পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৫০
সিলেবাস
Exam - 11 Topics: D. Foreign Policy of Bangladesh: The Big Power Diplomacy in the Bangladesh Liberation War, The Nature and the Objectives of Bangladesh's Foreign Policy, Foreign Policy Making Process in Bangladesh, Economic and Political bases of Bangladesh Foreign Policy, Bangladesh and its South Asian Neighbours, Bangladesh's Relations with the US, Former Soviet Union, Russia, China and theEU, Bangladesh and the Islamic World, Bangladesh and UNO,Recent trends in Bangladesh Foreign Policy Source: Class - 9 and Relavant Books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৫০ প্রশ্ন

.
The principle of Bangladesh’s foreign policy is— (বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি হলো—)
  1. Friendship with major powers only (কেবলমাত্র প্রধান শক্তিধর রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্ব)
  2. Friendship to all, malice towards none (সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়)
  3. Alliance with neighboring countries (প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে জোট গঠন)
  4. Support for Cold War blocs (ঠান্ডা যুদ্ধকালীন ব্লক রাজনীতিকে সমর্থন)
ব্যাখ্যা

- স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন যে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে “সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়।”
- এই নীতি পরবর্তীতে বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত হয়। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতি উন্নয়নের উপর জোর দেয়, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাষ্ট্র শক্তি প্রয়োগ পরিহার করে, আন্তর্জাতিক বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করে এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে জাতীয় সমৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে।
- বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে; কোনো শক্তিধর দেশের পক্ষপাতিত্ব করে না, সব দেশের সঙ্গে সমানভাবে সম্পর্ক রাখে;কারো সঙ্গে শত্রুতা পোষণ না করে সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করে।
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জানিয়ে দেয় যে, দেশটি কোনো সামরিক জোট বা ঠান্ডা যুদ্ধকালীন ব্লকের সাথে যুক্ত হবে না; বরং শান্তি, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সকল দেশের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলবে।

সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

.
The Indo-Soviet Treaty of Peace, Friendship and Cooperation was signed in—(ভারত-সোভিয়েত শান্তি, মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়—)
  1. August 1971 (আগস্ট ১৯৭১)
  2. December 1971 (ডিসেম্বর ১৯৭১)
  3. March 1971 (মার্চ ১৯৭১)
  4. January 1972 (জানুয়ারি ১৯৭২)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সমর্থন দিচ্ছিল। এ অবস্থায় ভারত একা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছিল। তাই ভারত কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য ৯ আগস্ট ১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে "শান্তি, মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তি" স্বাক্ষর করে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পরস্পরের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্বার্থে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করে।
- পাকিস্তানের পক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রভাবকে ভারসাম্য করে তোলে।
- এই চুক্তি ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিজয় ও আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মোড়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

.
What was the main reason behind US support for Pakistan in 1971? (১৯৭১ সালে পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের প্রধান কারণ কী ছিল?)
  1. Religious affinity (ধর্মীয় ঘনিষ্ঠতা)
  2. Pakistan’s role in Cold War diplomacy (opening to China) (শীতল যুদ্ধকালীন কূটনীতিতে পাকিস্তানের ভূমিকা – চীনের সাথে সম্পর্ক স্থাপন)
  3. Economic aid from Pakistan (পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সহায়তা)
  4. Cultural ties (সাংস্কৃতিক সম্পর্ক)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সমর্থন দেয় মূলত শীতল যুদ্ধকালীন কৌশলগত কারণে। সেই সময় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছিল।যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চেয়েছিল, যাতে সোভিয়েত প্রভাবকে ভারসাম্য করা যায়।
- পাকিস্তান ছিল এই যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ সেতু। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ১৯৭১ সালে হেনরি কিসিঞ্জারের গোপন বেইজিং সফর সম্পন্ন হয়, যা পরে নিক্সন–মাও সাক্ষাতের পথ তৈরি করে। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দমননীতির পরেও যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক স্বার্থে পাকিস্তানকে সমর্থন দিয়ে যায়।
- যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তান সমর্থনের মূল কারণ ছিল না ধর্মীয়, অর্থনৈতিক বা সাংস্কৃতিক সম্পর্ক, বরং চীনের সাথে সম্পর্ক স্থাপন ও শীতল যুদ্ধকালীন কৌশলগত কূটনীতি।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - অধ্যাপক ড. শওকত আরা হোসাইন 

.
Which big power used its veto in the UN Security Council against Bangladesh’s membership in 1972? (১৯৭২ সালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদে কোন পরাশক্তি ভেটো ব্যবহার করেছিল?)
  1. USA (যুক্তরাষ্ট্র)
  2. USSR (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
  3. China (চীন)
  4. UK (যুক্তরাজ্য)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর বাংলাদেশ দ্রুত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া শুরু করে। বাংলাদেশ জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ পাওয়ার জন্য ১৯৭২ সালে আবেদন করে। কিন্তু জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভোটের সময় চীন ভেটো (Veto Power) প্রদান করে।
- চীন ভেটো দেয়ার প্রধান কারণ ছিল পাকিস্তান তখনও বাংলাদেশের স্বাধীনতা মেনে নিতে চাইছিল না, আর পাকিস্তান ছিল চীনের ঘনিষ্ঠ মিত্র, চীন পাকিস্তানকে সমর্থন করে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে দুর্বল করার চেষ্টা করে, চীন তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের পথে ছিল এবং পাকিস্তান এই যোগাযোগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছিল।
- ফলে বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে জাতিসংঘে যোগ দিতে পারেনি। অবশেষে, পাকিস্তানের স্বীকৃতি পাওয়ার পর, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

.
During the Liberation War, which country sent its Seventh Fleet to the Bay of Bengal in support of Pakistan? (মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানকে সমর্থন জানাতে কোন দেশ সপ্তম নৌবহর বঙ্গোপসাগরে পাঠিয়েছিল?)
  1. USSR (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
  2. USA (যুক্তরাষ্ট্র) 
  3. China (চীন)
  4. UK (যুক্তরাজ্য)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও মুক্তিবাহিনী পাকিস্তান সেনাদের উপর চূড়ান্ত চাপ সৃষ্টি করে।
- এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে বাঁচানোর জন্য কূটনৈতিক ও সামরিকভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করে।
- ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার Seventh Fleet (সপ্তম নৌবহর) বঙ্গোপসাগরে পাঠায়।
- উদ্দেশ্য ছিল ভারতকে ভয় দেখানো এবং পাকিস্তানের পক্ষে শক্তি প্রদর্শন করা।তবে সোভিয়েত নৌবাহিনীর উপস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক ভারসাম্যের কারণে সপ্তম নৌবহর কোন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি।
- ফলে যুদ্ধের ফলাফলে এর কোনো প্রভাব পড়েনি এবং বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে।
- সপ্তম নৌবহর ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানপন্থী অবস্থানের একটি প্রতীকী উদাহরণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম

.
Which country was the first to recognize independent Bangladesh in 1971? (১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রথম কোন দেশ স্বীকৃতি দেয়?)
  1. USA (যুক্তরাষ্ট্র)
  2. India (ভারত)
  3. China (চীন)
  4. USSR (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনারা আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা লাভ করে।
- ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয় ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর। একই দিনে ভুটানও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।  তবে ভারতের স্বীকৃতিকে অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সংসদে এ ঘোষণা দেন এবং পরে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদকে চিঠি দিয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। 
- ভারতের এই স্বীকৃতির পেছনে কারণ ছিল ভারত মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রধান সমর্থক ও সহযোগী ছিল;ভারত সামরিক, কূটনৈতিক ও মানবিকভাবে বাংলাদেশের পাশে ছিল;স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে ভারত আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রথম সমর্থক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করল।
- ভারতের এই পদক্ষেপ অন্য দেশগুলোর জন্যও একটি ধাক্কা হিসেবে কাজ করে, ফলে অন্যান্য দেশও দ্রুত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে শুরু করে।  তাই ভারতের স্বীকৃতি ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণ করার প্রথম পদক্ষেপ।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ২৫শে জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল।
- চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট। 
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

.
Which of the following is a key objective of Bangladesh’s foreign policy? (নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য?)
  1. Territorial expansion (ভূ-সম্পদের সম্প্রসারণ)
  2. Promoting peace, security, and development  (শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন প্রচার)
  3. Military dominance (সামরিক প্রাধান্য)
  4. Cultural isolation (সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য হলো শান্তি, নিরাপত্তা এবং সার্বভৌম উন্নয়ন নিশ্চিত করা। 
- মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। 
- বাংলাদেশ কোনও আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক শক্তিকে বিরোধীভাবে ব্যবহার করে আধিপত্য বিস্তার করতে চায় না। 
- বিদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক, বহুপাক্ষিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণের মাধ্যমে শান্তি ও উন্নয়ন প্রচার করা এর মূল উদ্দেশ্য। 
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি অগ্রহণযোগ্যতা, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও উন্নয়নমুখী কূটনীতি ভিত্তিক। 
-  ভূ-সম্পদ সম্প্রসারণ, সামরিক প্রাধান্য বা সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা নয়, বরং শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - অধ্যাপক ড. শওকত আরা হোসাইন 

.
Which foreign policy objective relates to Bangladesh’s role in international organizations? (আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের ভূমিকার সাথে সম্পর্কিত পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য হলো—)
  1. Strengthening global peace and security  (বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদার করা)
  2. Territorial expansion (ভূ-সম্পদের সম্প্রসারণ)
  3. Forming military alliances (সামরিক জোট গঠন)
  4. Isolation from international law (আন্তর্জাতিক আইন থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সংস্থায় সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা কে প্রধান লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করে।
- জাতিসংঘ, SAARC, OIC ইত্যাদি সংস্থায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য সহায়ক কূটনৈতিক পদক্ষেপ।- আন্তর্জাতিক সংস্থায় সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া মানে অন্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, সংঘাত কমানো এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি আন্তর্জাতিক আইন ও সংস্থার নীতিগুলো মান্য করে, কোনো আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক আধিপত্য বিস্তার করতে চায় না।
-  আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ভূ-সম্পদ সম্প্রসারণ বা সামরিক জোট গঠনের জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

.
Bangladesh’s foreign policy gives priority to— (বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কোন দিকে অগ্রাধিকার দেয়?)
  1. Military dominance (সামরিক প্রাধান্য)
  2. Economic and diplomatic relations (অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক)
  3. Ignoring global issues (বিশ্ব সমস্যাকে উপেক্ষা করা)
  4. Isolationism (একাকীবাদী নীতি)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের দিকে অগ্রাধিকার দেয়। এটি দেশের জাতীয় স্বার্থ, উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- বাংলাদেশ কেবল সামরিক শক্তির উপর গুরুত্ব দেয় না।
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ইস্যু ও বিশ্ব পরিস্থিতি উপেক্ষা করে না।
- বাংলাদেশ একাকীবাদী নীতি অনুসরণ করে না; বরং সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি অর্থনীতি ও কূটনীতি বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার দিকে কেন্দ্রীভূত।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

১০.
What is foreign policy? (পররাষ্ট্রনীতি কী?)
  1. A nation’s plan for domestic economy (এক দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা)
  2. A country’s strategy to interact with other countries to protect its national interests (একটি দেশের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার কৌশল)
  3. Rules for local government (স্থানীয় সরকারের নিয়মাবলী)
  4. Policies related only to military expansion (শুধুমাত্র সামরিক সম্প্রসারণ সংক্রান্ত নীতি)
ব্যাখ্যা

- পররাষ্ট্রনীতি হলো একটি দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনার কৌশল এবং নীতি, যার মূল উদ্দেশ্য হলো জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লক্ষ্য অর্জন করা।
- অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি সম্পর্কিত নীতি পররাষ্ট্রনীতির অংশ নয়।
-  স্থানীয় সরকারের নিয়মাবলী দেশের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনের বিষয়।
-  পররাষ্ট্রনীতি কেবল সামরিক সম্প্রসারণের জন্য নয়, এটি কূটনীতি, বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সব দিককে অন্তর্ভুক্ত করে।
- পররাষ্ট্রনীতি হলো দেশের অন্তর্জাতিক কৌশল ও নীতি, যার মাধ্যমে দেশ নিজের স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষা করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

১১.
What is the first stage of foreign policy making in Bangladesh? (বাংলাদেশে পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নের প্রথম ধাপ কী?)
  1. Parliamentary approval (সংসদ অনুমোদন)
  2. International negotiation (আন্তর্জাতিক আলোচনা)
  3. Policy implementation (নীতি বাস্তবায়ন)
  4. Policy formulation (নীতি প্রণয়ন)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নের প্রথম ধাপ হলো নীতি প্রণয়ন (Policy Formulation)। এই ধাপে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতীয় স্বার্থ, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং কূটনৈতিক বিবেচনাগুলো বিশ্লেষণ করে নীতি নির্ধারণ করেন। এটি হলো নীতি তৈরির মৌলিক ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, কারণ নীতির সফল বাস্তবায়ন প্রাথমিক পরিকল্পনার উপর নির্ভর করে।
- নীতি বাস্তবায়ন নীতি প্রণয়নের পরের ধাপ।
- নীতি প্রণয়নের পরে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার সঙ্গে আলোচনার ধাপ হচ্ছে আন্তর্জাতিক আলোচনা ।
- শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি বা নীতি সংসদে উপস্থাপিত হলে প্রযোজ্য, সংসদ অনুমোদন প্রথম ধাপ নয়।
- পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নের প্রথম এবং মৌলিক ধাপ হলো নীতি প্রণয়ন, যা নীতির দিকনির্ধারণ এবং পরবর্তী বাস্তবায়নের ভিত্তি স্থাপন করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

১২.
Who has the ultimate authority in Bangladesh’s foreign policy? (বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব কার হাতে?)
  1. Supreme Court (সর্বোচ্চ আদালত)
  2. Local government (স্থানীয় সরকার)
  3. Prime Minister (প্রধানমন্ত্রী)
  4. Parliament (সংসদ)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব প্রধানমন্ত্রী-এর হাতে রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী দেশের জাতীয় স্বার্থ, নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক বিবেচনা অনুযায়ী নীতি নির্ধারণ করেন। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ক্যাবিনেট কমিটির পরামর্শ গ্রহণ করে নীতির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।
- সংসদ মূলত আইন প্রণয়ন করে; সরাসরি নীতি নির্ধারণে চূড়ান্ত ক্ষমতা নেই।
- স্থানীয় সরকার শুধুমাত্র স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কিত; পররাষ্ট্রনীতির প্রক্রিয়ায় সরাসরি ভূমিকা রাখে না।
-  আদালত বিচারিক ভূমিকা পালন করে, নীতি প্রণয়নে নয়।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির চূড়ান্ত দায়িত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রধানমন্ত্রী-এর অধীনে হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - অধ্যাপক ড. শওকত আরা হোসাইন 

১৩.
Who implements Bangladesh’s foreign policy? (বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কে বাস্তবায়ন করে?)
  1. Local government officials (স্থানীয় সরকার কর্মকর্তারা)
  2. Ministry of Foreign Affairs and diplomatic missions (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাস/মিশন)
  3. Supreme Court (সর্বোচ্চ আদালত)
  4. Election Commission (নির্বাচন কমিশন)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দেশের কূটনৈতিক মিশন বা দূতাবাসসমূহের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নীতি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা, কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপন এবং দেশের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য দায়িত্ব পালন করে। দেশের দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশন বিদেশে নীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের স্বার্থ প্রচারের মূল হাতিয়ার।
- স্থানীয় সরকার কর্মকর্তারা শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনে নিয়োজিত; পররাষ্ট্রনীতির বাস্তবায়নে সরাসরি অংশ নেয় না।
- সর্বোচ্চ আদালত বিচারিক দায়িত্ব পালন করে, নীতি বাস্তবায়নে নয়।
- নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করে; পররাষ্ট্রনীতির সাথে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দেশের কূটনৈতিক মিশনগুলো।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

১৪.
Which of the following is a major economic basis of Bangladesh’s foreign policy? বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি কোনটি?
  1. Export of labor and manpower (শ্রম ও জনশক্তি রপ্তানি)
  2. Development of nuclear weapons (পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন)
  3. Space exploration program (মহাকাশ গবেষণা কর্মসূচি)
  4. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল ও জনবহুল দেশ। দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ বিদেশে কাজ করে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইউরোপে। এ প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স (বৈদেশিক মুদ্রা) বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি।
- বাংলাদেশের রেমিট্যান্স আয় বছরে প্রায় কয়েক হাজার কোটি ডলার, যা জাতীয় বাজেট ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বড় ভূমিকা রাখে।
- বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে নতুন শ্রমবাজার খোঁজে, যেমন—মধ্যপ্রাচ্যের নতুন দেশ, মালয়েশিয়া, জাপান, কোরিয়া প্রভৃতি।
- কূটনৈতিক সম্পর্ক ব্যবহার করে প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হয়।
- বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে রপ্তানি ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শ্রম রপ্তানি একটি কেন্দ্রীয় উপাদান।
তুলনামূলকভাবে ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- বাংলাদেশ পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতায় নেই। শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরমাণু শক্তি (বিদ্যুৎ উৎপাদন) ব্যবহার করলেও এটি পররাষ্ট্রনীতির প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি নয়।
- বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করলেও এটি অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি নয়, বরং প্রযুক্তিগত সাফল্য।
- বাংলাদেশ নিজে কোনো দেশ দখল করে না; বরং ঔপনিবেশিক শাসনের শিকার ছিল। তাই এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
 -বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি হলো শ্রম ও জনশক্তি রপ্তানি এবং প্রবাসী আয়ের উপর নির্ভরশীলতা।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

১৫.
Economic diplomacy mainly aims at— (অর্থনৈতিক কূটনীতির মূল লক্ষ্য হলো—)
  1. Controlling judiciary (বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করা)
  2. Strengthening monarchy (রাজতন্ত্রকে শক্তিশালী করা)
  3. Expanding trade and attracting investment (বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণ)
  4. Expanding military bases (সামরিক ঘাঁটি সম্প্রসারণ)
ব্যাখ্যা

- অর্থনৈতিক কূটনীতি (Economic Diplomacy) হলো এমন এক কূটনৈতিক কার্যক্রম, যেখানে কোনো রাষ্ট্র তার বৈদেশিক সম্পর্ক ব্যবহার করে অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা ও উন্নয়ন সাধন করে।
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক (RMG)। বৈদেশিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে নতুন বাজার খোঁজা, শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত করা এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা অর্থনৈতিক কূটনীতির উদ্দেশ্য।
- কূটনৈতিক সম্পর্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগ আনতে চায়। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রযুক্তি স্থানান্তর ঘটে।
- বাংলাদেশ বিপুল সংখ্যক শ্রমশক্তি বিদেশে প্রেরণ করে। কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে শ্রমিকদের জন্য নতুন বাজার তৈরি করা অর্থনৈতিক কূটনীতির অন্যতম দিক।
- উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিদেশি সাহায্য, ঋণ ও অনুদান পাওয়া অর্থনৈতিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- BIMSTEC, SAARC, WTO ইত্যাদি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়।
- অর্থনৈতিক কূটনীতির মূল লক্ষ্য সামরিক বা রাজনৈতিক ক্ষমতা বাড়ানো নয়; বরং বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ আকর্ষণ করা।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - অধ্যাপক ড. শওকত আরা হোসাইন 

১৬.
One of the key economic objectives of Bangladesh’s foreign policy is— (বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি প্রধান অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য হলো—)
  1. Political domination (রাজনৈতিক আধিপত্য)
  2. Expansion of colonies (উপনিবেশ বিস্তার)
  3. Promotion of international trade (আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার)
  4. Military alliance (সামরিক জোট গঠন)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ একটি রপ্তানিনির্ভর উন্নয়নশীল অর্থনীতি। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় অংশ আসে তৈরি পোশাক শিল্প (RMG), কৃষিপণ্য, চামড়া, ওষুধ, হিমায়িত মাছ ও অন্যান্য রপ্তানি পণ্য থেকে।
- কূটনৈতিক সম্পর্ক ব্যবহার করে বিদেশে নতুন বাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান বাজার ধরে রাখা। যেমন—ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি (Generalized System of Preferences) সুবিধা পাওয়া।
- বাংলাদেশ WTO, BIMSTEC, SAARC প্রভৃতি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বাণিজ্য কাঠামোর সাথে যুক্ত হয়ে বাণিজ্য সুযোগ বৃদ্ধি করে।
- বিদেশি পুঁজি আনার মাধ্যমে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো।
- শুধু পোশাক নয়, ওষুধ, আইটি সেবা, জাহাজ ইত্যাদি নতুন খাতেও বাণিজ্য সম্প্রসারণের চেষ্টা করা।
- বাংলাদেশ কারো উপর রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করতে চায় না।
- ঔপনিবেশিক ইতিহাসের শিকার হওয়ায় বাংলাদেশ এই নীতি অনুসরণ করে না।
- সামরিক জোট নয়, বরং নিরপেক্ষতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি অনুসরণ করে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ও বৈদেশিক বাজার সম্প্রসারণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

১৭.
The constitution of Bangladesh guides foreign policy mainly through—(বাংলাদেশের সংবিধান মূলত কোন অনুচ্ছেদের মাধ্যমে পররাষ্ট্রনীতিকে দিকনির্দেশনা প্রদান করে?)
  1. Article 25 (অনুচ্ছেদ ২৫)
  2. Article 50 (অনুচ্ছেদ ৫০)
  3. Article 70 (অনুচ্ছেদ ৭০)
  4. Article 100 (অনুচ্ছেদ ১০০)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদে (Article 25) বৈদেশিক নীতির মূল দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুচ্ছেদ ২৫ বাংলাদেশের সংবিধানের একটি অনুচ্ছেদ, যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও সংহতি প্রতিষ্ঠার নীতিগুলো তুলে ধরে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশ জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখবে, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না এবং আন্তর্জাতিক আইনের নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবে। 
- অনুচ্ছেদ ৫০ হলো বাংলাদেশের সংবিধানের একটি অনুচ্ছেদ যা রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ এবং তাঁর পুনঃনির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা করে, যেখানে বলা হয়েছে যে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছরের জন্য পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন এবং পরপর দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে পারবেন না। এছাড়াও, রাষ্ট্রপতি তাঁর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত নিজের পদে বহাল থাকতে পারবেন। 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য যদি তার দল থেকে পদত্যাগ করেন অথবা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তাহলে সংসদের সদস্য হিসেবে তার আসন শূন্য হয়ে যায়। তবে এই কারণে তিনি পরবর্তী নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য হন না। এই অনুচ্ছেদটি দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রণীত এবং এটি সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখে।  
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের মূল আসন হবে রাজধানীতে (ঢাকা শহরে), তবে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে প্রধান বিচারপতি সময় সময় অন্য কোনো স্থানে হাইকোর্ট বিভাগের অধিবেশন অনুষ্ঠানের নির্দেশ দিতে পারবেন। এটি সংবিধানের মূল বিধান, যা সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন রাজধানী ঢাকায় নিশ্চিত করে, তবে প্রয়োজনে বিকল্প স্থানের বিধানও রাখে। 
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান 

১৮.
Which of the following is a political challenge in Bangladesh’s foreign policy? (বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ কোনটি?)
  1. Border disputes  (সীমান্ত বিরোধ)
  2. Garments export (পোশাক রপ্তানি)
  3. Manpower export (শ্রম ও জনশক্তি রপ্তানি)
  4. Energy production (জ্বালানি উৎপাদন)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান এবং ইতিহাসের কারণে সীমান্ত বিরোধ দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে একটি বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ।
- বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্তে ভারতের সঙ্গে এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে মায়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত সংক্রান্ত বিতর্ক রয়েছে।
- সীমান্ত বিরোধ শুধু ভূখণ্ডের সমস্যা নয়; এটি জনসাধারণের নিরাপত্তা, অভিবাসন, চোরাচালান ও সীমান্ত হত্যা নিয়ন্ত্রণেও প্রভাব ফেলে।
- সীমান্ত বিরোধ সমাধান না হলে তা প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিকে জটিল করে।
- Garments export (পোশাক রপ্তানি)  অর্থনৈতিক বিষয়, রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ নয়।
- Manpower export (শ্রম রপ্তানি) অর্থনৈতিক ভিত্তি; চ্যালেঞ্জ হলেও প্রধানত অর্থনৈতিক।
- Energy production (জ্বালানি উৎপাদন) অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, রাজনৈতিক নয়।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি প্রধান রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হলো সীমান্ত বিরোধ, যা কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা নীতিতে প্রভাব ফেলে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

১৯.
Bangladesh’s foreign policy towards South Asian neighbours emphasizes— (বাংলাদেশের দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশীদের প্রতি পররাষ্ট্রনীতি মূলত কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেয়?)
  1. Military dominance (সামরিক আধিপত্য)
  2. Peace, trade, and cooperation (শান্তি, বাণিজ্য এবং সহযোগিতা)
  3. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
  4. Cultural supremacy (সাংস্কৃতিক আধিপত্য)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখা।
- ভারত, ভুটান, নেপাল ও মায়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য, নদী ও সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
- BBIN, SAARC ও অন্যান্য আঞ্চলিক উদ্যোগের মাধ্যমে আঞ্চলিক সমস্যা সমাধান এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ।
- বাংলাদেশ সামরিক আধিপত্য স্থাপনে মনোযোগ দেয় না; নিরপেক্ষতা নীতি অনুসরণ করে।
- বাংলাদেশ কোন দেশের উপর উপনিবেশ স্থাপন করে না।
- কোন প্রতিবেশী দেশের উপর সাংস্কৃতিক আধিপত্য বিস্তার করতে চায় না।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশীদের প্রতি পররাষ্ট্রনীতির মূল দিক হলো শান্তি, বাণিজ্য এবং সহযোগিতা।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

২০.
Bangladesh and South Asian neighbours are part of which transport initiative? (বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশীরা কোন আঞ্চলিক পরিবহন উদ্যোগের অংশ?)
  1. BBIN
  2. ASEAN
  3. OIC
  4. EU
ব্যাখ্যা

- BBIN (বিবিআইএন) হলো বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত এবং নেপালের জন্য একটি উদ্যোগ যা উপ-আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য কাজ করে। মূল লক্ষ্য হল BBIN মোটর যানবাহন চুক্তি (MVA) এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষ এবং পণ্যসম্ভারের জন্য নিরবচ্ছিন্ন পরিবহন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, যেমন শক্তি এবং ডিজিটাল সংযোগ, যাতে এই অঞ্চলের মধ্যে বৃহত্তর অর্থনৈতিক একীকরণ এবং সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়।  
- দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জাতিগোষ্ঠীর সংগঠন (আসিয়ান) হল একটি আঞ্চলিক সংস্থা যা ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল এর দশটি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা: ব্রুনাই দারুসসালাম, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস পিডিআর, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম। এর লক্ষ্যগুলির মধ্যে রয়েছে এই অঞ্চলের মধ্যে শান্তি, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন বৃদ্ধি করা, যার সূচনা ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত আসিয়ান সচিবালয়।  
- ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) হল ৫৭ সদস্যের একটি আন্তঃসরকারি সংস্থা যা ১৯৬৯ সালে মুসলিম বিশ্বের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব এবং সুরক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত, এটি মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলির জন্য একটি সম্মিলিত কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করে, যার লক্ষ্য আন্তর্জাতিক শান্তি, সম্প্রীতি এবং সহযোগিতা প্রচার করা, পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের মঙ্গলকে সমর্থন করা।  
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) হলো ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের একটি অতি-জাতীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইউনিয়ন, যা প্রাথমিকভাবে ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত। এর প্রধান উদ্দেশ্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা। এর সদর দপ্তর ব্রাসেলসে অবস্থিত এবং এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট হলেন উরসুলা ভন ডার লেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম  

২১.
Bangladesh’s cooperation with Bhutan includes—(ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা কোন ক্ষেত্রে বেশি?)
  1. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
  2. Nuclear power (পারমাণবিক শক্তি)
  3. Military bases (সামরিক ঘাঁটি)
  4. Hydropower projects (পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে সহযোগিতা মূলত উন্নয়নমূলক ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে। বিশেষভাবে ভুটানের নদীতে পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে, যা দুই দেশের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ ও প্রযুক্তি বিনিময় নিশ্চিত করে। এছাড়াও আঞ্চলিক সংযোগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধিতে রেল ও সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও সহযোগিতা রয়েছে।
- কোনো সামরিক ঘাঁটি স্থাপন বা যুদ্ধক্ষেত্র সহযোগিতা নেই।
 - ভুটান পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে না।
- বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে কোনো উপনিবেশ স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা নেই।
- ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা মূলত পানি বিদ্যুৎ ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উপর কেন্দ্রীভূত।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

২২.
Bangladesh’s strategic cooperation with Myanmar is influenced by— (বাংলাদেশের মায়ানমারের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা কোন কারণে প্রভাবিত?)
  1. Textile export (পোশাক রপ্তানি)
  2. Rohingya crisis (রোহিঙ্গা সংকট)
  3. Nuclear cooperation (পারমাণবিক সহযোগিতা)
  4. Tourism (পর্যটন)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কারণে গুরুত্বপূর্ণ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের কৌশলগত সহযোগিতাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে রোহিঙ্গা সংকট।
- ২০১৭ সালে রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের মুখে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এত বড় শরণার্থী ঢল বাংলাদেশ-মায়ানমার সম্পর্ককে অস্থিতিশীল করে তোলে।
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। জাতিসংঘ, ওআইসি (OIC), এবং অন্যান্য আঞ্চলিক সংস্থায় এই বিষয় বাংলাদেশের কূটনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার।
- রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে চোরাচালান, মাদক পাচার, অস্ত্র ব্যবসা ও সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা বাংলাদেশের জন্য বড় উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- বাংলাদেশ ও মায়ানমার বাণিজ্য, সমুদ্রসীমা ও পরিবহন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে চাইলেও রোহিঙ্গা সংকটের কারণে সম্পর্ক পুরোপুরি ইতিবাচক হতে পারছে না।
- বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানি বিশ্বজুড়ে করে, কিন্তু মায়ানমারের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক পোশাক বাণিজ্যের উপর নির্ভরশীল নয়।
- বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে কোনো পারমাণবিক সহযোগিতা নেই।
- সীমান্তবর্তী কিছু পর্যটন সম্ভাবনা থাকলেও তা কৌশলগত মাত্রায় প্রভাব বিস্তার করে না।
- বাংলাদেশের মায়ানমারের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় রোহিঙ্গা সংকটের কারণে, যা কূটনৈতিক, মানবিক ও নিরাপত্তা তিন ক্ষেত্রেই গভীর প্রভাব ফেলেছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

২৩.
Bangladesh-India water treaty signed in 1996 focused on—(১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি কোন নদী নিয়ে?)
  1. Ganges (গঙ্গা)
  2. Brahmaputra (ব্রহ্মপুত্র)
  3. Teesta only (শুধু তিস্তা)
  4. Padma (পদ্মা)
ব্যাখ্যা

১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি (Ganges Water Sharing Treaty) স্বাক্ষরিত হয়, তা ছিল একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।
- চুক্তির মেয়াদ ছিল ৩০ বছর (১৯৯৬–২০২৬ পর্যন্ত)।
- উদ্দেশ্য হচ্ছে শুষ্ক মৌসুমে (১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত) ফরাক্কা ব্যারাজে গঙ্গার পানি দুই দেশের মধ্যে ন্যায্যভাবে বণ্টন করা।
- বাংলাদেশের জন্য গুরুত্ব কারণ- কৃষিকাজের জন্য সেচের পানি নিশ্চিত করে,পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করে,পানির সংকট থেকে উত্তরণের সুযোগ সৃষ্টি করে।
- ভারতের জন্য গুরুত্ব কারণ নিজস্ব কৃষি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে পানি ব্যবহারের সুযোগ ,ফরাক্কা ব্যারাজের মাধ্যমে নৌ-পরিবহন ও অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা।
- Brahmaputra (ব্রহ্মপুত্র)নদীর পানি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে কোনো পূর্ণাঙ্গ চুক্তি হয়নি।
- তিস্তা চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা চলছে, কিন্তু ১৯৯৬ সালে তা হয়নি।
- পদ্মা হলো গঙ্গার শাখা নদী। মূল চুক্তি সরাসরি গঙ্গা নদী নিয়েই হয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - অধ্যাপক ড. শওকত আরা হোসাইন 

২৪.
Which sea borders Bangladesh to the south? (বাংলাদেশের দক্ষিণে কোন সাগর অবস্থিত?) 
  1. Arabian Sea (আরব সাগর)
  2. Red Sea (লাল সাগর)
  3. Bay of Bengal (বঙ্গোপসাগর)
  4. Andaman Sea (আন্দামান সাগর)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের দক্ষিণে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। এটি বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর। বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত এবং এটি ভারত মহাসাগরের একটি অংশ।
- বাংলাদেশের জন্য গুরুত্ব কারণ-সমুদ্রবন্দর (চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা) এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য,মৎস্য ও সামুদ্রিক সম্পদ আহরণ,প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ সম্পদের সম্ভাবনা, সামুদ্রিক সীমা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- Arabian Sea (আরব সাগর) ভারতের পশ্চিমে অবস্থিত, বাংলাদেশের পাশে নয়।
- Red Sea (লাল সাগর) আফ্রিকার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত, বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।
- Andaman Sea (আন্দামান সাগর) মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের কাছে অবস্থিত, তবে বাংলাদেশের দক্ষিণে নয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম  

২৫.
Bangladesh-India maritime boundary dispute mainly involves—(বাংলাদেশ-ভারত সামুদ্রিক সীমান্ত বিরোধ প্রধানত কী নিয়ে?)
  1. Fishing rights (মৎস্য আহরণের অধিকার)
  2. Textile export (পোশাক রপ্তানি)
  3. Land border (স্থলসীমান্ত)
  4. Road connectivity (সড়ক সংযোগ)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সামুদ্রিক সীমান্ত বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ইস্যু ছিল। বিরোধের মূল বিষয় ছিল বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক সীমারেখা নির্ধারণ। এ বিরোধ প্রধানত মৎস্য আহরণের অধিকার ও সামুদ্রিক সম্পদ (যেমন গ্যাস, খনিজ) কে কেন্দ্র করে।
- ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই বঙ্গোপসাগরের নির্দিষ্ট অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইত। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল (Permanent Court of Arbitration) এ রায় ঘোষণার মাধ্যমে এ বিরোধের সমাধান হয়। রায়ের ফলে বাংলাদেশ প্রায় ১৯,৪৬৭ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকার উপর সার্বভৌম অধিকার পায়।
- Textile export (পোশাক রপ্তানি): এটি একটি অর্থনৈতিক বিষয়, সামুদ্রিক সীমান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- Land border (স্থলসীমান্ত) বিরোধ (ছিটমহল সমস্যা) আলাদাভাবে ২০১৫ সালে সমাধান হয়।
- Road connectivity (সড়ক সংযোগ) দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, সামুদ্রিক সীমান্ত বিরোধের বিষয় নয়।
- বাংলাদেশ-ভারত সামুদ্রিক সীমান্ত বিরোধের মূল বিষয় ছিল Fishing rights (মৎস্য আহরণের অধিকার) ও সামুদ্রিক সম্পদ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

২৬.
Bangladesh-India cooperation includes—(বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা কোন খাতে বেশি?)
  1. Defense only (শুধু প্রতিরক্ষা)
  2. River water sharing, trade, and transport (নদীর পানি বণ্টন, বাণিজ্য ও পরিবহন)
  3. Space technology (মহাকাশ প্রযুক্তি)
  4. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
ব্যাখ্যা

- ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি। তিস্তা ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি বণ্টন নিয়ে আলোচনাহয়েছে। 
- ভারত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার।উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ক্রমেই বাড়ছে।
- সড়ক, রেল ও নৌপথে সংযোগ স্থাপনে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য BBIN (Bangladesh-Bhutan-India-Nepal) উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। 
- কিছু প্রতিরক্ষা সহযোগিতা থাকলেও তা মূল সহযোগিতার ক্ষেত্র নয়।
- Space technology (মহাকাশ প্রযুক্তি) বাংলাদেশ-ভারত মহাকাশ সহযোগিতায় খুব সীমিত।
- আধুনিক সময়ে উপনিবেশ স্থাপন নেই।
- বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতার মূল ক্ষেত্র হলো নদীর পানি বণ্টন, বাণিজ্য ও পরিবহন সংযোগ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

২৭.
Under which policy did the United States provide tariff preferences to some Bangladeshi products? (যুক্তরাষ্ট্র কোন নীতির অধীনে বাংলাদেশের কিছু পণ্যে শুল্ক ছাড় দিয়েছিল?)
  1. WTO Policy (WTO নীতি)
  2. GSP-Generalized System of Preferences (জিএসপি -Generalized System of Preferences)
  3. IMF Policy (আইএমএফ নীতি)
  4. NAFTA (নাফটা)
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের GSP নীতি উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে কিছু নির্দিষ্ট পণ্য শুল্কমুক্ত বা কম শুল্কে রপ্তানির সুযোগ দেয়। বাংলাদেশ এই সুবিধাভোগী দেশগুলোর একটি ছিল।
- পোশাক (RMG) খাত GSP সুবিধার আওতায় ছিল না, বরং চামড়াজাত পণ্য, মৎস্যজাত দ্রব্য, কিছু কৃষিপণ্য ও কেমিক্যাল ছিল এর অন্তর্ভুক্ত।
- ২০১৩ সালে রানা প্লাজা দুর্ঘটনা ও শ্রম অধিকার সংক্রান্ত কারণে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে দেওয়া এই সুবিধা স্থগিত করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

২৮.
Which sector of Bangladesh is most affected by U.S. tariff policy? (যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির প্রভাবে বাংলাদেশের কোন খাত সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়?)
  1. Agriculture (কৃষি)
  2. Information technology (তথ্যপ্রযুক্তি)
  3. Banking (ব্যাংকিং)
  4. Ready-made garments (পোশাকশিল্প) 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত হলো প্রস্তুত তৈরি পোশাক (Ready-Made Garments – RMG)।
- বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮০%–এর বেশি আসে পোশাক খাত থেকে, আর যুক্তরাষ্ট্র সেই বাজারের বড় ক্রেতা।
- যুক্তরাষ্ট্র যদিও কিছু পণ্যে GSP সুবিধা দিয়েছিল, কিন্তু পোশাক খাতকে এর বাইরে রেখেছিল। ফলে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানির সময় ১২%–১৫% পর্যন্ত শুল্ক দিতে হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি সরাসরি বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের ওপর প্রভাব ফেলে।
- শ্রমিক কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, এবং জাতীয় অর্থনীতির ওপর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
- যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির প্রভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খাত হলো পোশাকশিল্প (RMG sector)।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

২৯.
A key political issue in Bangladesh-USA relations is— (বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু হলো—)
  1. Climate change and democracy (জলবায়ু পরিবর্তন ও গণতন্ত্র)
  2. Space exploration (মহাকাশ গবেষণা)
  3. Border dispute (সীমান্ত বিরোধ)
  4. Religious conflict (ধর্মীয় দ্বন্দ্ব)
ব্যাখ্যা

- জলবায়ু পরিবর্তন  কেন এটা একটি কৌশলগত রাজনৈতিক ইস্যু: বাংলাদেশ পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যে একটি — নিম্নভূমি, ঘনবসতি ও নদী–বণিকাল–বঙ্গোপসাগরের সংমিশ্রণে সমুদ্রবৃদ্ধি, স্যালাইনেশন, ঘূর্ণিঝড় ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রবল প্রভাব পড়ে। এসবের অর্থ সরাসরি অর্থনীতি (ফসল, মজুরির আয়, শ্রমদিবস, অবকাঠামো) ও জনশক্তি (অভিজ্ঞাদশ্রী স্থানচ্যুতি/বস্তিবিবর্তন) মুখোনিবাস করে। এই কারণে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক অংশীদাররা বাংলাদেশকে ক্লাইমেট-ফাইন্যান্স, অভিযোজন ও টেকসই উন্নয়ন সহযোগিতায় গুরুত্ব দেয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ও কূটনৈতিক আগ্রহ (জলবায়ু দিক থেকে): মার্কিন সাহায্যকারী সংস্থা- USAID এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে প্রকল্প (উদাহরণ: ClimAct, EECRA ইত্যাদি) বাস্তবায়ন করছে এবং আর্থিক/প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে — যা দুই দেশের সম্পর্কের একটি প্রধান কাজকর্মের অঙ্গ। এতে কূটনৈতিক সংলাপ, বাজেট সহযোগিতা ও নীতি-সমন্বয়ের প্রয়োজন পড়ে। 
- গণতন্ত্র ও মানবাধিকার — কেন এটা একটি রাজনৈতিক ইস্যু:
যুক্তরাষ্ট্র প্রথাগতভাবে গণতন্ত্র, মৌলিক মানুষের অধিকার ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশে নির্বাচনী পরিবেশ, সমাবেশ-অজুহাত, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মানবাধিকার সংক্রান্ত উদ্বেগ সম্পর্কে মার্কিন প্রশাসন ও কংগ্রেস-স্তরের বক্তব্য, প্রতিবেদন ও নীতিমালা নিয়মিত প্রকাশ পায়। এসব ইস্যু আর্থিক সহায়তা, বাণিজ্য সুবিধা, ভিসা নীতিমত এবং কূটনৈতিক টোনে প্রভাব ফেলে। 
- কীভাবে দুটো ইস্যু (জলবায়ু + গণতন্ত্র) দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক প্রভাবিত করে:
ক্লাইমেট-অ্যাঙ্গেল: যত বেশি জলবায়ু ঝুঁকি, দেশের জন্য তত বেশি আন্তর্জাতিক সহায়তা, পরিকল্পনা ও প্রকল্প দরকার—আর এটা যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতায় রাখে (অর্থাৎ কূটনৈতিক এজেন্ডায় ক্লাইমেট ধারাবাহিকভাবে থাকবে)। 
গণতান্ত্রিক অঙ্গীকার: একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যদি গণতন্ত্র/মানবাধিকার নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকে, তা অর্থনৈতিক বা নিরাপত্তা সহযোগিতার শর্তে বা কূটনৈতিক চাপের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে পারে — ফলে বাইপাস না করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জটিলতাও পেতে পারে। 
- বাংলাদেশকে জলবায়ু-পতিত দেশ হিসেবে দেখায়, তাই ক্লাইমেট সহায়তা ও অভিযোজন-কোঅপারেশন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অগ্রাধিকার। 
একই সময়ে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ইস্যুে যুক্তরাষ্ট্রের নজর থাকলে কূটনৈতিক টোন, সুবিধা বা নীতি-বেরি পরিবর্তন হতে পারে—এটি দুই দেশের সম্পর্কের রাজনৈতিক অংশ। 
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম  

৩০.
The development assistance of the United States (USAID) to Bangladesh mainly focuses on—(বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সহায়তা (USAID) মূলত কোন ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়?)
  1.  Nuclear energy (পারমাণবিক শক্তি)
  2. Military bases (সামরিক ঘাঁটি)
  3. Education, health, and agriculture  (শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি)
  4. Space technology (মহাকাশ প্রযুক্তি)
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা USAID বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদার। তাদের সহায়তা মূলত জনমানব উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নকে কেন্দ্র করে।
- USAID শিক্ষা খাতে সহায়তা দিয়ে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি, স্কুল অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিক্ষকের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করে। লক্ষ্য হলো শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
- স্বাস্থ্য খাতে সহায়তা দিয়ে মাতৃশিশু স্বাস্থ্য, ভ্যাকসিনেশন, পরিবার পরিকল্পনা, HIV/AIDS ও অন্যান্য রোগ নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখে। বিশেষভাবে দুর্যোগপূর্ণ এলাকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- কৃষি খাতে USAID সহায়তা দিয়ে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি সরবরাহ নিশ্চিত করে। এতে বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও পুষ্টির নিরাপত্তা উন্নয়ন হয়।
- এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন (Climate Change Adaptation),দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসন,খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDGs)।
- USAID সামরিক সহায়তা প্রদান করে না; এটি মূলত উন্নয়ন সংস্থা।
-  Nuclear energy (পারমাণবিক শক্তি) ক্ষেত্রে সরাসরি সহায়তা USAID দেয় না; অন্য সংস্থা বা কৌশলগত চুক্তি লাগতে পারে।
- Space technology (মহাকাশ প্রযুক্তি)- USAID এই খাতে কাজ করে না।
- USAID-এর লক্ষ্য হলো মানবসম্পদ উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে সহায়তা, টেকসই উন্নয়ন এবং দুর্যোগ মোকাবিলা। এটি বাংলাদেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

৩১.
Bangladesh–USSR relations were primarily aimed at—(বাংলাদেশ–USSR সম্পর্ক মূলত লক্ষ্য করেছিল—)
  1. Colonization of Bangladesh (বাংলাদেশকে উপনিবেশ করার জন্য)
  2. Strengthening political and economic ties (রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করা)
  3. Space exploration only (শুধু মহাকাশ গবেষণা)
  4. Military conquest (সামরিক বিজয়)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ–USSR সম্পর্কের মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা শক্তিশালী করা, যা স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান মজবুত করতে সাহায্য করেছিল। 
- ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর, সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের স্বীকৃতি ও নিরাপত্তা সমর্থন প্রদানের মাধ্যমে রাজনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ় হয়। বাংলাদেশ তখন নিরপেক্ষ-জোট নীতি (Non-alignment) অনুসরণ করছিল, যা USSR–এর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনীতি বজায় রাখতে সহায়ক হয়।
- USSR বাংলাদেশের শিল্প ও অবকাঠামো খাতে প্রযুক্তি ও সহায়তা প্রদান করেছিল। যেমন: বিদ্যুৎ উৎপাদন, জুট মিল, শিল্প প্রকল্প। খাদ্য, কৃষি এবং উৎপাদনশীল খাতে সহযোগিতা ছিল, যা বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- USSR সীমিত সামরিক প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম প্রদান করেছিল। তবে বাংলাদেশ নিরপেক্ষ-জোট অবস্থান বজায় রেখেছিল এবং কোনো সামরিক জোট বা বিজয় লক্ষ্য ছিল না।
- USSR স্বাধীনতার পক্ষের ছিল; কোনো উপনিবেশের চেষ্টা করেনি।
- USSR–এর সহায়তা শিল্প, অবকাঠামো ও অর্থনীতিতে সীমিত; মহাকাশ গবেষণায় সহায়তা ছিল না।
- কোনো সামরিক বিজয় বা আক্রমণ পরিকল্পনা ছিল না।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

৩২.
Bangladesh received which type of support from USSR? (বাংলাদেশ USSR থেকে কোন ধরনের সহযোগিতা পেয়েছিল?)
  1. Military training and equipment (সামরিক প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম)
  2. Colonization projects (উপনিবেশ স্থাপনের প্রকল্প)
  3. Space stations (মহাকাশ স্টেশন)
  4.  Nuclear weapons (পারমাণবিক অস্ত্র)
ব্যাখ্যা

- USSR বাংলাদেশের সেনা ও নৌবাহিনীকে সীমিত প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিল। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সামরিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়েছিল, তবে বাংলাদেশ কোনো সামরিক জোটে অংশগ্রহণ করেনি।
- USSR কিছু সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছিল। সরঞ্জাম মূলত প্রশিক্ষণ ও সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করা হতো।
- USSR বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের ছিল; কোনো উপনিবেশ স্থাপন করেনি।
- USSR–এর সহযোগিতা মহাকাশ স্টেশন বা মহাকাশ গবেষণায় ছিল না।
- কোনো পারমাণবিক অস্ত্র সরবরাহ বা সহযোগিতা হয়নি।
- বাংলাদেশ–USSR সম্পর্কের সামরিক অংশ মূলত প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের মাধ্যমে সামরিক দক্ষতা উন্নয়নে সীমাবদ্ধ ছিল, এবং কোনো আক্রমণ বা বিজয় লক্ষ্য ছিল না।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

৩৩.
Bangladesh and Russia signed an agreement to cooperate in—(বাংলাদেশ ও রাশিয়া কোন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে?)
  1. Nuclear power plants (পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র)
  2. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
  3. Military conquest (সামরিক বিজয়/আক্রমণ)
  4. Space stations only (শুধু মহাকাশ স্টেশন)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ও রাশিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এ প্রকল্প বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- রাশিয়ার সঙ্গে কোনো উপনিবেশ স্থাপনের পরিকল্পনা নেই।
- কোনো সামরিক বিজয় বা আক্রমণ লক্ষ্য নেই।
- রাশিয়ার সহযোগিতা মহাকাশ স্টেশন বা মহাকাশ গবেষণায় সীমিত নয়, বরং মূল লক্ষ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন।
- বাংলাদেশ–রাশিয়া সম্পর্কের প্রযুক্তি ও কৌশলগত সহযোগিতার একটি প্রধান খাত হলো পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - অধ্যাপক ড. শওকত আরা হোসাইন 

৩৪.
Which sector has NOT been a focus of Bangladesh–Russia cooperation? (বাংলাদেশ–রাশিয়া সহযোগিতার কোন খাত প্রধানভাবে ফোকাস নয়?)
  1. Nuclear energy (পারমাণবিক শক্তি)
  2. Defense cooperation (সামরিক সহযোগিতা)
  3. Education and training (শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ)
  4. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
ব্যাখ্যা

- রাশিয়ার সহায়তায় বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছে।
- সীমিত প্রশিক্ষণ ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ।
- উচ্চশিক্ষা, প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা।
- রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শুধু রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় সীমাবদ্ধ। কোনো উপনিবেশ স্থাপনের প্রকল্প বা পরিকল্পনা নেই।
- বাংলাদেশ–রাশিয়া সহযোগিতার মূল লক্ষ্য হলো শক্তি, সামরিক ও শিক্ষা খাতের উন্নয়ন, এবং উপনিবেশ স্থাপন কখনও ফোকাস ছিল না।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

৩৫.
When did Bangladesh establish diplomatic relations with China? (বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক কখন স্থাপন করে?)
  1. 1971
  2. 1975 
  3. 1980
  4. 1985
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৭১ সালে। স্বাধীনতার পর প্রথমদিকে অনেক দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে ধীরগতি নেয়। চীন তখনও পাকিস্তান ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অবস্থানকে গুরুত্ব দিচ্ছিল।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি তখন স্বাধীন ও বহুপক্ষীয় কূটনীতি (Non-alignment & independent foreign policy) অনুসরণ করছিল।১৯৭৫ সালে চীনের সঙ্গে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ঘোষণা করা হয়। এসময় রাষ্ট্রদূত নিয়োগ, দূতাবাস খোলা, এবং বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা শুরু হয়।
- মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের স্বীকৃতি নিশ্চিত করা, অবকাঠামো ও শিল্প প্রকল্পে চীনের অংশগ্রহণ,সীমিত সামরিক সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ।
- 1971 সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, কিন্তু চীন তখনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেনি।
- বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা রাজনৈতিক স্বীকৃতি, বাণিজ্য ও অবকাঠামো প্রকল্পে সহযোগিতা এবং সীমিত সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

৩৬.
Bangladesh–China political relations are primarily based on—(বাংলাদেশ–চীন রাজনৈতিক সম্পর্ক মূলত কী ভিত্তিতে?)
  1. Strategic partnership and economic cooperation (কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা)
  2. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
  3. Military conquest (সামরিক বিজয় / আক্রমণ)
  4. Isolation (বিচ্ছিন্নতা)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ–চীন রাজনৈতিক সম্পর্ক দ্বিপাক্ষিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে সীমিত সামরিক সহযোগিতা, সীমানা নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সমর্থন অন্তর্ভুক্ত।
- চীন বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, সেতু ও শিল্প প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করে। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় হয়।
- চীন কোনো উপনিবেশ স্থাপন করার চেষ্টা করেনি।
- কোনো সামরিক বিজয় বা আক্রমণ লক্ষ্য নেই।
- উভয় দেশ সম্পর্ক বজায় রাখছে, বিচ্ছিন্ন নয়।
- বাংলাদেশ–চীনের রাজনৈতিক সম্পর্ক মূলত কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, এবং এটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - অধ্যাপক ড. শওকত আরা হোসাইন 

৩৭.
Which mega infrastructure project in Bangladesh is supported by China?(বাংলাদেশে কোন বিশাল অবকাঠামোগত প্রকল্প চীনের সহায়তায় বাস্তবায়িত হয়েছে?)
  1. Padma Bridge (পদ্মা সেতু)
  2. Karnaphuli Tunnel only (শুধু কর্ণফুলী টানেল)
  3. Jamuna River Bank (যমুনা নদীর তীর)
  4. Dhaka–Chittagong Highway only (শুধু ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক)
ব্যাখ্যা

- পদ্মা সেতু বাংলাদেশের একটি প্রধান ও বৃহৎ অবকাঠামোগত প্রকল্প। এটি দেশের পশ্চিমাঞ্চলকে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাথে সংযুক্ত করে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- চীন অর্থায়ন, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল সহযোগিতা প্রদান করেছে। সেতু নির্মাণে চীনের কোম্পানি ও প্রযুক্তিবিদদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
- Karnaphuli Tunnel only- চীনা অংশগ্রহণ রয়েছে, কিন্তু পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ বা দেশব্যাপী প্রভাব নেই।
- Jamuna River Bank- চীনের সরাসরি সহায়তা নেই।
- Dhaka–Chittagong Highway only-  চীনা প্রকল্প নয়, জাতীয় মহাসড়ক উন্নয়নের জন্য অন্যান্য উৎস থেকে অর্থায়ন হয়েছে।
- বাংলাদেশে চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত প্রকল্প হলো পদ্মা সেতু, যা দেশের যোগাযোগ, অর্থনীতি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

৩৮.
A major area of Bangladesh–China cooperation is—(বাংলাদেশ–চীন সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্র হলো—)
  1. Textile export only (শুধু পোশাক রপ্তানি)
  2. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
  3. Space conquest only (শুধু মহাকাশ বিজয়)
  4. Military and infrastructure projects (সামরিক ও অবকাঠামোগত প্রকল্প)
ব্যাখ্যা

- চীন বাংলাদেশকে সীমিত সামরিক প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম সরবরাহ করে। লক্ষ্য হলো সামরিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নয়ন।
- চীন বাংলাদেশের বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্পে সহযোগিতা করছে, যেমন:পদ্মা সেতু,বিদ্যুৎ কেন্দ্র,শিল্প ও শিল্প নগরী উন্নয়ন।
- চীন কোনো উপনিবেশ স্থাপন করেনি।
- মহাকাশ গবেষণায় চীনের সহায়তা সীমিত, প্রধান ফোকাস নয়।
- পোশাক রপ্তানি চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্র নয়।
- বাংলাদেশ–চীনের সহযোগিতা মূলত সামরিক প্রশিক্ষণ এবং অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে কেন্দ্রীভূত। এটি দুই দেশের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

৩৯.
A major challenge in Bangladesh–EU trade relations is—(বাংলাদেশ–EU বাণিজ্য সম্পর্কের একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো—)
  1. Climate change (জলবায়ু পরিবর্তন)
  2. Space technology (মহাকাশ প্রযুক্তি)
  3. Compliance with labor and human rights standards (শ্রমিক ও মানবাধিকার মানদণ্ডের সাথে সঙ্গতি)
  4. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
ব্যাখ্যা

- EU বাজারে প্রবেশের জন্য বাংলাদেশকে শ্রমিক নিরাপত্তা, শ্রমিক অধিকার এবং মানবাধিকার মানদণ্ড মেনে চলতে হয়।
Rana Plaza দুর্ঘটনার পর এই বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে।
- EU চুক্তি অনুযায়ী RMG পণ্য শুল্কমুক্ত ও বাজারে প্রবেশাধিকার পেতে মানসম্মত শ্রমিক পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। এই মানদণ্ড না মানলে GSP+ সুবিধা ঝুঁকিতে পড়ে এবং EU বাজারে রপ্তানি সীমাবদ্ধ হতে পারে।
- Climate change গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাণিজ্য সম্পর্কের সরাসরি বাধা নয়।
- Space technology EU–এর সঙ্গে বাংলাদেশ–এর মহাকাশ সম্পর্ক সীমিত।
- EU–এর সঙ্গে কোনো উপনিবেশ স্থাপনের পরিকল্পনা নেই।
- বাংলাদেশ–EU বাণিজ্য সম্পর্কের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো শ্রমিক অধিকার ও মানবাধিকার মানদণ্ড মেনে চলা, যা রপ্তানি ও GSP+ সুবিধার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

৪০.
Which facility allows Bangladesh tariff-free access to EU markets?(বাংলাদেশকে EU বাজারে শুল্ক মুক্ত প্রবেশাধিকার দেয় কোন সুবিধা?)
  1. GSP+ (জিএসপি+)
  2. WTO only (শুধু WTO)
  3. NAFTA (উত্তর আমেরিকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি)
  4. SAFTA (দক্ষিণ এশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি)
ব্যাখ্যা

- GSP+ (Generalized System of Preferences Plus) হলো EU কর্তৃক প্রদানকৃত প্রিফারেনশিয়াল ট্রেড সুবিধা, যা নির্দিষ্ট দেশকে EU বাজারে শুল্কমুক্ত বা কম শুল্কে পণ্য রপ্তানি করার সুযোগ দেয়। এটি মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য।
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: Ready-Made Garments (RMG)। GSP+ সুবিধার কারণে EU বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি শুল্কমুক্ত বা স্বল্প শুল্কে প্রবেশাধিকার পায়। ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও শিল্প বৃদ্ধি পায়।
- WTO হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, যা সাধারণ নিয়ম দেয়, কিন্তু শুল্কমুক্ত সুবিধা সরাসরি প্রদান করে না।
- NAFTA শুধুমাত্র উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর জন্য।
- SAFTA দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য, EU নয়।
- বাংলাদেশকে EU বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয় GSP+ সুবিধা, যা রপ্তানি বৃদ্ধির এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

৪১.
A key political issue in Bangladesh–EU relations is—(বাংলাদেশ–EU সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু হলো—)
  1. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
  2. Military conquest (সামরিক বিজয়)
  3. Labor rights and human rights (শ্রমিক অধিকার ও মানবাধিকার)
  4. Space stations (মহাকাশ স্টেশন)
ব্যাখ্যা

- EU–এর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রধান রাজনৈতিক ফোকাস হলো শ্রমিক অধিকার ও মানবাধিকার রক্ষা। বিশেষ করে Ready-Made Garments (RMG) শিল্পের কারখানা নিরাপত্তা, শ্রমিক অধিকার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়গুলো EU–এর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ২০১৩ সালের Rana Plaza দুর্ঘটনা এ বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্ব পায়। EU এই ইস্যুগুলোতে বাংলাদেশের নীতিমালা ও প্রয়োগকারিতা পরীক্ষা করে বাণিজ্য সুবিধা (GSP+) বজায় রাখে।
- EU–এর সঙ্গে কোনো উপনিবেশ স্থাপন সম্পর্কিত নয়।
- কোনো সামরিক বিজয় লক্ষ্য নেই।
- মহাকাশ সম্পর্কিত সহযোগিতা নেই।
- বাংলাদেশ–EU সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু হলো শ্রমিক অধিকার ও মানবাধিকার, যা বাণিজ্য ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

৪২.
Which Islamic country hosts the largest number of Bangladeshi expatriate workers?(কোন ইসলামিক দেশে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক থাকে?)
  1. Saudi Arabia (সৌদি আরব)
  2. UAE (সংযুক্ত আরব আমিরাত)
  3. Qatar (কাতার)
  4. Oman (ওমান)
ব্যাখ্যা

- সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অভিবাসী শ্রমিক গন্তব্য। বিশেষ করে গৃহস্থালি কাজ, নির্মাণ, শিল্প ও সার্ভিস খাতে বাংলাদেশের শ্রমিকরা কাজ করে।
- সৌদি আরব থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এটি বিদেশি মুদ্রা অর্জন ও পরিবারগুলোর জীবিকা নিশ্চিত করে।
কেন অন্য বিকল্পগুলো তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ:
- UAE,  Qatar,  Oman এই দেশগুলোতেও বাংলাদেশি শ্রমিক আছে, কিন্তু সংখ্যা ও অর্থনৈতিক প্রভাব সৌদি আরবের তুলনায় কম।
- বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের সবচেয়ে বেশি সৌদি আরবে বসবাস করে এবং এটি দেশের রেমিট্যান্স আয়ের প্রধান উৎস।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

৪৩.
Bangladesh’s membership in the OIC mainly helps in—(বাংলাদেশের OIC–এর সদস্যপদ প্রধানত কী কাজে সহায়তা করে?)
  1. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
  2. Economic, cultural, and political cooperation (অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা)
  3. Space exploration (মহাকাশ গবেষণা)
  4. Military conquest (সামরিক বিজয়)
ব্যাখ্যা

- OIC (Organization of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম বিশ্বের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ইসলামিক দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, রাজনৈতিক সমর্থন ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।
- প্রধান কাজ: ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রেমিট্যান্স; মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র; আন্তর্জাতিক ফোরাম ও OIC সভায় সমর্থন।
- OIC–এর মাধ্যমে কোনো উপনিবেশ স্থাপন হয় না।
- Space exploration OIC–এর মূল ফোকাস নয়।
- OIC–এর উদ্দেশ্য সামরিক বিজয় নয়।
- বাংলাদেশের OIC সদস্যপদ মূলত অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

৪৪.
A key economic connection between Bangladesh and the Islamic world is—(বাংলাদেশ ও ইসলামিক বিশ্বের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংযোগ হলো—)
  1. Oil trade and manpower export (তেল বাণিজ্য ও শ্রমিক রপ্তানি)
  2. Colonization projects (উপনিবেশ প্রকল্প)
  3.  Nuclear cooperation only (শুধু পারমাণবিক সহযোগিতা)
  4. Space technology (মহাকাশ প্রযুক্তি)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ইসলামিক বিশ্বের সাথে শ্রমিক রপ্তানি ও তেল বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করে। সৌদি আরব, UAE, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বাংলাদেশি শ্রমিকরা কাজ করে। এছাড়াও, এই দেশগুলোর সঙ্গে তেল ও জ্বালানী বাণিজ্য বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- বিদেশে কাজ করা শ্রমিকরা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে। তেল আমদানিতে বাংলাদেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
- Colonization projects কোনো উপনিবেশ স্থাপন নেই।
- Nuclear cooperation only সীমিত বা মূল ফোকাস নয়।
- Space technology মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে মূলত সহযোগিতা নেই।
- বাংলাদেশ ও ইসলামিক বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক সংযোগ হলো তেল বাণিজ্য ও শ্রমিক রপ্তানি, যা দেশের অর্থনীতি ও রেমিট্যান্স প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

৪৫.
Bangladesh’s first contribution to UN peacekeeping missions was in—(বাংলাদেশের প্রথম UN শান্তি রক্ষা মিশনে অবদান ছিল—)
  1. 1973 
  2. 1971
  3. 1980
  4. 1985
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের (UNO) সদস্যপদ লাভ করে। স্বাধীনতার কয়েক বছর পর, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মঞ্চে সক্রিয় ভূমিকা নিতে চায়।
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো UN peacekeeping mission–এ সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা পাঠায়। এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা দেশকে শান্তি রক্ষা ও মানবিক কাজে সমর্থন প্রদানে পরিচিতি দেয়।
- শান্তি রক্ষা মিশনে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে,শান্তি রক্ষা ও মানবিক সহায়তায় অবদান রাখে,UNO–এর সঙ্গে কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক শক্তিশালী করে।
- 1971: স্বাধীনতার বছর, তখন বাংলাদেশ UNO–র সদস্য ছিল না।
- বাংলাদেশের প্রথম UN peacekeeping অবদান ১৯৭৩ সালে হয়, যা দেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, কূটনৈতিক শক্তি ও শান্তি রক্ষা উদ্যোগে অবদান নিশ্চিত করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

৪৬.
Which UN program supports Bangladesh in climate change adaptation? (কোন জাতিসংঘের প্রোগ্রাম বাংলাদেশকে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনে সহায়তা করে?)
  1. UNDP (জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি)
  2. IMF (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল)
  3. NATO (উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা)
  4. WTO (বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা)
ব্যাখ্যা

- UNDP বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন প্রকল্পে সহায়তা করে।
বাংলাদেশের জলবায়ু সংবেদনশীল অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
- UNDPপ্রধান কার্যক্রম-নদী তীরবর্তী এবং খোলা এলাকা বন্যা প্রতিরোধ প্রকল্প,সমুদ্র উপকূলের জীববৈচিত্র্য ও ভূমি সংরক্ষণ,গ্রামীণ সম্প্রদায়ের জলবায়ু-সংশ্লিষ্ট সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ।
- IMF আর্থিক নীতি ও ঋণ সংক্রান্ত সংস্থা, জলবায়ু প্রকল্প সরাসরি করে না।
- NATO সামরিক সহযোগিতা সংস্থা, বাংলাদেশ–এর জন্য প্রাসঙ্গিক নয়।
- WTO বাণিজ্য সংস্থা, পরিবেশ অভিযোজন প্রকল্পে ভূমিকা নেই।
- বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য UNO–এর প্রধান সহায়ক প্রোগ্রাম হলো UNDP।এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও কম্যুনিটি ভিত্তিক অভিযোজন প্রকল্পে মূল ভূমিকা রাখে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম 

৪৭.
Which UN agency supports Bangladesh in health and education sectors? (কোন জাতিসংঘ সংস্থা বাংলাদেশকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সহায়তা করে?) 
  1. UNESCO (ইউনেসকো)
  2. WTO (বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা)
  3. NATO (উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা)
  4. IMF (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল)
ব্যাখ্যা

- UNESCO হলো United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization।বাংলাদেশে এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রকল্পে সহায়তা করে।
- মূল কার্যক্রম- প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রযুক্তিগত ও পেশাগত শিক্ষা;স্বাস্থ্য সচেতনতা, বিশেষ করে স্কুল ও কম্যুনিটিতে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি প্রকল্প; জাতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ, বিজ্ঞান শিক্ষার প্রচার।
- WTO বাণিজ্য সংস্থা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় সরাসরি ভূমিকা নেই।
- NATO সামরিক সংস্থা, বাংলাদেশ–এর স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় কার্যকর নয়।
- IMF আর্থিক সহায়তা দেয়, স্বাস্থ্য বা শিক্ষা প্রকল্প পরিচালনা করে না।
- বাংলাদেশে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে UNO–এর প্রধান সহায়ক সংস্থা হলো UNESCO, যা শিক্ষার মান উন্নয়ন, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং সংস্কৃতি সংরক্ষণের মাধ্যমে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - মোঃ হামিদুল হক 

৪৮.
In recent years, Bangladesh’s foreign policy increasingly focuses on—(সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ক্রমবর্ধমানভাবে কোন দিকে মনোযোগ দেয়—)
  1. Digital diplomacy, technology, and trade integration (ডিজিটাল কূটনীতি, প্রযুক্তি ও বাণিজ্য সংযুক্তি)
  2. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
  3. Military conquest (সামরিক বিজয়)
  4. Space stations only (শুধু মহাকাশ স্টেশন)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এখন সোশ্যাল মিডিয়া, অনলাইন যোগাযোগ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কূটনীতি প্রচারে গুরুত্ব দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিদেশি রাষ্ট্র ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তথ্য, নীতি ও উদ্যোগ শেয়ার করা সহজ হয়েছে।
- ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার কূটনৈতিক কার্যক্রম, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক। “Digital Bangladesh” উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিদেশি প্রযুক্তি বিনিয়োগ এবং বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।
- আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবা প্রবেশ সহজ করা। বিশেষ করে EU, USA এবং চীন, ভারতসহ অন্যান্য শক্তিধর দেশের সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সরবরাহ চেইন সংযুক্তি।
- বাংলাদেশ কোনো উপনিবেশ স্থাপনের চেষ্টা করে না।
- সামরিক বিজয় বা আগ্রাসন নীতি নয়।
- মহাকাশ গবেষণার প্রকল্প সীমিত ও মূল ফোকাস নয়।
- সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত ডিজিটাল কূটনীতি, প্রযুক্তি ব্যবহার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংযুক্তি-এর দিকে মনোযোগ দেয়। এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বিনিয়োগ এবং বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম

৪৯.
Bangladesh’s strategic approach in South Asia recently prioritizes—(দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কৌশলগত নীতি মূলত কী অগ্রাধিকার দেয়—)
  1. Military alliances (সামরিক জোট)
  2. Peace, regional cooperation, and water diplomacy (শান্তি, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও জলের কূটনীতি)
  3. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
  4. Nuclear weapons (পারমাণবিক অস্ত্র)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সহমত বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। প্রতিবেশী দেশ যেমন ভারত, মায়ানমার, ভুটান ও নেপালের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব।
- SAARC, BIMSTEC, এবং BBIN Initiative–এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও কৌশলগত সহযোগিতা। এই সহযোগিতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে সহায়ক।
- বাংলাদেশ নদী ও জল সম্পদ শেয়ারিং নিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করতে চায়। উদাহরণ: গঙ্গা ও তিস্তা নদী চুক্তি ভারতের সঙ্গে। জল সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাংলাদেশের কৃষি, বিদ্যুৎ ও পানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- বাংলাদেশ নিরপেক্ষ নীতি অনুসরণ করে, কোনো সামরিক জোটে অগ্রাধিকার দেয় না।
- বাংলাদেশ কখনও উপনিবেশ স্থাপন চায়নি।
- পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা ব্যবহারে অগ্রাধিকার নেই।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং নদী-জলের কূটনীতি-কে প্রধান অগ্রাধিকার দেয়। এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি এবং কূটনৈতিক স্থিতি নিশ্চিত করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক - অধ্যাপক ড. শওকত আরা হোসাইন 

৫০.
Bangladesh’s recent foreign policy towards the USA and EU emphasizes—(যুক্তরাষ্ট্র ও EU–এর প্রতি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পররাষ্ট্রনীতি গুরুত্ব দিচ্ছে—)
  1. Trade, investment, and human rights compliance (বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও মানবাধিকার মানদণ্ড)
  2. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
  3. Military dominance (সামরিক প্রাধান্য)
  4. Space exploration only (শুধু মহাকাশ গবেষণা)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ EU এবং USA–এর সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে GSP+ সুবিধা বজায় রাখা বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য, যাতে EU–এর বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার থাকে।
- বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ তৈরি করা। এটি দেশের অর্থনীতি ও শিল্প-উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- EU ও USA–এর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে শ্রমিক অধিকার ও মানবাধিকার রক্ষা অপরিহার্য। বিশেষ করে রপ্তানি শিল্পে শ্রমিকদের শর্ত ও নিরাপত্তা মানদণ্ড নিশ্চিত করা।
- বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পররাষ্ট্রনীতি যুক্তরাষ্ট্র ও EU–এর সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং মানবাধিকার মানদণ্ড রক্ষা-কে কেন্দ্র করে। এটি বাংলাদেশের আর্থিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক – ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম