পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes১৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৪: বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলী সিলেবাস: ১. বাংলাদেশের অর্থনীতি; ২. বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য; ৩. বাংলাদেশের সংবিধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহত্তম পাটকল কোনটি? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. ইউ.এম.সি. জুট মিলস
  2. আমিন জুট মিলস
  3. আদমজী জুট মিলস
  4. আকিজ জুট মিলস
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আকিজ জুট মিল:

- বর্তমানে বিশ্বের তথা বাংলাদেশের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা থাকবে।
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
⇒ আদমজী জুট মিল:
- ১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জের আদমজীনগরে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম পাটকল ‘আদমজী জুট মিল’।
- এটি ছিল বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে এটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- তখন থেকে ১৯৮০ এর দশকের কয়েকটি বছর ব্যতীত অন্য সব বছর এটি বিপুল পরিমাণে ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
- ৩০ জুন, ২০০২ এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

উৎস: i) জতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১২ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard।
.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকদের ফোন কোনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনী চেক করতে পারে না?
  1. ৪০ নং
  2. ৪১ নং
  3. ৪২ নং
  4. ৪৩ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩য় ভাগে 'মৌলিক অধিকার' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদ 'গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ' অনুযায়ী যোগাযোগ থেকে শুরু করে চিঠিপত্র আদান-প্রদান এবং ব্যক্তিগত সবকিছুর গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।

⇒ ৪৩ নং অনুছেদ:
- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের -
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হতে নিজ গৃহে নিরাপত্তালাভের অধিকার থাকবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনতারক্ষার অধিকার থাকবে।

অন্যদিকে,
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- ৪১ নং অনুচ্ছেদ: ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ: সম্পত্তির অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে বা অবলুপ্ত হলে সংবিধান অনুযায়ী কত দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হয়?
  1. ৪৫ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১২৩ নং অনুচ্ছেদ:
⇒ নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময় -
- (১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

- (২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার পর নব্বই দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

- (৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাণবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে।
- তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করবে না।

- (৪) সংসদ ভেঙে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তা হলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বর্তমানে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উচ্চ-মাধ্যমিক স্তরে ভাতার পরিমাণ কত? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. ৯৫০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ১০৫০ টাকা
  4. ১১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা:

- বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
- ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ প্রণয়ন করা হয়।
- এ আইন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সংরক্ষণে অনন্য দলিল।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫, ১৭, ২০ এবং ২৯ অনুচ্ছেদে অন্যান্য নাগরিকদের সাথে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমসুযোগ ও অধিকার প্রদান করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ দায়-দায়িত্বের অংশ হিসেবে ২০০৫-০৬ অর্থ বছর হতে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- শুরুতে ১,০৪,১৬৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ২০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদফতর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-০৬ অর্থবছর।

⇒ কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রতি পূরণ;
- ২. অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
- ৩. দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
- ৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
- ৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অমত্মর্ভুক্তকরণ।

⇒ ২০২৪-২৫ বাজেটে, ভাতাভোগীর মাসিক ভাতার হার:
- বয়স্ক ভাতা: ৬০০ টাকা।
- বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা: ৫৫০ টাকা।
- অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা: ৮৫০ টাকা।
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কার্যক্রমে উপকারভোগীর ভাতার হার: ৪০০ টাকা।
- মাতৃত্বকালীন ভাতা (৩৬ মাস পর্যন্ত): ৮০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভাতার হার: ১০৫০ টাকা।
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাতার হার: ২০০০০ টাকা।

উৎস: i) ২০২৪-২৫ জাতীয় বাজেট।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী গৃহীত হয় কবে?
  1. ২০১৭ সালের ৮ জুলাই
  2. ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই
  3. ২০১৮ সালের ৮ জুলাই
  4. ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান সংশোধন হয়েছে ১৭ বার।
- এর মধ্যে চারটি সংশোধনী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করেছে।
- সংবিধানের ১৭টি সংশোধনীর মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়ে ৪ বার, জিয়াউর রহমানের সময় ২ বার, এরশাদের সময় ৪ বার, শেখ হাসিনার সরকারের সময় ৩ বার ও খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে ৪ বার সংবিধান সংশোধন করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংসদে সংবিধানের ১ম সংশোধনী পাশ হয়।
- সংবিধানের সর্বশেষ, অর্থাৎ সপ্তদশ সংশোধনী হয় ২০১৮ সালের ৮ জুলাই।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) ৭ এপ্রিল, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
.
উৎপাদনের ভিত্তিতে দেশের সবচেয়ে বড় চিনিকল কোনটি? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. রাজশাহী সুগার মিলস লি:
  2. জয়পুরহাট সুগার মিলস লি:
  3. নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি:
  4. কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):

- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন-এর অধীনে ১৫টি চিনিকল রয়েছে। 

উল্লেখ্য,
⇒ জয়পুরহাট সুগার মিলস লিমিটেড:
- দেশের সবচেয়ে বড় চিনিকল হলো জয়পুরহাট সুগার মিলস লিমিটেড।
- এটি জয়পুরহাট জেলায় অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে।
- বাৎসরিক চিনি উৎপাদন ক্ষমতা: ২০,৩২০ মে. টন।

অন্যদিকে,
- নাটোরে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল চিনিকল দেশের প্রথম চিনিকল।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
.
শাহজালাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কী?
  1. কম্পোস্ট
  2. ডিএপি
  3. টিএসপি
  4. ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।

⇒ শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড:
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণে স্থাপিত দেশের অত্যাধুনিক প্রতিষ্ঠান।
- এই সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এটি সিলেট শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- এর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১৭৬০ মে.টন।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 
.
নিচের কোনটি নিয়ন্ত্রিত শিল্প?
  1. আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  2. স্যাটেলাইট চ্যানেল
  3. সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রিত শিল্প:
- যেসব শিল্প প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে তাদের নিয়ন্ত্রিত শিল্প বলে।
- এটি নিয়ন্ত্রিত শিল্পের কর্মীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন শিক্ষাদান বা আর্থিক পরিষেবা৷ পারমাণবিক শিল্প বিশ্বের সবচেয়ে নিয়ন্ত্রিত শিল্প।

⇒ নিয়ন্ত্রিত শিল্পের তালিকা:
১। যন্ত্রচালিত ট্রলারযোগে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ শিল্প।
২। বেসরকারি খাতে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান শিল্প।
৩। বেসরকারি খাতে ইনস্যুরেন্স কোম্পানি।
৪। বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ প্রকল্পসমূহ।
৫। প্রাকৃতিক গ্যাস/তেল অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৬। কয়লা অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৭। অন্যান্য প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৮। বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প (যেমন-ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে, মনোরেইল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো/কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন ইত্যাদি) স্থাপন।
৯। ক্রুড অয়েল রিফাইনারী (জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত )/ব্যবহৃত লুব অয়েল রিসাইক্লিং/রিফাইনিং।
১০। কাঁচামাল হিসেবে দেশিয় প্রাকৃতিক গ্যাস/কনডেনসেট ও অন্যান্য খনিজ ব্যবহৃত মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান।
১১। টেলিকমিউনিকেশন সেবা শিল্প (মোবাইল/সেলুলার এবং ল্যান্ড ফোন।
১২। স্যাটেলাইট চ্যানেল।
১৩। কার্গো/যাত্রী পরিবহন বিমান।
১৪। সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল।
১৫। সমুদ্র বন্দর/গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপন।
16। VoIP (Voice Over Internet Protocol) ও IP (Internet Protocol) Telephone।
১৭। সৈকত বালি থেকে আহরিত ভারী খনিজ নির্ভর শিল্প স্থাপন ও আহরণ।
১৮। বিস্ফোরকসহ (প্রজ্জ্বলীয় কঠিন পদার্থ, জারক পদার্থ, বিষাক্ত পদার্থ) যে কোন প্রকার বিস্ফোরক দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
১৯। এসিড উৎপাদনকারী শিল্প।
২০। রাসায়নিক সার উৎপাদনকারী শিল্প।
২১। সকল প্রকার শিল্প স্লাজ (Industrial Sludge) ও স্লাজ দ্বারা প্রস্তুতকৃত সার এবং এ সংক্রান্ত যে কোন সামগ্ৰী উৎপাদনকারী/ প্রস্তুতকারী শিল্প।
২২। স্টোন ক্রাশার শিল্প।

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি- ২০১৬. pdf, bangladesh.gov.bd.
.
রূপকল্প ২০৪১ কতটি স্তম্ভের উপর নির্ভরশীল?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০৪১:
- এটি একটি পরিকল্পনা।
- বাস্তবায়নের সময়কাল: ২০২১-২০৪১।
- রূপকল্প ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে রূপকল্প ২০৪১ ঘোষণা করেন।
- মূল লক্ষ্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করা।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- রূপকল্প ২০৪১ এ ২৬টি লক্ষ্যের কথা বলা আছে।
- রূপকল্প-২০৪১ চারটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভ যথা: সুশাসন, গণতন্ত্র, বিকেন্দ্রীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এই পরিকল্পনার সুফলভোগী হবে জনগণ এবং তারাই হবে প্রবৃদ্ধি ও রূপান্তর প্রক্রিয়ার প্রধান চালিকাশক্তি।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা: ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- দারিদ্র্য নিরসনের অভীষ্ট হল: ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নির্মূল করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ৩% বা এর নিচে নিয়ে আসা।
- ২০৪১ সালে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা হবে ৫১ হাজার মেগাওয়াট।
- ২০৪১ অবধি ৯% জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা।
- বিনিয়োগ / জিডিপি অনুপাত ৪৬.৮৮ শতাংশে বৃদ্ধি করা।
- রাজস্ব কর জিডিপির ২০% পর্যন্ত বাড়ানো।
- রপ্তানি আয় ৩০০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করা।
- গড় আয়ু বাড়িয়ে ৮০ বছর করা।
- মোট জনসংখ্যার ৭৫% কে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।
- কার্যকর কর এবং ব্যয়ের নীতিমালা কার্যকর করা।
- অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির বিকেন্দ্রীকরণ।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
১০.
দেশে মুদ্রাস্ফীতি ঘটলে এর ফলস্রুতিতে কী ঘটবে?
  1. সীমিত আয়ের মানুষ লাভবান হয়
  2. মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়
  3. দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়
  4. উপরের সবগুলো
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

মুদ্রাস্ফীতি:

- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়।
- পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
- একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- ডলারের বিপরীতে দেশীয় মুদ্রার মান হ্রাস করাকে মুদ্রার অবমূল্যায়ন বলে ।
- মুদ্রানীতি হলো মুদ্রার প্রক্ষেপণ যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণয়ন করে থাকে।

⇒ মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব:
• উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব:
- পূর্ণ নিয়োগস্তর অতিক্রান্ত হওয়ার পর যদি মুদ্রাস্ফীতি ঘটে তাহলে মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদন ও কর্মনিয়োগ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয় না।
- ফলে মুদ্রাস্ফীতি চরম আকার ধারণ করে এবং দেশের উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

• আয় বণ্টনের উপর প্রভাব
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থ ও সম্পদ এক শ্রেণীর লোকের হাত হতে অন্য এক শ্রেণীর লোকের হাতে চলে যায়।

• মুদ্রাস্ফীতির ফলে সাধারণ মূল্যস্তর ও উৎপাধন ব্যয় বৃদ্ধি পায়।
- ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন?
  1. ৯৩ নং
  2. ৭২(১) নং
  3. ৫৫(৩) নং
  4. ৪৮ (১) নং
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

অন্যদিকে,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের -
- ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।
- ৫৫(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- সংবিধানের ৭২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগারের নাম কী?
  1. Petrobangla Oil & Co.
  2. Meghna Oil & Co.
  3. Eastern Refinery
  4. Jamuna Refinery
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে টেকনোক্রেট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় সর্বোচ্চ -
  1. ৭%
  2. ৯%
  3. ১০%
  4. ১৩%
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪.
বর্তমানে দেশে কততম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চলছে? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. ৭ম
  2. ৮ম
  3. ৯ম
  4. ১০ম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।

• প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৭৩-৭৮।
• দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৮০-৮৫।
• তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৮৫-৯০।
• চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৯০-৯৫।
• পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৯৭-২০০২।
• ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০১১-১৫।
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০১৬-২০।
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০২০-২৫।

উল্লেখ্য,
⇒ ৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%।
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- অর্থবছর ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
১৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ সংশোধন যোগ্য নয়?
  1. ৭ নং
  2. ২৭ নং
  3. ১৫০ নং
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
⇒ সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য:
- সংবিধানের ৭(খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক বিধানবলি সংশোধন অযোগ্য বিবেচিত।

এছাড়াও, 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধনী সংক্রান্ত কোন বিল পাসের জন্যে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কোন দেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. মালয়েশিয়া
  2. চীন
  3. ভারত
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:

- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
- একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাপানে রপ্তানি করে ১৩০৮.৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ⎯
১. শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১৫.৮৭%।

২. দ্বিতীয় দেশ: জার্মানি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১১.২১%।

৩. তৃতীয় দেশ: যুক্তরাজ্য,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,০৪৫.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১০.৫২%।

৪. চতুর্থ দেশ: ফ্রান্স,
- রপ্তানির পরিমাণ: ২,১৯২.৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৫.৭০%।

৫. পঞ্চম দেশ: ইতালি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ১,৬২৭.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৪.২৩%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৭.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজধানীর নামের ইংরেজি বানান Dacca থেকে Dhaka হয়?
  1. ৮ম সংশোধনী
  2. ৯ম সংশোধনী
  3. ১০ম সংশোধনী
  4. ১১তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের রাজধানীর নামের ইংরেজি বানান Dacca থেকে Dhaka হয়।

অষ্টম সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮।
- উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। 
- সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮। 
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮।

⇒ অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়;
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।