যে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি গ্যাসগুলো আছে এরা প্রত্যেকেই মৌলিক গ্যাস অণু। মৌলিক গ্যাসের অণুগুলো দ্বিপরমাণুক অণু।
যেমনঃ N2 , O2 , H2 , F2 , Clইত্যাদি।
তবে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো এক পরমাণুক অনুরূপে প্রকৃতিতে স্থায়ীরূপে অবস্থান করে।
নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলি হচ্ছে হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন(Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn)
সূত্র: রসায়ন ১ম পত্র, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
কোন গ্যাসের আণবিক ভর তার বাষ্প ঘনত্বের -
  1. ক) সমান
  2. খ) অর্ধেক
  3. গ) দ্বিগুণ
  4. ঘ) চারগুণ
ব্যাখ্যা

যে কোন গ্যাসের আণবিক ভর তার বাষ্প ঘনত্বের দ্বিগুন।
সূত্র: রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণী।

.
কোন লবণটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না?
  1. ক) NaOH
  2. খ) NaCl
  3. গ) Na2SO4
  4. ঘ) CuCl
ব্যাখ্যা
নিচের সারণিতে পানিতে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় কিছু নমুনা লবণের উদাহরণ দেয়া হলোঃ

সূত্রঃ রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
মৌলিক রাশি কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৭ টি
ব্যাখ্যা

যে সকল রাশি পরিমাপের জন্য অন্য রাশির সাহায্য দরকার হয় না বা অন্য রাশি পরিমাপের জন্য যে রাশিগুলাে দরকার হয় সেইসব রাশিকে মৌলিক রাশি বলে।
মৌলিক রাশি সাতটি।
যথাঃ দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, বৈদ্যুতিক প্রবাহ, তাপমাত্রা, পদার্থের পরিমাণ এবং দীপন তীব্রতা।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীঃ পদার্থ বিজ্ঞান বই

.
কোন বস্তুর বেগ দ্বিগুণ হলে এর ভরবেগ কত গুণ বৃদ্ধি পাবে?
  1. ক) দ্বিগুণ
  2. খ) চারগুণ
  3. গ) আটগুণ
  4. ঘ) নয়গুণ
ব্যাখ্যা

ভরবেগ হলো কোনো গতিশীল বস্তুর ভর ও বেগের গুণফল।
তাই বস্তুর বেগ দ্বিগুণ হলে এর ভরবেগও দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে।

.
গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইয়োহানেস কেপলার গ্রহের গতির তিনটি সূত্র দিয়েছিলেন:
১। প্রতিটি গ্রহ সূর্যকে ফোকাসে রেখে নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে । যাকে উপবৃত্তের সূত্র বলা হয় ।
২। সূর্য এবং গ্রহের সংযোগকারী রেখা গ্রহের আবর্তনের সাথে সাথে সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে। যাকে ক্ষেত্রফলের সূত্র বলা হয় ।
৩। একটি গ্রহের কক্ষীয় পর্যায়কালের বর্গ তার কক্ষপথের পরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক। যাকে পর্যায়কালের সূত্র বলা হয় ।
সূত্র: ''Kepler's Laws of Planetary Motion''

.
পানিতে শব্দের বেগ কত?
  1. ক) 920 ms-1
  2. খ) 790 ms-1
  3. গ) 1140 ms-1
  4. ঘ) 1493 ms-1
ব্যাখ্যা

বাতাসের চেয়ে তরল পদার্থে শব্দের বেগ বেশি।
তরলের চেয়ে কঠিন পদার্থে শব্দের বেগ বেশি।
বাতাসে শব্দের বেগ ৩৩০ মি/সে,
পানিতে ১৪৯৩ মি/সে,
লােহাতে ৫১৩০ মি/সে এবং
হীরায় শব্দের বেগ ১২,০০০ মি/সে।
উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর পদার্থজ্ঞান বই, পৃষ্ঠা নং ২০৩

১০.
উঁচু টাওয়ার বা বিল্ডিং এর উপর লাল রঙের বাতি জ্বালানো হয়। কারণ -
  1. ক) লাল আলোর বিচ্ছুরণ বেশি
  2. খ) লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি
  3. গ) লাল আলোর বিক্ষেপণ বেশি
  4. ঘ) লাল আলোর বিচ্যুতি বেশি
ব্যাখ্যা

আলাের বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর।
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ তত কম হয়।
লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম। তাই লাল আলো অনেক দূর থেকে দেখা যায়। সে জন্য উঁচু টাওয়ার বা বিল্ডিং এর উপর লাল রঙের বাতি জ্বালানো হয় যাতে বিমান বা হেলিকপ্টার নিচ দিয়ে উড়ে যাবার সময় অনেক দূর থেকে দেখে সতর্ক হতে পারে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রােগ্রাম, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
রেটিনা ও চক্ষুলেন্সের মধ্যবর্তী স্থানে থাকে -
  1. ক) অ্যাকুয়াস হিউমার
  2. খ) ভিট্রিয়াস হিউমার
  3. গ) কর্ণিয়া
  4. ঘ) অ্যাকুয়া রিজিয়া
ব্যাখ্যা

অ্যাকুয়াস হিউমার (Aqueous humour):
লেন্স ও কর্নিয়ার মধ্যবর্তী স্থান এক প্রকার স্বচ্ছ জলীয় পদার্থে ভর্তি থাকে। একে বলা হয় অ্যাকুয়াস হিউমার।
- অ্যাকুয়াস হিউমার আলাের প্রতিসরণে সাহায্য করে, চোখের সম্মুখ অংশের আকৃতি ঠিক রাখে এবং লেন্স ও কর্নিয়ায় পুষ্টি সরবরাহ করে।

ভিট্রিয়াস হিউমার (Vitreous humour):
লেন্স ও রেটিনার মধ্যবর্তী অংশে এক প্রকার জেলি জাতীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে। একে বলা হয় ভিট্রিয়াস হিউমার।
- ভিট্রিয়াস হিউমার রেটিনার দিকে আলাের প্রতিসরণে সাহায্য করে ও চক্ষু গােলকের গােলাকার আকৃতি বজায় রাখে।

সুত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, HSC Program, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
সদ বিম্ব গঠিত হয় -
  1. ক) অবতল দর্পণে
  2. খ) উত্তল লেন্সে
  3. গ) অবতল লেন্সে
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা

সদ বিম্বঃ কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মি গুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয়ে প্রতিবিম্ব গঠন করে তবে তাকে সদ বা বাস্তব প্রতিবিম্ব বলে।
অবতল দর্পণ ও উত্তল লেন্সে সদ বিম্ব গঠিত হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রােগ্রাম, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
ফলগাছ চাষাবাদ সংক্রান্ত বিদ্যাকে বলা হয় -
  1. ক) Horticulture
  2. খ) Pomology
  3. গ) Phycology
  4. ঘ) Olericulture
ব্যাখ্যা

Horticulture - উদ্যান পালন বিদ্যা।
Pomology - ফলগাছ চাষাবাদ সম্বন্ধীয় বিদ্যা।
Phycology - শৈবাল সম্পর্কিত বিদ্যা।
Olericulture - সবজি পালন বিষয়ক বিদ্যা।
সূত্রঃ ব্রিটানিকা

১৪.
মাইটোসিস কোষ বিভাজনে অপত্য কোষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা মাতৃকোষের -
  1. ক) অর্ধেক
  2. খ) সমান
  3. গ) দ্বিগুণ
  4. ঘ) চারগুণ
ব্যাখ্যা

মাইটোসিস: উন্নত শ্রেণির প্রাণীর ও উদ্ভিদের দেহকোষ মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়।
এ প্রক্রিয়ায় মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস একবার বিভাজিত হয়ে সমআকৃতির, সমগুণ সম্পন্ন ও সমসংখ্যক ক্রোমােজোম বিশিষ্ট দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের ফলে প্রাণী এবং উদ্ভিদ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে বৃদ্ধি পায়। এ ধরনের বিভাজনের দ্বারা উদ্ভিদের ভাজক টিস্যুর কোষের সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে।

মাইটোসিসের বৈশিষ্ট্য:
- মাইটোসিস কোষ বিভাজন দেহকোষের এক ধরনের বিভাজন পদ্ধতি।
- এ প্রক্রিয়ায় মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসটি একবার মাত্র বিভাজিত হয়।
- মাতৃকোষটি বিভাজিত হয়ে সমগুণ সম্পন্ন দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে।
- এ ধরনের বিভাজনে মাতৃকোষের ক্রোমােজোম সংখ্যা এবং অপত্য কোষের ক্রোমােজোম সংখ্যা সমান থাকে অর্থাৎ ক্রোমােজোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে।
- এ ধরনের বিভাজনে প্রতিটি ক্রোমােজোম লম্বালম্বিভাবে দুভাগে বিভক্ত হয়। ফলে সৃষ্ট নতুন কোষ দুটিতে ক্রোমােজোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমােজোম সংখ্যার সমান থাকে। তাই মাইটোসিসকে ইকুয়েশনাল বা সমীকরণিক বিভাজনও বলা হয়।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই।

১৫.
প্রোটোপ্লাজমের প্রধান অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) প্লাজমা মেমব্রেন
  2. খ) সাইটোপ্লাজম
  3. গ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
  4. ঘ) নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা

কোষের ভিতরে পাতলা পর্দাবেষ্টিত জেলীর ন্যায় থকথকে আধা তরল বস্তুটিকে প্রােটোপ্লাজম বলে একে জীবনের ভিত্তি বলা হয়।

এর তিনটি অংশ, যথা – কোষ ঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস।

উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি

১৬.
ফলের রং হলুদ হওয়ার জন্য দায়ী -
  1. ক) জ্যান্থোফিল
  2. খ) ক্যারোটিন
  3. গ) লাইকোপেন
  4. ঘ) ক্লোরোফিল
ব্যাখ্যা
জ্যান্থোফিল - হলুদ বর্ণের জন্য দায়ী।
ক্যারোটিন - কমলা বর্ণের জন্য দায়ী।
লাইকোপেন - লাল বর্ণের জন্য দায়ী।
ক্লোরোফিল - সবুজ বর্ণের জন্য দায়ী।
১৭.
বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা প্রথম কোন প্রাণীর জিন নকশা উন্মোচন করেন?
  1. ক) ছাগল
  2. খ) মহিষ
  3. গ) ভেড়া
  4. ঘ) হাঁস
ব্যাখ্যা

প্রাণী হিসেবে প্রথম মহিষের জিন নকশা উন্মোচনে সফলতা লাভ করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।
বেসরকারি কোম্পানি লাল তীর লাইভস্টক লিমিটেড চীনের বেইজিং জেনোম ইনস্টিটিউটের (বিজেআই) সহায়তায় ২০১৪ সালে এই সফলতা অর্জন করে।
মহিষের জীবনরহস্য উন্মোচনের এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন বিজেআইয়ের চেয়ারম্যান জিয়ান উয়াং এবং লাল তীরের বিজ্ঞানী মো. মনিরুজ্জামান। মোট ১৪ জন বিজ্ঞানী দুই বছর তিন মাস সময় ধরে এই গবেষণাটি করেছেন।
এর আগে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাটবিষয়ক মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণা প্রকল্পের আওতায় বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে দেশি ও তোষা পাট এবং ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচিত করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।
সূত্র: প্রথম আলো ও banglanews24.com

১৮.
মানুষ কোন পর্বের প্রাণী?
  1. ক) হোমো সেপিয়েন্স
  2. খ) একাইনোডার্মাটা
  3. গ) অ্যানেলিডা
  4. ঘ) কর্ডাটা
ব্যাখ্যা

কর্ডাটা পর্বের প্রাণি- মানুষ, কুনােব্যাঙ, রুই মাছ ইত্যাদি।
একাইনােডারমাটা পর্বের প্রাণি- তারামাছ, সমুদ্র শশা ইত্যাদি।
অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণি হলাে- কেঁচো, জোঁক ইত্যাদি।
হোমো সেপিয়েন্স মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১৯.
নিচের কোনটি নগ্নবীজী উদ্ভিদ?
  1. ক) ক্লোরেলা
  2. খ) ধান
  3. গ) পাইনাস
  4. ঘ) ফার্ণ
ব্যাখ্যা

সাইকাস, পাইনাস নগ্নবীজী উদ্ভিদ। এদের ফুলে ডিম্বাশয় না থাকায় ডিম্বকগুলাে নগ্ন থাকে।
উৎসঃ ষষ্ঠ শ্রেণীর বিজ্ঞান বাের্ড বই

২০.
রক্তে সবচেয়ে বেশি পরিমানে থাকে -
  1. ক) লোহিত রক্ত কণিকা
  2. খ) শ্বেত রক্ত কণিকা
  3. গ) অনুচক্রিকা
  4. ঘ) রক্তরস
ব্যাখ্যা

রক্তের প্রধান উপাদান হলাে রক্তরস বা প্লাজমা।
সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% হলাে রক্তকনিকা।
রক্তরসের ৯০% হলাে পানি এবং বাকি ১০% হলাে বিভিন্ন জৈব ও অজৈব উপাদান।
রক্তকনিকা ৩ প্রকার।
যথাঃ এরিথ্রোসাইট বা লােহিত রক্তকনিকা,
লিউকোসাইট বা শ্বেত রক্তকনিকা এবং
থ্রম্বােসাইট বা অনুচক্রিকা।
সূত্রঃ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী

২১.
রক্তনালীর ভিতরে রক্ত জমাট বাধতে দেয় না -
  1. ক) ভিটামিন কে
  2. খ) হেপারিন
  3. গ) হিমোগ্লোবিন
  4. ঘ) বিলিরুবিন
ব্যাখ্যা

রক্তবাহিকার অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না, কারণ সেখানে হেপারিন নামে এক পদার্থ সংবহিত হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।

২২.
নিচের কোনটি শৈবালের মধ্যে পাওয়া যায়?
  1. ক) মূল
  2. খ) কাণ্ড
  3. গ) পাতা
  4. ঘ) ক্লোরোফিল
ব্যাখ্যা

সমাঙ্গ বর্গের প্রধানত ক্লোরােফিলযুক্ত ও স্বভােজী উদ্ভিদরাই শৈবাল।
- এরা মাটি, পানি ও অন্য গাছের উপর জন্মাতে পারে।
- এদের দেহ এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে।
- এদের দেহে কোন পরিবহন কলা থাকে না।
- এর সবুজ, লাল, বাদামী ইত্যাদি নানা রঙের হতে পারে।
- ‘স্পাইরােগাইরা’ নামক শৈবাল জলাশয়ে পাওয়া যায়।
- সামুদ্রিক শৈবাল থেকে এ্যালজিন প্রস্তুত করা হয় যা আইসক্রিম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
- আয়ােডিন ও পটাশিয়ামের একটি ভাল উৎস সামুদ্রিক শৈবাল।
- মৎস্য চাষে ফাইটোপ্লাংক্টন বিশেষ ভূমিকা রাখে এর প্রধান অংশই শৈবাল।
- চা-পাতার রেড রাস্ট শৈবাল জাতীয় মারাত্মক রােগ।
- পুকুরে শৈবাল ওয়াটাররুম সৃষ্টি করে ফলে জলজ প্রাণী ও মাছের অক্সিজেনের অভাব হয়।
সূত্রঃ বিজ্ঞান সপ্তম শ্রেণি

২৩.
পিটুইটারি গ্রন্থির অবস্থান -
  1. ক) অগ্র মস্তিষ্কে
  2. খ) পশ্চাৎ মস্তিষ্কে
  3. গ) মধ্য মস্তিষ্কে
  4. ঘ) ডান মস্তিষ্কে
ব্যাখ্যা

অগ্রমস্তিষ্কে অবস্থিত সকল গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণকারী একটি ক্ষুদ্র গ্রন্থি অবস্থিত, একে পিটুইটারী গ্রন্থি বলে।
- এটি দেখতে অনেকটা মটর দানার মত।
- এটি অগ্রবর্তী অঞ্চল, মধ্যবর্তী অঞ্চল ও পশ্চাদ্বর্তী অঞ্চলে বিভক্ত।
- পিটুইটারী প্রাণিদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনালগ্রন্থি।
- এ গ্রন্থি নিঃসৃত হরমােনগুলাে দেহের অন্যান্য অনাল গ্রন্থির ক্ষরণ ও কার্যকারীতাকে নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য পিটুইটারী গ্রন্থিকে গ্রন্থি রাজ (Master Gland) বলা হয়।
উৎসঃ জীব বিজ্ঞানঃ নবম-দশম শ্রেণী

২৪.
মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ কয়টি?
  1. ক) ১ টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৩ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা

মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি ।
এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ১৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
মঙ্গলে ফোবস ও ডিমােস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
উৎসঃ ভূগােল, নবম-দশম শ্রেণি।

২৫.
ট্রানজিস্টর তৈরিতে সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) কার্বন
  2. খ) গ্রাফাইট
  3. গ) সিলিকন
  4. ঘ) এলুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

দুটি অর্ধপরিবাহী ডায়ােডকে পাশাপাশি যুক্ত করে একটি অর্ধপরিবাহী ট্রায়ােড তৈরি করা হলে তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর প্রথম তৈরি করেন উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্ৰাটেইন।
ট্রানজিস্টর তৈরি করতে প্রয়ােজন সেমিকন্ডাক্টর (সিলিকন, জার্মেনিয়াম)।
ট্রানজিস্টরের অপর নাম অর্ধপরিবাহী ট্রায়ােড। ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয় বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে।
ইলেকট্রনিক্সে বিপ্লব শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে।
ট্রানজিস্টর প্রধানত ব্যবহার করা হয় এমপ্লিফায়ার বা বিবর্ধক হিসেবে।

২৬.
একটি পরমাণু ভেঙ্গে একাধিক পরমাণু তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলে -
  1. ক) ফিউশন
  2. খ) ফিশন
  3. গ) এরোশন
  4. ঘ) বিযোজন
ব্যাখ্যা

যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় একটি নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়ে দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে ফিশন বিক্রিয়া বলে।
অন্যদিকে দুটি নিউক্লিয়াসের সংযােগে একটি নিউক্লিয়াস তৈরি হওয়া কে ফিউশন বিক্রিয়া বলে।

২৭.
পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) প্লুটনিয়াম
  2. খ) রেডিয়াম
  3. গ) ক্যাডমিয়াম
  4. ঘ) ক্রোমিয়াম
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক বােমা তৈরি হয় ইউরেনিয়াম-235 বা প্লুটোনিয়াম-239 ধাতু দিয়ে।
বােমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙ্গে বেরিয়াম এবং ক্রিপ্টনে পরিণত হয়।
Verified From: Britannica Encyclopaedia.

২৮.
বিস্ফোরক ‘TNT’ এর অর্থ কি?
  1. ক) Trinitrozentoluene
  2. খ) Trinitrotoluene
  3. গ) Tetranitrotoluene
  4. ঘ) Tetranitrozentoluene
ব্যাখ্যা

‘TNT’ এর পূর্ণরূপ Trinitrotoluene,
সূত্রঃ ব্রিটানিকা

২৯.
শুষ্ক কোষে অ্যানোড হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. ক) কার্বন দন্ড
  2. খ) ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড
  3. গ) দস্তার কৌটা
  4. ঘ) কার্বন পাউডার
ব্যাখ্যা

টর্চ লাইট, বিভিন্ন রকম রিমােট কন্ট্রোলার, নানা রকম খেলনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় সেগুলােকে ড্রাইসেল বা শুষ্ক কোষ বলে।
সাধারণ ড্রাইসেলে দস্তার চোঙ ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার বা অ্যানােড হিসেবে কাজ করে আর ধাতব টুপি দিয়ে ঢাকা কার্বনদণ্ড ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বা ক্যাথােড হিসেবে কাজ করে।
সূত্রঃ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি

৩০.
বায়ুর চাপ নির্ভর করে কোনটির উপর?
  1. ক) জলীয়বাষ্প
  2. খ) উষ্ণতা
  3. গ) উচ্চতা
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

বায়ুর চাপ সব জায়গায় একরকম থাকে না। কোনাে স্থানে বায়ুর তাপ বেড়ে গেলে বায়ু আয়তনে বেড়ে যায় ও প্রসারিত হয়। ফলে বায়ুহালকা হয় এবং ওজন কমে যায়। তখন সেখানকার বায়ুর চাপ কমে যায়। আবার কোথাও বায়ুর তাপ কমে গেলে সেখানকার বায়ুর ওজন বেড়ে যায়। ফলে বায়ুর চাপও বেড়ে যায়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, বায়ুর তাপ কমলে চাপ বাড়ে এবং বায়ুর তাপ বাড়লে, চাপ কমে।

এছাড়া জলীয়বাষ্প বায়ুর চেয়ে হালকা। এ কারণে বায়ুতে যদি জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হয় তখন সেই বায়ুর ওজন অনেক কমে যায়। ফলে বায়ুর চাপও কম থাকে। বায়ুর চাপ বেশি থাকলে তাকে উচ্চচাপ বলে। আবার বায়ুর চাপ কম থাকলে তাকে নিম্নচাপ বলে।

নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ঃ
নিরক্ষরেখা থেকে ৫ ডিগ্রি উত্তর ও ৫ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে এই নিম্নচাপ বলয় বিস্তৃত। নিরক্ষরেখার উপর সূর্য বৎসরে দুইবার লম্বভাবে কিরণ দেয়। তাই এ অঞ্চল ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতম অঞ্চল। অত্যধিক তাপের জন্য এ অঞ্চলের বায়ু অত্যন্ত হালকা ও প্রসারিত হয়ে উর্ধ্বমূখী হয়। ফলে বায়ুর ওজন কমে যায় এবং নিম্নচাপের সৃষ্টি করে। এভাবেই নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের সৃষ্টি হয়েছে।

ক্রান্তিয় উচ্চচাপ বলয়ঃ
নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে উত্তপ্ত বায়ুউর্ধ্বমুখী হয় এবং যতই উপরে ওঠে ততই ধীরে ধীরে শীতল হয়। শীতল বায়ু ভারী হওয়ার ফলে ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে এবং ক্রান্তীয় অঞ্চলে (কর্কটক্রান্তী ও মকরক্রান্তীর কাছাকাছি) স্থান করে নেয়। এভাবে ২৫ ডিগ্রি থেকে ৩৫ ডিগ্রি উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী অঞ্চলে দুইটি উচ্চচাপ বলয়ের সৃষ্টি হয়। উত্তর গােলার্ধে এর নাম কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় এবং দক্ষিণ গােলার্ধে এর নাম মকরীয় উচ্চচাপ বলয়।

উৎসঃ ভূগােল, এসএসসি প্রােগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১.
ব্যাটারির এক ধরণের সংযােগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় কিন্তু উল্টো সংযােগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না কোন যন্ত্রে?
  1. ক) ডায়োড
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) ক্যাপাসিটর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযােগে হয় না।
ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছােট ছােট আলো হল Light Emitting Diode.
ডায়ােডের আরাে একটি ব্যবহার হচ্ছে AC থেকে DC তৈরি করা অর্থাৎ ডায়োড রেক্টিফায়ার হিসাবে কাজ করে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৩২.
স্কাইল্যাব কি?
  1. ক) একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান
  2. খ) একটি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র
  3. গ) একটি মহাকাশ স্টেশন
  4. ঘ) একটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
স্কাইল্যাব (Skylab) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উৎক্ষেপিত প্রথম মহাকাশ স্টেশন যা ১৪ মে ১৯৭৩ সালে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হয়।
সূত্র: ব্রিটানিকা
৩৩.
এইচআইভি ভাইরাস মানব দেহের কোনটিকে ধ্বংস করে?
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা
  2. খ) শ্বেত রক্তকণিকা
  3. গ) অনুচক্রিকা
  4. ঘ) প্লাজমা
ব্যাখ্যা

মানবদেহে এইচআইভি এর আক্রমণে এইডস রােগ হয়।
এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়। ফলে দেহের রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা লােপ পায়।
এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলাে এইডস। মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়। এইডস রােগের কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।

৩৪.
জ্যোতিষ্ক কত প্রকার?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা

মহাশূন্যে অবস্থিত বস্তুসমূহকে জ্যোতিষ্ক বলা হয়ে থাকে।
জ্যোতিষ্ক ৭ প্রকার।
যথা-নক্ষত্র, নীহারিকা, গ্রহ, উপগ্রহ, ছায়াপথ, ধূমকেতু এবং উল্কা।
উৎস: ভূগােল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৫.
সার কারখানায় ব্যবহৃত হয় না কোন এসিড?
  1. ক) সালফিউরিক এসিড
  2. খ) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  3. গ) নাইট্রিক এসিড
  4. ঘ) ফসফরিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

সার কারখানায় নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3), সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4), ফসফরিক অ্যাসিড (H3PO4) ব্যবহার করে বিভিন্ন রকমের সার প্রস্তুত করা হয়।
টয়লেট পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত পরিষ্কারকের মূল উপাদানহলাে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl), নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3) বা সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4) এর মত শক্তিশালী অ্যাসিড।
বাসাবাড়ির আইপিএস (IPS) বা গাড়ির ব্যাটারির অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলাে সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4)।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।