পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা] ----------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি বিদেশি ধাতু?
  1. কাদ্
  2. নাচ্
  3. দৃশ্
  4.  ঝুল্
সঠিক উত্তর:
 ঝুল্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ঝুল্
ব্যাখ্যা

মৌলিক ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা-
ক) বাংলা ধাতু,
খ) সংস্কৃত ধাতু ও
গ) বিদেশি ধাতু।

• বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসে নি, সেগুলোকে বাংলা ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।
যেমন- কাদ্, কাট্, নাচ্, আক্ কহ্, কর্ ইত্যাদি।

• সংস্কৃত মূল ধাতু:
- যে সব ক্রিয়াপদের মূল সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলাভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় সংস্কৃত মূল ধাতু। এসব ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়া বিশেষ্য বাক্রিয়া বিশেষণ গঠিত হয়।
যেমন:
অঙ্ক, কথ্, কৃৎ, খাদ্, হস্, পঠ্‌, দৃশ্ ইত্যাদি।

• বিদেশি ধাতু:
- তৎসম ও বাংলা ধাতু ছাড়া যেসব ধাতু বিদেশি ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় বিদেশি ধাতু। 
যেমন:
আঁট, খাট্, চেঁচ্, ঝুল্ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'আজ যদি শিহাব আসত, কেমন মজা হতো।' কোন কালের উদাহরণ?
  1. পুরাঘটিত অতীত
  2. পুরাঘটিত ভবিষ্যত
  3. নিত্যবৃত্ত অতীত
  4. সাধারণ অতীত
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত অতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত অতীত
ব্যাখ্যা

• নিত্যবৃত্ত অতীত:
- অতীত কালে যে ক্রিয়া সাধারণ অভ্যস্ততা অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে।

যেমন:
- আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম।

• নিত্যবৃত্ত অতীতের বিশিষ্ট ব্যবহার:
(১) কামনা প্রকাশে: আজ যদি সুমন আসত, কেমন মজা হতো।
(২) অসম্ভব কল্পনায়: 'সাতাশ হতো যদি একশ সাতাশ'।
(৩) সম্ভাবনা প্রকাশে: তুমি যদি যেতে, তবে ভালোই হতো।

অন্যদিকে,
• সাধারণ অতীত:
অতীত কালে যে কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বোঝায়, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
যেমন:
- তারা সেখানে বেড়াতে গেল।
- তখন বাতিটা জ্বলে উঠল।

• ঘটমান অতীত:
যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন:
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
- তারা মাঠে খেলছিল।
- তুমি নাচছিলে।

• পুরাঘটিত অতীত:
অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীতকাল বলে।
যেমন:
- খবরটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌঁছেছিলাম।
- কাজটি কি তুমি করেছিলে?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৮সংস্করণ)।

.
‘মেছো’ শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. মাছ + ও
  2. মাছ + উয়া > ও
  3. মাছ + য়া > ও
  4. মেছ + ও
সঠিক উত্তর:
মাছ + উয়া > ও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাছ + উয়া > ও
ব্যাখ্যা

- ‘মেছো’ শব্দটি উয়া> ও প্রত্যয়যোগে গঠিত তদ্ধিত প্রত্যয়।
- এর সঠিক  প্রকৃতি প্রত্যয় হবে 'মাছ + উয়া > ও'

উয়া> ও-প্রত্যয়:
• রোগগ্রস্ত অর্থে : জ্বর + উয়া = জ্বরুয়া> জ্বরো। বাত+উয়া=বাতুয়া> বেতো (ঘোড়া)।
• যুক্ত অর্থে : টাক – টেকো। -
• সেই উপকরণে নির্মিত অর্থে : খড়খড়ো (খড়োঘর)।
• জাত অর্থে : ধান - ধেনো।
• সংশ্লিষ্ট অর্থে : মাঠ - মেঠো, গাঁ-গাঁইয়া> গেঁয়ো ।
• উপজীবিকা অর্থে : মাছ - মাছুয়া> মেছো।
• বিশেষণ গঠনে দাঁত - দেঁতো (হাসি), ছাঁদ-ছেঁদো (কথা), তেল-তেলো> তেলা (মাথা), কুঁজ- কুঁজো (লোক)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৮সংস্করণ)।

.
স্বয়ংসিদ্ধ ধাতু কোনটি?
  1. শো
  2. ধমকা
  3. পড়া
  4. দেখা
সঠিক উত্তর:
শো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শো
ব্যাখ্যা

 • মৌলিক ধাতু:
- যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়, সেগুলোই মৌলিক ধাতু।
-  একে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয় ৷ 
- যেমন –চল্, পড়, কর্, শো, হ, খা ইত্যাদি।

• সাধিত ধাতু:
- মৌলিক ধাতু কিংবা কোনো কোনো নাম - শব্দের সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে সাধিত ধাতু বলে।
- যেমন দেখ্ + আ = দেখা, পড়+আ= পড়া, বল+আ=বলা।
- সাধিত ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষসূচক বিভক্তি যুক্ত করে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
- যেমন মা শিশুকে চাঁদ দেখায়। (এখানে দেখ+আ+বর্তমান কালের সাধারণ নামপুরুষের ক্রিয়া বিভক্তি 'য়' = দেখায়)। এরূপ শোনায়, বসায় ইত্যাদি।
গঠনরীতি ও অর্থের দিক থেকে সাধিত ধাতু তিন শ্রেণিতে বিভক্ত:
ক. নাম ধাতু, খ. প্রযোজক (নিজন্ত) ধাতু, (গ) কর্মবাচ্যের ধাতু।

ক. নাম ধাতু: বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অনুকার অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে নতুন ধাতুটি গঠিত হয় তা-ই নাম ধাতু। যেমন-সে ঘুমাচ্ছে। 'ঘুম্' থেকে নাম ধাতু 'ঘুমা'। 'ধমক্' থেকে নাম ধাতু 'ধমকা'। যেমন আমাকে ধমকিও না।

খ. প্রযোজক ধাতু: মৌলিক ধাতুর পরে প্রেরণার্থ (অপরকে নিয়োজিত করা অর্থে) 'আ' প্রত্যয় যোগ করে প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু গঠিত হয়। যেমন- কর্ + আ করা (এখানে 'করা' একটি ধাতু)। যেমন সে নিজে করে না, আর একজনকে দিয়ে করায়। অনুরূপভাবে- পড়+ আ-পড়া; তিনি ছেলেকে পড়াচ্ছেন।

গ. কর্মবাচ্যের ধাতু: মৌলিক ধাতুর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগে কর্মবাচ্যের ধাতু সাধিত হয়। এটি বাক্যমধ্যস্থ কর্মপদের অনুসারী ক্রিয়ার ধাতু। যথা দেখ+ আ-দেখা; কাজটি ভালো দেখায় না। হার্+আ-হারা; 'যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর।'
'কর্মবাচ্যের ধাতু' বলে আলাদা নামকরণের প্রয়োজন নেই। কারণ, এটি প্রযোজক ধাতুরই অন্তর্ভুক্ত। যেমন-'দেখায়' এবং 'হারায়' প্রযোজক ধাতু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৮সংস্করণ)।

.
‘সৃষ্টি’ - শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √সৃজ্‌ + ক্তি
  2. √সৃষ্‌ + তি
  3. √সৃষ্‌ + টি
  4. √সৃজ্‌ + টি
সঠিক উত্তর:
√সৃজ্‌ + ক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√সৃজ্‌ + ক্তি
ব্যাখ্যা

• সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় = সৃষ্টি = √সৃজ্‌ + ক্তি বা সৃষ্টি = √সৃজ্‌ + তি।

ক্তি (তি) প্রত্যয়:
কিছু ধাতুর শেষের ব্যঞ্জন লোপ পায়।
যেমন-
- √গম্‌ + ক্তি (তি) = গতি
- √মন্‌ + ক্তি (তি) = মতি
- √রম্‌ + ক্তি (তি) = রতি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৮সংস্করণ)।

.
'মহাভারতের কথা অমৃত সমান।' বাক্যটি কোন কাল নির্দেশ করছে?
  1. সাধারণ বর্তমান কাল
  2. নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল
  3. পুরাঘটিত বর্তমান কাল
  4. ঘটমান বর্তমান কাল
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল
ব্যাখ্যা

নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
- বস্বাভাবিক বা অভ্যস্ততা বোঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।
যথা -
- সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়। (স্বাভাবিকতা)।
- আমি রোজ সকালে বেড়াতে যাই। (অভ্যস্ততা)।

নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
(১) স্থায়ী সত্য প্রকাশে: চার আর তিনে সাত হয়।

(২) ঐতিহাসিক বর্তমান:
- অতীতের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনায় যদি নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের প্রয়োগ হয়, তাহলে তাকে ঐতিহাসিক বর্তমান কাল বলে।
যেমন -
- বাবরের মৃত্যুর পর হুমায়ুন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।

(৩) কাব্যের ভণিতায়:
- মহাভারতের কথা অমৃত সমান।
- কাশীরাম দাস ভনে শুনে পুণ্যবান।

(৪) অনিশ্চয়তা প্রকাশে: কে জানে দেশে আবার সুদিন আসবে কি না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
নিচের কোনটি দেশি শব্দ?
  1. লাল
  2. খর্ব
  3. মাঠ
  4. বাপু
সঠিক উত্তর:
মাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাঠ
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'মাঠ' একটি দেশি শব্দ।
অর্থ:
১. প্রান্তর, ময়দান; খেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান।
২. কৃষিক্ষেত্র (মাঠের ফসল)।
৩. পশুচারণ ক্ষেত্র।

কিছু দেশি শব্দ:
ঢোল, ডিঙি, টোপর, বাখারি, কয়লা, কামড়, চাউল, ঝোল, , ডাহা, ঢিল, পয়লা, ডাঁসা, ডাব, ডাঙর, ঢিল, মাঠ, চাটাই, ঝিনুক, শিকড়, কচি, খড়, পেট।

অন্যদিকে,
- লাল ও খর্ব সংস্কৃত শব্দ।
- বাপু হিন্দি শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
They talked about going on a vacation. Here 'going' is a/an-
  1. Participle
  2. Infinitive
  3. Verbal noun
  4. Gerund
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা

[49 BCS Preli]

• They talked about going on a vacation.

- Here 'going' is a gerund.

- Here, “going” comes after the preposition “about”, so it must function as a noun.
- প্রদত্ত বাক্যে, going (verb+ing)- preposition “about” -এর object হিসেবে বসে noun -এর কাজ করেছে তাই এটি gerund.
- অর্থাৎ, 'going' এখানে যাওয়ার কাজ (an act or instance of going) বুঝাচ্ছে।
- এটি participle নয়, কারণ এই বাক্যে এটি কোনো noun/pronoun কে modify করেনি।
 
• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• Functions of the Gerund:
1. As a subject of a verb: Rising early is a good habit.
2. As an object of a verb: I like reading poetry.
3. As an object of a preposition: I am tired of waiting.
4. As a complement of a verb: Seeing is believing.
5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing table.

অন্যদিকে,
• Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
- যেমন: Everything was in going order.

• Infinitive:
- Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.
- যেমন: go, to go.

• Infinitive দুই রকম হতে পারে। যেমন:
- To -যুক্ত infinitive এবং
- To -বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.

• Verbal Noun:
- কোন বাক্যের Verb + ing - এর পূর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The + verb+ing + of = verbal noun.
- যেমন: The making of the plan is in hand.

Source: 
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

.
The skilled gardener carefully planted colorful flowers in the garden.
Here, the verb ‘planted’ is
  1. Perfect participle
  2. Transitive
  3. Non-finite
  4. Linking
সঠিক উত্তর:
Transitive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Transitive
ব্যাখ্যা

The skilled gardener carefully planted colorful flowers in the garden.
Here, the verb ‘planted’ is a transitive verb.
- “planted” হলো একটি transitive verb, কারণ এটি flowers কে object হিসেবে নিয়েছে।
- আর - যে verb এর object আছে তাকে transitive verb বলে৷

• Transitive verb
- Transitive verbs এর সাধারণ Structure  হচ্ছে : subject + verb + object
- Object সর্বদাই Noun অথবা Pronoun হয়।
- তাই বাক্যে verb এর পরে Noun অথবা Pronoun থাকলে verb টি সাধারণত transitive verb হবে।
- আবার intransitive verb এর শেষে preposition + object যুক্ত করেও তাকে transitive verb এ পরিণত করা যায়।

• কিছু Transitive verb এ object এর পাশাপাশি Complement থাকে এবং Complement গুলো object কে Describe করে।
- এই ধরনের Complement কে  Objective Complement বলে।

১০.
We met Nila carrying a bouquet of white lilies.
- Here, 'carrying' is -
  1. Gerund
  2. Verbal noun
  3. Participle
  4. Infinitive
সঠিক উত্তর:
Participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participle
ব্যাখ্যা

• We met Nila carrying a bouquet of white lilies.
- Here, 'carrying' is a participle. 

- এখানে "carrying" হলো Present Participle.
- "Carrying a bouquet of white lilies" একটি participial phrase যা "Nila" কে বর্ণনা/modify করছে।

Meaning: আমরা Nila-কে দেখলাম যখন সে সাদা লিলি ফুলের একটি তোড়া বহন করছিল।

• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns/pronouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত তিন প্রকার। যথা: 

1. Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
- যেমন: I saw a flying bird.

2. Past participle:
- সাধারণত verb এর সাথে -ed যোগ করে তৈরি হয় (যেমন: played, walked), তবে অপ্রচলিত verb এর আলাদা রূপ থাকে (যেমন: eaten, driven, seen)।
- এটি perfect tense এবং passive voice তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, এবং adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।
- যেমন: The broken window needs fixing.

3. Perfect participle:
- এটি having + past participle দ্বারা তৈরি হয় (যেমন: having eaten, having seen)। এটি এমন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যে, একটি কাজ অন্য কাজের আগে সম্পন্ন হয়েছিল।
- যেমন: Having finished the work, he left.

অন্যদিকে,
• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.
- যেমন: I like reading.

• Infinitive:
- Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.
- যেমন: carry, to carry.

• Infintive দুই রকম হতে পারে। যেমন:
- To -যুক্ত infinitive এবং
- To -বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.

• Verbal Noun:
- কোন বাক্যের Verb + ing - এর পূর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The + verb+ing + of = verbal noun.
- যেমন: The writing of a good letter is difficult.

Source: 
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১১.
Which of the following 'so' is a conjunction?
  1. Don't look so angry.
  2. There's no need to worry so.
  3. It was still painful, so I went to see a doctor.
  4. Why has it taken so long?
সঠিক উত্তর:
It was still painful, so I went to see a doctor.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It was still painful, so I went to see a doctor.
ব্যাখ্যা

Correct answer: গ) It was still painful, so I went to see a doctor.

Conjunction হলো এমন শব্দ যা দুটি clause বা বাক্যকে যুক্ত করে।
এখানে “so” দুটি clause “It was still painful” এবং “I went to see a doctor” কে যুক্ত করছে।

so: [conjunction]

English meaning: used to show the reason for something.
Bangla meaning: সুতরাং; অতএব; সে-কারণে; সেই জন্য। 

Example: 
- It was still painful, so I went to see a doctor.

------------
উল্লিখিত অন্য বাক্য গুলোতে 'so' adverb হিসেবে কাজ করছে। 

so: [adverb]
English meaning: to such a great degree.
Bangla meaning: এই বা ঐ পরিমাণে অথবা মাত্রায়; এতটা; অতটা। 

Example: 
- Don't look so angry.
- There's no need to worry so.
- Why has it taken so long?

Source: Oxford Dictionary.

১২.
Let me ____ you with the homework.
  1. to help
  2. help
  3. helped
  4. to helping
সঠিক উত্তর:
help
উত্তর
সঠিক উত্তর:
help
ব্যাখ্যা

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - help.
- Complete sentence: Let me help you with the homework.

•  Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form।
• Infintive দুই রকম হতে পারে-
১. To-যুক্ত Infinitive এবং
২. To-বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.

• Let-এর পরে Verb-এর Bare Infinitive (to-বিহীন infinitive form) বসে।
- তাই, help verb-টি to-বিহীন infinitive form বসবে।

১৩.
She avoided talking to strangers at the party. Here the 'talking' is
  1. Finite verb
  2. Non-Finite verb
  3. Intransitive
  4. Transitive
সঠিক উত্তর:
Non-Finite verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Non-Finite verb
ব্যাখ্যা

She avoided talking to strangers at the party. Here, the 'talking' is a Non-finite verb.

• She avoided talking to strangers at the party.
- এই sentence এ 'talking' হচ্ছে avoided verb এর object হিসেবে Gerund.
- তাই, এটি Non-finite verb. 

• Non-finite verb: 
- A non-finite verb is a verb form that does not show tense.
- Most non-finite verbs found in English are infinitives, participles, and gerunds.
- যে verb দ্বারা sentence এর বক্তব্য শেষ হয়না ও কোন Subject এর person ও number দ্বারা যার রূপ নির্ণয় করা যায় না তাকে Non finite verb বলে। 

• Finite verb: 
- A finite verb is a verb that has a subject and shows tense.
- Finite verbs are not gerunds, infinitives or participles, which are classified as non-finite verbs.
- Tense এর গঠন অনুসারে যে verb বসে, সেটিই Finite Verb.

Source: Cambridge Dictionary.

১৪.
The word “Eureka” is usually exclaimed to express —
  1. Sorrow
  2. Surprise
  3. Excitement
  4. Fear
সঠিক উত্তর:
Excitement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Excitement
ব্যাখ্যা

The word “Eureka” is usually exclaimed to express — Excitement.

• Eureka! (exclamation/interjection)
English Meaning: A cry of joy, excitement, or satisfaction when one finds or discovers something.
Bangla Meaning: (গ্রিক = আমি পেয়েছি) ইউরেকা; কোনো আবিষ্কারের আনন্দচিত্কার।

• Example:
- The answer hit me. ‘Eureka!’ I cried.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.

১৫.
They threatened to kill him _____ he did as they asked.
  1. otherwise
  2. unless
  3. if
  4. though
সঠিক উত্তর:
unless
উত্তর
সঠিক উত্তর:
unless
ব্যাখ্যা

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) otherwise - অন্যভাবে; ভিন্নভাবে।
খ) unless - যদি না।
গ) if - যদি।
ঘ) though - যদিও; যদ্যপি।

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - unless.
- Complete sentence: They threatened to kill him unless he did as they asked.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১৬.
Choose the correct sentence.
  1. Two officers grappled in the gunman.
  2. Two officers grappled on the gunman.
  3. Two officers grappled off the gunman.
  4. Two officers grappled with the gunman.
সঠিক উত্তর:
Two officers grappled with the gunman.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Two officers grappled with the gunman.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: Two officers grappled with the gunman.

• Grapple with someone (phrasal verb)
English Meaning: to hold onto someone and fight with them.
Bangla Meaning: কারো সাথে লড়াই করা; কারো সাথে সমস্যা সমাধান করতে চেষ্টা করা।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১৭.
They succeeded in solving the problem. Here, 'solving' is an example of -
  1. Modal verb
  2. Infinitive
  3. Participle
  4. Gerund
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা

They succeeded in solving the problem. Here, 'solving' is an example of - Gerund.
- এখানে, preposition in এর object হিসেবে solving হচ্ছে gerund.

• Gerund:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- সংক্ষেপে: Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun.
- It is a word ending in "-ing" that is made from a verb and used like a noun:
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• Functions of the Gerund: 
কোন বাক্যে Gerund ব্যবহৃত হয়: 
1. As subject: Rising early is a good habit. 
2. As object: I like playing Badminton.
3. As an object of a preposition: The old woman is tired of walking.
4. As a complement of a verb: Working is earning.

১৮.
UNDP- এর Human Development Index (HDI) কোন তিনটি মাত্রার উপর ভিত্তি করে গণনা করা হয়?
  1. শিক্ষা, লিঙ্গ সমতা, দারিদ্র্য
  2.  স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান
  3. স্বাস্থ্য, আয়, পরিবেশ
  4. কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন, বাণিজ্য
সঠিক উত্তর:
 স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান
ব্যাখ্যা

- UNDP- এর Human Development Index (HDI)  স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান তিনটি মাত্রার উপর ভিত্তি করে গণনা করা হয়।

UNDP: 

- পূর্ণ নাম: United Nations Development Programme.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৬৫ সালে। 
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র। 
- বর্তমানে ১৭০ দেশে ও অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 
- UNDP- এর সর্বোচ্চ কর্মকর্তাকে প্রশাসক বলা হয়।
- বর্তমান প্রশাসক:  Achim Steiner (জার্মানি)।[ নভেম্বর, ২০২৫]
- স্লোগান / মিশন: "Empowered lives. Resilient nations."

• প্রধান কার্যক্রম:
- Human Development Reports (HDR):
- প্রতি বছর প্রকাশিত “মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন” ও Human Development Index (HDI). স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান।
- জাতিসংঘের Sustainable Development Goals (SDGs) অর্জনে সহায়তা প্রদান
- Inclusive Growth Programmes:
- নারী, যুব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন
- নির্বাচন, নীতি প্রণয়ন, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি হ্রাস ও পরিবেশবান্ধব টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

১৯.
ICAO- এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. মন্ট্রিল, কানাডা
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. রোম, ইতালি
  4. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল, কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল, কানাডা
ব্যাখ্যা

ICAO:
- ICAO পূর্নরূপ - International Civil Aviation Organization.
- ১৯৪৪ সালের "Chicago Convention on International Civil Aviation" স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৪৭ সালে, ICAO হিসাবে যাত্রা শুরু করে।
- এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩ টি। (নভেম্বর, ২০২৫)
- সদর দপ্তর: মন্ট্রিল, কানাডা।
- বর্তমান মহাসচিব: Juan Carlos Salazar Gómez (কলম্বিয়া)।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ICAO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: ICAO ওয়েবসাইট।

২০.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? [নভেম্বর,২০২৫]
  1. ১৯৭টি
  2. ১৯৫টি
  3. ১৯৪টি
  4. ১৯১টি
সঠিক উত্তর:
১৯৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪টি
ব্যাখ্যা

​​​বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO):
- এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- গঠিত হয়: ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল।
- সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের, জেনেভায়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি। [নভেম্বর,২০২৫]
- WHO-এর প্রধান উদ্দেশ্য: সর্বোচ্চ সম্ভাব্য সকল মানুষের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Dr Tedros Adhanom Ghebreyesus.
- মহাপরিচালকের মেয়াদ: ৫ বছর।
- ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে পালিত হয়।

​•বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রকাশনা:
- World Health Report.
- International Classification of Diseases (ICD).
- Essential Medicines List.
- Global Health Estimates.

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।

২১.
UN-HABITAT- এর World Cities Report কত বছর অন্তর প্রকাশিত হয়?
  1. ৫ বছর অন্তর
  2. ২ বছর অন্তর
  3. ৩ বছর অন্তর
  4. ১ বছর অন্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর অন্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর অন্তর
ব্যাখ্যা

UN-HABITAT: 
- এর পূর্ণরূপ: United Nations Human Settlements Programme.
- UN-HABITAT জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা,
- যা টেকসই নগরায়ন ও মানব বসতির উন্নয়ন এর জন্য কাজ করে।
- UN-HABITAT-এর World Cities Report প্রতি দুই বছর অন্তর প্রকাশিত হয়।
- এর লক্ষ্য হলো সব মানুষের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, স্বাস্থ্যকর এবং স্থায়ী বসতি নিশ্চিত করা।
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৭৮ (বিশ্ব মানব বসতি সম্মেলনের পর)
- আগের নাম: UN Centre for Human Settlements (UNCHS)
- বর্তমান নাম: ২০০২ সাল থেকে UN-HABITAT নামে পরিচিত
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।

• মূল লক্ষ্য ও কাজ: 
- নগরায়নের টেকসই নীতি ও পরিকল্পনা তৈরি এবং বাস্তবায়ন।
- শহরগুলোর উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণ।
- সাশ্রয়ী ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা।

উৎস: UN-HABITAT ওয়েবসাইট।

২২.
UNEP কোন ক্ষেত্রে কাজ করে?
  1. পরিবেশ সংরক্ষণ 
  2. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ
  3. শিশু কল্যাণ 
  4. খাদ্য সহায়তা
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ সংরক্ষণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ সংরক্ষণ 
ব্যাখ্যা

- UNEP  বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করে।

UNEP:

- UNEP এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- প্রতিষ্ঠা: ৫ জুন, ১৯৭২।
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- স্থাপনের উপলক্ষ: স্টকহোম সম্মেলন (United Nations Conference on the Human Environment, 1972)।
- 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মাননা,
- ২০০৪ সালে থেকে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' পুরস্কার দেয়া হয়।
- ২০১৫ সালে বাংলাদেশ 'পলিসি লিডারশিপ' ক্যাটাগরিতে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' পুরস্কার লাভ করে।

• UNEP-এর কাজ:
- বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষায় নেতৃত্ব দেওয়া,
- জলবায়ু পরিবর্তন, বায়ু দূষণ, পানি সংকট, বন উজাড়, প্লাস্টিক দূষণ ইত্যাদির বিরুদ্ধে কাজ করা,
- বিভিন্ন দেশকে পরিবেশবান্ধব নীতি ও সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা।
- পরিবেশবিষয়ক গবেষণা, তথ্য ও রিপোর্ট প্রকাশ করা।
- "World Environment Day" (বিশ্ব পরিবেশ দিবস) আয়োজন করা প্রতি বছর ৫ জুন।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

২৩.
UNHCR- Refugee Convention এর Non-Refoulement নীতি কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখিত?
  1. Article 33
  2. Article 1
  3. Article 16
  4.  Article 28
সঠিক উত্তর:
Article 33
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 33
ব্যাখ্যা

- ১৯৫১ সালের Refugee Convention-এর অনুচ্ছেদ ৩৩-এ non-refoulement বা ফেরত না পাঠানোর নীতিটি উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই নীতি অনুযায়ী, কোনো রাষ্ট্র শরণার্থীকে এমন কোনো দেশে ফেরত পাঠাতে পারবে না যেখানে তাদের জীবন বা স্বাধীনতাকে জাতি, ধর্ম, জাতীয়তা, নির্দিষ্ট সামাজিক গোষ্ঠীর সদস্যপদ বা রাজনৈতিক মতামতের কারণে হুমকি দেওয়া হতে পারে।

UNHCR:

- পূর্ণ নাম: United Nations High Commissioner for Refugees.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যক্রম শুরু: ১ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- বর্তমান হাইকমিশনার: Filippo Grandi (ইতালি)। [নভেম্বর, ২০২৫]
- ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে UNHCR নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। 
- দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- স্লোগান / মিশন: "The UN Refugee Agency – Protecting People Forced to Flee"
• শিশু শ্রমের বিরুদ্ধে লড়াই এটি ILO-এর মূল কাজ।


• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- UNHCR-এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বব্যাপী শরণার্থী, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি, রাষ্ট্রহীন ব্যক্তি এবং আশ্রয়প্রার্থী জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও সহায়তা নিশ্চিত করা।
- এবং তাদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন, স্থানান্তর অথবা নতুন জীবন শুরু করতে সহায়তা করা।
- UNHCR বর্তমানে ১৩০টির বেশি দেশে কাজ করছে।

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট।

২৪.
UNRWA কোন দেশের শরণার্থীদের জন্য কাজ করে? 
  1. মিয়ানমার 
  2. ফিলিস্তিন
  3. আফগানিস্তান
  4. সুদান 
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

• UNRWA:
- United Nations Relief and Works Agency.
- UNRWA হচ্ছে জাতিসংঘের একটি সংস্থা,
- যা ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুনর্বাসন ও সামাজিক সেবা প্রদান করে।
- প্রতিষ্ঠিত: ৮ ডিসেম্বর ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠার পটভূমি: ১৯৪৮ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের ফলে বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি জনগণের শরণার্থী হয়ে পড়ার পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের রেজুলুশন 302 (IV) দ্বারা সংস্থাটি গঠিত হয়।


• UNRWA পাঁচটি অঞ্চল জুড়ে কাজ করে:
- জর্ডান, লেবানন, সিরিয়া, গাজা স্ট্রিপ ওয়েস্ট ব্যাংক (ইসরায়েল অধিকৃত)।


• ফিলিস্তিনি শরণার্থীর সংজ্ঞা:
- UNRWA অনুসারে, একজন ফিলিস্তিনি শরণার্থী হলেন:
- “যে ব্যক্তি ১৯৪৬ থেকে ১৯৪৮ সালের মধ্যে ফিলিস্তিনে বাস করতেন, 
- এবং ১৯৪৮ সালের সংঘর্ষে ঘরছাড়া হয়েছেন এবং UNRWA-এর কার্যক্রম এলাকাগুলোর কোনো একটিতে আশ্রয় নিয়েছেন।”

• সদর দপ্তর:
- আম্মান, জর্ডান (প্রশাসনিক দপ্তর)
- গাজা (অপারেশন হেডকোয়ার্টার)
- UNHCR ও UNRWA আলাদা সংস্থা, UNHCR বিশ্বব্যাপী শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে, কিন্তু UNRWA কেবলমাত্র ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে।

উৎস: UNRWA  ওয়েবসাইট।

২৫.
বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (FAO) এর উদ্যোগে প্রতি বছর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন করে কবে?
  1. ২৬ অক্টোবর
  2. ১৮ অক্টোবর
  3. ১৫ অক্টোবর
  4. ১৬ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
১৬ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

FAO: 
- পূর্ণ নাম: Food and Agriculture Organization of the United Nations.
- প্রতিষ্ঠার সম্মেলন: কুইবেক সিটি, কানাডা।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪২টি
- প্রাথমিক সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, D.C., যুক্তরাষ্ট্রে।
- পরে, ১৯৫১ সালে এটি স্থানান্তর করে রোম, ইতালিতে।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- বর্তমান সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা: ১৯৪টি সদস্য রাষ্ট্র + ১টি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) + ২টি সহযোগী সদস্য।
- মহাপরিচালক (বর্তমান): Qu Dongyu (চীন)। [ নভেম্বর, ২০২৫]
- ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- FAO-এর মূল লক্ষ্য হলো ক্ষুধা, অপুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা দূর করা।
- এবং টেকসই কৃষি, মৎস্য, বন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিশ্বের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করা।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট। 

২৬.
কোনটি পরমাণুর মৌলিক কণার মধ্যে নেই?
  1. প্রোটন
  2. নিউট্রন
  3. ইলেকট্রন
  4. ফোটন
সঠিক উত্তর:
ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন
ব্যাখ্যা

• পরমাণুর মৌলিক কণা: পরমাণু মূলত তিনটি মৌলিক কণার সমন্বয়ে গঠিত: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন।

- প্রোটন (Proton): ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা, যা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে।
- নিউট্রন (Neutron): নিরপেক্ষ চার্জযুক্ত কণা, নিউক্লিয়াসে থাকে এবং পরমাণুর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।
- ইলেকট্রন (Electron): ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা, নিউক্লিয়াসের চারপাশে কক্ষপথে ঘোরে।

• ফোটন (Photon):
- এটি আলোর কণা বা কণা-প্রকৃতির তরঙ্গ যা শক্তি বহন করে, কিন্তু পরমাণুর কাঠামোর অংশ নয়। 
- ফোটন কোনো ভর রাখে না।
- এটি নিউক্লিয়াস বা ইলেকট্রনের অংশ নয়।

সুতরাং, পরমাণুর মৌলিক কণার মধ্যে নেই ফোটন।

তথ্যসূত্র: NCTB মাধ্যমিক রসায়ন। 

২৭.
সাধারণ রসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনটি ঘটে না?
  1. গ্যাসের উৎপাদন
  2. তাপের উৎপাদন
  3. পারমাণবিক ভাঙন
  4. বর্ণ পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক ভাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক ভাঙন
ব্যাখ্যা

• রসায়নিক বিক্রিয়া: এটি এমন প্রক্রিয়া যেখানে পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস পরিবর্তিত হয়, নতুন পদার্থ গঠিত হয়, কিন্তু পরমাণুর নিউক্লিয়াস (প্রোটন ও নিউট্রন) অপরিবর্তিত থাকে।

সাধারণ রসায়নিক বিক্রিয়ার সময় দেখা যায়:
- গ্যাসের উৎপাদন: যেমন সোডিয়াম বায়ারাইটের সাথে পানি প্রতিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন গ্যাস নিঃসৃত হয়।
- তাপের উৎপাদন: যেমন লৌহের জ্বালানি অগ্নিসংযোগে তাপ নিঃসৃত হয়।
- বর্ণ পরিবর্তন: যেমন আয়রনকে অক্সিজেনের সাথে প্রতিক্রিয়ায় লাল মরিচা তৈরি হয়।

• পারমাণবিক ভাঙন (Nuclear fission): এটি কেবল পারমাণবিক বিক্রিয়ায় ঘটে, যেখানে নিউক্লিয়াস ভাঙে এবং প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়। এটি সাধারণ রসায়নিক বিক্রিয়ার অংশ নয়।

সুতরাং, সাধারণ রসায়নিক বিক্রিয়ায় পারমাণবিক ভাঙন ঘটে না।

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন। 

২৮.
অভিস্রবণ কোনটি?
  1. তরল পদার্থের বাষ্প শোষণ
  2. বায়বীয় পদার্থের তরলে রূপান্তর
  3. কঠিন পদার্থ গলানো
  4. দ্রাব্যতা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
তরল পদার্থের বাষ্প শোষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল পদার্থের বাষ্প শোষণ
ব্যাখ্যা

• অভিস্রবণ (Absorption) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে একটি পদার্থ (সাধারণত গ্যাস বা বাষ্প) অন্য একটি পদার্থের (সাধারণত তরল বা কঠিন) অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং তার মধ্যে মিশে যায়।

- উদাহরণ: অ্যামোনিয়া গ্যাসের পানি দ্বারা শোষণ।

অভিস্রবণ:
- যে প্রক্রিয়ায় একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লিয মধ্য দিয়ে হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি (দ্রাবক) অধিক ঘন দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে অভিস্রবণ বলে।
- দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে।
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যেই কিসমিস ফুলে ওঠে।
- অভিস্রবণ দু'ধরনের।
যথা-

(১) অন্তঃঅভিস্রবণ:
- দ্রাবক যখন কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে তখন অন্তঃঅভিস্রবণ ঘটে।
- অন্তঃঅভিস্রবণের ফলে মাটি থেকে পানি মূলরোমে প্রবেশ করে; উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি শোষণ করতে পারে।
উদাহরণ - কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে।

(২) বহিঃঅভিস্রবণ:
- দ্রাবক যখন কোষের ভেতর থেকে বাইরে আসে তখন বহিঃঅভিস্রবণ ঘটে।
- টসটসে আঙ্গুর ঘন চিনির কিংবা লবণের দ্রবণে ডুবিয়ে রাখলে কিছুটা চুপসে যায়। কারণ বহিঃঅভিস্রবণের ফলে আঙ্গুরের ভেতরের পানি বাইরের ঘন দ্রবণে চলে আসে।

উৎস:
- বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞান।
- এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
পদার্থের ক্ষয় ঘটায় কোনটি?
  1. সূর্যের আলো
  2. বাতাস ও পানি
  3. শীতল তাপমাত্রা
  4. নিষ্ক্রিয় পদার্থ
সঠিক উত্তর:
বাতাস ও পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাস ও পানি
ব্যাখ্যা

• পদার্থের ক্ষয়: এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পদার্থ ধীরে ধীরে তার প্রাকৃতিক অবস্থা, শক্তি বা আকৃতি হারায়, সাধারণত রাসায়নিক বিক্রিয়া বা পরিবেশগত প্রভাবে।

বাতাস ও পানি:
- বাতাসে থাকা অক্সিজেন এবং পানির আর্দ্রতা লোহা বা অন্যান্য ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে।
- এর ফলে ধাতু মরচে ধরে বা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- উদাহরণ: লোহা যখন আর্দ্র পরিবেশে থাকে, তখন লোহায় লাল মরচে গঠিত হয়।

অন্যান্য উপাদান:
- সূর্যের আলো: এটি প্রধানত তাপ ও আলোর প্রভাব ফেলে, কিন্তু সরাসরি ক্ষয় ঘটায় না।
- শীতল তাপমাত্রা: পদার্থকে ঠান্ডা করে, কিন্তু ক্ষয় সৃষ্টি করে না।
- নিষ্ক্রিয় পদার্থ: রাসায়নিকভাবে প্রতিক্রিয়াশীল নয়, তাই ক্ষয় ঘটায় না।

সুতরাং, পদার্থের ক্ষয় ঘটায় মূলত বাতাস ও পানি।

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন।  

৩০.
তড়িৎ কোষে কোনটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে?
  1. প্রতিরোধ
  2. ইলেকট্রোলাইট
  3. ক্যাপাসিটার
  4. ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোলাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোলাইট
ব্যাখ্যা

• তড়িৎ কোষ (Electric Cell): এটি এমন একটি ডিভাইস যা রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে।

- ইলেকট্রোলাইট (Electrolyte): তড়িৎ কোষে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল উপাদান হলো ইলেকট্রোলাইট।
- এটি এমন একটি পদার্থ যা আয়ন উৎপন্ন করে।
- ইলেকট্রোলাইট বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য মাধ্যম সরবরাহ করে।
- উদাহরণ: সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4) অম্লীয় তড়িৎ কোষে।

অন্যান্য উপাদানসমূহ:
- প্রতিরোধ (Resistor): এটি বিদ্যুৎ প্রবাহকে সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না।
- ক্যাপাসিটার (Capacitor): এটি বিদ্যুতকে সংরক্ষণ করে, কিন্তু উৎপাদন করে না।
- ট্রান্সফরমার (Transformer): এটি বিদ্যুতের ভোল্টেজ পরিবর্তন করে, কিন্তু উৎপাদন নয়।

সুতরাং, তড়িৎ কোষে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল উপাদান হলো ইলেকট্রোলাইট।


তথ্যসূত্র: NCTB মাধ্যমিক রসায়ন।  

৩১.
পানির ঘনত্ব সর্বাধিক কোন তাপমাত্রায়?
  1. 0°C
  2. 4°C
  3. 25°C
  4. 100°C
সঠিক উত্তর:
4°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4°C
ব্যাখ্যা

• পানির ঘনত্ব: সাধারণভাবে, পদার্থের ঘনত্ব তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে কমে যায়, কারণ তাপের প্রভাবে পদার্থ প্রসারিত হয়।

পানির ব্যতিক্রম:
- 0°C এ পানি বরফে রূপান্তরিত হয় এবং বরফের ঘনত্ব পানি থেকে কম।
- পানি 4°C এ সর্বাধিক ঘন হয়।
- 4°C এর উপরে তাপমাত্রা বাড়লে পানি প্রসারিত হয় এবং ঘনত্ব কমতে থাকে।
- এটি পানির অস্বাভাবিক সম্প্রসারণ নামে পরিচিত।
- তাই পানির ঘনত্ব সর্বাধিক হয় 4°C তাপমাত্রায়, যা জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যেমন হ্রদ বা নদীর জল বরফের তলায় তরল থাকে।

সুতরাং, পানির ঘনত্ব সর্বাধিক 4°C তাপমাত্রায়।

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন।   

৩২.
কোন পদার্থ আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে?
  1. HCl
  2. HNO3
  3. H2O
  4. K2Cr2O7
সঠিক উত্তর:
K2Cr2O7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
K2Cr2O7
ব্যাখ্যা

• আর্দ্রতা শোষণ: এটি এমন প্রক্রিয়া যেখানে একটি পদার্থ বায়ু থেকে জলীয় বাষ্প শোষণ করে।

K2Cr2O7 (পটাসিয়াম ডাইক্রোমেট):
- এটি একটি হাইজ্রোস্কোপিক যৌগ, অর্থাৎ এটি বাতাস থেকে আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে।
- এই প্রক্রিয়ায় যৌগটি পানির সাথে মিশে গলে যেতে পারে।
- HNO3 (নাইট্রিক এসিড): সাধারণত সোনা গলাতে ব্যবহার করা হয়, আর্দ্রতা শোষণ প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- HCl (হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড): গ্যাস আকারে থাকে, আর্দ্রতা শোষণ প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- H₂O (পানি): এটি নিজেই পানি, শোষণ করার অর্থ নেই।

সুতরাং, আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে K2Cr2O7

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন।    

৩৩.
মৌলগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ধাতু?
  1. লিথিয়াম (Li)
  2. সোডিয়াম (Na)
  3. ক্যালসিয়াম (Ca)
  4. ম্যাগনেসিয়াম (Mg)
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম (Na)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম (Na)
ব্যাখ্যা

• ধাতুর প্রতিক্রিয়াশীলতা: ধাতুর প্রতিক্রিয়াশীলতা নির্ভর করে ধাতুটি কত সহজে ইলেকট্রন হারিয়ে ধনায়ন (cation) তৈরি করতে পারে তার উপর। অর্থাৎ, যে ধাতুটি দ্রুত ইলেকট্রন হারাতে পারে, সেটিই বেশি প্রতিক্রিয়াশীল।

- লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (K) ইত্যাদি ধাতু গ্রুপ-১ এ অন্তর্ভুক্ত, যাদের প্রতিক্রিয়াশীলতা অত্যন্ত বেশি।
- এদের মধ্যে প্রতিক্রিয়াশীলতা নিচের দিকে বাড়ে, অর্থাৎ Li < Na < K < Rb < Cs 

• সোডিয়াম (Na):
- এটি একটি নরম, রূপালী ধাতু যা বাতাসে বা পানির সংস্পর্শে এলে দ্রুত বিক্রিয়া করে।
- পানির সাথে বিক্রিয়া করলে এটি হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে এবং সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) তৈরি করে:
2Na + 2H2O → 2NaOH + H2
- এই বিক্রিয়াটি এতটাই তীব্র যে, সোডিয়ামকে সাধারণত কেরোসিন তেলে সংরক্ষণ করা হয় যেন এটি বাতাস বা আর্দ্রতার সাথে বিক্রিয়া না করে।

সুতরাং, সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ধাতু হলো সোডিয়াম (Na)।

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন।

৩৪.
HCl কোন প্রকার যৌগ?
  1. অজৈব
  2. জৈব
  3. পলিমার
  4. ধাতব
সঠিক উত্তর:
অজৈব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অজৈব
ব্যাখ্যা

• অজৈব যৌগ: অজৈব যৌগ হলো সেইসব যৌগ যেগুলো সাধারণত কার্বন-হাইড্রোজেন (C-H) বন্ধন ধারণ করে না।

- এগুলো মূলত ধাতু, অধাতু বা অধাতু-ধাতুর যৌগ দ্বারা গঠিত হয়।
- HCl (হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড) একটি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক যৌগ, যার পূর্ণরূপ Hydrogen Chloride।
- এটি হাইড্রোজেন (H) এবং ক্লোরিন (Cl) এই দুইটি মৌলের সমন্বয়ে গঠিত অজৈব যৌগ।

• HCl কেন অজৈব যৌগ:
- HCl-এ কার্বন (C) নেই, তাই এটি জৈব যৌগ নয়।
- এটি অধাতু হাইড্রোজেন এবং অধাতু ক্লোরিনের সমন্বয়ে তৈরি।
- পানিতে দ্রবীভূত হলে এটি একটি অম্লীয় দ্রবণ (acidic solution) তৈরি করে, যাকে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড বলা হয়।
HCl(g) + H2O → H3O+ + Cl
- এই অ্যাসিডটি শিল্পক্ষেত্রে, পরীক্ষাগারে ও জীববিজ্ঞানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং, HCl হলো একটি অজৈব যৌগ (Inorganic Compound)।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মধ্যমিক রসায়ন
- ব্রিটানিকা [লিংক]

৩৫.
এসিড ও ক্ষারের সংমিশ্রণে কোনটি উৎপন্ন হয়?
  1. লবণ ও পানি 
  2. লবণ ও গ্যাস
  3. পানি ও অক্সিজেন
  4. শুধুই লবণ
সঠিক উত্তর:
লবণ ও পানি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লবণ ও পানি 
ব্যাখ্যা

• এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া: এটি এমন একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া যেখানে এসিড ও ক্ষার একে অপরের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ (Salt) এবং পানি (Water) উৎপন্ন হয়।

উদাহরণস্বরূপ:
HCl (হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড) + NaOH (সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড) → NaCl (লবণ) + H₂O (পানি)
এখানে, এসিডের H⁺ আয়ন এবং ক্ষারের OH⁻ আয়ন মিলে পানি তৈরি করে, এবং লবণ (NaCl) থাকে।

অপরদিকে, 
- লবণ ও গ্যাস: এটি শুধু কিছু বিশেষ বিক্রিয়ায় ঘটে, যেমন কার্বনেট যৌগ + অ্যাসিড।
- পানি ও অক্সিজেন: সাধারণ এসিড-ক্ষার বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় না।
- শুধুই লবণ: এটি ভুল, কারণ পানিও উৎপন্ন হয়। 

সুতরাং, এসিড ও ক্ষারের সংমিশ্রণে সর্বদা উৎপন্ন হয় লবণ ও পানি।

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন।    

৩৬.
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানাটি কোন দেশের কারিগরী সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. জাপান
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়।
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

তথ্যসূত্র: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৩৭.
রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান পণ্য হিসেবে কোনটি বিবেচিত হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. পাট ও পাটবস্ত্র
  2. খাদ্যশস্য
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. কফি ও চা
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

• চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য:
- দেশে নিজস্ব কাঁচামালনির্ভর রপ্তানিপণ্যের মধ্যে চামড়া অন্যতম। 
- এটি দেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানিপণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, সদ্যোবিদায়ি অর্থবছরে (২০২৪-২৫) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে চার হাজার ৮২৮ কোটি মার্কিন ডলারের, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তিন হাজার ৯৩৪ কোটি ডলারের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। (Link1)

৩৮.
BWMRI কোন দুটি শস্যের উন্নয়ন ও গবেষণার কাজ করে থাকে?
  1. পাট ও আখ
  2. গম ও ভুট্টা
  3. গম ও সরিষা
  4. চা ও তামাক
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
ব্যাখ্যা

• BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৩৯.
দেশে প্রথমবারের মতো লোহার খনি কোথায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. দিনাজপুর
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪০.
২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের একক দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি কোন দেশে হয়? 
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• অঞ্চল হিসাবে রপ্তানি,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৪১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সর্বাধিক আমদানি করা শিল্পজাত পণ্য কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. তুলা
  3. সার
  4. সুতা
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা

-বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী      

• বাংলাদেশের আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য:

ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ:
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৪২.
উচ্চফলনশীল কলার জাত নয় কোনটি? 
  1. সবরি
  2. কবরী
  3. কুফরী
  4. কাবুলী
সঠিক উত্তর:
কুফরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুফরী
ব্যাখ্যা

- 'কুফরী' উচ্চ ফলনশীল আলুর একটি জাত। 

• উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

• উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৪৩.
বাংলাদেশে সিমেন্ট শিল্পের সূচনা কোন কারখানার মাধ্যমে হয়?
  1. হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড
  2. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  3. মোস্তফা হাকিম সিমেন্ট লিমিটেড
  4. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সিমেন্ট শিল্পের সূচনা হয় 'ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড' এর যাত্রার মাধ্যমে।

• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। 
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

৪৪.
এম. ডব্লিউ. পামফ্রে-এর মতে মূল্যবোধ হলো -
  1. সমাজে প্রচলিত নৈতিক নিয়ম
  2. ব্যক্তি বা দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ
  3. সামাজিক সংহতির প্রতীক
  4. রাষ্ট্রীয় নীতির ভিত্তি
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি বা দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি বা দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব ধারণার চূড়ান্ত ব্যাপ্তি যা মানুষ হিসেবে একজন ব্যক্তির জীবনে একান্ত কাম্য।
- সমাজের এসব মূল্যবোধ মানুষের জীবনের জন্য লক্ষ্য ও প্রাপ্তি স্থির করতে সাহায্য করে।
- বিভিন্ন পন্ডিত মূল্যবোধকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যেমন  -

• এম. ডব্লিউ. পামফ্রে-এর মতে, “মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ।”
• সমাজবিজ্ঞানী এইচ এম জনসন (H.M. Johnson) এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড”।
• ক্লাইড ব্লুখোন বলেন “সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব প্রকাশ্য ও অনুমেয় আচার-আচরণের ধারা যা ব্যক্তি ও সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে স্বীকৃত”।
• সমাজবিজ্ঞানী এফ ই মেরিল বলেন, “সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরণ, যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।
• জেন লেন্নন-এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ বলতে কোনো স্থান বা এলাকার ধর্মীয়, ঐতিহ্যপূর্ণ, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বা জাতীয় গুণাবলিকে বোঝায়, যা ঐ স্থানের অধিকাংশ বা স্বল্পসংখ্যক লোক পালন করেন।”
• নিকোলাস রেসার-এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ সেসব গুণাবলি, যা ব্যক্তি নিজের সহকর্মীদের মধ্যে দেখে খুশি হয় এবং নিজের সমাজ, জাতি, সংস্কৃতি ও পরিবেশকে মূল্যবান মনে করে খুশি হয়।”
• স্টুয়ার্ড সি. ডড এর মতে, “যে সব মূল্যবোধ ব্যক্তি সমাজের নিকট থেকে আশা করে এবং যা সমাজ ব্যক্তির নিকট থেকে লাভ করে খুশি হয়, সেসব মূল্যবোধই সামাজিক মূল্যবোধ।”

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
নিম্নের কোনটি রাজনৈতিক মূল্যবোধ নয়?
  1. সহনশীলতা
  2. দানশীলতা
  3. সৌজন্যবোধ
  4. জবাবদিহিতার মানসিকতা
সঠিক উত্তর:
দানশীলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দানশীলতা
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক মূল্যবোধ (Political Values):
- যে চিন্তাভাবনা লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের রাজনৈতিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত করে তার সমষ্টিকে রাজনৈতিক মূল্যবোধ বলে।

⇒ রাজনৈতিক মূল্যবোধ হলো:
- রাজনৈতিক সততা,
- শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ,
- রাজনৈতিক সহনশীলতা,
- রাজনৈতিক জবাবদিহিতার মানসিকতা,
- দায়িত্বশীলতার নীতি কার্যকর করা,
- সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন এবং তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রদান,
- সংখ্যালঘিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠের সহিষ্ণু আচরণ,
- বিরোধী মতকে প্রচার ও প্রসারের সুযোগ প্রদান,
- বিরোধী দলকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা প্রদান না করা,
- নির্বাচনে জয়-পরাজয়কে মেনে নেয়া,
- আইনসভাকে কার্যকর হতে সাহায্য করা ইত্যাদি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৪৬.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণতান্ত্রিক মূল্যবােধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান -
  1. প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ
  2. নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য
  3. পরমত সহিষ্ণুতা
  4. ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ
সঠিক উত্তর:
পরমত সহিষ্ণুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমত সহিষ্ণুতা
ব্যাখ্যা

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ:
- সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
- একটি সমাজে যখন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, কর্তব্যপরায়ণতার মতো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো নিশ্চিত হয় তখনই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরমত সহিষ্ণুতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, অন্যের মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মতো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলোও সুশাসনের জন্য আবশ্যক।

⇒ সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ:
• পরমত সহিষ্ণুতা:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের একটি ভিত্তি হল পরমত সহিষ্ণুতা। নানা মত, নানা চিন্তায় বিভক্ত রাজনৈতিক দল, সামাজিক শক্তিগুলো যদি পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এবং অপর পক্ষের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতায় সম্মত থাকে, তাহলে একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।

• স্বচ্ছতা:
- রাষ্ট্রীয়, সরকারি কিংবা প্রশাসনিক কর্মকান্ডের স্বচ্ছতা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অন্যতম বহিঃপ্রকাশ। এই মূল্যবোধের চর্চা সাধারণ জনগণের মধ্যে শাসনকারী কর্তৃপক্ষের ব্যাপারে আস্থার জন্ম দেয়, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জরুরি।

• আইনের শাসন:
- সমাজের প্রয়োজনেই আইনের সৃষ্টি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকলেই সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব যা কেবলমাত্র গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মাধ্যমেই তৈরি হয়। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ না থাকলে আইনের কোন মূল্যায়ন থাকে না। সেক্ষেত্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

• ন্যায়পরায়ণতা:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসসম্পন্ন ব্যক্তি সাধারণত ন্যায়পরায়ণ হয়। সমাজে এমন নাগরিকের সংখ্যা বেশি হলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ত্বরান্বিত হয়। তাই একটি সমাজে বা রাষ্ট্রে ন্যায়পরায়ণতার বোধ সৃষ্টি করা অত্যন্ত জরুরি।

• সচেতনাবোধ সৃষ্টি:
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সচেতন নাগরিক একান্ত কাম্য। মানবিক গুনাবলী ও মূল্যবোধসম্পন্ন ব্যক্তিরাই সচেতন হয়ে থাকে। ফলে সরকার ও প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এছাড়াও কেবলমাত্র সচেতন ব্যক্তিরাই সুশাসন বিরোধী কর্মকান্ডের বিরোধীতা করতে পারে।

• দায়বদ্ধতা:
- নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্রের যেমন দায়বদ্ধতা আছে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকেরও দায়বদ্ধতা আছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসম্পন্ন ব্যক্তি কেবলমাত্র অধিকার ভোগ করে না বরং রাষ্ট্রের প্রতি তার যে দায়িত্ব সেগুলোও ভালোভাবে পালন করে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্র ও নাগরিক উভয় পক্ষের দায়বদ্ধতা কাম্য।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭.
নিম্নের কোনটি নিশ্চিত না হলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ব্যর্থ হয়ে যায়?
  1. গণতন্ত্রের প্রতি উদাসীনতা
  2. দক্ষতা
  3. আইনের শাসন
  4. শিক্ষার মান বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- সুশাসন বলতে এমন এক অবস্থাকে বোঝায় যেখানে শাসন এর স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা আছে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সম্পদ ও সেবা বিতরণের ফলে দরিদ্রতম ও দরিদ্র নাগরিকেরা মর্যাদাপূর্ণ জীবন-যাপন করার সুযোগ লাভ করেছে। বস্তুত বর্তমান সময়ে সুশাসনের বিষয়টি চিন্তাজগতে কেবল ভালো লাগা বা না লাগার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং সুশাসনের বিষয়টি এমন এক কার্যকরী প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে যে, যখন সম্পূর্ণ অর্থে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় তখন সমগ্র রাজনৈতিক ব্যবস্থা টেকসই উন্নয়ন ও পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হয়।
- শাসন তখনই ভালো বা সুশাসন হয় যখন তা নিঃস্ব ও সামাজিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর উপকার বা মঙ্গল করে।

⇒ বিশ্বব্যাংক (১৯৯৪) ‘শাসন: বিশ্বব্যাংকের অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক এক রিপোর্টে সুশাসনকে সরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা, উন্নয়নের জন্য আইনী কাঠামো, স্বচ্ছতা ও তথ্য এ চারটি কার্যক্রম দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সুশাসনের অন্ত:সার হচ্ছে সুষ্ঠু, বাস্তবায়নযোগ্য নীতি এবং নীতি বাস্তবায়নের জন্য একটি পেশাদারী আমলাতন্ত্র এবং শাসনবিভাগ, যা এর কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক হবে। সুশাসনের জন্য আরও প্রয়োজন হচ্ছে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী একটি শক্তিশালী সুশীল সমাজ।
- সর্বোপরি সুশাসন তখনই প্রতিষ্ঠিত হবে, যখন আইনের শাসন নিশ্চিত হবে এবং  সমাজের সকল সদস্য আইনের শাসন মেনে চলবে।

এছাড়াও,
⇒ সুশাসন নিশ্চিত করার উপায়:
- দুর্নীতি প্রতিরোধ: 
- জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ
- এনজিওদের ভূমিকা পালনের সুযোগ সৃষ্টি
- স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা
- গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ
- নারীর ক্ষমতায়ন
- রাজনৈতিক প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ
- রাজনৈতিক সদিচ্ছা

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।