পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
Exam - 16 Subject: General Knowledge (Bangladesh Affairs) Topic: History of Bangladesh [From Ancient Period to the present day] Constitution of Bangladesh; National Achievements of Bangladesh; Important Literature, Music, films and Others. ---------------- i) প্রাচীন যুগ - প্রাচীন জনপদ বিভিন্ন রাজবংশের শাসন, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি; ii) মধ্যযুগ - মুসলিম শাসন, মুঘল, সুলতানি ও নবাবী আমলে বাংলা ও উপমহাদেশ। iii) উপমহাদেশ ইউরোপীয়দের আগমন, ইংরেজ শাসন ও ইংরেজ শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রাম ও উপমহাদেশের ইতিহাস। iv) ভাষা আন্দোলন, v) যুক্তফ্রন্ট গঠন ও নির্বাচন, vi) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান vii) একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ। viii) জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ পরবর্তী সংস্কার প্রস্তাবনা, xi) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ x) গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য, গান ও ছবি ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
What was the capital of 'Gauda'? 
  1. Karnataka
  2. Pundranagar
  3. Bikrampur
  4. Karnasuvarna
সঠিক উত্তর:
Karnasuvarna
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Karnasuvarna
ব্যাখ্যা

• গৌড়:
- ধারণা করা হয় যে, গুড় উৎপাদনের কেন্দ্র বলে গৌড় নগর ও দেশের নামের উদ্ভব হয়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে 'গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কর্ণসুবর্ণ দেশ ও গৌড়দেশ অভিন্ন।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মধ্যযুগের খ্যাতিমান মুসলিম পণ্ডিত আল বেরুনির বিবরণ অনুযায়ী পূর্বভারতের বিভিন্ন দেশের অর্থাৎ বর্তমান বাংলা, উড়িষ্যা, আসামের আদি মধ্যযুগীয় লিপির প্রকৃত রূপ হলো এই “গৌড়ীয় লিপি”।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
‘Rajban Bihar’ belongs to which district? 
  1. Khagrachhari
  2. Rangamati
  3. Cumilla
  4. Naogaon
সঠিক উত্তর:
Rangamati
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rangamati
ব্যাখ্যা

• রাজবন বিহার: 
- অবস্থান: রাঙ্গামাটি সদর, রাঙ্গামাটি পাবর্ত্য জেলা।
- রাজবন বিহার শুধুমাত্র বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্যই নয়;
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেরই এখানে প্রবেশাধিকার রয়েছে।
- নির্মল প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত এ বিহারে দেখা যাবে স্বর্গীয় সিড়ি।
- বৌদ্ধ ভিক্ষুদের ধ্যানের বিশাল গর্ত।
- আরও আছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন ধর্মীয় মূর্তি।
- যে জিনিসটি বিশেষ দ্রষ্টব্যজনক সেটি হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মগুরু শ্রদ্ধেয় সাধনানন্দ মহাস্থবির (বনভন্তে)'র মৃতদেহ ভক্তদের দেখার জন্য সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।

এছাড়াও,
• কুমিল্লার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিহার হলো: শালবন বিহার, কুটিলা মুড়া, চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া, ইটাখোলা মুড়া এবং সতের রত্নমুড়া।
• সোমপুর মহাবিহার (বর্তমান নওগাঁ জেলায় অবস্থিত) এবং জগদ্দল বিহার (বর্তমান নওগাঁ জেলায় অবস্থিত)।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্যবাতায়ন।

.
Who was referred to as the “Indian Napoleon”?
  1. Ashoka
  2. Samudragupta
  3. Shrigupta
  4. Chandragupta II
সঠিক উত্তর:
Samudragupta
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Samudragupta
ব্যাখ্যা

• সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- এলাহাবাদ প্রশস্তিলিপি সমুদ্রগুপ্তের ইতিহাসের প্রধান উৎস।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
The 'palm-leaf manuscript painting' is a specimen of which period?
  1. Pala period
  2. Gupta period
  3. Maurya period
  4. Kushan period
সঠিক উত্তর:
Pala period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pala period
ব্যাখ্যা

• পাল রাজবংশ:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- সুশাসন, জনকল্যাণ, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, উন্নত জীবনবোধ ইত্যাদি বাংলায় সর্বপ্রথম পালরাই প্রতিষ্ঠিত করে।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপাল নামে অনেক পাল রাজারা বাংলা শাসন করেছেন।
- তালপাতার পুঁথিচিত্র পাল যুগের নিদর্শন
- তালপাতার উপরে চিত্রসম্বলিত বৌদ্ধ গ্রন্থ অষ্টসাহস্রিকা-প্রজ্ঞাপারমিতা পান্ডুলিপির বারোটি রঙ্গিন চিত্র বঙ্গীয় চিত্রকলার প্রাচীনতম নিদর্শন। 
- বর্তমানে দুর্লভ এই পান্ডুলিপি কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটিতে সংরক্ষিত আছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

.
'Operation Kilo Flight' of the Liberation War was named after whom? 
  1. M. A. G. Osmani
  2. M. A. Rab
  3. A. K. Khandakar
  4. Ziaur Rahman
সঠিক উত্তর:
A. K. Khandakar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A. K. Khandakar
ব্যাখ্যা

• এ কে খন্দকার: 
- এ কে খন্দকারের জন্ম ১৯৩০ সালে বাবার কর্মস্থল রংপুরে। 
- তাঁর আদি নিবাস পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার পুরান ভারেঙ্গা গ্রামে। 
- ১৯৪৭ সালে ম্যাট্রিকুলেশন ও ১৯৪৯ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন তিনি। 
- ১৯৫২ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। 
- গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন।

- মুক্তিযুদ্ধের অব্যবহিত আগে এ কে খন্দকার ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর দ্বিতীয় প্রধান।
- সেখান থেকে বেরিয়ে এসে ১৯৭১ সালের মে মাসের মাঝামাঝি মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন।
- তাঁর সঙ্গে ছিলেন বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞ বৈমানিক। তাঁরা মুক্তিবাহিনীর বিমান শাখা গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। 

- নাগাল্যান্ডের ডিমারপুরে একটি বিমানঘাঁটি করা হয় এবং ২৮ সেপ্টেম্বর বিমানবাহিনী গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
 - এই বিমানবাহিনীর যাত্রা শুরু হয়েছিল তিনটি বিমান নিয়ে।
 - এ কে খন্দকারের নাম অনুসারে গঠন করা ‘কিলো ফ্লাইট’ ছিল মুক্তিবাহিনীর বিমান উইংয়ের প্রথম ইউনিট। 
- ‘কে’ দিয়ে যেহেতু খন্দকার হয়, তাই এর নাম দেওয়া হলো ‘কিলো ফ্লাইট’। ‘কে’ ফর কিলো। আর ‘ফ্লাইট’ হচ্ছে বিমানের ভাষায় স্কোয়াড্রন থেকে ছোট একটা ইউনিট। 

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক মুহূর্তে মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
 - স্বাধীনতার পর তিনি প্রথম বিমানবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন।
- তাঁর নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বিমানবাহিনী পুনর্গঠিত হয়। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বিমানবাহিনীর প্রধান ছিলেন তিনি।

- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রাখার জন্য এ কে খন্দকার ১৯৭৩ সালে ‘বীর উত্তম’ খেতাব এবং ২০১১ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। 
- তিনি সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা নিয়ে এ কে খন্দকারের লেখা ১৯৭১: ভেতরে বাইরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের আলোচিত একটি গ্রন্থ। 

- ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ (শনিবার) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। 
- তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।


তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

.
'Mukti Toron' built in memory of the July Movement are located at –
  1. Agargaon
  2. Gulshan
  3. Segunbagicha
  4. Uttara
সঠিক উত্তর:
Agargaon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Agargaon
ব্যাখ্যা

• ‘মুক্তি তোরণ’ ও ‘স্বাধীনতা তোরণ’: 
- রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নবনির্মিত  'মুক্তি তোরণ' উদ্বোধন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। 
- ফ্যাসিবাদবিরোধী ‘জুলাই আন্দোলন’ এর স্মৃতিকে ধারণ করে ‘মুক্তি তোরণ’ ও ‘স্বাধীনতা তোরণ’ দুটি নির্মাণ করা হয়েছে।

- আগারগাঁওয়ের বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোরশেদ সড়কে নির্মিত তোরণটির নাম ‘মুক্তি তোরণ’ ও প্রগতি সরণির বাড্ডা বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে নির্মিত তোরণটির নাম রাখা হয়েছে ‘স্বাধীনতা তোরণ’।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।

.
Where is the historic 'Tara Mosque' located? 
  1. Dhaka
  2. Rajshahi
  3. Naogaon
  4. Khulna
সঠিক উত্তর:
Dhaka
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dhaka
ব্যাখ্যা

• তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

.
Martyred Intellectuals Memorial is located at – 
  1. Savar, Dhaka
  2. Mirpur, Dhaka
  3. Rayerbazar killing ground
  4. University of Dhaka
সঠিক উত্তর:
Mirpur, Dhaka
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mirpur, Dhaka
ব্যাখ্যা

• শহিদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধ:
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবিকে হত্যাকরা হয়। 
-পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী।
-পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- তাঁদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। 
- এর স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস। ১৯৭২ সালে এই স্মৃতিসৌধের নির্মাণকাজ শেষ হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

.
How many times did Sultan Mahmud conducted military expeditions in the Indian subcontinent?
  1. 17 times
  2. 18 times
  3. 20 times
  4. 27 times
সঠিক উত্তর:
17 times
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17 times
ব্যাখ্যা

সুলতান মাহমুদ:
- সুলতান মাহমুদ ছিলেন তুর্কি বংশোদ্ভূত।
- মুহম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু অভিযানের প্রায় তিনশ বছর পর গজনির সুলতান মাহমুদ ভারত অভিযান করেন।
- গজনি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আলপ্তগীন। আলপ্তগীনের ক্রীতদাস ও জামাতা গজনীর আমির সবুক্তগীনের পুত্র ছিলেন সুলতান মাহমুদ।
- এ রাজবংশটি ইসলামের ইতিহাসে ‘গজনি রাজবংশ' নামে পরিচিত।
- সুলতান মাহমুদ ১০০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১০২৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মাত্র ২৭ বছরে ১৭ বার ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযান পরিচালনা করেন।

⇒ সুলতান মাহমুদের সভাকবি ছিলেন মহাকবি ফেরদৌসী।
- ফেরদৌসীর রচিত অমর কাব্যগ্রন্থের নাম শাহনামা।
- ফেরদৌসীকে বলা হয় প্রাচ্যের হোমার। 

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
Who prepared the '21-point manifesto' for the United Front during the 1954 provincial election?
  1. Abul Mansur Ahmed
  2. Tofazzal Hossain Manik Mia
  3. A. K. Fazlul Huq
  4. Abul Hashim
সঠিক উত্তর:
Abul Mansur Ahmed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abul Mansur Ahmed
ব্যাখ্যা

• যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি:
-  ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ সরকারের পতন ঘটানোর উদ্দেশে পূর্বপাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শৃমিক পার্টি ও নেজামে ইসলামী মিলে 'যুক্তফ্রন্ট' নামক একটি নির্বাচনী আঁতাত গড়ে তোলে।
-  পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ও নেজামে ইছলামীর সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। 
-  নির্বাচনের প্রাক্কালে বিভিন্ন দল ও জোট নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো ঘোষণা করে।
-   যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছিল। 
-  ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগ বিরোধী যুক্তফ্রন্টের প্রেরণাশক্তি ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। 
-  তাই যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ২১ ফিগারটিকে চিরস্মরণীয় করার জন্য ২১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
-   আবুল মনসুর আহমেদ ২১ দফার খসড়া প্রণয়ন করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
UNESCO has recently added which Bangladeshi tradition to its Intangible Cultural Heritage list? [January, 2025]
  1. Folk theatre Jatra
  2. Alpana art
  3. Bamboo craft
  4. Tangail sari weaving
সঠিক উত্তর:
Tangail sari weaving
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tangail sari weaving
ব্যাখ্যা

• ইউনেসকোর 'অপরিমেয়/বিমূর্ত/অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- সম্প্রতি বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প ইউনেসকোর 'অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের' (ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজ) তালিকায় স্থান পেয়েছে। 
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ (মঙ্গলবার ) ভারতের নয়াদিল্লিতে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা-ইউনেস্কো তাদের ২০০৩ কনভেনশনের চলমান ২০তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেয়, যা এই কনভেনশনের অধীনে বাংলাদেশের জন্য ষষ্ঠ স্বীকৃতি।
- দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির নন্দনচর্চা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বুননে বিশেষ স্থান দখল করে থাকা টাঙ্গাইলের শাড়ি তার সূক্ষ্ম, দীপ্তিময় নকশা ও অপূর্ব কারুকাজের জন্য বিশ্বে পরিচিত। 

উল্লেখ্য,
 - বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো:
 ১) বাউলগান (২০০৮), 
২) জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), 
৩) মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), 
৪) শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও 
৫) ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।
৬) টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প (২০২৫)


তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১২.
Which woman was recognized as the first martyr of the July Movement?
  1. Naima Sultana
  2. Shahinur Begum
  3. Nasima Akter
  4. Meherun Nesa
সঠিক উত্তর:
Naima Sultana
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Naima Sultana
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ প্রথম নারী:
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে এখন পর্যন্ত সরকার মোট ৮৪৪ জন শহীদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। 
-এর মধ্যে ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জন নারীর নাম রয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের করা পৃথক তালিকাতেও এই ১০ জনের নাম শহীদ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। 
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ প্রথম নারী নাঈমা সুলতানা।
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর উত্তরার বাসার বারান্দায় শুকাতে দেওয়া কাপড় আনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় সে। 

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো। 

১৩.
Who was one of the leaders of the Fakir-Sannyasi Rebellion? 
  1. Dudu Mia
  2. Haji Shariatullah
  3. Musa Shah
  4. Mir Nisar Ali
সঠিক উত্তর:
Musa Shah
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Musa Shah
ব্যাখ্যা

• ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ব্যাপ্তিকাল প্রায় ৪০ বছর (১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দে)।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু হয়।
- বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।
- ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
Tamaddun Majlis associated with the Language Movement was which type of institution? 
  1. Cultural organization
  2. Political organization
  3. Religious organization
  4. Economic organization
সঠিক উত্তর:
Cultural organization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cultural organization
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
- পশ্চিম পাকিস্তানে শতকরা ৯৭ ভাগ এবং পূর্ব বাংলায় শতকরা ৮০ ভাগ অধিবাসী ছিল মুসলমান।
- অধিকাংশ অধিবাসীর ধর্ম এক হলেও ভাষা ছিল ভিন্ন।
- তাই পাকিস্তান সৃষ্টির সময় রাষ্ট্রভাষা কী হওয়া উচিত এ বিষয়ে বিতর্ক শুরু হয়। 
- ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার প্রস্তাব করলে পূর্ব বাংলার বুদ্ধিজীবীমহল, ছাত্রসমাজ, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী প্রমুখ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পাল্টা প্রস্তাব করে। 
- তখনই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন। 

- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়। 
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। 

- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- এ সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়। 

- পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।


তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়.

১৫.
The 'Karrani dynasty' in Bengal was founded by whom? 
  1. Bayezid Khan Karrani
  2. Salauddin Khan Karrani
  3. Taj Khan Karrani
  4. Daud Khan Karrani
সঠিক উত্তর:
Taj Khan Karrani
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Taj Khan Karrani
ব্যাখ্যা

• কররানি শাসন:
- কররানি উপাধিধারী আফগানরা হচ্ছে একটি আফগান গোত্র।
- কররানীদের আদি নিবাস ছিল আফগানিস্তানের বঙ্গাশ নামক স্থানে। বর্তমানে এটি কুররম নামে অভিহিত।
- পাঠানদের কররানী শাখা আফগানিস্তানে করলানি নামে পরিচিত।
- ১৫৬৪ সালে তাজ খান কররানি বাংলায় কররানি বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি এক সময় শেরশাহের অধীনে চাকরি করতেন।
- ১৫৬৫ সালে তিনি বাংলার অধিপতি হওয়ার এক বছরের মধ্যে মারা যান।
- তাঁর ভাই সুলেমান কররানি প্রায় সাত বছর বাংলার সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- এই সময়ের মধ্যে তিনি বাংলাকে উত্তর-পূর্ব ভারতের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করেছিলেন।
- তাঁর আমলে বাংলায় অপেক্ষাকৃত সুশাসন ও শান্তি বিরাজ করেছে।
- সুলায়মান কররানীর জ্যেষ্ঠ পুত্র বায়েজীদ কররানী তাঁর উত্তরাধিকারী হন।
- তিনি তাঁর পিতার নীতি পরিহার করে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- বায়েজীদ কররানী মাত্র অল্প কয়েকমাস বাংলা শাসন করেন।
- ১৫৭৩ খ্রিস্টাব্দে বায়েজীদের কনিষ্ঠ ভ্রাতা দাউদ কররানীকে বাংলার সিংহাসনে অভিষিক্ত করেন।
- দাউদ তাঁর ভাইয়ের স্বাধীন নীতি অনুসরণ করে নিজের নামে খুৎবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলন করেন।
- ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ জুলাই রাজমহলের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। দাউদ কররানী বন্দি হন এবং তাঁকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়।
- দাউদ কররানীর মৃত্যুদন্ডের ফলে বাংলায় স্বাধীন মুসলিম শাসনের অবসান ও মুঘল শাসনের সূচনা হয়।

তথ্যসূত্র:  ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১৬.
In which year did Vasco da Gama arrive in the Indian subcontinent?
  1. In 1492
  2. In 1495
  3. In 1498
  4. In 1501
সঠিক উত্তর:
In 1498
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In 1498
ব্যাখ্যা

• পর্তুগিজ:
-  পর্তুগিজদের মধ্যে যে দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন, তিনি ভাস্কো-ডা-গামা। 
-  ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে তার এ উপমহাদেশে আগমন ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
-   প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল হলেও তাদের অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপের ঘাঁটি দখল করে, তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করেন।
-  তাছাড়া পর্তুগিজরা এদেশে আগত ইউরোপীয় অন্যন্য শক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়ে এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
Who was appointed as the first judge of Bangladeshi descent in United States history?
  1. Soma S. Said
  2. Tasnim Haque
  3. Sharmin Chowdhury
  4. Nusrat Jahan
সঠিক উত্তর:
Soma S. Said
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Soma S. Said
ব্যাখ্যা

• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি: 
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের প্রথম মুসলিম বিচারপতি হিসেবে নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন সোমা এস সাইদ।

- সোমা সাঈদ বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তার বাবা আফতাব উদ্দিন সাঈদ ছিলেন একজন ম্যাজিস্ট্রেট এবং মা ছিলেন একজন প্রধান শিক্ষিকা।

- তিনি ২০২১ সালে কুইন্স কাউন্টি থেকে নিউ ইয়র্ক সিটি সিভিল কোর্টের বিচারক হিসেবে নির্বাচিত হন।
- এরপর থেকে আইনি ও নাগরিক পরিমণ্ডলে তিনি সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।
- এছাড়া, তিনি কুইন্স কাউন্টি উইমেনস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম দক্ষিণ এশীয় এবং মুসলিম নারী সভাপতি ছিলেন। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ প্রতিদিন। 

১৮.
How many pledges are included in the July National Charter?
  1. Five 
  2. Six
  3. Seven
  4. Eight
সঠিক উত্তর:
Seven
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Seven
ব্যাখ্যা

• জুলাই জাতীয় সনদ:
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- জুলাই জাতীয় সনদকে চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রণীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
- এই সনদ বাস্তবায়নে মোট সাত দফা অঙ্গীকার করা হয়েছে।

⇒ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ২৪টি রাজনৈতিক দলের ৪৮ জন প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সনদে সই করেন।
- এরপর সই করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ কমিশনের সদস্যরা। 
- সাত দফা অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে প্রণীত ৪০ পৃষ্ঠার এই সনদের তিনটি ভাগের মধ্যে প্রথম ভাগে পটভূমি, দ্বিতীয় ভাগে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব ও তৃতীয় ভাগে সনদ বাস্তবায়নের সাত দফা অঙ্গীকার রয়েছে। 

⇒  এই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৭টি বিষয়কে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’ এবং বাকি ৩৭টি বিষয়কে ‘আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঐকমত্য কমিশন। জুলাই সনদের পটভূমি ব্যাখ্যা করে সংস্কারযজ্ঞ নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমসহ সংস্কারের ৮৪ দফা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো কী অঙ্গীকার করছে, তা উল্লেখ করার পর স্বাক্ষরের জায়গা রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।

১৯.
“Shalban Vihara” is an architectural creation of which dynasty?
  1. Sen 
  2. Pala
  3. Chandra
  4. Deva
সঠিক উত্তর:
Deva
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Deva
ব্যাখ্যা

• শালবন বিহার:
- শালবন বৌদ্ধ বিহার বাংলাদেশের প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতম।
-কুমিল্লা শহর হতে প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে সদর দক্ষিণ উপজেলার কুমিল্লা কোটবাড়ী এলাকায় অবস্থিত।
- খ্রিস্টীয় ৭ম হতে ৮ম শতক পর্যন্ত দেব বংশের শাসন আমলে চতুর্থ রাজা ভবদেব শালবন রাজার প্রাসাদ (শালবন বিহার) নির্মাণ করেন। 
- বর্গাকার বিহারটির চার বাহুতে সর্বমোট ১১৫টি ভিক্ষু কক্ষ, মধ্যভাগে ১টি বৌদ্ধ মন্দির এবং মূল মন্দিরের চারপাশে ছোট ছোট ১০টি মন্দির এবং ১২টি স্তূপের ধ্বংসাবশেষ উন্মোচিত হয়েছে। 
-এখানে কয়েক দফা প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পোড়ামাটির ফলক, ব্রোঞ্জের মূর্তি, নকশাকৃত ইট ও মুদ্রাসহ বিভিন্ন প্রত্নবস্তু আবিষ্কৃত হয়েছে।

অন্যদিকে,
-  তিববতীয় সূত্র থেকে জানা যায় পাল বংশের রাজা ধর্মপাল ভাগলপুরের নিকটে ‘বিক্রমশীলা মহাবিহার’ ও নওগাঁ নির্মাণ করেন। 


তথ্যসূত্র: প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক সংরক্ষিত ঘোষিত পুরাকীর্তির তালিকা, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২০.
How many seats were recommended for the Upper House by the Constitutional Reform Committee?
  1. 100
  2. 105
  3. 110
  4. 115
সঠিক উত্তর:
105
উত্তর
সঠিক উত্তর:
105
ব্যাখ্যা

- নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন। 

• সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),

তথ্যসূত্র: সংবিধান সংস্কার কমিশন। 

২১.
“Ma Go Bhavna Keno / Amra Tomar Shantipriyo Shanto Chele” was sung by which artist?
  1. Hemanta Mukhopadhyay 
  2. Abdul Gaffar Chowdhury
  3. Gauriprasanna Majumdar
  4. Gobind Haldar
সঠিক উত্তর:
Hemanta Mukhopadhyay 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hemanta Mukhopadhyay 
ব্যাখ্যা

- মা গো ভাবনা কেন / আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে’ গানটির গায়ক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।

• মা গো ভাবনা কেন / আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে:
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ নামের জাতিরাষ্ট্রের স্বাপ্নিকদের দুটি গান যেমন অশেষ প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করেছে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন নয় মাস ধরে তন্মধ্যে ‘মা গো ভাবনা কেন/ আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে' গানটি অন্যতম।
- এই গানটির রচয়িতা বিখ্যাত গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। 
- তাঁকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- গানটির সুরকার ও গায়ক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।
-  বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে তাঁকে (গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারকে) মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননায় (মরণোত্তর) ভূষিত করে।
 
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

২২.
The “Mayur Singhasan” was made by which historical figure? 
  1. Nadir Shah
  2. Emperor Humayun
  3. Isha Khan
  4. Emperor Shah Jahan
সঠিক উত্তর:
Emperor Shah Jahan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Emperor Shah Jahan
ব্যাখ্যা

• ময়ূর সিংহাসন:
- ১৭শ শতাব্দীতে মুঘল সম্রাট শাহজাহান সোনার তৈরি ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন।
- সিংহাসনটিতে রূপার সিড়ি দিয়ে আরোহণ করা হতো।
- সিংহাসনের পেছনে দুটি ময়ূরের ছবি ছিল, যারা তাদের অনিন্দ্যসুন্দর পেখম ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
- আর এই পেখমগুলো খচিত ছিল নানা রকম দুষ্প্রাপ্য আর অতিমূল্যবান রত্নপাথর দিয়ে।
- এর মাঝে ছিল নীলকান্ত মণি, পান্না, চুনি কিংবা পদ্মরাগ মণি, মুক্তা ও অন্যান্য মূল্যবান পাথর।
- সিংহাসনের ৪টি পায়া নিরেট স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত ছিল এবং ১২টি মরকত মণির স্তম্ভের উপর চন্দ্রাতপ ছাদ আচ্ছাদন করা হয়েছিল। 

উল্লেখ্য,
- ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট মোহাম্মদ শাহের শাসনামলে, পারস্য সম্রাট নাদির শাহ ভারতবর্ষ অভিযানকালে লুণ্ঠন করে নিয়ে যায় সিংহাসনটি।
- এর সৌন্দর্য দেখে পাগল হয়ে নাদির শাহ সিংহাসনটি সঙ্গে নিয়ে যান নিজ দেশ পারস্যে অর্থাৎ বর্তমান ইরানে।
- ১৭৪৭ সালে নাদির শাহ আততায়ীর হাতে নিহত হন। এরপরই আসল ময়ূর সিংহাসনটি হারিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ব্রিটানিকা। 

২৩.
The documentary “36th July” was made by which filmmaker?
  1. Debasish Biswas
  2. Mostofa Sarwar Farooki
  3. Anam Biswas
  4. Shankha Dasgupta
সঠিক উত্তর:
Debasish Biswas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Debasish Biswas
ব্যাখ্যা

• ৩৬শে জুলাই:
- ৩৬শে জুলাই তথ্যচিত্রটি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন নিয়ে নির্মিত।
- ৩৬শে জুলাই তথ্যচিত্রটির নির্মাতা দেবাশীষ বিশ্বাস।
- ‘তথ্যচিত্রটিতে কোমলমতি ছাত্রদের চিন্তা-চেতনা প্রকাশ করা হয়েছে।

এছাড়া, 
- জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা সৌমিত্র দস্তিদার।
- ‘৩৬ জুলাই’ নামের তথ্যচিত্রে কথা বলেছেন বাংলাদেশের প্রবীণ বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দিন উমর, সাংবাদিক তাসনিম খলিল, অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ, তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে শারমিন আহমেদ, ছাত্রনেতা মেঘমল্লার বসু ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কর্মী উমামা ফাতেমা।

তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ।

২৪.
Which architectural style does the 'Shatgumbad Mosque' represent?
  1. Mughal
  2. Sultani
  3. Nawabi
  4. European
সঠিক উত্তর:
Sultani
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sultani
ব্যাখ্যা

• ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ সুলতানী স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন।

- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন। 
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। 
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। 
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর  ওয়েবসাইট।

২৫.
Who referred to Bengal as “Bulgakpur”? 
  1. Ziauddin Barani
  2. Al-Biruni
  3. Ibn Battuta
  4. Abu’l Fazl
সঠিক উত্তর:
Ziauddin Barani
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ziauddin Barani
ব্যাখ্যা

• বাংলায় তুর্কি শাসনের ইতিহাস: 
- বাংলায় মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা করেন বখতিয়ার খলজি। 
- এ পর্বের প্রথম পর্যায় ছিল ১২০৪ থেকে ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। 
- এ যুগের শাসনকর্তাদের পুরোপুরি স্বাধীন বলা যাবে না। 
- তাঁদের কেউ ছিলেন বখতিয়ারের সহযোদ্ধা খলজি মালিক, আবার কেউ কেউ তুর্কি বংশের শাসক। 
- শাসকদের সকলেই দিল্লির সুলতানদের অধীনে বাংলার শাসনকর্তা হয়ে এসেছিলেন। 
- পরবর্তীকালে অনেক শাসনকর্তাই দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বাধীন হতে চেয়েছেন। 
- তবে তাঁদের বিদ্রোহ শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। 
- দিল্লির আক্রমণের মুখে তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। 
- মুসলিম শাসনের এ যুগ ছিল বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ। 
- তাই ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলাদেশের নাম দিয়েছিলেন 'বুলগাকপুর'। এর অর্থ 'বিদ্রোহের নগরী'।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।