পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২ পার্ট-১) বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. শব্দপ্রকরণ (সমাস; উপসর্গ ও অনুসর্গ) ২. পদ-প্রকরণ (পদ ও এর শ্রেণিবিভাগ) ৩. বাক্য প্রকরণ (বাক্য ও বাক্যের প্রকারভেদ; বাক্য ও উক্তির পরিবর্তন; কারক ও বিভক্তি; বাচ্য ও বাচ্যের পরিবর্তন।) পার্ট-২) ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিকসমূহ: ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা। পার্ট-৩) মানসিক দক্ষতা টপিকসমূহ: ১. স্থানাঙ্ক সমস্যা (Space Relation): ২. সংখ্যাগত দক্ষতা (Numerical Ability)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক্রোড়পত্র
  2. চাবাগান
  3. খেলারমাঠ
  4. খেয়াঘাট
ব্যাখ্যা
• তৎপুরুষ সমাস:
সমাস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।

• অলুক তৎপুরুষ:
কিছু ক্ষেত্রে বিভক্তি লোপ পায় না, এসব তৎপুরুষ সমাসের নাম অলুক তৎপুরুষ।
যেমন:
-তেলে ভাজা = তেলেভাজা,
-গরুর গাড়ি = গরুরগাড়ি,
-খেলার মাঠ = খেলারমাঠ ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
• যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে যষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা:
- চায়ের বাগান = চাবাগান,
- রাজার পুত্র = রাজপুত্র,
- খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট,
- ক্রোড়ের পত্র = ক্রোড়পত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোনটি তৎসম উপসর্গ?
  1. খাস
  2. দুর
  3. দর
  4. ভর
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা:
প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

অন্যদিকে, 
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ: অ, অঘা, অজ, অনা, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
.
'গৌরবির ভেতরটা ভয়ে শুকিয়ে গেল।' বাক্যে 'ভয়ে' কোন কারক?
  1. অধিকরণ কারক
  2. কর্ম কারক
  3. করণ কারক
  4. অপাদান কারক
ব্যাখ্যা
• অপাদান কারক:
যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।

- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলো অপাদান কারক।
যেমন:
- বিচ্যুত: মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
- গৃহীত: দুধ থেকে দই হয়।
- জাত: খেজুর রসে গুড় হয়।
- বিরত: পাপে বিরত হও।

এরূপ,
- গৌরবির ভেতরটা ভয়ে শুকিয়ে গেল। 
[যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে। সুতরাং ভয়ে অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।] 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
দ্বন্দ্ব সমাসের দৃষ্টান্ত কোনটি?
  1. কাঁচা-মিঠা
  2. সোনারুপা
  3. গোলাপফুল
  4. লাঠালাঠি
ব্যাখ্যা
• দ্বন্দ্ব সমাস:
দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন:
- সোনা ও রুপা = সোনা-রুপা,
- তাল ও তমাল = তাল-তমাল,
- ভালো ও মন্দ = ভালো-মন্দ,
- মাতা ও পিতা = মাতাপিতা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• কর্মধারয় সমাস:
যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
গোলাপ নামের ফুল = গোলাপফুল। 
যা কাঁচা তাই মিঠা = কাঁচা-মিঠা।

• বহুব্রীহি সমাস:
যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- বউ ভাত পরিবেশন করে যে অনুষ্ঠানে = বউভাত। 
- লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে-
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. অনুসর্গ
  4. সর্বনাম
ব্যাখ্যা
• অনুসর্গ:
যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।

কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:
অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতো, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি পরিমাণবাচক বিশেষণ?
  1. অনেক
  2. তৃতীয়
  3. এক
  4. ৩৪তম
ব্যাখ্যা
• পরিমাণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পরিমাণ বা আয়তন বোঝায়, তাকে পরিমাণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:
আধা কেজি চাল, অনেক লোক এখানে 'আধা কেজি' ও 'অনেক' পরিমাণবাচক বিশেষণ।

অন্যদিকে,
------------------
• পূরণবাচক বিশেষণ:
যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বোঝায়, তাকে পূরণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন: তৃতীয় প্রজন্ম, ৩৪তম অনুষ্ঠান এখানে 'তৃতীয়' ও '৩৪তম' পূরণবাচক বিশেষণ।

• ক্রমবাচক বিশেষণ:
যে বিশেষণ দিয়ে ক্রমসংখ্যা বোঝায়, তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন: এক টাকা, আট দিন এখানে 'এক' ও 'আট' ক্রমবাচক বিশেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
.
লোকটি বললেন, "আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব।"- উক্তিটির পরোক্ষরূপ কোনটি?
  1. লোকটি বললেন যে, তিনি আগামীকাল সেখানে আবার যাবেন।
  2. লোকটি বললেন, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন।
  3. লোকটি বললেন যে, সে আগামীকাল সেখানে আবার যাবেন।
  4. লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন।
ব্যাখ্যা
• প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করার সময়ে কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন হয়।
যেমন-
প্রত্যক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন, "আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব।"
পরোক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
.
কর্তাবাচ্যের বাক্যকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তিত করতে হলে কর্তার সঙ্গে কোন অনুসর্গ যোগ করতে হয়?
  1. অথবা
  2. এবং
  3. কর্তৃক
  4. জন্য
ব্যাখ্যা
• কর্তাবাচ্য থেকে কর্মবাচ্যে রূপান্তর:
কর্তাবাচ্যের বাক্যকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তিত করতে হলে কর্তার সঙ্গে দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক ইত্যাদি অনুসর্গ যোগ করতে হয় এবং ক্রিয়ারূপকে কর্মের অনুসারী করতে হয়।
যেমন-
কর্তাবাচ্য: জাহানারা ইমাম একাত্তরের দিনগুলি রচনা করেছেন।
কর্মবাচ্য: জাহানারা ইমাম কর্তৃক একাত্তরের দিনগুলি রচিত হয়েছে।

কর্তাবাচ্য: তারা বাড়িটি তৈরি করেছে।
কর্মবাচ্য: তাদের দ্বারা বাড়িটি তৈরি হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
.
কোনটি কর্তাবাচ্যের উদাহরণ?
  1. সাহসী ছেলেটিকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
  2. কোথায় যাওয়া হচ্ছে?
  3. সে বাজারে যায়।
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বাক্যের প্রকাশভঙ্গিকে বাচ্য বলে। বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার ভূমিকা বদলে গিয়ে একই বক্তব্যের প্রকাশভঙ্গি আলাদা হয়ে যায়। ক্রিয়া কখনো কর্তাকে অনুসরণ করে, ক্রিয়া কখনো কর্মকে অনুসরণ করে, আবার ক্রিয়াই কখনো বাক্যের মধ্যে মুখ্য হয়ে ওঠে।
যেমন:
- সে বাজারে যায়।
- সাহসী ছেলেটিকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
- কোথায় যাওয়া হচ্ছে?

উপরের প্রথম বাক্যে 'যায়' ক্রিয়াটি 'সে' কর্তার অনুসারী সুতরাং বাক্যটি কর্তাবাচ্য।
• দ্বিতীয় বাক্যে 'করা হয়েছে' ক্রিয়াটি 'সাহসী ছেলেটিকে' কর্মের অনুসারী সুতরাং বাক্যটি কর্মবাচ্য।
• তৃতীয় বাক্যে 'যাওয়া হচ্ছে' ক্রিয়াই মুখ্য এটি ভাববাচ্যের উদাহরণ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
১০.
সাধারণ অনুসর্গের প্রয়োগ ঘটেছে নিচের কোন বাক্যে?
  1. বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
  2. ভালো করে খেয়ে নাও।
  3. এমন কাজ তোমার দ্বারা হবে না।
  4. মন দিয়ে লেখাপড়া করা দরকার।
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়াজাত অনুসর্গ:
যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।
যেমন:
- করে: ভালো করে খেয়ে নাও।
- থেকে: ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়।
- দিয়ে: মন দিয়ে লেখাপড়া করা দরকার।
- ধরে: বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
- বলে: তুমি সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছি।

• সাধারণ অনুসর্গ:
যেসব অনুসর্গ ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে তৈরি হয়, সেগুলোকে সাধারণ অনুসর্গ বলে।
যেমন:
- উপরে: মাথার উপরে নীল আকাশ।
- কাছে: কার কাছে গেলে জানা যাবে?
- জন্যে: হারানো ঘড়িটার জন্য অনেক কেঁদেছি।
- দ্বারা: এমন কাজ তোমার দ্বারা হবে না।
- বনাম: আজ বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১১.
'গলার সবর বেদনায় করুণ হয়ে এল।' এখানে 'বেদনায়' কোন কারক?
  1. কর্ম কারক
  2. করণ কারক
  3. অপাদান কারক
  4. অধিকরণ কারক
ব্যাখ্যা
• করণ কারক:
'করণ' শব্দটির অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলে।

- বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা-ই করণ কারক।
যেমন:
- নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ = কলম)।
- 'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়।' (উপায় = সাধনা)।
- 'এ সাবানে কাপড় কাচা চলবে না'। (উপকরণ = সাবান)।

এরূপ-
- গলার সবর বেদনায় করুণ হয়ে এল।
[গলার সবর কী উপায়ে করুণ হয়ে এল? প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'বেদনায়'। সুতরাং 'বেদনায়' করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।]

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা অ সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
বাংলাদেশের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. উষ্ণ, শুষ্ক এবং সমভাবাপন্ন
  2. উষ্ণ, আর্দ্র এবং বিষমভাবাপন্ন
  3. উষ্ণ, আর্দ্র এবং সমভাবাপন্ন
  4. শীতল, শুষ্ক এবং বিষমভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু (Climate of Bangladesh):
- বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র এবং সমভাবাপন্ন।
- দেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় এবং মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাব অধিক থাকায় সামগ্রিকভাবে এদেশের জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু বলা হয়।
- এখানকার জলবায়ুর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো মৌসুমী বায়ু।
- মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।
- বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার এবং গড় তাপমাত্রা ২৬° সেলসিয়াস।
- তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
- বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ হিসেবে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয় কোনটি?
  1. ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস
  2. কালবৈশাখী ও টর্নেডো
  3. হিমবাহ ধ্বস
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- হিমবাহ ধ্বস বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়। 

বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহ: 

- পৃথিবীর প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
- এদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রভৃতি কারণে প্রায় প্রতি বছরই কোনো না কোনো দুর্যোগে আক্রান্ত হয়।
- ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন, ক্ষয়ক্ষতি হয় সম্পদ ও জীবনের।
- বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস, কালবৈশাখী ও টর্নেডো, বন্যা, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, খরা, আর্সেনিক, ভূমিকম্প ও সুনামি অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও নিচের কোনটির জন্য এদের জলবায়ু ভিন্ন রকম?
  1. সমুদ্র থেকে দূরত্ব
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. সমুদ্রস্রোত
  4. উচ্চতা
ব্যাখ্যা
উচ্চতা (Altitude):
- সমুদ্র সমতল থেকে যতই উপরে ওঠা যায়, উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা ততই হ্রাস পায়।
- সাধারণত প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় প্রায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- এ উচ্চতার পার্থক্যের কারণে দুই জায়গা একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও একটি অপরটির চেয়ে ভিন্ন জলবায়ু ধারণ করে।
- যেমন- দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতার তারতম্যের জন্য এদের জলবায়ু ভিন্ন রকম।
- উচ্চতা বেশি হওয়াতে শিলং-এ দিনাজপুরের চেয়ে তাপমাত্রা কম হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৫.
বাংলাদেশ সরকারের কোন প্রতিষ্ঠানটি উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে?
  1. ব্র্যাক
  2. সিপিপি
  3. প্রশিকা
  4. রেড ক্রিসেন্ট
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি বা Cyclone Preparedness Programme (সিপিপি) প্রতিষ্ঠানটি উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে। 

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি বা Cyclone Preparedness Programme (সিপিপি): 
- ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড় এর পর দীর্ঘ দুই মাসের অধিক সময়কাল উপকূলীয় অঞ্চল পরিদর্শনের পর মিঃ হেগষ্ট্রম ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির’ রূপরেখা প্রণয়ন করেন।
- তদানীন্তন বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা, নোয়াখালী জেলা, বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) জেলা ও পটুয়াখালী জেলার মেটি ২৩ টি থানায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১,৯৭২ সালের আগস্ট মাসের মধ্যে ২৩ টি থানার ১৮৬ টি ইউনিয়নের আওতাধীন ১,৯২৭ টি ইউনিটের মোট ১৯,২৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক নির্বাচন কাজ সম্পন্ন হয়।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: 
- দুর্যোগে সারা প্রদানের সক্ষমতা বৃদ্ধি।
- দুর্যোগে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা।
- সমাজ কল্যাণে ও মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের দক্ষতা, স্পৃহা, অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি ও আত্মত্যাগী মনোভাব সৃষ্টি করা।
- দুর্যোগ প্রস্তুতি কার্যক্রম শক্তিশালী এবং উন্নয়ন করা।
- ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচীর স্বেচ্ছাসেবক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
- দুর্যোগে দ্রুত সারা প্রদানের জন্য বেতার যোগাযোগ শক্তিশালী করা।
- আবহাওয়ার সতর্ক সংকেত বোধগম্য ও প্রতিষ্ঠিত করা এবং ঘূর্ণিঝড় সংকেত এর সহিত সস্পৃক্ত জনসাধারণকে কার্যকরী সাড়া প্রদানে নিশ্চিত করা।

- সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কর্মরত বেসরকারি সংস্থাসমূহ যেমন- অক্সফাম, ডিজাস্টার, ফোরাম, কেয়ার বাংলাদেশ, কারিতাস, প্রশিকা, সিসিডিবি, বিডিপিসি (বাংলাদেশ দুর্যোগ প্রস্তুতি কেন্দ্র) ইত্যাদি সংস্থার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
- এছাড়া রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে রেডক্রিসেন্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
স্থলবায়ু বলতে নিচের কোনটিকে বোঝায়?
  1. দিনের বেলায় স্থলভাগ থেকে জলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়
  2. দিনের বেলায় জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়
  3. রাতের বেলায় স্থলভাগ থেকে জলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়
  4. রাতের বেলায় জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়
ব্যাখ্যা
সমুদ্র ও স্থলবায়ু (Sea and Land Breeze):
- দিনের বেলায় স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় বলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়; কিন্তু জলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় না বলে সেখানকার বায়ু উচ্চচাপযুক্ত হয়।
- ফলে তখন জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়। একে সমুদ্রবায়ু বলে।
- আবার রাত্রিকালে জলভাগের চেয়ে স্থলভাগ বেশি শীতল বলে স্থলভাগের বায়ু উচ্চচাপযুক্ত হয়।
- তখন স্থলভাগ থেকে জলভাগ বা সমুদ্রের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়। একে স্থলবায়ু বলে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থানের কারণে সমুদ্রবায়ু ও স্থলবায়ু নিয়মিত প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৭.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা
  2. দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূণর্বাসন নিশ্চিত করা
  3. পুনরুদ্ধার ব্যতীত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা
  4. দুর্যোগকালীন সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি হলো-
(ক) দুর্যোগকালীন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূণর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
ঋতু আশ্রয়ী বায়ু কোনটি?
  1. মৌসুমি বায়ু
  2. স্থানীয় বায়ু
  3. ভূমধ্যসাগরীয় বায়ু
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ঋতু আশ্রয়ী বায়ু: 
- ঋতুর সঙ্গে সঙ্গে দিক পরিবর্তন করে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে বলে ঋতু আশ্রয়ী বায়ু।
- এর মধ্যে রয়েছে মৌসুমি বায়ু। আরও রয়েছে ভূমধ্যসাগরীয় বায়ু।

স্থানীয় বায়ু (Local Wind):
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কিংবা তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূপৃষ্ঠের স্থানে স্থানে স্থানীয় বায়ুর উৎপত্তি হয়।
- রকি পর্বতের চিনুক (Chinook), ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল (Mistral), আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু (Pampero), আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা (Bora), উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো (Sirocco), আরব মালভূমির সাইমুম (Simoom), মিসরের খামসিন (Khamsin) ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু (Loo) কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৯.
বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার বিশেষ বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. মহাদেশীয় বায়ুপ্রবাহ
  2. উত্তরের বাতাস
  3. কালবৈশাখী ঝড়
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- এপ্রিল মাসে গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস এবং এটি বছরের উষ্ণতম মাস।
- বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার বিশেষ বৈশিষ্ট্য কালবৈশাখী ঝড়।
- এসময় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের প্রায় এক পঞ্চমাংশ সংঘটিত হয় এবং গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় ৫১ সেন্টিমিটার।
- এ ঋতুতে বাংলাদেশের দক্ষিণ দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুপ্রবাহ অধিক উত্তাপের ফলে উপরে উঠে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ুপ্রবাহের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়ে বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টি হয় যা কালবৈশাখী ঝড় নামে পরিচিত।
- কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে শিলাবৃষ্টিও হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য,
- উত্তরের বাতাস ও মহাদেশীয় বায়ুপ্রবাহ বাংলাদেশের শীতকালীন আবহাওয়ার বৈশিষ্ট্য। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের মানুষ জলবায়ু শরণার্থী হিসেবে প্রথম আক্রান্ত হবে?
  1. খরাপ্রবণ অঞ্চলের
  2. উপকূলীয় অঞ্চলের
  3. পাহাড়ি অঞ্চলের
  4. সোপান অঞ্চলের
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির প্রায় ২০ শতাংশ অধিবাসীর সরাসরি ভাগ্য বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
- এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠলে আবহাওয়ার প্রকৃতিই বদলে যাবে।
- সময়ে অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের শিকার হয়ে ফসল ডুবে যাবে, দুষিত হবে সুপেয় পানি ও লোনা পানি প্রবেশের ঝুঁকি বাড়বে, বনাঞ্চল ধ্বংস হবে, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা হ্রাস পাবে। 
- একই দেশের মানুষ অন্য অঞ্চলে হবে জলবায়ু শরণার্থী (Climate refugee)। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চলের মানুষ হবে প্রথম শিকার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২১.
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমাতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নয় কোনটি?
  1. বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত
  2. আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
  3. নদী খনন
  4. শস্য বহুমুখীকরণ
ব্যাখ্যা
প্রতিরোধ (Prevention):
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।
- তবে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহন, যেমন- বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত স্কুল ও ঘরবাড়ি নির্মাণ, নদী খনন ইত্যাদি বুঝায়।
- কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন যথেষ্ট ব্যয়বহুল, যা বাংলাদেশের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে বৈদেশিক সাহায্য ব্যতীত তৈরি করা কষ্টসাধ্য।
- অপরদিকে, অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ যেমন- দুর্যোগ মোকাবিলার প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম অপেক্ষাকৃত স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।

উল্লেখ্য,
- মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
শীতকালীন উদ্যান ফসলের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা কত?
  1. ৫° - ১৫° সেলসিয়াস
  2. ১০° - ২০° সেলসিয়াস
  3. ২০° - ৩০° সেলসিয়াস
  4. ৩০° - ৩৫° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
তাপমাত্রার প্রভাব:
- তাপমাত্রা শস্যের সার্বিক বৃদ্ধি সাধনে সবচেয়ে বেশী প্রভাব ফেলে।
- এই তাপমাত্রার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন শস্যকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- গ্রীষ্মকালীন বা খরিফ শস্য এবং শীতকালীন বা রবি শস্য।
- শীতকালীন উদ্যান ফসলের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা ২০° - ৩০° সেলসিয়াস।
- গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন উদ্যান ফসলের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা ৩০° - ৩৫° সেলসিয়াস। 
- পাতা জাতীয় শাক সবজির অধিক তাপে পাতায় সঞ্চিত শর্করার পরিমান কম হয়।
- অতিরিক্ত তাপে লেটুস ও পালংশাক দ্রুত ফুল উৎপন্ন করে।
- গোল আলু, মিষ্টি আলু, গাজর, মূলা, শাল গম ইত্যাদিতে অতিরিক্ত তাপে শর্করার সঞ্চয়ের পরিমান কম হয় বলে ফলন কম হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
বন্যার প্রভাবে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. সম্পদহানি
  2. ফসল উৎপাদন হ্রাস
  3. রোগ-ব্যাধির বিস্তার
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বন্যার প্রভাব:
- বন্যার ফলে বহুমুখী ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।
- যেমন-সম্পদহানি, ফসল উৎপাদন হ্রাস, উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষিজমি লবণাক্ত হওয়া, রোগ-ব্যাধির বিস্তার, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়া, সুপেয় পানির সংকট, খাদ্য ও পুষ্টির অভাব প্রভৃতি।
- বিগত অর্ধশতাব্দীর কিছু বেশি সময়ে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ভয়াবহ বন্যা সংঘটিত হয়।
- এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৫৪, ১৯৬৩, ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০৪, ২০০৭ সালের বন্যা।
- ১৯৯৮ সালের বন্যা ছিল সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এবং দেশের অধিকাংশ জেলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
চা চাষের উপযোগী তাপমাত্রা হচ্ছে -
  1. ৬° থেকে ৭° সেলসিয়াস
  2. ১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস
  3. ২৬° থেকে ২৭° সেলসিয়াস
  4. ২০° থেকে ৩৭° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
চা (Tea):
- অর্থকরী ফসলের মধ্যে চা অন্যতম।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত চা-এর কিছু অংশ বিদেশে রপ্তানি হয়।
- পানি নিষ্কাশনবিশিষ্ট ঢালু জমিতে চা ভালো হয়।
- চা চাষের জন্য ছায়া প্রয়োজন তাই বাগানের মাঝে মাঝে ছায়াবৃক্ষ রয়েছে।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেটে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে।
- এছাড়াও চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে চা চাষ করা হয়।

নিয়ামক :
- তাপমাত্রা: চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু প্রয়োজন। ১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা চা চাষের উপযোগী।
- বৃষ্টিপাত: চা চাষের জন্য ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন।
- মৃত্তিকা: উর্বর লৌহ ও জৈব পদার্থ মিশ্রিত দোঁআশ মাটিতে চা চাষ ভালো হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে কী বলে?
  1. ঘূর্ণিবলয়
  2. বৃত্ত
  3. চোখ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড়:
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।
- ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্র পৃষ্ঠে সাধারণত ২৭° সেলসিয়াস বা এর বেশি তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- এসময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়।
- এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়।
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠে উৎপত্তি লাভ করে মহাদেশীয় মূলভাগের দিকে অগ্রসর হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে।
- এটি দেখতে অনেকটা মানুষের চোখের মতো।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
E, I, L, M, P, R, T, V বর্ণগুলোর মধ্যে কয়টিকে আয়নায়ও একই দেখাবে?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: E, I, L, M, P, R, T, V বর্ণগুলোর মধ্যে কয়টিকে আয়নায়ও একই দেখাবে?

সমাধান:
ইংরেজি বর্ণমালায় বড় হাতের A, H, I, M, O, T, U, V, W, X ও Y অক্ষরগুলো আয়নায় ও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয় না।

∴ E, I, L, M, P, R, T, V বর্ণগুলোর মধ্যে I, M, T, V এই চারটি বর্ণকে আয়নায়ও একই দেখাবে
২৭.
যদি '+' অর্থ বিয়োগ, '-' অর্থ গুণ, '×' অর্থ ভাগ, এবং '÷' অর্থ যোগ হয় তবে, ৪ - ৪ + ৪ ÷ ৪ × ৪ = ?
  1. ২০
  2. ১৭
  3. ১৬
  4. ১৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি '+' অর্থ বিয়োগ, '-' অর্থ গুণ, '×' অর্থ ভাগ, এবং '÷' অর্থ যোগ হয় তবে, ৪ - ৪ + ৪ ÷ ৪ × ৪ = ? 

সমাধান: 
৪ - ৪ + ৪ ÷ ৪ × ৪
= ৪ × ৪ - ৪ + ৪ ÷ ৪ 
=  ৪ × ৪ - ৪ + ১
= ১৬ - ৪ + ১
= ১৩
২৮.
প্রদত্ত কোডটিকে পানিতে কেমন দেখাবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রদত্ত কোডটিকে পানিতে কেমন দেখাবে?

সমাধান:

সঠিক উত্তর ৩নং
২৯.
প্রশ্নবোধক স্থানে কত হবে?
  1. 85
  2. 82
  3. 81
  4. 79
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কত হবে?

সমাধান:
14 + 9 = 23
23 + 11 = 34
34 + 13 = 47
47 + 15 = 62
62 + 17 = 79

∴ প্রশ্নবোধক স্থানে 79 হবে।
৩০.
নয়ন তার অফিস থেকে বের হয়ে উত্তরদিকে ১০ মিটার হাঁটে, তারপর ডানদিকে ঘুরে ৫ মিটার হাঁটে, তারপর ডানদিকে ঘুরে ২ মিটার হাঁটে, তারপর বামদিকে ঘুরে ২ মিটার হাঁটে। সর্বশেষ নয়ন কোনদিকে মুখ করে হাঁটে?
  1. পূর্ব
  2. পশ্চিম
  3. উত্তর
  4. দক্ষিণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নয়ন তার অফিস থেকে বের হয়ে উত্তরদিকে ১০ মিটার হাঁটে, তারপর ডানদিকে ঘুরে ৫ মিটার হাঁটে, তারপর ডানদিকে ঘুরে ২ মিটার হাঁটে, তারপর বামদিকে ঘুরে ২ মিটার হাঁটে। সর্বশেষ নয়ন কোনদিকে মুখ করে হাঁটে?

সমাধান:

নয়ন ১০ মিটার উত্তর দিকে হেঁটে ডানদিকে অর্থাৎ পূর্বদিকে হাঁটে ৫ মিটার, আবার ডানদিকে ঘুরে অর্থাৎ দক্ষিণ দিকে হাঁটে ২ মিটার, তারপর বামদিকে ঘুরে অর্থাৎ পূর্ব দিকে ২ মিটার হাঁটে।

∴ সর্বশেষ নয়ন পূর্ব দিকে মুখ করে হাঁটে।
৩১.
১/২, ২/৩, ৩/৪, ৪/৫........ প্রদত্ত শ্রেণির দশম ভগ্নাংশ কত?
  1. ৯/১০
  2. ১০/১১
  3. ১১/১০
  4. ১০/৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১/২, ২/৩, ৩/৪, ৪/৫........ প্রদত্ত শ্রেণির দশম ভগ্নাংশ কত? 

সমাধান: 
প্রথম ভগ্নাংশের লব = ১, হর = ২
২য় ভগ্নাংশের লব = ২, হর = ৩
৩য় ভগ্নাংশের লব = ৩, হর = ৪

একই ভাবে,
n তম ভগ্নাংশের লব = n, হর = n + 1 


∴দশম ভগ্নাংশের লব = ১০, হর = ১০ + ১ = ১১ 
৩২.
শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?
B, D, G, K, P, ____?
  1. U
  2. V
  3. W
  4. X
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?
B, D, G, K, P, ____?

সমাধান:
B
B + 2 = D
D + 3 = G
G + 4 = K
K + 5 = P
P + 6 = V
৩৩.
নিম্নের কোন সংখ্যাটি ব্যতিক্রম?
  1. ৫৯
  2. ৭৯
  3. ৮৭
  4. ৮৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিম্নের কোন সংখ্যাটি ব্যতিক্রম?

সমাধান:
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা: ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১, ৩৭, ৪১, ৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯, ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩, ৭৯, ৮৩, ৮৯, ৯৭

এখানে,
৫৯, ৭৯, ৮৯ তিনটিই মৌলিক সংখ্যা। 
৮৭ = ৩ × ২৯ , সুতরাং ৮৭ মৌলিক সংখ্যা নয়।

∴ ৮৭ সংখ্যাটি ব্যতিক্রম।
৩৪.
দুইটি সংখ্যার যোগফল ছোট সংখ্যাটির দ্বিগুণ অপেক্ষায় ৫ বেশি। বড় সংখ্যাটির ৫ গুণ ছোট সংখ্যাটির ৬ গুণের সমান। বড় সংখ্যাটি কত?
  1. ২০
  2. ২৫
  3. ৩০
  4. ৩৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার যোগফল ছোট সংখ্যাটির দ্বিগুণ অপেক্ষায় ৫ বেশি। বড় সংখ্যাটির ৫ গুণ ছোট সংখ্যাটির ৬ গুণের সমান। বড় সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
মনে করি,
ছোট সংখ্যাটি ”ক”
∴ সংখ্যা দুটির যোগফল = ২ক + ৫

∴ বড় সংখ্যাটি = ২ক + ৫ - ক = ক + ৫

প্রশ্নমতে,
৫(ক + ৫) = ৬ক
⇒ ৫ক + ২৫ = ৬ক
⇒ ৬ক - ৫ক = ২৫
∴ ক = ২৫

∴ বড় সংখ্যা = (২৫ + ৫) = ৩০
৩৫.
যদি 'MASTER’ দিয়ে 'AEMRST' এবং 'FINGER' দিয়ে 'EFGINR’ বোঝায়, তাহলে 'PUBLIC' দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?
  1. CBIPLU
  2. UPCIBL
  3. BCILPU
  4. LICPBU
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি 'MASTER’ দিয়ে 'AEMRST' এবং 'FINGER' দিয়ে 'EFGINR’ বোঝায়, তাহলে 'PUBLIC' দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?

সমাধান: 

M ⇒ 13, A ⇒ 1, S ⇒ 19, T ⇒ 20, E ⇒ 5, R ⇒ 18
এখানে 
বর্ণগুলোর অবস্থানগত মানকে মানের ঊর্ধক্রমে সাজিয়ে পাই 
A ⇒ 1, E ⇒ 5, M ⇒13, R ⇒18, S ⇒ 19, T ⇒ 20
MASTER = AEMRST

একইভাবে 
FINGER = EFGINR


P ⇒ 16, U ⇒ 21, B ⇒ 2, L ⇒ 12, I ⇒ 9, C ⇒ 3
B ⇒ 2, C ⇒ 3, I ⇒ 9, L ⇒ 12, P ⇒ 16, U ⇒ 21

∴ PUBLIC = BCILPU
৩৬.
ছাত্রদের সারিতে সিফাত বামদিক থেকে ১৫তম এবং ডানদিক থেকে ১৭তম । ঐ সারিতে কতজন ছাত্র আছে?
  1. ২৯ জন
  2. ৩০ জন
  3. ৩১ জন
  4. ৩২ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ছাত্রদের সারিতে সিফাত বামদিক থেকে ১৫তম এবং ডানদিক থেকে ১৭তম । ঐ সারিতে কতজন ছাত্র আছে?

সমাধান:
বামদিক থেকে ১৫তম , অর্থাৎ তার বামদিকে ১৪ জন ছাত্র আছে ।
ডানদিক থেকে ১৭তম , অর্থাৎ তার ডানদিকে ১৬ জন ছাত্র রয়েছে।

∴ মোট ছাত্র = ১৪ + ১৬ + ১ = ৩১ জন
৩৭.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
9 : 17 : : 36 : ?
  1. 33
  2. 37
  3. 50
  4. 41
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
9 : 17 : : 36 : ?

সমাধান: 
9 : 17 = 32 : (3 + 1)2 + 1

এখানে 
সম্পর্কটি হলো x2 : (x + 1)2 + 1

একই নিয়মে = 62 : (6 + 1)2 + 1 
= 36 : 50
৩৮.
তিনটি সংখ্যার গুণফল ৩৭৮। দুইটি সংখ্যা ৬ ও ৭ হলে তৃতীয় সংখ্যাটি কত?
  1. ১১
  2. ১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তিনটি সংখ্যার গুণফল ৩৭৮। দুইটি সংখ্যা ৬ ও ৭ হলে তৃতীয় সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
মনেকরি
তৃতীয় সংখ্যাটি = ক 

প্রশ্নমতে,
৫ × ৭ × ক = ৩৭৮
⇒ ক = ৩৭৮/(৬ × ৭)
∴ ক = ৯
৩৯.
একজন ব্যক্তি 2 কি.মি. পূর্ব দিকে গেল এরপর 6 কি.মি. উত্তর দিকে গেল আবার 6 কি.মি. পূর্ব দিকে গেল। যাত্রাস্থান থেকে তার সরাসরি দূরত্ব কত?
  1. 9 কি.মি.
  2. 10 কি.মি.
  3. 12 কি.মি.
  4. 15 কি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি 2 কি.মি. পূর্ব দিকে গেল এরপর 6 কি.মি. উত্তর দিকে গেল আবার 6 কি.মি. পূর্ব দিকে গেল। যাত্রাস্থান থেকে তার সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান:

যাত্রা স্থান A এবং গন্তব্য স্থান D 
∴ সরাসরি দূরত্ব AD = √(AE2 + DE2)
= √(82 + 62)
= √(64 + 36)
= √100
= 10
৪০.
১৫, ২০, ৩০, ৫০, ৯০, __ ধারাটির পরবর্তী পদটি কত?
  1. ১৫০
  2. ১৫৮
  3. ১৭০
  4. ১৮৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৫, ২০, ৩০, ৫০, ৯০, __ ধারাটির পরবর্তী পদটি কত?

সমাধান:
এখানে,
১ম পদ = ১৫
২য় পদ = ১৫ + (৫ × ১) = ২০
৩য় পদ = ২০ + (৫ × ২) = ৩০
৪র্থ পদ = ৩০ + (৫ × ৪) = ৫০
৫ম পদ = ৫০ + (৫ × ৮) = ৯০
৬ষ্ঠ পদ = ৯০ + (৫ × ১৬) = ১৭০