পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩৪: বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. ধ্বনিতত্ত্ব [ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি] ২. শব্দপ্রকরণ [লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক।] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ নয় -
  1. আশ্চর্য = আ + চর্য
  2. বনস্পতি = বন + পতি
  3. উৎ + হার = উদ্ধার
  4. বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি
ব্যাখ্যা
কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি সন্ধির উদাহরণ:
- আশ্চর্য = আ + চর্য,
- ষোড়শ = ষট্‌ + দশ,
- একাদশ = এক + দশ,
- দ্যুলোক = দিব্‌ + লোক;
- বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি,
- গোষ্পদ = গো + পদ ,
- বনস্পতি = বন + পতি
- পরস্পর = পর + পর ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম: 
- ত ও দ এর পর হ থাকলে ত্‌ ও দ্‌ এর স্থলে দ এবং হ এর স্থলে ধ হয়।

যেমন:
পদ্ + হতি = পদ্ধতি,
তৎ+ হিত = তদ্ধিত,
উৎ + হার = উদ্ধার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ); ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
টা, টি, খানা, খানি ইত্যাদি -
  1. সংখ্যাবাচক বিশেষণ
  2. পদাশ্রিত নির্দেশক
  3. নির্দেশক সর্বনাম
  4. অব্যয়
ব্যাখ্যা
পদাশ্রিত নির্দেশক:
কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা পরে সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত অব্যয় বা পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। বাংলায় নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article 'The'-এর স্থানীয়। বচনভেদে পদাশ্রিত নির্দেশকেরও বিভিন্নতা প্রযুক্ত হয়।

(ক) একবচনে টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি নির্দেশক ব্যবহৃত হয়। যেমন- টাকাটা, বাড়িটা, কাপড়খানা, বইখানি, লাঠিগাছা, চুড়িগাছি ইত্যাদি।
(খ) বহুবচনে গুলি, গুলা, গুলো, গুলিন প্রভৃতি নিদের্শক প্রত্যয় সংযুক্ত হয়। যেমন মানুষগুলি, লোকগুলো, আমগুলো, পটলগুলিন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।
.
'হেমাঙ্গ' এর স্ত্রীবাচক শব্দ -
  1. হেমাঙ্গিনি
  2. হেমাঙ্গী
  3. হেমাঙ্গা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• 'হেমাঙ্গ' এর স্ত্রীবাচক শব্দ - হেমাঙ্গী/ হেমাঙ্গা/ হেমাঙ্গিনি

নরবাচক শব্দকে নারীবাচক শব্দে পরিবর্তিত করতে সাধারণত কিছু প্রত্যয় যোগ করতে হয়।
যেমন-
আ প্রত্যয়: বৃদ্ধ - বৃদ্ধা, প্রিয় - প্রিয়া
ই প্রত্যয়: দাদা - দাদি, জেঠা - জেঠি ।
ইনি প্রত্যয়: কাঙাল - কাঙালিনি, বাঘ - বাঘিনি।
ইনী প্রত্যয়: বিজয় - বিজয়িনী, তেজস্বী - তেজস্বিনী।
ঈ প্রত্যয়: নার - নারী, কিশোর - কিশোরী।
নি প্রত্যয়: জেলে - জেলেনি, বেদে - বেদেনি।
বতী প্রত্যয়: গুণবান - গুণবতী, পূণ্যবান - পূণ্যবতী।
মতী প্রত্যয়: বুদ্ধিমান - বুদ্ধিমতী, শ্রীমান - শ্রীমতী ইত্যাদি ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ); বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. মরণ
  2. ক্রন্দণ
  3. উষ্ণ
  4. ভাষণ
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - ক্রন্দণ।
এর শুদ্ধ বানান - ক্রন্দন।

ণ-ত্ব বিধান:

- বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ণ ধ্বনির ব্যবহার নেই। সেজন্য বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন এর ব্যবহার আছে। তা বাংলায় অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়। তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।

• ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়।
যেমন:
- ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।

• ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত 'ন' কখনো 'ণ' হয় না, ন হয়।
যেমন -
- অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি একবচন বাচক নির্দেশক?
  1. গাছি
  2. গুলি
  3. গুলিন
  4. গুলা
ব্যাখ্যা
পদাশ্রিত নির্দেশক:
কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা পরে সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত অব্যয় বা পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। বচনভেদে পদাশ্রিত নির্দেশকেরও বিভিন্নতা প্রযুক্ত হয়।

যেমন:
• একবচনে টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি নির্দেশক ব্যবহৃত হয়। যেমন- টাকাটা, বাড়িটা, কাপড়খানা, বইখানি, লাঠিগাছা, চুড়িগাছি ইত্যাদি।

• বহুবচনে গুলি, গুলা, গুলো, গুলিন প্রভৃতি নিদের্শক প্রত্যয় সংযুক্ত হয়। যেমন- মানুষগুলি, লোকগুলো, আমগুলো, পটলগুলিন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকারণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
.
'শ্রোতা' শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. শ্রোত্রী
  2. শ্রোত্রিনি
  3. শ্রোত্রি
  4. শ্রোত্রিনী
ব্যাখ্যা
বিশেষ নিয়মে সাধিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
- যেসব পুরুষবাচক শব্দের শেষে ‘তা’ রয়েছে, স্ত্রীবাচক বোঝাতে সেসব শব্দে ‘ত্রী’ হয়।

যেমন:
নেতা- নেত্রী,
কর্তা-কর্ত্রী,
শ্রোতা-শ্রোত্রী,
ধাতা-ধাত্রী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ -
  1. তেহাই
  2. তেসরা
  3. তৃতীয়
  4. আধ
ব্যাখ্যা
পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়। পূরণবাচক শব্দ তিন ধরনের হয়।

যেমন:
সাধারণ পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় , চতুর্থ ইত্যাদি।
তারিখ পূরণবাচক: পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আধ, সাড়ে পোয়া, দেড় আড়াই তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'ইনী' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ -
  1. পূণ্যবতী
  2. বিজয়িনী
  3. নারী
  4. কিশোরী
ব্যাখ্যা
• 'ইনী' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:

যেমন:
বিজয় - বিজয়িনী,
তেজস্বী - তেজস্বিনী।

অন্যদিকে
'ঈ' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ - নর - নারী, কিশোর - কিশোরী।
'বতী' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ - গুণবান - গুণবতী, পূণ্যবান - পূণ্যবতী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
.
"প্রৌঢ়" শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. প্র + ঊঢ়
  2. প্রৌ + ঊঢ়
  3. প্রৈ + উঢ়
  4. প্রৈ + ঊঢ়
ব্যাখ্যা
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি:

যেমন:
- স্বৈর = স্ব + ঈর, 
- কুলটা = কুল + অটা, 
- অন্যান্য = অন্য + অন্য,
- প্রৌঢ় = প্র + ঊঢ় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
কোনটি পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব?
  1. পটাপট
  2. এলো মেলো
  3. ঝমঝম
  4. হাতে হাতে
ব্যাখ্যা
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।

যেমন:
- জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

• বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত: ভালো ভালো (কথা), কত কত (লোক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড় উড় (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।
• বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত: কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

অন্যদিকে,
- ‘এলো মেলো’ অনুকার শব্দদ্বিত্বের উদাহরণ।
- ঝমঝম ও পটাপট ধ্বন্যাত্মক শব্দদ্বিত্বের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
‘একাদশ’ কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. তারিখ পূরণবাচক
  2. গুণিতক পূরণবাচক
  3. সাধারণ পূরণবাচক
  4. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
সাধারণ পূরণবাচক:
- ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।

যেমন:
- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারােতম ইত্যাদি।

- সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়।
যেমন:
- ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১২.
কোনটি অশুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ?
  1. সদা + এব = সদৈব
  2. পদ্‌ + অঞ্চলি = পতঞ্চলি
  3. মত + ঐক্য = মতৈক্য
  4. তথা + এবচ = তথৈবচ
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ - পদ্‌ + অঞ্চলি = পতঞ্চলি
এর শুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ - পতৎ + অঞ্চলি = পতঞ্চলি।

সন্ধির নিয়ম:

• অ-কার কিংবা অ-কারের পর এ-কার কিংবা ঐ-কারের থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয়, ঐ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়।

যেমন:
- জন + এক = জনৈক,
- সদা + এব = সদৈব,
- মত + ঐক্য = মতৈক্য,
- মহা + ঐশ্বর্য = মহৈশ্বর্য,
- তথা + এবচ = তথৈবচ,
- ষট্‌ + আনন = ষড়ানন।

উৎস: বাংলা ভাষা ব্যকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ )।
১৩.
কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ?
  1. ঠুকঠুক
  2. উড়ু উড়ু
  3. চুপচাপ
  4. ঘর-টর
ব্যাখ্যা
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
- কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে।

যেমন:
- টুং টুং,
- ঠুকঠুক,
- শোঁ শোঁ,
- খক খক,
- দুম দুম।

অন্যদিকে,
• ঘর-টর, চুপচাপ - অনুকার দ্বিত্বের উদাহরণ।
• উড়ু উড়ু - পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বের উদাহরণ।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪.
"হাচ্ছানি" শব্দটি কোন সন্ধিযোগে গঠিত?
  1. ব্যঞ্জনসন্ধি
  2. স্বরসন্ধি
  3. বিসর্গসন্ধি
  4. নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
ব্যাখ্যা
• "হাচ্ছানি" শব্দটি 'ব্যঞ্জনসন্ধি' সন্ধিযোগে গঠিত।
"হাচ্ছানি" শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ - হাত + ছানি = হাচ্ছানি।

সন্ধির নিয়ম:
- ত- বর্গীয় ধ্বনি ও চ- বর্গীয় ধ্বনি পাশাপাশি এলে প্রথমটি লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়।
যেমন:
- নাত + জামাই = নাজজামাই,
- বদ্ + জাত, = বজ্জাত,
- হাত + ছানি = হাচ্ছানি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
'পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির।' - বাক্যে 'মিটির মিটির' কোন অর্থ প্রকাশ করছে?
  1. পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে
  2. ধ্বনিব্যঞ্জনা
  3. বিশেষণ বোঝাতে
  4. অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে
ব্যাখ্যা
অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি:
ভাবের গভীরতা বোঝাতে: সবাই হায় হায় করতে লাগল। ছি ছি, তুমি এত খারাপ!
পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে: বার বার সে কামান গর্জে উঠল।
অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে: ভয়ে গা ছম ছম করছে। ফোঁড়াটা টন টন করছে।
বিশেষণ বোঝাতে: পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির।
ধ্বনিব্যঞ্জনা: ঝির ঝির করে বাতাস বইছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬.
'নিশ্ছিদ্র' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. নিশ + ছিদ্র
  2. নি + ছিদ্র
  3. নিশঃ + ছিদ্র
  4. নিঃ + ছিদ্র
ব্যাখ্যা
বিসর্গ সন্ধি:
- পূর্বপদের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকলে এবং পরপদের প্রথমে চ্ বা ছ্‌ থাকলে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ্, ট্‌ বা ঠ্‌ থাকলে ষ্‌; ত থাকলে স্ হয় এবং পরবর্তী ব্যঞ্জনে তা যুক্ত হয়।

যেমন:
- নিঃ + ছিদ্র = নিশ্ছিদ্র,
- শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ,
- চতুঃ + টয় = চতুষ্টয়,
- ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার,
- নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর,
- মনঃ + তাপ = মনস্তাপ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৭.
নিত্য পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
  1. কুলটা
  2. শূদ্র
  3. সেনাপতি
  4. শিষ্য
ব্যাখ্যা
নিত্য পুরুষবাচক শব্দ:
- কবিরাজ,
- কৃতদার,
- অকৃতদার,
- ঢাকী,
- সেনাপতি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ - কুলটা।
- শিষ্য-শিষ্যা,
- শূদ্র-শূদ্রা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
'ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি।' - এখানে ‘ডেকে ডেকে' দ্বিরুক্তিটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. পৌনঃপুনিকতা
  2. অস্থিরতা
  3. দীর্ঘকাল স্থায়ী
  4. স্বল্পকাল স্থায়ী
ব্যাখ্যা
ক্রিয়াবাচক শব্দের দ্বিরুক্তি:

বিশেষণ রূপে:
- এ দিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা।
- তোমার নেই নেই ভাব গেলো না।

স্বপ্লকাল স্থায়ী বোঝাতে:
- দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এলো।

ক্রিয়া বিশেষণ:
- দেখে দেখে যেও।
- ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কীভাব?

পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে:
- ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।