পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes৩৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০: পার্ট – ১: বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: শব্দ প্রকরণ (শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু, প্রকৃতি - প্রত্যয়; ক্রিয়ার কাল ও এর প্রয়োগ) পার্ট – ২: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি: [গুরুত্বপূর্ণ মহাদেশ, দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়ার, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাপান প্রভৃতি) ইত্যাদি সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য] ২. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক: নিরাপত্তা ও কূটনীতি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিসমূহ [অর্থনৈতিক ও পরিবেশ সংক্রান্ত চুক্তি বাদে] পার্ট-৩: সাধারণ বিজ্ঞান টপিকসমূহ: জীববিজ্ঞান: ১. পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, উদ্ভিদ টিস্যু, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি ও পরাগায়ন ইত্যাদি। ২. প্রাণিজগৎ ও প্রাণিবিজ্ঞান, জেনেটিক্স, জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন, প্রাণী টিস্যু, প্রাণী অর্গান ও অর্গান সিস্টেম, মানব হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
কোনটি প্রত্যয়, বিভক্তি বা উপসর্গ যুক্ত নয়?
  1. ক) পরিচালক
  2. খ) ফিসফিস
  3. গ) হাত
  4. ঘ) নয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) হাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাত
ব্যাখ্যা
• মৌলিক শব্দে প্রত্যয়, বিভক্তি বা উপসর্গ যুক্ত থাকে না। এ শব্দ বিশ্লেষণে কোন অর্থপূর্ণ অংশ থাকে না।  
উদাহরণ- গোলাপ, হাত, পুষ্প, পরাগ ইত্যাদি।

‘ফিসফিস’ সাধিত শব্দ। মৌলিক শব্দ বা ধাতুর সাথে প্রত্যয়, উপসর্গ যোগে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়। যেমন - পরিচালক, গরমিল, সংসদ সদস্য, নীলাকাশ ইত্যাদি।
শব্দের দ্বিত্ব করেও সাধিত শব্দ গঠিত হয়। যেমন - ফিসফিস, ধুমাধুম ইত্যাদি।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি ।(নবম -দশম )
.
একাধারে ধ্বনি ও শব্দ কোনটি?
  1. ক) অ
  2. খ) ই
  3. গ) ও
  4. ঘ) আ
সঠিক উত্তর:
গ) ও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ও
ব্যাখ্যা
এ, ও, ঐ ইত্যাদি এককভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে বলে এগুলো একাধারে ধ্বনি ও শব্দ ।

উৎস : অশোক মুখোপাধ্যায়, সংসদ ব্যাকরণ অভিধান, ১৯৯৯ এবং ভাষা-শিক্ষা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ। 
.
বাংলা ভাষা কোন দুটি শব্দ গ্রহণ করেছে পর্তুগিজ ভাষা থেকে?
  1. ক) কুলি, তোপ
  2. খ) তুরুপ, রুইতন
  3. গ) পেঁপে, বালতি
  4. ঘ) আজব, আতর
সঠিক উত্তর:
গ) পেঁপে, বালতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেঁপে, বালতি
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় একশো থেকে একশো দশটির মত পর্তুগিজ শব্দ রয়েছে
পেঁপে পর্তুগিজ এ ছিল ‘পপইঅ’
‘বালতি’ ছিল ‘বল্‌দে’ । 
পর্তুগিজ শব্দ : আচার, আয়া , আলমারি, আলকাতরা, ইস্পাত, কেরানি, গির্জা, গুদাম, চাবি ইত্যাদি।
তুর্কি শব্দ : কুলি, কোর্মা, খাতুন, তোপ, বেগম, লাশ ইত্যাদি।
ওলন্দাজ শব্দ :তুরুপ, রুইতন, হরতন, টেক্‌কা ইত্যাদি।
আরবি শব্দ : আজব, আতর, আক্কেল, আমল, আমানত, কবর, কেবলা, কিস্তি, কুদরত, হামলা, হারাম, হাল ইত্যাদি। 

উৎস : ভাষা-শিক্ষা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ। 
.
ফারসি- আরবির মিশ্রণ শব্দ কোনটি?
  1. ক) খাতা
  2. খ) কেতা-দুরস্ত
  3. গ) কাবাব-চিনি
  4. ঘ) বজ্জাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) বজ্জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বজ্জাত
ব্যাখ্যা
‘বজ্জাত’ ফারসি-আরবির মিশ্রিত শব্দ। অনেকগুলো ফারসি -আরবির মিশ্রিত শব্দ বাংলা ভাষায় রয়েছে, যেমন -  
আবহাওয়া, আজগুবি, খুন-খারাপ, খুবসুরত, খোশমেজাজ, গরম মশলা, জবরদখল, নিমক -হারাম,বজ্জাত ইত্যাদি।
‘কেতা-দুরস্ত’, ‘খাতা’, আরবি - ফারসির মিশ্রণ।
‘ কাবাব - চিনি’ আরবি -চিনার মিশ্রণ।

উৎস : ভাষা-শিক্ষা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘টিন’ কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) পর্তুগিজ
  2. খ) গুজরাটি
  3. গ) তুর্কি
  4. ঘ) ইংরেজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইংরেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইংরেজি
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় ইংরেজি ভাষা থেকে আগত অনেক শব্দ রয়েছে। যার প্রচুর  ব্যবহার রয়েছে আমাদের আমদের ভাষায়। ‘টিন’ শব্দটি ইংরেজি থেকে আগত।
এছাড়াও , 
অফিস,আর্ট, এজেন্ট, কফি, কমা, কলেজ , ফোন, ফুটবল ,মাস্টার, সিনেমা, স্কুল, শার্ট ইত্যাদি শব্দ রয়েছে ইংরেজি থেকে আগত ।
পর্তুগিজ শব্দ : সাবান, বারান্দা, আচার, আয়া, আলমারি, আলকাতরা, ইস্পাত, কেরানি, গির্জা, গুদাম, চাবি ইত্যাদি।
তুর্কি শব্দ : কুলি, কোর্মা, খাতুন, তোপ, বেগম, লাশ,  ইত্যাদি।
গুজরাটি : খদ্দর , তকলি , হরতাল ।

উৎস : ভাষা-শিক্ষা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ।
.
বাংলা ভাষার শব্দ ভাণ্ডারে দেশি শব্দের ব্যবহার শতকরা -
  1. ক) ২৫%
  2. খ) ২%
  3. গ) ৮%
  4. ঘ) ৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২%
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডারে দেশি শব্দের ব্যবহার শতকরা - ২%
বাংলা ভাষার শব্দের অনুপাত নির্ণয় করতে  গিয়ে ড. মুহাম্মদ এনামুল হক মন্তব্য করেছেন , 
বর্তমান বাংলা ভাষায় শব্দ ব্যবহারে লেখকভেদে তারতম্য ঘটে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, জসীমউদ্‌দীন প্রমুখ শ্রেষ্ঠ লেখকের ভাষা বিশ্লেষণ করলে যে শাব্দিক অনুপাত পাওয়া  যায় :
-      তদ্ভব - ৬০%
-      তৎসম - ২৫%
-      অর্ধ - তৎসম -৫%
-      দেশি - ২% 
-      বিদেশি  - ৮%

উৎস : প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও প্রচলিত অর্থের মধ্যে পার্থক্য নেই কোন শব্দে?
  1. ক) যৌগিক
  2. খ) রূঢ়
  3. গ) যোগরূঢ়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) যৌগিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যৌগিক
ব্যাখ্যা
যৌগিক শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও প্রচলিত অর্থের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। অর্থাৎ একই রকম।
যেমন - বাংলা ‘মিতালি’ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ‘মিতার ভাব , বন্ধুত্ব’ ( ‘মিতা শব্দের পরে ‘ভাব’ - অর্থে তদ্ধিত প্রত্যয় ‘আলি’- যোগে ‘মিতালি’ হয়েছে ) ; শব্দটি এই অর্থেই ভাষায় ব্যবহৃত হয় ; অর্থাৎ ‘মিতালি’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ  ও ব্যবহারিক অর্থ একই। ফলে ‘মিতালি’ বাংলাতে যৌগিক শব্দ।
এরকম - গায়ক = গৈ + অক - যার অর্থ  হলো গান করে যে।

 উৎস : প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
‘দাম’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) জাপানি
  2. খ) ইতালি
  3. গ) চিনা
  4. ঘ) গ্রীক
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রীক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রীক
ব্যাখ্যা
ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে অন্য কিছু ভাষার শব্দ  বাংলা ভাষায় আসে। ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে ‘দাম’ শব্দটি গ্রীক ভাষা থেকে আগত হয়।
অন্যান্য ভাষা গুলো যা ইংরেজির মাধ্যমে আগত -
• অস্ট্রেলিয়া - ক্যাঙ্গারু 
• ইতালি - ম্যাজেন্টা
• জাপানি - ক্যারাটে , জুডো ,রিক্‌শা , হাসনাহেনা ইত্যাদি
• চিনা - চা ,চিনি , লিচু সাম্পান ইত্যাদি

উৎস : ভাষা-শিক্ষা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ।
.
বাংলা ধাতু কোনটি?
  1. ক) মাগ্‌
  2. খ) গম্‌
  3. গ) পঠ্‌
  4. ঘ) জান্‌
সঠিক উত্তর:
ঘ) জান্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জান্‌
ব্যাখ্যা
বাংলা ধাতু - জান্‌ 
ধাতু তিন প্রকার । যথা : 
-      মৌলিক ধাতু
-      সাধিত ধাতু
-      যৌগিক বা সংযোগ ধাতু
বাংলা ভাষার উৎস বিবেচনায় মৌলিক ধাতু কে তিনটি শ্রেনীতে ভাগ করা যায় ।যথা : 
-      সংস্কৃত ধাতু
-      বাংলা ধাতু 
-      বিদেশাগত ধাতু
●     যেসব ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে সেগুলো সংস্কৃত ধাতু ।যেমন - কৃ , গম্‌ , ধৃ, পঠ্‌, স্থা ইত্যাদি
●     যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসেনি বরং প্রাকৃতের মাধ্যমে তা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে সেগুলো বাংলা ধাতু । যেমন - কাট্‌, ফাঁদ্‌, জান্‌, নাচ্‌ ইত্যাদি।
●     বিদেশি ভাষা থেকে আগত যেসব ধাতু বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয় তাদের বিদেশি বা বিদেশাগত ধাতু বলে । যেমন - ভিক্ষে মেগে খায়, এ বাক্যে মাগ্‌ ধাতু হিন্দি ‘মাঙ্‌’ থেকে আগত।

উৎস : প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১০.
‘যা কিছু হারায় গিন্নি বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর’ - বাক্যে ‘হারা’ কোন ধাতুর উদাহরণ?
  1. ক) নাম ধাতু
  2. খ) অজ্ঞাতমুল ধাতু
  3. গ) প্রযোজক ধাতু
  4. ঘ) সংযোগমূলক ধাতু
সঠিক উত্তর:
গ) প্রযোজক ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রযোজক ধাতু
ব্যাখ্যা
‘যা কিছু হারায় গিন্নি বলেন , কেষ্টা বেটাই চোর’ - বাক্যে ‘হারা’ প্রযোজক ধাতুর উদাহরণ
• মৌলিক ধাতুর পরে প্রেরণার্থ ( অপরকে নিয়জিত করা অর্থে ) ‘আ’ প্রত্যয়যোগে প্রযোজক ধাতু গঠিত হয়। যেমন - কর্‌+ আ = করা। ( এখানে ‘করা’ একটি ধাতু )।
যেমন - যে নিজে করে না আর একজন কে দিয়ে করায়। 
• আবার, মৌলিক ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে কর্মবাচ্যের ধাতু সাধিত হয়। এটি বাক্য মধ্যস্থ কর্মপদের অনুসারী ক্রিয়ার ধাতু।
যেমন - 
‘যা কিছু হারায় গিন্নি বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর’।
বি,দ্র - ‘কর্মবাচ্যের ধাতু ‘ বলে আলদা নামকরণের প্রয়োজন নেই।কারন এটি প্রযোজক ধাতুরই অন্তর্ভুক্ত । যেমন - ‘হারা’ প্রযোজক ধাতু।

 উৎস : ভাষা-শিক্ষা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
কোনটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ?
  1. ক) থালা
  2. খ) গমন
  3. গ) মুসাফিরখানা
  4. ঘ) আণবিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) আণবিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আণবিক
ব্যাখ্যা
“আণবিক” - সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ
প্রত্যয় কে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায় ।যথা : 
-      কৃতৎ প্রত্যয় 
-      তদ্ধিত প্রত্যয়
কৃৎ প্রত্যয় কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায় -
-      বাংলা কৃৎ প্রত্যয় : বাংলা ক্রিয়ামুলের সঙ্গে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয় সেসব প্রত্যয়কে বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন - √কাঁদ্‌ + অন = কাঁদন
-      সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় : সংস্কৃত ক্রিয়ামূলের সঙ্গে  যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয় তাই সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় । যেমন - √গম্‌ + অন = গমন 
তদ্ধিত প্রত্যয় কে তিন ভাগে ভাগ করা যায় -
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় : সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় বাদে বাংলা ভাষার সকল তদ্ধিত প্রত্যয়কে 
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন -থাল + আ = থালা, চোর + আই = চোরাই।
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় :  সংস্কৃত শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাই     
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়। যেমন - অণু + ইক = আণবিক।
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় : শব্দের পরে যেসব যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন               
করে তাই বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেমন - মুসাফির + খানা = মুসাফিরখানা।

উৎস : প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১২.
‘ঘাতক’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কি?
  1. ক) √ঘাত্‌ + ক
  2. খ) √ঘাত +অক
  3. গ) √হন্‌ + অক
  4. ঘ) √হন্‌ + ক
সঠিক উত্তর:
গ) √হন্‌ + অক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) √হন্‌ + অক
ব্যাখ্যা
‘ঘাতক’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় - √হন্‌ + অক = ঘাতক
- বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত কৃদন্ত শব্দ ব্যবহৃত হয়।
- ধাতুর সঙ্গে অক - প্রত্যয় যোগে কর্তৃবাচক শব্দ গঠিত হয়।
যেমন -  
√নী + অক = নায়ক
√পাল্ + অক =পালক
√নিন্দ + অক = নিন্দক
√গৈ + অক = গায়ক
√পচ্+ অক = পাচক
√হিনস্ + অক = হিংসক 
√সেব্‌ + অক = সেবক
√খাদ্‌ + অক = খাদক।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১৩.
√বাঁচ্‌ + অন- কোন প্রত্যয়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) কৃৎ প্রত্যয়
  2. খ) বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
  3. গ) তদ্ধিত প্রত্যয়
  4. ঘ) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
√বাঁচ্‌ + অন - বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
বাংলা কৃৎ প্রত্যয়:
বাংলা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয় সেসব প্রত্যয়কে বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন - 
√কাঁদ্‌ + অন = কাঁদন ; √বাঁচ্‌ + অন = বাঁচন
বাংলা কৃৎ প্রত্যয় - 
√ ধর্+অ= ধর
√ মার্+অ= মার
অন্- প্রত্যয় : -
√ কাদ্+অন = কাঁদন
√ নাচ্ + অন = নাচন
√ বাড়ু+অন= বাড়ন
√ ঝুল্+অন = ঝুলন
√ দুল্+অন = দোলন
√খা+অন = খাওন
√ছা+অন = ছাওন
√ দে+অন = দেওন

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
১৪.
‘শ্রমী’ এর সঠিক প্রকৃতি - প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) শ্রম + ই
  2. খ) শ্রম + ইন
  3. গ) √শ্রম্‌ + ই
  4. ঘ) √শ্রম্‌ + ইন্‌
সঠিক উত্তর:
ঘ) √শ্রম্‌ + ইন্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) √শ্রম্‌ + ইন্‌
ব্যাখ্যা
‘শ্রমী’ এর সঠিক প্রকৃতি - প্রত্যয়- √শ্রম্‌ + ইন্‌
কৃৎ-প্রত্যয় যোগে শব্দ গঠন : সংস্কৃত 
ইন্‌ প্রত্যয় ( ইন্‌ ) + =ঈ- কার হয় ) 

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ( নবম - দশম শ্রেণী )
১৫.
তদ্ধিত প্রত্যয় এর সাথে কোন প্রকৃতি যুক্ত হয়?
  1. ক) ক্রিয়া প্রকৃতি
  2. খ) সান্ধ্য প্রকৃতি
  3. গ) নাম প্রকৃতি
  4. ঘ) নৈশ প্রকৃতি
সঠিক উত্তর:
গ) নাম প্রকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাম প্রকৃতি
ব্যাখ্যা
তদ্ধিত প্রত্যয় এর সাথে যুক্ত হয় নাম প্রকৃতি
শব্দের অন্তে যুক্ত হয়ে যে প্রত্যয় গঠিত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। অর্থাৎ নাম শব্দ বা সাধিত শব্দের অন্তে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়। যথা - 
-      কুশল + অ = কুশল। 
তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে যেসসব শব্দ গঠিত হয় সেগুলোকে বলে তদ্ধিতান্ত শব্দ। যেমন -
-       নগর + ইক = নাগরিক।

উৎস : ভাষা-শিক্ষা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও বিষয় বাংলা - ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
কালরূপ হয়না কোনটির -
  1. ক) সমাপিকা ক্রিয়া
  2. খ) মৌলিক ক্রিয়া
  3. গ) অসমাপিকা ক্রিয়া
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) অসমাপিকা ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অসমাপিকা ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
অসমাপিকা ক্রিয়ার কালরুপ হয় না।
●     ক্রিয়ামূল অর্থাৎ ধাতুর সঙ্গে কাল ( সময় ) ও পুরুষ জ্ঞাপক ( ক্রিয়া ) বিভক্তি যোগে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। 
-      সমাপিকা ক্রিয়ার ই কালররূপ হয়, অসমাপিকা ক্রিয়ার কালরুপ হয় না।
কারণ, অসমাপিকা ক্রিয়া সব  সময় অপরিবর্তিত  রূপে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস : ভাষা-শিক্ষা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ 
১৭.
ক্রিয়া কালের বিশিষ্ট প্রয়াগ কোনটি?
  1. ক) ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।
  2. খ) এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
  3. গ) দু - একদিনের মধ্যে সে আসবে।
  4. ঘ) আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছি।
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছি।
ব্যাখ্যা
• “আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছি” - ক্রিয়া কালের বিশিষ্ট প্রয়াগ

• অনেক সময় ক্রিয়াবিভক্তি যেই কালের হয়, ঘটনা সেই কালের হয় না। এগুলো ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ ।
নিচের বাক্য দুটির দিকে তাকানো যাক : 
- আমি গতবছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম 
- আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছি 
প্রথম বাক্যে ক্রিয়ার কাল অতীত এবং ক্রিয়া ঘটার সময় অতীতের। কিন্তু দ্বিতীয় বাক্যে ক্রিয়ার কাল বর্তমান কালের এবং ক্রিয়া ঘটার সময় অতীতের। দ্বিতীয় বাক্যটি ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়োগের নমুনা।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি ( নবম-দশম শ্রেণি )।
১৮.
ভাব বিশেষ্য এর উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) গোলাপ
  2. খ) পাপ
  3. গ) হাত
  4. ঘ) সভা
সঠিক উত্তর:
খ) পাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাপ
ব্যাখ্যা
ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যতার দিক থেকে সাধারণ বিশেষ্যকে দুটি উপশ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা : 

মূর্ত বিশেষ্য : এমন ব্যাক্তি বা বস্তুর নাম বোঝায় যা দেখা যায়, স্পর্শ করা, ঘ্রান নেওয়া কিংবা পরিমাপ করা যায় ।
যেমন -  গোলাপ, বাক্স, হাত ইত্যাদি।

ভাব বিশেষ্য : নির্বস্তুক অবস্থা, মনোগত ভাব বা গুনগত বৈশিষ্ট্য ইত্যাদির নাম বোঝায় ।
যেমন - আনন্দ, ইচ্ছা, শান্তি, ক্ষমা, পাপ, যুক্তি, রাগ ইত্যাদি।
- এ শ্রেণীর বিশেষ্যের সঙ্গে বহুবচন প্রয়োগ খুব স্বাভাবিক নয়।

উৎস : বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খন্ড)।
১৯.
Bayraktar TB2  কোন দেশের নির্মিত ড্রোন?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) ইরান
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
গ) তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা
- তুরস্কের বাইকার টেকনোলজি কোম্পানি ২০১৪ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে বায়রাক্টার টিবি-টু ড্রোন উৎপাদন ও বিক্রি করতে শুরু করে।
- কিন্তু সম্প্রতি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে এই ড্রোন বিশেষ নজর কেড়েছে।
- এছাড়া তুরস্কের কাছ থেকে বায়রাক্টার টিবি-টু ড্রোন কিনছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি এ নিয়ে ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী।
এ ড্রোনের সর্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ২২০ কিমি ।.
সর্বোচ্চ উচ্চতা ৭৬০০ মিটার ।

সুত্র: BBC.COM
২০.
কোন সাগরের তীরে ওডেসা বন্দর অবস্থিত?
  1. ক) আজভ সাগর
  2. খ) কৃষ্ণ সাগর
  3. গ) এজিয়ান সাগর
  4. ঘ) লোহিত সাগর
সঠিক উত্তর:
খ) কৃষ্ণ সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কৃষ্ণ সাগর
ব্যাখ্যা
- ওডেসা হলো ইউক্রেনের একটি বন্দরনগরী, যা রাজধানী কিয়েভ থেকে প্রায় ৪৪৩ কিমি দক্ষিণে কৃষ্ণ সাগরের তীরে অবস্থিত।।
- মারিওপোল ইউক্রেনের আরেকটি বন্দর নগরী যা আজভ সাগরের তীরে অবস্থিত।
- রাশিয়া ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদান কে কেন্দ্র করে ইউক্রেনে আক্রমণ করে। 

সূত্র: worldatlas.com & history.com
২১.
ইউক্রেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম কি?
  1. ক) ফন ডেয়ার লাইয়েন 
  2. খ) ডেনিস শ্মিহাল
  3. গ) ভোলোদমির জেলেনস্কি
  4. ঘ) ওলাফ শলৎস
সঠিক উত্তর:
খ) ডেনিস শ্মিহাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডেনিস শ্মিহাল
ব্যাখ্যা
- ডেনিস শ্মিহাল হলো বর্তমান ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি  ১৯৭৫ সালে লেভিভে জন্মগ্রহন করেন
- ভোলোদমির জেলেনস্কি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।
- ওলাফ শলৎস জার্মানির চ্যান্সেলর।
- ফন ডেয়ার লাইয়েন জার্মানির একজন রাজনীতিবিদ।

সুত্র: ইউক্রেনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট 
২২.
এককোষী জীবে কোণ ধরনের কোষ বিভাজন ঘটে?
  1. ক) মিয়োসিস
  2. খ) অ্যামাইটোসিস
  3. গ) মাইটোসিস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামাইটোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামাইটোসিস
ব্যাখ্যা
- এককোষী জীব যেমন- ইস্ট, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং অ্যামিবাতে অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটতে দেখা যায়।
- এককোষী জীবগুলো অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে থাকে।

অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজনের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১) প্রথমে মাতৃ নিউক্লিয়াসটি লম্বাটে ও ডাম্বেল আকৃতি ধারণ করে।
২) এরপর নিউক্লিয়াসটি ক্লিভেজ বা ফায়ারিং পদ্ধতির মাধ্যমে মাঝখানে সংকুচিত হয় এবং দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য
নিউক্লিয়াস গঠন করে।
৩) নিউক্লিয়াস বিভাজন এর সঙ্গে সঙ্গে কোষপর্দা ও সাইটোপ্লাজমীয় অংশ মাঝ বরাবর বিভাজিত হয় এবং নিউক্লিয়াসকে ঘিরে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে।

সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি ।
২৩.
মাইটোকন্ড্রিয়ায় কত ভাগ লিপিড?
  1. ক) ২৫ - ৩০%
  2. খ) ৪০ - ৫০%
  3. গ) ৬৫ - ৭০%
  4. ঘ) ৯০ - ৯৫%
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ - ৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ - ৩০%
ব্যাখ্যা
- মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গানু।
- শ্বসনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে।
- মাইটোকন্ড্রিয়ায় ৭৩% প্রোটিন, ২৫-৩০% লিপিড, সামান্য পরিমাণে ডিএনএ, আরএনএ, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।
- শক্তি উৎপাদনের সকল প্রক্রিয়া এর ভিতরে ঘটে থাকে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে 'পাওয়ার হাউস' বলা হয়।  

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
নিচের কোনটি ব্যাতিক্রম?
  1. ক) স্টার্চ
  2. খ) গ্লুকোজ
  3. গ) ল্যাকটোজ
  4. ঘ) সেলুলোজ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- স্টার্চ, ল্যাকটোজ এবং গ্লুকোজ মানুষ হজম করতে পারে, তবে সেলুলোজ মানুষ হজম করতে পারে না।
- অন্যদিকে গ্লুকোজ এক শর্করা বিশিষ্ট, অপশনের বাকিগুলো একাধিক শর্করা বিশিষ্ট।

[অপশনে দ্বৈত উত্তর আসায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]
২৫.
ডিএনএ এর নাইট্রোজেন বেস নয় কোনটি?
  1. ক) অ্যাডেনিন
  2. খ) গুয়ানিন
  3. গ) সাইটোসিন
  4. ঘ) ইউরাসিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরাসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরাসিল
ব্যাখ্যা
- জীনের রাসায়নিক গঠন উপাদান DNA।
- DNA তে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে।
- যথা- অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থায়ামিন।
- RNA তে ও চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে। 
- শুধু থায়ামিনের পরিবর্তে ইউরাসিল থাকে। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
২৬.
সাধারণত কত তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়?
  1. ক) ২৮০-৩০০ ন্যানোমিটার
  2. খ) ৩৫০-৪০০ ন্যানোমিটার
  3. গ) ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার
  4. ঘ) ৪৫০-৫০০ ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
- লাল, নীল, কমলা এবং বেগুনি অংশটুকুতেই সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় আর সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ  ভালো হয় না। 
- একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আলোর পরিমাণ বাড়লে সালোকসংশ্লেষণের হার বেড়ে যায়।
- কিন্তু আলোর পরিমাণ অত্যাধিক বেড়ে গেলে পাতার ভিতরকার এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরোফিল উৎপাদন কম হয়।
- এর ফলে সালোকসংশ্লেষণএর হার কমে যায়।
- সাধারণত ৪০০ -৪৮০ ন্যানোমিটার এবং ৬৮০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।  
২৭.
নিচের কোনটি ফ্লোয়েম টিস্যু নয়?
  1. ক) ভেসেল
  2. খ) সীভ নল
  3. গ) সঙ্গী কোষ
  4. ঘ) বাস্ট তন্তু
সঠিক উত্তর:
ক) ভেসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভেসেল
ব্যাখ্যা
ফ্লোয়েম টিস্যু:
- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করাই এদের কাজ।
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত। যথা- 
(A) সীভ নল, 
(B) সঙ্গী কোষ,
(C) ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং
(D) ফ্লোয়েম ফ্লাইবার বা বাস্ট তন্তু।
- এই ফ্লোয়েম টিস্যুর কাজ হলো- উদ্ভিদ দেহকে দৃঢ়তা প্রদান করে এবং কখনো কখনো খাদ্য পরিবহনে সহায়তা করে। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৮.
উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য কী?
  1. ক) স্টার্চ
  2. খ) গ্লাইকোজেন
  3. গ) প্রোটিন
  4. ঘ) ক্লোরোফিল
সঠিক উত্তর:
ক) স্টার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্টার্চ
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য স্টার্চ বা শ্বেতসার।
- উদ্ভিদ কোষে প্লাস্টিড থাকে।
- উদ্ভিদ কোষের কোষ প্রাচীর সেলুলোজ নির্মিত।
- এদের এক বা একাধিক কোন গহ্বর থাকে।
- প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
২৯.
হৃদপিন্ডকে রক্ত সরবারহ করে-
  1. ক) ইনমিনেট ধমনি
  2. খ) করোনারি ধমনি
  3. গ) পালমোনারি শিরা
  4. ঘ) পালমোনারি ধমনি
সঠিক উত্তর:
খ) করোনারি ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) করোনারি ধমনি
ব্যাখ্যা
করোনারি ধমনি: 
- হৃদপিন্ডের নিজের জন্যও পুষ্টি এবং অক্সিজেন প্রয়োজন। 
- এ চাহিদা পূরণ করা হয় করোনারি সংবহনের মাধ্যমে।
- সিস্টেমিক ধমনির গোড়া থেকে সৃষ্ট করোনারি ধমনির মাধ্যমে হৃদপিন্ডের প্রাচীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সংবাহিত হয়।
- হৃদপিন্ডের প্রাচীর থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত করোনারি শিরার মাধ্যমে ডান অলিন্দে প্রবেশ করে। 

ইনমিনেট ধমনি:
- এটি একটি খাটো ও মোটা ধমনি।
- এটি অভিন্ন কারোটিড ধমনি ও ডান সাবক্লেভিয়ান ধমনিতে বিভক্ত।

পালমোনারি ধমনি:
- দেহ থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত অক্সিজেনময় হওয়ার জন্য ফুসফুসে বহন করে।

পালমোনারি শিরা: 
- ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবারহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে। 

সূত্র: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৩০.
ধানের পরাগায়ন কিভাবে হয়?
  1. ক) কীটপতঙ্গের সাহায্যে
  2. খ) বৃষ্টির সাহায্যে
  3. গ) মৌমাছির সাহায্যে
  4. ঘ) বাতাসের সাহায্যে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাতাসের সাহায্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাতাসের সাহায্যে
ব্যাখ্যা
- যেসব ফুলের পরাগায়ন বায়ুর মাধ্যমে হয় তাদের বায়ুপরাগী ফুল বলে।
- বায়ুপরাগী ফুল হালকা এবং মধুগ্রন্থিহীন।
- এদের ফুলে সুগন্ধ নেই। 
- যেমন: ধান, গম, ভুট্টা, ইক্ষু ইত্যাদি। 
৩১.
জীবদেহে অতিরিক্ত গ্লুকোজ কোথায় সঞ্চিত হয়?
  1. ক) অগ্নাশয়
  2. খ) যকৃত
  3. গ) প্লিহা
  4. ঘ) পিত্তথলি
সঠিক উত্তর:
খ) যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যকৃত
ব্যাখ্যা
- যকৃত দেহের বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি।
- এটি ২টি খন্ডে বিভক্ত: ডান এবং বাম।
- প্রাণীদেহে বিপাকে ও অন্যান্য কিছু শরীরবৃত্তীয় কাজে যকৃত প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- ক্ষুদ্রান্ত থেকে হেপাটিক পোর্টাল শিরার মাধ্যমে গ্লুকোজ যকৃতে প্রবেশ করে।
- রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় গ্লাইকোজেনে রূপান্তরিত হয়ে যকৃতের সঞ্চয়ী কোষে জমা থাকে।

- যকৃতের সঞ্চয়ী ভূমিকা গুলো হল:
- গ্লাইকোজেনের সঞ্চয়
- রক্ত সঞ্চয়
- ভিটামিন সঞ্চয়
- খনিজদ্রব্য সঞ্চয়
- পিত্তরস সঞ্চয়
- লিপিড ও অ্যামিনো এসিড সঞ্চয়

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৩২.
নিচের কোন এনজাইমটি আন্ত্রিক রসে নেই?
  1. ক) মলটেজ
  2. খ) সুক্রেজ
  3. গ) ল্যাকটেজ
  4. ঘ) টায়ালিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টায়ালিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে।
- মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে।
- মিউসিন খাদ্য বস্তুর সাথে মিশ্রিত হয়ে খাদ্য বস্তুকে নরম ও পিচ্ছিল করে। 
- লালারসে টায়ালিন ও মলটেজ থাকে।
- পাকস্থলি রসে শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই।
- অগ্ন্যাশয় রসে অ্যমাইলেজ ও মলটেজ থাকে।
- আন্ত্রিক রসে অ্যমাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ।

সূত্র: প্রাণিবিদ্যা, এইচএসসি। 
৩৩.
নিচের কোনটি মলাস্কা পর্বের প্রাণী?
  1. ক) তারা মাছ
  2. খ) জোক
  3. গ) ঝিনুক
  4. ঘ) কাঁকড়া
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিনুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিনুক
ব্যাখ্যা
মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:
- সাধারণত দেহ নরম।
- দেহটি শক্ত খোলস দ্বারা আবৃত।
- পেশীবহুল পা দিয়ে চলাচল করে।
- ফুসফুস বা ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
- যেমন: শামুক, ঝিনুক। 

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান। 
৩৪.
পাতার যে কোষে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে? 
  1. ক) প্যারেনকাইমা
  2. খ) প্যালিসেড প্যারেনকাইমা
  3. গ) কোলেনকাইমা
  4. ঘ) স্ক্লেরেনকাইমা
সঠিক উত্তর:
খ) প্যালিসেড প্যারেনকাইমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যালিসেড প্যারেনকাইমা
ব্যাখ্যা
- প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ পত্ররন্ধ্র দ্বারা বাষ্পাকারে পানি নির্গত করে। 
- সাধারণত পাতার নিম্নত্বকে পত্ররন্ধ্র অবস্থান করে।
- বিষমপৃষ্ঠে পাতার উপরের ত্বকের দিকে থাকে প্যালিসেড প্যারেনকাইমা এবং নিচের ত্বকের দিকে থাকে স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা।
- পাতার প্যালিসেড কোষগুলোতে সালোকসংশ্লেষণ বেশি হয়। 

সূত্র: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।