পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (সাহিত্য)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১ টপিক বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাজন ও প্রাচীন যুগ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা, চর্যাপদ [Live Class - 1 & 2]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

বাংলাবিদ (সাহিত্য) · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
প্রচলিত মত অনুযায়ী, খনার জন্মস্থান?
  1. গৌড়
  2. বর্ধমান
  3. বীরসিংহ
  4. সিংহল
ব্যাখ্যা
খনা:
- খনার ব্যক্তি পরিচয় সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায় নি।
- খনা ছিলেন জ্যোতির্বিদ। 
- তাঁর সম্পর্কে প্রচলিত গল্পে বলা হয়েছে - খনা ছিলেন সিংহলের রাজকন্যা। 
- মহারাজ বিক্রমাদিত্যের রাজসভার নবরত্নের অন্যতম ছিলেন জ্যোতির্বিদ বরাহ। 
- বরাহের সিংহল প্রবাসী পুত্র রাজকন্যা খনা কে বিয়ে করে উজ্জয়িনীতে নিয়ে আসেন। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
.
বাংলা সাহিত্যে যুগসন্ধিক্ষণ -
  1. ১৫০১ থেকে ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দ
  2. ১৬০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ
  3. ১৭০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যে যুগসন্ধিক্ষণ - ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দ

• কালবিচারে বাংলা সাহিত্যকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায। যথা:
১. প্রাচীন যুগ (৬৫০ - ১২০০),
২. মধ্যযুগ (১২০০ - ১৮০০) ও
৩. আধুনিক যুগ (১৮০০ - বর্তমান)।

• মধ্যযুগ আবার তিনভাগে বিভক্ত। যথা:
১. আদি-মধ্যযুগ (১২০০ - ১৩৫০),
২. মধ্য-মধ্যযুগ (১৩৫০ - ১৭০০) ও
৩. অন্ত্য-মধ্যযুগ (১৭০০ - ১৮০০)।

• চর্যাপদের পরে  প্রবাদ, বচন, ছড়া, ডাক ও খনার বচন ইত্যাদি কিছু কিছু কাব্যনিদর্শন থাকলেও চতুর্দশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো রচনা পাওয়া যায় না। তাই এ সময়টাকে (১২০১ - ১৩৫০) কেউ কেউ 'অন্ধকার যুগ' বলে অভিহিত করেন।
- প্রকৃতপক্ষে এটা ছিল পরিবর্তনের যুগ; ইসলাম ও ইসলামি সংস্কৃতির সংস্পর্শে এবং মুসলিম শাসকদের ভিন্নতর রাষ্ট্রীয় ও সমাজব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে বঙ্গ জনপদে (বাংলাদেশে) তখন এক নতুন পরিবেশ ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটছিল।
- সে সময় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ছিল সৃজ্যমান অবস্থায় এবং চর্যার বঙ্গীয়-বৈশিষ্ট্যময় অপভ্রংশ ভাষা আরও বেশি মাত্রায় বাংলা হয়ে ওঠে।

• মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের মৃত্যু (১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ) থেকে ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে বলা হয় যুগসন্ধিক্ষণ।
- যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
চর্যাপদের কতটি পদের রচয়িতা সরহপা?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদের ৪টি পদের রচয়িতা সরহপা।

চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শনের নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ।
- চর্যাপদ গানের সংকলন।
- চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।
- চর্যাগুলো বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭ সালে আবিষ্কৃত হয় বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।

• চর্যাপদে মোট সাড়ে ছেচল্লিশটি (একটি পদের ছেঁড়া বা খণ্ডিত অংশসহ) পদ পাওয়া গেছে।
- চর্যাপদে সর্বাপেক্ষা বেশি পদ রচনা করেন - কাহ্নপা (১৩টি)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন - ভুসুকুপা (৮টি)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন - সরহপা (৪টি; ২২, ৩২, ৩৮, ৩৯)।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন - কুক্কুরীপা (৩টি)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটির মাধ্যমে চর্যাপদের অধ্যাত্মভাবনা ও সাহিত্যিক উৎকর্ষের সর্বোত্তম সমন্বয় ঘটেছে?
  1. কাব্যিকতা
  2. ভাষা
  3. রাষ্ট্রভাবনা
  4. সমাজচিত্র
ব্যাখ্যা
সমাজচিত্রের মাধ্যমে চর্যাপদের অধ্যাত্মভাবনা ও সাহিত্যিক উৎকর্ষের সর্বোত্তম সমন্বয় ঘটেছে।

চর্যাপদ:
- 'চর্যাপদ' যাঁরা রচনা করেছিলেন তাঁদের অনেকেই নিম্নবর্গ থেকে উঠে আসা মানুষ ছিলেন।
- অতীন্দ্র মজুমদার তাঁর সম্পাদিত 'চর্যাপদ' গ্রন্থের ভূমিকায় লিখেছেন: 'চর্যাপদের সিদ্ধাচার্যদের অধিকাংশই হয় বর্ণাশ্রমের বাইরে অন্ত্যজ শ্লেচ্ছ পর্যায়ের লোক ছিলেন কিংবা বর্ণাশ্রমের মধ্যেই নীচ সামাজিক বর্ণের প্রতিনিধি হিসাবে চিহ্নিত ছিলেন।'
- তাই তাঁরা যাপিতজীবন থেকে উপাদান সংগ্রহ করে চর্যা রচনা করেন এবং সেখানে নিম্নবর্গের মানুষের জীবন প্রতিফলিত হয়।
- এই গ্রন্থে সমাজের নিম্নতম পর্যায়ে যারা অধমসংকর বা অন্ত্যজ সেই মলেগ্রহী, কুড়ব, চণ্ডাল, বরুড়, তক্ষণকার, ঘট্টজীবী বা পাটনি, মালো এবং আরো নীচের পুক্কস, পুরিন্দ, খস, খোর, কম্বোজ, যবন, শবর - এদের জীবনের পরিচয় আছে।
- এদের জীবনে ছিল চরম অভাব, যন্ত্রণা, বেদনা, নিঃস্বতা, শোষণ।
- জীবিকা ও কর্ম হিসেবে এখানে শিকার করা, মাছ ধরা, নৌকা বাওয়া, চাঙারি বোনা, দেশজ মদ্য তৈরি, তুলোধোনা, জুয়া খেলা ইত্যাদির উল্লেখ আছে।
- উচ্চশ্রেণির মানুষদের থেকে দূরে প্রান্তস্থানে সামান্য ঘর বেঁধে তারা বাস করতো। বিয়ের ক্ষেত্রে নিম্নবর্গের কেউ উচ্চবর্গের কাউকে বিয়ে করতে পারতো না তবে উচ্চবর্গের পুরুষের নিম্নবর্গের নারীকে বিয়েতে কোনো বিঘ্ন ছিল না।
- আসলে, 'চর্যাপদ' মূলত নিম্নবর্গীয় মানুষের কাব্য আর এখানে প্রাচীনকালের বাংলার সামাজিক রূপটিই প্রকাশিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি খনার বচন?
  1. আগে খাবে মায়ে,
    তবে পাবে পোয়ে।
  2. গাঁ গড়নে ঘন পা।
    যেমন মা তেমন ছা।
  3. ততো তিতা চুকা ঝাল।
    এই চার পুরুষের কাল।
  4. সবকয়টি
ব্যাখ্যা
খনার বচন: 
- খনার বচন বিশেষ অর্থবোধক বাক্য বা উক্তি।
- ইংরেজি saying, proverb কিংবা বাংলা প্রবাদ শব্দ অনেকটা এর সমার্থক, কিন্তু বচনের তাৎপর্য আরও ব্যাপক ও ভিন্ন।
- শুভাশুভ, বিধিবিধান, নীতি ও উপদেশবাচক প্রতিপাল্য প্রাজ্ঞোক্তিই সাধারণ অর্থে বচন, যেমন গুরুর বচন, মহাপুরুষের বচন ইত্যাদি।
- বাংলায় ডাক ও খনার উক্তি বচনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- খনার বচনগুলো কৃষি, আবহাওয়া, ঋতু, জ্যোতিশাস্ত্র সম্পর্কিত।
- এছাড়াও স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ের খনার বচন রয়েছে।
- ‘খনার বচন’ রচয়িতার প্রকৃত নাম লীলাবতী; লীলাবতী আর্যার প্রণেতা ও খনা একই ব্যক্তি।
- ড. দীনেশচন্দ্র সেন ডাক ও খনার বচন রচনার কাল অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতক বিবেচনা করেছেন।

কৃষি, আবহাওয়া, ঋতু ও যাত্রা নিয়ে খনার বচন:
- আকাশে কোদালির বাউ।
ওগো স্বশুর? মাঠে যাও।।
মাঠে গিয়া বাঁধো আলি।
বৃষ্টি হবে আজি কালি।।
- গাঁ গড়নে ঘন পা।
যেমন মা তেমন ছা।

স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ের খনার বচন:
- আগে খাবে মায়ে,
তবে পাবে পোয়ে।
- ততো তিতা চুকা ঝাল।
এই চার পুরুষের কাল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলা সাহিত্যে বিকাশের যুগের ব্যাপ্তিকাল -
  1. ১৮০০ - ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দ
  2. ১৮৬০ - ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দ
  3. ১৯০০ - ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ১৯৩০ - ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা
• কালবিচারে বাংলা সাহিত্যকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায। যথা:
১. প্রাচীন যুগ (৬৫০ - ১২০০),
২. মধ্যযুগ (১২০০ - ১৮০০) ও
৩. আধুনিক যুগ (১৮০০ - বর্তমান)।

• আধুনিক যুগও কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। যথা:
১. প্রস্তুতিপর্ব (১৮০০ - ১৮৬০),
২. বিকাশের যুগ (১৮৬০ - ১৯০০),
৩. রবীন্দ্রপর্ব (১৯০০ - ১৯৩০),
৪. রবীন্দ্রোত্তর পর্ব (১৯৩০ - ১৯৪৭) ও
৫. বাংলাদেশ পর্ব (১৯৪৭ -)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কার মতে চর্যাপদের রচনাকাল ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে?
  1. গোপাল হালদার
  2. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  3. সুকুমার সেন
  4. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে চর্যাপদের রচনাকাল ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে।

চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শনের নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ।
- চর্যাপদ গানের সংকলন।
- চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।
- চর্যাগুলো বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭ সালে আবিষ্কৃত হয় বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।

চর্যাপদের রচনাকাল:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে পদগুলো রচিত।
- সুকুমার সেন সহ বাংলা সাহিত্যের প্রায় সব পণ্ডিতই সুনীতিকুমারকে সমর্থন করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
ড. দীনেশচন্দ্র সেনের মতে ডাক ও খনার বচনের রচনাকাল কোনটি?
  1. সপ্তম থেকে একাদশ শতক
  2. সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতক
  3. অষ্টম থেকে একাদশ শতক
  4. অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতক
ব্যাখ্যা
• ড. দীনেশচন্দ্র সেনের মতে ডাক ও খনার বচনের রচনাকাল - অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতক

ডাক ও খনার বচন:
- ডাক ও খনার বচনকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সৃষ্টি বলে বিবেচনা করা হয়। 
- তবে এগুলো যে রূপে সৃষ্টি হয়েছে তাঁর কোন লিখিত নিদর্শন নেই এবং তা মুখে মুখে প্রচলিত থাকার ফলে তার ভাষাও হয়ে পরেছে আধুনিক যুগের মত। 
- ছড়া জাতীয় এসব নমুনাকে লোকসাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- ড. দীনেশচন্দ্র সেন ডাক ও খনার বচন রচনার কাল অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতক বিবেচনা করেছেন।
- ডাক ও খনার বচনের বিষয়বস্তুর মধ্যে ঐক্য থাকলেও ডাকের বচনে জ্যোতিষ ও ক্ষেত্রতত্ত্বের কথা ও মানব চরিত্রের ব্যাখ্যা প্রাধান্য পেয়েছে।
- খনার বচনে কৃষি ও আবহাওয়ার কথা প্রাধান্য পেয়েছে। 

• খনার বচনের একটি উদাহরণ নিম্নরূপ - 
'খাটে খাটায় লাভের গাঁতি।
তার অর্ধেক কাঁধে ছাতি।।
ঘরে বসে পুছে বাত।
তার ভাগ্যে হাভাত।।'

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
চর্যাপদ রচনার উদ্দেশ্য ছিল -
  1. অনুবাদ চর্চা
  2. ধর্ম চর্চা
  3. নীতি চর্চা
  4. সাহিত্য চর্চা
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ রচনার উদ্দেশ্য ছিল - ধর্ম চর্চা

চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শনের নাম 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়' বা 'চর্যাগীতিকোষ' বা 'চর্যাগীতি' বা 'চর্যাপদ'।
- চর্যাপদ গানের সংকলন।
- চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ (ধর্ম চর্চা)
- চর্যাগুলো বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭ সালে আবিষ্কৃত হয় বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।