১.
রাষ্ট্র একটি -
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- পৃথিবীর সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটল বলেছেন, ‘কতিপয় গ্রাম ও পরিবারের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সংগঠনই রাষ্ট্র’।
- অধ্যাপক গার্নারের সংঙ্গায় রাষ্ট্রের প্রকৃত রূপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট ভূখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত, স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।
রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনীয় উপাদান গুলি হল নিম্নরূপ:-
১) জনসমষ্টি: রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান হলো জনসমষ্টি। কারণ জনসমষ্টি ছাড়া রাষ্ট্রের কোন অস্তিত্ব থাকে না। তবে জনসমষ্টি কত হতে হবে তা নির্দিষ্ট করে কোথাও বলা হয়নি। চীন ও ভারতের মতো বহু জনসমষ্টি ব্রিটিশ রাষ্ট্রের অস্তিত্ব যেমন লক্ষ্য করা যায় তেমনি ভাটিকান সিটির মতো অল্প সংখ্যা বিশিষ্ট রাষ্ট্রেরও উল্লেখ পাওয়া যায়।
২) নির্দিষ্ট ভূখন্ড: রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান হলো নির্দিষ্ট ভূখন্ড। ভৌগলিক সীমারেখা দ্বারা আবদ্ধ একটি অঞ্চল কে নির্দিষ্ট ভূখন্ড বলা হয়। নির্দিষ্ট ভূখন্ড ছাড়া একটি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য ইহুদিদের যতদিন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট ভূখন্ড ছিলনা, ততদিন পর্যন্ত তারা নিজেদের রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারেনি। ভূখন্ড বলতে জল, স্থল ও আকাশ তিনটি সীমাকেই একত্রে বোঝায়।
৩) সরকার: রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান হলো সরকার। সরকার হল রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক। কারণ সরকার ছাড়া কোনো রাষ্ট্র তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনা। আবার মানব শরীরকে যেমন মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করে তেমনি রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। সরকার বলতে বোঝায় শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগকে। সরকারের বিভিন্ন রূপ হতে পারে। যথা-
ক) গণতান্ত্রিক সরকার,
খ) প্রজাতান্ত্রিক সরকার,
গ)সমাজতান্ত্রিক সরকার।
৪) সার্বভৌমিকতা: সরকারকে যদি রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক বলে উল্লেখ করা হয় তাহলে সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের প্রাণ। সার্বভৌমিকতা বলতে রাষ্ট্রের চূড়ান্ত ক্ষমতা কে বোঝায়। এই সার্বভৌমিকতার নির্দেশে-ই হলো আইন। যাকে আমরা অমান্য করতে পারবোনা। সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের চরম অসীম অবিভাজ্য ও অহস্তান্তরযোগ্য ক্ষমতা।
সূত্র- রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- পৃথিবীর সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটল বলেছেন, ‘কতিপয় গ্রাম ও পরিবারের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সংগঠনই রাষ্ট্র’।
- অধ্যাপক গার্নারের সংঙ্গায় রাষ্ট্রের প্রকৃত রূপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট ভূখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত, স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।
রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনীয় উপাদান গুলি হল নিম্নরূপ:-
১) জনসমষ্টি: রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান হলো জনসমষ্টি। কারণ জনসমষ্টি ছাড়া রাষ্ট্রের কোন অস্তিত্ব থাকে না। তবে জনসমষ্টি কত হতে হবে তা নির্দিষ্ট করে কোথাও বলা হয়নি। চীন ও ভারতের মতো বহু জনসমষ্টি ব্রিটিশ রাষ্ট্রের অস্তিত্ব যেমন লক্ষ্য করা যায় তেমনি ভাটিকান সিটির মতো অল্প সংখ্যা বিশিষ্ট রাষ্ট্রেরও উল্লেখ পাওয়া যায়।
২) নির্দিষ্ট ভূখন্ড: রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান হলো নির্দিষ্ট ভূখন্ড। ভৌগলিক সীমারেখা দ্বারা আবদ্ধ একটি অঞ্চল কে নির্দিষ্ট ভূখন্ড বলা হয়। নির্দিষ্ট ভূখন্ড ছাড়া একটি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য ইহুদিদের যতদিন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট ভূখন্ড ছিলনা, ততদিন পর্যন্ত তারা নিজেদের রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারেনি। ভূখন্ড বলতে জল, স্থল ও আকাশ তিনটি সীমাকেই একত্রে বোঝায়।
৩) সরকার: রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান হলো সরকার। সরকার হল রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক। কারণ সরকার ছাড়া কোনো রাষ্ট্র তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনা। আবার মানব শরীরকে যেমন মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করে তেমনি রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। সরকার বলতে বোঝায় শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগকে। সরকারের বিভিন্ন রূপ হতে পারে। যথা-
ক) গণতান্ত্রিক সরকার,
খ) প্রজাতান্ত্রিক সরকার,
গ)সমাজতান্ত্রিক সরকার।
৪) সার্বভৌমিকতা: সরকারকে যদি রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক বলে উল্লেখ করা হয় তাহলে সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের প্রাণ। সার্বভৌমিকতা বলতে রাষ্ট্রের চূড়ান্ত ক্ষমতা কে বোঝায়। এই সার্বভৌমিকতার নির্দেশে-ই হলো আইন। যাকে আমরা অমান্য করতে পারবোনা। সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের চরম অসীম অবিভাজ্য ও অহস্তান্তরযোগ্য ক্ষমতা।
সূত্র- রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।