পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৩: আইন পরীক্ষা - (সাবজেক্ট ফাইনাল) Topic: Optional Law-1 and Optional Law-2.
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী নিচের কোনটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. কোকা গাছ ও কোকা পাতা
  2. গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
  3. অপিয়াম পপি গাছের বীজ
  4. তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি
সঠিক উত্তর:
গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী মাদকদ্রব্যগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে: 'ক', 'খ', এবং 'গ'। প্রতিটি শ্রেণির মাদকদ্রব্যের সংজ্ঞা এবং অন্তর্ভুক্ত পদার্থগুলো সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত।
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী, 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো গাঁজা গাছ, ভাং গাছ, তাদের শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল, এবং এগুলোর সাথে প্রস্তুতকৃত নেশা বা আসক্তি সৃষ্টিকারী পদার্থ।

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে:
ক) কোকা গাছ ও কোকা পাতা: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ: এটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
গ) অপিয়াম পপি গাছের বীজ: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
ঘ) তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি: এটি 'গ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ।

.
কোন ব্যক্তি যদি জানে যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য কারণ নেই, তবুও তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ধারা ৬ অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে, জেনেশুনে কোনো ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ ছাড়াই তার বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহলে তিনি অন্যূন দুই বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন। এখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ধারা ৬-মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অন্যুন দুই বত্সর এবং অনধিক পাঁচ বত্সর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷

.
A detention order issued by a District Magistrate under Section 3(2) of The Special Powers Act, 1974 remains valid for how long without government approval?
  1. 15 days
  2. 30 days
  3. 60 days
  4. 90 days
সঠিক উত্তর:
30 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
30 days
ব্যাখ্যা

⇒ The Special Powers Act, 1974 এর Section 3(3) অনুসারে, যখন কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট Section 3(2)-এর অধীনে কোনো ব্যক্তিকে আটকের আদেশ (detention order) জারি করেন, তখন সেই আদেশ সরকারের অনুমোদন ছাড়া ৩০ দিনের বেশি বলবৎ থাকতে পারবে না।

⇒ The Special Powers Act, 1974, Section 3(3)- When any order is made under sub-section (2), the District Magistrate or the Additional District Magistrate making the order shall forthwith report the fact to the Government together with the grounds on which the order has been made and such other particulars as, in his opinion, have a bearing on the matter, and no such order shall remain in force for more than thirty days after the making thereof unless in the meantime it has been approved by the Government.

.
"ক্ষতিকর কার্যকলাপ" (prejudicial act) এর সংজ্ঞায় নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জনশৃঙ্খলা ব্যাহত করা
  2. সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ সৃষ্টি
  3. ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ
  4. বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ক্ষতি
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২(চ) অনুসারে "ক্ষতিকর কার্যকলাপ" (prejudicial act) এর সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত:
- বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষার ক্ষতি করা
- বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করা
- বাংলাদেশের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলা বিপন্ন করা
- বিভিন্ন সম্প্রদায়, শ্রেণি বা গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করা
- আইনের প্রশাসন বা জনশৃঙ্খলায় হস্তক্ষেপ করা
- জনগণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সরবরাহ ও সেবা বিঘ্নিত করা
- জনগণের মধ্যে ভয় বা উদ্বেগ সৃষ্টি করা
- রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বা আর্থিক স্বার্থের ক্ষতি করা
→ ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি ব্যক্তিগত দেওয়ানি বিরোধ যা ক্ষতিকর কার্যকলাপের আওতায় পড়ে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর গ।
 ------ 
⇒ The Special Powers Act, 1974, Section-2(f) “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh;  
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State; 
(h) “prescribed” means prescribed by rules made under this Act.

.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ‘শোষণ’ বা ‘নিপীড়ন’-এর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পতিতাবৃত্তি
  2. শিক্ষা প্রদান
  3. জবরদস্তিমূলক শ্রম
  4. ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ২(১৫)-এ ‘শোষণ’ বা ‘নিপীড়ন’-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় শোষণ বা নিপীড়নের মধ্যে নিম্নলিখিত কার্যক্রমগুলো অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এটি শুধু এই বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়:
- পতিতাবৃত্তি বা যৌন শোষণ বা নিপীড়ন
- পতিতাবৃত্তি বা পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন/বিতরণে নিয়োজিত করে মুনাফা অর্জন
- জবরদস্তিমূলক শ্রম বা সেবা আদায়
- ঋণ-দাসত্ব, দাসত্ব, সার্ভিচিউড বা গৃহস্থালীতে সার্ভিচিউড
- প্রতারণামূলক বিবাহের মাধ্যমে শোষণ
- জোরপূর্বক বিনোদন ব্যবসায় ব্যবহার
- ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা
- ব্যবসার উদ্দেশ্যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহানি বা বিকলাঙ্গ করা
এই তালিকা থেকে স্পষ্ট যে, পতিতাবৃত্তি, জবরদস্তিমূলক শ্রম, এবং ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা শোষণ বা নিপীড়নের অংশ হিসেবে গণ্য হয়। কিন্তু শিক্ষা প্রদান এই তালিকায় বা শোষণ/নিপীড়নের সংজ্ঞার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ শিক্ষা প্রদান একটি ইতিবাচক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, যা শোষণ বা নিপীড়নের সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ২(১৫) ‘‘শোষণ’’ বা ‘‘নিপীড়ন’’ (exploitation) অর্থ কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাহার সম্মতিক্রমে বা বিনা সম্মতিতে কৃত নিম্নলিখিত কার্যসমূহ, তবে কেবল এইসব বিষয়েই ইহার অর্থ সীমিত হইবেনাঃ— 
(ক) পতিতাবৃত্তি বা যৌন শোষণ বা নিপীড়নের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে শোষণ বা নিপীড়ন; 
(খ) কোন ব্যক্তিকে পতিতাবৃত্তি অথবা পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন বা বিতরণে নিয়োজিত করিয়া মুনাফা ভোগ; 
(গ) জবরদস্তিমূলক শ্রম বা সেবা আদায়; 
(ঘ) ঋণ-দাসত্ব (debt-bondage), দাসত্ব বা সার্ভিচিউড্(servitude) , দাসত্বরূপ কর্মকাণ্ড, বা গৃহস্থালীতে সার্ভিচিউড্; 
(ঙ) প্রতারণামূলক বিবাহের মাধ্যমে শোষণ বা নিপীড়ন; 
(চ) কোন ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বিনোদন ব্যবসায় ব্যবহার; 
(ছ) কোন ব্যক্তিকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা; এবং 
(জ) ব্যবসা করিবার উদ্দেশ্যে অপরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহানী বা কাউকে বিকলাঙ্গ করা; 

.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ১১ অনুযায়ী জেলা কমিটির সভা _________ অনুষ্ঠিত হবে।
  1. প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার
  2. প্রতি দুই মাসে কমপক্ষে একবার
  3. প্রতি তিন মাসে কমপক্ষে একবার
  4. প্রতি ছয় মাসে কমপক্ষে একবার
সঠিক উত্তর:
প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(২) অনুসারে জেলা কমিটির সভা সম্পর্কে বলা হয়েছে: "(২) জেলা কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিমাসে জেলা কমিটির কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে৷"
অর্থাৎ আইন অনুযায়ী জেলা কমিটিকে প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করতে হবে। সুতরাং, সঠিক উত্তর ক।

.
বিনিময় পত্র (Bill of Exchange) কে তৈরি করে?
  1. বাহক (Bearer)
  2. ধারক (Holder)
  3. গ্রহীতা (Acceptor)
  4. প্রদানকারী (Drawer)
সঠিক উত্তর:
প্রদানকারী (Drawer)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রদানকারী (Drawer)
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৭ অনুযায়ী, বিনিময় পত্র (Bill of Exchange) তৈরি করে প্রদানকারী (Drawer)। প্রদানকারী হলেন সেই ব্যক্তি যিনি বিনিময় পত্রে স্বাক্ষর করে এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে (প্রদানকারী বা Drawee) নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য শর্তহীন নির্দেশ দেন।

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৭ অনুসারে:
- প্রদানকারী (Drawer) হলেন তিনি যিনি বিনিময় পত্র তৈরি করেন বা টানেন (draws the bill)
- গ্রহীতা (Acceptor) হলেন তিনি যিনি বিনিময় পত্রে সম্মতি প্রকাশ করেন
- ধারক (Holder) হলেন তিনি যিনি দলিলের দখলে থাকেন
- বাহক (Bearer) হলেন তিনি যিনি বাহকের নামে প্রদানযোগ্য দলিলের দখলে থাকেন
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৫ এ বিনিময় পত্রের সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে এটি একটি লিখিত দলিল যাতে নির্মাতা (maker) দ্বারা স্বাক্ষরিত শর্তহীন নির্দেশ থাকে। বিনিময় পত্রের ক্ষেত্রে এই নির্মাতাই হলেন প্রদানকারী (Drawer)।

⇒ Section-5. “Bill of exchange”
 A “bill of exchange” is an instrument in writing containing an unconditional order, signed by the maker, directing a certain person to pay on demand or at fixed or determinable future time a certain sum of money only to, or to the order of, a certain person or to the bearer of the instrument.

⇒ Section-7. The maker of a bill of exchange or cheque is called the “drawer;” the person thereby directed to pay is called the “drawee.”

.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী লাইসেন্স, পারমিট বা পাস বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে কত দিন সময় দেওয়া হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৬(২) অনুসারে, লাইসেন্স, পারমিট বা পাস বাতিলের আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৬-লাইসেন্স, ইত্যাদি বাতিল:
(১) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের কোনো শর্ত ভঙ্গ করেন অথবা যদি কোনো লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসধারী ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন, তাহা হইলে লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস প্রদানকারী অফিসার তাহাকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করিয়া তাহার লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস বাতিল করিতে পারিবে। 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশের দ্বারা কোনো ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে- 
(ক) আদেশটি যদি মহাপরিচালকের অধস্তন কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে মহাপরিচালকের নিকট আপিল করিতে পারিবে; এবং 
(খ) আদেশটি যদি মহাপরিচালক কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে সরকারের নিকট আপিল করিতে পারিবে। 
(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত আপিল কর্তৃপক্ষের রায় চূড়ান্ত হইবে এবং উহার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে মামলা দায়ের করা যাইবে না।

.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৫ অনুযায়ী নারী বা শিশুর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৫(৩) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি নারী বা অনূর্ধ্ব ১৮ (আঠারো) বছরের শিশুর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং, রিভেঞ্জ পর্ন, সেক্সটর্শন বা শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত অপরাধ সংঘটন করেন, তাহলে তিনি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর কারাদণ্ডে, বা সর্বোচ্চ ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৫- যৌন হয়রানি, ব্ল‍্যাকমেইলিং বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অন্য কোনো ব্যক্তিকে ব্ল‍্যাকমেইলিং, বা যৌন হয়রানি, বা রিভেঞ্জ পর্ন, বা ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান (চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ ম্যাটেরিয়াল) বা সেক্সটর্শন করিবার অভিপ্রায়ে সৃষ্ট, বা প্রাপ্ত, বা সংরক্ষিত কোনো তথ্য, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত, এডিটকৃত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্মিত অথবা এডিটকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এইরূপ কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করেন, বা প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করার হুমকি প্রদান করেন, যাহা ক্ষতিকর বা ভীতি প্রদর্শক, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ, কোনো নারী বা অনূর্ধ্ব ১৮ (আঠারো) বৎসরের কোনো শিশুর বিরুদ্ধে সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ব্ল‍্যাকমেইলিং’ অর্থ এমন হুমকি বা ভীতি প্রদর্শনকে বুঝাইবে, যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে তাহার গোপনীয় তথ্য প্রকাশের বা ক্ষতি করিবার ভয় দেখাইয়া বেআইনি সুবিধা, সেবা বা চাহিত কোনো কার্য সম্পাদনে বাধ্য করে।

১০.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ৬০ দিনের মধ্যে
  3. ৯০ দিনের মধ্যে
  4. ১২০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৪১(১) অনুযায়ী, শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে।
- ধারা ৪১(১): এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, শিশু-আদালতের আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ থেকে অনধিক ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাবে। এটি ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান থেকে ভিন্ন হলেও শিশু আইনের এই নির্দিষ্ট বিধান প্রাধান্য পায়।
- আপিলের সময়সীমা: এই ৬০ দিনের সময়সীমা শিশুদের বিচার প্রক্রিয়ার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং তাদের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত। এই সময়ের মধ্যে আপিল দায়ের না করলে সাধারণত আপিলের সুযোগ থাকে না, যদি না বিশেষ কারণে আদালত সময় বাড়ানোর অনুমতি দেয়।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৪১ আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায়] প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 
(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।
(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

১১.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুসারে কোন গোষ্ঠী একত্রে মানব পাচার অপরাধ করলে প্রত্যেক সদস্যের জন্য সর্বনিম্ন কত অর্থদণ্ড ধার্য আছে?
  1. ১ লক্ষ টাকা
  2. ৫ লক্ষ টাকা
  3. ১০ লক্ষ টাকা
  4. ৫০ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭ অনুসারে, কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী (Organized Criminal Group) যদি মানব পাচার অপরাধ সংঘটন করে, তবে সেই গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য অন্যূন ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়াও তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্যূন ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭-সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর অধীন অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ট্রাইব্যুনাল কাকে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. জেলা জজকে
  2. পুলিশ সুপারকে
  3. জেলা প্রশাসককে
  4. জেলা কালেক্টরকে
সঠিক উত্তর:
জেলা কালেক্টরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা কালেক্টরকে
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১৬ অনুযায়ী, অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ট্রাইব্যুনাল জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দিতে পারে। ট্রাইব্যুনাল জেলা কালেক্টরকে অপরাধীর স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুত করে ক্রোক, নিলাম বিক্রয়, বা সরাসরি নিলামের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে, এবং এই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১৬ - অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের পদ্ধতি:
১৬। এই আইনের অধীনে কোন অর্থদণ্ড আরোপ করা হইলে, ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট জেলার কালেক্টরকে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বা অনুরূপ বিধি না থাকিলে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অপরাধীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয়বিধ সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুতক্রমে ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় বা ক্রোক ছাড়াই সরাসরি নিলামে বিক্রয় করিয়া বিক্রয়লব্ধ অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং ট্রাইব্যুনাল উক্ত অর্থ অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের ব্যবস্থা করিবে।

১৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী গাঁজা গাছ চাষের ক্ষেত্রে কতটি গাছের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড?
  1. ৫০টির বেশি
  2. ১০০টির বেশি
  3. ৫০০টির বেশি
  4. ১০০০টির বেশি
সঠিক উত্তর:
৫০০টির বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০টির বেশি
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(১) এবং সংশ্লিষ্ট সারণির ক্রমিক নং ১৮ অনুসারে, গাঁজা গাছ চাষের ক্ষেত্রে শাস্তি গাছের সংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়:
→ ৫০টির বেশি কিন্তু ৫০০টির কম গাছ: অন্যূন ৫ বছর, অনূর্ধ্ব ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
→ ৫০০টির বেশি গাছ: অন্যূন ৭ বছর, অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সারণিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"(গ) গাছের সংখ্যা ৫০০টির ঊর্ধ্বে হইলে অন্যূন ৭ বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।"
সুতরাং, ৫০০টির বেশি গাঁজা গাছ চাষের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড।
--------- 
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(১) এবং সংশ্লিষ্ট সারণির ক্রমিক নং ১৮ অনুসারে, প্রথম তপশিলের ‘খ’ শ্রেণির ১ নং ক্রমিকভুক্ত  গাঁজা অথবা ভাং গাছ সম্পর্কে ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর লঙ্ঘন।
(ক) গাছের সংখ্যা অনূর্ধ্ব ৫০টি হইলে অন্যূন ১ বৎসর অনূর্ধ্ব  ৫ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড;
(খ) গাছের সংখ্যা ৫০টির ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ৫০০টি হইলে অন্যূন ৫ বৎসর, অনূর্ধ্ব ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড;
(গ) গাছের সংখ্যা ৫০০টির ঊর্ধ্বে হইলে অন্যূন ৭ বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

১৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের সভার কোরাম গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন কমিশনারের উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. চারজন
সঠিক উত্তর:
দুইজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪(৪) অনুসারে, কমিশনের সভার কোরাম গঠনের জন্য চেয়ারম্যানসহ ন্যূনতম দুইজন কমিশনারের উপস্থিতি প্রয়োজন।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪-কমিশনের সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশন উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷
(২) কমিশনের সকল সভা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে৷
(৩) চেয়ারম্যান কমিশনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কমিশনার সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷
(৪) চেয়ারম্যানসহ দুই জন কমিশনারের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে৷

১৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অতিরাষ্ট্রিক (extraterritorial) প্রয়োগ সম্পর্কিত বিধান কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫-এ এই আইনের অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ (extraterritorial application) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫-এই আইনের অতিরাষ্ট্রিক (extraterritorial) প্রয়োগ:
(১) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে অথবা বাংলাদেশের কোন জাহাজ বা বিমানে কোন ব্যক্তি বাংলাদেশী কোন নাগরিকের বিরুদ্ধে এই আইনের আওতাধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর হইবে। 
(২) যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের বাহির হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অথবা বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে বাংলাদেশের বাহিরে এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটন করে তাহা হইলে উক্ত অপরাধ ও তাহা সংঘটনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশে সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি ও অপরাধের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর হইবে।

১৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১খ-এ উল্লিখিত তফসিলে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতার (Pre-case Mediation) জন্য কতটি আইন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ৭ টি
  2. ৮ টি
  3. ৯ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ টি
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১খ-এ বর্ণিত তফসিলে মামলাপূর্ব বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতার জন্য মোট ৯টি আইন/বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:
১. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ - ধারা ৫
২. বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১
৩. সহকারী জজ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত বণ্টন সম্পর্কিত বিরোধ
৪. State Acquisition & Tenancy Act, 1950 - Section 96
৫. Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 - Section 24
৬. পিতামাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ - ধারা ৮
৭. Negotiable Instruments Act, 1881 - Section 138 (অনধিক ৫ লক্ষ টাকা)
৮. যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ - ধারা ৩ ও ৪
৯. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ - ধারা ১১(গ)

সুতরাং, সঠিক উত্তর ৯টি।

১৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১১ অনুসারে, যৌতুকের জন্য কোন নারীকে সাধারণ জখম (simple hurt) করার সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(গ) অনুসারে, যৌতুকের জন্য কোন নারীকে সাধারণ জখম (simple hurt) করার শাস্তি নিম্নরূপ: "(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।"
এর অর্থ হলো:
- সর্বনিম্ন শাস্তি: ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
- সর্বোচ্চ শাস্তি: ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
অতিরিক্ত: অর্থদণ্ড। 
--------
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১-যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;(
কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

১৮.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর কোন ধারায় অধ্যাদেশের অপর কোনো আইনের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩-এর শিরোনাম হলো "অধ্যাদেশের প্রযোজ্যতা"। এই ধারার উপ-ধারা (১) এ বলা হয়েছে: এই অধ্যাদেশের বিধান কোন আইনের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হলে এই অধ্যাদেশের বিধানই কার্যকর থাকবে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩-অধ্যাদেশের প্রযোজ্যতা:
(১) এই অধ্যাদেশের কোনো বিধানের সহিত অন্য কোনো আইনের কোনো বিধান যদি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহা হইলে উক্ত আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানের সহিত এই অধ্যাদেশের বিধানটি যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয় ততখানির ক্ষেত্রে এই অধ্যাদেশের বিধান কার্যকর থাকিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ২০ নং আইন) এর বিধানাবলি কার্যকর থাকিবে।

১৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক(১) অনুযায়ী, অভিযোগকারী থানায় হাজির হলে অফিসার ইনচার্জের প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
  1. মামলা তদন্ত শুরু করা
  2. অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা
  3. অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করা
  4. ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন পাঠানো
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করা
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৫ক(১) অনুযায়ী, যখন কোনো অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হন, তখন অফিসার ইনচার্জের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো অভিযোগটি তাৎক্ষণিকভাবে এজাহারভুক্ত করা। এর পাশাপাশি, তিনি অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যা এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলির সাপেক্ষে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ দ্রুত ও কার্যকরভাবে গ্রহণ এবং প্রক্রিয়াকরণ নিশ্চিত করা।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৫ক-থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।
(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।

২০.
মানব পাচার অপরাধে তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য সাধারণ সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১২০ কার্যদিবস
  4. ১৫০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ১৯(৩) অনুযায়ী, মানব পাচার অপরাধের তদন্ত সাধারণত ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এটিই সাধারণ সময়সীমা হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, ধারা ১৯(৪)-এ উল্লেখ আছে যে, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তদন্ত কর্মকর্তা সময়সীমা শেষ হওয়ার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে লিখিতভাবে আবেদন করে অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস সময় বৃদ্ধির জন্য অনুমোদন পেতে পারেন। এই অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে সর্বোচ্চ সময়সীমা হতে পারে ১২০ কার্যদিবস। কিন্তু প্রশ্নে সাধারণ সময়সীমা জানতে চাওয়া হয়েছে, যা ৯০ কার্যদিবস।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ১৯-তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন।
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন।
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে।
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।

২১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী দ্বিতীয়বার মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দণ্ডিত ব্যক্তি পুনরায় অপরাধ করলে ধারা ৩৬(৩) অনুযায়ী উক্ত অপরাধের দণ্ড মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড না হলে কী দণ্ড প্রযোজ্য?
  1. সর্বোচ্চ দণ্ডের দ্বিগুণ
  2. অন্তত ২০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ৫-১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অন্তত ২০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তত ২০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(৩) অনুসারে: "(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দ্বিতীয়বার দণ্ডিত হইয়া দণ্ড ভোগ করিবার পর যদি কোনো ব্যক্তি পুনরায় কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ করেন তাহা হইলে উক্ত অপরাধের দন্ড মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড না হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অন্যূন ২০ (বিশ) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।"
- এখানে "অন্যূন ২০ বৎসর" বলতে কমপক্ষে ২০ বছর বোঝায়। অর্থাৎ তৃতীয়বার মাদক অপরাধের জন্য শাস্তি হবে অন্তত ২০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড (যেখানে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অন্তর্ভুক্ত না হলে)।
→ অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৬(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি দ্বিতীয়বার মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে দণ্ড ভোগ করার পর পুনরায় মাদকদ্রব্য অপরাধ করেন, তাহলে উক্ত অপরাধের দণ্ড মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড না হলে তিনি অন্তত ২০ (বিশ) বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

২২.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য কত কর্মদিবস সময় বরাদ্দ?
  1. ৬০ কর্মদিবস
  2. ৯০ কর্মদিবস
  3. ১২০ কর্মদিবস
  4. ১৮০ কর্মদিবস
সঠিক উত্তর:
১২০ কর্মদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ কর্মদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ক (১) অনুযায়ী, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোনো অপরাধের তদন্ত কার্য ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ থেকে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
সুতরাং, তদন্তকারী কর্মকর্তার জন্য প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ সময় হলো ১২০ কর্মদিবস।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ক- তদন্তের সময়সীমা:
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,-
(ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং
(খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।

২৩.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুসারে শিশুকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হবে না?
  1. শিশুর নিরাপত্তা
  2. অপরাধের প্রকৃতি
  3. শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ
  4. অপরাধ জামিনযোগ্য কি না
সঠিক উত্তর:
অপরাধ জামিনযোগ্য কি না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ জামিনযোগ্য কি না
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৫২(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, শিশুকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধটি জামিনযোগ্য বা অজামিনযোগ্য কি না, তা বিবেচনা করবেন না। এটি শিশু আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা ফৌজদারি কার্যবিধি বা অন্যান্য আইনের সাধারণ বিধান থেকে ভিন্ন। এর উদ্দেশ্য হলো শিশুদের সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করা এবং তাদের গ্রেফতার বা আটকের পর দ্রুত মুক্তির সুযোগ দেওয়া।
যদি অপরাধটি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হয়, জামিন দেওয়া শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হয়, শিশু কুখ্যাত অপরাধীর সান্নিধ্যে যেতে পারে, নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হতে পারে, বা ন্যায়বিচার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে জামিন দেওয়া হবে না। এই ক্ষেত্রে শিশুকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশু-আদালতে হাজির করতে হবে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
শিশুর নিরাপত্তা (ক): ধারা ৫২(৩) অনুযায়ী, শিশুর নিরাপত্তা জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা। যদি জামিন দেওয়া শিশুর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয় বা তাকে কুখ্যাত অপরাধীর সান্নিধ্যে নিয়ে যায়, তবে জামিন দেওয়া হবে না।
অপরাধের প্রকৃতি (খ): ধারা ৫২(৩)-এ বলা হয়েছে, যদি অপরাধ গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হয়, তবে জামিন দেওয়া থেকে বিরত থাকা যেতে পারে। অর্থাৎ, অপরাধের প্রকৃতি জামিনের সিদ্ধান্তে বিবেচিত হয়।
শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ (গ): শিশু আইনের মূলনীতি হলো শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করা। ধারা ৫২(৩)-এ উল্লেখ আছে যে, জামিন দেওয়া শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হলে তা দেওয়া হবে না। সুতরাং, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৫২ জামিন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না।
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না।
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে।

২৪.
শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞায় কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হয় না?
  1. শিশুর বয়স
  2. শোষণের উদ্দেশ্য
  3. স্থানান্তর বা আটক
  4. বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম
সঠিক উত্তর:
বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ৩(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচার অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য ধারা ৩(১)-এ বর্ণিত মাধ্যমগুলো (যেমন: ভয়ভীতি প্রদর্শন, বলপ্রয়োগ, প্রতারণা, অর্থ লেনদেন বা দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া) বিবেচনা করা হয় না। এর অর্থ হলো, শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য এই মাধ্যমগুলোর উপস্থিতি প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। শিশু পাচারের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র শোষণের উদ্দেশ্য এবং স্থানান্তর, আটক বা লুকাইয়া রাখার মতো কার্যক্রম প্রমাণিত হলেই তা মানব পাচার হিসেবে গণ্য হবে।

অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) শিশুর বয়স: শিশু সংজ্ঞায়িত হয় ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি হিসেবে (ধারা ২(১৪))। শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞায় বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ এটি শিশু কিনা তা নির্ধারণ করে। তাই এটি বিবেচনা করা হয়।
খ) শোষণের উদ্দেশ্য: মানব পাচারের সংজ্ঞায় শোষণের উদ্দেশ্য (যেমন: যৌন শোষণ, শ্রম শোষণ) একটি মূল উপাদান। শিশুদের ক্ষেত্রেও এটি বিবেচিত হয়।
গ) স্থানান্তর বা আটক: মানব পাচারের সংজ্ঞায় স্থানান্তর, আটক, বিক্রয়, চালান বা লুকাইয়া রাখা অন্তর্ভুক্ত। শিশুদের ক্ষেত্রেও এই কার্যক্রমগুলো বিবেচিত হয়।
ঘ) বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম: শিশুদের ক্ষেত্রে এই মাধ্যমগুলো বিবেচনা করার প্রয়োজন নেই, কারণ শিশুরা তাদের বয়স এবং দুর্বল অবস্থানের কারণে স্বাধীনভাবে সম্মতি দিতে অক্ষম বলে গণ্য হয়।

- অর্থাৎ শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞায় বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম বিবেচনা করা হয় না, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ৩-মানব পাচার:
(১) ‘‘মানব পাচার’’ অর্থ কোন ব্যক্তিকে— 
(ক) ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া; বা 
(খ) প্রতারণা করিয়া বা উক্ত ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক বা পরিবেশগত বা অন্য কোন অসহায়ত্বকে (vulnerability) কাজে লাগাইয়া; বা 
(গ) অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা (kind) লেনদেন-পূর্বক উক্ত ব্যক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রহিয়াছে এমন ব্যক্তির সম্মতি গ্রহণ করিয়া; 
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যৌন শোষণ বা নিপীড়ন বা শ্রম শোষণ বা অন্য কোনো শোষণ বা নিপীড়নের (exploitation) উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকাইয়া রাখা বা আশ্রয় দেওয়া (harbour)।
(২) যেইক্ষেত্রে কোন শিশু পাচারের শিকার হয়, সেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) হইতে (গ) তে বর্ণিত মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমসমূহ (means)অনুসৃত হইয়াছে কিনা তাহা বিবেচিত হইবেনা।
ব্যাখ্যা— এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে প্রতারণার মাধ্যমে, অসৎ উদ্দেশ্যে এবং বাধ্যতামূলক শ্রম বা ‘সার্ভিচিউড’ (servitude) বা ধারা-২ এর উপ-ধারা (১৫) এ বর্ণিত কোনো শোষণ বা নিপীড়নমূলক পরিস্থিতির শিকার হইতে পারে মর্মে জানা থাকা সত্বেও অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ বা চাকুরীর উদ্দেশ্যে গমন, অভিবাসন বা বহির্গমন করিতে প্রলুব্ধ বা সহায়তা করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কর্ম উপ-ধারা (১) এ সংজ্ঞায়িত ‘‘মানব পাচার’’ এর অন্তর্ভুক্ত হইবে।

২৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯খ অনুযায়ী বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌনকর্ম করলে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের অধিক বয়সের কোনো নারীর সঙ্গে যৌনকর্ম করেন এবং ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সঙ্গে নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন। সঠিক উত্তর: খ) ৭ বছর।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
- যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

২৬.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৩৮(১ক) অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার মোট কয়টি বৈধ পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ১টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮(১ক) অনুসারে নোটিশ প্রদানের ৩টি বৈধ পদ্ধতি উল্লেখ আছে:
১. ব্যক্তিগতভাবে সরবরাহ - ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করার মাধ্যমে। 
২. রেজিস্টার্ড ডাক - প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রেরণের মাধ্যমে। 
৩. পত্রিকায় প্রকাশ - বহুল প্রচারিত একটি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করার মাধ্যমে।

⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি - ১৩৮ (১ক): ৩টি উপায়ে নোটিশ দেয়া যায়-
ⅰ) ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করেন;
ii) উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে;
iii) বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে।

-------
The Negotiable Instruments Act, 1881, Section 138-(1A) The notice required to be served under clasue (b) of sub-section (1) shall be served in the following manner-
(a) by delivering it to the person on whom it is to be served; or
(b) by sending it by registered post with acknowledgement due to that person at his usual or last known place of abode or business in Bangladesh; or
(c) by publication in a daily Bangla national newspaper having wide circulation.

২৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১ক(১) অনুযায়ী চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার এবং লিগ্যাল এইড অফিসার কাদের মধ্য থেকে নিয়োগ করা হবে?
  1. সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবীদের মধ্য থেকে
  2. বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে
  3. জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্য থেকে
  4. বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১ক(১) অনুযায়ী, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার এবং লিগ্যাল এইড অফিসার বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ করা হবে। এই নিয়োগ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং সরকার কর্তৃক সম্পন্ন হবে।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১ক - চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার, লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ, দায়িত্ব, ইত্যাদি:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য হইতে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার এবং লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ ও পদায়ন করিবে এবং তাহাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সংস্থা, সময় সময়, আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করিবে।
(১ক) উপ-ধারা (১) এর অধীন চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার পদায়ন না হওয়া পর্যন্ত সংস্থা আদেশ দ্বারা লিগ্যাল এইড অফিসারকে, ক্ষেত্রমত, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসারের দায়িত্ব প্রদান করিতে পারিবে।
(২) চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা লিগ্যাল এইড অফিসার আইনগত সহায়তা প্রার্থীকে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, আইনি পরামর্শ প্রদান করিতে পারিবে, মামলাপূর্ব মধ্যস্থতার (Pre-case Mediation) উদ্যোগ গ্রহণ করিতে পারিবে এবং প্রচলিত আইনের অধীন আপসযোগ্য যে কোন বিষয় কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রমের জন্য প্রেরণ করিলে উহা নিষ্পত্তির ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট অফিসারের থাকিবে।

২৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ সালের কত নং আইন?
  1. ৯ নং
  2. ১১ নং
  3. ১৩ নং
  4. ১৫ নং
সঠিক উত্তর:
১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ স্পষ্টভাবে এর প্রারম্ভিক বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি ২০০২ সনের ১১ নং আইন। এই আইনটি ১০ এপ্রিল, ২০০২ তারিখে কার্যকর হয় এবং আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কতিপয় অপরাধের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে। আইনের সংক্ষিপ্ত শিরোনামা ও প্রবর্তন সংক্রান্ত ধারা ১(১)-এ এটি সুস্পষ্টভাবে বলা আছে।

অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ হলো ১১ নং আইন, যা সঠিক উত্তর।

২৯.
আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫-এর প্রবিধান ৬ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আপীলের জন্য আইনজীবীর সর্বোচ্চ ফি কত?
  1. ২,০০০ টাকা
  2. ৩,০০০ টাকা
  3. ৭,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৭,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫-এর প্রবিধান ৬ অনুযায়ী, সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আপীলের জন্য আইনজীবীর সর্বোচ্চ ফি নির্ধারিত হয়েছে ৭,০০০ টাকা। এছাড়াও, এই ধরনের মামলার জন্য আনুষঙ্গিক খরচ হিসেবে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর ৭,০০০ টাকা।

৩০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন কবে রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে?
  1. জুন মাসের মধ্যে
  2. মার্চ মাসের মধ্যে
  3. জানুয়ারি মাসের মধ্যে
  4. ডিসেম্বর মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
মার্চ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্চ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৯(১) অনুযায়ী, কমিশনকে প্রতি পঞ্জিকা বছরের মার্চ মাসের মধ্যে পূর্ববর্তী বছরে সম্পাদিত কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে। এই প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতি পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করেন (ধারা ২৯(২))।
সুতরাং, কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশের সময়সীমা হলো মার্চ মাসের মধ্যে।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৯-বার্ষিক প্রতিবেদন:
(১) প্রতি পঞ্জিকা বত্সরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে৷
(২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন৷

৩১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী কোন ধরনের মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে?
  1. যেখানে শুধু অর্থদণ্ড প্রযোজ্য
  2. যেখানে শাস্তি ২ বছরের বেশি নয়
  3. যেখানে শাস্তি ৩ বছরের বেশি নয়
  4. যেখানে শাস্তি ৫ বছরের বেশি নয়
সঠিক উত্তর:
যেখানে শাস্তি ৫ বছরের বেশি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে শাস্তি ৫ বছরের বেশি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৮ অনুসারে: "বিচারের বিশেষ পদ্ধতি:-  এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক কারাদণ্ড না হইলে, সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হইবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, অনুসরণ করিতে হইবে।"
অর্থাৎ, যে সকল মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড নয় (মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন বা ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড না হলে), সেসব মামলার বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে।
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে যদি অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা ৫ (পাঁচ) বছরের অধিক কারাদণ্ড না হয়। এই ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২-এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ, যেসব অপরাধের শাস্তি ৫ বছর বা তার কম হয়, সেগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হবে।

৩২.
The Criminal Law Amendment Act, 1958 অনুযায়ী স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. দুর্নীতি দমন কমিশনে
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা-১০ এ আপিল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- ধারা-১০(১) অনুসারে: "স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যাবে, যদি বিচারক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ হন।"
অর্থাৎ, স্পেশাল জজ যদি দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ পদমর্যাদার হন, তাহলে তাঁর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা-১০: আপিল, রিভিশন ও মামলা স্থানান্তর:
আপিল: স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যাবে, যদি বিচারক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ হন।
রিভিশন: আপিল গ্রহণকারী আদালত রিভিশনের ক্ষমতা রাখবে।
খালাসের বিরুদ্ধে আপিল: স্পেশাল জজ যদি কোনো অভিযুক্তকে খালাস দেন, তবে দুর্নীতি দমন কমিশন পাবলিক প্রসিকিউটরকে আপিল দায়েরের নির্দেশ দিতে পারবে।
মামলা স্থানান্তর: হাইকোর্ট বিভাগ এক স্পেশাল জজের আদালত থেকে অন্য স্পেশাল জজের আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারবে। তবে, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫২৬ সত্ত্বেও, স্থানান্তরের আবেদন নাকচ করলে স্পেশাল জজ মামলার শুনানি মূলতবি করতে বাধ্য নন এবং নাকচের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
অভিযোগ প্রত্যাহার: কমিশনের লিখিত আদেশ ছাড়া এই আইনের অধীনে কোনো অভিযোগ প্রত্যাহার করা যাবে না।

৩৩.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ অনুযায়ী "আইনগত সহায়তা" এর সংজ্ঞা অনুসারে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানি প্রদান
  2. মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান
  3. মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান
  4. আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২ অনুসারে "আইনগত সহায়তা" এর সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত:
- মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান
- মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানি প্রদান
- মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান
- আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান
- মামলাপূর্ব ও মামলা-পরবর্তী মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি
তবে আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। আইনগত সহায়তা বলতে শুধুমাত্র আইনি সেবা ও সংশ্লিষ্ট খরচ বহনকে বোঝায়, আবেদনকারীর ব্যক্তিগত বাসস্থানের ব্যবস্থা করাকে নয়।
---------- 
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ক) “আইনগত সহায়তা” অর্থ-
(অ) আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(১) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(২) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন বিরোধ বা মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা এই আইনের অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে সম্মানি প্রদান;
(৩) মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান;
(আ) যে কোন আবেদনকারীকে আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান;
(ই) মামলাপূর্ব যেকোন বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;
(ঈ) যেকোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রেরিত মামলা মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;

৩৪.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীনে 'সুবিধাবঞ্চিত শিশু' এর সংজ্ঞা কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৮৪
  2. ধারা ৮৫
  3. ধারা ৮৯
  4. ধারা ৯২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর অধীনে 'সুবিধাবঞ্চিত শিশু' এর সংজ্ঞা ধারা ৮৯-এ দেওয়া আছে।
- ধারা ৮৯(১): এই ধারায় 'সুবিধাবঞ্চিত শিশু' হিসেবে বিভিন্ন শ্রেণির শিশুদের তালিকা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
→ মাতা-পিতার একজন বা উভয়ের মৃত্যুবরণকারী শিশু।
→ আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবকহীন শিশু।
→ গৃহহীন বা জীবনধারণের অবলম্বনহীন শিশু।
→ ভিক্ষাবৃত্তি বা শিশুর মঙ্গলের পরিপন্থী কাজে লিপ্ত শিশু।
→ যৌন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার শিশু।
→ প্রতিবন্ধী শিশু, মাদকাসক্ত শিশু, অসৎ সঙ্গে পতিত শিশু, বস্তিবাসী শিশু, রাস্তায় বসবাসকারী শিশু, হিজড়া শিশু, বেদে ও হরিজন শিশু, এইচআইভি-এইডসে আক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত শিশু, এবং শিশু-আদালত বা বোর্ড কর্তৃক বিশেষ সুরক্ষা প্রয়োজন বলে বিবেচিত শিশু।
ধারা ৮৯(২): সরকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা, এবং উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
------
⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ৮৯ ধারা সুবিধাবঞ্চিত শিশু:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত শিশুগণ সুবিধাবঞ্চিত শিশু হিসাবে গণ্য হইবে, যথা:-
(ক) যে শিশুর মাতা-পিতার যেকোন একজন বা উভয় মৃত্যুবরণ করিয়াছে;
(খ) আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবকহীন শিশু;
(গ) নির্দিষ্ট কোন গৃহ বা আবাসস্থলহীন এবং জীবনধারণের জন্য দৃশ্যমান অবলম্বনহীন কোন শিশু;
(ঘ) ভিক্ষাবৃত্তি বা শিশুর মঙ্গলের পরিপন্থী কোন কার্যে লিপ্ত শিশু;
(ঙ) কারাভোগরত মাতা-পিতার ওপর নির্ভরশীল বা কারাভোগরত মাতার সহিত কারাগারে অবস্থানরত শিশু;
(চ) যৌন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার শিশু;
(ছ) যৌনবৃত্তি বা সমাজবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি বা অপরাধীর বাসস্থান বা কর্মস্থলে অবস্থানকারী বা গমনাগমনকারী শিশু; 
(জ) যে কোন ধরনের প্রতিবন্ধী শিশু; 
(ঝ) মাদক বা অন্য কোন কারণে অস্বাভাবিক আচরণগত সমস্যাযুক্ত শিশু; 
(ঞ) অসৎ সঙ্গে পতিত বা নৈতিক অবক্ষয়ের সম্মুখীন হইতে পারে অথবা অপরাধ জগতে প্রবেশের ঝুঁকির সম্মুখীন শিশু; 
(ট) বস্তিতে বসবাসকারী শিশু; 
(ঠ) রাস্তা-ঘাটে বসবাসকারী গৃহহীন শিশু; 
(ড) হিজড়া শিশু; 
(ঢ) বেদে ও হরিজন শিশু; 
(ণ) এইচআইভি-এইড্‌স এ আক্রান্ত (infected) বা ক্ষতিগ্রস্ত (affected) শিশু; অথবা 
(ত) শিশু-আদালত বা বোর্ড কর্তৃক বিবেচিত কোন শিশু, যাহার বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। 
(২) সরকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবে।

৩৫.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী "সাইবার স্পেস" এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ইন্টারনেট
  2. টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেটওয়ার্ক
  4. অফলাইন কম্পিউটার সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
অফলাইন কম্পিউটার সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অফলাইন কম্পিউটার সিস্টেম
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২(১)(শ)-এ "সাইবার স্পেস" এর সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “সাইবার স্পেস” অর্থে আন্তঃসংযোগকৃত সকল ডিজিটাল ডিভাইস এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্কসমূহের সকল ফিজিক্যাল এবং ভার্চুয়াল জগত বুঝাইবে (যেমন-ইন্টারনেট, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ব্লকচেইন কম্পিউটিং, মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেটওয়ার্ক, গেইমিং নেটওয়ার্ক, কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিং, মেশিন ভিশন, ক্লাউড কম্পিউটিং, ইন্টারনেট অফ থিংস, সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য সকল আধুনিকতম ইলেকট্রনিক ও অপটিক্যাল যোগাযোগ ব্যবস্থা যেখানে ডাটা তৈরি, ডাটা মিররিং, অ্যাক্সেস, প্রেরণ, সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনাসহ সকল ধরনের হিউম্যান ও নন-হিউম্যান অনলাইন কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়; ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার ডাটা, সিগনালিং ডাটা, ট্রাফিক ডাটা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উৎপন্ন ডাটাও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;

 ⇒ সংজ্ঞা থেকে স্পষ্ট যে সাইবার স্পেসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো "আন্তঃসংযোগকৃত" (interconnected) ডিভাইস ও নেটওয়ার্ক। একটি অফলাইন কম্পিউটার সিস্টেম কোনো নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত নয়, তাই এটি সাইবার স্পেসের সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়।

৩৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুসারে 'শিশু' বলতে কাকে বোঝায়?
  1. অনুর্ধ্ব ১২ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
  2. অনুর্ধ্ব ১৪ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
  3. অনুর্ধ্ব ১৬ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
  4. অনুর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
অনুর্ধ্ব ১৬ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুর্ধ্ব ১৬ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ট) এ 'শিশু' এর সংজ্ঞা এভাবে দেওয়া হয়েছে:
"(ট) 'শিশু' অর্থ অনধিক ষোল বৎসর বয়সের কোন ব্যক্তি;"
অর্থাৎ, এই আইনের আওতায় যে কোনো ব্যক্তি যার বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হয়নি, তাকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হবে।

৩৭.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী মানিলন্ডারিং অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ২ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৪(২) অনুসারে, মানিলন্ডারিং অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন ৪ (চার) বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।আইনের ধারা ৪(২) কোনো ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ, অথবা এর চেষ্টা, সহায়তা, বা ষড়যন্ত্র করলে:
কারাদণ্ড: অন্যূন ৪ বছর এবং অনধিক ১২ বছর।
অতএব, সঠিক উত্তর হল ৪ বছর।

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৪- মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। 
(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।

৩৮.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ৬ অনুযায়ী জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সদস্য-সচিব কে হবেন?
  1. নির্বাহী পরিচালক
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. রেজিস্ট্রার জেনারেল
  4. আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী পরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী পরিচালক
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ৬(১)(দ) অনুসারে, জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সদস্য-সচিব হলেন নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা। 
- "(দ) নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।"

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ৬-জাতীয় পরিচালনা বোর্ড:
(১) জাতীয় পরিচালনা বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(ক) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী/উপদেষ্টা, যিনি বোর্ডের চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) জাতীয় সংসদের স্পিকার মনোনীত ২ (দুই) জন সংসদ-সদস্য, যাহাদের একজন সরকারদলীয় এবং অপরজন বিরোধীদলীয় হইবেন;
(গ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল;
(ঘ) সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়;
(ঙ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ;
(চ) সচিব, অর্থ বিভাগ;
(ছ) সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ;
(জ) সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়;
(ঝ) সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়;
(ঞ) রেজিস্ট্রার জেনারেল, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট;
(ট) মহা-পুলিশ পরিদর্শক;
(ঠ) মহা-কারা পরিদর্শক;
(ড) ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল;
(ঢ) সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতি;
(ণ) চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা;
(ত) সরকার কর্তৃক মনোনীত আইন ও অধিকার সম্পর্কিত বেসরকারি সংস্থার ৩ (তিন) জন প্রতিনিধি;
(থ) সরকার কর্তৃক নারী সংস্থা হইতে মনোনীত ৩ (তিন) জন প্রতিনিধি; এবং
(দ) নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের প্রত্যেকে স্ব স্ব মনোনয়ন প্রাপ্তির তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উপযুক্ত কারণ উদ্ভব হইলে সরকার উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের যে কাহারো মনোনয়ন মেয়াদপূর্তির পূর্বেই বাতিল করিতে পারিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণ সরকার বরাবর পদত্যাগপত্র প্রেরণপূর্বক স্বীয় পদ হইতে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করিতে পারিবেন।

৩৯.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৪১-এর অধীন, চেকের অপরাধের জন্য অভিযোগ কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৪১(খ) অনুযায়ী, ধারা ১৩৮-এর অধীন চেকের অপরাধের জন্য অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করতে হবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়। এই এক মাস সময়সীমা ধারা ১৩৮-এর দফা (গ) অনুসারে কার্যকারণের কারণ সৃষ্টির তারিখ থেকে গণনা করতে হবে। সময়সীমা অতিক্রম করলে আদালত অভিযোগ আমলে নেবেন না।

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ ধারা ১৪১: ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;
(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;
(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।

⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881: Section 141: Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque; 
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

৪০.
The Special Powers Act, 1974-এর ধারা ৮(২) অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে আটকের কারণ সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে জানাতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৮(২) অনুসারে, আটকের আদেশ জারি করা হলে আটককৃত ব্যক্তিকে তার আটকের কারণ (grounds of detention) নিম্নলিখিত সময়ের মধ্যে জানাতে হবে:
- আটকের সময়ই অথবা
- তার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, তবে আটকের তারিখ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে।
সুতরাং, স্পষ্টভাবে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ সময়সীমা হল ১৫ দিন।
------------
⇒ The Special Powers Act, 1974, Section-8-Communication of grounds of order:
(1) In every case where an order has been made under section 3, the authority making the order shall, as soon as may be, but subject to the provisions of sub-section (2), communicate to the person affected thereby the grounds on which the order has been made to enable him to make a representation in writing against the order, and it shall be the duty of such authority to inform such person of his right of making such representation and to afford him the earliest opportunity of doing so: 
Provided that nothing in this section shall require the authority to disclose the facts which it considers to be against the public interest to disclose. 
(2) In the case of a detention order, the authority making the order shall inform the person detained under that order of the grounds of his detention at the time he is detained or as soon thereafter as is practicable, but not later than fifteen days from the date of detention.

৪১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করার পর কত দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৮(৪) অনুযায়ী, তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, স্থানান্তর বা ব্লক করার পর ৩ (তিন) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে অনুমতি গ্রহণ না করা হলে বা ট্রাইব্যুনাল অনুমতি প্রদান না করলে, অপসারিত, স্থানান্তরিত বা ব্লককৃত তথ্য-উপাত্ত পুনরায় অবমুক্ত করতে হবে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৮- কতিপয় তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালকের নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত সাইবার সুরক্ষার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করিলে তিনি উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর বা ব্লক করিবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে, অতঃপর বিটিআরসি বলিয়া উল্লিখিত, অনুরোধ করিতে পারিবেন।(২) যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণসাপেক্ষে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য দেশের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যাহা সহিংসতা তৈরির উদ্বেগ সৃষ্টি করে বা বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা প্রদান করে, তাহা হইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার জন্য বা, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তরের জন্য মহাপরিচালকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন কোনো অনুরোধ প্রাপ্ত হইলে বা ট্রাইব্যুনালের আদেশ প্রাপ্ত হইলে বিটিআরসি বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সংশ্লিষ্ট সংস্থা, উপযুক্ত ক্ষেত্রে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবার জন্য কোনো প্রযুক্তি কোম্পানিকে অনুরোধ করিতে পারিবে এবং অতঃপর উহা সরকারকে অবহিত করিবে এবং কোনো কন্টেন্ট ব্লক করা হইলে স্বচ্ছতার স্বার্থে সরকার সকল ব্লক হওয়া কন্টেন্টের তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(৪) উপ-ধারা (১), (২) ও (৩) এর অধীন তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর বা ব্লক করিবার ৩ (তিন) দিনের মধ্যে উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে এবং উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অনুমতি গ্রহণ না করিলে বা ট্রাইব্যুনাল অনুমতি প্রদান না করিলে অপসারিত বা, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তরিত বা ব্লককৃত তথ্য-উপাত্ত পুনরায় বাধ্যতামূলকভাবে অবমুক্ত করিতে হইবে।
(৫) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

৪২.
ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮-এর তফসিলে অন্তর্ভুক্ত অপরাধের মধ্যে নেই কোনটি?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অপরাধ
  2. মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অপরাধ
  3. দণ্ডবিধির ধারা ১৬১-১৬৯ এর অপরাধ
  4. দণ্ডবিধির ধারা ৩০২  এর অপরাধ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ধারা ৩০২  এর অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ধারা ৩০২  এর অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮-এর তফসিল: বিচার্য অপরাধ:
- এই আইনের অধীনে বিচার্য অপরাধগুলো হলো:
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০২-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দণ্ডবিধির ধারা ১৬১-১৬৯, ২১৭, ২১৮, ৪০৮, ৪০৯ এবং ৪৭৭এ-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- দণ্ডবিধির ধারা ১০৯ (সাহায্য), ১২০বি (ষড়যন্ত্র) এবং ৫১১ (চেষ্টা) এর অধীনে উপরোক্ত অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত অপরাধ।
তবে দণ্ডবিধির ধারা ৩০২ যা "খুন" এর অপরাধ হিসেবে পরিচিত, তা এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়। ধারা ৩০২ সাধারণ ফৌজদারী আদালতে বিচার্য হয়, স্পেশাল জজের এখতিয়ারভুক্ত অপরাধ নয়।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৩০২ (হত্যার অপরাধ) এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়।