পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৩: বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা [ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়] ২. ধ্বনিতত্ত্ব [ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; যুক্তবর্ণ; ধ্বনির গঠন ও উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন] এবং বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - ভৌত বিজ্ঞান: পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ক ১. ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, পদার্থের চৌম্বকত্ব, তড়িৎ চৌম্বক ও তাড়িত চৌম্বকীয় আবেশ, তরঙ্গ এবং শব্দ, শক্তি। ২. কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা; তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, পদার্থের গ্যাসীয় ধর্ম, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক বিজ্ঞান ও আলোক যন্ত্রপাতি, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪১ প্রশ্ন

.
১ ন্যানো সেকেন্ড হলো- 
  1. ১ সেকেন্ডের ১০ হাজার ভাগের একভাগ 
  2. ১ সেকেন্ডের ১০ লক্ষ ভাগের একভাগ 
  3. ১ সেকেন্ডের ১০ কোটি ভাগের একভাগ 
  4. ১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের একভাগ 
সঠিক উত্তর:
১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের একভাগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের একভাগ 
ব্যাখ্যা
• ১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগকে ১ ন্যানো সেকেন্ড বলে।

অর্থাৎ ১ ন্যানো সেকেন্ড = ১০-৯ সেকেন্ড।
- ১ মিলি সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের এক ভাগ।
- ১ মাইক্রো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ।
- ১ ন্যানো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ।
- ১ পিকো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের এক লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
সর্বপ্রথম তড়িৎ চুম্বকের ধারণা দেন কে?
  1. ওয়ারস্টেড
  2. ওয়েবার
  3. গিলবার্ট
  4. কুলম্ব
সঠিক উত্তর:
ওয়ারস্টেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারস্টেড
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বক ক্রিয়া:
- আধুনিক বিজ্ঞান জগতে তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বক ক্রিয়ার প্রভাব সবচেয়ে বেশী অবদান রেখেছে।
- ফ্যান, মোটর, ইত্যাদি ঘূর্ণায়মান সকল যন্ত্রই তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়ার প্রভাবে কাজ করে।
- তড়িৎ প্রবাহ চারিদিকে চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি করে।
- এই অতি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনার আবিষ্কারক কোপেনহেগেনের অধ্যাপক বিজ্ঞানী হেন্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড (1820)।
- ওয়েরস্টডের এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তাঁর নাম অনুসারে চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রাবল্যের একক ওয়েরস্টেড (Oersted) করা হয়েছিল।
- তড়িৎ প্রবাহ যেহেতু গতিশীল তড়িৎ আধান, অতএব তড়িৎ আধান গতিশীল হলেই চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়।
- আধান স্থির থাকলে একে ঘিরে যে তড়িৎ ক্ষেত্র বর্তমান থাকে, আধান গতিশীল হলে তা দূরীভূত হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের উদ্ভব হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পারস্পরিক আবেশকে ব্যবহার করা হয়-
  1. ট্রানজিস্টারে
  2. ডায়োডে
  3. রূপান্তরকে
  4. অ্যামপ্লিফায়ারে
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরকে
ব্যাখ্যা
• পারস্পারিক আবেশ: 
- পাশাপাশি স্থাপিত দুটি কুন্ডলীর মধ্যে একটিতে তড়িৎ প্রবাহ মাত্রার পরিবর্তনের ফলে অপর কুন্ডলীতে যে তড়িৎচালক বল আবিষ্ট হয় তাকে পারস্পারিক আবেশ বলে।

• পারস্পরিক আবেশের ব্যবহার:

• রূপান্তরক বা ট্রান্সফর্মার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পর্যাবৃত্ত বা দিক পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করা যায় তাকে রূপান্তরক বা ট্রান্সফর্মার বলে।
- তড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- ট্রান্সফর্মার সাধারণত দু প্রকারের হয়। যথা-

• আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার:
- যে ট্রান্সফর্মার অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহকে অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার বলে।

• অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার:
- যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
.
ডুবোজাহাজ হতে পানির উপর কোনো বস্তু দেখার জন্য কোন আলোক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. পেরিস্কোপ 
  2. মাইক্রোস্কোপ
  3. প্রিজম
  4. টেলিস্কোপ
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ 
ব্যাখ্যা
• পেরিস্কোপ:
- পেরিস্কোপ হলো এমন একটি আলোক যন্ত্র, যা মূলত আয়না বা প্রিজম দিয়ে তৈরি হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি হয় যেন পানির নিচে থাকা ডুবোজাহাজের ভেতর থেকে মানুষ পানির উপরিভাগে থাকা বস্তু দেখতে পারে।

অন্যদিকে,
- টেলিস্কোপ: দূরবর্তী মহাকাশ পর্যবেক্ষণ। 
- প্রিজম: আলো বিচ্ছুরণ ও প্রতিফলন। 
- মাইক্রোস্কোপ: ক্ষুদ্র জিনিস বড় করে দেখা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
তাপ সঞ্চালনের প্রক্রিয়া কয়টি? 
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪ট
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• তাপ সঞ্চালন:
- তাপ বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে যেতে পারে। তাপের এই স্থান পরিবর্তনকে তাপ সঞ্চালন বলে।
- তাপ সঞ্চালন তিন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়।
যথা-
১। পরিবহন,
২। পরিচলন ও
৩। বিকিরণ।
• বিকিরণ পদ্ধতি:
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে।
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে।
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে।

• পরিচলন পদ্ধতি:
-কোনো পদার্থের অণুগুলি তাপ গ্রহণ করে, উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশের দিকে অণুগুলি চলাচলের মাধ্যমে তাপের সঞ্চালন ঘটায় এই পদ্ধতিকেই পরিচলন পদ্ধতি বলা হয়।
- তরল এবং বাষ্পীয় পদার্থের মধ্যে তাপ পরিচলন পদ্ধতির মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়।

• পরিবহন পদ্ধতি:
-যে পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলি তাদের স্থান পরিবর্তন করে না, শুধুমাত্র অণুগুলি স্পন্দনের মাধ্যমে এক অণু পার্শ্ববর্তী অণুকে তাপ প্রদান করে। এভাবেই পদার্থের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতম অংশের দিকে তাপ সঞ্চালিত হওয়াকে পরিবহন বলা হয়।
- কঠিন বস্তুতে পরিবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ওজন এর এস আই  একক কোনটি?
  1. নিউটন
  2. কেজি
  3. পাউন্ড
  4. আউন্স
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
• নিউটন (Newton) হলো বলের এসআই একক, এবং যেহেতু ওজন হলো ভরের ওপর মাধ্যাকর্ষণ বলের প্রয়োগ, তাই ওজনের এককও নিউটন।
• সূত্র: ওজন = ভর × মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ (W = m × g)
• যেখানে ভরের একক কেজি (kg) এবং g’র একক m/s², তাই ওজনের একক হয়  Kg·m/s² = নিউটন।

• ভৌত রাশি ও তাদের SI একক:
- দৈর্ঘ্য - মিটার (m), 
- ভর - কিলোগ্রাম (kg), 
- সময় - সেকেন্ড (s), 
- তাপমাত্রা - কেলভিন (K), 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ - অ্যাম্পিয়ার (A), 
- পদার্থের পরিমাণ - মোল (mol), 
- আলোক তীব্রতা - ক্যান্ডেলা (cd), 
- বল - নিউটন (N)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
মাঝখানে ছিদ্র বিশিষ্ট একটি প্লেটকে উত্তপ্ত করলে, ছিদ্রটির ব্যাস-
  1. বাড়বে
  2. কমবে
  3. অপরিবর্তীত থাকে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাড়বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়বে
ব্যাখ্যা
• তাপীয় প্রসারণ (Thermal Expansion):
- তাপ দিলে পদার্থের কণাগুলো আরও বেশি কাঁপে এবং পারস্পরিক দূরত্ব বাড়ে। ফলে পদার্থের আকার ও আয়তন বাড়ে।

• যখন কোনো ধাতব প্লেট উত্তপ্ত হয়, তখন তাপীয় প্রসারণ ঘটে  অর্থাৎ প্লেটের প্রতিটি অংশের কণিকা দূরে সরে যায়।
• প্লেটের চারদিকে বিস্তারের মতো ছিদ্রও বাইরের দিকে প্রসারিত হয়, ফলে ছিদ্রের ব্যাস বাড়ে।

উৎস: Physicsexperiments.eu।
.
এক্স রে মূলত-
  1. ধনাত্মক আধান যুক্ত
  2. ঋণাত্মক আধান যুক্ত
  3. আধান নিরপেক্ষ
  4. কখনো ধনাত্মক, কখনো ঋণাত্মক
সঠিক উত্তর:
আধান নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধান নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা
• এক্স-রে:
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এই আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রনজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার পান।
- এক্স-রে আদান নিরপেক্ষ বা তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এটি সরলপথে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে।
- এক্স-রে বিকিরণ পরিমাপ করার জন্য যে একক ব্যবহার করা হয় তাকে রন্টজেন বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
আলোক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে?
  1. ডায়নামো
  2. সৌরকোষ
  3. বাল্ব
  4. টেলিফোন
সঠিক উত্তর:
সৌরকোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরকোষ
ব্যাখ্যা
• আলোক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর:
- সৌরকোষ (Solar Cell) সূর্যের আলো শোষণ করে তা তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- এটি ফটোভোলটাইক প্রক্রিয়া দ্বারা কাজ করে।

অন্যদিকে,
- ডায়নামো: যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বাল্ব: তড়িৎ শক্তিকে আলোক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- টেলিফোন: শব্দ ও তড়িৎ সংকেতের আদান-প্রদান করে, আলো নয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০.
নিচের কোন মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম? 
  1. শূন্য মাধ্যমে
  2. পানি মাধ্যমে 
  3. বায়ু মাধ্যমে 
  4. কঠিন মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
বায়ু মাধ্যমে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু মাধ্যমে 
ব্যাখ্যা
• শব্দের গতি বা দ্রুতি:
- শব্দ প্রতি সেকেন্ডে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের গতি বা দ্রুতি বলে।
- কঠিন মাধ্যমে (যেমন- ইস্পাত, লোহা) শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে।
- তরল মাধ্যমে (যেমন- পানি) তার চেয়ে ধীরে চলে।
- বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি শূন্য। এ মাধ্যমে শব্দের কোনো অস্তিত্ব নেই। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
কুলম্বের সূত্র প্রয়োগ করা হয়-
  1. চল তড়িৎ পরিমাপে
  2. চার্জের মধ্যকার বল নির্ণয়ে
  3. চৌম্বক বল নির্ণয়ে
  4. তাপ পরিমাপে
সঠিক উত্তর:
চার্জের মধ্যকার বল নির্ণয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জের মধ্যকার বল নির্ণয়ে
ব্যাখ্যা
• কুলম্বের সূত্র:
- কুলম্বের সূত্র (Coulomb’s Law) হলো একটি মৌলিক সূত্র যা দুইটি স্থির তড়িৎ চার্জের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।

সূত্রটি:
• F = k⋅q1⋅q2/r2

• F = বল (Newton-এ)
• q₁, q₂ = দুইটি চার্জ (Coulomb)
•  r = দুই চার্জের মধ্যকার দূরত্ব (meter)
• k = ধ্রুবক

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১২.
পানিতে আলোর আপেক্ষিক প্রতিসাংরক কত?
  1. ১.৩৩
  2. ১.৫২
  3. ১.৪৪
সঠিক উত্তর:
১.৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩৩
ব্যাখ্যা
• পানিতে আলোর আপেক্ষিক প্রতিসাংরক ১.৩৩ (প্রায়)।

ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমে আলোর প্রতিসারংক:
- শূন্য মাধ্যমে - ১.০০। 
- পানি - ১.৩৩। 
- সাধারণ কাচ- ১.৫২। 
- হীরা - ২.৫২। 
- কেরোসিন - ১.৪৪। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১৩.
দূরের বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
  2. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
  3. এডাপ্টার
  4. ট্রান্সমিটার
সঠিক উত্তর:
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা
• বিদ্যুৎ পরিবহন:
- বৈদ্যুতিক তারের রোধ থাকে।
- যার ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে বিদ্যুৎ সবটুকু না গিয়ে কিছু অংশ অপচয় হয়।
- ফলে দুরত্ব যত বেশি হয় রোধ তত বেশি হয়।
- এজন্য দূরের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ নিয়ে আনার জন্য ভোল্টেজ বাড়াতে হয়।
- ভোল্টেজ বাড়ানোর জন্য তাই স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।

• স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বিদ্যুৎ কেন্দ্রেই বসানো হয়, যা:
- ভোল্টেজ বাড়ায়,
- কারেন্ট কমায়,
- ফলে লাইন লস কম হয়,
- বিদ্যুৎ দূরে দূরে পৌঁছে দেওয়া যায় সহজে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পদার্থ বিজ্ঞান বই ও ব্রিটানিকা।
১৪.
শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব হলো- 
  1. ১২.৪ মিটার 
  2. ১৬.৬ মিটার 
  3. ১৫.৫ মিটার
  4. ১৮.৫ মিটার 
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার 
ব্যাখ্যা
• শব্দের প্রতিধ্বনি:
- কোনো উৎস থেকে সৃষ্ট শব্দ যখন দূরবর্তী কোনো মাধ্যমে বাধা পেয়ে উৎসের কাছে ফিরে আসে তখন মূল ধ্বনির যে পুনরাবৃত্তি হয় তাকে শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- এককথায়, প্রতিফলিত শব্দকে বলা হয় প্রতিধ্বনি।
- শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী দূরত্ব ন্যূনতম ১৬.৬ মিটার হওয়া প্রয়োজন।
- শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্র ও কুয়ার গভীরতা নির্ণয় করা যায়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
'ওয়াট' কীসের একক?
  1. কাজ
  2. ক্ষমতা
  3. শক্তি
  4. রোধ
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ক্ষমতা (Power):
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়।
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ / প্রয়োজনীয় সময়)
বা, P = (বল সরণ)/ সময়
বা, P = বল × বেগ
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ
বা, P = Fv
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা।
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
দৃশ্যমান আলোক বর্ণালির মাঝমাঝি তরঙ্গদৈর্ঘ্য কোন রঙের আলোর? 
  1. নীল 
  2. আসমানি 
  3. হলুদ
  4. সবুজ
সঠিক উত্তর:
সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজ
ব্যাখ্যা
• দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়।
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনি, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে মাঝমাঝি তরঙ্গদৈর্ঘ্যবিশিষ্ট আলো সবুজ।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৭.
এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ৫০° সেলসিয়াস থেকে ৫১° সেলসিয়াস বৃদ্ধি করার জন্য কত তাপের প্রয়োজন? 
  1. ১ ক্যালরি 
  2. ২ ক্যালরি 
  3. ৩ ক্যালরি 
  4. ৪ ক্যালরি 
সঠিক উত্তর:
১ ক্যালরি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ক্যালরি 
ব্যাখ্যা
• ক্যালরি:
- পদার্থের অণুগুলোর কম্পন বা গতির কারণে যে শক্তি পাওয়া যায় সেটা হচ্ছে তাপ।
- যেহেতু এটা শক্তি তাই স্বাভাবিকভাবে অন্য শক্তির মতোই তার একক হচ্ছে জুল (J)।
- তাপের আরো একটি একক আছে, তার নাম ক্যালরি (cal)।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1°C বাড়াতে হলে যে পরিমাণ তাপের দরকার সেটা হচ্ছে ক্যালরি।
- 1 ক্যালরি হচ্ছে 4.2J এর সমান।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা রশ্মির উৎস কী? 
  1. কোবাল্ট-৬০ 
  2. প্লুটোনিয়াম-২৩৮
  3. আয়োডিন-১৩১
  4. ফসফরাস-৩২ 
সঠিক উত্তর:
কোবাল্ট-৬০ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোবাল্ট-৬০ 
ব্যাখ্যা
• ক্যান্সারের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় রশ্মির ব্যবহার:
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো কোবাল্ট-৬০ (60Co) আইসোটোপ।
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলা হয়।
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাধারনত কোবাল্ট-৬০ (60Co) আইসোটোপটি ব্যবহৃত হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়।
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
একক সময়ে শব্দ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে কী বলে?
  1. তরঙ্গদৈর্ঘ্য
  2. কম্পাঙ্ক
  3. শব্দের গতি
  4. শব্দ তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
শব্দের গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দের গতি
ব্যাখ্যা
• শব্দের গতি (Speed of Sound):
- শব্দের গতি (Speed of Sound) বলতে বোঝায় “এক সেকেন্ডে শব্দ যত দূরত্ব অতিক্রম করে।”
- এটি একটি ভৌত রাশি, যা সময় ও দূরত্বের উপর নির্ভর করে।
- সাধারণত শুষ্ক বায়ুতে শব্দের গতি ≈ 343 m/s (২০°C তাপমাত্রায়)।

অন্যদিকে,
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য: এক কম্পাঙ্কের মধ্যে তরঙ্গ যতটা দূরত্ব অতিক্রম করে। এটি শব্দের "একটা অংশ"।
- কম্পাঙ্ক (Frequency): প্রতি সেকেন্ডে কতবার কণার দোলন হয়। এককে হার্টজ (Hz)।
- শব্দ তরঙ্গ: শব্দের একটি সামগ্রিক রূপ বা আকার; এটি কোনো নির্দিষ্ট পরিমাপ নয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২০.
'মন্ত্রী' শব্দে মোট কয়টি বর্ণ আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- যেহেতু বর্ণ চাওয়া হয়েছে সুতরাং দৃষ্টিগ্রাহ্য ধ্বনিগুলোই বর্ণ। 
- 'মন্ত্রী' শব্দের দৃষ্টিগ্রাহ্য বর্ণ হলো: ম, ন, ত, র, ঈ।
-  সুতরাং 'মন্ত্রী' শব্দের মোট বর্ণ ৫টি।

• যুক্তবর্ণ:
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
- যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না।
- এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।
• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
- ব্দ, ল্ক, ল্প, ল্ট, ল্ড, ল্প, ল্ফ, শ্চ, ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, ম্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
- দ্ধ (দ্‌+ধ), ন্ধ (ন্‌+ধ), ব্ধ (ব্‌+ধ), ভ্র (+র), ন্ত্র(ন্‌ +ত্‌ + র) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
২১.
ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়:
• ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় অন্তত চারটি ভাগে বিভক্ত হয়।
যথা -
১. ধ্বনিতত্ত্ব:
- ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয় তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভূক্ত।
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য:
- বাগ্যন্ত্র, বাগ্যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল প্রভৃতি।

২. রূপতত্ত্ব:

- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করে।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়া বিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া।

৩. অর্থতত্ত্ব:
- মূল আলোচ্য - ব্যকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয় সে অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এ অংশে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

৪. বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করে।
- বাক্যের নির্মান ও গঠন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করে।
- তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
২২.
কোন বাক্যটি গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত?
  1. তাহারা রওয়ানা হলো।
  2. সে স্কুলে যাবে।
  3. তার বিবাহ হয় নাই।
  4. তাহার বাহিরে যাওয়ার সময় হয়েছে।
সঠিক উত্তর:
সে স্কুলে যাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে স্কুলে যাবে।
ব্যাখ্যা
• 'সে স্কুলে যাবে।' বাক্যটি গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত।

• গুরুচণ্ডালী দোষ:

- একই রচনায় সাধু ও চলিত ভাষার সংমিশ্রণ অসংগত ও অশুদ্ধ। ভাষারীতির এ অশিষ্ট প্রয়োগকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।

- অশুদ্ধ: তাহারা রওয়ানা হলো। 
- শুদ্ধ: তারা রওনা হলো। 

- অশুদ্ধ:তার বিবাহ হয় নাই। 
- শুদ্ধ:তার বিয়ে হয়নি।

- অশুদ্ধ: তাহার বাহিরে যাওয়ার সময় হয়েছে।
- শুদ্ধ:তার বাইরে যাওয়ার সময় হয়েছে।
 
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৩.
জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
- উচ্চ স্বরধ্বনি [ই], [উ];
- উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি [এ], [ও];
- নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি [অ্যা], [অ];
- নিম্ন স্বরধ্বনি [আ]।

• জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন ভাগে বিভক্ত:
- সম্মুখ স্বরধ্বনি [ই], [এ], [অ্যা]:
- মধ্য স্বরধ্বনি [আ];
- পশ্চাৎ স্বরধ্বনি [অ], [ও], [উ]।
- সম্মুখ স্বরধ্বনির বেলায় জিভ সামনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়; পশ্চাৎ স্বরধ্বনির বেলায় জিভ পিছনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়।

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
- সংবৃত [ই], [উ];
- অর্ধ-সংবৃত: [এ], [ও];
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা] [অ];
- বিবৃত: [আ]।
- সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
২৪.
ক্রিয়ার কাল ও পদপরিচয় ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
  1. রূপতত্ত্ব
  2. অর্থতত্ত্ব
  3. বাক্যতত্ত্ব
  4. ধ্বনিতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব:
- ব্যাকরণে শব্দ বা পদের আলোচনাকে বলে রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব।
• রূপতত্ত্ব  এর আলোচ্য বিষয়:
- শব্দগঠন,
- প্রত্যয়,
- উপসর্গ,
- পদপরিচয়,
- ক্রিয়া,
- লিঙ্গ,
- পুরুষ,
- বচন,
- শব্দ ও ধাতুরূপ,
- সমাস

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৫.
একই স্বরের পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে যখন স্বরধ্বনি যুক্ত হয় তখন তাকে কী বলে?
  1. সমীভবন
  2. অপিনিহিতি
  3. অসমীকরণ
  4. বিষমীভবন
সঠিক উত্তর:
অসমীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসমীকরণ
ব্যাখ্যা
• অসমীকরণ (Dissimilation):
- একই স্বরের পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে যখন স্বরধ্বনি যুক্ত হয় তখন তাকে বলে অসমীকরণ।
যেমন: ধপ + ধপ > ধপাধপ, টপ + টপ > টপাটপ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• বিষমীভবন (Dissimilation):
দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে।
যেমন- শরীর > শরীল, লাল > নাল ইত্যাদি।
• সমীভবন (Assimilation):
শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভ করে। এ ব্যাপারকে বলা হয় সমীভবন।
যেমন জন্ম >জম্ম, কাঁদনা > কান্না ইত্যাদি।
• অপিনিহিতি (Apenthesis):
- পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
যেমন: আজি >আইজ, সাধু >সাউধ, রাখিয়া > রাইখ্যা, বাক্য > বাইক্য, সত্য >সইত্য, চারি> চাইর, মারি >মাইর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
২৬.
আনুনাসিক স্বরধ্বনি কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
• অনুনাসিক স্বরধ্বনি:
- মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে বায়ু শুধু মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে।
- এ সময়ে কোমল তালু স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে।
- কিন্তু ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে কোমল তালু খানিকটা নিচে নেমে গেলে কিছুটা বায়ু নাক দিয়েও বের হয়।
- এর ফলে ধ্বনিগুলো অনুনাসিক হয়ে যায়।
- স্বরধ্বনির এই অনুনাসিকতা বোঝাতে বাংলা স্বরবর্ণের উপরে চন্দ্রবিন্দু (ঁ) ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- মৌলিক স্বরধ্বনি: [ই], [এ], [অ্যা], [আ], [অ], [ও], [উ]
- অনুনাসিক স্বরধ্বনি: [ইঁ], [এঁ], [অ্যাঁ], [আঁ], [আঁ], [ওঁ], [উঁ]। মোট ৭টি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
২৭.
কোনটি সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য?
  1. সর্বনাম হ্রস্বতর
  2. অনুসর্গ হ্রস্বতর
  3. বিশেষ্যের আধিক্য
  4. ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর
ব্যাখ্যা
• সাধু রীতি:
- দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়।
উনিশ শতকের শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে।
প্রায় দেড় শতাব্দী ধরে এই রীতি বাংলা লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসেবে চালু ছিল।

• সাধু রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
(ক) সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর, যেমন 'করা' ক্রিয়ার রূপ: করিতেছে, করিয়াছে, করিল, করিলে, করিলাম, করিত, করিতেছিল, করিয়াছিল, করিব, করিবে, করিতে, করিয়া, করিলে, করিবার।
(খ) সাধু রীতির বহু সর্বনামে 'হ'-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।
(গ) সাধু রীতিতে তৎসম শব্দ এবং সাধিত শব্দের প্রাধান্য থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
২৮.
পিশাচ > পিচাশ কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন?
  1. ব্যঞ্জনচ্যুতি
  2. ব্যঞ্জন বিকৃতি
  3. দ্বিত্ব ব্যঞ্জন
  4. ধ্বনি বিপর্যয়
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি বিপর্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি বিপর্যয়
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি বিপর্যয়:
- শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
- যেমন ইংরেজি বাক্স > বাংলা > বাস্ক, জাপানি রিক্সা > বাংলা রিস্কা ইত্যাদি।
অনুরূপ- পিশাচ > পিচাশ, লাফ> ফাল।

অন্যদিকে,
• দ্বিত্ব ব্যঞ্জন (Long Consonant) বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বা:
কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, একে বলে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বা।
যেমন পাকা > পাক্কা, সকাল > সক্কাল ইত্যাদি।
• ব্যঞ্জন বিকৃতি:
শব্দ-মধ্যে কোনো কোনো সময় কোনো ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়। একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
যেমন- কবাট > কপাট, ধোবা > ধোপা, ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।
• ব্যঞ্জনচ্যুতি:
- পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে তার একটি লোপ পায়। এরূপ লোপকে বলা হয় ধ্বনিচ্যুতি বা ব্যঞ্জনচ্যুতি।
যেমনবউদিদি > বউদি, বড় দাদা > বড়দা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
২৯.
'ফ' কোন ধরনের ব্যঞ্জন ধ্বনি?
  1. ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
  2. দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন
  3. মূর্ধন্য ব্যঞ্জন
  4. তালব্য ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
• ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরিচিত।
- পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ. ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• তালব্য ব্যঞ্জন:

- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মৃঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
- নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
৩০.
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ সর্বপ্রথম মুদ্রিত হয় কোথায়?
  1. রোম
  2. কলকাতা
  3. শ্রীরামপুর মিশন
  4. লিসবন
সঠিক উত্তর:
লিসবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিসবন
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ:
- পর্তুগিজ মনোএল দা আসসাম্পসাঁউ  বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা।
- তিনি অষ্টাদশ শতাব্দী ভারতবর্ষে আগমন করেছিলেন।
- তিনি ১৭৪৩-৪২ সালে গাজীপুরের ভাওয়ালে একটি গির্জায় ধর্মযাজকের দায়িত্ব পালন কালে ভবিষ্যৎ ধর্মযাজকের সুবিধার জন্য 'Vocabolario em idioma Bengalla e Portuguez dividido em duas Partes' শিরোনামে একটি গ্রন্থ রচনা করেন।
- গ্রন্থটি পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে ১৭৪৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- মনোএল দা আসসাম্পসাঁউ ছিলেন একজন খ্রিষ্টান ধর্মযাজক।
- তিনি পর্তুগালের বাসিন্দা এবং জাতিতে ছিলেন পর্তুগিজ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩১.
কোনটি ভিন্নার্থ প্রকাশ করে?
  1. মধ্য স্বরাগম
  2. স্বরভক্তি
  3. বিপ্রকর্ষ
  4. সম্প্রকর্ষ
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
ব্যাখ্যা
• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি (Anaptyxis):
- সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন-ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন-
- অ - রত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন >স্বপন, হর্ষ > হরষ ইত্যাদি।
- ই - প্রীতি > পিরীতি, ক্লিপ > কিলিপ, ফিল্ম> ফিলিম ইত্যাদি।
- উ - তুর্ক > তুরুক, ভূ > ভুরু ইত্যাদি।
- এ - গ্রাম > গেরাম, প্রেক> পেরেক ইত্যাদি।
- ও -  শ্লোক > শোলোক, মুরগ > মুরোগ > মোরগ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
- দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ।
যেমন: বসতি > বস্তি, জানালা > জানলা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
৩২.
নিচের কোনটি অপিনিহিতির উদাহরণ?
  1. প্রেক> পেরেক
  2. স্বপ্ন > স্বপন
  3. ভাগ্য > ভাইগ্য
  4. কাঁদনা > কান্না
সঠিক উত্তর:
ভাগ্য > ভাইগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাগ্য > ভাইগ্য
ব্যাখ্যা
• ভাগ্য > ভাইগ্য অপিনিহিতির উদাহরণ। 

• অপিনিহিতি (Apenthesis):

- পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
যেমন:
- আজি > আইজ,
- সাধু > সাউধ,
- রাখিয়া > রাইখ্যা,
- বাক্য > বাইক্য,
- সত্য > সইত্য,
- চারি> চাইর,
- মারি > মাইর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
৩৩.
বাংলা বর্ণমালায় কয়টি ব্যঞ্জনবর্ণ পূর্ণমাত্রা দিয়ে লেখা হয়?
  1. ২৫টি
  2. ২৬টি
  3. ২৮টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা
• বর্ণ ও ধ্বনি প্রকরণ:
- ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে। ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। স্বরবর্ণ ১১টি ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
- মাত্রাহীন বর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এ, ঐ, ও, ঔ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ,ঁ)।
- পূর্ণমাত্রা বর্ণ: ৩২টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।
- অর্ধমাত্রা বর্ণ: ৮টি, এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
বাচ্য ও উক্তি ব্যাকরণের কোন শাখায় আলোচিত হয়?
  1. বাক্যতত্ত্ব
  2. ধ্বনিতত্ত্ব
  3. রূপতত্ত্ব
  4. অর্থতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বাক্যের নির্মাণ এবং এর গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- এছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
৩৫.
'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' কে রচনা করেছেন?
  1. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  2. ড. সুকুমার সেন
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. মুহাম্মদ আব্দুল হাই
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থের রচয়িতা- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।

• তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- অরিজিন এন্ড ডেভলেপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ,
- ভাষা প্রকাশ বাঙালা ব্যাকরণ,
- পশ্চিমের যাত্রী,
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা,
- ভারতের ভাষা ও ভাষা সমস্যা।

• আরো উল্লেখযোগ্য কিছু ব্যাকরণ গ্রন্থ রচয়িতা:
- 'ব্যাকরণ মঞ্জুরি এর লেখক ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
- 'ব্যাকরণ কৌমুদী' এর লেখক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ' এর রচয়িতা-ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত - ড. সুকুমার সেন।
- বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান - আহমদ শরীফ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৩৬.
নিচের কোনগুলো দন্ত্য ব্যঞ্জন?
  1. ত, থ, দ, ধ
  2. ন, র, ল, স
  3. প, ফ, ব, ভ
  4. ট, ঠ, ড, ঢ
সঠিক উত্তর:
ত, থ, দ, ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত, থ, দ, ধ
ব্যাখ্যা
• দন্ত্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
- তাল, থালা, দাদা, ধান প্রভৃতি শব্দের ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
- নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরিচিত।
- পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ. ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- টাকা, ঠেলাগাড়ি, -ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
৩৭.
নিচের কোনটি অনুবর্ণ নয়?
  1. সংখ্যাবর্ণ
  2. ফলা
  3. রেফ
  4. বর্ণসংক্ষেপ
সঠিক উত্তর:
সংখ্যাবর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংখ্যাবর্ণ
ব্যাখ্যা
• অনুবর্ণ:
- ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম অনুবর্ণ।
- অনুবর্ণের মধ্যে রয়েছে ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ।

• ফলা: ব্যঞ্জনবর্ণের কিছু সংক্ষিপ্ত রূপ অন্য ব্যঞ্জনের নিচে অথবা ডান পাশে ঝুলে থাকে, সেগুলোকে ফলা বলে। যেমন ফলা (এ), ল-ফলা ()। ন-ফলা (,), ব-ফলা (৫), ম-ফলা (J), য-ফলা (্য),
• রেফ: র-এর একটি অনুবর্ণ রেফ ()।
• বর্ণসংক্ষেপ: যুক্তবর্ণ লিখতে অনেক সময়ে বর্ণকে সংক্ষেপ করার প্রয়োজন হয়। এগুলো বর্ণসংক্ষেপ। যেমন ড, দ, ন, ম, স ইত্যাদি। এছাড়া ৎ বর্ণটি ত-এর একটি বর্ণসংক্ষেপ, যা বাংলা বর্ণমালায় স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
৩৮.
বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি:
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলে।
- বাংলা ভাষায় ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে।
- এই ধ্বনিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা যায়: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি।
যেমন-
- ই, এ, অ্যা, আ, অ, ও, উ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
৩৯.
প্রমিত রীতির ক্ষেত্রে কোনটি ভুল?
  1. ক্রিয়া হ্রস্বতর হয়।
  2. 'চন্দ্র'-ও লেখা যায়, 'চাঁদ'-ও লেখা যায়।
  3. সর্বনাম দীর্ঘতর হয়।
  4. অনুসর্গ হ্রস্বতর হয়।
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম দীর্ঘতর হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম দীর্ঘতর হয়।
ব্যাখ্যা
• প্রমিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
• প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর।
- ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন 'করা' ক্রিয়ার রূপ: করছে, করেছে, করল, করলে, করলাম, করত, করছিল, করেছিল, করব, করবে, করতে, করে, করলে, করার।
- সর্বনামের ক্ষেত্রে যেমন তারা, এদের, যা, তা, ও, কেউ ইত্যাদি।
- অনুসর্গের ক্ষেত্রে যেমন থেকে, হতে, সঙ্গে ইত্যাদি।

• প্রমিত রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলোচ্য বিষয়ের উপরে নির্ভরশীল। প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন তৎসম 'বৎসর'-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব 'বছর'-ও লেখা যায়। একইভাবে 'চন্দ্র'-ও লেখা যায়, 'চাঁদ'-ও লেখা যায়।

• প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়, যেমন 'ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো, সবচে' ইত্যাদি না লিখে 'ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা, সবচেয়ে' ইত্যাদি লিখতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
৪০.
অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ কোনটি?
  1. ণ্ড
  2. স্ম
  3. প্ট
  4. ল্প
সঠিক উত্তর:
ণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ণ্ড
ব্যাখ্যা

সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না, এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম। যথা:
১. স্বচ্ছ ও
২. অস্বচ্ছ।
স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ট, স্ম, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, ন্ঠ, ন্স, প্ট, প্ত, প্র, ন্স, ল্প, ল্ট, ল্ড, ল্ফ, ক্ষ, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
- ক্ত = (ক্+ত),
- ক্ষ = (ক্ + ষ),
- ক্ষ্ম = (ক্+ ষ + ম),
- ক্স = (ক্ + স),
- গু = (গ্‌ + উ),
- গ্ধ = ( + ধ),
- ঙ্গ = (ভ্ + গ),
- ণ্ড = (ণ্‌ + ড),
- জ্ঞ = (জ্‌ + ঞ),
- ঞ্চ = (ঞ্‌ + চ),
- ঞ্জ = (ঞ্‌ + জ),
- ষ্ণ = (ম্ + ণ)
- হু = (হ্ + উ),
- হৃ = (হ+ ঋ),
- হ্ন = (হ্ + ন)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।

৪১.
নিচের কোনগুলো ঘোষ মহাপ্রাণ?
  1. ক, চ, ট, ত, প
  2. খ, ছ, ,ঠ, থ, ফ
  3. গ, জ, ড, দ, ব
  4. ঘ, ঝ, ঢ, ধ, ভ
সঠিক উত্তর:
ঘ, ঝ, ঢ, ধ, ভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ, ঝ, ঢ, ধ, ভ
ব্যাখ্যা
• ঘোষ মহাপ্রাণ: ঘ, ঝ, ঢ, ধ, ভ।
• ঘোষ অল্পপ্রাণ: গ, জ, ড, দ, ব।
• অঘোষ মহাপ্রাণ: খ, ছ, ,ঠ, থ, ফ।
• অঘোষ অল্পপ্রাণ: ক, চ, ট, ত, প।

• ঘোষ ব্যঞ্জন: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘোষধ্বনি।

• মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন: সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি, সেগুলোকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।

• অঘোষ ধ্বনি: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না তাদের অঘোষ ধ্বনি বলে।

• অল্পপ্রাণ ধ্বনি: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে না, তাদের অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।