পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫: বাংলাদেশ বিষয়াবলী - [১০০ নাম্বার] পরীক্ষার টপিক: (টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন।) i) বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন - ১৯৪৭ পর্যন্ত) ii) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি; iii) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ; iv) বাংলাদেশের অর্থনীতি; v) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির সংশ্লিষ্ট বোর্ড বই, বিভিন্ন জাতীয় সমীক্ষা, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) এর কার্যক্রম শুরু হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৫
  2. খ) ১৯৮৪
  3. গ) ২০১৩
  4. ঘ) ২০১৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা)
⇨ জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শীর্ষস্থানীয় একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ।
⇨ কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভাগ/ দপ্তরের প্রথম শ্রেণীর/সমমান পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দানের মাধ্যমে কৃষিতে মানব সম্পদ উন্নয়নে নাটা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। 
⇨ অবস্থান:- জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে। 

ইতিহাস:- 
• ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
• ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
• ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা  হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়

তথ্যসূত্র:- জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমির ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি সিপাহী বিদ্রোহের ফলাফল?
  1. ক) স্বত্ব বিলোপ নীতি বাতিল
  2. খ) ভাইসরয় নামক পদের সৃষ্টি
  3. গ) গভর্নর জেনারেল নামক পদের সৃষ্টি
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
ফলাফল ও মূল্যায়ন:-
• সিপাহী বিদ্রোহের ফলাফল সুদূরপ্রসারী। এ বিদ্রোহ সফল না হলেও এটি ভারতে ব্রিটিশ শাসনের মূলে প্রচন্ড আঘাত হানে।
• ১৮৫৮ সালে বিদ্রোহ শেষে এক ঘোষণা বলে মহারাণী ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার নিজের হাতে তুলে নেন এবং অবসান হয় একশ বছরের কোম্পানি শাসন।
• ব্রিটিশ রাজ ‘স্বত্ব বিলোপ নীতি’ বাতিল ঘোষণা করে। সামরিক বাহিনীতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে নির্বাসনে পাঠানো হয়।
• ভারতবর্ষের বিষয়াবলী দেখাশোনার জন্য ‘ভাইসরয়’ নামক একটি পদ সৃষ্টি করা হয়। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
শৈত্য বেশী হলে ফলন বৃদ্ধি পায় কোন ফসলের?
  1. ক) ধান
  2. খ) পাট
  3. গ) গোল আলু
  4. ঘ) আখ
ব্যাখ্যা
শৈত্য সহিষ্ণু ফসল
• বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতকাল। শীতকালে দেশের চরম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারি বা
ফেব্রুয়ারি মাসে হয়ে থাকে।
• শীতকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে।
• আমাদের দেশে শৈত্য বেশি পড়লে এবং শৈত্যতা দীর্ঘস্থায়ী হলে শীতকালীন ফসল, যেমন - গোলআলু ও গমের ফলন ভালো হয়।

তথ্যসূত্র:- কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড’ নির্মাণ করেন কে?
  1. ক) শেরশাহ
  2. খ) ইসলাম খান
  3. গ) লর্ড ডালহৌসী
  4. ঘ) শাহ সুজা
ব্যাখ্যা
• গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড  ষোল শতকে সুলতান শেরশাহ কর্তৃক নির্মিত বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত সুদীর্ঘ সড়ক।
• এ দীর্ঘ সড়ক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রশাসনিক কাজে গতি সৃষ্টি করা। এ ছাড়া, প্রতিরক্ষার কৌশলগত দিক সামনে রেখে সমগ্র সাম্রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নিত বিধানও এর লক্ষ্য ছিল।
• এর মাধ্যমে রাজধানী আগ্রার সঙ্গে সাম্রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে যুক্ত করা হয়েছিল। 
• ‘সড়ক-ই-আজম’ নামে পরিচিত এ সড়ককে ঘিরে আরও কিছু কর্মতৎপরতার প্রমাণ মেলে।

• ১৮৩৯ সালের সংস্কার পরিকল্পনায় বাংলাদেশে ও উত্তর ভারতের অন্তর্ভুক্ত সড়কের অংশ কলকাতা সামরিক বিভাগের উপর ন্যস্ত হয়। এ সময় রাস্তাটির প্রায় ৩৭৭ কিমি পাকা করা হয়।
• অবশেষে ১৮৪৮ সালে লর্ড ডালহৌসীর শাসনামলে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হয়।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে -
  1. ক) ৭.৫০ শতাংশ
  2. খ) ৭.২৫ শতাংশ
  3. গ) ৮.২৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৭.৭৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে সরকার।
• ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছিল ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট - ২০২২-২০২৩।
.
শৈত্য সহিষ্ণু ধানের উদাহরন কোনটি?
  1. ক) ব্রি ধান ৩৬
  2. খ) ব্রি ধান ৫৬
  3. গ) ব্রি ধান ৫৭
  4. ঘ) ব্রি ধান ৪০
ব্যাখ্যা
শৈত্য সহিষ্ণু ফসল
• বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতকাল। শীতকালে দেশের চরম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারি বা
ফেব্রুয়ারি মাসে হয়ে থাকে। 
• শীতকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে। 
• আমাদের দেশে শৈত্য বেশি পড়লে এবং শৈত্যতা দীর্ঘস্থায়ী হলে শীতকালীন ফসল, যেমন - গোলআলু ও গমের ফলন ভালো হয়। 
• তবে রোপা আমন ও বোরো ধানের পরাগায়ণ ও দানা গঠনের সময় শৈত্য বেশি পড়লে অর্থাৎ তাপমাত্রা কমে গেলে চিটা হয়ে ফলন কমে যায়।
• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের ঠাণ্ডাপ্রবণ এলাকার জন্য ব্রি ধান ৩৬ জাতটি বের করে। 
• বীজ বপনের সময় যে সব এলাকায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায় সেসব এলাকার জন্য এ জাতটি খুবই উপযোগী। 
• ব্রি ধান ৫৫ জাতটি মাঝারি শৈত্য সহ্য করতে পারে বলে দেশের শৈত্য-প্রবণ এলাকায় চাষ করা যায়।  

অন্যদিকে, 
• ব্রি ধান ৫৬ ও ব্রি ধান ৫৭ দুইটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত। এর মধ্যে ব্রি ধান ৫৭ প্রজনন পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৮-১৪ দিন বৃষ্টি না হলেও ফলনের তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। 
• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ইতোমধ্যে বেশ কিছু লবণাক্ততা সহিষ্ণু জাতের ধান বের করেছে। যেমন - ব্রি ধান ৪০, ব্রি ধান ৪১, ব্রি ধান-৪৭, ব্রি ধান ৫৩, ও ব্রি ধান ৫৪।

তথ্যসূত্র:- কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
জিডিপিতে সর্বাধিক নিয়োজিত জনশক্তি রয়েছে কোন খাতে?
  1. ক) কৃষি
  2. খ) শিল্প
  3. গ) বাণিজ্য
  4. ঘ) সেবা
ব্যাখ্যা
কৃষিখাত
• অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.৫০%। 
- এই খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪০.৬%

সেবাখাত
• অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.৪৪%। 
- এই খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৯.০%। 

শিল্পখাত
• অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.০৭%।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ২০.৪%। 

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
.
গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় অবস্থিত বনভূমি কী ধরনের?
  1. ক) মিশ্রিত
  2. খ) পত্রঝরা
  3. গ) চিরহরিৎ
  4. ঘ) স্রোতজ
ব্যাখ্যা
ক্রান্তিয় আদ্র পাতাঝরা বন (শাল বন)

অবস্থান:- এ বন মূলত গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় অবস্থিত। তাছাড়া দেশের উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলায় অল্প কিছু শাল বন রয়েছে।

পরিমাণ:- প্রায় ১,২০,০০০ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ০.৮১% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৭.৫%।

উদ্ভিদ প্রজাতি:- এ বনের মূল প্রজাতি শাল যা অনেকেই গজারী বলে জানেন। শুষ্ক মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) শাল গাছের পাতা ঝরে যায় বলে একে পত্রঝরা বনও বলা হয়। এ ছাড়া রয়েছে হরিতকি, বহেরা, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি প্রজাতির বৃক্ষ।

বন্যপ্রাণী:- এ বনের উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণীর মধ্যে রয়েছে মেছোবাঘ, বনবিড়াল, বানর, শিয়াল, বেজি, হনুমান, সজারু, ঈগল, কাঠবিড়ালী, সাপ, ধলাকোমর শামা, লাল বন মুরগী, সবুজঠোঁট মালকোয়া, তিলা-নাগঈগল।

তথ্যসূত্র:- বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৫৬
  2. খ) ১৯৫৮
  3. গ) ১৯৫৯
  4. ঘ) ১৯৫৪
ব্যাখ্যা
• পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 
• বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে। এগুলো হলো -
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪) এবং
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫)।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে নারায়ণগঞ্জে এবং ১৯৫৮ সালে ঢাকার মতিঝিলে স্থানান্তরিত হয়। 
• বাংলাদেশে শেয়ার মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) যা ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত।
• গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

তথ্যসূত্র:- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১০.
বাংলাদেশ সরকার কোন খাত থেকে সর্বাধিক রাজস্ব আয় করে?
  1. ক) সম্পূরক শুল্ক
  2. খ) আবগারি শুল্ক
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) মূল্য সংযােজন কর
ব্যাখ্যা
রাজস্ব বাের্ড কর্তৃক আহরিত করসমূহের উৎস - 
মূল্য সংযােজন কর - ১,৪১,১৯২ (৩৮.২%)।
• আয়, মুনাফা ও মূলধনের উপর কর - ১,২১,০২০ (৩২.৭%)।
• সম্পূরক শুল্ক - ৫৮,৫২৪ (১৫.৮%)।
• আমদানি শুল্ক - ৪৩,৯৯৪ (১১.৯%)।
• আবগারি শুল্ক - ৪,১২৭।   

জেনে রাখা ভালো, 
• বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
• ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
• দেশে বর্তমানে কর প্রদানকারীর সংখ্যা - ২৯ লাখ।    

তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট, ২০২২-২৩।
১১.
ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম কামানের ব্যবহার হয় কোন যুদ্ধে?
  1. ক) পানিপথের ১ম যুদ্ধ
  2. খ) মান্দাসোর যুদ্ধ
  3. গ) পানিপথের ২য় যুদ্ধ
  4. ঘ) পানিপথের ৩য় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ (২১ এপ্রিল, ১৫২৬ খ্রি.)
• পানিপথ বর্তমান ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তরে হরিয়ানা রাজ্যে অবস্থিত।
• ১৫২৫ খ্রিস্টাব্দে বাবর কাবুল থেকে আগমন করে পাঞ্জাবের শাসক দৌলত খান লোদীকে পরাজিত করে লাহোর তথা সমগ্র পাঞ্জাব অধিকার করেন।
• ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দের ২১ এপ্রিল লোদী বংশের সর্বশেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদী ও জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের মধ্যে ঐতিহাসিক পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
• ‘তুযুক-ই-বাবুরী’ বা ‘বাবরনামা’র বিবরণ অনুযায়ী পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের সেনাবাহিনীতে ছিল ১২,০০০ পদাতিক, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অশ্বারোহী ও গোলন্দাজ। এই যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্যবাহিনীতে ছিল ১,০০,০০০ সৈন্য ও ১০০ হস্তী।
• ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর সর্বপ্রথম এই যুদ্ধে কামানের ব্যবহার করেন।
• এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বাবর ইব্রাহিম লোদীকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত ও নিহত করেন।
• পানিপথের প্রথম যুদ্ধে জয় লাভ করার মাধ্যমে লোদী বংশের পতন ঘটে। ফলে উপমহাদেশে সুলতানি শাসনের অবসান ঘটে এবং মুঘল বংশের রাজত্ব শুরু হয়। 

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১২.
স্বাধীন বাংলাদেশে কোন সালে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি?
  1. ক) ১৯৭৭
  2. খ) ১৯৯৬
  3. গ) ২০০৯
  4. ঘ) ২০১৯
ব্যাখ্যা
⇨ স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
• প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৭৭ সালে।
• দ্বিতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৮৩-৮৪ সালে।
• তৃতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৯৬ সালে
• চতুর্থ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ২০০৮ সালে।
• পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ২০১৯ সালে

⇨ বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৩.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের 'সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)
⇨ বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
⇨ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇨ ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত।
⇨ ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে। গবেষণা কেন্দ্রগুলাে হচ্ছে -
• স্বাদুপানি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ;
• নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর;
• লােনাপানি কেন্দ্র, পাইকগাছা, খুলনা;
সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার এবং
• চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, বাগেরহাট।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) ওয়েবসাইট।
১৪.
২০৪১ সাল নাগাদ চরম দারিদ্র্যের হার কত শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে?
  1. ক) ৩ শতাংশ
  2. খ) ২ শতাংশ
  3. গ) ৪ শতাংশ
  4. ঘ) ১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩.০ শতাংশের নিচে এবং চরম দারিদ্র্য হার ১.০ শতাংশের নিচে নামিয়ে লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে।
• ২০২০ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮.৮ শতাংশ।
• ২০৩১ সালে এটি দাঁড়াবে ৭.০ শতাংশে। 

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন
১৫.
পচনের পর পাট থেকে কয়ভাবে আঁশ ছাড়ানো যায়?
  1. ক) ৪ ভাবে
  2. খ) ৫ ভাবে
  3. গ) ২ ভাবে
  4. ঘ) ৩ ভাবে
ব্যাখ্যা
আঁশ ছাড়ানো ও পরিষ্কারকরণ
পচার পর পাট গাছ থেকে দু'ভাবে আঁশ ছাড়ানো যায়, যথা:- 

১। শুকনো জায়গায় বসে প্রতিটি পাট গাছ থেকে আলাদা আলাদাভাবে আঁশ ছাড়িয়ে নেয়ার পর কায়েকটি পাট গাছের আঁশ একত্রে করে ধুয়ে নেওয়া হয় এবং আঁটি বেঁধে রাখা হয়। এক্ষেত্রে পাটের কাঠি ভাঙ্গা হয় না বিধায় আস্ত থাকে।

২। হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত পানিতে দাঁড়িয়ে পাটের আঁটির গোড়ায় কাঠ বা বাঁশের মুগুর দ্বারা পিটানো হয়। এরপর গোড়া থেকে ৪০-৪৬ সে.মি. দূরে ভেঙ্গে পানির মধ্যে লম্বভাবে কয়েকটি ঝাঁকি দিলেই গোড়ার পাটকাঠি বের হয়ে যায়। পরে গোড়ার আঁশ হাতে পেচিয়ে নিয়ে পানির উপর সমান্তরালভাবে সামনে পিছনে ঠেলা দিলেই অগ্রভাগের পাটকাঠি বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে আঁশগুলো ভালোভাবে ধূয়ে নিয়ে আঁটি বেঁধে রাখা হয়।  

তথ্যসূত্র:- কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
চলতি অর্থবছরে গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ক) ৪,৫০,০০০ টাকা
  2. খ) ৪,২৫,০০০ টাকা
  3. গ) ৪,৬০,০০০ টাকা
  4. ঘ) ৪,৭৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৩,০০,০০০ টাকা‌।
• নারী, তৃতীয় লিঙ্গ ও ৬৫ বছরের উর্ধ্ব করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা।
গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা

তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট, ২০২২-২৩। 
১৭.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ২টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয় -
• বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা
• পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
• এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
• তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
১৮.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার কে?
  1. ক) তানভীর কবির
  2. খ) শামিম শিকদার
  3. গ) মুঈনুল হোসেন
  4. ঘ) হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান
• ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
• ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

১৯.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জনশক্তি প্রেরণ করে কোন দেশে?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) ওমান
  4. ঘ) কাতার
ব্যাখ্যা
⇨ প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
⇨ দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
⇨ ইউরােপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
⇨ ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
⇨ সবচেয়ে বেশি জনশক্তি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মােট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।     
২০.
বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে -
  1. ক) ৪,৩৩,০০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৩,৭০,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ৪,১১,০০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৩,৯৮,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
• বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
• এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংগৃহীত কর থেকে পাওয়া যাবে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা।
• এনবিআর–বহির্ভূত কর থেকে আসবে ১৮ হাজার কোটি টাকা।
• আর কর ব্যতীত প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র:- অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
২১.
কয়টি বিভাগ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় । 
• এর ২ টি বিভাগ রয়েছে - ১। জননিরাপত্তা বিভাগ এবং ২। সুরক্ষা বিভাগ 
• স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা সমূহের মধ্যে রয়েছে: বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ইত্যাদি।
• তবে যুদ্ধকালিন সময়ে বিজিবি সেনাবাহিনীর অধীনস্থ হয়।

তথ্যসূত্র:- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২২.
মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান -
  1. ক) ক্রমবর্ধমান
  2. খ) ক্রমহ্রাসমান
  3. গ) বর্ধনশীল
  4. ঘ) দ্রুত বর্ধনশী
ব্যাখ্যা
• জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত - কৃষিখাত। 
• আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত - শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%। 
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। 
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
 
তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
২৩.
কোন দিনটিকে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৭ এপ্রিল
  3. গ) ২৬ মার্চ
  4. ঘ) ২৫ মার্চ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস যা ২৬শে মার্চ তারিখে পালিত বাংলাদেশের জাতীয় দিবস।
• ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে (কাল রাত) তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু করে।
• ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।  

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২৪.
২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে মাথাপিছু ঘাটতি কত?
  1. ক) ১৩,২৭৬ টাকা
  2. খ) ১৭,১৯৮ টাকা
  3. গ) ১৫,১৫৫ টাকা
  4. ঘ) ১৮,৯৯৯ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেট ৫১তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫২তম)।
• বাজেটের আকার ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।
• অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার - ৭.৫%। 
• মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা (প্রাক্কলিক) - ৩,০০৭ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু আয় - ২৮২৪ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু ঘাটতি - ১৫,১৫৫ টাকা
• মাথাপিছু বরাদ্দ - ৪১,৯৩৩ টাকা। 
• গত বছর মাথাপিছু বরাদ্দ ছিল - ৩৭,৩৩৩ টাকা 

তথ্যসূত্র:- অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
২৫.
বাংলা একাডেমির প্রথম নারী সভাপতি-
  1. ক) সেলিনা হোসেন
  2. খ) সেলিনা হায়াৎ
  3. গ) রাজিয়া বেগম
  4. ঘ) ড. নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমির প্রথম নারী ও বর্তমান সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন কথা সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন
• গত ৩ ফেব্রুয়ারি তাকে বাংলা একাডেমীর নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
• বাংলা একাডেমীর আগের সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক নুরুল হক গত ৩০ নভেম্বর ২০২১ মারা যান।
• বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
• বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক অধ্যাপক মযহারুল ইসলাম।
• বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি ছিলেন মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ।
• বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র:- বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

২৬.
‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) ইংরেজি ১৯৫০ সালে
  2. খ) বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে
  3. গ) ইংরেজি ১৯৪৩ সালে
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষ ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ নামে পরিচিত।
• বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে এই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হওয়ায় একে ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ বলা হয়।
• এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
• এই দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।      

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম - ১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া। 
২৭.
চলতি বাজেটে মাথাপিছু বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে -
  1. ক) ৪১,৯৩৩ টাকা
  2. খ) ৩৭,৩৩৩ টাকা
  3. গ) ৩৫,৫৫৫ টাকা
  4. ঘ) ৪৫,৮৮৫ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেট ৫১তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫২তম)।
• বাজেটের আকার ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।
• অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার - ৭.৫%। 
• মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা (প্রাক্কলিক) - ৩,০০৭ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু আয় - ২৮২৪ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু ঘাটতি - ১৫,১৫৫ টাকা।
• মাথাপিছু বরাদ্দ - ৪১,৯৩৩ টাকা। 
• গত বছর মাথাপিছু বরাদ্দ ছিল - ৩৭,৩৩৩ টাকা 

তথ্যসূত্র:- অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।