পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা [ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়] ২. ধ্বনিতত্ত্ব [ধ্বনি প্রকরণ] উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
ভাষা সৃষ্টির জন্য নিচের কোনটি আবশ্যক?
  1. ক) ফুসফুস
  2. খ) গলনালি
  3. গ) বাগযন্ত্র
  4. ঘ) ঠোঁট
সঠিক উত্তর:
গ) বাগযন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাগযন্ত্র
ব্যাখ্যা
- সকল মানুষের ভাষাই বাগযন্ত্রের দ্বারা সৃষ্টি।
- তবুও একই ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টির অর্থ বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে।
- মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত বাক সংকেতের সংগঠনকে ভাষা বলা হয়।

বাগযন্ত্রের মধ্যে রয়েছে-

ফুসফুস,
গলনালি,
জিভ,
তালু,
মাড়ি,
দাঁত,
ঠোঁট,
নাক ইত্যাদি।

- উল্লেখিত প্রতিটি বাক প্রত্যঙ্গকে একত্রে বাগযন্ত্র বলে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
বাগ্‌যন্ত্রের সবচেয়ে সচল ও সক্রিয় প্রত্যঙ্গ কোনটি?
  1. ক) জিভ
  2. খ) ওষ্ঠ
  3. গ) তালু
  4. ঘ) মূর্ধা
সঠিক উত্তর:
ক) জিভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জিভ
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেসব প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলােকে একত্রে বাগযন্ত্র বলে।
- মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোঁট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই বাগযন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত। 

জিভ
- মুখগহ্বরের নিচের অংশে জিভের অবস্থান।
- বাগযন্ত্রের মধ্যে জিভ সবচেয়ে সচল ও সক্রিয় প্রত্যঙ্গ।
- জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং
- মুখগহ্বরের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে জিভের স্পর্শের প্রকৃতি অনুযায়ী ধ্বনির বৈচিত্র্য তৈরি হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'রুশ ভাষা' নিচের কোন ভাষা-পরিবারের সদস্য?
  1. ক) ইন্দো-ইউরোপীয়
  2. খ) সেমীয়-হেমীয়
  3. গ) অস্ট্রো-এশীয়
  4. ঘ) আফ্রিকীয়
সঠিক উত্তর:
ক) ইন্দো-ইউরোপীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইন্দো-ইউরোপীয়
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর ভাষাগুলোকে ইন্দো-ইউরোপীয় , চীনা-তিব্বতীয়, আফ্রিকীয়, সেমীয়-হেমীয়, দ্রাবিড়ীয়, অস্ট্রো -এশীয় প্রভৃতি ভাষা-পরিবারে ভাগ করা হয়ে থাকে।
- উক্ত ভাষা-পরিবারগুলোর মধ্যে 'রুশ ভাষা' হলো ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের মধ্যে অন্তর্গত।

ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের সদস্য অন্যান্য ভাষাগুলো হলো:

• বাংলা ভাষা,
• ইংরেজি ভাষা,
• জার্মান ভাষা,
• ফরাসি ভাষা,
• হিস্পানি ভাষা,
• রুশ ভাষা,
• পর্তুগিজ ভাষা,
• ফারসি ভাষা,
• হিন্দি ভাষা,
• উর্দু ভাষা,
• নেপালি ভাষা,
• সিংহলি ভাষা ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
উচ্চারণের সময়ে জিভ এর উচ্চতা অনুযায়ী 'আ' এর অবস্থান-
  1. ক) উচ্চ স্বরধ্বনি
  2. খ) উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
  3. গ) নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি
  4. ঘ) নিম্ন স্বরধ্বনি
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিম্ন স্বরধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিম্ন স্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা
- উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ উপরে ওঠে;
- নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ নিচে নামে। 

উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
- উচ্চ স্বরধ্বনি [ই], [উ];
- উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি [এ], [ও];
- নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি [অ্যা], [অ];
- নিম্ন স্বরধ্বনি [আ]।  

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
‘সর্বনাম’ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
  1. ক) অর্থতত্ত্ব
  2. খ) বাক্যতত্ত্ব
  3. গ) রূপতত্ত্ব
  4. ঘ) ধ্বনিতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
গ) রূপতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রূপতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• ‘সর্বনাম’ ব্যাকরণের রূপতত্ত্বে আলোচিত হয়।

রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দগঠন প্রক্রিয়া।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
বাংলায় ভাষায় কয়টি কারবর্ণ রয়েছে?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১০টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কারবর্ণ বলে। স্বরবর্ণের মােট ১০টি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, এগুলাে হলো:
া,্ি,ী.ু,ূ,ৃ,্ে, ৈ,াে,ৌ।
- কারবর্ণের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই। এগুলাে ব্যঞ্জনবর্ণের আগে, পরে, উপরে, নিচে বা উভয় দিকে যুক্ত হয়।
- কোনাে ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হসৃচিহ্ন না থাকলে ব্যঞ্জনটির সঙ্গে একটি অ আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'যতিচিহ্ন' ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
  1. ক) রূপতত্ত্ব
  2. খ) ধ্বনিতত্ত্ব
  3. গ) বাক্যতত্ত্ব
  4. ঘ) অর্থতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
গ) বাক্যতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় ৪টি। 
যথা – ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব।

বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাক্যের নির্মাণ ও গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কিভাবে বিন্যস্ত থাকে বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- এছাড়া বাক্যের রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি এই অংশের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন ইত্যাদি বাক্যতত্ত্ব অংশে আলোচিত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)। 
.
'ন, র, ল, স' প্রভৃতি কোন ব্যঞ্জনের উদাহরণ?
  1. ক) মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনি
  2. খ) দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনি
  3. গ) দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন
  4. ঘ) ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
গ) দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গােড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
- নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

তাছাড়া-

প, ফ, ব, ভ, ম = ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন।
ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় = মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনি
ত, থ, দ, ধ দন্ত্য = দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)। 
.
বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ ব্যকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
  1. ক) ধ্বনিতত্ত্ব
  2. খ) বাক্যতত্ত্ব
  3. গ) অর্থতত্ত্ব
  4. ঘ) রূপতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
গ) অর্থতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়কে ৪ টি ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা: 
- ধ্বনিতত্ত্ব
- রূপতত্ত্ব 
- বাক্যতত্ত্ব
- অর্থতত্ত্ব
অর্থতত্ত্ব - ব্যকরণের এই অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়। একে বাগর্থও বলে।
বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্‌ধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।

এছাড়াও- 

⇒ ধ্বনিতত্ত্ব - ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি। লিখিত ভাষায় ধ্বনি যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয় তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভূক্ত।
ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বাগ্‌যন্ত্র, বাগ্‌যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল প্রভৃতি।

⇒ রূপতত্ত্ব- শব্দ ও পদনির্মানের বিভিন্ন দিক ব্যকরণের এই অংশে আলোচিত হয়।
যেমন - বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়া বিশেষণ ইত্যাদি।

⇒ বাক্যতত্ত্ব - বাক্যের নির্মান ও গঠন এই অংশের আলোচ্য বিষয়। বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্ব তা বর্ণনা করে।
তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
কারক বিশ্লেষন, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতি বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।


উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
'নতুন' শব্দের 'ন' কোন ধরনের ব্যঞ্জন?
  1. ক) উষ্ম ব্যঞ্জন
  2. খ) পার্শ্বিক ব্যঞ্জন
  3. গ) নাসিক্য ব্যঞ্জন
  4. ঘ) স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
গ) নাসিক্য ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাসিক্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখের মধ্যে প্রথমে বাধা পায় এবং নাক ও মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়, সেসব ধ্বনিকে নাসিক্য ব্যঞ্জন বলে।

আরও কিছু উদাহরণ হলো: 
• মা শব্দের 'ম' হলো নাসিক্য ব্যঞ্জনের উদাহরণ।
• হাঙর শব্দের 'ঙ' হলো নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।