পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১: টপিক সমূহ: বৈশ্বিক ইতিহাস (প্রাচীন যুগ) প্রস্তর যুগ · ধাতুরযুগ, নৃগোষ্ঠী - ককেশীয়, মঙ্গোলীয়, নিগোয়েড ও অস্ট্রেলীয় । সভ্যতা, মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাসেরীয় ও ক্যালডীয়) এবং মিশরীয় সভ্যতা, সিন্ধু সভ্যতা ফিনিশীয় সভ্যতা, পারস্য সভ্যতা, হিব্রু সভ্যতা। প্রাচীন যুগ (বাকী অংশ) চৈনিক সভ্যতা, ইজিয়ান সভ্যতা, গ্রীক সভ্যতা, রোমান সভ্যতা। [Live Class – 1 & 2]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
মধ্যপ্রাচ্যে অধিকাংশ অধিবাসী কোন নৃগোষ্ঠীর?
  1. অস্ট্রেলীয়
  2. মঙ্গোলীয়
  3. নিগ্রীয়
  4. ককেশীয়
সঠিক উত্তর:
ককেশীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ককেশীয়
ব্যাখ্যা
ককেশীয়:
- ককেশীয় বা শ্বেতকায় ককেশীয়দের মাথা প্রধানত লম্বাকৃতির হয়।
- এদের মুখ সরু বা লম্বাকৃতির, নাক প্রধানত খাড়া, চিকন, লম্বা ও সরু, চোখের রং হালকা থেকে কালো বাদামি, ঠোঁট পাতলা ধরনের এবং কান মাঝারি গোছের।
- এদের গায়ের রং প্রধানত সাদা বা লালচে সাদা।
- ককেশীয়দের চুলের রং বাদামি বা সোনালি।
- এরা দীর্ঘ দেহের অধিকারী।

উল্লেখ্য,
- মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ অধিবাসী ককেশীয় নৃগোষ্ঠীর।

উৎস: i) সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) The New York Times.
.
'এলাম, দেখলাম, জয় করলাম'-কার বিখ্যাত উক্তি?
  1. ক্লিওপেট্রা
  2. দ্বাদশ টলেমি
  3. জুলিয়াস সিজার
  4. মার্ক অ্যান্টনি
সঠিক উত্তর:
জুলিয়াস সিজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলিয়াস সিজার
ব্যাখ্যা
জুলিয়াস সিজার:
- জুলিয়াস সিজার একজন রোমান সম্রাট।
- তিনি একজন বিখ্যাত রোমান রাজনীতিবিদ, সেনাপতি ও জনপ্রিয় রোমান সম্রাট।
- তিনি ১০০ খ্রিস্টপূর্বে ইতালির রোমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন রোমান জেনারেল এবং রাজনীতিবিদ।
- তিনি নিজেকে রোমান সাম্রাজ্যের স্বৈরশাসক নামে অভিহিত করেছিলেন।
- রোমের নাগরিকরা গল, ব্রিটেন, মিশর এবং আফ্রিকায় সিজারের অভিযানগুলোর জন্য তাকে পছন্দ করেছিল।
- ৪৪ খ্রিস্টপূর্বে রোমীয় সিনেটে জুলিয়াস সিজারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছিল।
- এর ফলে রোমীয় প্রজাতন্ত্রের পতনের সূত্রপাত হয়।

উল্লেখ্য,
- জুলিয়াসের বিখ্যাত বানী: 'এলাম, দেখলাম, জয় করলাম'।

উৎস: Britannica.
.
বস্তুগত সংস্কৃতি নয় কোনটি?
  1. আইন
  2. মাটির হাঁড়ি
  3. ভাষা
  4. ক+গ
সঠিক উত্তর:
ক+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+গ
ব্যাখ্যা
বস্তুগত সংস্কৃতি:
- সকল বস্তুগত জিনিসপত্র যা মানুষ দৈনন্দিন জীবন যাপনের জন্য ব্যবহার করে তাকে বস্তুগত সংস্কৃতি বলে।
- এসব বস্তুগত জিনিসের মধ্যে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, পোষাক, বাসন বা তৈজসপত্র, হাতিয়ার অন্যতম।
- সামাজিক পরিবর্তনের রেশ ধরে সভ্যতার উন্নয়নের ফলে সংস্কৃতির এসব উপাদানের মধ্যেও এসেছে পরিবর্তন।
- যেমন আগে মানুষ লাঙল, কাস্তে, মাটির হাঁড়ি, ঘরবাড়ি, লুঙ্গি, শাড়ি ইত্যাদি ব্যবহার করতো কিন্তু বর্তমানে কলের লাঙল, ধানকাটার মেশিন, স্টিলের হাড়ি পাতিল ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকে।

অন্যদিকে -
অবস্তুগত সংস্কৃতি:
- যেসব বিষয়ের বস্তুগুণ নেই অথচ আমাদের সংস্কৃতির অংশ তাকে অবস্তুগত সংস্কৃতি বলে।
- যেমন- চিন্তাভাবনা, ধ্যান-ধারণা, রীতিনীতি, সাহিত্য, দর্শন, ধর্ম, নীতিবোধ ইত্যাদি।
- মানুষের ভাষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, আইন, আদর্শ, মূল্যবোধ, প্রথা, শিল্পকলা, অভ্যাস, বিশ্বাস, সামর্থ্য ইত্যাদি উপাদানও অবস্তুগত সংস্কৃতির অংশ।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
’সভ্যতার সূতিকাগার’ বলা হয় -
  1. মিসরীয় সভ্যতা
  2. মেসোপটেমিয় সভ্যতা
  3. রোমান সভ্যতা
  4. ফিনিশীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
মেসোপটেমিয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোপটেমিয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
’সভ্যতার সূতিকাগার’ বলা হয় মেসোপটেমিয় সভ্যতাকে।

মেসোপটেমিয় সভ্যতা
:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’।
- আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রের সীমারেখার মধ্যেই প্রাচীনকালে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- ফোরাত (ইউফ্রেটিস) ও দজলা (টাইগ্রিস) নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ হতে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের মধ্যে মেসোপটেমিয়ায় অতি উন্নত এক সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতারই চারটি পর্ব ছিল।
- সেগুলো হলো: সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা।

অন্যদিকে -
- প্রাচীন ভারতে সিন্ধু নদের তীরে গড়ে উঠেছিল সিন্ধু সভ্যতা।
- প্রাচীন রোমের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল রোমান সভ্যতা।
- ইউরােপের বলকান উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে ভূমধ্য সাগরের তীরে ক্ষুদ্র পার্বত্য অঞ্চলে খ্রিষ্টপূর্ব ১৬০০ নাগাদ যে সভ্যতা গড়ে ওঠেছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসে তাই গ্রিক সভ্যতা নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে প্রাচীন মিশরে মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠে।

উৎস: Britannica.
.
চীনের বর্তমান মহাপ্রাচীরটি কোন রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত হয়?
  1. কিন শাসনামল
  2. শাং শাসনামল
  3. তাং শাসনামল
  4. মিং শাসনামল
সঠিক উত্তর:
মিং শাসনামল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিং শাসনামল
ব্যাখ্যা
চীনের মহাপ্রাচীর:
- চীনের মহাপ্রাচীর (The Great Wall of China) হচ্ছে পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যগুলোর মধ্যে একটি।
- এটি পাথর ও ইট দিয়ে তৈরি দীর্ঘ নিরাপত্তাবেষ্টনী।
- চীনের প্রথম সম্রাট কিন শি হুয়াং চীনের মহাপ্রাচীর নির্মাণ করেছিলেন।
- খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতক থেকে খ্রিস্টীয় ষোড়শ শতক পর্যন্ত সময়ে চীনের উত্তর সীমান্ত রক্ষা করার জন্য এই প্রাচীর তৈরি করা হয়।
- এই প্রাচীরের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮৮৫০ কিলোমিটার।
- উচ্চতা ৫ - ৮ মিটার।
- প্রাচীরটি চওড়ায় প্রায় ৯.৭৫ মিটার।
- প্রশস্ত প্রাচীরের ওপর চলাচলের জন্য রাস্তা করা আছে।
- বর্তমান প্রাচীরটি মিং রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত হয়।
- চীনের মহাপ্রাচীর মানুষের হাতে তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য। 

উল্লেখ্য,
- এটি ১৯৮৭ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃত হয়েছিল।

উৎস: Britannica.
.
নব্যপ্রস্তর যুগের কীর্তি -
  1. আগুন জ্বালানোর কৌশল আবিষ্কার
  2. কাপড় বুনন
  3. চাকার আবিষ্কার
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
নব্যপ্রস্তর যুগ:
- আদি মানব এক সময় নতুন পাথরের যুগে প্রবেশ করে।
- এ সময় তৈরি পাথরের অস্ত্র অনেক বেশি উন্নত ছিল।
- এ যুগে মানুষ কৃষিকাজ শিখেছিল।
- কৃষি আর পশু পালন ছিল মানুষের প্রধান পেশা।
- এরই পাশাপাশি মাটির রকমারি বাসন-কোসন তৈরি করতে শিখল।
- নব্য প্রস্তরযুগের গুরুত্বপূর্ণ একটি কীর্তি হল চাকার আবিষ্কার।
- কৃত্রিম পদ্ধতিতে আগুন জ্বালানোর কৌশল আয়ত্ত্ব এবং এর ব্যাপক ব্যবহার নব্য প্রস্তর যুগের অর্জন।
- নব্য প্রস্তরযুগের শেষপর্যায়ে এসে সীমিত আকারে তামার ব্যবহার শুরু হয়।
- নতুন পাথরের যুগের মানুষ কাপড় বুনতে পারতো
- শিকারি জীবনের অবসান হওয়ায় এ যুগের মানুষ স্থায়ী বসতি স্থাপন করে।
- মানুষ স্থায়ী বসবাস গড়ার কারণেই ধীরে ধীরে গ্রামের বিকাশ ঘটলো।
- নতুন পাথরের যুগের সংস্কৃতির প্রধান কেন্দ্র ছিল সিন্ধু নদীর উপত্যকা এবং বেলুচিস্তান।
- দক্ষিণ ভারতে পাওয়া যায় উন্নত ধরনের পাথরের কুঠার।
- এ যুগে মৃতদেহকে কবর দেয়া হতো।
- কবরের উপরে তৈরি করা হতো সমাধি।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোথায় মহেঞ্জোদারো সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে?
  1. ইরাক
  2. পাকিস্তান
  3. ইরান
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধু প্রদেশ, ভারতের পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাটের বিভিন্ন অংশে এই সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ পর্যন্ত এ সভ্যতার উত্থান-পতনের কাল।
- আর্য জাতির আক্রমণের ফলে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অথবা ১৪০০ অব্দে সিন্ধু সভ্যতার অবসান ঘটে।
- সিন্ধু সভ্যতার সমাজব্যবস্থা ছিল মাতৃতান্ত্রিক।
- সিন্ধু সভ্যতার অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষি নির্ভর। 
- সিন্ধুবাসীদের মধ্যে মাতৃপূজা খুব জনপ্রিয় ছিল। 
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল।
- তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত। 
- মহেঞ্জোদারোর স্থাপত্যের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো 'বৃহৎ মিলনায়তন'।
- হরপ্পাতে বিরাট আকারের শস্যাগারও পাওয়া গেছে।
- মহেঞ্জোদারোতে একটি 'বৃহৎ স্নানাগার'-এর নিদর্শন পাওয়া গেছে, যার মাঝখানে বিশাল চৌবাচ্চাটি ছিল সাঁতার কাটার উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারোতে এবং দয়ারাম সাহানীর চেষ্টায় পাঞ্জাবের পশ্চিম দিকে মন্টোগোমারী জেলার হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পারস্য স্থাপত্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন কোনটি?
  1. দারিয়ুসের সমাধি
  2. কলােসিয়াম
  3. আলহামরা প্রাসাদ
  4. কাইরাসের সমাধি
সঠিক উত্তর:
কাইরাসের সমাধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাইরাসের সমাধি
ব্যাখ্যা
পারস্য সভ্যতা:
- আজকের ইরান দেশটি প্রাচীনকালে পারস্য নামে পরিচিত ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫৫৯ অব্দ থেকে ৩০০ অব্দের মধ্যে এখানে পারস্য সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিক বীর আলেকজান্ডার পারস্য আক্রমণ করে দখল করে নেন।
- ৩৩০ থেকে ২৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত পারস্য যা বর্তমানে ইরান; গ্রিক শাসনাধীনেই ছিল।
- সুন্দরভাবে সাম্রাজ্য পরিচালনা করার জন্য সম্রাট দারিয়ুস একটি দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন।
- সম্রাট দারিয়ুস চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেন।
- জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়নেরও সম্রাটের দৃষ্টি ছিল।
- সম্রাট দারিয়ুস ১২ মাসে বছর ও ৩০ দিনে মাস গণনার রীতি চালু করে পারসীয় দিনপঞ্জি তৈরি করেন।
- পারসীয়গণ লিখার জন্য ৩৯টি কিউনিফর্ম চিহ্ন ব্যবহার করত।
- পারস্য সাম্রাজ্যের অন্য নামটি একমেনিড সাম্রাজ্য
- পারস্য স্থাপত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো পিরামিডের আকৃতিতে তৈরি সম্রাট কাইরাসের সমাধি।

উল্লেখ্য,
- জরথুষ্ট্র নামক একজন ধার্মিক ও দার্শনিক পারসীয়দের নতুন ধর্মের সন্ধান দেন।
- তার প্রচারিত এ ধর্মকে বলা হয় জরথুষ্ট্রবাদ।
- জরথুষ্ট্রবাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হচ্ছে 'জেন্দআবেস্তা'।
- জরথুষ্ট্রবাদের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের মধ্যে প্রচলিত বহু দেবতা ও যাদুবিদ্যার অবসান এবং ধর্মে নৈতিকতা ও দার্শনিক আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মধ্য প্রস্তর যুগের বৈশিষ্ট্য -
  1. ক্ষুদ্র পাথরের হাতিয়ার ব্যবহার করে
  2. গৃহ নির্মাণ করে
  3. বসতি গড়ে তুলেছিল নদী ও হ্রদের তীরে
  4. ক+গ
সঠিক উত্তর:
ক+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+গ
ব্যাখ্যা
মধ্যপ্রস্তর যুগ:
- প্রাচীন প্রস্তর যুগ থেকে নতুন পাথরের যুগে প্রবেশের মাঝখানে কিছুটা সময় অতিবাহিত হয়েছে।
- ইতিহাসে এই সময়টি মধ্য প্রস্তর যুগ নামে পরিচিত।
- এ যুগে শিকার করা, মাছ ধরা, খাদ্য সংগ্রহ প্রভৃতিতে একটি বিশেষ ধারা ছিল।
- এ যুগের বৈশিষ্ট্য হলো, মানুষ এ সময় বসতি গড়ে তুলেছিল নদী ও হ্রদের তীরে।
- কারণ, শিকার ও মাছ ধরা ছিল এ সময়ের প্রধান পেশা।
- মধ্য প্রস্তর যুগের হাতিয়ারগুলো ছিল আকারে ছোট ও সূক্ষ্ম
- মধ্য প্রস্তর যুগে হাতে বানানো মৃৎপাত্র ব্যবহার করা হতো।

উল্লেখ্য,
- এ যুগের মানুষ প্রথম দিকে পশু ও মৎস শিকার করলেও শেষ দিকে তারা কৃষিকাজ শুরু করে।
- ক্ষুদ্র পাথরের হাতিয়ারগুলোর সাথে কাঠের বাট লাগিয়ে তাকে ফলপ্রসূভাবে ব্যবহার করেছে এযুগের মানুষ।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।