পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩৫
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 12” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৫ প্রশ্ন

.
'পাগলা দাশু' কোন ধরনের সাহিত্য রচনা?
  1. ছড়া
  2. গদ্য
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. গল্পসংকলন
ব্যাখ্যা
• 'পাগলা দাশু' গল্পসংকলন:
- 'পাগলা দাশু' সুকুমার রায় রচিত একটি গল্পসংকলন।
- 'পাগলা দাশু'র গল্পগুলো হাস্যরসে ভরা হলেও তা নিছক হাস্যরসের খোরাক নয় বরং এর মধ্যে রয়েছে তীক্ষ্ম বুদ্ধিদীপ্ত এবং সাবলীল ভাষায় রচিত মজার মজার কাহিনি। এ কাহিনিগুলোতে অনেক কঠিন প্রসঙ্গ খুব সহজ ভাবেই উঠে এসেছে যা একেবারেই উপেক্ষনীয় নয়। সেগুলো যেমনি রসের তেমনি অসম্ভব বুদ্ধিমত্তার।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুকুমার রায়ের 'পাগলা দাশু'র প্রথম সংস্করণের ভূমিকা লিখেছিলেন।

গল্পের কাহিনি সংক্ষেপ:
পাগলা দাশু মূলত সুকুমার রায় কর্তৃক সৃষ্ট একটি কাল্পনিক চরিত্র। দাশু স্কুল পড়ুয়া এক বালক। দাশুর পুরো নাম দাশরথি। সে খুব মেধাবী ছাত্র বিশেষ করে অঙ্কে তার মাথা খুব ভালো। সে যেমনি মেধাবী তেমনি বুদ্ধিদীপ্ত এক ছেলে। দাশু তার বুদ্ধি দিয়ে যেমন পূরণ করে তার ইচ্ছে তেমনি ঘটায় সব পাগলাটে কাণ্ড। দাশুর স্কুলের বন্ধু-বান্ধব ও শিক্ষকদের নিয়ে হাস্যরসে ভরা ব্যাঙ্গাত্মক কীর্তিগুলো নিয়েই রচিত মজার মজার কিছু গল্প। যেগুলো খুব সহজ ও সাবলীল ভাব ও ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন সুকুমার রায় তাঁর 'পাগলা দাশু' গল্পগ্রন্থে।

উৎস: 'পাগলা দাশু' গল্পগ্রন্থ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু, অনলে পুড়িয়া গেল' পঙ্‌ক্তিটি কার রচনা?
  1. জ্ঞানদাস
  2. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  3. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  4. বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা
• 'জ্ঞানদাস':
- জ্ঞানদাস ছিলেন চৈতন্যোত্তর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি।
- জ্ঞানদাস বাংলা ও ব্রজবুলি ভাষায়, রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক প্রায় ২শ (মতান্তরে চারশ) পদ লেখেন।
- তাঁর রচিত মাথুর ও মুরলীশিক্ষা বৈষ্ণবগীতিকাব্যের দুটি মূল্যবান গ্রন্থ।

বিরহের মর্মস্পর্শী আর্তি ফুটে উঠেছে জ্ঞানদাসের কবিতায়:
রূপ লাগি আঁখি ঝুরে গুণে মন ভোর।
প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গ মোর।।

তাঁর আরো একটি বিখ্যাত পদ:
- সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু অনলে পুড়িয়া গেল।
- অমিয়-সাগরে সিনান করিতে সকলি গরল ভেল।।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
'সতীশ ও সাবিত্রী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. দেনা-পাওনা
  2. গৃহদাহ
  3. চরিত্রহীন
  4. পণ্ডিতমশাই
ব্যাখ্যা
• 'চরিত্রহীন' উপন্যাস:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'চরিত্রহীন' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে। প্রথা বহির্ভূত প্রেম ও নারীপুরুষের সম্পর্ক নিয়ে এটি রচিত। উপন্যাসের নামকরণ তাই চরিত্রহীন। গল্পটিতে চারটি নারী চরিত্র রয়েছে।

- প্রধান দুটি নারী চরিত্রের নাম সাবিত্রী ও কিরণময়ী। ছোট দুটি নারী চরিত্রের নাম সুরবালা ও সরোজিনী। সাবেক দুই চরিত্রের চরিত্রহীন হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে উপন্যাসের চারটি চরিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ-
সাবিত্রী চরিত্রটি বিশুদ্ধ, সে তার ভালবাসার মানুষ সতীশ-এর প্রতি অনুগত। সুরবালা উপেন্দ্রনাথের স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণ, ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে অন্ধবিশ্বাসের কারণে তার চরিত্রও চিত্তাকর্ষক। সরোজিনী পাশ্চাত্য শৈলীতে শিক্ষিত এবং চিন্তা-ভাবনায় অগ্রসর কিন্তু পারিবারিক পরিস্থিতিত এবং একটি জাদরেল মা দ্বারা তার জীবনযাপন অবরুদ্ধ। সরোজিনী শেষে সতীশকে বিয়ে করেন। 'চরিত্রহীন' উপন্যাসে মুখ্য চরিত্রের সমন্বয়ক উপেন্দ্র। যদিও এ উপন্যাসে উপেন্দ্রর গুরুত্ব যথেষ্ট। উপন্যাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁর বিস্তৃতি লক্ষ করা যায়। সতীশ ও সাবিত্রীর গভীর অনুরাগ জ্ঞাত হয়েও তিনি সমাজব্যবস্থার যাঁতাকল থেকে বেরিয়ে এসে সমাজ- শৃঙ্খলে আবদ্ধ নারীকে মুক্তি দিতে পারেননি। তাই তো উপেন্দ্র সাবিত্রীক নয়, সতীশের হাতে তুলে দিলেন সরোজিনীকে। আবার কিরণময়ী তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হলেও কিরণময়ীর প্রতি তাঁর ছিল নির্মোহ ভালোবাসা। যার ফলে কিরণময়ী শোধ তুলতে কৃত্রিম প্রণয়স্রোতে দিবাকরকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল অনেক দূরে।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রত্রয় হলো-
- সতীশ,
- সাবিত্রী ও
- কিরণময়ী।

----------------
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- দেবদাস,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী ইত্যাদি।

উৎস: "চরিত্রহীন" উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রাপ্ত সংস্কৃত শ্লোক থেকে চর্যার কোন নামের ইঙ্গিত পাওয়া যায়?
  1. চর্যাগীতিকোষবৃত্তি
  2. চর্যাগীতিকোষ
  3. চর্যাগীতিকা
  4. চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। তাঁরই সম্পাদনায় ৪৭টি পদবিশিষ্ট পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা (১৯১৬) নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।

- তিনি পুথির সূচনায় একটি সংস্কৃত শ্লোক থেকে নামের যে ইঙ্গিত পান তাতে এটি 'চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়' নামেও পরিচিত হয়। তবে সংক্ষেপে এটি 'বৌদ্ধগান ও দোহা' বা 'চর্যাপদ' নামেই অভিহিত হয়ে থাকে।

- চর্যাপদ আবিষ্কৃত হওয়ার পর এর বিষয়, ভাষা ও কাল সম্পর্কে ব্যাপক গবেষণা হয়। এতে তেইশজন পদকর্তার ৪৭টি পদ আছে। চর্যার কবিদের কাল খ্রিস্টীয় নবম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে ধরা হয়। অবশ্য মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে চর্যার কোনো কোনো পদকর্তার আবির্ভাবকাল সপ্তম অথবা অষ্টম শতক।

- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।

- সুকুমার সেন মনে করেন যে, চর্যাপদের পদসংখ্যা ৫১টি; তবে তিনি তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন। আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন। আবার ড. শহীদুল্লাহ চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি বলে মনে করেন।

- সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন। তিনি ১১নং পদের ব্যাখ্যা করেননি। চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র। ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
- চর্যাকাররা সহজযান ধর্মমতে দীক্ষিত ও সিদ্ধাচার্য নামে পরিচিত ছিলেন। তান্ত্রিক যোগসাধনা তাঁদের ধর্মমতের বৈশিষ্ট্য।

অন্যদিকে, 
- কীর্তিচন্দ্র মুনিদত্তের টীকার তিব্বতি অনুবাদ করেছিলেন 'চর্যাগীতিকোষবৃত্তি' নামে। এতে মনে হয় মূল সংকলনের নাম ছিল 'চর্যাগীতিকোষ'। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' অনুবাদ গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. গোলাম মস্তফা
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
• পারস্যের বিখ্যাত সাহিত্যিক ওমর খৈয়ামের মণিমুক্তা স্বরূপ রুবাইকে বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য সহজ বাংলায় রূপান্তর করেছেন কাজী নজরুল ইসলাম। ওমর খৈয়ামের অসংখ্য রুবাই থেকে সেরা ১৯৭ টি বাছাই করে অনুবাদ করেন তিনি।

• ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বরে কাজী নজরুল ইসলামের অনুবাদকৃত 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থকারে প্রকাশিত হয়। সৈয়দ মুজতবা আলী এর ভূমিকা লেখেন।

• আরও অনেক বিখ্যাত সাহিত্যিক রুবাইয়াতের অনুবাদ করলেও কাজী নজরুল ইসলামের অনুবাদই কেন সেরা সে নিয়ে আলোচনা করেছেন বাংলা সাহিত্যের আরেক বরপুত্র সৈয়দ মুজতবা আলী।

• রুবাইগুলোতে ওমরের দর্শন, আধ্যাত্মিকতা, তাঁর চিন্তা চেতনা, তৎকালীন সমাজ বাস্তবতা প্রভৃতি প্রকাশ পেয়েছে।

উৎস: 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' কাজী নজরুল ইসলাম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক?
  1. খোয়াবনামা
  2. কি চাহ শঙ্খচিল
  3. আমি বীরাঙ্গনা বলছি
  4. বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ
ব্যাখ্যা
• 'কি চাহ শঙ্খচিল' নাটক:
- 'কি চাহ শঙ্খচিল' মমতাজ উদ্দীন আহমেদ রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক। নাটকে আলোচিত হয়েছে বীরঙ্গনার গল্প।
- ১৯৮৩-৮৪ সালে এসে 'কি চাহ শঙ্খচিল' নাটকে মমতাজ উদদীন আহমদ যেমন লিখলেন এক অনন্য প্রেম, স্বাধীনতা আর প্রতিবাদের কথা।

- যেখানে শঙ্খচিল আসলে হয়ে উঠলো সেই একাত্তরের শকুন। যে ছিল স্বাধীনতাকালীন সময়ের অশুভ শক্তি। যেখানে আমরা দেখি নাটকের প্রধান চরিত্র রৌশনারা হানাদারদের দ্বারা লাঞ্ছিত হওয়ার আগেই সন্তানসম্ভবা হয়। আর লোভী স্বামী বীরাঙ্গনা স্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে হয় অর্থের মালিক। নাটকটির মাধ্যমে বোঝা যায় কতখানি আত্মত্যাগের বিনিময়ে এসেছে স্বাধীনতা, এসেছে বাংলার এই মুক্তি।

অন্যদিকে,
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত মহাকাব্যোচিত উপন্যাস 'খোয়াবনামা' (১৯৯৬)।
• 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' নীলিমা ইব্রাহিম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা প্রবন্ধ।
• সরদার জয়েনউদ্দিনের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপাদানে রচিত একটি বৃহৎ উপন্যাস 'বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ'।

উৎস: 'কি চাহ শঙ্খচিল' নাটক এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'বন্দর থেকে বন্দরে' ভ্রমনকাহিনিটি কার রচনা?
  1. সানাউল হক
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. অন্নদাশঙ্কর রায়
  4. নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যা
• 'বন্দর থেকে বন্দরে' ভ্রমনকাহিনি:
- 'বন্দর থেকে বন্দরে' ভ্রমনকাহিনির রচয়িতা সানাউল হক।
- ভ্রমনকাহিনিটি ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়ে বেশ খ্যাতি লাভ করেছে।
- উনিশ শ পঞ্চাশের দশকের প্রথমে সানাউল হক জাহাজে করে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন। সেই স্মৃতি থেকে লেখা ভ্রমণকাহিনি 'বন্দর থেকে বন্দরে'।

অন্যদিকে,
• 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা সৈয়দ মুজতবা আলী। ভ্রমণ কাহিনিটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

• ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সালে 'বিচিত্রা' পত্রিকায় অন্নদাশঙ্কর রায়ের ইউরোপ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা ভ্রমণকাহিনি 'পথে প্রবাসে' প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে লন্ডন, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানিসহ ইউরোপ ভ্রমণের চমকপ্রদ বর্ণনা রয়েছে।

• নির্মলেন্দু গুণ রচিত ভ্রমণকাহিনি গুলোর মাঝে ভলগার তীরে, গীনসাবার্গের সঙ্গে, ভ্রমি দেশে দেশে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
সুফিয়া কামাল তাঁর রচিত 'মৃত্তিকার ঘ্রাণ' সংকলনটি কাকে উৎসর্গ করেন?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. বেগম রোকেয়া
  4. কুসুমকুমারী দাশ
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়ার সামাজিক আদর্শ সুফিয়া কামালকে আজীবন প্রভাবিত করেছে। তিনি 'বেগম রোকেয়া'র উপর অনেক কবিতা রচনা করেন এবং তাঁর নামে 'মৃত্তিকার ঘ্রাণ' (১৯৭০) শীর্ষক একটি সংকলন উৎসর্গ করেন। তিনি 'রোকেয়া সাখাওয়াত স্মৃতি কমিটি' গঠনে সহায়তা করেন, যার প্রস্তাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হল 'রোকেয়া' তাঁর নামে করা হয়।

-----------------
• সুফিয়া কামাল:
- 'জননী সাহসিকা' হিসেবে খ্যাত সুফিয়া কামাল ছিলেন মূলত কবি।
- সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
- 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তিনি।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প 'সৈনিক বধূ'। রচনা হয় ১৯২৩ সালে। গ্রন্থটি বরিশালের 'তরুণ' পত্রিকায় প্রকাশ পায়।

তার রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাঁঝের মায়া,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- অভিযাত্রিক,
- মায়া কাজল ইত্যাদি।

• গল্পগ্রন্থ:
- কেয়ার কাঁটা।

• শিশুতোষ গল্প:
- ইতল বিতল,
- নওল কিশোরের দরবারে।

• ডায়েরি: একাত্তরের ডায়েরী।
• আত্মজীবনী: একালে আমাদের কাল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'স্রেফ > সেরেফ' কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. অভিশ্রুতি
  2. বিপ্রকর্ষ
  3. অন্তর্হতি
  4. স্বরসঙ্গতি
ব্যাখ্যা
• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি (Anaptyxis):
সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন:
• অ- রত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন > স্বপন, হর্ষ > হরষ ইত্যাদি।
• ই- প্রীতি > পিরীতি, ক্লিপ > কিলিপ, ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি।
• উ- মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক ইত্যাদি।
• এ- গ্রাম > গেরাম, প্রেক> পেরেক, স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।
• ও- শ্লোক > শোলোক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
'চয়', 'সমূহ', 'মণ্ডল' ইত্যাদি কোন ধরনের লগ্নক?
  1. প্রাণিবাচক
  2. অপ্রাণিবাচক
  3. উভয়ক্ষেত্রে ব্যবহৃত
  4. অব্যয়মূলক
ব্যাখ্যা
• উভয়ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নকগুলো হলো:
- চয়,
- সমূহ,
- দল,
- নিচয়,
- পুঞ্জ,
- মণ্ডল,
- মণ্ডলী।

• প্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নকগুলো হলো:
- সঙ্ঘ,
- যূথ,
- ব্রাত,
- বৃন্দ,
- পাল,
- গণ,
- কুল।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
কোন ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয়?
  1. সাধু ভাষা
  2. চলিত ভাষা
  3. আঞ্চলিক ভাষা
  4. প্রমিত ভাষা
ব্যাখ্যা
• সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:
- সাধু ভাষার রূপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
- সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে।
- এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- সাধু ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয় তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়।
- সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া, অষ্টম শ্রেণির ব্যাকরণ বই।
১২.
ভাষা পরিবারের শ্রেণিবিভাগ নয় কোনটি?
  1. চিনা-তিব্বতীয়
  2. আফ্রিকীয়
  3. ইন্দো-এশিয়
  4. দ্রাবিড়ীয়
ব্যাখ্যা
• ভাষা পরিবারের শ্রেণিবিভাগ নয়- ইন্দো-এশিয়। 

--------------------
• বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ:
- পৃথিবীর ভাষাগুলো ইন্দো ইউরোপীয়, চিনা-তিব্বতীয়, আফ্রিকীয়, সেমীয়-হেমীয়, দ্রাবিড়ীয়, অস্ট্রো-এশিয় প্রভৃতি ভাষা পরিবারে ভাগ করা যায়।
- বাংলা ভাষার উৎপত্তি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-গোষ্ঠীর অন্তর্গত ইন্দো-ইরানীয় শাখাভুক্ত নব্য-ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে।
- নব্য ভারতীয় আর্যগোষ্ঠীর এই ভাষা ঐতিহাসিক সূত্রে আইরিশ, ইংরেজি, ফরাসি, গ্রিক, রুশ, ফারসি ইত্যাদি ভাষার দূরবর্তী জ্ঞাতিভগ্নী।
- ড. মুহম্মদ হম্মদ শহীদুল্লাহর মতে গৌড়ি প্রাকৃত থেকে গৌড়ি অপভ্রংশ হয়ে বঙ্গ-কামরুপির মধ্য দিয়ে বাংলা এসেছে।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা এসেছে মাগধী প্রাকৃত থেকে মাগধী অপভ্রংশ হয়ে।

- ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে ভাষা গবেষকদের মধ্যে ড. শহীদুল্লাহর মতামতটি অধিক গ্রহণযোগ্য। অন্যান্য পণ্ডিতগণও এই মতামতকে প্রাধান্য দিয়েছেন।

- উদ্ভবের সময় থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাকে তিনটি ঐতিহাসিক পর্যায়ে ভাগ করে দেখা হয়: প্রাচীন বাংলা (৯০০/১০০০-১৩৫০), মধ্যবাংলা
(১৩৫০-১৮০০) এবং আধুনিক বাংলা (১৮০০-র পরবর্তী)। প্রাচীন বাংলার লিখিত নিদর্শনের মধ্যে চর্যাগীতিকাগুলি সর্বপ্রধান। 

উৎস:বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খণ্ড), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনির ব্যবহার রয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1. শকট
  2. হাঙর
  3. ঘড়ি
  4. লাল
ব্যাখ্যা
• নাসিক্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখের মধ্যে প্রথমে বাধা পায় এবং নাক ও মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়, সেসব ধ্বনিকে নাসিক্য ব্যঞ্জন বলে। মা, নতুন, হাঙর প্রভৃতি শব্দের ম, ন, ঙ নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি।

অন্যদিকে,
• উম্ম ব্যঞ্জন: 
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাম্প্রত্যঙ্গ কাছাকাছি এসে নিঃসৃত বায়ুতে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে, সেগুলোকে উষ্ম ব্যঞ্জন বলে। সালাম, শসা, হুঙ্কার প্রভৃতি শব্দের স, শ, হ উষ্ম ধ্বনির উদাহরণ। উচ্চারণস্থান অনুসারে উষ্ম ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলোকে দন্তমূলীয় (স), তালব্য (শ), এবং কণ্ঠনালীয় (হ) - এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলোর মধ্যে স এবং শ-কে আলাদাভাবে শিস ধ্বনিও বলা হয়ে থাকে। কারণ স, শ উচ্চারণে শ্বাস অনেকক্ষণ ধরে রাখা যায় এবং শিসের মতো আওয়াজ হয়। যেমন: শসা, শকট ইত্যাদি। 

• তাড়িত ব্যঞ্জন:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের সামনের অংশ দন্তমূলের একটু উপরে অর্থাৎ মূর্ধায় টোকা দেওয়ার মতো করে একবার ছুঁয়ে যায়, তাকে তাড়িত ব্যঞ্জন বলে।
যেমন: 'বাড়ি, ঘড়ি, মূঢ়' প্রভৃতি শব্দের 'ড়, ঢ়' তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনি। 

• পার্শ্বিক ব্যঞ্জন:
যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা দন্তমূল স্পর্শ করে এবং ফুসফুস থেকে আসা বাতাস জিভের দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, তাকে পার্শ্বিক ব্যঞ্জন বলে। লাল শব্দে 'ল' পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
১৪.
কোনটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য?
  1. ছাগল
  2. মানুষ
  3. ঝাঁক
  4. পর্বত
ব্যাখ্যা
• 'ঝাঁক' সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ। 

------------------
• বিশেষ্য পদ:

যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে। যেমন নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি। বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার।
যথা:

• নাম-বিশেষ্য: ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়।
যেমন:
ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

• জাতি-বিশেষ্য: জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়। যেমন: মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।

• বস্তু-বিশেষ্য: কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে। যেমন: ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

• সমষ্টি-বিশেষ্য: এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। যেমন: জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।

• গুণ-বিশেষ্য: গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে। যেমন: সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

• ক্রিয়া-বিশেষ্য: যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে। যেমন: পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
১৫.
বাংলা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. কুনজর
  2. প্রচলন
  3. অবজ্ঞা
  4. হররোজ
ব্যাখ্যা
• 'কু' খাঁটি বাংলা উপসর্গ যোগে কুৎসিত/অপকর্ষ অর্থে গঠিত শব্দ: কুঅভ্যাস, কুকথা, কুনজর, কুসঙ্গ। 

অন্যদিকে, 
• 'প্র' তৎসম উপসর্গ যোগে প্রকৃষ্ট/সম্যক অর্থে গঠিত শব্দ: প্রভাব, প্রচলন, প্রস্ফুটিত। 
• 'অব' তৎসম উপসর্গ যোগে হীনতা অর্থে গঠিত শব্দ: অবজ্ঞা, অবমাননা। 
• উর্দু-হিন্দি উপসর্গ 'হর' যোগে প্রত্যেক অর্থে গঠিত শব্দ: হররোজ, হরমাহিনা, হরকিসিম, হরহামেশা। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৬.
'সিতাংশু' শব্দের অর্থ কী?
  1. বরফ
  2. চাঁদ
  3. রাত
  4. মেঘ
ব্যাখ্যা
• সিতাংশু (বিশেষ্য পদ),
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- চাঁদ। 
- কপূর।

• 'চাঁদ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
চন্দ্র, শশী, শশাঙ্ক, সুধাকর, ইন্দু, সোম, শশধর, বিধু, নিশাকর, সুধাংশু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৭.
'বাচস্পতি' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. বাচস্‌ + পতি = বাচস্পতি
  2. বাচঃ + পতি = বাচস্পতি
  3. বাচ্‌ + পতি = বাচস্পতি
  4. বাচসঃ + পতি = বাচস্পতি
ব্যাখ্যা
• বিসর্গ সন্ধি:
সংস্কৃত সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত র্ ও স্ অনেক ক্ষেত্রে অঘোষ উষ্মধ্বনি অর্থাৎ হ ধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয় এবং তা বিসর্গ (ঃ) রূপে লেখা হয়। র্ ও স্ বিসর্গ ব্যঞ্জনধ্বনিমালার অন্তর্গত। সে কারণে বিসর্গ সন্ধি ব্যঞ্জনসন্ধির অন্তর্গত। বস্তুত বিসর্গ র্ এবং স্ এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বিসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে:
১. র্ - জাত বিসর্গ ও
২. স্ - জাত বিসর্গ।

- বিসর্গের সাথে অর্থাৎ র ও স্ এর সাথে স্বরধ্বনি কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।

কয়েকটি বিশেষ বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ:
• বাচঃ + পতি = বাচস্পতি,
• ভাঃ + কর = ভাস্কর,
• অহঃ + নিশা= অহর্নিশ,
• নমঃ + কার = নমস্কার,
• পুরঃ + কার = পুরস্কার, 
• নিঃ + কর = নিষ্কর, 
•  বহিঃ + কৃত = বহিষ্কৃত,
• অহঃ + অহ = অহরহ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৮.
'মুহূর্তের কবিতা' কী ধরনের সংকলন?
  1. গানের সংকলন
  2. কাহিনী কাব্য
  3. গীতিকাব্য সংকলন
  4. সনেট সংকলন
ব্যাখ্যা
• 'মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

-------------------
• ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯.
'আমি রোমান্টিক কবি নই, আমি মার্ক্সিস্ট'- উক্তিটির মাধ্যমে মার্কসবাদের প্রতি আকর্ষণ ঘোষণা করেন কোন কবি?
  1. সত্যেন সেন
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. সমর সেন
  4. বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা
• সমর সেন:
- সমর সেন ছিলেন কবি ও সাহিত্যিক। তিনি রুশ সাহিত্যের একজন দক্ষ অনুবাদকও ছিলেন। তাঁকে আধুনিক যুগের নাগরিক কবি বলা হয়।
- তাঁর জন্ম ১৯১৬ সালের ১০ অক্টোবর কলকাতার বাগবাজারে।

- মার্কসবাদী নেতা রাধারমণ মিত্র ও বঙ্কিম মুখোপাধ্যায়ের সান্নিধ্য লাভ করার ফলে সমর সেনের রাজনৈতিক মনন গঠিত হয়। তবে তিনি মার্কসের সাম্যবাদী মতবাদের প্রতি আকর্ষণ বোধ করলেও সরাসরি মার্কসীয় রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করেননি। 'আমি রোমান্টিক কবি নই, আমি মার্ক্সিস্ট'-এভাবেই তিনি মার্কসবাদের প্রতি তাঁর প্রবল আকর্ষণ ঘোষণা করেন।

- তিনি 'Frontier' (ফ্রন্টিয়ার) ও নাও পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- নাগরিক জীবনের স্বভাব, অভাব ও অসঙ্গতির বিদ্রূপাত্মক চিত্রায়ণ ঘটেছে তাঁর কবিতায়। মধ্যবিত্তের প্রতিনিধি হিসেবেই তিনি স্বশ্রেণীর স্বরূপ উন্মোচনে স্বাতন্ত্র্যের স্বাক্ষর রেখেছেন।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- কয়েকটি কবিতা,
- গ্রহণ ও অন্যান্য কবিতা,
- নানাকথা,
- খোলাচিঠি,
- তিন পুরুষ,
- সমর সেনের কবিতা।

• তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থ:
- বাবু বৃত্তান্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
মালাধর বসুর 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়'-
  1. মহাভারতের বাংলা অনুবাদ
  2. ভাগবতের বাংলা অনুবাদ
  3. শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনী
  4. রামায়ণের বাংলা অনুবাদ
ব্যাখ্যা
• মালাধর বসুর 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' গ্রন্থ:
- মালাধর বসু বর্ধমান জেলার কাটোয়ার নিকটবর্তী কুলীন গ্রামে সম্ভবত পনের শতকের প্রথমার্ধে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি গৌড়েশ্বরের কাছ থেকে 'গুণরাজ খান' উপাধি পেয়েছিলেন-'গৌড়েশ্বর দিলা নাম গুণরাজ খান।' গৌড়েশ্বর রাজকর্মচারী মালাধর বসুর কর্মদক্ষতা, বিশ্বস্ততা, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্যবুদ্ধি গুণে। প্রভৃতি গুণে প্রীত হয়ে এই উপাধি দান করেছিলেন।

- মালাধর বসু ভাগবতের প্রথম বাংলা অনুবাদক এবং তাঁর অনুবাদ কাব্য 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়'। এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় অনুবাদ গ্রন্থ।

- মালাধর বসু ব্যাসদেব কর্তৃক স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে ভাগবতের দশম ও একাদশ স্কন্ধ অনুসরণে 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্য রচনা করেন। ১৪৭৩ থেকে ১৪৮০ সাল-এই দীর্ঘ সাত বৎসরের চেষ্টায় কবি এ কাব্য রচনা করেছিলেন। শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পূর্বেই কাব্যটি রচিত হয়েছিল।

- চৈতন্যদেব কবি মালাধর বসুর প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধা দেখিয়েছেন এবং তাঁর কাব্যের প্রশংসা করেছেন। কবির পুত্র সত্যরাজ খান এবং পৌত্র রামানন্দ শ্রীচৈতন্যের কৃপা লাভ করেছিলেন। শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য 'গোবিন্দবিজয়' ও 'গোবিন্দমঙ্গল' নামেও পরিচিত। অনুবাদমূলক হলেও রাগরাগিণীযুক্ত এই পাঁচালি রাধাকৃষ্ণ প্রেমপ্রতীকে ভক্তিবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত বলে ধরা হয়।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম।
২১.
নাথ সাহিত্যের কবি ছিলেন কে?
  1. রামনিধি গুপ্ত
  2. সৈয়দ সুলতান
  3. রামপ্রসাদ সেন
  4. শেখ ফয়জুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• নাথ সাহিত্যের কবিগণ:
- নাথধর্ম সংক্রান্ত গল্পকাহিনি নিয়ে যেসব সাহিত্য সৃষ্টি হয়েছে তা দীর্ঘদিন পর্যন্ত লোকচক্ষুর অন্তরালেই ছিল। ১৮৭৮ সালে প্রথমবার স্যার জর্জ গ্রীয়ার্সন রংপুর থেকে সংগৃহীত একটি গীতিকা 'মাণিকচন্দ্র রাজার গান' নাম দিয়ে এশিয়াটিক সোসাইটির জার্নালে প্রকাশ করেন। পরবর্তী কালে উত্তর ও পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে 'ময়নামতীর গান', 'গোপীচন্দ্রের গান,' 'গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস' ইত্যাদি বিভিন্ন নামে একই কাহিনিভিত্তিক পুঁথি আবিষ্কৃত হয়েছে।

- আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ শেখ ফয়জুল্লাকৃত 'গোরক্ষবিজয়' কাব্যের পুঁথি আবিষ্কার করে প্রকাশ করেছেন। 'গোর্খবিজয়' নামে অন্য একটি পুঁথি পঞ্চানন মণ্ডল কর্তৃক সম্পাদিত হয়েও প্রকাশিত হয়েছে। এই সব গ্রন্থ থেকে নাথসাহিত্যের পরিচয় লাভ করা যায়।

- গোরক্ষনাথ-মীননাথের কাহিনি অবলম্বনে রচিত যে সব কাব্য সম্পাদিত হয়ে প্রকাশ পেয়েছে সেগুলো হলো:
১. আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ সম্পাদিত কবি শেখ ফয়জুল্লাহর 'গোরক্ষবিজয়',
২. ড. নলিনীকান্ত ভট্টশালী সম্পাদিত কবি শ্যামদাস সেনের 'মীনচেতন' এবং
৩. ড. পঞ্চানন মণ্ডল সম্পাদিত কবি ভীম সেনের 'গোর্খবিজয়'।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম।
২২.
'মেঘনাদবধ' কাব্যে মোট কয় দিনের ঘটনার বর্ণনা আছে?
  1. দুই দিন তিন রাতের
  2. তিন দিন দুই রাতের
  3. দুই রাত চার দিনের
  4. চার দিন তিন রাতের
ব্যাখ্যা
• 'মেঘনাদবধ'  কাব্য:
- সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণে'র কাহিনি অবলম্বনে মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন।
- এটা মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। কবি কাব্যের প্রথম দিকে বীররসের কথা বললেও এই কাব্যে করুণরসই প্রধান।
- ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত সিপাহি বিপ্লবের স্বাধীনতামন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে রাবণকে নায়ক ও রামকে খলনায়ক করে মধুসূদন রচনা করে এই স্বাধীনতা ভিলাষী কাব্য।
- নয় সর্গে সম্পূর্ণ 'মেঘনাদবধ কাব্যে' বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ থেকে মেঘনাদ-হত্যা, প্রমীলার চিতারোহণ পর্যন্ত মোট তিন দিন দুই রাতের ঘটনা বর্ণিত।

রামায়ণের প্রাসঙ্গিক কাহিনিটি এরূপ-
অযোধ্যার রাজা দশরথের জ্যেষ্ঠপুত্র রামচন্দ্র স্ত্রী সীতা ও ছোটভাই লক্ষ্মণকে সাথে নিয়ে চৌদ্দ বছরের জন্য বনবাসে যান। বনবাসে গোদাবরী নদীর তীরে পঞ্চবটী বনে বসবাসকালে লঙ্কার রাজা রাবণের বোন শূর্পণখা বনে বেড়াতে এসে রামের রূপ দেখে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে বিয়ের ইচ্ছা ব্যক্ত করে। রাম প্রত্যাখ্যান করে তাকে লক্ষ্মণের কাছে বিয়ের জন্য পাঠালে সেখানেও ব্যর্থ হয়। তখন শূর্পণখা রাগ করে সীতাকে খেয়ে ফেলতে চাইলে লক্ষ্মণ তার নাক কান কেটে তাড়িয়ে দেন। এই অপমানের কথা শূর্পণখা তার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত দুই রাক্ষস সেনাপতি খর ও দূষণকে জানিয়ে প্রতিকার চায়। তখন রাক্ষস সেনাপতি রামকে আক্রমণ করে সসৈন্যে নিহত হয়। উদ্বিগ্ন শূর্পণখা লঙ্কায় ফিরে গিয়ে রাবণকে সব ঘটনা জানিয়ে সীতাকে হরণের জন্য উত্তেজিত করে। রাবণ ছদ্মবেশে কৌশলে সীতাকে হরণ করেন এবং লঙ্কায় এনে অশোকবনে বন্দী করে রাখেন। রাম স্ত্রীর উদ্ধারের জন্য বানররাজ সুগ্রীবের সাথে বন্ধুত্ব করে সাগরে সেতু তৈরি করে লঙ্কা আক্রমণ করেন। ভয়াবহ যুদ্ধে রাক্ষসবীরেরা একে একে রাম-লক্ষ্মণের হাতে নিহত হয়। রাবণ সবংশে নিহত হলে রাম সীতাকে উদ্ধার করেন। এই যুদ্ধের ঘটনাবলীর মধ্য থেকে রাবণপুত্র মেঘনাদের হত্যার কাহিনী নিয়ে 'মেঘনাদবধ' কাব্য রচিত হয়েছে।

কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- রাবণ,
- মেঘনাদ,
- লক্ষ্মণ,
- রাম,
- প্রমীলা,
- বিভীষণ,
- সীতা,
- সরমা ইত্যাদি।

উৎস: মেঘনাদবধ কাব্য এবং এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৩.
'মেহের-নেগার' গল্পটি কার রচনা?
  1. আবু ইসহাক
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
ব্যাখ্যা
• 'মেহের-নেগার':
- 'মেহের-নেগার' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি গল্প।
- গল্পটি তাঁর 'রিক্তের বেদন' গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

গল্পের কাহিনি সংক্ষেপ-
গায়ক হওয়ার বাসনায় ওয়াজিরিস্তানের বিখ্যাত ওস্তাদের কাছে তালিম নিতে আসা এক তরুণের সাথে দেখা হয় প্রসিদ্ধ বাঈজি খুরশীদ জানের কন্যা গুলশানের, ভিন্ন গোত্রের হৃদয় দুটির পবিত্র ভালোবাসায় জন্ম হয় অমর এক প্রেমগাথার।

উৎস: 'মেহের-নেগার' গল্প এবং বাংলাপিডিয়া।
২৪.
'বোবা কাহিনী' উপন্যাসের মূল উপজীব্য কী?
  1. দুর্ভিক্ষ ও দেশভাগের ভয়াবহতা
  2. প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের চিত্রণ
  3. গ্রামীণ জীবনের মাধুর্য ও কারুণ্য
  4. ফরিদপুর অঞ্চলের জীবনচিত্র
ব্যাখ্যা
• 'বোবা কাহিনী' উপন্যাস:
- 'বোবা কাহিনী' পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীনের প্রথম উপন্যাস। ১৯৬৪ খৃষ্টাব্দে এই উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি সম্পূর্ণ লোকজীবনভিত্তিক। বাংলাদেশের ফরিদপুর অঞ্চলের একটি বিশেষ এলাকার জীবনচিত্র এ উপন্যাসের উপজীব্য।
- এ উপন্যাসের নায়ক আজাহ এক ছিন্নমূল কৃষক সন্তান। মহাজনের শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজাহারের ভুমিহীন হওয়ার কথা বর্ণিত হয়েছে এই উপন্যাসে।

- বাল্যকাল থেকেইে লাঞ্ছনা আর বঞ্চনা তার নিত্যসঙ্গী। তবুও সে স্বপ্ন দেখে সুখী জীবনের। তাই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধ করে যায় বেশি ফসল ফলিয়ে সুখের নাগাল পেতে। বিভিন্ন প্রতিকূলতায় তার স্বপ্নের বাস্তবায়ন সম্ভব হয়না। নিজের জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে মুক্তির উপায় খুঁজতে গিয়ে সে স্বপ্ন দেখে তার পুত্র বছিরকে উপযুক্ত শিক্ষা-দীক্ষায় মানুষ করার। নানা বিপত্তি সত্ত্বেও অনেক ত্যাগ ও স্বশ্রেণীর সাহায্য ও সহায়তায় তার স্বপ্নপূরণের পথ খুলে যায়।

- বছিরের স্বপ্ন তার নিজের পরিবারের এবং নিরক্ষর গ্রামের মানুষের দুর্গতি-মুক্তির। দরিদ্র গ্রাম্যচাষী আজাহের ও তার পুত্র বছির, এই দুই প্রজন্মের জীবন সংগ্রামের সফলতা ও বিফলতার কাহিনি নিয়ে এই উপন্যাস।

উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র:
- বছির,
- আরজান,
- আজাহের,
- রহিমুদ্দিন।

উৎস: "বোবা কাহিনী" উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৫.
'জনৈক' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. অলুক বহুব্রীহি সমাস
  2. নিত্য সমাস
  3. অব্যয়ীভাব সমাস
  4. উপপদ তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা
• নিত্য সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো সর্বদা সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না, সে সমাসকে নিত্য সমাস বলা হয়। এ সমাসের ব্যাসবাক্যের প্রারম্ভে 'অন্য' বা 'কেবল' প্রভৃতি শব্দ বসে।
যেমন:
• অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর;
• অন্য দেশ = দেশান্তর;
• কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র;
• কেবল যাওয়া = যাওয়ামাত্র;
এক জন = জনৈক;
• প্রতিমাথা = মাথাপিছু;
• ঈষৎ ঘোলা = ঘোলাটে;
• কেবল বলা = বলামাত্র।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
২৬.
'করণীয়' শব্দটি কোন ধরনের প্রত্যয় যোগে গঠিত?
  1. বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
  2. সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
  3. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
  4. সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়:
ধাতুর সঙ্গে যেসব সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের বলা হয় সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
যেমন:
√নে + অক = নায়ক;
√গে + অক = গায়ক;
√কৃ + অনীয় = করণীয়;
√রক্ষ + অনীয় = রক্ষণীয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৭.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. ক্ষতিগ্রস্থ
  2. ত্বরান্বিত
  3. জ্বরাজীর্ণ
  4. তদ্রুপ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: ত্বরান্বিত।

• ত্বরান্বিত (বিশেষণ পদ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- দ্রুততর করা হয়েছে এমন,
- সত্বর। 

অশুদ্ধ বানানগুলো শুদ্ধরূপ হলো-
• ক্ষতিগ্রস্থ - ক্ষতিগ্রস্ত। 
• জ্বরাজীর্ণ - জরাজীর্ণ। 
• তদ্রুপ - তদ্রূপ। 

উৎস:  বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৮.
'The Divine Comedy', an epic poem, was written by-
  1. Geoffrey Chaucer
  2. John Milton
  3. Dante Alighieri
  4. Francis Bacon
ব্যাখ্যা
• 'The Divine Comedy', an epic poem, was written by Dante Alighieri.

• The Divine Comedy (Italian: La divina commedia):
- The Divine Comedy হলো ইতালীয় কবি Dante Alighieri রচিত একটি মহাকাব্যিক দীর্ঘ আখ্যানকাব্য, যা আনুমানিক ১৩০৮–১৩২১ সালের মধ্যে লেখা হয়েছিল।
- এটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হিসেবে স্বীকৃত।
- এটি মানুষের আত্মার পাপ, শুদ্ধি ও পরিত্রাণের যাত্রাকে প্রতীকী রূপে তুলে ধরে।
- এই মহাকাব্যটি তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত:
1. ইনফার্নো (Inferno - নরক),
2. পার্গাটোরিও (Purgatorio - শুদ্ধির স্থান বা প্রায়শ্চিত্ত পর্বত),
3. প্যারাডিসো (Paradiso - স্বর্গ).

• কাব্যের মূল বিষয়:
- Dante এই কাব্যে নিজেকে কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যিনি আধ্যাত্মিক পথনির্দেশক Virgil (প্রাচীন রোমান কবি) এবং পরবর্তীতে তাঁর প্রেমের আধ্যাত্মিক প্রতীক Beatrice-এর সহায়তায় নরক, শুদ্ধিলোক ও স্বর্গের যাত্রা সম্পন্ন করেন। এই যাত্রার মাধ্যমে তিনি অন্ধকার ও পাপ থেকে শুরু করে ঈশ্বরের দিব্য জ্ঞানে উপনীত হন এবং শেষ পর্যন্ত "বিটিফিক ভিশন" (Beatific Vision)-এ ঈশ্বরের সাক্ষাৎ লাভ করেন।
- The Divine Comedy শুধু ধর্মীয় মহাকাব্য নয়, এটি মানব আত্মার আধ্যাত্মিক উন্নয়নের এক চিরন্তন প্রতিচ্ছবি।

• Dante Alighieri (1265-1321):
- Dante Alighieri ছিলেন একজন ইতালীয় কবি, গদ্য লেখক, সাহিত্য তাত্ত্বিক, নৈতিক দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ।
- তিনি ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বিশ্বব্যাপী অমর হয়ে আছেন তাঁর সৃষ্ট "La Divina Commedia" (The Divine Comedy) নামক মহাকাব্যের জন্য, যা বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হিসেবে স্বীকৃত।
- Dante-কে বলা হয় “Father of the Italian Language”.
- তাকে 'The Supreme Poet of Italy' ও বলা হয়।

• Notable Works:
- Literature in the Vernacular,
- La vita nuova,
- The Banquet,
- The Divine Comedy, etc.

Source: Britannica.
২৯.
Which of the following is written by William Shakespeare?
  1. Edward II
  2. Much Ado About Nothing
  3. Tamburlaine the Great
  4. The Duchess of Malfi
ব্যাখ্যা
• 'Much Ado About Nothing' is written by William Shakespeare.

• Much Ado About Nothing:
- William Shakespeare রচিত "Much Ado About Nothing" একটি 5acts বিশিষ্ট comedy নাটক।
- ধারণা করা হয় যে তিনি এটি ১৫৯৮-৯৯ সালের মধ্যে লিখেছিলেন এবং ১৬০০ সালে তাঁর নিজস্ব পান্ডুলিপি থেকে একটি কোয়ার্টো সংস্করণে এটি মুদ্রিত হয়েছিল।
- এই comedy এর theme টি একটি প্রাচীন theme থেকে নেয়া, যেখানে a woman falsely accused of unfaithfulness—to brilliant comedic heights.
- Much Ado About Nothing একটি রোমান্টিক কমেডি নাটক, যেখানে ভ্রান্ত ধারণা, কৌতুক, প্রেম ও বিভ্রান্তি একসাথে মিলিত হয়েছে।
- নাটকটির প্রধান দুটি প্রেমের কাহিনি সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলে—একটি Claudio ও Hero -এর মধ্যে, অন্যটি Benedick ও Beatrice -এর মধ্যে।

• Summary:
• Claudio ও Hero -এর প্রেম:
ক্লডিও ও হিরো একে অপরকে ভালোবাসে এবং তাদের বিয়ে ঠিক হয়। কিন্তু দুষ্ট চরিত্র ডন জন ষড়যন্ত্র করে ক্লডিওকে ভুল বোঝায় যে হিরো তার প্রতি অবিশ্বস্ত। ফলে, বিয়ের দিন ক্লডিও হিরোকে অপমান করে এবং বিয়ে ভেঙে দেয়।

• Benedick ও Beatrice -এর প্রেম:
বেনেডিক ও বিয়াট্রিস সবসময় ঝগড়া ও ঠাট্টা-মশকরা করে, কিন্তু তাদের বন্ধুরা কৌশলে এমন পরিস্থিতি তৈরি করে যে তারা একে অপরকে ভালোবাসতে বাধ্য হয়।

• সত্য প্রকাশ ও সুখী সমাপ্তি:
হিরোর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের সত্য উন্মোচিত হয়, ক্লডিও অনুতপ্ত হয় এবং শেষ পর্যন্ত হিরোর সঙ্গে তার মিলন ঘটে। একইসঙ্গে, বেনেডিক ও বিয়াট্রিসও একে অপরের প্রতি ভালোবাসা স্বীকার করে এবং দুজন দম্পতির একসঙ্গে বিয়ে হয়।

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Shakespeare রচিত আরো কিছু Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Errors,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Two Gentlemen of Verona, etc.

• অন্যদিকে,
- "Edward II" হলো Christopher Marlowe রচিত একটি Tragedy Play.
- "Tamburlaine the Great" এটিও Christopher Marlowe রচিত একটি Heroic Tragedy Play.
- "The Duchess of Malfi" হলো John Webster রচিত একটি Revenge Tragedy.

Source: Britannica.
৩০.
Mrs. Moore is a character from the novel-
  1. The Merchant of Venice
  2. Jane Eyre
  3. David Copperfield
  4. A Passage to India
ব্যাখ্যা
• Mrs. Moore is a character from the novel 'A Passage to India'.

• A Passage to India:
- ১৯২৪ সালে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল যেটিকে লেখকের অন্যতম এবং শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ভারত এবং আলেক্সান্দ্রিয়াতে তার অবস্থানের প্রেক্ষিতে তিনি এই উপন্যাস টি রচনা করেন।
- এই novel টিতে মূলত racism and colonialism ফুটে উঠেছে।
- The book also portrays the relationship between the British and the Indians in India.
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র Dr. Aziz এবং Adela Quested.

• Important characters:
- Dr. Aziz: He is the central character of the novel.
- Adela Quested: A young and idealistic Englishwoman who travels to India with Mrs. Moore.
- Mrs. Moore: Adela's elderly traveling companion and the mother of Ronny Heaslop.
- Ronny Heaslop: Mrs. Moore's son and a British magistrate in Chandrapore.
- Cyril Fielding: The principal of the government college near Chandrapore and Dr. Aziz's friend.
- Stella Moore: Stella was Mrs. Moore's daughter, who lived in England.

• E.M. Forster (1879-1970):
- তার পুরো নাম Edward Morgan Forster.
- তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic.
- His fame rests largely on his novels, Howards End and A Passage to India, and on a large body of criticism.
- তিনি বিশ শতকের শুরুর দিকে ইংরেজ সাহিত্যে তার অনন্য অবদান রাখেন।
- তার লেখায় মানবিক সম্পর্ক, শ্রেণি বিভাজন, এবং পশ্চিমা বনাম প্রাচ্য সংস্কৃতির সংঘাত তুলে ধরা হয়।

• Notable Works:
- “A Passage to India”
- “A Room With a View”
- “Aspects of the Novel”
- “Howards End”
- “Marianne Thornton”
- “Maurice”
- “The Hill of Devi”
- “The Longest Journey”
- “Where Angels Fear to Tread”, etc.

Source: Britannica.
৩১.
Which of the following is a Victorian novel?
  1. Mansfield Park
  2. Tom Jones
  3. The Return of the Native
  4. The Sacred Flame
ব্যাখ্যা
• 'The Return of the Native' is a Victorian novel.
- উপন্যাসটির লেখক Thomas Hardy হলো ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক, তাই এটি একটি Victorian novel.

• The Return of the Native:
- এটি ইংরেজ লেখক Thomas Hardy -এর একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস, যা ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটির পটভূমি ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের Wessex অঞ্চলের কাল্পনিক Egdon Heath.
- Thomas Hardy এই উপন্যাসে নিয়তির নির্মমতা ও মানুষের অসহায়ত্ব তুলে ধরেন।

• Summary
- কাহিনীর প্রধান চরিত্র Clym Yeobright প্যারিসে সফল জুয়েলারি ব্যবসায়ী হিসেবে কর্মজীবন শেষে, নিজ জন্মভূমি ইগডন হিথে ফিরে আসেন। তিনি স্থানীয় স্কুলে শিক্ষকতা করতে চান। এদিকে, তার স্ত্রী Eustacia Vye শহুরে জীবনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ইগডন হিথে বসবাস করছেন। ইউস্টেসিয়া স্থানীয় মদ্যপানকারী Damon Wildeve -এর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন, যা পরবর্তীতে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। পরিণামে, Eustacia এবং Damon উভয়ই দুঃখজনক পরিণতির শিকার হন।

• Main characters:
- Clym Yeobright,
- Eustacia Vye,
- Thomasin Yeobright,
- Damon Wildeve,
- Mrs. Yeobright,
- Diggory Venn, etc.

• Thomas Hardy (1840-1928):
- Thomas Hardy ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান লেখক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি মূলত বাস্তববাদ (Realism) এবং প্রকৃতিবাদ (Naturalism) সাহিত্যধারার অনুসারী ছিলেন।
- তার উপন্যাসগুলোতে ইংল্যান্ডের গ্রামীণ জীবন, সামাজিক কুসংস্কার, প্রেম, ট্র্যাজেডি এবং নিয়তির বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামকে গভীরভাবে চিত্রিত করা হয়েছে।
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- তিনি Victorian peroid-এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক বিবেচিত হয়।

• Famous Novels:
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native,
- A Pair of Blue Eyes,
- The Poor Man and the Lady,
- The Woodlanders,
- The Mayor of Casterbridge,
- The Well-Beloved,
- Jude the Obscure, etc.

অন্যদিকে,
- 'Mansfield Park' is a novel by Jane Austen (romantic period).
- 'Tom Jones' is a comic novel by Henry Fielding (Neoclassical period).
- 'The Sacred Flame' is a one-act play written by Somerset Maugham (Modern period).

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
৩২.
Washington and Moscow have finally come to an agreement.
This is an example of-
  1. Metaphor
  2. Euphemism
  3. Irony
  4. Metonymy
ব্যাখ্যা
• Washington and Moscow have finally come to an agreement.
- This is an example of Metonymy.

• Metonymy:
- The word metonymy is derived from the Greek phrase "metōnymía", meaning “a change of name.”
- A figure of speech that replaces words with related or associated words.
- A word or expression that refers to something using the name of one of its qualities or features.
- অর্থাৎ, এটি একটি অলঙ্কার যেটিতে কোনো শব্দকে তার সংশ্লিষ্ট বা সম্পর্কিত শব্দ দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়।

- যেমন: Washington and Moscow have finally come to an agreement.
- প্রদত্ত বাক্যে বলা হয়েছে যে, ওয়াশিংটন ও মস্কো অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে।
- এই বাক্যে "Washington" এবং "Moscow" আসলে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সরকারকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এটি Metonymy -এর একটি উদাহরণ, যেখানে রাজধানীর নাম ব্যবহার করে সরকার বোঝানো হয়েছে।

• অন্যদিকে,
• Metaphor:
- Metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।
- যেমন: Life is but a walking shadow.

• Euphemism:
- A Euphemism is an inoffensive word or phrase substituted for one considered offensive or hurtful, especially one concerned with religion, sex, death, or excreta.
- ইংরেজি সাহিত্যে 'Euphemism' শব্দের অর্থ সুভাষণ, কোমল প্রকাশ (inoffensive expression).
- অর্থাৎ, অস্বাভাবিক বা কঠোর বা কর্কশ শব্দের বদলে কোমল, মৃদু বা শ্রুতিমধুর শব্দের ব্যবহার।
- যেমন: 'Kick the bucket' is an euphemism that describes the death of a person.

• Irony:
- 'Irony' is an expression or statement where real meaning is concealed or contradicted.
- 'Irony' বলতে মূলত বক্তব্য জোরালো করতে নিজ চিন্তার সম্পূর্ণ বিপরীত কিছু বলে মনোভাব ব্যক্তকরণকে বুঝায়।
- প্রশংসার আদলে নিন্দা কিংবা নিন্দার আদলে প্রশংসা করা হয় এরূপ রচনা দ্বারা।
- অর্থাৎ এ ধরনের উক্তি দ্বারা যা বলা হয়, প্ৰকৃত অর্থ তার সম্পূর্ণ বিপরীত বুঝানো হয়।
- যেমন: Someone looks out the window during a storm and says, "What a lovely weather today!"
- আসলে আবহাওয়া খুব খারাপ, কিন্তু সে উল্টোটা বলছে বিদ্রুপ করে।

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৩৩.
"A wise man will make more opportunities than he finds." is stated by-
  1. William Shakespeare
  2. G. B. Shaw
  3. Francis Bacon
  4. Alfred Tennyson
ব্যাখ্যা
• "A wise man will make more opportunities than he finds." is stated by Francis Bacon.
- এই উক্তিটি Francis Bacon তার রচনাসমগ্র The Essays এ করেছেন।

• Francis Bacon (1561-1626):
- Francis Bacon হচ্ছেন Jacobean যুগের সাহিত্যিক।
- তার পুরো নাম Francis Bacon, Viscount Saint Alban, তাকে Sir Francis Bacon ও বলা হয়।
- Francis Bacon was an English philosopher, statesman, scientist, jurist, orator, essayist, and author.
- তিনি (1618-1621) পর্যন্ত England এর lord chancellor ছিলেন।
- একজন আইনজীবী, রাষ্ট্রনায়ক, দার্শনিক এবং ইংরেজ সাহিত্যিক হিসেবে স্মরণীয়। 
- তাকে বলা হয় natural philosopher. 
- তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম : The essays, Advancement of Learning, The New Atlantis.

• Famous Quotations of Francis Bacon:
- It is as natural to die as to be born; and to a little infant, perhaps, the one is as painful as the other.
- There is no excellent beauty that hath not some strangeness in the proportion.
- All rising to great place is by a winding stair.
- Some books are to be tasted, others to be swallowed, and some few to be chewed and digested.
- Prosperity doth best discover vice, but Adversity doth best discover virtue.
- For knowledge, too, is itself power.
- It is impossible to love and be wise.
- A wise man will make more opportunities than he finds. (The Essays)
- Revenge is a kind of wild justice.
- Silence is the sleep that nourishes wisdom.

• তার বিখ্যাত কিছু essays:
- Of revenge,
- Of Studies,
- Of Marriage and Single Life,
- Of Love,
- Of Friendship,
- Of Truth.

Source: Britannica.
৩৪.
Our mentor refused our request ___ work early.
  1. left
  2. leave
  3. for leaving
  4. to leave
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Our mentor refused our request to leave work early.
- Bangla meaning: আমাদের পরামর্শদাতা আমাদের তাড়াতাড়ি কাজ ছেড়ে যাওয়ার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

• কিছু Verb আছে যেগুলোর পর যদি আরেকটি Verb ব্যবহার করতে হয়, তাহলে infinitive (to+verb) ব্যবহার করতে হয়।
- অর্থাৎ, Verb + object + infinitive (to+verb) বসে।
- এসব Verb এর পরে Verb+ing ব্যবহার হয় না।

• তেমন কতগুলো Verb হচ্ছে:
- advise,
- allow,
- remind,
- refuse,
- request,
- arrange,
- agree,
- want,
- induce,
- invite,
- oblige,
- decide,
- command,
- demand,
- require,
- manage,
- ask, etc.
৩৫.
Choose the word opposite in meaning to 'Poignant'.
  1. Inspirational
  2. Unimpressive
  3. Detailed
  4. Concise
ব্যাখ্যা
• The word opposite in meaning to 'Poignant' is - খ) Unimpressive

• Poignant (adjective)
- English Meaning: Evoking a keen sense of sadness or regret; deeply affecting: touching.
- Bangla Meaning: তীক্ষ্ণ; মর্মস্পর্শী; অরুন্তুদ; হৃদয়বিদারক, প্রগাঢ়, যা গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

• Given options:
ক) Inspirational - অনুপ্রেরণামূলক।
খ) Unimpressive - ছাপ ফেলে না বা প্রভাব বিস্তার করে না এমন; অপ্রভবিষ্ণু।
গ) Detailed - বিশদ; সবিস্তার।
ঘ) Concise - সংক্ষিপ্ত; অল্পকথায় অধিক তথ্য প্রদানে সক্ষম।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The word opposite in meaning to 'Poignant' is - খ) Unimpressive

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৩৬.
She ____ any party to which she wasn't invited.
  1. cried down
  2. cried up
  3. cried off
  4. cried with
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: She cried down any party to which she wasn't invited.
- Bangla meaning: কোনো পার্টিতে তাকে আমন্ত্রণ জানানো না হলে, সে তার নিন্দা করত।

• Cry down [phrasal verb]
- English Meaning: Disparage or belittle someone or something.
- Bangla Meaning: কাউকে বা কোনো কিছুকে অবজ্ঞা করা বা ছোট করা; নিন্দা করা।

• অন্যদিকে,
খ) Cried up
- English Meaning: to praise publicly in order to enhance in value or repute.
- Bangla Meaning: উচ্চ প্রশংসা করা।

গ) Cried off
- English Meaning: to call off (something, such as a bargain); to decide not to do something that you have arranged to do.
- Bangla Meaning: বাতিল করা; দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাওয়া।

ঘ) Cried with - সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৩৭.
____ mother in her could not bear the tragedy.
  1. A
  2. An
  3. The
  4. No article
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: The mother in her could not bear the tragedy.
- Bangla meaning: তার অন্তর্নিহিত মাতৃসত্তা এই দুঃখজনক ঘটনা সহ্য করতে পারেনি।

• Article -এর নিয়মানুযায়ী:
- Common noun টি দ্বারা অভন্তরীণ গুণ বোঝালে তা Abstract noun হয়ে যায়।
- Common noun (যেমন: mother) যখন Abstract noun রূপে ব্যবহার হয় তখন তার আগে the এবং এর পরে সাধারণত in বসে।
- যেমন: The mother in her could not bear the tragedy.

• More examples:
- The Mother rose in her.
- The father in me wanted to protect my child at any cost.

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
৩৮.
They discussed moving to another city.
Here, 'moving' is-
  1. Verb
  2. Gerund
  3. Participle
  4. None of these
ব্যাখ্যা
• They discussed moving to another city.
- Here, 'moving' is- খ) Gerund

- এখানে, 'moving' শব্দটি 'discussed' - Verb -এর Object হওয়ার কারণে এটি Noun হিসেবে কাজ করছে।
- Here, it is the object of the verb "discussed", referring to the idea/act of relocation.
- অর্থাৎ, 'moving' দ্বারা এখানে (স্থানান্তর হওয়ার) কাজের নাম বোঝাচ্ছে।
- আর Verb+ing মিলে Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে এটা Gerund হয়।

• Gerund:

- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• Functions of the Gerund:
1. Subject of a verb: Rising early is a good habit.
2. Object of a verb: She likes reading poetry.
3. Object of a preposition: He was tired of waiting.
4. Complement of a verb: Seeing is believing.
5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing table.

• অন্যদিকে,
- Participle হলো verbal adjective যা noun/pronoun কে modify করে অর্থাৎ, adjective-এর কাজ করে।

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
৩৯.
The adjective form of 'Pleasure' is-
  1. Please
  2. Pleasurability
  3. Pleasurable
  4. Pleasingly
ব্যাখ্যা
• The adjective form of 'Pleasure' is- গ) Pleasurable.

• Pleasure (noun, verb)
- English Meaning: a source of delight or joy; to give pleasure to: gratify.
- Bangla Meaning: সুখ; সৌখ্য; প্রীতি; আনন্দ; তুষ্ট; পরিতোষ; আমোদ; আহ্লাদ; আনন্দ দেওয়া: সন্তুষ্ট করা।

- এর adjective form হলো Pleasurable (সুখাবহ; আনন্দকর; প্রীতিপদ).

Other forms:
- Pleasurableness (noun) - আনন্দদায়কতা।
- Pleasurably (adverb) সুখাবহরূপে।

• অন্যদিকে,
ক) Please (verb, adverb) - দয়া/মেহেরবানি/অনুগ্রহ করে।
- যেমন: Please sit down.

খ) Pleasurability (noun) - আনন্দদায়কতা।
- যেমন: The pleasurability of the movie was enhanced by its beautiful soundtrack.

ঘ) Pleasingly (adverb) - আনন্দদায়কভাবে; সুখাবহরূপে।
- যেমন: She smiled pleasingly.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪০.
Which word is closest in meaning to 'Frankness'?
  1. Privilege
  2. Reticence
  3. Honesty
  4. Superficial
ব্যাখ্যা
• 'Honesty' is closest in meaning to 'Frankness'.

• Frankness (noun)
- English Meaning: the quality of being open, honest, and direct in speech or writing.
- Bangla Meaning: অকপটতা; অমায়িকতা।

• Given options:
ক) Privilege - বিশেষ অনুগ্রহ বা লাভ; অসামান্য অধিকার; প্রাধিকার।
খ) Reticence - স্বল্পভাষিতা; বাকসংযম।
গ) Honesty - সততা; সাধুতা; সত্যসন্ধতা; সত্যবাদিতা; ঋজুতা; অকপট্য।
ঘ) Superficial - উপরিতলস্পর্শী; ভাসা-ভাসা; উপর-উপর; অগভীর।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, 'Honesty' is closest in meaning to 'Frankness'.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪১.
Identify the correct sentence:
  1. Neither of these two women are to be trusted.
  2. Neither of these two women is to be trusted.
  3. Neither of these two woman is to be trusted.
  4. Neither of these two woman are to be trusted.
ব্যাখ্যা
• The correct sentence: খ) Neither of these two women is to be trusted.

• 'Neither of' যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়মাবলী:
- Neither + of + plural noun + singular verb.
- Neither of এর পরে plural noun এবং singular verb বসে।

- অর্থাৎ, Each of, Either of, Neither of এর পরে plural noun বা pronoun এবং singular verb বসে।
- এবং তাদের possessive pronoun টিও singular হয়।
- Either দ্বারা দুইয়ের প্রত্যেকটি বুঝানো হয়।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনোটিই নয় বুঝানো হয়।

- প্রদত্ত বাক্যে 'Neither of' এর পরে 'these two women' হলো Plural Noun.
- কারণ woman এর plural হলো women.
- আর Verb হিসেবে singular verb (is) হবে।
৪২.
The feminine form of 'Hart' is-
  1. Stag
  2. Sow
  3. Ewe
  4. Roe
ব্যাখ্যা
• The feminine form of 'Hart' is- ঘ) Roe.

• Hart: [masculine gender]
- English Meaning: an adult male deer, especially a red deer over five years old.
- Bangla Meaning: পুরুষ হরিণ।

- এর feminine gender হচ্ছে Roe (হরিণী).

অন্যদিকে,
ক) Stag (পুরুষ হরিণ) an adult male red deer.
- Stag এর Feminine Gender হচ্ছে - hind.

খ) Sow (পূর্ণবয়স্ক শূকরী) Feminine Gender.
- 'Sow' এর Masculine Gender হচ্ছে - Boar.

গ) Ewe (ভেড়ি) Feminine Gender.
- 'Ewe' এর Masculine Gender হচ্ছে - Ram.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৩.
Fill in the blank with the right form of verb:
He said that she ____ a mile routinely.
  1. has walked
  2. walked
  3. walks
  4. will walk
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: He said that she walks a mile routinely.
- Bangla meaning: সে বলল যে সে নিয়মিত এক মাইল হাঁটে।

• Sequence of tense অনুযায়ী,
- Sub-ordinate clause -এ চিরন্তন সত্য (Universal Truth) বা অভ্যাসগত কর্ম (habitual fact) থাকলে Principal clause -এর verb টি past tense হলেও sub-ordinate clause -এর verb টি present indefinite tense -এ হবে।

- প্রদত্ত বাক্যে "she walks a mile routinely." এটি একটি অভ্যাসগত কর্ম (habitual fact), তাই Principal clause এ 'He said' থাকলেও, sub-ordinate clause -এ Present Simple Tense (walks) ব্যবহার করতে হবে।
- কারণ, অভ্যাসগত কর্ম (প্রতিদিন করে) বোঝাতে present indefinite tense -এর verb ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- walks.
৪৪.
Fill in the blank with the appropriate preposition:
The library is just ____ the road.
  1. along
  2. across
  3. before
  4. on
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: The library is just across the road.
- Bangla meaning: লাইব্রেরিটি ঠিক রাস্তার ওপারে।

• Across [preposition]
- English Meaning: on the opposite side of; from one side to the other side of, or at the other side of.
- Bangla Meaning: ওপারে; ওধারে; একদিক থেকে অন্যদিকে।

- ওপারে/ওধারে অর্থে preposition হিসেবে across ব্যবহৃত হয়।
- "Across" is the preposition that correctly indicates the location of the library to the street.
- When you're describing a location on the other side of the street, "across" is more commonly used.

- আবার, কোনো কিছুর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়া (যেমন: রাস্তা, নদী, মাঠ ইত্যাদি পার হওয়া) বোঝাতে across ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: We walked across the bridge.

- আবার, কোনো স্থান বা দেশের সমগ্র অংশজুড়ে (in every part of a particular place or country) বোঝাতে across ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: Voting took place peacefully across most of the country.

• অন্যদিকে,
- At/On: জায়গার নাম যদি street এর নামে হয়, তখন At বা On ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- যেমন: He lives on Baker Street.

- Along: কোনো স্থানের দূরত্ব বরাবর পাশ দিয়ে বা ধার দিয়ে বোঝাতে along ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: Walk along the road.

- Before: (after-এর বৈপরীত্যসূচক) দুই সময়ের মধ্যে পূর্ববর্তী সময়ে বোঝাতে before ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: Before the traffic light

• সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- across.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Longman Dictionary.
৪৫.
He professes confidence in his friend.
Here, the underlined word means-
  1. Ignore
  2. Concord
  3. Proclaim
  4. Abandon
ব্যাখ্যা
• He professes confidence in his friend. (সে তার বন্ধুর প্রতি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে।)
- Here, the underlined word means- গ) Proclaim

• Profess (verb)
- English Meaning: To declare or admit openly or freely: affirm; affirm one's faith in or allegiance to (a religion or set of beliefs).
- Bangla Meaning: (বিশ্বাস, অভিরুচি, অজ্ঞতা, আগ্রহ ইত্যাদি আছে বলে) ঘোষণা করা; জ্ঞাপন করা; ধর্মে বিশ্বাস বা ধর্মের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা।

• Given options:
ক) Ignore - উপেক্ষা করা; ভ্রুক্ষেপ/গ্রাহ্য না-করা।
খ) Concord - মতৈক্য বা মিল; নানা সুরের মধুর মিলন।
গ) Proclaim - ঘোষণা/উৎকীর্তন/অনুকীর্তন/প্রচার/বিঘোষিত করা; প্রকাশ/প্রকটিত করা।
ঘ) Abandon - পরিত্যাগ করা; ছেড়ে দেওয়া; ক্ষান্তি দেওয়া।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, সঠিক উত্তর হলো- গ) Proclaim.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৬.
There was a rumour that the cruellest monster would come back by December.
Here, the underlined part is-
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Adverb clause
  4. Independent clause
ব্যাখ্যা
• There was a rumour that the cruellest monster would come back by December.
- Here, the underlined part is-Noun clause.

- Noun বা pronoun -এর apposition হিসেবে- News, Belief, Hope, Fact, Rumour ইত্যাদির পরে Noun Clause বসে।
- Noun in apposition হিসেবে Clause টি that দ্বারা শুরু হয় এবং একটি single noun এর মত কাজ করে।
- Here, it acts as the appositive to the noun "rumour", explaining what the rumour is.
- তাই 'that the cruellest monster would come back' একটি Noun clause.

• উল্লেখ্য যে, Apposition বলতে এমন কিছু বোঝায়, যা কোনো Noun বা pronoun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
- এই অতিরিক্ত তথ্য noun/pronoun কে modify করে না। তাই তা adjective clause হবে না।
- যখন noun কে modify করে (দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি বুঝায়) তখন adjective হয়।
- আর যখন noun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে সে ক্ষেত্রে apposition হিসেবে noun clause হবে।
- Noun clause এর ক্ষেত্রে অর্থের দিক থেকে লক্ষ্য করলে "এটাই সেটা" এরকম তথ্য পাওয়া যায়।
- যেমন: 'that the cruellest monster would come back' টাই এখানে rumour.

• Noun clause:
- যে সব subordinate clause noun -এর কাজ করে থাকে অর্থাৎ, subject, object, compliment, বা case in apposition -এর কাজ করে থাকে তাদেরকে noun clause বলে।
- Noun clauses are used when a single word isn't enough.

• একটি বাক্যের বিভিন্ন স্থানে noun clause বসতে পারে। যেমন:
1. Verb -এর subject হিসেবে;
2. Transitive verb -এর object হিসেবে;
3. Verb -এর complement হিসেবে;
4. Preposition -এর object হিসেবে;
5. Noun/pronoun -এর apposition হিসেবে।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
৪৭.
Which of the following sentences is correct?
  1. She has seen him the day before yesterday.
  2. She has been working here since five years.
  3. He suggested that we start early.
  4. He is used to swim in the river.
ব্যাখ্যা
• Correct sentence: গ) He suggested that we start early.

• Present Subjunctive -এর নিয়মানুসারে,
- Principal clause -এ Present Subjunctive হিসেবে 'suggested' থাকায় that যুক্ত sub-ordinate clause -এ Subject -এর পরে verb -এর base form 'start' হবে।
- অন্য অপশনগুলোতে Present Subjunctive -এর ভুল ব্যবহার রয়েছে।

• Present Subjunctive:
- চাওয়া বা ইচ্ছা প্রকাশ করতে sub-ordinate clause -এ verb -এর base form ব্যবহারের রীতিই হলো- Present Subjunctive.
- এক্ষেত্রে structure হলো: Subject + verb (any tense)/Adjective + that + subject + verb -এর base form + ext. হয়।
- এক্ষেত্রে that যুক্ত sub-ordinate clause -এ সর্বদাই verb -এর base form হবে।
- 'be verb' এর ক্ষেত্রে শুধু 'be' বসে।
- British English -এ should + base form ব্যবহার হয়।

• Verb যেগুলো Present Subjunctive হিসেবে ব্যবহৃত হয়:
- Command, ask, advise, demand, decree, insist, move, prefer, propose, request, require, suggest, stipulate, urge, etc.

• Other options:
ক) She has seen him the day before yesterday. → She saw him the day before yesterday.
- yesterday থাকায়, past indefinite tense -এর verb হবে।

খ) She has been working here since five years. → She has been working here for five years. 
- Period of time (five years) বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়।

ঘ) He is used to swim in the river. → He is used to swimming in the river.
- be + used to -এর পরে verb+ing ব্যবহৃত হয়।

Source:
1. Cliffs TOEFL. 
2. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
৪৮.
She met him in the street two days back.
Here, 'back' is-
  1. Noun
  2. Adverb
  3. Adjective
  4. Preposition
ব্যাখ্যা
• She met him in the street two days back.
- Here, 'back' is- খ) Adverb.

- এই বাক্যে "Back" শব্দটি "ago" (in or into the past: backward in time) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'met' verb কে modify করেছে।
- অর্থাৎ, কখন 'met' করেছিল? উত্তর দেয়→ দুই দিন আগে।
- Function: It acts as an adverb of time (similar to "ago").

• অন্যদিকে,
• Back (Noun) - (মানবদেহ/জন্তু সম্বন্ধে) পিঠ; পৃষ্ঠদেশ; মেরুদণ্ড; কোনো বস্তুর পশ্চাৎ; পিছন।
- যেমন: She had surgery on her back.

• Back (Adjective) - being at or in the back (পিছনে থাকা বা থাকা).
- যেমন: The back door.

• Back (verb) - পিছানো; পিছিয়ে যাওয়া/ দেওয়া; পিছে হটা/হটানো
- যেমন: She needs to back up her argument with evidence.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৯.
Change it into superlative:
Very few cities in Bangladesh are as beautiful as Rangamati.
  1. Rangamati is the most beautiful than most other cities in Bangladesh.
  2. Rangamati is the most beautiful city in Bangladesh.
  3. Rangamati is one of the most beautiful cities in Bangladesh.
  4. Rangamati is one of the most beautiful city in Bangladesh.
ব্যাখ্যা
- Positive: Very few cities in Bangladesh are as beautiful as Rangamati.
- Superlative: Rangamati is one of the most beautiful cities in Bangladesh.

• Very few যুক্ত Positive Degree কে Superlative Degree তে রূপান্তরের নিয়ম:
- প্রদত্ত Sentence টির শেষের Subject প্রথমে বসে।
- verb বসে।
- one of the বসে।
- Positive Degree এর Superlative form বসে।
- Very few এরপর থেকে verb এর পূর্ব পর্যন্ত অংশ বসে।

• More examples:
- Positive: Very few boys in the village are as smart as Rasel.
- Superlative: Rasel is one of the smartest boys in the village.
৫০.
Look at the weather report. It ____ rain cats and dogs.
  1. might have
  2. would
  3. will
  4. is going to
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Look at the weather report. It is going to rain cats and dogs.
- Bangla meaning: আবহাওয়ার রিপোর্টটা দেখো। মুষলধারে বৃষ্টি হতে যাচ্ছে।

• কোনো কিছু হতে যাচ্ছে, ঘটতে যাচ্ছে (Predictions) বোঝাতে be going to + verb এর base form ব্যবহৃত হয়।
- We use be going to to predict something that we think is certain to happen or which we have evidence for now.

- যেমন: Look at the weather report. It is going to rain cats and dogs. (The weather report provides clear evidence).
- এখানে 'is going to' ব্যবহৃত হবে, কারণ কোনো কিছু ঘটার ইঙ্গিত বা প্রমাণ আগে থেকেই আছে (যেমন: আবহাওয়ার রিপোর্ট)।

• অন্যদিকে,
ক) might have - refers to past possibility.
- যেমন: It might have rained yesterday.

খ) would - used for hypothetical situations or past habits.
- যেমন: It would rain every summer.

গ) Will
-  "Will" is often used in a similar way to be going to.
- Will is used when we are talking about something with absolute certainty.
- অর্থাৎ, যখন সম্পূর্ণ নিশ্চয়তার সাথে কিছু সম্পর্কে বলা হয় তখন "Will" ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: [An ‘A’ road is a main road. A ‘B’ road is a smaller road.]
- We are now very late, so we’re going to take the ‘B’ road. (The speaker refers to the present and emphasises the decision).
- I know the ‘B’ road will be quicker at this time of day. (The speaker states a fact- নিশ্চয়তা).

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫১.
যদি (x2 + 6x + 9) + 4(x + 4) = 0 হয়, তাহলে x = কত?
  1. - 7
  2. - 6
  3. - 5
  4. - 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি (x2 + 6x + 9) + 4(x + 4) = 0 হয়, তাহলে x = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
(x2 + 6x + 9) + 4(x + 4) = 0
⇒ x2 + 6x + 9 + 4x + 16 = 0
⇒ x2 + 10x + 25 = 0
⇒ x2 +2. x . 5 + 52 = 0
⇒ (x + 5)2 = 0
⇒ x + 5 = 0
∴ x = - 5
৫২.
মাহিন একটি ঘড়ি ক্রয় করার সময় প্রকৃত মূল্যের উপর ১৫% ছাড় দেখতে পেল এবং অনলাইনে মূল্য পরিশোধ করতে গেলে হ্রাসকৃত মূল্যের উপর আরও ২০% ছাড় পেল। সে ঘড়িটির প্রকৃত মূল্যের উপর মোট কত শতাংশ ছাড় পেল?
  1. ৩২% 
  2. ৩৫% 
  3. ৩৬% 
  4. ৪০% 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মাহিন একটি ঘড়ি ক্রয় করার সময় প্রকৃত মূল্যের উপর ১৫% ছাড় দেখতে পেল এবং অনলাইনে মূল্য পরিশোধ করতে গেলে হ্রাসকৃত মূল্যের উপর আরও ২০% ছাড় পেল। সে ঘড়িটির প্রকৃত মূল্যের উপর মোট কত শতাংশ ছাড় পেল?

সমাধান:
মনে করি,
ঘড়ির প্রকৃত মূল্য ১০০ টাকা
১৫% ছাড়ে হ্রাসকৃত মূল্য = (১০০ - ১৫) = ৮৫ টাকা

আবার,
৮৫ টাকার উপর ২০% ছাড়ে হ্রাসকৃত মূল্য (৮৫ × ৮০/১০০) টাকা
= ৬৮ টাকা

∴ প্রকৃত মূল্যের উপর ছাড় পায় (১০০ - ৬৮) = ৩২% 
৫৩.
যদি log105 + log10(5x + 4) = log10(x+5) + 1 হয় তাহলে, x = কত?
  1. 6
  2. 5
  3. 3
  4. 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি log105 + log10(5x + 4) = log10(x + 5) + 1 হয় তাহলে, x = কত?

সমাধান:
log105 + log10(5x + 4) = log10(x + 5) + 1
⇒ log105 + log10(5x + 4) = log10(x + 5) + log1010
⇒ log105(5x + 4) = log1010(x + 5)
⇒ 25x + 20 = 10x + 50
⇒ 25x - 10x = 50 - 20
⇒ 15x = 30
∴ x = 2
৫৪.
"ORANGE" শব্দটিতে স্বরবর্ণগুলোকে কেবল জোড় স্থানে রেখে শব্দটি কতভাবে সাজানো যায়?
  1. 16
  2. 24
  3. 36
  4. 48
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: "ORANGE" শব্দটিতে স্বরবর্ণগুলোকে কেবল জোড় স্থানে রেখে শব্দটি কতভাবে সাজানো যায়?

সমাধান:
এখানে
মোট বর্ণ আছে 6টি
স্বরবর্ণ আছে (A, E, O) 3টি

স্বরবর্ণ 3টি জোড় স্থানে রেখে বিন্যাস সংখ্যা = 3! = 6
বাকি 3টি বর্ণ 3টি বিজোড় স্থানে রেখে বিন্যাস সংখ্যা = 3!
= 6

∴ স্বরবর্ণগুলোকে কেবল জোড় স্থানে রেখে মোট বিন্যাস সংখ্যা = 6 × 6 = 36

অতএব, ORANGE শব্দটিকে স্বরবর্ণগুলোকে কেবল জোড় স্থানে রেখে মোট 36 উপায়ে সাজানো যাবে।
৫৫.
|2a + 4| < 6 অসমতাটির সমাধান কত?
  1. - 6 < a < 2
  2. - 5 < a < 1
  3. - 3 < a < 4
  4. - 1 < a < 5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: |2a + 4| < 6 অসমতাটির সমাধান কত?

সমাধান:
|2a + 4| < 6
⇒ - 6 < 2a + 4 < 6
⇒ - 6 - 4 < 2a + 4 - 4 < 6 - 4
⇒ - 10 < 2a < 2
⇒ - 10/2 < 2a/2 < 2/2
⇒ - 5 < a < 1
৫৬.
পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ৩ : ১। ১০ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত ২ : ১ হলে। ১৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত?
  1. ৪ : ১
  2. ৫ : ২
  3. ৭ : ৩
  4. ৯ : ৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ৩ : ১। ১০ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত ২ : ১ হলে। ১৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত?

সমাধান:
ধরি,
পিতার বয়স ৩ক বছর
পুত্রের বয়স ক বছর

শর্তমতে,
৩ক + ১০ : ক + ১০ = ২ : ১
⇒ (৩ক + ১০)/(ক + ১০) = ২/১
⇒ ৩ক + ১০= ২ক + ২০
∴ ক = ১০

∴ পিতার বয়স = (৩ × ১০) = ৩০ বছর
∴ পুত্রের বয়স = ১০ বছর

১৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত  = (৩০ + ১৫) : (১০ + ১৫)
= ৪৫ : ২৫
= ৯ : ৫
৫৭.
1 + 0.5 + 0.25 + 0.125 + 0.0625 +........... ধারাটির অসীমতক সমষ্টি কত?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 + 0.5 + 0.25 + 0.125 + 0.0625 + ........... ধারাটির অসীমতক সমষ্টি কত?

সমাধান:
এখানে,
১ম পদ, a = 1

∴ সাধারণ অনুপাত, r = 0.5 ÷ 1
= (5/10)/1
= (1/2)/1
= 1/2
= 0.5 < 1

আমরা জানি,
গুণোত্তর ধারার অসীমতক পদের সমষ্টি = a/(1 - r) [যখন r < 1]
= 1/(1 - 0.5)
= 1/(0.5)
= 1/(1/2)
= 2
৫৮.
একটি সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গ মিটার। সমকোণ সংলগ্ন বাহদ্বয়ের একটির দৈর্ঘ্য ১৮ মিটার হলে অপর বাহুটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১৬ মিটার
  2. ১৮ মিটার
  3. ২৪ মিটার
  4. ২৫ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গ মিটার। সমকোণ সংলগ্ন বাহদ্বয়ের একটির দৈর্ঘ্য ১৮ মিটার হলে অপর বাহুটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ধরি,
সমকোণ সংলগ্ন একটি বাহু, a = ১৮ মিটার
অপর বাহু = b মিটার

আমরা জানি,
সমকোনী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × সমকোন সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের গুনফল
⇒ ২১৬ = (১/২) × ১৮ × b
⇒ b = (২১৬ × ২)/১৮
∴ b = ২৪

∴ অপর বাহুটির দৈর্ঘ্য ২৪ মিটার
৫৯.
একটি নিরপেক্ষ ছক্কা একবার নিক্ষেপে ৯ এর গুণনীয়ক পাওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ১/২
  2. ১/৩
  3. ১/৬
  4. ৫/৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি নিরপেক্ষ ছক্কা একবার নিক্ষেপে ৯ এর গুণনীয়ক পাওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
ছক্কা নিক্ষেপ মোট নমুনা বিন্দু = {১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬}
= মোট ৬ টি

৯ এর গুণনীয়ক যা ছক্কায় বিদ্যমান = {১, ৩}
= মোট ২ টি

∴ সম্ভাবনা = ২/৬ = ১/৩
৬০.
a - 1/a = 4 হলে, a3 - 1/a3 = ?
  1. 56
  2. 62
  3. 68
  4. 76
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a - 1/a = 4 হলে, a3 - 1/a3 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a - 1/a = 4

আমরা জানি,
a3 - 1/a3 =(a - 1/a)3 + 3. a. (1/a)(a - 1/a)
= 43 + 3 × 4
= 64 + 12
= 76
৬১.
১০% চক্রবৃদ্ধি হার মুনাফায় ৭০০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মুনাফা কত?
  1. ১৩৮৫ টাকা
  2. ১৪৭০ টাকা
  3. ১৫২০ টাকা
  4. ১৫৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০% চক্রবৃদ্ধি হার মুনাফায় ৭০০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মুনাফা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মুনাফার হার r = ১০% = ১০/১০০ = ১/১০ টাকা
আসল P = ৭০০০ টাকা
সময় n = ২ বছর

আমরা জানি,
চক্রবৃদ্ধি মূলধন C = P(১ + r)n
= ৭০০০(১ + ১/১০)
= ৭০০০(১১/১০)
= (৭০০০ × ১১ × ১১)/(১০ × ১০)
= ৮৪৭০ টাকা

চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = C - P
= (৮৪৭০ - ৭০০০) টাকা
= ১৪৭০ টাকা
৬২.
23x = 512 হলে, 3x = কত?
  1. 81
  2. 3
  3. 9
  4. 27
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 23x = 512 হলে, 3x = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
23x = 512
⇒ 23x=29
⇒ 3x = 9
⇒ x = 9/3
∴ x = 3

∴ 3x = 33 = 27
৬৩.
একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ২২৫ বর্গ সে.মি. হলে, বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?
  1. ৬০ সে.মি.
  2. ৪৮ সে.মি.
  3. ৫২ সে.মি.
  4. ৮০ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ২২৫ বর্গ সে.মি. হলে, বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ২২৫ বর্গ সে.মি.

ধরি,
বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = a সে.মি.

প্রশ্নমত,
a = ২২৫
⇒ a = (১৫)
∴ a = ১৫

∴ বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪a = ৪ × ১৫ = ৬০ সে.মি.
৬৪.
A = {x : x, বিজোড় স্বাভাবিক সংখ্যা এবং 1 < x < 7} এবং B = {x : x, 8 এর গুণনীয়ক} হলে,  A ∩ B এর মান কত?
  1. {2, 3, 4, 5, 6}
  2. {2, 3, 5}
  3. Ø
  4. {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x : x, বিজোড় স্বাভাবিক সংখ্যা এবং 1 < x < 7} এবং B = {x : x, 8 এর গুণনীয়ক} হলে,  A ∩ B এর মান কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
A = {x : x, বিজোড় স্বাভাবিক সংখ্যা এবং 1< x < 7}
= {3, 5}
এবং B = {x : x, 8 এর গুণনীয়ক}
= {1, 2, 4, 8}

∴ A ∩ B = {3, 5} ∩ {1, 2, 4, 8}
= Ø

∴ A ও B সেটদ্বয় পরস্পর নিশ্ছেদ সেট।
৬৫.
নাজমুল তার বন্ধুকে বলল, "এই মেয়েটি আমার মায়ের বাবার একমাত্র মেয়ে।" তাহলে মেয়েটি নাজমুলের কে?
  1. বোন
  2. মা
  3. মেয়ে
  4. নানু
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নাজমুল তার বন্ধুকে বলল, "এই মেয়েটি আমার মায়ের বাবার একমাত্র মেয়ে।" তাহলে মেয়েটি নাজমুলের কে?

সমাধান:
নাজমুল বললো,
"এই মেয়েটি আমার মায়ের বাবার একমাত্র মেয়ে।"

নাজমুলের মায়ের বাবা = নানা

নানার একমাত্র মেয়ে = নাজমুলের মা

⇒ তাহলে: "এই মেয়েটি নাজমুলের মা।"

∴ মেয়েটি নাজমুলের মা।
৬৬.
Book : Cover :: Painting : ?
  1. Example
  2. Wall
  3. Colour
  4. Frame
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Book : Cover :: Painting : ?

সমাধান:
এখানে,
Book (বই) এর সাথে Cover (আবরণ) এর সম্পর্ক হলো ⇒ Cover বইয়ের বাইরের অংশ যা বইকে সুরক্ষা দেয়।

ক. Example (উদাহরণ) ⇒ সম্পর্ক নেই।
খ. Wall (দেয়াল) ⇒ দেয়াল এক ধরনের স্থলভাগ, চিত্রকর্মের অংশ না।
গ. Colour (রঙ) ⇒ চিত্রকর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কিন্তু বাইরের সুরক্ষা নয়।
ঘ. Frame (ফ্রেম) ⇒ চিত্রকর্মের বাইরের কাঠামো বা সুরক্ষা, ঠিক যেমন বইয়ের কভারের মত।

সঠিক উত্তর হবে: Frame
কারণ: বইয়ের কভার বইকে সুরক্ষা দেয়, তেমনই পেইন্টিংয়ের ফ্রেম চিত্রকর্মকে ঘিরে ধরে সুরক্ষা দেয়।
৬৭.
একটি ঘড়ি ২৪ ঘণ্টায় ১ মিনিট পিছিয়ে যায়। তুমি সন্ধ্যা ৬টায় দেখলে ঘড়িটি ৪০ সেকেন্ড পিছিয়ে আছে। ঘড়িটি কখন শেষবার সঠিক ছিল?
  1. সকাল ৬ টায়
  2. রাত ২ টায়
  3. সকাল ৫ টায়
  4. রাত ৪ টায়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ঘড়ি ২৪ ঘণ্টায় ১ মিনিট পিছিয়ে যায়। তুমি সন্ধ্যা ৬টায় দেখলে ঘড়িটি ৪০ সেকেন্ড পিছিয়ে আছে। ঘড়িটি কখন শেষবার সঠিক ছিল?

সমাধান:
এখানে,
ঘড়িটি ৬০ সেকেন্ড পিছাতে সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা
ঘড়িটি ১ সেকেন্ড পিছাতে সময় লাগে ২৪/৬০ ঘণ্টা
ঘড়িটি ৪০ সেকেন্ড পিছাতে সময় লাগে (২৪ × ৪০)/৬০ ঘণ্টা
= ১৬ ঘণ্টা

আমরা জানি,
সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ১২ ঘণ্টা আগে = সকাল ৬ টা
∴ আরও ৪ ঘণ্টা পিছালে = রাত ২টা

∴ রাত ২ টায় ঘড়িটি সঠিক ছিল
৬৮.
”সলিল” কোন শব্দের প্রতিশব্দ?
  1. আকাশ
  2. মেঘ
  3. জল
  4. পৃথিবী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ”সলিল” কোন শব্দের প্রতিশব্দ?

সমাধান:
• 'জল' এর প্রতিশব্দ- 'সলিল'।

’আকাশ’ এর কিছু সমার্থক শব্দ:
অম্বর, ব্যোম, খ, গগণ, অন্তরিক্ষ, শূণ্যলোক, আসমান, দ্যুলোক, অভ্র, নীলিমা, শূণ্য নভঃ, অনন্ত, সুরপথ, অম্বরতল, খলোক, ইত্যাদি।

'মেঘ' এর সমার্থক শব্দ:
বারিদ, জলধর, অম্বুদ, পয়োধর, নীরদ, জলদ, জীমূত, তোয়দ, পর্জন্য, পয়োদ, বলাহক, তোয়ধর।

'জল' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অম্বু, জীবন, নীর, পানি, সলিল, উদক, বারি, অপ, তোয়, অর্ণঃ।

‘পৃথিবী’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
বসুন্ধরা, ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, বসুন্ধরা, বসুধা, অবনি, ক্ষিতি, মহী, অখিল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র
৬৯.
যদি LOVE এর কোড MQYI এবং HATE এর কোড ICWI হয়, তাহলে EVIL এর কোড কী হবে?
  1. TROV
  2. UORY
  3. UQRW
  4. FXLP
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি LOVE এর কোড MQYI এবং HATE এর কোড ICWI হয়, তাহলে EVIL এর কোড কী হবে?

সমাধান:

'LOVE' = 'MQYI'
L + 1 = M
O + 2 = Q
V + 3 = Y
E + 4 = I

এবং
'HATE' = 'ICWI'
H + 1 = M
A + 2 = Q
T + 3 = Y
E + 4 = I

∴ EVIL এর ক্ষেত্রে,
E + 1 = F
V + 2 = X
I + 3 = L
L + 4 = P

∴ EVIL = FXLP
৭০.
জিহাদ উত্তর দিকে ১০ মিটার হাঁটার পর ডান দিকে মোড় নিয়ে ৬ মিটার হাঁটালো তারপর সে আবার ডান দিকে ঘুরে ২ মিটার হাঁটে। যাত্রার স্থান থেকে তাঁর সরাসরি দূরত্ব কত?
  1. ১০ মিটার
  2. ১২ মিটার
  3. ১৫ মিটার
  4. ১৬ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: জিহাদ উত্তর দিকে ১০ মিটার হাঁটার পর ডান দিকে মোড় নিয়ে ৬ মিটার হাঁটালো তারপর সে আবার ডান দিকে ঘুরে ২ মিটার হাঁটে। যাত্রার স্থান থেকে তাঁর সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান:

যাত্রার স্থান A এবং সর্বশেষ অবস্থান D
∴ সরাসরি দূরত্ব AD = √(AE2 + DE2)
= √(৬ + ৮)
= √(৩৬ + ৬৪)
= √(১০০)
= ১০ মিটার
৭১.
225, 169, 121, 81, ..... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. 64
  2. 49
  3. 36
  4. 25
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 225, 169, 121, 81, ..... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
এখানে,
15 × 15 = 225
13 × 13 = 169
11 × 11 = 121
9 × 9 = 81
7 × 7 = 49

∴ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি = 49
৭২.
ঘড়িতে যখন ৬ : ২০ বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রি হয়?
  1. ১১০°
  2. ৯০°
  3. ৭০°
  4. ৫৫°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঘড়িতে যখন ৬ : ২০ বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রি হয়?

সমাধান:
ঘড়িতে যখন ৬ : ২০ বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যের কোণঃ
∴ মধ্যবর্তী কোণ = | (11m - 60h)/2 |°
= | {(11 × 20) - (60 × 6)}/2 |°
= | (220 - 360)/2 |°
= | (- 140)/2 |°
= | - 70 |°
= 70°

∴ তখন ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ 70° হয়।
৭৩.
১/৪ এর ১০% কত?
  1. ১/১০
  2. ১/৪০
  3. ১/২০
  4. ১/৮০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১/৪ এর ১০% কত?

সমাধান:
১/৪ এর ১০%
= ১/৪ এর (১০/১০০)
= (১/৪) × (১/১০)
= ১/৪০
৭৪.
X চিত্রটি ডটেড লাইন বরাবর বাম দিকে ভাঁজ করলে কোন চিত্রে পাওয়া যায়?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: X চিত্রটি ডটেড লাইন বরাবর বাম দিকে ভাঁজ করলে কোন চিত্রে পাওয়া যায়?

সমাধান:

3 নং চিত্রটি পাওয়া যাবে।
৭৫.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. Revenous
  2. Jamboree
  3. Achievement
  4. Lieutenant
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বানানটি অশুদ্ধ?

সমাধান:
Jamboree, Achievement এবং Lieutenant, বানান তিনটি শুদ্ধ।

Revenous বানানটি ভুল।
সঠিক বানান: Ravenous.
বাংলা অর্থ - লোলুপ, লোভী, রাক্ষুসে।
৭৬.
'মাজদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ' বলতে কী বোঝায়?
  1. যুদ্ধপরাধীর মামলা
  2. নির্বাচন বাতিল সংক্রান্ত মামলা
  3. বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের মামলা
  4. তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলুপ্তি মামলা
ব্যাখ্যা
মাজদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ:
- 'মাজদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ' হলো বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের মামলা।

⇒ মূলত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য ১৯৯৪ সালে একটি রিট মামলা করেছিলেন জেলা জজ ও জুডিশিয়াল এসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেন।
- সেই মামলাটি 'মাসদার হোসন মামলা' নামে পরিচিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে যার চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
- রায়ের আট বছর পর ২০০৭ সালে মূল নির্দেশনাটি বাস্তবায়ন করে বিচার বিভাগকে আলাদা করা হয়েছিল।

⇒ বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার রিট মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
- ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাজদার হোসেনের মামলায় (বিচার বিভাগ পৃথককরণ) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়।
- ওই রায়ের ভিত্তিতে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।
- এখন বিচার বিভাগ রাষ্ট্রের একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপ্রীম কোর্টের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা হওয়ার মাধ্যমে বিচার বিভাগ রাজনৈতিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রভাব মুক্ত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে এমন লক্ষ্য ছিল।

উৎস: BBC.
৭৭.
টাকার পরিমানের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সর্বাধিক আমদানি পণ্য হলো - [বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. ভোজ্যতৈল
  2. তুলা
  3. সুতা
  4. পেট্রোলিয়াম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭৮.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ -১৯৭২-এর অপর নাম কী?
  1. Representation of the People Organization
  2. Representation of the Power Organization
  3. Representation of the Power Order
  4. Representation of the People Order
ব্যাখ্যা
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো Representation of the People Order (আরপিও) বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।

• RPO:
- RPO-এর পূর্ণরূপ: Representation of People Order.
- বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।

⇒ নির্বাচনের মূল ভিত্তি সংবিধান।
- সেই সংবিধানের অধীনেই করা হয়েছিলো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (রিপ্রেজেন্টেটিভ পিপলস অর্ডার ১৯৭২) , যা এ পর্যন্ত অনেকবার সংস্কার হয়েছে।
- বিশেষ করে বাংলাদেশে ২০০৭ সালের সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই বছরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছিলো এ আইনে।
- রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন, প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতার বিষয় নিরূপণ কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারীকে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো সে সময়ে সংযোজিত হয়েছে।
- সবশেষ ২০২৩ সালে সংসদে পাশ হয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন ২০২৩।
- নির্বাচনের জন্য দেশের মানুষের গণঅধিকার কোনগুলো এবং এ অধিকার রক্ষায় নির্বাচন কমিশন কী করবে সেটিই বলা হয়েছে আরপিওতে।
- “এর ১৪৫টি ধারার মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত সব বিষয় বর্ণনা করা আছে।
- এর মাধ্যমে বলা আছে যে কীভাবে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। 
ii) BBC.
৭৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেনি? [মে, ২০২৫]
  1. নোয়াখালীর মহিষের দুধের দই
  2. মেহেরপুরের মেহেরসাগর কলা
  3. মুন্সীগঞ্জের পাতক্ষীর
  4. বরিশালের আমড়া
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

⇒ মেহেরপুরের মেহেরসাগর কলা, মুন্সীগঞ্জের পাতক্ষীর, বরিশালের আমড়া বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

অন্যদিকে,
- নোয়াখালীর মহিষের দুধের দই জিআই সনদের জন্য আবেদন করলেও এখনো জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেনি।
- এছাড়াও, ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৮০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার হওয়ার যোগ্যতা ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫২ নং
  2. ৭২(১) নং
  3. ১০৮ নং
  4. ১২২ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদে ভোটার হওয়ার যোগ্যতা ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।

ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
⇒ সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদ:
- ১২২ (১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

- ১২২ (২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থেকে থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব্ রেকর্ড' হবেন এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।
- সংবিধানের ৭২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ৫২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসন সম্পর্কে বলা আছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮১.
২০২৫ সালের নজরুল পুরস্কার লাভ করেন -
  1. অধ্যাপক আনোয়ারুল হক
  2. ড. অসীম দত্ত
  3. এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
  4. রাজিয়া সুলতানা
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

⇒ নজরুল পুরস্কার ২০২৫:
- বাংলা একাডেমি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টি নিয়ে গবেষণায় বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারীকে নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করেছে।
- নজরুল পুরস্কারের অর্থমূল্য (প্রতিটি) ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা। 

অন্যদিকে,
- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন ড. অসীম দত্ত ও শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৮২.
সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলে কে সম্মতি দান করলে বিলটি আইনে পরিণত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
অর্থবিল:
- অর্থবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল।
- কোনো বিল অর্থবিল কিনা এ প্রশ্নে স্পীকারের দেওয়া সার্টিফিকেট চূড়ামত বলে গৃহীত হয়।
- অর্থবিল বা অর্থব্যয় সংক্রান্ত বিলের উদ্যোক্তা সরকার।

⇒ প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়।
- সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করলে বা তিনি সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হলে তা আইনে পরিণত হবে এবং সংসদের আইন বলে অভিহিত হবে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হবে।
- সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হলে সম্মতির জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করলে বা তিনি সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হলে তা আইনে পরিণত হবে এবং সংসদের আইন বলে অভিহিত হবে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৮৩.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিতে মোট ধারা রয়েছে -
  1. ৭১টি
  2. ৭২টি
  3. ৭৩টি
  4. ৭৪টি
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হলো বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন: বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রায় এক-দশমাংশ এলাকা পার্বত্য চট্টগ্রামে দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা সশস্ত্র লড়াইয়ের অবসান হয়।
- চুক্তিতে ৭২টি ধারা আছে।
- এর মাধ্যমে তিনটি জেলা পরিষদ এবং আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়।

⇒ পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি পাহাড়ি জনগণের বিশেষ অবস্থান ও মর্যাদার স্বীকৃতি দিয়েছে।
- এই শান্তিচুক্তির আওতায় তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
- উপজাতীয় আইন এবং সামাজিক বিচারকাজ এই পরিষদের অধীনে থাকবে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা।
- উপজাতীয়দের ভূমি মালিকানা অধিকার ফিরিয়ে দেয়া।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা।

উৎস: i) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৮৪.
'জীবনঢুলী' চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাপট কী?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. ১৯৪৭-এর দেশভাগ
  4. মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
জীবনঢুলী:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র জীবনঢুলী।
- 'জীবনঢুলী'র পরিচালক ছিলেন তানভীর মোকাম্মেল।
- চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে ২০১৩ সালে।

⇒ জীবনঢুলী নিম্নবর্গের একটি হিন্দু ঢাকি ও তার পরিবারের ১৯৭১ সালের অভিজ্ঞতার কাহিনি।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় নিম্নবর্ণের এক ঢাকি জীবনকৃষ্ণ দাস ও তাঁর পরিবারের অভিজ্ঞতার গল্প বলা হয়েছে ‘জীবনঢুলী’ ছবিতে।
- বাংলাদেশ সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত ছবিটিতে চুকনগর গণহত্যাকে তুলে ধরা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের চুকনগর বাজার।
- ১৯৭১ সালের ২০ মে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সেখানে এক নৃশংস গণহত্যা চালায়।
- ইতিহাসে তা ‘চুকনগর গণহত্যা’ নামে পরিচিতি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৫.
পায়রা সমুদ্র বন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. পায়রা নদী
  2. শ্যালা নদী
  3. তেতুলিয়া নদী
  4. আন্ধারমানিক নদী
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর:
- পায়রা সমুদ্র বন্দর পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেল সংলগ্ন আন্ধারমানিক নদীর পাড়ের টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়ায় অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর'।
- ‘পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অনত্মর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- শিপিং-বান্ধব বিস্মীর্ণ এলাকা হিসেবে এটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই উপযুক্ত একটি অঞ্চল।
- ১৩ আগস্ট, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
- এ উদ্বোধনের দ্বারা বাংলাদেশের আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নতুন মাইল ফলক রচিত হবে বলে আশা করা যায়।
- ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
- এটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রামনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

উৎস: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৮৬.
সাধারণত হস্তক্ষেপ না করা এবং অনাক্রমণের নীতি অনুসরণ করেছিলেন -
  1. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড ক্যানিং
  4. উইলিয়াম বেন্টিংক
ব্যাখ্যা
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক:
- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৮ -৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- বেন্টিংক মাদ্রাজের গভর্নর হিসেবে ১৮০৩ সালে প্রথম ভারতে আসেন।
- ১৮৩৩ সালের সনদ আইন দ্বারা পরে তাঁর পদবিকে ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে পুনরাখ্যায়িত করা হয়।

⇒ ১৮৩৩ সালের সনদ আইন দ্বারা বাংলার গভর্নর জেনারেলকে ভারতের গভর্নর জেনারেলে উন্নীত করা হয়।
- ফলে বাংলার তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।
- কোর্ট অব ডাইরেক্টরস (Court of Directors) বেন্টিঙ্ককে সমর্থন করেছিলেন।
- কারণ তিনি শান্তি, শৃঙ্খলা ও মিতব্যয়িতার ধ্বজাধারী ছিলেন।
- ভারতে তাঁর প্রশাসন শান্তিপূর্ণ কার্যাবলির জন্য বিশিষ্টতা অর্জন করেছিল। 

উল্লেখ্য,
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক সাধারণত হস্তক্ষেপ না করা এবং অনাক্রমণের নীতি অনুসরণ করেছিলেন।
- ১৮৩১ সালে মহিশূরে অনেকদিন যাবৎ চলতে থাকা কুশাসন ঐ রাজ্যটিকে ব্রিটিশ প্রশাসনে আনতে তাঁকে বাধ্য করে।
- বেন্টিঙ্ক উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন এবং সেখানে রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন।
- সতীদাহ নিবারণ ও ঠগী দমন হলো বেন্টিঙ্কের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- তিনি সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেন।

অন্যদিকে,
- ওয়ারেন হেস্টিংস ছিলেন বাংলার প্রথম গভর্নর-জেনারেল, প্রথমে ফোর্ট উইলিয়ম-এর গভর্নর এবং পরে গভর্নর জেনারেল।
- ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড ক্যানিং।
- স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
কোন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে চাইলে অন্তত কয়টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় অফিস থাকতে হবে?
  1. ৫০টি
  2. ১০০টি
  3. ১৫০টি
  4. ২৫০টি
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এটিএম শামছুল হুদার নির্বাচন কমিশন ভোটে অংশ নিতে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধান চালু করে।
- ওই বছরই প্রথম দফায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে চাইলে তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করতে হবে।
- প্রথমত, স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত কোনো সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে কমপক্ষে একটি আসনে বিজয়;
- দ্বিতীয়ত, ওই সব নির্বাচনে দলটির প্রার্থীরা যেসব আসনে অংশ নিয়েছেন, সেসব আসনে মোট ভোটের পাঁচ শতাংশ ভোট প্রাপ্তি;
- তৃতীয়ত, কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকতে হবে। দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় জেলা অফিস থাকতে হবে। আর অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় অফিস থাকতে হবে, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ২০০ জন ভোটার থাকবে।

⇒ রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিধিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের শর্ত পরিপালন সম্পর্কে সময়ে সময়ে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করবে। নতুন কমিটি গঠন এবং দলীয় অফিসের ঠিকানা পরিবর্তন সম্পর্কিত তথ্য কমিশনকে জানাবে।
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের বিধান অনুযায়ী, কোনো দল পরপর তিন বছর তথ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিল হবে।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৮৮.
যে সেক্টরে বাংলাদেশের সর্বাধিক জনশক্তি নিয়োজিত - [মে, ২০২৫]
  1. পরিবহন
  2. পোশাক শিল্প
  3. সেবা
  4. কৃষি
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:
⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇔ কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত এবং ছোট খাত শিল্পখাত।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৯.
সাধারণত ১ বছরের বেশি কিন্তু ৫ বছরের কম সময়কালের জন্য প্রণীত পরিকল্পনাকে বলা হয়-
  1. স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা
  2. দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা
  3. মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা
  4. প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনার ধারণা:
- পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের অগ্রিম সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি প্রক্রিয়া। 
- পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার প্রথম ও প্রধান ধাপ।
- পূর্ব এবং বর্তমান অভিজ্ঞতা, পরিসংখ্যানিক তথ্যাদি এবং যুক্তিসঙ্গত কারণের উপর ভিত্তি করেই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। 

⇒ মেয়াদভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ (Classification on the basis of time):
১. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা (Short-term plan): এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর মেয়াদি বা আরও কম মেয়াদি হয়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দুই প্রকারের হয়; যথা-এ্যাকশন প্লান ও রি-এ্যাকশন প্লান।
২. মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (Medium-term plan): মধ্যম মেয়াদের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর থেকে ৫ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে। মধ্যম ও প্রথম স্তরের ব্যবস্থাপকদের জন্য এরূপ পরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (Long-term plan): এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ৫ বছরের বেশী সময়ের জন্য হয়ে থাকে। কোন কোন কোম্পানী ১৫/২০ বছরের জন্যও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি করে থাকে।

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০.
ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত প্রথম ক্লাব কোনটি?
  1. ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব
  2. ব্রাদার্স ইউনিয়ন
  3. মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
  4. আবাহনী লিমিটেড
ব্যাখ্যা
ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব:
- ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত প্রথম ফুটবল ক্লাব ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব।

⇒ রামদাস ভাদুড়ি ঢাকার ওয়ারী এলাকায় ১৮৩৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন একটি ক্রীড়া সংগঠন, যার নাম ছিলো 'ওয়েলিংটন ক্লাব'। 
- ওয়ারীর কয়েকজন ক্রীড়া সংগঠক এই ওয়েলিংটনকেই 'ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব' নাম দিয়ে ১৮৯৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকার প্রথম ফুটবল ক্লাব।
- স্থানীয় জমিদার সুরেন্দ্র নাথ রায় ক্লাবটির গোড়াপত্তনে মূল ভূমিকা রেখেছিলেন বলে মনে করা হয়।

⇒ মতিঝিল শাপলা চত্ত্বর থেকে ক্লাব পাড়ার গলি ধরে এগুলে প্রথমেই দেখা পাওয়া যায় মোহামেডান ক্লাবের। এরপরেই ভিক্টোরিয়া, আরেকটু সামনে হাঁটলে চোখে পড়ে 'ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাবের' মূল ফটক। তাতে প্রতিষ্ঠার সময়কাল লেখা ১৮৯৮। 
- ওয়ারী ক্লাবের প্রথম সাফল্য আসে ফুটবলে, ১৯১০ সালে। সে বছর ওয়ারী ক্লাব পরাজিত করে বৃটিশ রাজকীয় 'প্রাসাদ' দলকে। 

উল্লেখ্য,
- পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন গঠিত হয়।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
৯১.
সংবিধানের ৬৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্য স্পিকারের বিনা অনুমতিতে একাধিক্রমে কতদিন সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্যপদ বাতিল হয়?
  1. ৪৫ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

⇒ সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে, যদি -
- (ক) তার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করতে অসমর্থ হন: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তা বর্ধিত করতে পারবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না নিয়ে তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভেঙে যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হয়ে যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
- ৬৭ (২) নং অনুচ্ছেদ- কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৯২.
বাংলাদেশের কোন অভিযাত্রী ‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করেছে?
  1. মুসা ইব্রাহীম
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. এম এ মুহিত
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
৯৩.
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রাজবংশীর প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নাম কী?
  1. হেনেই
  2. মাইলুকমা
  3. বিঝু
  4. হুদুমা
ব্যাখ্যা
রাজবংশী:
- বাংলাদেশের রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চল এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার সমতল অঞ্চলে, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিন দিনাজপুর ও সালদা জেলার কিছু অংশে বাংলা ভাষাভাষির একটি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করেন।
- এই জাতি গোষ্ঠীই রাজবংশী।
- আসামের গোয়ালাপাড়া, ধুবড়ি, মেঘালয়, বিহার ও নেপালের ঝাপা জেলাতেও এই ভাষার জাতিগোষ্ঠী বসবাস করেন।
- ভারতের কোচবিহার অঞ্চল থেকে আগত মঙ্গোলীয় নৃ-গোষ্ঠী কোচ জাতির অংশ। এদের মধ্যে প্রোটো-অষ্ট্রালয়েডদের মিশ্রন পরিলক্ষিত হয়। 

⇒ এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছ ধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা।
- মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশী জাতি পাহাড়, নদী, বন ও মাটিকেও উপাসনা করেন।
- এদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলো হলো: পাঁচকন্যা পূজা, বিষহরি পূজা, বেষমা পূজা, খরা-অনাবৃষ্টি কাটাতে হুদুমা পূজা, ব্যাঙ্গের বিয়ে প্রভৃতি।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই। এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্র রূপ।
- রাজবংশীরা মৃতদেহ পুড়িয়ে সৎকার কাজ সম্পন্ন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৪.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নয় -
  1. অর্থনৈতিক অগ্রগতি
  2. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
  3. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ়
  4. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
পররাষ্ট্রনীতি:
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে।
- অন্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তুলে ধরে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত বহিঃশক্তির প্রভাব থেকে দেশের সাবভৌমত্ব ও ভূখন্ডকে রক্ষা করার মতো বিষয়েই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে।

⇒ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. আত্বরক্ষা,
২. অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা, ও
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

অন্যদিকে,
- সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নয়।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫.
জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল (IPCC) এর বর্তমান চেয়ারম্যান কে? (মে, ২০২৫)
  1. ইউবা সোকোনা
  2. জিম স্কিয়া
  3. হোসুং লি
  4. কো ব্যারেট
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

IPCC:
- জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল IPCC.
- IPCC-এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change.
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- WMO এবং UNEP এর সম্মিলিত নাম IPCC গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৮ সালে।
- সদস্য: ১৯৫টি। (মে, ২০২৫)
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: জিম স্কিয়া। (মে, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - IPCC ওয়েবসাইট।
৯৬.
'জাস্টিনিয়ান' কোন সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন?
  1. ইনকা
  2. বাইজেন্টাইন
  3. মেসোপটেমীয়
  4. গ্রিক
ব্যাখ্যা
বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে - ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল৷
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতা ছিল।
- অঞ্চলটিকে সাধারণত পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য বলা হত।
- ৪৭৬ সালে রোমের পতনের ফলে রোমান সাম্রাজ্যের পশ্চিম অর্ধেক শেষ হয় এবং পূর্ব অর্ধেক বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য হিসাবে পরিচালিত হয়।
- বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা।
- এই সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন জাস্টিনিয়ান।
- ১৪ শতকে অটোমান তুর্কিরা দখল করতে শুরু করে এবং ১৪৫৩ সালে এটি অটোমান নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
- বাইজেন্টাইন সম্রাজ্ঞী নারীদের অধিকারের স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম শাসকদের একজন ছিলেন থিওডোরা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯৭.
ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (ABM) বাতিল হয় কবে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
৯৮.
সিরিয়ার বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি কে? (মে, ২০২৫)
  1. হাযেম আল-শারা
  2. আহমেদ আল-শারা
  3. মাহের আল-শারা
  4. মোহাম্মদ আল-শারা
ব্যাখ্যা
⇒ বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি: আহমেদ আল-শারা।

সিরিয়া:
- আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিয়ান আরব প্রজাতন্ত্র।
- সিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূল বরাবর অবস্থিত।
- আয়তন: ৭১,৪৯৮ বর্গ মাইল (১৮৫,১৮০ বর্গ কিমি)।
- সীমান্তবর্তী দেশ: তুরস্ক, ইরাক, জর্ডান, লেবানন ও ইসরায়েল।
- রাজধানী: দামেস্ক।
- ভাষা: আরবি (অফিসিয়াল), কুর্দি, আর্মেনিয়ান।
- ধর্ম: ইসলাম (প্রধানত সুন্নি), এছাড়াও খ্রিস্টান।
- মুদ্রা: সিরিয়ান পাউন্ড।
- দেশটি ১৯৬২ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯৯.
কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় কবে?
  1. ০৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৫
  2. ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৫
  3. ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৫
  4. ২৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৫
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- কিয়োটো প্রটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- ‘কার্বন ক্রেডিট’ এর ধারণা দেয় কিয়োটা প্রোটোকল।
- চুক্তির স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- চুক্তি গৃহীত হয়: ১১ই ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সাল।
- কার্যকর হয়: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ সাল।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১০০.
সম্প্রতি ভারতের 'অপারেশন সিঁদুর' এর জবাবে পাকিস্তান পরিচালিত অভিযানের নাম কী? [মে, ২০২৫]
  1. অপারেশন তহাফুজ
  2. অপারেশন সাফাই
  3. অপারেশন রেডলাইন
  4. অপারেশন বুনইয়ান-উন-মারসুস
ব্যাখ্যা
অপারেশন সিঁদুর:
- ২২ এপ্রিল, ২০২৫ এ ভারত-অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হন।
- এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ৭ মে "অপারেশন সিঁদুর" নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে ভারত।
- ২৬ জনের সবাই পুরুষ ছিলেন এবং এদের মধ্যে কয়েকজন সদ্যবিবাহিতও ছিলেন।
- এই প্রেক্ষাপটেই এই অভিযানের নাম 'সিন্দুর' রাখা হয়েছে এবং একে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
- ভারতের অভিযানে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়।
- এতে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার প্রায় ১০০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে ভারতের দাবি।
- ভারতের 'অপারেশন সিঁদুর' এর জবাবে পাকিস্তান পরিচালনা করে অপারেশন 'বুনইয়ান-উন-মারসুস'।
- এর জবাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ১০ মে, ২০২৫ সালে 'বুনইয়ান-উন-মারসুস' নামে পাল্টা অভিযান শুরু করে।
- বুনইয়ান-উন-মারসুসের আক্ষরিক অর্থ ‘লোহার প্রাচীর’।
- ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এ অভিযানে ভারতের অন্তত ২৬টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
- ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে বলে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলার রিপোর্ট।
১০১.
IDA এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? (মে, ২০২৫)
  1. ১৭২টি
  2. ১৭৩টি
  3. ১৭৫টি
  4. ১৭৮টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

IDA:

- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৫টি। (মে, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০২.
ওয়াটারলুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. হোরেশিও নেলসন
  2. থমাস পিকটন
  3. ডিউক অব ওয়েলিংটন
  4. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
ব্যাখ্যা
ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র: ওয়াটারলু, বেলজিয়াম।
- 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয়: ১৮১৫ সালে।
- যুদ্ধের পক্ষ: নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ও ডিউক অব ওয়েলিংটনের অধীনে মিত্র বাহিনী (ব্রিটিশ, ডাচ, বেলজিয়ান এবং জার্মান ইউনিট)।
- এই যুদ্ধ ইউরোপে ২৩ বছর ধরে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়াটারলুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতি: ডিউক অব ওয়েলিংটন।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন: নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছে।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১০৩.
বিষুবীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে গেলে বস্তুর ওজনের কী পরিবর্তন হয়? 
  1. ওজন শূন্য হয়
  2. ওজন কমে
  3. ওজন বাড়ে
  4. ওজন অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আকৃতির কারণে বিভিন্ন স্থানে বস্তুর ওজনের পার্থক্য: 
- পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোলক না হওয়ায়, পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন স্থানের দূরত্ব সমান নয়। 
- যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণের (g) মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের ওপর নির্ভরশীল, তাই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে g-এর মান ভিন্ন হয়। 
- পৃথিবীর বিষুবীয় অঞ্চলে কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এখানে g-এর মান সর্বনিম্ন (প্রায় ৯.৭৮ মি/সেকেন্ড), তাই বিষুবীয় অঞ্চলে কোনো বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। 
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে যত এগিয়ে যাওয়া হয়, ততই কেন্দ্র থেকে দূরত্ব কমে এবং g-এর মান বৃদ্ধি পায় (প্রায় ৯.৮৩ মি/সেকেন্ড), ফলে বস্তুর ওজনও বাড়ে। 
- মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব সর্বনিম্ন হওয়ায় g-এর মান সর্বোচ্চ এবং তাই বস্তুর ওজনও সর্বোচ্চ হয়। 
- এছাড়াও পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্যভাগে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজন শূন্য হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১০৪.
বর্তমানে পৃথিবীর মোট শক্তি ব্যবহারের কত ভাগ নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে আসে (প্রায়)? 
  1. অর্ধেক
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. চার ভাগের তিন ভাগ
  4. পাঁচ ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস: 
- শক্তি ছাড়া সভ্যতা এক মুহূর্ত চলতে পারে না কারণ শক্তির বিনিময়ে কাজ পাওয়া যায়। 
- শিল্পায়নের ক্রমবিকাশ এবং জীবনে যাত্রার মানোন্নয়নের জন্য শক্তির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাই ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য বিজ্ঞানীরা নতুন শক্তির উৎসের সন্ধানে কাজ করছে। 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- শুধু যে ভবিষ্যতে নতুন ধরনের শক্তির ওপর মানুষ ভরসা করে আছে তা নয়, এই মুহূর্তেও তারা এমন শক্তির ওপর ভরসা করে আছে, যেগুলো ফুরিয়ে যাবে না। 
- সে শক্তিগুলো আসে সূর্যের আলো থেকে, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা কিংবা ঢেউ থেকে, উন্মুক্ত প্রান্তরের বাতাস থেকে, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা থেকে কিংবা নদীর বহমান পানি থেকে। 
- এই শক্তিগুলো অফুরন্ত, যেগুলোকে বলা হয় নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy)। 
অর্থাৎ, যে শক্তিকে নবায়ন করা যায়, সে কারণে এটার ফুরিয়ে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। 
- এই মুহূর্তে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে এই নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- যত দিন যাচ্ছে মানুষ ততই পরিবেশ সচেতন হচ্ছে, তাই এ রকম শক্তির ব্যবহার আরো বেড়ে যাচ্ছে। 
যেমন- জলবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস, সৌরশক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। তাই শক্তির চাহিদা মেটাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে বিদেশ থেকে খনিজ তেল, কয়লা আমদানি করতে হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৫.
রোধের এস আই একক কী? 
  1. ও'ম
  2. সিমেন্স
  3. ভোল্ট
  4. অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা
রোধ: 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি হয় ইলেকট্রনের প্রবাহের জন্য। 
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য থাকলে এই প্রবাহ শুরু হয়, এক্ষেত্রে ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই ইলেকট্রন স্রোত পরিবাহীর মধ্য দিয়ে চলার সময় পরিবাহীর অভ্যন্তরস্থ অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ফলে এর গতি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহও বিঘ্নিত হয়। পরিবাহীর এই বাধাদানের ধর্ম হলো রোধ। 
- রোধের এস আই একক হলো ও'ম। 
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট এবং এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ ১ অ্যাম্পিয়ার হলে, ঐ পরিবাহীর রোধ হবে ১ ও'ম। 

অন্যদিকে, 
- তড়িৎ প্রবাহের একক হচ্ছে- অ্যাম্পিয়ার। 
- তড়িৎ পরিবাহিতার একক হচ্ছে- সিমেন্স। 
- বিভব পার্থ্যকের একক হচ্ছে- ভোল্ট । 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১০৬.
ফেনা ভাসমান পদ্ধতি কোন ধরনের আকরিকের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়? 
  1. ক্লোরাইড আকরিক
  2. হাইড্রোক্সাইড আকরিক
  3. অক্সাইড আকরিক
  4. সালফাইড আকরিক
ব্যাখ্যা
আকরিক ঘনীকরণ: 
- বিচূর্ণকৃত আকরিক থেকে খনিজমল সাধারণত ভৌত পদ্ধতিতে দূর করে আকরিক ঘনীকরণ করা হয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রাসায়নিক পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়। 
- আকরিকের প্রকৃতি অনুসারে আকরিক ঘনিকরণে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 
যেমন- 
অভিকর্ষ বলের সাহায্যে ঘনীকরণ: 
- যদি ধাতুর আকরিকের আপেক্ষিক গুরুত্ব খনিজমল থেকে আপেক্ষিক গুরুত্ব থেকে বেশি হয় তবে এ পদ্ধতিতে ঘনীকরণ করা হয়। 
- বিচূর্ণকৃত আকরিককে প্রবাহমান পানি দ্বারা আলোড়িত বা ধৌত করা হয়। ফলে হালকা খনিজমল প্রবাহমান পানির সাথে চলে যায় এবং ভারি আকরিক সঞ্চিত থাকে। এতে আকরিক ঘনীভূত হয়। 

ফেনা ভাসমান পদ্ধতিতে ঘনীকরণ: 
- যদি ধাতুর আকরিক সালফাইড হিসেবে থাকে তবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- একটি বড় পাত্রে বিচূর্ণকৃত সালফাইড আকরিক নিয়ে তাতে পানি ও অল্প পরিমাণ উপযুক্ত তেল যোগ করা হয়। অতপর পানির মধ্যে বায়ু প্রবাহিত করা হয়, ফলে সালফাইড আকরিকসমূহ তেলে সিক্ত হয়ে পানির উপর ফেনা আকারে ভেসে উঠে। এবার ফেনাসহ আকরিক পৃথক করে নেওয়া হয় এবং পাত্রে খনিজমল পড়ে থাকে। 

চৌম্বক পৃথকীকরণ: 
- যদি ধাতুর আকরিক অথবা খনিজমল কোন একটির চৌম্বক ধর্ম থাকে তবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- এই পদ্ধতিতে দুইটি চাকতিতে স্থাপিত একটি চলমান বেল্টে উপর থেকে বিচূর্ণকৃত আকরিক ফেলা হয়। বেল্টটি চলমান হওয়ায় বিচূর্ণকৃত আকরিক বাহিরের দিকের চাকতিটি পার হয়ে ছিটকে পড়তে থাকে। 
- বাহিরের চাকতিটি চৌম্বক ধর্ম বিশিষ্ট রাখা হয়। ফলে চৌম্বক ধর্ম বিশিষ্ট পদার্থ চাকতির কাছে এবং অচৌম্বক ধর্ম বিশিষ্ট পদার্থ চাকতি থেকে দূরে ছিটকে পড়ে। 

রাসায়নিক পদ্ধতি: 
- কিছু কিছু আকরিকের বৈশিষ্ট্য যদি এমন হয় যে, এর সাথে মিশ্রিত খনিজমল কোন দ্রাবকের সাহায্যে দ্রবীভূত করে দূরিভূত করা যায় তবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়।
- এই পদ্ধতিতে কোন একটি উপযুক্ত দ্রবক দ্বারা দ্রবীভূত করে আকরিকের মধ্য থেকে কাঙ্ক্ষিত একটি উপাদানকে পৃথক করা হয়।
- পরবর্তিতে দ্রবণ থেকে রাসায়নিক পদ্ধতিতে আকরিক পৃথক করা হয়।
যেমন- অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক থেকে খনিজমল দূর করার জন্য কস্টিক সোডা (NaOH) যোগ করে ১২০০-২০০০° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে বক্সাইড দ্রবীভূত হয়ে যায় এবং খনিজমল অদ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। অতপর দ্রবণ ছেঁকে খনিজমল দূর করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৭.
মানুষের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা কত? 
  1. ২০ থেকে ২০০০ হার্জ
  2. ২০ থেকে ২০,০০০ হার্জ
  3. ২০ থেকে ৩৫,০০০ হার্জ
  4. ৫০ থেকে ৫০,০০০ হার্জ
ব্যাখ্যা
শ্রাব্যতার সীমা: 
- কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়। 
- সকল কম্পনশীল বস্তুর শব্দ মানুষ শুনতে পাই না। 
- যে শব্দ প্রতি সেকেন্ডে ২০টির কম কম্পন দিয়ে সৃষ্টি হয়, তা মানুষেরা শুনতে পাই না, এরকম শব্দকে শ্রুতিপূর্ব শব্দ বলা হয়। 
- আবার প্রতি সেকেন্ডে ২০,০০০-এর বেশি কম্পনের ফলে সৃষ্ট শব্দকেও মানুষ শুনতে পাই না, একে শ্রুতি-উত্তর শব্দ বলা হয়। 
সুতরাং মানুষের জন্য শ্রাব্যতার সীমা হলো প্রতি সেকেন্ডে ২০ থেকে ২০,০০০ কম্পন দিয়ে সৃষ্ট শব্দ। 
- প্রতি সেকেন্ডে কোনো বস্তু যতটা কম্পন দেয় তাকে বলা হয় ঐ বস্তুর কম্পাঙ্ক। 
- এই কম্পাঙ্ক প্রকাশের একক হলো হার্জ (Hertz)। 
- কোনো বস্তু সেকেন্ডে ২০ বার কাঁপলে তার কম্পাঙ্ক ২০ হার্জ, ২০,০০০ বার কাঁপলে ২০,০০০ হার্জ। 
সুতরাং মানুষের কানের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা ২০ হার্জ থেকে ২০,০০০ হার্জ, এই সীমার মধ্যে কম্পাঙ্কের শব্দকে শ্রাব্য শব্দ বলে। 
- কোনো কোনো প্রাণী ২০,০০০ হার্জ কম্পাঙ্কের চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়। 
যেমন- কুকুরের এই ক্ষমতা আছে। পুলিশ অতি উচ্চ কম্পাঙ্কের হুইসেল ব্যবহার করে যা কুকুর শুনতে পায় কিন্তু মানুষ শুনতে পায় না। 
- চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনেক অতিশব্দ (শ্রুতি-উত্তর শব্দ ব্যবহারকারী) যন্ত্রের একটি হলো আল্ট্রাসনোগ্রাম। এ যন্ত্র ২০,০০০ হার্জের চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দের সাহায্যে কাজ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১০৮.
বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ ঘটেছিল প্রায় কত বছর আগে?
  1. ৩৭৫.০ কোটি বছর
  2. ১.৩৭৫ ট্রিলিয়ন বছর
  3. ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
  4. ১৩.৭৫ মিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্ব: 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

মহাবিশ্বের উৎপত্তি: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১০৯.
ডেনিয়েল সেলে রাসায়নিক শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. শব্দ শক্তিতে
  2. তাপ শক্তিতে
  3. আলোক শক্তিতে
  4. বিদ্যুৎ শক্তিতে
ব্যাখ্যা
ডেনিয়েল সেল: 
- বাস ও ট্রাকে যে ব্যাটারি দেখা যায় তা মূলত ডেনিয়েল সেল। 
- জিংক সালফেট লবণের দ্রবণের মধ্যে জিংক ধাতুর দণ্ড এবং কপার সালফেট লবণের দ্রবণের মধ্যে কপার ধাতুর দণ্ড ব্যবহার করে ডেনিয়েল সেল তৈরি করা হয়। 
- ডেনিয়েল সেলে নিচের বিক্রিয়া ঘটে- 
• Zn(s) + CuSO4(aq) → ZnSO4 (aq) + Cu(s) 
- এ বিক্রিয়ার মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১০.
কোন হার্ডওয়্যার ডিভাইসটি দ্বারা ব্যবহারকারী স্ক্রিনে গ্রাফিক্সে ক্লিক, নির্দেশ প্রদান এবং ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে?
  1. RAM
  2. CPU
  3. Hard Drive
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
• ব্যবহারকারী স্ক্রিনে গ্রাফিক্সে ক্লিক, নির্দেশ প্রদান এবং ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে মাউস (Mouse) দ্বারা। মাউস একটি ইনপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ সহজ করে। এটি সাধারণত স্ক্রিনে কার্সরের গতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেসে (GUI) বিভিন্ন আইকন, বাটন, মেনু ইত্যাদিতে ক্লিক করে বিভিন্ন কমান্ড প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারকারী ডান বা বাম বোতাম চেপে, ডাবল ক্লিক বা ড্র্যাগ করে নানা রকম নির্দেশ পাঠাতে পারে। RAM, CPU এবং Hard Drive মূলত তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত হলেও, মাউস সরাসরি ব্যবহারকারীর ইনপুট প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) Mouse.

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- হার্ডওয়‍্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে।

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ:
- কি-বোর্ড,
- মাউস,
- মাইক্রোপ্রসেসর,
- মাদারবোর্ড,
- ডিস্ক,
- ডিস্ক ড্রাইভ,
- মনিটর,
- প্রিন্টার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের মধ্যে থাকে ৫টি অংশ। যথা:
১. ইনপুট হার্ডওয়্যার (Input Hardware),
২. প্রসেসিং হার্ডওয়্যার (Processing Hardware),
৩. স্টোরেজ হার্ডওয়‍্যার (Storage Hardware),
৪. আউটপুট হার্ডওয়্যার (Output Hardware),
৫. কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার (Communication Hardware) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ পোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১১.
বেশিরভাগ আধুনিক ওয়েব ব্রাউজারে F7 কী- এর কাজ কী?
  1. বানান যাচাই সক্রিয় করা
  2. ক্যারেট ব্রাউজিং চালু করা
  3. বুকমার্ক করা
  4. পৃষ্ঠা পুনরায় লোড করা
ব্যাখ্যা
• আধুনিক ওয়েব ব্রাউজারের বেশিরভাগে F7 কী ক্যারেট ব্রাউজিং চালু বা বন্ধ করার কাজে ব্যবহৃত হয়, অর্থাৎ সঠিক উত্তর (খ) ক্যারেট ব্রাউজিং চালু করা।
- ক্যারেট ব্রাউজিং একটি ফিচার যা ওয়েবপেজে টেক্সট নেভিগেশনের জন্য ব্যবহার করা হয়, ঠিক যেমনটি আমরা কোনো ওয়ার্ড প্রসেসরে কীবোর্ডের অ্যারো কী ব্যবহার করে করি। এটি চালু করলে মাউসের বদলে কীবোর্ড দিয়েই টেক্সট সিলেক্ট, কপি অথবা হাইলাইট করা যায়। ক্যারেট ব্রাউজিং সক্রিয় করলে স্ক্রিনে একটি মুভেবল কার্সর দেখা যায় যা দিয়ে ব্যবহারকারী পৃষ্ঠার বিভিন্ন অংশে সরাসরি নেভিগেট করতে পারেন। এটি বিশেষভাবে উপকারী যারা মাউস ব্যবহারে অসুবিধায় পড়েন।


• ফাংশন কী: 
- কী বোর্ডের উপরের দিকে বাম পার্শ্বে F1 থেকে F12 পর্যন্ত যে কী গুলো আছে এদেরকে ফাংশন কী বলে।
- কোন নির্দিষ্ট কাজ করা যায় বলে একে ফাংশন কী বলে।
- যেমন কোনো প্রোগ্রামের জন্য help, অথবা কোনো প্রোগ্রাম run করানো ইত্যাদি কাজে এই কী এর ব্যবহার করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 সাধারণত বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়। তবে আধুনিক ওয়েব ব্রাউজারের বেশিরভাগে F7 কী ক্যারেট ব্রাউজিং চালু বা বন্ধ করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
১১২.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Mozilla Firefox
  2. Sophos
  3. Windows Defender
  4. Panda Security
ব্যাখ্যা
• Mozilla Firefox এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। এটি একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে সহায়তা করে।
- অন্যদিকে, Sophos, Windows Defender, এবং Panda Security - এই তিনটি হল এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যেগুলো কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে রক্ষা করে। Sophos এবং Panda Security তৃতীয় পক্ষের এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, আর Windows Defender হলো মাইক্রোসফটের তৈরি একটি বিল্ট-ইন নিরাপত্তা প্রোগ্রাম। কিন্তু Mozilla Firefox কোনো ধরনের ভাইরাস সুরক্ষা প্রদান করে না; এটি শুধুমাত্র ব্রাউজিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই এটি এন্টিভাইরাস নয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৩.
পাইথনে একটি সেট তৈরি করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. {1, 2, 3}
  2. [1, 2, 3]
  3. (1, 2, 3)
  4. {{1, 2, 3}}
ব্যাখ্যা
• পাইথনে একটি সেট (set) তৈরি করতে  {1, 2, 3} ব্যবহার করা হয়। এটি সেট তৈরির সঠিক উপায়, যেখানে উপাদানগুলো ইউনিক বা অনন্য থাকে এবং সেটের মধ্যে উপাদানগুলোর কোন নির্দিষ্ট ক্রম (order) থাকে না।
- অপশন খ) একটি তালিকা (list) নির্দেশ করে, যা একই ধরনের উপাদান একাধিকবার রাখতে পারে এবং উপাদানগুলোর ক্রম বজায় রাখে। গ) একটি টিউপল (tuple), যা অপরিবর্তনীয় (immutable) এবং সেট নয়। ঘ) {{1, 2, 3}} একটি ভুল সিনট্যাক্স, কারণ সেট একটি অমিউটেবল ডেটা টাইপ নয়, তাই সেটের মধ্যে আরেকটি সেট রাখা যায় না। সুতরাং, পাইথনে সেট তৈরির জন্য সঠিক উত্তর হলো {1, 2, 3}।


• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
১১৪.
গুগল "জেমিনি" নামে যে এআই চ্যাটবট চালু করেছে, সেটির পূর্বের নাম কী ছিল?
  1. Bard
  2. Assistant
  3. Duplex
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• গুগল "জেমিনি" নামে যে এআই চ্যাটবট চালু করেছে, তার পূর্বের নাম ছিল Bard. Bard গুগলের একটি এআই চ্যাটবট যা ব্যবহারকারীদের সাথে প্রাকৃতিক ভাষায় কথোপকথন করতে পারে। এটি গুগলের ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ভিত্তিক এবং বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধান ও প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম। Bard গুগলের আগের এআই প্রজেক্ট ছিল, যা এখন আপগ্রেড হয়ে নতুন নাম “জেমিনি” তে রূপান্তরিত হয়েছে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে গুগল আরও উন্নত এবং দক্ষ চ্যাটবট তৈরি করতে চায়, যা ব্যবহারকারীদের জন্য আরও বেশি কার্যকর ও সহজবোধ্য সেবা প্রদান করবে। তাই গুগলের জেমিনি আসলে Bard এর পরবর্তী সংস্করণ।

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায়, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমেটরি থেকে ব্যাকরাব নামে গুগল প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৫.
কোন সফটওয়্যার স্লাইডশো এবং প্রেজেন্টেশন তৈরি করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে?
  1. Evernote
  2. Visual Studio
  3. Google Slides
  4. Audacity
ব্যাখ্যা
• স্লাইডশো এবং প্রেজেন্টেশন তৈরি করার জন্য ডিজাইন করা সফটওয়্যার হলো Google Slides. এটি একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যা ব্যবহারকারীরা সহজেই টেক্সট, ছবি, ভিডিও, এবং অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া উপাদান দিয়ে প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে পারে। Google Slides ব্যবহার করে একাধিক ব্যক্তি একই সময়ে একটি প্রেজেন্টেশন সম্পাদনা করতে পারে, যা দলগত কাজের জন্য খুবই উপযোগী। এর পাশাপাশি, এটি ক্লাউডভিত্তিক হওয়ার কারণে যেকোনো জায়গা থেকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে প্রেজেন্টেশন অ্যাক্সেস এবং শেয়ার করা যায়।
- অন্যদিকে, Evernote নোট নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, Visual Studio প্রোগ্রামিংয়ের জন্য এবং Audacity অডিও এডিটিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Google Slides।

• সফটওয়্যারের প্রকারভেদ:
- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:

১.  সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- MS DOS, LINUX, UNIX, MS WINDOWS 98, MS WINDOWS, MAC OS, SYMBIAN, ANDROID, PC DOS, XENIX, AIX, ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।

২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:
- ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার: Word Pad, Note Pad, MS Word, Latet.
- ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: Oracle, Ms Access, Poxpro.
- প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার: Microsoft Powerpoint, Macromedia Flash.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৬.
কোন প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাপী আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নামের নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ICANN
  2. W3C
  3. WWW
  4. Google
ব্যাখ্যা
• বিশ্বব্যাপী আইপি অ্যাড্রেস এবং ডোমেইন নামের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হল ICANN. ICANN অর্থাৎ Internet Corporation for Assigned Names and Numbers, এটি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা ইন্টারনেটে ডোমেইন নাম ব্যবস্থা এবং আইপি অ্যাড্রেস বরাদ্দ নিয়ন্ত্রণ করে। এই সংস্থার কাজ হল ইন্টারনেটের ডোমেইন নাম সিস্টেম (DNS) পরিচালনা করা এবং বিশ্বব্যাপী আইপি অ্যাড্রেস বরাদ্দ নিশ্চিত করা, যাতে ইন্টারনেট ব্যবহারে গঠন ও সমন্বয় বজায় থাকে।
- অন্যদিকে, W3C ওয়েবের স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করে, WWW হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সংক্ষিপ্ত রূপ এবং Google একটি সার্চ ইঞ্জিন ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। তাই আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নাম নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ICANN-এর।


• ICANN:
- ICANN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Internet Corporation for Assigned Names and Numbers.
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর একটি অলাভজনক অনুবিভাগ হলো- Internet Assigned Numbers Authority (IANA).
- IANA ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দিয়ে থাকে।
- সকল ডোমেইন নেইমকে ICANN একটি ডেটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করে থাকে।
- প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় জেনেরিক ডোমেইন হলো- com, net, edu, gov, int, mil, org.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১৭.
মূল কেবল ছিড়ে গেলে কোন টোপোলজির ব্যর্থতার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি?
  1. রিং টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. মেশ টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা
• মূল কেবল ছিড়ে গেলে বাস টপোলজির ব্যর্থতার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। বাস টপোলজিতে একটি একক প্রধান তার বা কেবল ব্যবহার করে সকল ডিভাইস সংযুক্ত থাকে। এই মূল কেবলটি যদি কোনো কারণে ছিড়ে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে পুরো নেটওয়ার্কের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। কারণ, সমস্ত ডেটা এই একটিমাত্র কেবলের মাধ্যমে আদান-প্রদান হয়। ফলে, অন্য টপোলজির তুলনায় বাস টপোলজি সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল এবং একক কেবল ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে অচল করে দিতে পারে। তাই, নির্ভরযোগ্যতার দিক থেকে বাস টপোলজি তুলনামূলকভাবে দুর্বল।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়।
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে।

• বাস টপোলজি (Bus Topology):
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৮.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এ "লোড ব্যালান্সিং"-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যবহারকারীর প্রবেশাধিকার কমানো
  2. কাজের চাপ সমানভাবে বিতরণ করা 
  3. নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক এনক্রিপ্ট করা
  4. ব্যাকআপ ডেটা সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এ "লোড ব্যালান্সিং"-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কাজের চাপ সমানভাবে বিতরণ করা (উত্তর: খ)। এটি একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সার্ভার, নেটওয়ার্ক, বা অন্যান্য রিসোর্সে আসা অনুরোধসমূহকে এমনভাবে পরিচালনা করা হয় যাতে কোনো একটি নির্দিষ্ট সার্ভার বা রিসোর্স অতিরিক্ত চাপের সম্মুখীন না হয়। এর ফলে সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং ডাউনটাইম বা স্লো-ডাউন এড়ানো যায়। লোড ব্যালান্সিং ব্যবহারকারীদের জন্য আরও নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত করে এবং একাধিক সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে স্কেলেবিলিটি বাড়ায়। এটি ক্লাউড পরিবেশে উচ্চ প্রাপ্যতা ও দক্ষতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১৯.
IMEI নম্বর বরাদ্দ ও নজরদারির কাজ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. GSMA
  2. ITU
  3. ISO
  4. IEEE
ব্যাখ্যা
• IMEI নম্বর বরাদ্দ ও নজরদারির কাজ করে GSMA প্রতিষ্ঠান। GSMA (GSM Association) হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা মোবাইল ফোন ও নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি সংক্রান্ত মানদণ্ড নির্ধারণ করে। IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য একটি অনন্য সনাক্তকরণ নম্বর, যা ফোনের চুরি ও জালিয়াতি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। GSMA এই নম্বরগুলো বরাদ্দ দিয়ে থাকে এবং মোবাইল ডিভাইসগুলোর নজরদারি ও যাচাইয়ের কাজ পরিচালনা করে।
- অন্যদিকে, ITU, ISO, ও IEEE বিভিন্ন প্রযুক্তি মানদণ্ড ও যোগাযোগ প্রটোকল নিয়ে কাজ করে, কিন্তু সরাসরি IMEI বরাদ্দ করে না।

- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) GSMA.

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২০.
গুগলের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. Menlo Park, California
  2. San Bruno, California
  3. San Francisco, California
  4. Mountain View, California
ব্যাখ্যা
• গুগলের সদর দপ্তর অবস্থিত ঘ) Mountain View, California-এ। এটি একটি প্রযুক্তি শহর যা ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালির অংশ। গুগল এখানে তাদের প্রধান কার্যালয় বা “Googleplex” চালায়, যা বিশ্বের অন্যতম বড় ও আধুনিক অফিস কমপ্লেক্স। এই সদর দপ্তর থেকে গুগল তাদের বিভিন্ন পরিষেবা ও পণ্য যেমন সার্চ ইঞ্জিন, ইউটিউব, জিমেইল এবং অন্যান্য প্রযুক্তি উন্নয়ন করে থাকে। Mountain View-এর অবস্থান গুগলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সিলিকন ভ্যালির কেন্দ্রস্থল যেখানে অনেক প্রযুক্তি কোম্পানি ও উদ্ভাবক একসাথে কাজ করে। তাই গুগলের সদর দপ্তর এই স্থানে থাকা প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত।

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের পূর্ব নাম হল ব্যাকরাব।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- এক্স (টুইটার) এর সদর দপ্তর "San Francisco, California",
- ইউটিউব এর সদর দপ্তর "San Bruno, California",
- ফেসবুকের সদর দপ্তর "Menlo Park, California".

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
১২১.
কোন ধরনের ইমেইল ফোল্ডারে সাধারণত অনাবশ্যক মেসেজ রাখা হয়?
  1. Sent
  2. Inbox
  3. Spam
  4. Drafts
ব্যাখ্যা
• অনাবশ্যক বা স্প্যাম মেসেজ সাধারণত Spam ফোল্ডারে রাখা হয়। স্প্যাম মেইল হলো এমন মেসেজ যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া প্রেরিত হয় এবং এতে সাধারণত বিজ্ঞাপন, ম্যালওয়্যার বা অবাঞ্ছিত প্রচার থাকে। এই ধরনের মেইলগুলো ব্যবহারকারীর ইনবক্সে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, তাই ইমেইল সার্ভিসগুলো স্প্যাম ফোল্ডার তৈরি করে যাতে এই মেইলগুলো আলাদা রাখা যায়। এতে ব্যবহারকারী সহজেই গুরুত্বপূর্ণ মেইল থেকে স্প্যাম মেইল পৃথক করতে পারে এবং নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- অন্য ফোল্ডার যেমন Sent, Inbox, ও Drafts সাধারণত যথাক্রমে প্রেরিত, প্রাপ্ত এবং খসড়া মেইল রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই স্প্যাম মেসেজ রাখার জন্য স্প্যাম ফোল্ডারই সঠিক।


• ই-মেইল: 
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন। 
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। 
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়। 
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত। 
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম। 
- ই-মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
১২২.
অপারেটিং সিস্টেম নয় কোনটি?
  1. Microsoft Excel
  2. Red Hat
  3. iPadOS
  4. Mint
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে, এবং ব্যবহারকারীকে ডিভাইসটি ব্যবহার করার সুবিধা দেয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Microsoft Excel অপারেটিং সিস্টেম নয়। এটি একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম যা ডেটা বিশ্লেষণ, হিসাব-নিকাশ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, Red Hat, iPadOS, এবং Mint হলো অপারেটিং সিস্টেম। Red Hat হলো লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম, iPadOS হলো অ্যাপলের মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি অপারেটিং সিস্টেম, আর Mint হলো উবুন্টু ভিত্তিক লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন।

- তাই, অপারেটিং সিস্টেম নয় Microsoft Excel.

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন - CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৩.
হেক্সাডেসিমেল নম্বর সিস্টেমে কত ধরনের ইউনিক ডিজিট পাওয়া যায়?
  1. ১০
  2. ১৬ 
  3. ৮ 
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল নম্বর সিস্টেম হল একটি সংখ্যার প্রকাশের পদ্ধতি যেখানে মোট ১৬টি ইউনিক ডিজিট ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে ডিজিটগুলো ০ থেকে ৯ পর্যন্ত এবং তারপর A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহৃত হয়, যেখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত মান প্রকাশ করে। তাই হেক্সাডেসিমেল সিস্টেমে মোট ১৬ ধরনের ইউনিক ডিজিট পাওয়া যায়। এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি বাইনারি সংখ্যাকে সহজে ছোট আকারে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
- অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) ১৬।

• হেক্সাডেসিমেল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬.
এতে অঙ্কগুলো হলো: 0,1,2,3,4,5,6,7,8,9,A(10),B(11),C(12),D(13),E(14),F(15)।

• বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতি:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৪.
চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজারের পাহাড়সমূহ কোন যুগের পাহাড়?
  1. আধুনিক যুগের
  2. প্লাইস্টোসিনকালের
  3. সাম্প্রতিক কালের
  4. টারশিয়ারি যুগের
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো:
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তভুর্ক্ত।
- এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ;
খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উল্লেখ্য,
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তভুর্ক্ত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম এ এলাকার নদীগুলো প্রায়ই গতি পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন পললভূমি গঠিত হতে দেখা যায়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৫.
মানব-সৃষ্ট বিপর্যয়ের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. বন্যা
  2. অগ্ন্যুৎপাত
  3. ভূমিকম্প
  4. রাসায়নিক বিষক্রিয়া
ব্যাখ্যা
বিপর্যয়:
- বিপর্যয় বলতে বিপদ বা আপদের সম্ভাবনাকে বুঝায়।
- অর্থাৎ যে সকল ঘটনা একটি এলাকার জনগণের জীবন, জীবিকা ও পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, এমনকি একেবারে ধ্বংস করতে পারে, সে সকল ঘটনাকেবিপর্যয় বলে।
- বিপর্যয় দুই ধরনের হতে পারে। যেমন:
১. প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন-ঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।
২. মানব-সৃষ্ট বিপর্যয়, যেমন-পানি দূষণ, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ, রাসায়নিক বিষক্রিয়া, যুদ্ধ ইত্যাদি।

- বিপর্যয় মানেই দুর্যোগ নয়, বরং দুর্যোগের আশংকা বা সম্ভাবনা মাত্র।
- একটি এলাকায় সংঘটিত যে কোনো বিপর্যয় বা আপদ যখন উক্ত এলাকার অধিবাসীগণ তাদের নিজস্ব চেষ্টা ও সম্পদের সাহায্যে মোকাবিলা করতে সক্ষম না হয়, কেবল তখনই সেই আপদটি দুর্যোগে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৬.
ভোমরা স্থল বন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. কুড়িগ্রাম
  3. সাতক্ষীরা
  4. চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা

• ভোমরা স্থলবন্দর:
ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগনা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- এটি ১২ জানুয়ারি ২০০২ স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয় এবং ১৯ মে, ২০১৩ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর:
• তামাবিল স্থলবন্দর- সিলেট।
• দর্শনা স্থলবন্দর- চুয়াডাঙ্গা।
• বিলোনিয়া স্থলবন্দর- ফেনী।
• বেনাপল স্থলবন্দর- যশোর।
• বুড়িমারী স্থলবন্দর- লালমনির হাট।
• আখাউরা স্থলবন্দর- ব্রাক্ষণবাড়িয়া।

তথ্যসূত্র - ভোমরা স্থলবন্দর ওয়েবসাইট।

১২৭.
বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোন শিলায় পরিণত হয়?
  1. নিস
  2. মার্বেল
  3. গ্রাফাইট
  4. কোয়ার্টজাইট
ব্যাখ্যা
রূপান্তরিত শিলা:
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন যে ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয়, তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।
- ভূ-ত্বাত্তিক সময় ব্যাপী মহাদেশের যে সঞ্চারণ এবং উত্থান-পতন হয়েছে এ শিলা থেকে তা জানা যায়।

রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
⇒ চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
⇒ বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
⇒ কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
⇒ গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
⇒ কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৮.
স্ক্যান্ডিনেভিয়া উপদ্বীপ প্রধানত কোন দুটি দেশ দ্বারা অধিকৃত?
  1. ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ড
  2. নরওয়ে ও সুইডেন
  3. সুইজারল্যান্ড ও সুইডেন
  4. আইসল্যান্ড ও নরওয়ে
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপ উত্তর ইউরোপের বৃহৎ উপদ্বীপ।
- এটি প্রায় ১,১৫০ মাইল (১,৮৫০ কিমি) লম্বা।
- উপদ্বীপটির আয়তন ২৮৯,৫০০ বর্গ মাইল।
- আর্কটিক সার্কেলের উপর থেকে বাল্টিক সাগরের তীর পর্যন্ত এটি বিস্তৃত। 
- এটি প্রধানত নরওয়ে ও সুইডেন দ্বারা অধিকৃত।
- নরওয়ে এবং সুইডেন যথাক্রমে এই পর্বতমালার পশ্চিম এবং পূর্ব দিক ভাগ করে নেয়।

উল্লেখ্য,
- তবে ডেনমার্ককেও সাধারণভাবে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
- কারণ এর নরওয়ে এবং সুইডেনের সাথে ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে।
- এই তিনটি দেশ নর্ডিক দেশগুলোর অংশ, যার মধ্যে ফিনল্যান্ড এবং আইসল্যান্ডও অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, এনসাইক্লোপিডিয়া।
১২৯.
জলবায়ুর তারতম্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে কয়টি জলবায়ু অঞ্চলে বিভক্ত করা যায়?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু অঞ্চলের বিবরণ:
- বাংলাদেশ সমভাবাপন্ন ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলে অবস্থিত হলেও এদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের জলবায়ু লক্ষ করা যায়।
জলবায়ুর তারতম্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে নিম্নোক্ত ছয়টি জলবায়ু অঞ্চলে বিভক্ত করা যায়। যেমন-

১. ক্রান্তীয় সামুদ্রিক জলবায়ু অঞ্চল:
- বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলীয় এলাকা ক্রান্তীয় সামুদ্রিক জলবায়ু অঞ্চরের অন্তর্গত।

২. ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল জলবায়ু অঞ্চল:
- চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চল ছাড়া সমগ্র চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলা ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল জলবায়ু অঞ্চলের অন্তভুক্ত।

৩. ক্রান্তীয় আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল:
- পটুয়াখালী, নোয়াখালী, বরিশাল ও খুলনা জেলার উপকূলীয় অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য এলাকা, যশোরের পূর্বাংশ; ঢাকা, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, জামালপুর ও ময়মনসিংহের উত্তর-পূর্বাংশ ব্যতীত সমগ্র এলাকা; দক্ষিন-পশ্চিম ও পূর্ব সিলেট; পাবনা ও দক্ষিণ-পূর্ব বগুড়া নিয়ে এ জলবায়ু অঞ্চল গঠিত। অর্থাৎ বাংলাদেশের সমগ্র মধ্যাঞ্চল ক্রান্তীয় আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত। 

৪. ক্রান্তীয় মৃদু আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল:
- পশ্চিম-দক্ষিণ বগুড়া ও পাবনা, দক্ষিণ দিনাজপুর, সমগ্র রাজশাহী ও কুষ্টিয়া এবং পশ্চিম-উত্তর যশোর অঞ্চল নিয়ে এ জলবায়ু গঠিত। বাংলাদেশের মধ্যে এ অঞ্চলই সর্বাপেক্ষা শুষ্ক ও উষ্ণ। 

৫. উপক্রান্তীয় আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল:
- রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের দক্ষিণের সামান্য অংশ ব্যতীত সমস্ত এলাকা এ জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত। এখানকার জলবায়ু চরমভাবাপন্ন। অর্থাৎ শীতের সময় অত্যধিক শীত এবং গ্রীষ্মের সময় অত্যধিক গরম পড়ে। 

৬. উপক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল জলবায়ু অঞ্চল:
- সমগ্র সিলেট ও উত্তর-পূর্ব ময়মনসিংহ অঞ্চল নিয়ে এ জলবায়ু অঞ্চল গঠিত। 

তথ্যসূত্র: এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
১৩০.
টেকসই উন্নয়নের অপরিহার্য অঙ্গ কোনটি?
  1. শিক্ষা
  2. আইন
  3. মূল্যবোধ
  4. সুশাসন
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন:
- টেকসই উন্নয়ন মূলত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে গৃহীত একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা, যেখানে ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, অংশগ্রহণ এবং আইনের শাসন বজায় থাকে।
- টেকসই উন্নয়নের জন্য সুশাসন অপরিহার্য, কারণ এটি ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।
- সুশাসন শুধু প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি করে না, বরং সমাজের সবস্তরে উন্নয়নের পথ তৈরি করে।
- এটি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক- যা টেকসই উন্নয়নের মূল লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩১.
একজন ব্যক্তি নীতি ও ঔচিত্যবোধের চূড়ান্ত অনুমোদন কোথা থেকে পেয়ে থাকে?
  1. রাষ্ট্র
  2. পরিবার
  3. বিবেক
  4. বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা
নীতি ও ঔচিত্যবোধ:
- মানুষের আচরণকে সঠিক ও ন্যায়নিষ্ঠ পথে পরিচালিত করার জন্য গৃহীত আদর্শ বা নিয়ম হচ্ছে নীতি।
- ঔচিত্যবোধ হচ্ছে কোন কাজটি উচিত আর কোনটি অনুচিত, সেই বোধ বা সচেতনতা।
- বিবেক হলো মানুষের অন্তর্নিহিত এক ধরনের নৈতিক বোধ, যা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, নীতি-অনীতি বিচার করতে সাহায্য করে।
- ব্যক্তি নীতি ও ঔচিত্যবোধ (কোনটা উচিত আর কোনটা অনুচিত) সম্পর্কিত সিদ্ধান্তে পৌঁছায় তার বিবেকের নির্দেশনা অনুযায়ী।
- ব্যক্তি সমাজে বড় হয়, শেখে এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করে, কিন্তু সে নীতি ও ঔচিত্যবোধের চূড়ান্ত অনুমোদন তার নিজের বিবেক থেকে পায়।
- পরিবার, রাষ্ট্র ও বুদ্ধিমত্তা নৈতিক গঠনে ভূমিকা রাখলেও চূড়ান্ত নৈতিক অনুমোদন বা বোধ আসে ব্যক্তির বিবেক থেকে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩২.
মূল্যবোধ শিক্ষা একজন নাগরিকের কোন বৈশিষ্ট্য গড়ে তোলে?
  1. ভোগবাদিতা
  2. প্রতিযোগী মনোভাব
  3. ব্যবসায়িক দক্ষতা
  4. সামাজিক দায়িত্ববোধ
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসন:
- একটি সুশৃঙ্খল সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ব্যক্তির দায়িত্ববোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসন একজন নাগরিকের জীবনকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।
- একজন নাগরিকের নৈতিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলে।
- যা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৩.
"অধিকার হল সামাজিক জীবনের সেসকল শর্ত, যা' ছাড়া কোন ব্যক্তির পক্ষে নিজের সর্বোচ্চ বিকাশ সম্ভব নয়।" – উক্তিটি কার?
  1. অধ্যাপক বার্কার
  2. অধ্যাপক অ্যালমন্ড
  3. অধ্যাপক লাস্কি
  4. রাষ্ট্রদার্শনিক টি এইচ গ্রীন
ব্যাখ্যা
অধিকারে সংজ্ঞা:
- বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ অধিকারের সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।
- রাষ্ট্রদার্শনিক টি এইচ গ্রীনের (TH Green) মতে, "অধিকার হচ্ছে সেসকল বাহ্যিক অবস্থা যা' মানসিক পরিপুষ্টি সাধন করে।"
- অধ্যাপক এইচ জে লাস্কির (HJ Laski) মতে, "অধিকার হল সামাজিক জীবনের সেসকল শর্ত, যা' ছাড়া কোন ব্যক্তির পক্ষে নিজের সর্বোচ্চ বিকাশ সম্ভব নয়।"
- অধ্যাপক বার্কার (Prof. Barker) বলেছেন, "অধিকার হল মানুষের ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপযোগী সেসকল সুযোগ-সুবিধা যেগুলো রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও সংরক্ষিত হয়।"

উপরের সংজ্ঞাগুলোর আলোকে আমরা বলতে পারি যে,
- জনগণের ব্যক্তিত্ব ও জীবনকে পূর্ণভাবে বিকশিত করার জন্য সমাজ তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দান করে এবং এ সকল সুযোগ-সুবিধার সমষ্টিই হল অধিকার।
- এ সকল সুযোগ-সুবিধা রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও সংরক্ষিত হয় এবং এগুলোর লক্ষ্য সার্বজনীন কল্যাণ সাধন।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের একজন নাগরিক তিন ধরনের অধিকার ভোগ করে থাকে। যথা- সামাজিক অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার ও অর্থনৈতিক অধিকার।

তথ্যসূত্র: সিভিক এডুকেশন, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪.
শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগই হচ্ছে __________।
  1. নৈতিকতা
  2. সুশাসন
  3. আত্মসংযম
  4. সহানুভূতিশীলতা
ব্যাখ্যা
নৈতিকতা:
- নৈতিকতার ইংরেজি প্রতিশব্দ Morality.
- ইংরেজি Morality শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Moralitas থেকে, যার অর্থ সঠিক আচরণ বা চরিত্র।
- নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি যা মানুষকে সুকুমার বৃত্তি অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করে।
- নৈতিকতা বা নীতিবোধ একান্তভাবেই মানুষের হৃদয়-মন থেকে উৎসারিত।
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস, প্লেটো এবং এরিস্টটল সর্বপ্রথম নৈতিকতার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

নৈতিকতার সংজ্ঞা:
- নীতিবিদ ম্যুর বলেছেন, 'শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগই হচ্ছে নৈতিকতা।'

- নৈতিকতার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে Collins English Dictionary-তে বলা হয়েছে যে,
'Morality is concerned with on negating to human behaviour, esp. the distinction between good and bad and right and wrong behaviour,

- Cambridge International Dictionary of English-তে বলা হয়েছে যে, নৈতিকতা হলো-
'ভালো-মন্দ আচরণ, স্বচ্ছতা, সততা ইত্যাদির সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি গুণ, যা প্রত্যেক ব্যক্তিই আইন কিংবা অন্য কোনো বিষয়ের থেকে বেশি গুরুত্ব প্রদান করে থাকে।'

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
১৩৫.
সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনের ধারণা কীসের মাধ্যমে বাস্তবরূপ লাভ করে?
  1. দেশপ্রেম
  2. দক্ষ নেতৃত্ব
  3. জনসচেতনতা
  4. রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব:
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সংরক্ষণে রাজনৈতিক দল সক্রিয় এবং গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে।
- রাজনৈতিক দল সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসনের ধারণাকে বাস্তবে পরিণত করে।
- রাজনৈতিক দল রাজনৈতিক নেতা এবং জনসাধারণের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা, মতৈক্য ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টি এবং সামাজিক বিরোধ দূরীকরণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
- গণতন্ত্র কেবল সংখ্যার ভিত্তিতে পরিচালিত হয় না, তার জন্য প্রয়োজন নাগরিকের উন্নতমানের চেতনাবোধ ও উৎকর্ষতা।
- রাজনৈতিক দল আইনসভার অভ্যন্তরে ও বাইরে প্রচারের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে নাগরিকদের উৎকর্ষতা বৃদ্ধির সহায়তা করে।
- রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সংরক্ষণ ও স্থায়িত্ব রক্ষা করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।