পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ফুল মডেল টেস্ট

পরীক্ষাপ্রাইমারি ফুল মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 15 mins
মোট প্রশ্ন৮২
সিলেবাস
ফুল মডেল টেস্ট [Live MCQ - তে প্রতি মাসের ৫, ১৫ ও ২৫ তারিখ একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ফুল মডেল টেস্ট

প্রাইমারি ফুল মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ৮২ প্রশ্ন

.
Which period is known as the 'golden age' of English literature?
  1. The eighteenth century
  2. The Victorian age 
  3. The Restoration age 
  4. The Elizabethan age 
ব্যাখ্যা

• The Elizabethan period is known as the "Golden Age of English Literature".
- অর্থাৎ, Elizabethan period কে ইংরেজি সাহিত্যের ‘Golden period’ বা ‘সোনালী যুগ’ বলা হয়।

• Elizabethan period (1558-1603):
- এই যুগটি Queen Elizabeth-I এর নামে নামকরণ করা হয়েছে।
- একে English Literature এর স্বর্ণযুগ বলা হয়।
- এই যুগেই ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বেশি বিকাশ ঘটেছিলো। বিশেষ করে নাট্যজগতে এক বৈপ্লবিক সংস্কার সাধিত হয়েছিল। চার্চের আধিপত্য থেকে ধীরে ধীরে মুক্ত হয়ে সাহিত্য রচনা শুরু হয়েছিল। 

• Other titles of this age:
- Glorious Period of English literature.
- A nest of singing birds.

• Major writers: 
- Shakespeare,
- Francis Bacon,
- Ben Jonson,
- Christopher Marlowe,
- John Lyly,
- Thomas Kyd,
- Robert Greene,
- George Peele, etc.

• ইংরেজি সাহিত্যের যুগ বিভাগ গুলো হলো:
• English Literature Periods and their sub-ages: 
1. The Old English Period (450 -1066).

2. The Middle English Period (1066 -1500):
i) The Anglo-Norman Period.
ii) The Age of Chaucer.

3. The Renaissance Period (1500 -1660):
i) Elizabethan Period (1558-1603),
ii) Jacobean Period (1603-1625),
iii) Caroline Period (1625-1649) and
iv) Commonwealth Period (1649-1660).

4. The Neoclassical Period (1660 -1785):
i) The Restoration Period (1660-1700),
ii) The Augustan Period (1700-1745) and
iii) The Age of Sensibility (1745-1785/1798).

5. The Romantic Period (1798 -1832).

6. The Victorian Period (1832 -1901).
i) The Pre-Raphaelites: (1848-1860).
ii) Aestheticism & Decadence: (1880-1901).

7. The Modern Period (1901 -1939):
• The Modern Period (1901-1939) is divided into two shorter periods.
1. The Edwardian Period (1901-1910).
2. The Georgian Period (1910-1939).
- The Modern English period was one of the most significant literary periods.

8. Present: The Post-Modern Period (1939 ).

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

.
The Ministry of Utmost Happiness is written by – 
  1. Arundhati Roy
  2. Jhumpa Lahiri
  3. Salman Rushdie
  4. Anita Desai 
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ক) Arundhati Roy.

• 'The Ministry of Utmost Happiness' was written by Arundhati Roy.

• The Ministry of Utmost Happiness:
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Anjum, যে একজন transgender woman এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের নাম হচ্ছে Tilo.
- উপন্যাসটি ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন স্তর, বিশেষ করে প্রান্তিক এবং অবহেলিত মানুষের জীবনের গল্প তুলে ধরে।
- এটি বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে প্রেম, সংগ্রাম, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মানবতার জটিলতাকে চিত্রিত করেছে।
- কাহিনিটি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ, কাশ্মীরের সংঘাত, এবং সামাজিক অসাম্যতার মতো বিষয়গুলিকে গভীরভাবে অনুসন্ধান করেছে।
- বইটির ভাষা ও গল্প বলার কৌশল পাঠকদের এক নতুন অভিজ্ঞতায় নিমজ্জিত করে।

• Arundhati Roy
- Full name Suzanna Arundhati Roy.
- Born: November 24, 1961, Shillong, Meghalaya, India.
- Arundhati Roy একজন বিশিষ্ট ভারতীয় লেখিকা, সাহিত্যিক এবং সমাজকর্মী।
- She is best known for the award-winning novel 'The God of Small Things' (1997) and for her involvement in environmental and human rights causes.
- তাঁর প্রথম উপন্যাস The God of Small Things (1997) অত্যন্ত জনপ্রিয় হয় এবং এর জন্য তিনি বুকার প্রাইজ লাভ করেন।

• Her Key Works: 
- The God of Small Things,
- The Ministry of Utmost Happiness,
- Field Notes on Democracy,
- Capitalism: A Ghost Story,
- The Algebra of Infinite Justice,
- War Talk, etc.

Source: Britannica.com

.
Neither of the nuns _____ her daily routine. 
  1. have done
  2. is done
  3. has done
  4. none
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Neither of the nuns has done her daily routine.

• 'Neither of' যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়মাবলী:
- Neither + of + plural noun + singular verb.
- Neither of এর পরে plural noun এবং singular verb বসে।

- অর্থাৎ, Each of, Either of, Neither of এর পরে plural noun বা pronoun এবং singular verb বসে।
- এবং তাদের possessive pronoun টিও singular (his/her) হয়।
- Either দ্বারা দুইয়ের প্রত্যেকটি বুঝানো হয়।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনটিই নয় বুঝানো হয়।

• More examples:
- Neither of the answers is correct.
- Neither of the options seems right.

.
Banks close at 5 pm, ______? 
Make a tag question.
  1. must they 
  2. don't they 
  3. isn't they
  4. do they
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Banks close at 4 pm, don't they?

• Tag question -এর নিয়মানুযায়ী, 
- Affirmative sentence -এর tag question টি negative হয়।
- Auxiliary verb -এর সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
- Auxiliary verb না থাকলে main verb এর tense অনুযায়ী Auxiliary verb হিসেবে do/does/did বসাতে হবে।

- প্রদত্ত Sentence টি present indefinte tense -এ আছে, তাই Auxiliary verb হিসেবে 'don't' বসবে (subject plural).
- অর্থাৎ, Tag question এর নিয়মানুযায়ী বাক্যটি Affirmative হওয়ায় Tag question টি Negative হবে।

- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক tag question টি হবে- don't they?

Source: A Passage to the English Language, S. M. Zakir Hussain.

.
My friend is looking forward ______ to London.
  1. have gone
  2. going
  3. to going
  4. to go
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: My friend is looking forward to going to London.

• Look forward to (phrase)
- to anticipate with pleasure or satisfaction.
- প্রতীক্ষা করা; আশা করা।

- সানন্দে প্রতীক্ষা করা অর্থে Look forward এরপর to + verb + ing বসে।

• Examples:
- I am looking forward to receiving your letter.
- I am looking forward to seeing you.
- - He is looking forward to starting his new job.

• এছাড়াও, বাক্যে with a view to, look forward to, be used to, get used to, accustomed to, ইত্যাদির পর কোনাে Verb আসলে উক্ত Verb - এর সাথে ing যুক্ত হয়।
- যেমন:
- He came to Dhaka with a view to visiting a new place.
- He was not accustomed to working alone.
- He started saving money with a view to purchasing a new car.

.
He is fond of reading novels.
Here, the underlined word is- 
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Infinitive
  4. Finite verb
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ক) Gerund.

- “He is fond of reading novels” বাক্যটিতে reading শব্দটি of preposition-এর পরে বসে noun-এর কাজ করছে। 
- Verb + ing হলেও এটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি Gerund.

• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- অর্থাৎ, Gerund হলো verb-এর -ing ফর্ম, যা বাক্যে noun হিসেবে কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action-they act as nouns.

Examples:
- She is afraid of losing the match.
- They are interested in learning English.
 
Other Options: 
খ) Participle
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

গ) Infinitive:
- Verb এর present form এর আগে to বসিয়ে Infinitive গঠন করা হয়।
- অর্থাৎ, Infinitive = to + verb.

ঘ) Finite verb
- A finite verb হলো এমন একটি verb যা একটি subject-এর সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং tense (present, past, future) প্রকাশ করে।
- Finite verb কখনোই gerund, infinitive বা participle নয়।

.
Fill in the blank:
He went abroad with a view to _____ his higher studies.
  1. complete
  2. completing
  3. completed
  4. completes
ব্যাখ্যা

Complete sentence: He went abroad with a view to completing his higher studies.
- সে তার উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিদেশে গিয়েছিল।

• সাধারণত to এর পর Verb এর base form হলেও কিছু কিছু শব্দগুচ্ছ সমূহের পর verb+ing হয়।
• যেমন:
- With a view to,
- With an eye to,
- Accustomed to,
- Adhere to,
- Adverse to,
- Addicted to,
- Committed to,
- Confess to,
- Devoted to,
- Look forward to,
- Conducive to,
- Addicted to,
- Be used to,
- Get used to, etc.

- উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য বোঝাতে with a view to + gerund (verb + ing) ব্যবহৃত হয়। 

.
Do you know the boy who won the first prize?
The underlined clause is a/an-
  1. Noun clause
  2. Adverbial clause
  3. Adjective clause
  4. Principal clause
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: গ) Adjective clause.

- Do you know the boy who won the first prize?
- এখানে “who won the first prize” clause-টি the boy (noun)-এর পরে বসে তাকে describe/modify করছে।
- তাই এটি Adjective clause.
- এটি know, verb-টিকে modify করছে না, তাই Adverbial clause নয়।

Adjective clause (Relative clause):
- যে sub-ordinate clause বাক্যে adjective-এর কাজ করে, অর্থাৎ noun/pronoun-কে modify করে, তাকে Adjective clause বলে।
একে Relative clause ও বলা হয়।
- সাধারণত relative pronoun দিয়ে শুরু হয়—who, whom, whose, which, that, where, when, why ইত্যাদি।

Other Options:
ক) Noun Clause:
- Sentence এ কোন clause যদি Noun এর মত কাজ করে তাকে Noun Clause বলে।
- Noun সাধারণত sentence এর subject, object অথবা complement হিসেবে কাজ করে। 
- noun clause একই ভাবে sentence এ কাজ করে। 

খ) Adverbial clause:  
- যে clause, sentence এর verb, adjective বা adverb কে modify করে তাকে Adverbial clause বলে।

ঘ) Principal Clause:  
- যে clause দিয়ে sentence এর সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করা যায় তাকে principal clause বলে। 

.
Which one of the following is the feminine gender?
  1. Bull
  2. Cock
  3. Stag
  4. Hen
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ঘ) Hen.

• The feminine gender is Hen.

Hen (Noun)
English Meaning: an adult female chicken.
Bangla Meaning: মুরগি (স্ত্রীজাতীয়)।
- এর Masculine gender হলো: Cock/Rooster (পুরুষ মুরগি)।

Other Options:
• Bull (Masculine Gender)
English Meaning: a male bovine.
Bangla Meaning: বৃষ; ষাঁড়।
- এর Feminine gender হলো: Cow (গাভী)।

• Cock (Masculine Gender)
English Meaning: the adult male of the domestic chicken.
Bangla Meaning: মোরগ।
- এর Feminine gender হলো: Hen (মুরগি)।

• Stag (Masculine Gender)
English Meaning: an adult male red deer.
Bangla Meaning: পুরুষ হরিণ।
- এর Feminine gender হলো: Doe (স্ত্রী হরিণ)।

১০.
Who will complete the work? (Make it passive.)
  1. By whom will the work be completed?
  2. By whom will the work been completed?
  3. By whom will the work being completed?
  4. By whom will the work to be completed? 
ব্যাখ্যা

Active Voice: Who will complete the work?
Passive Voice: By whom will the work be completed?

- Active sentence-এ Who থাকলে Passive-এ By whom হবে।
- Tense অনুযায়ী Auxiliary verb বসবে (will পরিবর্তিত হয়ে will be হয়)।
- Active-এর object, Passive-এ subject হবে।
- Main verb হবে past participle হবে।
- শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) থাকবে।

More examples:
Active: Who will open the door?
Passive: By whom will the door be opened?

Other Options:
খ) By whom will the work been completed? 
- been হবে না। 

গ) By whom will the work being completed?
- being হবে না।

ঘ) By whom will the work to be completed?
- to be সঠিক নয়। 

১১.
Choose The correct spelling. 
  1. Advioser
  2. Adviseor
  3. Adviser
  4. Advicoer
ব্যাখ্যা

• Correct Spelling: Adviser.

• Adviser (noun)

- English Meaning: someone who gives advice.
- Bangla Meaning: পরামর্শ দাতা, উপদেষ্টা।

Example Sentnces:
- He had stepped down as an adviser to the board of Leeds United days earlier.
- He started as a legal adviser to the company.
 
Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary.

১২.
Identify the correct sentence:
  1. The prize was given to I and her.
  2. The prize was given to her and me.
  3. The prize was given to me and she.
  4. The prize was given to she and I.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: খ) The prize was given to her and me.

- Preposition (to)-এর পরে সর্বদা object form of pronoun বসে (me, him, her, us, them).
- - আর একাধিক object form বসলে, অর্থাৎ First person, Second person, Third person- এর Pronoun বা Noun যদি একই বাক্যে ব্যবহার করতে হয় তাহলে প্রথমে 2nd person, পরে 3rd person এবং অবশেষে 1st person বসে।

More examples:
- The letter is for him and me.
- The gift was sent to you and me.
 
Other Options:
ক) The prize was given to I and her.
- her এবং I হবে না,

গ) The prize was given to me and she.
- she হবে না।

ঘ) The prize was given to she and I.
- I হবে না।

১৩.
What is the meaning of 'to break the ice'?
  1. To start quarreling
  2. To end up partnership
  3. To start a conversation
  4. To end the hostility
ব্যাখ্যা

To break the ice (Phrase):
English Meaning: do or say something to relieve tension or get a conversation going in a strained situation or when strangers meet.
Bangla Meaning: (লাক্ষণিক) আনুষ্ঠানিকতা, দ্বিধাসংকোচ কাটিয়ে ওঠা; সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা; কোনো নাজুক ব্যাপারে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া; প্রথম লজ্জার ভাব বা মৌনভাব কাটিয়ে ওঠা।

Example Sentence:
Perhaps next time, we should break the ice and make proper conversation.

• অপশনগুলোর মধ্যে - 
- To start quarreling: ঝগড়া শুরু করা।
- To end up partnership: অংশীদারিত্ব শেষ করা।
-To start a conversation: একটি কথোপকথন শুরু করা।
- To end the hostility: শত্রুতার অবসান ঘটা। 

• অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, To break the ice এর অর্থের সাথে To start a conversation এর অর্থের সঙ্গতি পাওয়া যায়।
- তাই, 'To break the ice' phrase -টির অর্থ - To start a conversation.

Source: 
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১৪.
He said, ''Good-bye my sisters." [change the narration]
  1. He asked his sisters good-bye.
  2. He says his sisters good-bye.
  3. He bade his sisters good-bye. 
  4. He told his sisters good-bye. 
ব্যাখ্যা

• Good-bye/Farewell যুক্ত sentence- এ Indirect speech কে Direct speech করার নিয়ম:
- Reporting verb এর Subject বসে।
- said এর পরিবর্তে bade বসে।
- কমা (,) ব্যবহার হবে।
- ইনভার্টেড কমা (") শুরু।
- Good-bye বসে।
- object বসবে।
- ইনভার্টেড কমা (") শেষ।

Direct: He said, ''Good-bye my sisters.''
Indirect: He bade his sisters good-bye.

১৫.
Antonym of “Optimistic”-
  1. Charitable
  2. Lazy
  3. Pessimistic
  4. Cheerful
ব্যাখ্যা

• Optimistic (adjective)
- English Meaning: expecting the best in all things.
- Bangla Meaning: আশাবাদী।

Other Options:
• Charitable - দানশীল।
• Lazy - অলস।
• Pessimistic - দুঃখবাদী।
• Cheerful - হাসিখুশি।

- Among the given options, 'pessimistic' is the correct answer.

১৬.
Select the synonym of the word 'Witty'?
  1. Corny
  2. Playful
  3. Impractical
  4. Prevailing
ব্যাখ্যা

• Witty (adjective)
- English Meaning: Marked by or full of clever humor or wit: smartly facetious or jocular.
- Bangla Meaning: রসিক; রসালো

Given Options:
Corny – অমৌলিক, গতানুগতিক, মামুলি।
Playful - কৌতুকপূর্ণ।
Impractical – ব্যবহারানুপযোগী।
Prevailing – বিরাজমান। 

- Among the given options, 'Playful' is the correct answer.

১৭.
Identify the sentence where 'up' functions as a noun-
  1. He turned the volume up.  
  2. Business confidence is on the up. 
  3. We live just up the road.  
  4. Our system should be up by afternoon.
ব্যাখ্যা

[৫০তম বিসিএস]

সঠিক উত্তর হলো— খ) Business confidence is on the up.

• এই বাক্যে 'up' একটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। "on the up" একটি idiomatic expression যার অর্থ "improving" বা "getting better" (উন্নতির দিকে যাচ্ছে)।

এখানে 'up' এর আগে article 'the' আছে, যা প্রমাণ করে এটি noun. Preposition 'on' এর object হিসেবে 'the up' কাজ করছে।

• up: [noun]
- on the up [idiom]
English meaning: increasing or improving.
Bangla meaning: উন্নতির দিকে / উন্নতি হচ্ছে / বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

Example: 
- Business confidence is on the up.
- House prices are still on the up.

অন্যান্য অপশনগুলোতে 'up' এর ভূমিকা:

ক) He turned the volume up.
- এখানে 'up' হলো adverb.
- এটি 'turned' verb-কে modify করছে, নির্দেশ করছে কীভাবে volume পরিবর্তন করা হয়েছে (উপরের দিকে/বাড়ানো হয়েছে)।

গ) We live just up the road.
- এখানে 'up' হলো preposition.
- এটি 'the road' এর সাথে যুক্ত হয়ে স্থান নির্দেশ করছে।
- "up the road" = রাস্তার উপরের দিকে/সামনে।

ঘ) Our system should be up by afternoon.
- এখানে 'up' হলো adjective বা predicate adjective। এটি 'system' কে describe করছে, অর্থ হলো চালু/কার্যকর (operational/running).

Source:
- Oxford Dictionary.
- Cambridge Dictionary.

১৮.
Fill in the blank with the most appropriate word: 
Hardly had he arrived _______ the meeting began.
  1. than
  2. when
  3. then
  4. as
ব্যাখ্যা

• No sooner had, Hardly had, Scarcely had এবং As soon as সবগুলোই 'করতে না করতেই/ হতে না হতেই' অর্থে ব্যবহার করা হয়।

• নিয়মনুযায়ী, 
- No sooner had থাকলে পরের অংশে than (not then) ব্যবহার করা হয়।
- Hardly had থাকলে পরের অংশে when (not than) ব্যবহার করা হয়;
- Scarcely had থাকলে পরের অংশে when (not than) ব্যবহার করা হয়;
- As soon as থাকলে পরের অংশে শুধু কমা (,) ব্যবহার করা হয়।

- No sooner had এরপর 1st clause এর subject বসে।
- Verb এর past participle + than বসে।
- 2nd clause এর subject বসে।
- Verb এর past form করতে হবে।
 
• Complete Sentence: Hardly had he arrived when the meeting began.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৯.
Choose the word which is closest in meaning to “Abundant”.
  1. Scarce
  2. Plentiful
  3. Tiny
  4. Rare
ব্যাখ্যা

• Abundant (adjective)
English Meaning – existing or available in large quantities; more than enough.
Bangla Meaning – প্রচুর, অনেক।

 • Plentiful (adjective)
– English Meaning: existing in large amounts;
- Bangla Meaning – প্রচুর।

Other options:
Scarce - দুষ্প্রাপ্য।
Tiny – অতি ক্ষুদ্র; পুঁচকে।
Rare – বিরল।

- Among the given options, 'Plentiful' is the correct answer.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Cambridge Dictionary

২০.
The bus was delayed due _____ heavy snow. 
  1. in
  2. with
  3. to
  4. of
ব্যাখ্যা

Correct sentence: The bus was delayed due to heavy snow.

• Due to (preposition):
English meaning: as a result of, because of something.
Bangla meaning: কারণবশত, কিছু কারণে।

Example:
- A lot of her unhappiness is due to boredom.
- The bus was delayed due to heavy snow.

Source: Cambridge Dictionary.

২১.
The travelers admired ___ sun as it set over the horizon.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. no article 
ব্যাখ্যা

Correct Answer: গ) the.

Complete Sentence: The travelers admired the sun as it set over the horizon.
Bangla Meaning: ভ্রমণকারীরা দিগন্তে সূর্যাস্তের সময় সূর্যকে উপভোগ করছিল।

- এখানে “sun” একটি unique (একক) বস্তু, পৃথিবীতে একটিই সূর্য আছে।
- তাই এর আগে “the” ব্যবহার করা হয়েছে।

• প্রকৃতিতে যা একটিমাত্র আছে তার পূর্বে The বসে।
- অর্থাৎ, একক বস্তু যেমন- চাঁদ, সূর্য, আকাশ, পৃথিবী (earth, world, universe), পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ, ইত্যাদি নামের পূর্বে The বসে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২২.
The teacher is stricter than the assistant. (Make it positive.)
  1. The assistant is as strict as the teacher. 
  2. The assistant is not strict as the teacher. 
  3. The assistant is not as strict as the teacher.
  4. The teacher is not as strict as the assistant. 
ব্যাখ্যা

• Comparative: The teacher is stricter than the assistant.
• Positive: The assistant is not as strict as the teacher.

• Than যুক্ত Comparative কে Positive করার নিয়ম:
- প্রদত্ত বাক্যের Than-এর পরে যাকে তুলনা করা হয়েছে, সেই অংশটি আগে বসে।
- Auxiliary Verb বসে।
- Not বসে (যদি মূল বাক্য affirmative হয়)।
- as বসে।
- Comparative degree-এর positive form বসে।
- as বসে।
- মূল বাক্যের প্রথম Subject শেষের দিকে বসে।

• More examples:
Comparative: My house is bigger than yours.
Positive: Your house is not as big as my house. 

২৩.
‘বাতিটি নিভাও’ এর সঠিক Translation কি?
  1. Put on the lamp
  2. Put out the lamp 
  3. Put off the lamp
  4. Put up the lamp 
ব্যাখ্যা

• Put something out: নিভিয়ে ফেলা।

- বাতিটি নিভাও - Put out the lamp. 

এছাড়াও, 
Put off-  (নৌকা ইত্যাদি) যাত্রা শুরু করা।
Put up- (for something) নির্বাচনে দাঁড়ানো।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২৪.
The boy is fond _____ chocolate. 
  1. to
  2. for
  3. of
  4. at
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The boy is fond of chocolate.
- Bangla meaning: ছেলেটি চকোলেট পছন্দ করে।

• Fond of (idiom)
- Bangla meaning: ভালোবাসা বা পছন্দ করা।
- English Meaning: having a liking for or love of (someone or something) : doing (something) a lot.

• Fond এর সাথে to/for/at সাধারণত ব্যবহার হয় না।

২৫.
'Poetry is the spontaneous overflow of powerful feeling: it takes its origin from emotion recollected in tranquility' is a statement ascribed to- 
  1. Coleridge  
  2. TS Eliot
  3. William Wordsworth  
  4. IA Richards
ব্যাখ্যা

৫০তম বিসিএস

• 'Poetry is the spontaneous overflow of powerful feeling: it takes its origin from emotion recollected in tranquility' is a statement ascribed to William Wordsworth.

- এই উক্তিটি বিখ্যাত রোমান্টিক কবি William Wordsworth-এর “Preface to Lyrical Ballads”-এ পাওয়া যায়।

• Preface to Lyrical Ballads:
- 'Preface to Lyrical Ballads' is a literary work of the Romantic period.
- এটি মূলত হচ্ছে কয়েকটি Romantic কবিতার সংকলন অর্থাৎ, collectioc of poems.
- ১৭৯৮ সালে William Wordsworth and Samuel Taylor Coleridge এর যৌথ প্রকাশনা 'Preface to Lyrical Ballads' এর মাধ্যমে এই যুগের সুচনা হয়। 
- Lyrical Ballads এ মোট ২৩ টি কবিতা রয়েছে। 
- তার মধ্যে ১৯ টি William Wordsworth ও ৪ টি S.T. Coleridge এর।

• William Wordsworth (1770–1850):
- তিনি Romantic Period -এর একজন English poet ছিলেন।
- তিনি ১৮৪৩ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate হন এবং তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এই ভূমিকা পালন করেন।
- Wordsworth -এর জন্ম Northern England -এর Lake District এ হওয়ায় তাকে Lake Poet বলা হয়।
- He is called the Poet of Nature, the Poet of Childhood.
- তার কবিতায় প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
- তিনি শৈশবকাল থেকেই প্রকৃতির প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করেন।
- Wordsworth -এর লেখার শৈলী সহজ ও প্রাকৃতিক, যা সাধারণ মানুষের ভাষা এবং অভিজ্ঞতাকে তুলে ধরে।

• His famous quotations:
- 'Poetry is the breath and the finer spirit of all knowledge',
- 'Poetry is the spontaneous overflow of powerful feelings: it takes its origin from emotion recollected in tranquillity.'
- 'Ten thousand saw at a glance Tossing their heads in sprightly lance',
- 'I wandered lonely as a cloud',
- 'Child is the father of man',
- 'Our birth is but a sleep and a forgetting',
- 'Nature never did betray the heart that loved her',
- 'Come forth into the light of things, let nature be your teacher'.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

২৬.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল নাটকের লেখক কে?
  1. মমতাজ উদ্দীন আহমদ
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. আব্দুল্লাহ আল মামুন 
ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল নাটক মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত শর্মিষ্ঠা। 
----------------------------------------------
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার।
- তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের অবদানের কারণে তাকে “বাংলা আধুনিক কবিতার জনক” ও “মহাকবি” বলা হয়।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, যা ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি সংস্কৃত রামায়ণের কাহিনীর উপর ভিত্তি করে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। 
- এই কাব্যটি মূলত নয়টি সর্গে বিভক্ত।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
• প্রথম প্রহসন: একেই কি বলে সভ্যতা।
• অন্য প্রহসন: বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ।
• প্রথম ট্র্যাজেডি: কৃষ্ণকুমারী।
• প্রথম সফল নাটক: শর্মিষ্ঠা।
• প্রসিদ্ধ নাটকসমূহ: কৃষ্ণকুমারী, শর্মিষ্ঠা, রিজিয়া, শুভ্রদা, পদ্মাবতী, ও মায়াকানন।
• প্রথম কাব্যগ্রন্থ: The Captive Ladie (ইংরেজি ভাষায় রচিত)।
• একমাত্র গদ্যগ্রন্থ: হেক্টরবোধ (অসমাপ্ত)।
------------------------------ 
- 'শর্মিষ্ঠা' নাটক নিয়ে কিছু কথা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘শর্মিষ্ঠা’ (১৮৫৯) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক। এটি মহাভারতের রাজা যযাতি, দেবযানী ও শর্মিষ্ঠার ত্রিকোণ প্রেম কাহিনীকে কেন্দ্র করে রচিত। নাটকে দৈত্যরাজ কন্যা শর্মিষ্ঠা ও দৈত্যগুরু কন্যা দেবযানীর মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব থাকলেও যযাতিকে ঘিরে তাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও বিবাদের সৃষ্টি হয়। রাজা যযাতি দেবযানীকে বিয়ে করার পর শর্মিষ্ঠাকে নিজ দাসী হিসেবে নিয়ে আসে, পরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা নাটকের প্রধান দ্বন্দ্ব। শেষপর্যন্ত শুক্রাচার্যের মধ্যস্থতা এবং দেবযানীর ক্ষমার মাধ্যমে শর্মিষ্ঠা দাসী থেকে যযাতির দ্বিতীয় পত্নীর মর্যাদা পায়, এবং নাটকটি শুভ সমাপ্তি ঘটে। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২৭.
‘কমলা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. চতুরঙ্গ
  2. ঘরে-বাইরে
  3. মালঞ্চ
  4. নৌকাডুবি
ব্যাখ্যা

‘কমলা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'নৌকাডুবি' উপন্যাসের চরিত্র। 

•  ‘নৌকাডুবি’ উপন্যাস সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নৌকাডুবি’ উপন্যাসটি ১৩১০–১১ বঙ্গাব্দে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নৌকাডুবি’ উপন্যাসে গল্পের মূল চালিকাশক্তি হলো ঝড়ে নৌকাডুবি।
- গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জটিল পারিবারিক সমস্যা।
- গল্পের মূল চরিত্রগুলো হলো- রমেশ, হেমনলিনী, কমলা ও অন্নদাবাবু।
- নৌকাডুবির ঘটনা কিভাবে রমেশ হেমনলিনী ও কমলার জীবনকে বদলে দিয়েছে তা নিয়েই গল্পের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।
- উপন্যাসে প্রেম, ভুল বোঝাবুঝি, পারিবারিক ও সামাজিক বাধ্যবাধকতা, চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এবং কমলার ত্যাগ ও আত্মমর্যাদা সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

---------------------------- 
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে  কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তাঁর পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর। 
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান। 
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর ও দার্শনিক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত। 
- তিনি বেশ কিছু উপন্যাস রচনা করেছেন।

- তার বিখ্যাত উপন্যাসসমূহ- 
• বৌঠাকুরাণীর হাট (প্রথম),
• রাজর্ষি, 
• চোখের বালি, 
• নৌকাডুবি, 
• ঘরে-বাইরে,
• শেষের কবিতা,
• করুণা (অগ্রন্থিত),  
• যোগাযোগ ইত্যাদি। 
---------------------------- 
অন্যদিকে, 
- রবিঠাকুর রচিত চতুরঙ্গ’ উপন্যাসের চরিত্র— জ্যাঠামশাই, শচীশ, দামিনী এবং শ্রীবিলাস।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ঘরে বাইরে' উপন্যাসের চরিত্র— নিখিলেশ (উদারপন্থী জমিদার), বিমলা (নিখিলেশের স্ত্রী) এবং সন্দ্বীপ (উগ্র জাতীয়তাবাদী বন্ধু)।
- রবিঠাকুরের 'মালঞ্চ' উপন্যাসের মূল চরিত্র— নীরজা, আদিত্য, সরলা, রমেন। 

উৎস:
সংশ্লিষ্ট উপন্যাস; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

২৮.
‘গণতন্ত্র’ শব্দটি কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?
  1. উপমান কর্মধারয় সমাস
  2. উপমিত কর্মধারয় সমাস
  3. রূপক কর্মধারয় সমাস
  4. মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা

‘গণতন্ত্র’ শব্দটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের দৃষ্টান্ত। 
---------------------------------------
• মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস:
- মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হলো এমন সমাস যেখানে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লোপ পায়।
- অর্থাৎ, সাধারণ বাক্যে যে মধ্যপদটি থাকে—যেমন: 'নিয়ন্ত্রিত' 'চিহ্নিত', 'বিষয়ক', 'রক্ষার্থে', 'আশ্রিত', 'মিশ্রিত', 'শোভিত' ইত্যাদি—সেই মধ্যপদটি সমাস গঠনের সময় উধাও হয়ে যায়। 
- উদাহরণস্বরূপ- গণ নিয়ন্ত্রিত তন্ত্র = গণতন্ত্র; এখানে ‘নিয়ন্ত্রিত’ মধ্যপদটি লোপ পেয়েছে। 

- কিছু মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ- 
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা → ‘সাহিত্যসভা,
- শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী = শিক্ষামন্ত্রী, 
- জ্যোৎস্না শোভিত রাত = জ্যোৎস্নারাত, 
 - স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ,
- চালে আশ্রিত কুমড়া = চালকুমড়া,
- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ,
- গণ নিয়ন্ত্রিত তন্ত্র = গণতন্ত্র,
- পল মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন, 
- দুধ মিশ্রিত সাগু = দুধসাগু ইত্যাদি।
----------------------------------------------- 
অন্যদিকে, 
উপমান কর্মধারয় সমাস-
- উপমান কর্মধারয় সমাস হলো এমন সমাস যেখানে সাধারণ ধর্মবাচক পদকে উপমাবাচক পদের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
- এই সমাসে উপমাবাচক পদটি সেই পদকে প্রকাশ করে যার সঙ্গে তুলনা করা হয়।
- উদাহরণ: তুষারশুভ্র = তুষারের ন্যায় শুভ্র। 

উপমিত কর্মধারয় সমাস-
- উপমিত কর্মধারয় সমাস হলো এমন সমাস যেখানে সাধারণ গুণ স্পষ্টভাবে বলা হয় না।
- কিন্তু উপমেয় পদকে উপমানের সঙ্গে যুক্ত করা হয় এবং উপমেয় পদটি আগে আসে।
- উদাহরণ: চন্দ্রমুখ = মুখ চন্দ্রের ন্যায়।

রূপক কর্মধারয় সমাস-
- রূপক কর্মধারয় সমাস হলো এমন সমাস যেখানে উপমান ও উপমেয়কে অভিন্ন কল্পনা করা হয়।
- এ সমাসে উপমেয় পদটি আগে এবং উপমান পদটি পরে বসে।
- এবং সমস্যমান পদে ‘রূপ’ শব্দটি যোগ করে মূল ব্যাসবাক্য তৈরি হয়।
- উদাহরণ: বিষাদসিন্ধু = বিষাদ রূপ সিন্ধু, মনমাঝি = মন রূপ মাঝি। 

উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি - নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ),
ভাষা- শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।।

২৯.
জসীম উদ্‌দীন রচিত ‘কবর’ কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. নক্সী কাঁথার মাঠ
  2. রাখালী
  3. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  4. বালুচর
ব্যাখ্যা

• জসীম উদ্‌দীন রচিত ‘কবর’ কবিতাটি রাখালী কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।

• 'কবর' কবিতা নিয়ে কিছু কথা: 
- জসীম উদ্‌দীনের ‘কবর’ কবিতায় একজন নিঃস্ব ও নিঃসঙ্গ বৃদ্ধের বেদনা ফুটে উঠেছে।
- বৃদ্ধ তার প্রিয়তমা স্ত্রী, পুত্র, পুত্রবধূ ও কন্যাকে হারানোর দুঃখে একমাত্র নাতিকে নিয়ে কবরের পাশে বসে তাদের স্মৃতি স্মরণ করতেন।  
- কবিতায় কবি গ্রামীণ জীবনের সহজ ভালোবাসা, ত্যাগ ও বিয়োগান্তক অভিজ্ঞতা ফুটিয়ে তুলেছেন। 
- কবিতাটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’র অন্তর্ভুক্ত।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯টি কবিতা রয়েছে। 
- ‘কবর’ কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কল্লোল পত্রিকায়। 
----------------------------------------
কবিতা- কবর।
কবি- জসীম উদ্‌দীন।

“এইখানে তোর দাদীর কবর ডালিম গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা।” 

---------------------------------------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- তাঁকে “পল্লীকবি” উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

- পল্লীকবির লেখা বিখ্যাত কাব্যগুলোর মধ্যে রয়েছে- 
- নক্সী কাঁথার মাঠ, 
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- রাখালী,
- বালুচর, 
- ধানখেত,
- হাসু,
- রূপবতী। 

উৎস:
'কবর' কবিতা;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৩০.
‘প্রৌঢ়’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? 
  1. প্র + উঢ়
  2. প্র + ঊঢ়
  3. প্রৌ +  উঢ়
  4. প্রৌ + ঢ়
ব্যাখ্যা

‘প্রৌঢ়’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ- প্র + ঊঢ়। 
- ‘প্রৌঢ়’ শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
---------------------------------------------
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি:
- নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি হলো সেই সকল স্বরসন্ধি, যেগুলো প্রচলিত ব্যাকরণীয় নিয়মে না পড়ে ব্যতিক্রমী বা বিশেষ রূপে গঠিত।

- নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ কিছু উদাহরন:
প্রৌঢ়: প্র + ঊঢ়;
• কুলটা: কুল + অটা;
• শুদ্ধোদন: শুদ্ধ + ওদন;
• অন্যান্য: অন্য + অন্য;
• মার্তণ্ড: মার্ত + অণ্ড;
• বিম্বষ্ঠো: বিম্ব + ওষ্ঠ;
• পরোক্ষ: পর+ অক্ষ;
• গবেন্দ্র: গো + ইন্দ্র;
• গবাক্ষ: গো+অক্ষ;
• স্বৈর: স্ব+ঈর;
• সীমন্ত: সীম+অন্ত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৩১.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক-
  1. রক্তাক্ত প্রান্তর
  2. ওরা কদমআলী
  3. মহাশ্মশান
  4. পাথর
ব্যাখ্যা

পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক- 'রক্তাক্ত প্রান্তর'। 

• ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নিয়ে কিছু কথা: 
- মুনীর চৌধুরীর উল্লেখযোগ্য নাটক ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- নাটকটি কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান’ কাব্য থেকে অনুপ্রাণিত।
- এই নাটকে তিনি যুদ্ধবিরোধী চেতনা, সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে মানবিক প্রেম এবং যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতি তুলে ধরেছেন।
- নাটকের মূল বার্তা হলো—যুদ্ধ কখনো প্রকৃত বিজয় আনে না;
- বরং এটি মানবজীবনের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি।
-------------------------------------- 
• মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্যসমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী ও বুদ্ধিজীবী।
- তিনি তৎকালীন ঢাকা জেলার মানিকগঞ্জ শহরে ২৭ নভেম্বর ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি পাকিস্তান সরকারের হাতে বন্দী হন।
- কারাগারে থাকাকালীনই তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘কবর’ (১৯৫৩) রচনা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহযোগী আল-বদর বাহিনী তাঁকে তাঁর বাড়ি থেকে অপহরণ করে এবং সেদিনই তাঁকে হত্যা করা হয়।

• মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য। 
-----------------------
অন্যদিকে, 
- ওরা কদমআলী ও পাথর হচ্ছে মামুনুর রশীদ নির্মিত নাটক।
- মহাশ্মশান হচ্ছে কায়কোবাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

৩২.
নিম্নলিখিত কোনটি ‘তোয়ধি’ শব্দের সমার্থক নয়?
  1. অম্বুধি 
  2. অর্ণব
  3. পূষণ
  4. বারীন্দ্র 
ব্যাখ্যা

‘তোয়ধি’ শব্দের সমার্থক নয় ‘পূষণ’।
- ‘পূষণ’ হলো সূর্যের সমার্থক।
------------------------------------------
• ' পূষণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
সূর্য, রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক ,ভানু, তপন, আদিত্যভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, পূষণ, সূর, মিত্র, দিনপতি, আফতাব।
-----------------------
অন্যদিকে,
• ‘তোয়ধি’ হলো সাগরের সমার্থক।
- সাগর এর আরও কিছু সমার্থক শব্দ:
- সমুদ্র, সিন্ধু, অর্ণব, জলধি, জলনিধি, বারিধি, পারাবার, রত্নাকর, বরুণ, দরিয়া, পারাবার, বারীন্দ্র, পাথার, বারীশ, পয়োনিধি, তোয়ধি, বারিনিধি, অম্বুধি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

৩৩.
“সানিয়া টেনিস বল দিয়ে টেনিস খেলে।”- বাক্যটিতে ‘টেনিস’ কোন কারক নির্দেশ করে? 
  1. কর্তৃকারক
  2. কর্মকারক
  3. অধিকরণ কারক
  4. করণ কারক
ব্যাখ্যা

“সানিয়া টেনিস বল দিয়ে টেনিস খেলে।” - বাক্যটিতে ‘টেনিস’ কর্ম কারক নির্দেশ করে।

 কর্মকারক চিহ্নিত করতে ক্রিয়াপদকে "কী" বা "কাকে" দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়। 
- “সানিয়া টেনিস বল দিয়ে টেনিস খেলে।” - বাক্যটিতে ‘টেনিস’ → কর্মকারক (ক্রিয়ার লক্ষ্যবস্তু)।
- যদি প্রশ্ন করা হয় কী খেলে তাহলে উত্তর আসবে টেনিস। 
- টেনিস ক্রিয়ার লক্ষ্যবস্তু বিধায় টেনিস কর্মকারক। 

---------------------------------------------
• কর্মকারক: 
- কর্মকারক হলো সেই বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ, যার ওপর ক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- অর্থাৎ, যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, সেটিই কর্মকারক।

- কর্মকারকের কিছু উদাহরণ-
- রিমা আপেল খাচ্ছে → "কী খাচ্ছে?" → আপেল (কর্মকারক)।
- শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন → "কাকে পড়াচ্ছেন?" → শিক্ষার্থীদের (কর্মকারক)।
- আমি জল পান করি → "কী পান করি?" → জল (কর্মকারক)

- কর্মকারকের প্রকারভেদ:
- মুখ্য কর্ম: বস্তুবাচক, যেমন আপেল।
- গৌণ কর্ম: ব্যক্তিবাচক, যেমন ছাত্রীদের।
- মুখ্য ও গৌণ উভয় ধরনের কর্মই কর্মকারক হিসেবে গণ্য হয়।
-------------------------------------
অন্যদিকে,
- কর্তৃকারক – কাজটি যে করে তাকে বোঝায় (এখানে সানিয়া)।
- করণকারক – কী দিয়ে কাজটি সম্পন্ন হচ্ছে → টেনিস বল দিয়ে; তাই টেনিস বল করণকারক। 
- অধিকরণ কারক – কাজটি কোথায় বা কখন হয় তা বোঝায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

৩৪.
কাজী নজরুল ইসলামের ‘দারিদ্র’ কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল?
  1. বেগম
  2. সওগাত
  3. সমকাল 
  4. কল্লোল
ব্যাখ্যা

কাজী নজরুল ইসলামের ‘দারিদ্র’ কবিতাটি কল্লোল পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
-------------------------------------------------
'দারিদ্র্য' কবিতার খুঁটিনাটি- 
- 'দারিদ্র্য' কবিতাটি নজরুল ইসলামের সিন্ধুহিন্দোল কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি ১৩৩৩ বঙ্গাব্দের 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। 
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘দারিদ্র্য’ কবিতার মূলভাব হলো দারিদ্র্যকে হীনতা নয়, বরং শক্তি ও মর্যাদার উৎস হিসেবে তুলে ধরা।
- কবি নিজের দারিদ্র্যকে খ্রিস্টের কণ্টক-মুকুটের সঙ্গে তুলনা করে দেখিয়েছেন যে, এই দারিদ্র্যই তাঁকে সাহসী, স্বাধীনচেতা ও তীক্ষ্ণ ভাষার অধিকারী করেছে।
- দারিদ্র্য তাঁর মধ্যে শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী চেতনা জাগিয়েছে।
- এবং মানবতার পক্ষে দাঁড়ানোর প্রেরণা দিয়েছে। 
- তাই কবিতাটি দুঃখের আর্তনাদ নয়।
- বরং এটি প্রতিকূলতাকে জয় করে সাম্য ও বিদ্রোহের আদর্শ প্রতিষ্ঠার শক্তিশালী প্রকাশ।

 • কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন একজন বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, দার্শনিক, এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া।
- বাংলা সাহিত্যে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত।

• নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো- 
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- চক্রবাক,
- প্রলয় শিখা,
- দোলনচাঁপা,
- ও ভাঙার গান।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- শিউলিমালা,
- বেদনার দান ও
- পদ্মগোখরা।

• তাঁর বিখ্যাত নাটক:
- আলেয়া,
- ঝিলিমিলি,
- মধুমালা ও
- পুতুলের বিয়ে।

• তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস:
- বাঁধনহারা,
- মৃত্যুক্ষুধা ও
- কুহেলিকা।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া। 

৩৫.
কোনটি নির্মলেন্দু গুণ রচিত ভ্রমণ কাহিনি? 
  1. যাত্রী
  2. ইউরোপের চিঠি
  3. ভ্রমি দেশে দেশে
  4. চলে মুসাফির
ব্যাখ্যা

‘ভ্রমি দেশে দেশে’ - নির্মলেন্দু গুণ রচিত ভ্রমণ কাহিনি।
---------------------------------------------------
• নির্মলেন্দু গুণ:
- নির্মলেন্দু গুণ বাংলাদেশের একজন অন্যতম জনপ্রিয় কবি।
- তিনি ১৯৪৫ সালে নেত্রকোণার বারহাট্টার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর ডাকনাম ছিল রতন।
- তাকে “বাংলাদেশের কবিদের কবি” হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- তাঁর কবিতায় প্রেম, বিপ্লব, গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রা, সমাজের বাস্তবতা এবং রাজনৈতিক চেতনা গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
- কবিতা ছাড়াও তিনি অনুবাদকৃত কবিতা এবং ছোটগল্প রচনা করেছেন।

• তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে-
- প্রেমাংশুর রক্ত চাই,
- না প্রেমিক না বিপ্লবি,
- চাষাভূষার কাব্য,
- নিশিকাব্য।

• তাঁর অনুবাদকৃত কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
- রক্ত আর ফুলগুলি,
- তোহু,
- রাজনৈতিক কবিতা।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প-
- অন্তর্জাল,
- আপনদলের মানুষ।
---------------------------------
অন্যদিকে,
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভ্রমণকাহিনী- 'যাত্রী'।
• ‘ইউরোপের চিঠি’ অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত একটি ভ্রমণ কাহিনি।
• 'চলে মুসাফির' জসীমউদ্দীন রচিত ভ্রমণ কাহিনি। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
দৈনিক ইনকিলাব;
বাংলাপিডিয়া। 

৩৬.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. শিরশ্ছেদ
  2. রূপায়ণ 
  3. শুশ্রুষা
  4. তিতিক্ষা
ব্যাখ্যা

বানান শুদ্ধিকরণ:

অশুদ্ধ বানান - 'শুশ্রুষা'।
- শব্দের শুদ্ধ বানান - 'শুশ্রূষা'। 
- শব্দটির অর্থ - 'শুশ্রূষা' শব্দের অর্থ হলো পরিচর্যা, যত্ন, সেবা, তত্ত্বাবধান।
- বিশেষত 'শুশ্রূষা' শব্দটি রোগীর পরিচর্যা বা সেবা করাকে বোঝায়।
- এর বিপরীত শব্দগুলো হলো- অবহেলা, অনাদর, উপেক্ষা, অযত্ন।
- 'শুশ্রূষা' একটি বিশেষ্য পদ। 
-----------------------------------------
অন্যদিকে,
• শিরশ্ছেদ, রূপায়ণ, তিতিক্ষা - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩৭.
'ছ কড়া ন কড়া’ বাগ্‌ধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
  1. হিসেব ঠিকভাবে বুঝে নেয়া 
  2. দুর্লভ বস্তু
  3. সস্তা দর
  4. উচ্চমূল্যযুক্ত পণ্য
ব্যাখ্যা

'ছ কড়া ন কড়া' বাগ্‌ধারাটির অর্থ হলো- সস্তা দর।
- “ছ কড়া ন কড়া” বাগ্‌ধারা ব্যবহার করা হয় সস্তা বা নগণ্য দামের জিনিস বোঝাতে, অর্থাৎ যা সহজে কেনা যায় বা যার মূল্য কম।
-------------------------------------------- 
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা-
- অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ, অকেজো;
- আকাশ কুসুম = অসম্ভব কল্পনা;
- ইঁদুর কপালে = নিতান্ত মন্দভাগ্য;
- উড়নচন্ডী = অমিতব্যয়ী;
- এলোপাতাড়ি = বিশৃঙ্খলা;
- ওজন বুঝে চলা = অবস্থা বুঝে চলা;
- কচুকাটা করা = নির্মমভাবে ধ্বংস করা;
- খাল কেটে কুমির আনা = বিপদ ডেকে আনা;
- গরজ বড় বালাই = প্রয়োজনে গুরুত্ব;
- ঘর ভাঙানো = সংসার বিনষ্ট করা;
- চক্ষুদান করা = চুরি করা;
- জগাখিচুড়ি পাকানো = গোলমাল বাধানো;
- ঝড়ো কাক = বিপর্যস্ত;
- টাকার কুমির = ধনী ব্যক্তি;
- ডুমুরের ফুল = দুর্লভ বস্তু; 
- ঠাঁট বজায় রাখা = অভাব চাপা রাখা;
- ঢাক ঢাক গুড় গুড় = গোপন রাখার চেষ্টা;
- তাসের ঘর = ক্ষণস্থায়ী;
- থ বনে যাওয়া = স্তম্ভিত হওয়া

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

৩৮.
"পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়”- কাব্যনাট্যটির পটভূমি-  
  1. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ 
  2. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান 
  3. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

"পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়”- কাব্যনাট্যটির পটভূমি- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। 
--------------------------------------------------------
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নিয়ে কিছু কথা- 
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’  সৈয়দ শামসুল হকের রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধনির্ভর কাব্যনাট্য। 
- নাটকটি ১৯৭৫ সালে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেডে রচনা করা হয়।
- পরের বছর ১৯৭৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়। 
- এটি বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির চেতনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এক অনুপ্রেরণামূলক নাট্যকর্ম। 
- নাটকের পটভূমিতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের শত্রুমুক্তির সন্ধিক্ষণে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে। 
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ শিরোনামটি প্রতীকীভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের আসন্ন আগমন ও বিজয়ের বার্তাবাহী পদচারণাকেই নির্দেশ করে।
----------------------
• সৈয়দ শামসুল হক:
- সৈয়দ শামসুল হক ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রতিভাবান কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও ছোটগল্পকার।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে তার বহুমুখী অবদানের জন্য তাঁকে ‘সব্যসাচী লেখক’ হিসেবে সম্মানিত করা হয়।

- সৈয়দ শামসুল হকের প্রধান রচনা: 
• তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস - নিষিদ্ধ লোবান।
• তাঁর সবচেয়ে বিতর্কিত উপন্যাস - খেলারাম খেলদে দে।

• কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক),
- নুরলদীনের সারাজীবন,
- এখানে এখন।

• গল্পগ্রন্থ:
- তাস,
- শীতের শেষ বিকেল,
- আনন্দের মৃত্যু,
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান,
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)।

• কবিতা:
- একদা এক রাজ্যে,
- বৈশাখে রচিত পঙ্‌ক্তিমালা, 
- পরানের গহীন ভিতর,
- কাননে কানে তোমারই সন্ধানে,
- আমি জন্মগ্রহণ করিনি ইত্যাদি।
------------------------------------------------
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৩৯.
'বাস টার্মিনাল ছেড়েছে' বাক্যটিতে ‘টার্মিনাল' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তা কারকে শূন্য
  2. করণ কারকে শূন্য 
  3. কর্ম কারকে শূন্য
  4. অপাদান কারকে শূন্য
ব্যাখ্যা

'বাস টার্মিনাল ছেড়েছে' বাক্যটিতে ‘টার্মিনাল' অপাদান কারকে শূন্য বিভক্তি।

- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা থেকে? কী থেকে? কিসের থেকে?—এই প্রশ্নগুলো করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই অপাদান কারক। 
- যেমন— বাস টার্মিনাল ছেড়েছে।
- এখানে ‘টার্মিনাল’ থেকে বাসটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
- ‘টার্মিনাল’ শব্দে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি অপাদান কারকে শূন্য বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

------------------
অপাদান কারক:
- অপাদান কারক হলো সেই কারক, যেখান থেকে কোনো কিছু বিচ্ছিন্ন হয়, উৎপত্তি ঘটে, শুরু হয় বা দূরে সরে যায়।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা থেকে? কী থেকে? কিসের থেকে?—এই প্রশ্নগুলো করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই অপাদান কারক। 

-----------
অন্যদিকে,
• কর্তৃকারক- 
- বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলা হয়।
- অর্থাৎ, যে কাজটি করে তাকেই কর্তা বা কর্তৃকারক বলা হয়।
- কর্তৃকারক শনাক্ত করতে বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে ‘কে?’ বা ‘কারা?’ প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
- যেমন— পাগলে কিনা বলে।
- এখানে ‘কে কিনা বলে?’ প্রশ্নের উত্তরে ‘পাগল’ পাওয়া যায়।
- তাই ‘পাগল’ হলো কর্তৃকারক।
এই বাক্যেটি কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি। 

• কর্মকারক- 
- যাকে অবলম্বন করে বা আশ্রয় নিয়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে কর্মকারক বলা হয়।
- কর্মকারক শনাক্ত করতে বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে ‘কী?’ বা ‘কাকে?’ প্রশ্ন করতে হয়।
- যেমন— ‘বিহগে ললিত গান শিখায়েছ ভালবেসে’।
- প্রশ্ন: শিখানো কাকে অবলম্বন করে হয়েছে?
- উত্তর: বিহগকে।
- অতএব, ‘বিহগ’ হলো কর্মকারক।

• করণকারক- 
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককে করন কারক বলা হয়।
- ক্রিয়াপদকে ‘কিসের দ্বারা?’ বা ‘কি দিয়ে?’ প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই করণ কারক।
- যেমন— মন দিয়ে করো সবে বিদ্যা অর্জন।
- প্রশ্ন: কি দিয়ে বিদ্যা অর্জন করো?
- উত্তর: মন দিয়ে।
- অতএব, ‘মন দিয়ে’ হলো করণ কারক।
- এই বাক্যটি করণ কারকে তৃতীয়া  বিভক্তি। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

৪০.
চর্যাপদের কত নম্বর পদ শবরপা রচনা করেছেন?
  1. ১২ ও ২০ নং পদ 
  2. ২৮ ও ৫০ নং পদ 
  3. ৪৮ ও ৫০ নং পদ 
  4. ২ ও ৫০ নং পদ  
ব্যাখ্যা

• শবরপা:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চর্যাপদের প্রাচীনতম কবি শবরপা।
- শহীদুল্লাহর মতে তিনি বাংলাদেশের লোক ছিলেন।
- শবরপা নাগর্জুনের শিষ্য ছিলেন।
- সংস্কৃত ও অপভ্রংশ ভাষা মিলিয়ে তিনি মোট ১৬টি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন।
- চর্যাপদের ২৮ ও ৫০ নম্বর পদের রচয়িতা শবরপা।
- ড. শহীদুল্লাহ শবরপাকে লুইপার গুরু হিসেবে মনে করেন।

৪১.
'অলুক বহুব্রীহি' সমাস নয় কোনটি? 
  1. গায়ে হলুদ
  2. হাতেখড়ি
  3. হাতেকাটা 
  4. মুখেভাত
ব্যাখ্যা

'অলুক বহুব্রীহি' সমাস নয়- হাতে কাটা। 
- হাতে কাটা অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।

---------------------------------
• অলুক বহুব্রীহি সমাস:
- পূর্বপদের বিভক্তি লোপ না পেয়ে যে বহুব্রীহি সমাস হয় তাকে অলুক বহুব্রীহি সমাস বলে।
- যেমন:
- গলায় গামছা যার = গলায়গামছা,
- মুখে ভাত দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = মুখেভাত,
- মাথায় পাগড়ি যার = মাথায়পাগড়ি,
- গায়ে হলুদ দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = গায়ে-হলুদ।
- হাতে খড়ি দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি। 

• অলুক বহুব্রীহি সমাসের কিছু উদাহরণ-
- কথায় পটু, মাথায় ছাতা, চশমা-নাকে, মুখে-মধু,পায়ে-বেড়ি ইত্যাদি।

----------------------------
• অলুক তৎপুরুষ সমাস:
- যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে বিভক্তি লোপ পায়না তাই অলুক তৎপুরুষ সমাস।
যেমন:
- চিনির বলদ = চিনির বলদ,
- তেলে ভাজা = তেলে ভাজা,
- ঘিয়ে ভাজা = ঘিয়ে ভাজা ইত্যাদি। 

উৎস:
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

৪২.
'যদি তারে নাই চিনি গো, সে কি আমায় নেবে চিনে।'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. সরল বাক্য
  2. সংযুক্ত বাক্য
  3. যৌগিক বাক্য
  4. জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা

'যদি তারে নাই চিনি গো, সে কি আমায় নেবে চিনে'- এটি জটিল বাক্য। 
---------------------------------------- 
• জটিল বাক্য:
- একটি প্রধান বাক্যের সঙ্গে অধীনস্থ এক বা একাধিক খণ্ড বাক্য সাধারণভাবে বা কোনো অনুসর্গী সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সাপেক্ষ সর্বনাম দিয়ে যুক্ত হয়ে পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হলে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।

- জটিল বাক্য গঠনের নিয়ম:
• জটিল বাক্য গঠিত হয় প্রধান বা স্বাধীন বাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য এর সংযোগে।
• আশ্রিত বাক্য সাধারণত ‘যে’, ‘যিনি’, ‘যা’, ‘যখন’, ‘যেখানে’, ‘যদি’, ‘কারণ’ ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় বা আপেক্ষিক সর্বনাম দ্বারা যুক্ত থাকে।
• আশ্রিত বাক্য প্রধান বাক্যের সাহায্য ছাড়া পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম নয়।
• জটিল বাক্যে প্রধান বাক্য ও আশ্রিত বাক্য পরস্পরের ওপর নির্ভরশীলভাবে ব্যবহার হয়।
 
- যেমন- “যদি তারে নাই চিনি গো, সে কি আমায় নেবে চিনে।”

• এখানে একটি স্বাধীন বাক্য এবং একটি নির্ভরশীল বাক্য আছে।
- প্রধান (Independent) বাক্য: “সে কি আমায় নেবে চিনে।”
- এটি স্বাধীনভাবে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করছে।

• আশ্রিত/নির্ভরশীল (Dependent) বাক্য: “যদি তারে নাই চিনি গো”।
- এটি একাই পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, তাই  প্রধান বাক্যের সাহায্য প্রয়োজন।

• সংযোগকারী: “যদি” → এটি আপেক্ষিক অব্যয়, যা প্রধান বাক্যের সঙ্গে আশ্রিত বাক্যকে যুক্ত করেছে।
----------------------------------
- মিশ্র বা জটিল বাক্যের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ তুলে ধরা হলো :
• যে পরিশ্রম করে, সেই সফলতা লাভ করে।
• যে ব্যক্তির মাথায় বুদ্ধি নেই, সে পরের সমালোচনায় উদ্ধত হয়।
• সবাই জানেন যে, কালো টাকার মালিকগণ সুখী হন না।
• লেখাপড়া বিষয়ে তার যে গভীর অনুরাগ ছিল, একথা বলা যায় না।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

৪৩.
‘অবমূল্যায়ন’ শব্দে ‘অব’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?  
  1. বিকৃত 
  2. নিকৃষ্ট
  3. হীনতা 
  4. সম্যক রুপে 
ব্যাখ্যা

‘অবমূল্যায়ন’ শব্দে ‘অব’ উপসর্গটি হীনতা, হ্রাস বা নিচে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
----------------------------------------- 
• ‘উপসর্গ’:
- উপসর্গ’ শব্দের মূল অর্থ হলো ‘উপসৃষ্ট’।
- এর প্রধান কাজ হলো মূল শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করা।
- উপসর্গের নিজস্ব অর্থ নেই, তবে এটি মূল শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
- উদাহরণস্বরূপ, ‘অবমূল্যায়ন’ শব্দে ‘অব’ উপসর্গ হীনতা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এখানে ‘মূল্যায়ন’ অর্থ মূল্য বা গুরুত্ব কমানো।
- মূল্যায়নের সাথে ‘অব’ উপসর্গযোগে গঠিত অবমূল্যায়ন শব্দটি হীনতা, অবমাননা, অসম্মান বা হেয় প্রতিপন্ন করার অর্থ প্রকাশ করছে।
-------------------------------------------
উল্লেখ্য, 
- উপসর্গ ৩ প্রকার:
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- বাংলা ভাষার নিজস্ব ২১টি উপসর্গ আছে:
- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
- উদাহরন:
- আনমনা এর ‘আন’ = দেশি উপসর্গ।
- নিখুঁত এর ‘নি’ = দেশী উপসর্গ।

• তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ:
- তৎসম উপসর্গ হলো সেই উপসর্গ যা সংস্কৃত থেকে এসেছে এবং সংস্কৃত ধাতু/শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।
- তৎসম উপসর্গ ২০টি: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির্, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।
- উদাহরণ: অবহেলা এর ‘অব’ = তৎসম উপসর্গ।

• বিদেশি উপসর্গ:
- বিদেশি উপসর্গগুলো মূলত ফারসি, আরবি, উর্দু-হিন্দি, এবং ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে।
- পাশাপাশি কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে।
- আরবি: আম, খাস, লা, গর, বাজে, খয়ের।
- ফারসি: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু: হর।
- ইংরেজি: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস:
প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৪৪.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. মাতৃহীন শিশুর কী দুঃখ!
  2. মাতাহীন শিশুর কি দুঃখ।
  3. মাতৃহীন শিশুর কেমন দুঃখ।
  4. মাতাহীন শিশুর কী দুঃখ!
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বাক্য: "মাতৃহীন শিশুর কী দুঃখ"! 
-------------------------------------
• কেন বাক্যটি শুদ্ধ- 
- "মাতৃহীন শিশুর কী দুঃখ" বাক্যটি ব্যাকরণের দিক থেকে সঠিক। 
- এখানে ‘মাতৃহীন’ শব্দটি বিশেষণের কাজ করছে এবং সঠিকভাবে ভাব প্রকাশ করছে।
- এই বাক্যটি কেবল ‘মা নেই’ বোঝায় না;
- বরং মায়ের অভাবজনিত গভীর দুঃখ ও অসহায়ত্বকে প্রকাশ করে, যা একটি আবেগপূর্ণ বাক্যের জন্য উপযুক্ত।

অন্যদিকে,
- ‘মাতাহীন’ ব্যবহার ভুল, কারণ এটি শুধু ‘মা নেই’ বোঝায়।
- কিন্তু মূল অর্থ প্রকাশের জন্য ‘মাতৃহীন’ (যার মা নেই) ব্যবহার করাই সঠিক।
-----------------------------------------
- কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্যশুদ্ধি:
• অশুদ্ধ: ইহার আবশ্যক নেই।
 শুদ্ধ: ইহার আবশ্যকতা নেই।

• অশুদ্ধ: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে।
 শুদ্ধ: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।

• অশুদ্ধ: বিধি লঙ্ঘন হয়েছে।
 শুদ্ধ: বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।

উৎস: 
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৪৫.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বাংলা সাহিত্যকর্মের সঠিক যুগল কোনটি?
  1. একাত্তরের যিশু — শাহরিয়ার কবির
  2. একাত্তরের যাত্রী — মেজর রফিকুল ইসলাম
  3. একাত্তরের বর্ণমালা — শামসুল হুদা 
  4. একাত্তরের বিজয়গাথ — সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বাংলা সাহিত্যকর্মের সঠিক যুগল: একাত্তরের যিশু — শাহরিয়ার কবির।
---------------------------------------------- 
• শাহরিয়ার কবির:
- শাহরিয়ার কবির একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক, লেখক, প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা ও মানবাধিকার কর্মী।
- তিনি ‘একাত্তরের যীশু’ উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও মৌলবাদ বিষয়ক বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন।
- তিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতিরূপেও পরিচিত।
- তাঁর সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার কাজে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
--------------------------------------- 
"একাত্তরের যীশু" নিয়ে কিছু কথা: 
- শাহরিয়ার কবিরের "একাত্তরের যীশু" হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি উপন্যাস।
- এটি একটি বোবা ছেলে ডেসমন্ড এবং তার পরিবারের কষ্টকর বাস্তবতা তুলে ধরেছে।
- উপন্যাসে যুদ্ধকালীন শিশুদের মানসিক অবস্থা, তাদের ভয় এবং চারপাশের ধ্বংসলীলার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- ধর্মীয় রূপকের মাধ্যমে যীশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার অনুভূতির সঙ্গে ডেসমন্ডের অসহায়ত্বকে তুলনা করা হয়েছে।
- এই উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে ১৯৯৩ সালে একই নামের চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়।
----------------------------------------
অন্যদিকে, 
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উল্লেখযোগ্য বাংলা সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে- 
- একাত্তরের যাত্রী — আজয় দাশগুপ্ত;
- একাত্তরের যিশু — শাহরয়ার কবির;
- একাত্তরের বিজয়গাথা — মেজর রফিকুল ইসলাম;
- একাত্তরের ডায়েরি — বেগম সুফিয়া কামাল;
- একাত্তরের বর্ণমালা — আখতার মুকুল;
- একাত্তরের রণাঙ্গন — শামসুল হুদা;

উৎস: একাত্তরের যিশু উপন্যাস। 

৪৬.
"দিবসহি বহূড়ী কাউহি ডর ভাই। রাতি ভইলে কামরু জাই।”- পদটির রচয়িতা কে? 
  1. ঢেণ্ডনপা 
  2. ধর্মপা 
  3. সরহপা 
  4. কুক্কুরীপা 
ব্যাখ্যা

"দিবসহি বহূড়ী কাউহি ডর ভাই। রাতি ভইলে কামরু জাই।”- পদটির রচয়িতা- কুক্কুরীপা । 
--------------------------------- 
• কুক্কুরীপা: 
- বাংলা ভাষার প্রথম মহিলা কবি হিসেবে কুক্কুরীপাকে ধরা হয়।
- ড. সুকুমার সেন মনে করেন কুক্কুরীপার ভাষার সঙ্গে নারীদের ভাষার মিল রয়েছে।
- তিনি মোট ৩টি পদ রচনা করেছেন।
- ২ ও ২০ নম্বর পদ পাওয়া গেছে। 
- কিন্তু ৪৮ নম্বর পদ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
- কুক্কুরীপা রচিত ২ নং পদটি হচ্ছে- "দিবসহি বহূড়ী কাউহি ডর ভাই। রাতি ভইলে কামরু জাই।”
- এর অর্থ হচ্ছে- 'দিনে বউটি কাকের ভয়ে ভীত থাকলেও রাত হলে সে কামরূপে যায়'। 
------------------------------------- 
অন্যদিকে,
• ঢেণ্ডনপা নবম শতকের কবি ছিলেন।
- পেশায় তিনি তাঁতি ছিলেন।
- চর্যাপদে তাঁর রচিত একটিমাত্র পদ পাওয়া যায়।
- ঢেণ্ডনপা চর্যাপদের ৩৩ নম্বর পদ রচনা করেছেন।

• ধর্মপা জন্মেছিলেন নবম শতকে, বিক্রমশীলার এক ব্রাহ্মণ বংশে।
- তাঁর গুরু ছিলেন কাহ্নপা।
- চর্যাপদের ৪৭ নম্বর পদটি ধর্মপা রচিত।
- তিনি ভিক্ষু ও সিদ্ধা ছিলেন।

• সরহপা অপভ্রংশ ভাষায় দোহাকোষ রচনা করেছিলেন।
- তার পদাবলীর ভাষা বঙ্গ-কামরূপী।
- সরহপা চর্যাপদে মোট ৪টি পদ রচনা করেছেন।
- তার রচিত পদগুলো হলো ২২, ৩২, ৩৮ এবং ৩৯ নম্বর।
 
উৎস:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

৪৭.
”ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান, 
আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান?”- উক্তিটি কোন কবিতার অংশ?   
  1. বিদ্রোহী
  2. সাম্যবাদী
  3. দারিদ্র
  4. কাণ্ডারী হুঁশিয়ার 
ব্যাখ্যা

”ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গানআসি’ অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান?”-
উক্তিটি কাজী নজরুল রচিত 'কাণ্ডারী হুশিয়ার!' কবিতার অংশ।
---------------------------------------------
কাণ্ডারী হুশিয়ার!
– কাজী নজরুল ইসলাম। 

“দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু, দুস্তর পারাবার
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি-নিশীথে, যাত্রীরা হুশিয়ার!”

“ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান,
আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন্ বলিদান
আজি পরীক্ষা, জাতির অথবা জাতের করিবে ত্রাণ?
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, কান্ডারী হুশিয়ার!” 
---------------------------------------------------------------
কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য–সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- নজরুলের ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে পরিচিত।
- এবং আধুনিক বাংলা গানে তিনি ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- রবীন্দ্রনাথের অনুকরণমুক্ত স্বতন্ত্র সাহিত্যসাধনায় তাঁর অবদান অনন্য।
- সাহিত্য ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি পরাধীনতা, সাম্প্রদায়িকতা ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেন।
- এ কারণে ব্রিটিশ সরকার তাঁর গ্রন্থ নিষিদ্ধ করে ও কারাবন্দি করে।
- কারাগারে তিনি রাজবন্দীর জবানবন্দী রচনা ও দীর্ঘ অনশনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
----------------------------------------
‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ নিয়ে কিছু তথ্য-
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতাটি তাঁর ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় কবিতা।
- অখণ্ড ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতায় কবি যুবসমাজ ও নেতৃত্বকে সাম্প্রদায়িক বিভেদ ভুলে জাতির হাল ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।
- এছাড়া, ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে দেশমাতৃকার মুক্তির বার্তা ও দিয়েছেন। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

৪৮.
গোবি মরুভূমি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. আফ্রিকা
  2. আমেরিকা
  3. এশিয়া
  4. ইউরোপ
ব্যাখ্যা

গোবী মরুভূমি:
- গোবী মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
- মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
- মরুভূমিটি আনুমানিক ১৩ লক্ষ (১২ লক্ষ ৯৫ হাজার) বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট।

• বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান -
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৪৯.
প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ কোনটি?
  1. সমতট
  2. বঙ্গ
  3. হরিকেল
  4. পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।
- পুণ্ড্র প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ।
- পুণ্ড্র 'জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুণ্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ-৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- এখানে গুপ্তদের সুনিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থা ছিল।
- পুণ্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫০.
একনেক (ECNEC) -এর বিকল্প সভাপতি কে?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

৫১.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গণহত্যাটি কোথায় হয়?
  1. রায়ের বাজার
  2. মোহাম্মদপুর
  3. চুকনগর
  4. মিরপুর
ব্যাখ্যা

চুকনগর গণহত্যা:
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যা ছিল চুকনগর গণহত্যা।
- চুকনগর ছিল খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের একটি গ্রাম।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ২০ মে মাত্র এক প্লাটুন পাকিস্তানি সেনা ৪ ঘণ্টায় ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে অন্তত ১২ হাজার নিরীহ মানুষকে।
- প্রকৃতপক্ষে এই গণহত্যায় এরচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন।
- চুকনগরের পাশে ভদ্রা নদীর পানিতে লাশ ভাসিয়ে দেওয়ায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া যায়নি।
- মে মাসের মাঝামাঝি সময় বৃহত্তর খুলনার বাগেরহাট, রামপাল, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা, মংলা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, চালনা, ফরিদপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ ভারতে যাবার উদ্দেশে রওনা হন।
- ভারতে যাবার জন্যে তারা ট্রানজিট হিসেবে বেছে নেন ডুমুরিয়ার চুকনগরকে।
- ২০ মে সকাল ১০টার দিকে ৩টি ট্রাকে করে হঠাৎ পাকিস্তানি সেনারা চুকনগর বাজারের ঝাউতলায় (তৎকালীন পাতখোলা) এসে থামে।
- দুপুর ৩টা পর্যন্ত তারা নির্বিচারে মানুষ হত্যা করতে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

৫২.
মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. স্পিকার
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৫৩.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. বগুড়া
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা- কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায়।
- ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও দৈনিক প্রথম আলো। 

৫৪.
'The Prince of Builder' বলা হয় কাকে?
  1. সম্রাট বাবর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট হুমায়ূন
  4. সম্রাট শাহজাহান
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে শাহজাহান আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর পর শাহজাহান ১৬২৮ খ্রি. ১৪ ফেব্রুয়ারি গাজী উপাধি নিয়ে সিংহাসনে বসেন। 
- মুঘল ইতিহাসে শাহজাহানের রাজত্বকাল “The Age of Marble” নামে খ্যাত।
- তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা।
- তিনি ইতিহাসে ‘The Prince of Builders or Engineer King” নামে পরিচিত।
- সম্রাট শাহজাহানের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হল আগ্রার তাজমহল।
- সম্রাট শাহজাহানের সময়ে ইংরেজরা বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন ওড়িষার পিপলিতে।
- পুত্র আওরঙ্গজেব কর্তৃক দীর্ঘ আট বছর আগ্রা দুর্গে অন্তরীণ থেকে ১৬৬৬ খ্রি. ২২ জানুয়ারি ৭৪ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর নির্মাণাধীন বিখ্যাত স্থাপত্য-
• তাজমহল,
• ময়ূর সিংহাসন,
• দিল্লি জামে মসজিদ,
• লাল কেল্লা,
• খাশমহল,
• শীষমহল,
• সালিমার উদ্যান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

৫৫.
অ্যান্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের কত তম মহাসচিব?
  1. অষ্টম
  2. নবম
  3. দশম
  4. একাদশ
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের মহাসচিববৃন্দ:
- প্রথম: ট্রিগভেলী (নরওয়ে)
- দ্বিতীয়: দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (সুইডেন)
- তৃতীয়: উ থান্ট (মিয়ানমার)
- চতুর্থ: কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম (অস্ট্রিয়া)
- পঞ্চম: জাভিয়ার পেরেজ দ্য কুয়েলার (পেরু)
- ষষ্ঠ: ড. বুট্রোস ঘালি (মিশর)
- সপ্তম: কফি আনান (ঘানা)
- অষ্টম: বান কি মুন (দক্ষিণ কোরিয়া)
- নবম ও বর্তমান: অ্যান্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল)।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৫৬.
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

European Union (EU):
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে ম্যাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র ৬টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: ক্রোয়েশিয়া। 
- সর্বশেষ ত্যাগকারী দেশ: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।
- ইউরোপিয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় ইউয়নিয়নের ইউরোপিয় মুদ্রা প্রচলন শুরু হয় -১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে।
- ১৯৫৭ সালে রোমের চুক্তি মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ছয়টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র ছিল। (বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ এবং নেদারল্যান্ডস) 

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।

৫৭.
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ কততম আসর?
  1. ২২ তম
  2. ২৩ তম
  3. ২৫ তম
  4. ২৬ তম
ব্যাখ্যা

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: 
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আগামী ১১ জুন, ২০২৬ সালে শুরু হবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। 
- এটি ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩ তম আসর।
- ১৯৯৮ বিশ্বকাপ থেকে ৩২ দলের টুর্নামেন্টের প্রথা চালু হয়।
 - এবার সেটি পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। 
- ৩২ দলের বিশ্বকাপ আর থাকছে না, ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ৪৮ দলের।
- ৩২ দলের বিশ্বকাপে মোট ম্যাচ সংখ্যা ছিলো ৬৪ টি।
 - ৪৮ দলের টুর্নামেন্টে যা বেড়ে দাঁড়াবে ১০৪ ম্যাচে।
 - প্রথমে ১৬ টি গ্রুপের প্রস্তাব করা হলেও শেষ পর্যন্ত গ্রুপের সংখ্যা ঠেকেছে ১২ তে।
 - এতদিন যা ছিলো ৮ টি।

 উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৫৮.
ATM এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Automatic talking mobile
  2. Auto touch mobile
  3. Automated teller machine
  4. Auto teller machine
ব্যাখ্যা

ATM:
- ATM এর পূর্ণরূপ Automated Teller Machine.
- যে যন্ত্র একজন গ্রাহকের হিসাব থেকে নগদ বিতরণ করে, হিসাবটিতে জমা গ্রহণ করে, অথবা অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যাবলী সম্পাদন করে তাকে Automated Teller Machine (ATM) বা স্বয়ংক্রিয় টেলার মেশিন বলা হয়।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
• HTML - Hyper Text Markup Language.
• WAN - Wide Area Network.
• MIMD - Multiple Instruction Multiple Data.
• DBMS - Database Management System.
• CPU - Central Processing Unit.
• RAM - Random Access Memory.
• ROM - Read Only Memory.
• OMR - Optical Mark Recognition.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং ব্রিটানিকা।

৫৯.
বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. অক্সিজেন
  4. কার্বন ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল: 
- বায়ুমণ্ডল এর প্রধান উপাদান দুটি- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
- সবচেয়ে বেশী রয়েছে নাইট্রোজেন। যা ৭৮.০২%।
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় প্রধান উপাদান অক্সিজেনের পরিমাণ ২০.৭১%। 
- সবচেয়ে কম ধূলিকণা ও কনিকা। যা ০.০১%।
- বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ০.০৩%।
- জলীয় বাষ্প রয়েছে- ০.৪১%। 
- বায়ুমন্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ।
- এবং বাকি শতকরা ১.২৭ ভাগ অন্যান্য গ্যাস, জলীয়বাষ্প ও কণিকাসমূহ জায়গা জুড়ে আছে।
- ওজোন গ্যাসের স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে জীবজগৎকে রক্ষা করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬০.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা কোনটি?
  1. থানচি
  2. তেঁতুলিয়া
  3. শিবগঞ্জ
  4. মনাকষা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
সর্ব উত্তর:
- স্থান: বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া।
- জেলা: পঞ্চগড়।

• সর্ব পূর্ব:
- স্থান: আখাইনঠং।
- উপজেলা: থানচি।
- জেলা: বান্দরবান।

• সর্ব পশ্চিম:
- স্থান: মনাকষা।
- উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

• সর্ব দক্ষিণ:
- স্থান: ছেড়াদ্বীপ।
- উপজেলা: টেকনাফ।
- জেলা: কক্সবাজার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬১.
২০০৪ সালে ইউক্রেনে সংঘটিত বিপ্লব কী নামে পরিচিত?
  1. জেসমিন বিপ্লব
  2. টিউলিপ বিপ্লব
  3. রোজ বিপ্লব
  4. অরেঞ্জ বিপ্লব
ব্যাখ্যা

কমলা বিপ্লব (Orange Revolution):
- ক্ষমতাবদলকে কেন্দ্র করে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে সংঘটিত কিছু সরকার বিরোধী আন্দোলনকে “কমলা বিপ্লব” বা অরেঞ্জ রেভুলুশ্যন বলে।

অপরদিকে,
- গোলাপ বিপ্লব (Rose Revolution): ২০০৩ সালে জর্জিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক ঘটনাবলীর সমষ্টিকে গোলাপ বিপ্লব বলে।
- টিউলিপ বিপ্লব (Tulip Revolution): ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- জুঁই (জেসমিন) বিপ্লব সংগঠিত হয় ২০১১ সালে। জেসমিন বিপ্লব হয় তিউনিসিয়ায় ১৮ ডিসেম্বর- ১৪ জানুয়ারি ২০১১ সালে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৬২.
'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল’ নামটি কোন যুদ্ধের সাথে জড়িত?
  1. ওয়াটার লু যুদ্ধ
  2. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
  3. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  4. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
- 'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল’ নামটি ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সাথে জড়িত।
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে নার্সিং ইতিহাসের বৈপ্লবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটেছিল অপ্রতুল চিকিৎসা সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল কে লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বলা হয়।
- তাকে আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূতও বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৩.
'বাংলামতি' কৃষিতে কিসের জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. পাট
  4. ইক্ষু
ব্যাখ্যা

বাংলামতি:
- 'বাংলামতি' কৃষিতে এক প্রকার ধান।
- এটি ধানের উন্নত জাত।
- ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- জীবনকাল: ১৫৫ দিন দিন
- উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টর: ৬.০ টন কেজি

• এই জাতের বৈশিষ্ট্য:
১। গাছের উচ্চতা ৮২ সেন্টিমিটার।
২। গাছ হেলে পড়ে না।
৩। চাল লম্বা, চিকন, সুগন্ধি ও সাদা।
৪। ভাত ঝরঝরে।
৫। চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.২%।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান: 
- ইরাটম, 
- ব্রি হাইব্রিড - ১, 
- চান্দিনা, 
- হীরা,
- মালা, 
- বিপ্লব, 
- দুলাভোগ, 
- মোহিনী, 
- সুফলা, 
- আশা, 
- প্রগতি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৬৪.
একটি ভাগ অঙ্কের ভাগফল, ভাজ্য এবং ভাগশেষ যথাক্রমে ১৫, ৯৪০ এবং ২৫ হলে, ভাজক কত? 
  1. ৫৯ 
  2. ৬৫ 
  3. ৬১ 
  4. ৫৮ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ভাগ অঙ্কের ভাগফল, ভাজ্য এবং ভাগশেষ যথাক্রমে ১৫, ৯৪০ এবং ২৫ হলে, ভাজক কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ভাগফল = ১৫
ভাজ্য = ৯৪০
ভাগশেষ = ২৫
ধরি, ভাজক = ক

আমরা জানি, 
ভাজ্য = (ভাজক × ভাগফল) + ভাগশেষ
⇒ ৯৪০ = (ক × ১৫) + ২৫
⇒ ৯৪০ - ২৫ = ক × ১৫
⇒ ক × ১৫ = ৯১৫
⇒ ক = ৯১৫/১৫
∴ ক = ৬১

∴ ভাজক হলো ৬১

৬৫.
যদি 4x + 4x + 4x = 192 হয়, তবে x এর মান কত?
  1. 3
  2. 2
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 4x + 4x + 4x = 192 হয়, তবে x এর মান কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
4x + 4x + 4x = 192
⇒ 4x(1 + 1 + 1) = 192
⇒ 4x × 3 = 192
⇒ 4x = 192/3
⇒ 4x = 64
⇒ 4x = 43
∴ x = 3

৬৬.
সালোকসংশ্লেষণের জন্য উদ্ভিদ কোন দুটি উপাদান গ্রহণ করে?
  1. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  2. পানি ও মাটি
  3. কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি
  4. আলো ও বায়ু
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি

- সালোকসংশ্লেষণের জন্য উদ্ভিদ প্রধানত যে দুটি উপাদান (কাঁচামাল) পরিবেশ থেকে সরাসরি গ্রহণ করে, তা হলো 
পানি (H2O) এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)।
⋅ পানি (H2O): মূলের সাহায্যে মাটি থেকে শোষণ করে নেয়। 
⋅ কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2): পত্ররন্ধ্রের (stomata) মাধ্যমে বাতাস থেকে গ্রহণ করে। 
এছাড়াও, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সূর্যালোক এবং ক্লোরোফিলের উপস্থিতি অপরিহার্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৬৭.
শতকরা বার্ষিক ৪.৫% হার সরল সুদে ৪৫০ টাকার সুদ ৮১ টাকা হতে কত সময় লাগবে?
  1. ৪.৫ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৫.৫ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: শতকরা বার্ষিক ৪.৫% হার সরল সুদে ৪৫০ টাকার সুদ ৮১ টাকা হতে কত সময় লাগবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মূলধন, P = ৪৫০ টাকা
সুদের হার, r = ৪.৫%
সুদ, I = ৮১ টাকা
সময়, n = ? বছর

আমরা জানি,
সুদ, I = (মূলধন × হার × সময়)/১০০
⇒ ৮১ = (৪৫০ × ৪.৫ × n)/১০০
⇒ ৮১ = (২০২৫ × n)/১০০
⇒ ৮১ × ১০০ = ২০২৫ × n
⇒ n = ৮১০০/২০২৫
∴ n = ৪ বছর

সুতরাং, বার্ষিক ৪.৫% হার সরল সুদে ৪৫০ টাকার সুদ ৮১ টাকা হতে ৪ বছর সময় লাগবে। 

৬৮.
একটি ত্রিভুজের ভূমি তার উচ্চতার দ্বিগুণ অপেক্ষা ৬ সে.মি. বেশি। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল ৮১০ বর্গ সে.মি. হলে, এর উচ্চতা কত?
  1. ২৭ সে.মি.
  2. ৩০ সে.মি.
  3. ২৫ সে.মি.
  4. ৩২ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের ভূমি তার উচ্চতার দ্বিগুণ অপেক্ষা ৬ সে.মি. বেশি। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল ৮১০ বর্গ সে.মি. হলে, এর উচ্চতা কত?

সমাধান: 
ধরি, ত্রিভুজের উচ্চতা = h সে.মি.
তাহলে ভূমি = ২h + ৬ সে.মি.

আমরা জানি, 
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
 ⇒ (১/২) × ভূমি × উচ্চতা = ৮১০
 ⇒ (১/২) × (২h + ৬) × h = ৮১০
 ⇒ (২h + ৬) × h = ১৬২০
 ⇒ ২h + ৬h = ১৬২০
 ⇒ ২h + ৬h - ১৬২০ = ০
 ⇒ h + ৩h - ৮১০ = ০
 ⇒ h + ৩০h - ২৭h - ৮১০ = ০
 ⇒ h(h + ৩০) - ২৭(h + ৩০) = ০ 
 ⇒ (h + ৩০)(h - ২৭) = ০ 
হয়, 
h - ২৭ = ০ 
∴ h = ২৭ 
অথবা, 
h + ৩০ = ০
∴ h = - ৩০ ; [ইহা গ্রহণযোগ্য নয় কারণ উচ্চতা ঋণাত্মক হতে পারে না]

সুতরাং, ত্রিভুজের উচ্চতা ২৭ সে.মি.। 

৬৯.
ছয়টি সংখ্যার গড় ক। এদের মধ্যে তিনটি সংখ্যার গড় খ এবং অবশিষ্ট তিনটি সংখ্যার গড় গ হলে, নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক = খ + গ 
  2. ২ক = খ + গ 
  3. ক = ২খ + ২গ 
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ছয়টি সংখ্যার গড় ক। এদের মধ্যে তিনটি সংখ্যার গড় খ এবং অবশিষ্ট তিনটি সংখ্যার গড় গ হলে, নিচের কোনটি সত্য? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
ছয়টি সংখ্যার গড় = ক
∴ ছয়টি সংখ্যার সমষ্টি = ৬ক 

তিনটি সংখ্যার গড় = খ
∴ তিনটি সংখ্যার সমষ্টি = ৩খ 
এবং 
অবশিষ্ট তিনটি সংখ্যার গড় = গ
∴ অবশিষ্ট তিনটি সংখ্যার সমষ্টি = ৩গ 

প্রশ্নমতে, 
৬ক = ৩খ + ৩গ
⇒ ক = ৩(খ + গ)/৬ 
⇒ ক = (খ + গ)/২ 
∴ ২ক = খ + গ 

সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ২ক = খ + গ

৭০.
প্রতিটি ফটোকপি শীটের মূল্য ১ টাকা। প্রথম ১০০০টি ফটোকপির পর বাকি সব কপির উপর ২% ছাড় পাওয়া যায়। তাহলে ৫০০০ শীট ফটোকপি করতে মোট কত টাকা খরচ হবে?
  1. ৪৯০০ টাকা
  2. ৪৯৫০ টাকা
  3. ৪৯২০ টাকা
  4. ৪৯৬০টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রতিটি ফটোকপি শীটের মূল্য ১ টাকা। প্রথম ১০০০টি ফটোকপির পর বাকি সব কপির উপর ২% ছাড় পাওয়া যায়। তাহলে ৫০০০ শীট ফটোকপি করতে মোট কত টাকা খরচ হবে? 

সমাধান:
প্রথম ১০০০ শীটের খরচ = ১০০০ × ১ = ১০০০ টাকা

এবং 
পরবর্তী ৪০০০ শীটের খরচ,
প্রতি শীটের মূল্য = ১ টাকা
২% ছাড়ে প্রতি শীটের মূল্য = ১ - (১ এর ২/১০০) = ১ - ০.০২ = ০.৯৮ টাকা
∴ ৪০০০ শীটের জন্য = ৪০০০ × ০.৯৮ = ৩৯২০ টাকা

∴ মোট খরচ = ১০০০ + ৩৯২০ = ৪৯২০ টাকা 

অতএব, ৫০০০ শীট ফটোকপি করতে মোট খরচ ৪৯২০ টাকা। 

৭১.
যে বর্তনীর সাহায্যে A.C কে D.C তে রূপান্তর করা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. অ্যামিটার
  2. রেকটিফায়ার
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা:
একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার: যে বর্তনীর সাহায্যে পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating Current বা A.C.) কে একমুখী প্রবাহ (Direct Current বা D.C.)-এ রূপান্তর করা হয়, তাকে একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier) বলা হয়।
এটি মূলত ডায়োড ব্যবহার করে A.C.-এর নেগেটিভ অংশকে ইতিবাচক করে বা শুধু ইতিবাচক অংশকে ব্যবহার করে D.C. প্রবাহ তৈরি করে।

অন্য অপশনগুলো-
ক) অ্যামিটার: বর্তনীতে তড়িৎপ্রবাহ (কারেন্ট) পরিমাপ করার যন্ত্র, রূপান্তরের কোনো কাজ করে না।

গ) ট্রান্সফরমার: শুধুমাত্র A.C. ভোল্টেজকে বাড়ায় বা কমায়, কিন্তু A.C. কে D.C. তে রূপান্তর করে না।

ঘ) ট্রানজিস্টর: সুইচ, অ্যামপ্লিফায়ার বা অসিলেটর হিসেবে কাজ করে, সরাসরি A.C. কে D.C. তে রূপান্তর করে না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
y2 - 2yz - 4z - 4 কে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন।
  1. (y - 2)(y - 2z - 2)
  2. (y + 2)(y + 2z + 2)
  3. (y - 2)(y + 2z + 2) 
  4. (y + 2)(y - 2z - 2)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: y2 - 2yz - 4z - 4 কে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন। 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
y2 - 2yz - 4z - 4
= y2 - 4 - 2yz - 4z
= y2 - 22 - 2z(y + 2)
= (y + 2)(y - 2) - 2z(y + 2) ; [a2 - b2 = (a + b)(a - b)]
= (y + 2)(y - 2 - 2z)
= (y + 2)(y - 2z - 2)

৭৩.
বৃত্তের ক্ষেত্রফল ৬১৬ বর্গ সে.মি. হলে, তার ব্যাস কত?
  1. ৩২ সে.মি.
  2. ২৮ সে.মি.
  3. ৩০ সে.মি.
  4. ১৪ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বৃত্তের ক্ষেত্রফল ৬১৬ বর্গ সে.মি. হলে, তার ব্যাস কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ৬১৬ বর্গ সে.মি.

আমরা জানি, 
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr
⇒ ৬১৬ = πr
⇒ r = ৬১৬/ π
⇒ r = ৬১৬/(২২/৭) [যেহেতু, π = ২২/৭] 
⇒ r = (৬১৬ × ৭)/২২ = ১৯৬ 
⇒ r = ১৯৬
⇒ r = √১৯৬ = ১৪ 
∴ r = ১৪ সে.মি.
অর্থাৎ বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৪ সে.মি.

∴ ব্যাস = ২r = ২ × ১৪ = ২৮ সে.মি.

৭৪.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. মিথেন
  4. নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) নাইট্রোজেন

- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো সেই গ্যাস যারা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপ ধরে রেখে গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে।
- প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাসগুলো হলো:
⋅ কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)
⋅ মিথেন (CH4)
⋅ নাইট্রাস অক্সাইড (N2O)
⋅ ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC)
⋅ ওজোন (O3) ইত্যাদি

অন্যদিকে,
- নাইট্রোজেন (N2) এবং অক্সিজেন (O2) বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকলেও (নাইট্রোজেন ≈ ৭৮% এবং অক্সিজেন ≈ ২১%) এরা গ্রিন হাউস গ্যাস নয়। এদের তাপ ধরে রাখার ক্ষমতা খুবই কম, তাই এরা গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে না।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭৫.
১০ বছর আগে মা ও মেয়ের বয়সের অনুপাত ছিল ৩ : ১। ১০ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত হবে ২ : ১। মায়ের বর্তমান বয়স কত?
  1. ৫০ বছর
  2. ৬০ বছর
  3. ৭০ বছর
  4. ৮০ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১০ বছর আগে মা ও মেয়ের বয়সের অনুপাত ছিল ৩ : ১। ১০ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত হবে ২ : ১। মায়ের বর্তমান বয়স কত?

সমাধান: 
ধরি,
বর্তমানে মায়ের বয়স = ক বছর
বর্তমানে মেয়ের বয়স = খ  বছর

দেওয়া আছে, 
১০ বছর আগে বয়সের অনুপাত ৩ : ১
⇒ (ক - ১০) : (খ - ১০) = ৩ : ১
⇒ ক - ১০ = ৩(খ - ১০)
⇒ ক - ১০ = ৩খ - ৩০
⇒ ক = ৩খ - ৩০ + ১০ 
∴ ক = ৩খ - ২০ ......(১) 

এবং ১০ বছর পরে বয়সের অনুপাত ২ : ১
⇒ (ক + ১০) : (খ + ১০) = ২ : ১
⇒ ক + ১০ = ২(খ + ১০)
⇒ ক + ১০ = ২খ + ২০
⇒ ক = ২খ + ২০ - ১০ 
⇒ ক = ২খ + ১০ 
⇒ ৩খ - ২০ = ২খ + ১০ ; [১নং হতে] 
⇒ ৩খ - ২খ = ১০ + ২০ 
∴ খ = ৩০ 

১নং হতে পাই, 
∴ ক = ৩ × ৩০ - ২০ = ৯০ - ২০ = ৭০ 

সুতরাং, মায়ের বর্তমান বয়স ৭০ বছর। 

৭৬.
আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে নিম্ন কম্পাঙ্ক (২ - ৫ MHz) কোন অঙ্গের জন্য উপযোগী?
  1. থাইরয়েড গ্রন্থি
  2. ত্বক ও চোখ
  3. লিভার ও কিডনি
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) লিভার ও কিডনি
আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে (২-৫ MHz) কম্পাঙ্ক (Frequency) সাধারণত শরীরের গভীর স্তরের বা ভেতরের অঙ্গগুলো দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর মূল কারণ হলো নিম্ন কম্পাঙ্কের শব্দতরঙ্গ টিস্যুর অনেক গভীর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

এই কম্পাঙ্ক প্রধানত নিচের অঙ্গগুলোর পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়:
১. পেটের ভেতরের অঙ্গ (Abdominal Organs): যকৃৎ (Liver), পিত্তথলি (Gallbladder), অগ্ন্যাশয় (Pancreas), কিডনি (Kidney) এবং প্লীহা (Spleen)।

২. প্রসূতি ও স্ত্রী রোগ (Obstetrics and Gynecology): গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ এবং জরায়ু বা ডিম্বাশয়ের পরীক্ষার জন্য।

৩. গভীর রক্তনালী: শরীরের গভীরে অবস্থিত বড় রক্তনালীগুলোর প্রবাহ পর্যবেক্ষণে।

সহজ কথা: অঙ্গ যত গভীরে হবে, কম্পাঙ্ক তত কম (যেমন ২-৫ MHz) প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে, শরীরের উপরিভাগের অঙ্গ (যেমন- থাইরয়েড বা স্তন) পরীক্ষার জন্য উচ্চ কম্পাঙ্ক (৭-১৫ MHz) ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৭৭.
১৫ + ১২ + ৯ + ৬ + ....... - ৪৮ ধারাটিতে কয়টি পদ আছে?
  1. ২২টি
  2. ১৮টি
  3. ২৬টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১৫ + ১২ + ৯ + ৬ + ....... - ৪৮ ধারাটিতে কয়টি পদ আছে?

সমাধান:
এটি একটি সমান্তর ধারা।
যার প্রথম পদ, a = ১৫
সাধারণ অন্তর, d = ১২ - ১৫ = - ৩
এবং শেষ পদ, l = - ৪৮

আমরা জানি, 
n-তম পদ, an = a + (n - ১)d
⇒ ১৫ + (n - ১) × (- ৩) = - ৪৮ 
⇒ (n - ১) × (- ৩) = - ৪৮ - ১৫
⇒ (n - ১) × (- ৩) = - ৬৩
⇒ n - ১ = - ৬৩/- ৩
⇒ n - ১ = ২১
⇒ n = ২১ + ১ 
∴ n = ২২

সুতরাং, ধারাটিতে ২২টি পদ আছে।

৭৮.
একটি বর্গাকার বাগানের বাহুর দৈর্ঘ্য ৮০ মিটার। চারদিকে ২ মিটার চওড়া পথ থাকলে পথের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৬৬০ বর্গ মি.
  2. ৬৫০ বর্গ মি.
  3. ৬৭২ বর্গ মি.
  4. ৬৫৬ বর্গ মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বর্গাকার বাগানের বাহুর দৈর্ঘ্য ৮০ মিটার। চারদিকে ২ মিটার চওড়া পথ থাকলে পথের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
বাগানের বাহু = ৮০ মিটার
চারদিকে ২ মিটার চওড়া পথ আছে।

এখন, 
পথসহ বর্গের বাহু = ৮০ + ২ + ২ = ৮৪ মিটার
পথসহ পুরো এলাকার ক্ষেত্রফল = ৮৪ × ৮৪ = ৭০৫৬ বর্গমিটার
এবং শুধু বাগানের ক্ষেত্রফল = ৮০ × ৮০ = ৬৪০০ বর্গমিটার

∴ পথের ক্ষেত্রফল = পুরো এলাকা - বাগানের এলাকা
= ৭০৫৬ - ৬৪০০
= ৬৫৬ বর্গ মি.

সুতরাং, পথের ক্ষেত্রফল ৬৫৬ বর্গ মি.।

৭৯.
৫২ জন ছাত্রের ২৬ দিনের খাদ্য আছে। ৫ দিন পর আরও ৩২ জন ছাত্র আসলে ঐ খাদ্যে কতদিন চলবে?  
  1. ১৫ দিন
  2. ১১ দিন
  3. ১৩ দিন
  4. ৮ দিন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫২ জন ছাত্রের ২৬ দিনের খাদ্য আছে। ৫ দিন পর আরও ৩২ জন ছাত্র আসলে ঐ খাদ্যে কতদিন চলবে? 

সমাধান: 
দিন বাকী আছে (২৬ - ৫) দিন
= ২১ দিন 

এবং মোট ছাত্র সংখ্যা হলো = (৫২ + ৩২) জন
= ৮৪ জন 

এখন,
৫২ জন ছাত্রের চলে = ২১ দিন 
∴ ১ জন ছাত্রের চলে = (২১ × ৫২) দিন 
∴ ৮৪ জন ছাত্রের চলে = (২১ × ৫২)/৮৪ দিন 
= ১৩ দিন। 

অতএব, অবশিষ্ট খাদ্য ৮৪ জন ছাত্রের ১৩ দিন চলবে।

৮০.
তিনটি মুদ্রা একসাথে নিক্ষেপ করা হলে ঠিক দুটি হেড উঠার সম্ভাবনা কত?
  1. ৩/৮
  2. ১/৪ 
  3. ৫/৮ 
  4. ১/২ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিনটি মুদ্রা একসাথে নিক্ষেপ করা হলে ঠিক দুটি হেড উঠার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
তিনটি মুদ্রা নিক্ষেপ করলে মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ২ = ৮টি।
মোট ফলাফল: {HHH, HHT, HTH, HTT, THH, THT, TTH, TTT} 

এখন 'ঠিক দুটি হেড' এর অর্থ দুটি H এবং একটি T অর্থাৎ এই তিনটি ফলাফল: {HHT, HTH, THH}

অনুকূল ফলাফল = ৩টি
এবং মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৮টি

∴ সম্ভাবনা = পছন্দসই ফলাফল/মোট ফলাফল
= ৩/৮ 

সুতরাং, তিনটি মুদ্রা একসাথে নিক্ষেপ করা হলে ঠিক দুটি হেড (Head) উঠার সম্ভাবনা হলো ৩/৮। 

৮১.
পটাশ অ্যালামের অপর নাম কী? 
  1. ব্লিচিং পাউডার
  2. বেকিং সোডা
  3. চুন
  4. ফিটকিরি
ব্যাখ্যা

ফিটকিরি: 
- প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশে এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরির ব্যবহার প্রচলিত। 
- ফিটকিরি অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, পটাশিয়াম সালফার ও ২৪ অণু পানির যৌগ। 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] । 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 
- ফিটকিরি মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- এটি সাধারণত কঠিন অবস্থায় বাজারে প্রচলিত। 

অন্য অপশনগুলো-
ক) ব্লিচিং পাউডার - Ca(OCl)2, আলাদা রাসায়নিক পদার্থ।
খ) বেকিং সোডা - NaHCO3, রান্নায় ব্যবহৃত হয়।
গ) চুন - CaO বা Ca(OH)2, নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮২.
একটি ত্রিভুজের কোণগুলো যথাক্রমে (x + ১০)°, (x + ২০)° এবং (x + ৩০)° হলে, বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত?
  1. ৬০°
  2. ৮০°
  3. ৯০°
  4. ৭০°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের কোণগুলো যথাক্রমে (x + ১০)°, (x + ২০)° এবং (x + ৩০)° হলে, বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত?

সমাধান:
আমরা জানি, 
ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল = ১৮০°

এখন, 
(x + ১০)° + (x + ২০)° + (x + ৩০)° = ১৮০°
⇒ x + ১০° + x + ২০° + x + ৩০° = ১৮০°
⇒ ৩x + ৬০° = ১৮০°
⇒ ৩x = ১৮০° - ৬০°
⇒ ৩x = ১২০°
⇒ x = ১২০°/৩ = ৪০°
∴ x = ৪০°
∴ বৃহত্তম কোণ = x + ৩০ = ৪০ + ৩০ = ৭০°

অতএব, বৃহত্তম কোণের পরিমাণ ৭০°।