পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলী - টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন। ১) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি ২) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ ৩) বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
ভাওয়াইয়া কোন অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) রংপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর
ব্যাখ্যা
ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত। রংপুর ও কুচবিহার জেলা এই গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গানের বিখ্যাত শিল্পী হলেন আব্বাসউদ্দীন আহমেদ।
- ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোক সংগীত হলো ভাটিয়ালি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
.
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ সিংহাসনে আরোহণ করেন কত সালে?
  1. ক) ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দে
  2. খ) ১৪৮১ খ্রিস্টাব্দে
  3. গ) ১৪৯০ খ্রিস্টাব্দে
  4. ঘ) ১৪৯৩ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪৯৩ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪৯৩ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
- বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে হুসেন শাহি বংশের শাসনামল ছিলো সবচেয়ে গৌরবময়। ১৪৯৩ সালে আলাউদ্দিন হুসেন শাহ এই বংশের শাসনামলের সূচনা করেন।
- তিনি ১৪৯৩ সাল থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বাংলা শাসন করেন। তাকে হুসেন শাহী বংশের শ্রেষ্ঠ সুলতান বিবেচনা করা হয়।
- হাবসি শাসনে বিপর্যস্ত বাংলায় তিনি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন। ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত হুসেন শাহি বংশ বাংলা শাসন করে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত হয় কখন?
  1. ক) আঠারো শতকের শেষার্ধে
  2. খ) উনিশ শতকের প্রথমার্ধে
  3. গ) উনিশ শতকের শেষার্ধে
  4. ঘ) আঠারো শতকের প্রথমার্ধে
সঠিক উত্তর:
খ) উনিশ শতকের প্রথমার্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উনিশ শতকের প্রথমার্ধে
ব্যাখ্যা
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- এই আন্দোলনের কেন্দ্র ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল।
- ১৮৪০ সালে শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেন।
- ১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
.
বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা প্রথম কোথায় উত্তোলন করা হয়?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বটতলায়
  2. খ) পল্টন ময়দানে
  3. গ) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে
  4. ঘ) বৈদ্যনাথতলায়
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বটতলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বটতলায়
ব্যাখ্যা
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৩শে মার্চ ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনসহ দেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি মানচিত্র ব্যতীত বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকা গৃহিত হয়।
- এটির ডিজাইনার ছিলেন পটুয়া কামরুল হাসান।
- পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে নিউক্লিয়াসের সদস্যরা তৈরি করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
.
কোন প্রেক্ষাপটে একুশ দফা প্রণীত হয়েছিলো?
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
  3. গ) শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) সত্তরের নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- এর প্রথম দফা বা দাবী ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
বাঙালির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত-
  1. ক) ছয় দফা
  2. খ) এগারো দফা
  3. গ) উনিশ দফা
  4. ঘ) একুশ দফা
সঠিক উত্তর:
ক) ছয় দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ছয় দফা
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১ জুলাই ১৯৭১
  2. খ) ১ আগস্ট ১৯৭১
  3. গ) ১ অক্টোবর ১৯৭১
  4. ঘ) ১ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
খ) ১ আগস্ট ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ আগস্ট ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ারে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের শরনার্থীদের সহায়তা করা।
- এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিখ্যাত ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশংকর।
- তার আহবানে সাড়া দিয়ে মার্কিন ব্যান্ডদল বিটলসের জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান, রিঙ্গো স্টার প্রমুখ এই কনসার্টে অংশগ্রহণ করেন।
- বাংলাদেশের আকবর আলী খাঁ, তবলাবাদক ওস্তাদ আল্লারাখা প্রমুখ এতে যুক্ত ছিলেন।
(তথ্যসূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)
.
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে কবে সাংবিধানিক বৈধতা প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৭৯ সালে
  3. গ) ১৯৮০ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মুশতাক আহমেদ কুখ্যাত ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করেন।
- এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে না মর্মে ঘোষণা দেয় হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে গৃহিত সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে জিয়াউর রহমান সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা প্রদান করে।
- পরবর্তীতে, ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে। যার ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার করা সম্ভব হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
ক্র্যাক প্লাটুন কত নং সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ক) ১ নং সেক্টর
  2. খ) ২ নং সেক্টর
  3. গ) ৩ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ২নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশারফের উদ্যোগে এই গেরিলা বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল)
১০.
Bangladesh Rice Research Institute কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৬৬ সালে
  2. খ) ১৯৬৮ সালে
  3. গ) ১৯৭০ সালে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
- Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BRRI বর্তমান পর্যন্ত ধানের মোট ১০৬টি আধুনিক জাত উদ্ভাবন করেছে।
(তথ্যসূত্রঃ Bangladesh Rice Research Institute ওয়েবসাইট)
১১.
শালবন কী ধরনের বনভূমি?
  1. ক) সরলবর্গীয়
  2. খ) পর্ণমোচী
  3. গ) চিরহরিৎ
  4. ঘ) স্রোতজ
সঠিক উত্তর:
খ) পর্ণমোচী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পর্ণমোচী
ব্যাখ্যা
- শালবন একটি পর্ণমোচী বা পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। অর্থাৎ শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝড়ে যায়।
- শাল বা গজারি এই বনের প্রধান বৃক্ষ।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকা জুড়ে শালবন বিস্তৃত।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১২.
নিচের কোনটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ?
  1. ক) তেলসুর
  2. খ) গরান
  3. গ) আকাশি
  4. ঘ) গজারি
সঠিক উত্তর:
খ) গরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গরান
ব্যাখ্যা
- ম্যানগ্রোভ হলো সমুদ্র উপকূলের লোনা পানিতে জন্মানো উদ্ভিদ। এসব উদ্ভিদের শ্বাসমূল থাকে।
- বাংলাদেশের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
এ বনে জন্মানো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সুন্দরী
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- গোলপাতা ইত্যাদি।
-অন্যদিকে,
- গজারী বা শাল, তেলসুর ও আকাশি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ নয়।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
১৩.
নিচের কোন জেলায় স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রচলিত জুম চাষ পদ্ধতি ‘সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি’ নামে পরিচিত। এটি হলো এক প্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে কৃষি জমি প্রস্তুত করে চাষ করা হয়। কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর তা ছেড়ে অন্যত্র চাষ করা হয়।
- বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে এরূপ চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৪.
দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) পিরোজপুর
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা
ব্যাখ্যা
- খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র।
- বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।
(তথ্যসূত্র: খুলনা ও ময়মনসিংহ জেলা ওয়েবসাইট এবং বিডিনিউজ)
১৫.
Bangladesh Economic Zones Authority গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৯২ সালে
  3. গ) ২০১০ সালে
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
- Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA) ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর গঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিবন্ধন প্রদান করা।
- বেজার অধীনে দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সর্ববৃহৎ হলো চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলা জুড়ে বিস্তৃত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরী।
(তথ্যসূত্রঃ বেজা ওয়েবসাইট)
১৬.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ঘ) ওমান
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট ২৪.৭৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।
দেশ অনুযায়ী রেমিট্যান্স প্রবাহের শীর্ষ উৎস:
- প্রথম : সৌদি আরব (৫৭২.১৪ কোটি মা. ডলার)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৩৪৬.১৬ কোটি মা. ডলার)
- তৃতীয় : সংযুক্ত আরব আমিরাত (২৪৩.৯৯ কোটি মা. ডলার)
- চতুর্থ : যুক্তরাজ্য (২০২.৩৬ কোটি মা. ডলার)
- পঞ্চম : মালয়েশিয়া (২০০.২৩ কোটি মা. ডলার)
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
১৭.
বাংলাদেশ কত সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
  2. খ) ১৫ জানুয়ারি ১৯৯২
  3. গ) ০১ জানুয়ারি ১৯৯৫
  4. ঘ) ৩০ ডিসেম্বর ১৯৯৬
সঠিক উত্তর:
গ) ০১ জানুয়ারি ১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ০১ জানুয়ারি ১৯৯৫
ব্যাখ্যা

- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য জোট। ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি GATT (General Agreement on Tariffs and Trade) এর উত্তরসূরী সংস্থা হিসেবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ GATT এর সদস্যপদ লাভ করে। যার কারণে ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যপদ লাভ করে।
(তথ্যসূত্রঃ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ওয়েবসাইট)

১৮.
অর্থের হিসাবে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে?
  1. ক) সিঙ্গাপুর
  2. খ) ভারত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে সর্বাধিক আমদানি করে (২০১৯-২০ অর্থবছর):
- প্রথম : চীন (২৫.২ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : ভারত (১২.৭ শতাংশ)
- তৃতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৪.৭ শতাংশ)।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৯.
বর্তমানে বাংলাদেশ রপ্তানি ক্ষেত্রে কতটি দেশে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ২৭টি
  3. গ) ৩৪টি
  4. ঘ) ৩৮টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৮টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাজ্য
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- জাপান
- কানাডা
- তুরস্ক
- রাশিয়া
- বেলারুশ
- লিচেনস্টাইন
- নরওয়ে এবং
- সুইজারল্যান্ড।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
২০.
BSTI কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. ক) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. খ) খাদ্য মন্ত্রণালয়
  3. গ) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) শিল্প মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- BSTI (Bangladesh Standards and Testing Institution) বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
(তথ্যসূত্রঃ BSTI ওয়েবসাইট)
২১.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন কে?
  1. ক) মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন
  2. খ) এ.এন. হামিদুল্লাহ
  3. গ) সেগুফতা বখত চৌধুরী
  4. ঘ) এম. নুরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
খ) এ.এন. হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এ.এন. হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক। এটি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ ব্যংকের গভর্নরবৃন্দ:
- প্রথম : এ.এন. হামিদুল্লাহ
- দ্বিতীয় : এ.কে.এন. আহমেদ
- তৃতীয় : এম. নুরুল ইসলাম
- চতুর্থ : সেগুফতা বখত চৌধুরী
- পঞ্চম : খোরশেদ আলম
- ষষ্ঠ : লুৎফর রহমান সরকার
- সপ্তম : মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন
- অষ্টম : ড. ফখরুদ্দিন আহমেদ
- নবম : ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
- দশম : ড. আতিউর রহমান
- বর্তমান ও ১১তম : ড. ফজলে কবীর।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
২২.
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে কত শতাংশ?
  1. ক) ৭.২০ শতাংশ
  2. খ) ৭.৪০ শতাংশ
  3. গ) ৭.৮০ শতাংশ
  4. ঘ) ৮.১০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ক) ৭.২০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭.২০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.২ শতাংশ।
- অনুমিত মূল্যস্ফিতি ৫.৩ শতাংশ।
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫.৪৭ শতাংশ।
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুসারে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৩.৫১ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
২৩.
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল কোনটি?
  1. ক) জুলাই ২০১৯- জুন ২০২৪
  2. খ) জুলাই ২০২০- জুন ২০২৫
  3. গ) জুলাই ২০২১- জুন ২০২৬
  4. ঘ) জুলাই ২০১৮- জুন ২০২৩
সঠিক উত্তর:
খ) জুলাই ২০২০- জুন ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জুলাই ২০২০- জুন ২০২৫
ব্যাখ্যা
- ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল ছিলো জুলাই ২০১৬ থেকে জুন ২০২০ পর্যন্ত।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল ছিলো ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত।
(তথ্যসূত্রঃ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট)
২৪.
জিডিপি নির্ণয়ের সুবিধার্থে দেশের অর্থনীতিকে কতটি উপখাতে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫টি
ব্যাখ্যা
- জিডিপি নির্ণয়ের সুবিধার্থে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- কৃষিখাত
- শিল্পখাত ও
- সেবাখাত।
- এসব প্রধান খাতসমূহকে আবার ১৫টি উপখাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
উপখাতসমূহ হলো:
কৃষিখাতের উপখাত সমূহ:
- কৃষি ও বনজ
- মৎস্য
শিল্পখাতের উপখাত সমূহ:
- ম্যানুফ্যাকচারিং
- খনিজ ও খনন
- নির্মাণ
- বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি সম্পদ
সেবাখাতের উপখাত সমূহ:
- পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য
- হোটেল ও রেস্তোরাঁ
- পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ
- আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা
- রিয়েল এস্টেট
- লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা
- শিক্ষা
- স্বাস্থ্য
- কমিউনিটি ও ব্যক্তিগত সেবা৷
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
২৫.
চলতি বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দের পরিমাণ কত?
  1. ক) ২,১১,৩৪০ কোটি টাকা
  2. খ) ২,১৭,৮২৫ কোটি টাকা
  3. গ) ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২,৩৭,১৪৫ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ADP) বরাদ্দের পরিমাণ ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা।
- এটি মোট বাজেটের প্রায় ৩৫.৫ শতাংশ এবং জিডিপির প্রায় ৬.২ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
২৬.
BRAC প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৪ সালে
  3. গ) ১৯৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
- BRAC (Bangladesh Rural & Advancement Committee) বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ BRAC প্রতিষ্ঠা করেন।
- BRAC বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের নয়টির অধিক দেশে কাজ করছে।
(তথ্যসূত্র: BRAC ওয়েবসাইট)
২৭.
GNP হিসাবের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি গণ্য করা হয় না?
  1. ক) দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয়
  2. খ) রপ্তানি আয়
  3. গ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
  4. ঘ) ইপিজেডের উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
ক) দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয়
ব্যাখ্যা
- GNP (Gross National Product) বা স্থূল জাতীয় উৎপাদন হলো একটি দেশের নাগরিকদের দ্বারা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উৎপাদিত সকল পণ্য ও সেবার সমষ্টি।
- GNP হিসাবে দেশে উৎপাদিত ও প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের হিসাব অন্তর্ভুক্ত হয় কিন্তু দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।
অন্যদিকে,
- GDP (Gross Domestic Product) বা স্থূল দেশজ উৎপাদন হলো একটি দেশের ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উৎপাদিত সকল পণ্য ও সেবার সমষ্টি।
- GDP হিসাবে দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হলেও বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি : রণজিৎ কুমার নাথ)