পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
বি.সি.এস. প্রিলি সিলেবাসের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহের উপর বিশেষ পরীক্ষা - ১০ টপিক-১: বাংলা ব্যাকরণ - পদ, সন্ধি, প্রত্যয়, সমাস, বাগধারা, এক কথায় প্রকাশ, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ। [২৫ নম্বর]; টপিক - ২: গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি (নিরাপত্তা ও পরিবেশ বিষয়ক)। [১৫ নম্বর] দ্রষ্টব্য: ৭ জুন, ২০২২ তারিখ থেকে ৪৫তম বি.সি.এস. প্রস্তুতির নতুন রুটিন শুরু হবে। ডেইলি কুইজ ও নতুনদের বি.সি.এস. বাটনে একযোগে পরীক্ষা চলবে।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
কোন গুচ্ছের সবগুলো শব্দই সমার্থক?
  1. ক) কলাপী , কেকী , শিখী
  2. খ) মধুপ , কুণ্ডলী , পুষ্পলিহ
  3. গ) গজ , দ্বিপ , উরগ
  4. ঘ) মৃগ , কুরঙ্গ ,বর্হিণ
ব্যাখ্যা
- 'ময়ূর' শব্দের সমার্থক শব্দ - কলাপী , কেকী , শিখী , শিখণ্ডী , বর্হী , বর্হিণ।
- 'মৌমাছি' শব্দের সমার্থক শব্দ -মধুপ , আর্ঘা , পুষ্পলিহ। 
- 'সাপ' শব্দের সমার্থক শব্দ -অহি, উরগ, পন্নগ, কুণ্ডলী। 
- 'হাতি' শব্দের সমার্থক শব্দ -গজ , দ্বিপ , নাগ , পিল।
- 'হরিণ' শব্দের সমার্থক শব্দ -মৃগ , কুরঙ্গ , সারঙ্গ, সুনয়ন। 

তথ্যসূত্র:- ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘একচ্ছত্র' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) এক: + ছত্র
  2. খ) এক: + ছত্র:
  3. গ) এক + ছত্র
  4. ঘ) একচ + ছত্র
ব্যাখ্যা
স্বরধ্বনির পর ছ থাকলে উক্ত ব্যঞ্জনধ্বনিটি দ্বিত্ব (চ্ছ) হয়। 
যথা
অ + ছ = চ্ছ             এক + ছত্র = একচ্ছত্র।
আ + ছ = চ্ছ            কথা + ছলে = কথাচ্ছলে।
ই + ছ = চ্ছ              পরি + ছদ = পরিচ্ছদ, বি + ছেদ = বিচ্ছেদ । 

এরূপ – মুখচ্ছবি, পরিচ্ছেদ, বিচ্ছিন্ন, অঙ্গচ্ছেদ, আলােকচ্ছটা, প্রতিচ্ছবি, প্রচ্ছদ, আচ্ছাদন, বৃক্ষচ্ছায়া, স্বচ্ছন্দে, অনুচ্ছেদ ইত্যাদি।

[উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০১৯- সংস্করণ।]
.
গঠনরীতি অনুযায়ী 'প্রগতি' ____ নিস্পন্ন শব্দ।
  1. ক) উপসর্গ
  2. খ) প্রত্যয়
  3. গ) সন্ধি
  4. ঘ) সমাস
ব্যাখ্যা
গঠনরীতি অনুযায়ী 'প্রগতি' সমাস নিস্পন্ন শব্দ।
প্রাদি সমাস: প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যেও সমাস হয় তাকে বলে প্রাদি সমাস। 
প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন, 
প্র ( প্রকৃষ্ট রূপে) গতি = প্রগতি।

প্রাদি সমাসে-
‘প্র’থাকলে ‘প্রকৃষ্ট’ হবে। যেমন: প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) ভাত (আলোকিত) = প্রভাত।
‘পরি’ থাকলে ‘চতুর্দিকে’ হবে। যেমন: পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ।
‘অনু’ থাকলে ‘পশ্চাত’ হবে। যেমন: অনুতে (পশ্চাতে) যে তাপ = অনুতাপ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি।
.
'ভ্রমর' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) উৎপল
  2. খ) দ্বিরেফ
  3. গ) অলি
  4. ঘ) ভৃঙ্গ
ব্যাখ্যা
- ভ্রমর শব্দের সমার্থক শব্দ সমূহ:
মধুকর, ষটপদ, মধুও, অলি, ভৃঙ্গ, শিলীমুখ, মধুলিট, মধুলিহ, দ্বিরেফ, মধুভৃত ,ভোমরা, মৌমাছি, মধুমক্ষিকা।

- পদ্ম শব্দের সমার্থক শব্দ সমূহ: শতদল, উৎপল, নলিনী, অরবিন্দ, সরসিজ, পঙ্কজ, সরোজ, কমল, কুবলয়, তামরস, সরোরুহ, কোকনদ, ইন্দীবর, কুমুদ, পুন্তরীক, রাজীব,পুষ্কর।

উৎস:- ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
.
কোন সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক নয়?
  1. ক) প্রতি + ঊষ = প্রত্যূষ
  2. খ) নদী + অম্বু = নদ্যম্বু
  3. গ) সদ্যো + জাত = সদ্যোজাত
  4. ঘ) ইতি + আদি = ইত্যাদি
ব্যাখ্যা
• অ-কারের পরস্থিত স-জাত বিসর্গের পর ঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্য ধ্বনি কিংবা অন্ত:স্থ য, অন্ত:স্থ ব, র, ল, হ থাকলে অ-কার ও স-জাত বিসর্গ স্থলে ও-কার হয়। যেমন:
- সদ্য: + জাত = সদ্যোজাত,
- তির: + ধান = তিরোধান,
- মন:‌ + রম = মনোরম,
- মন: + হর = মনোহর,
- তপ: + বন = তপোবন ইত্যাদি।
 

ই/ঈ + অন্যস্বর = য-ফলা, এই নিয়মে গঠিত সন্ধি-
নদী + অম্বু = নদ্যম্বু।
প্রতি + ঊষ = প্রত্যূষ।
ইতি + আদি = ইত্যাদি।

উৎস:‌- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
.
জাতিবাচক বিশেষ্য নিচের কোনটি?
  1. ক) সমিতি
  2. খ) সভা
  3. গ) গাছ
  4. ঘ) মাহফিল
ব্যাখ্যা
জাতিবাচক বিশেষ্যঃ যে পদ দ্বারা কোনো একজাতীয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায় তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে।
যেমন- মানুষ, গরু, পাখি, গাছ, পর্বত, ইংরেজ ইত্যাদি জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।

অপরদিকে,
সমষ্টিবাচক বিশেষ্যঃ যে পদে বেশকিছু সংখ্যক ব্যক্তি বা প্রানীর সমষ্টি বোঝায় তা-ই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।
যেমন- সভা, জনতা, সমিতি, পঞ্চায়েত, মাহফিল, ঝাঁক, বহর, দল ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'সে এতক্ষণ কী করেছে?' - এই বাক্যে 'কী' কোন পদ?
  1. ক) সর্বনাম
  2. খ) বিশেষণ
  3. গ) ক্রিয়া
  4. ঘ) অব্যয়
ব্যাখ্যা
বিশেষ্যের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম পদ বলে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু সর্বনামসমূহ-
ব্যক্তিবাচকঃ আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে ইত্যাদি।
আত্মবাচকঃ নিজে, স্বয়ং, খোদ, আপনি।
প্রশ্নবাচকঃ কে, কি, কী, কোন, কার, কাহার, কিসে?
দূরত্ববাচকঃ ঐ, ঐসব।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।।
.
'কলা দেখানো' বাগধারাটির অর্থ কী?
  1. ক) অলস
  2. খ) ফাঁকি দেয়া
  3. গ) বেহিসেবি
  4. ঘ) কদাচিৎ
ব্যাখ্যা
- 'কলা দেখানো' বাগধারার অর্থ ফাঁকি দেয়া।
- 'কালে ভদ্রে' বাগধারাটির অর্থ কদাচিৎ।
- উড়নচণ্ডী বাগধারার অর্থ বেহিসেবি।
- গোঁফ খেজুরে বাগধারার অর্থ নিতান্ত অলস।

তথ্যসূত্র:- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'বাঘা' কী অর্থে ব্যবহৃত তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ?
  1. ক) সমষ্টি অর্থে
  2. খ) বৃহদার্থে
  3. গ) সদৃশ অর্থে
  4. ঘ) সমষ্টি অর্থে
ব্যাখ্যা
শব্দে সঙ্গে যে সব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়।

আ- প্রত্যয়:
ক) অবজ্ঞার্থে: চোর + আ = চোরা, কেষ্ট + আ = কেষ্টা
খ) বৃহদার্থে: ডিঙ্গি + আ = ডিঙ্গা
গ) সদৃশ অর্থে: বাঘ + আ = বাঘা, হাত + আ = হাতা।
ঘ) সমষ্টি অর্থে : বিশ + আ = বিশা বাইশ + আ = বাইশা
ঙ স্বার্থে : জট + আ = জটা চোখ + আ = চোখা চাক + আ = চাকা
চ) ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠনে:  হাজির + আ = হাজিরা চাষ + আ = চাষা


[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০১৯সংস্করণ]
১০.
'কর্মে ক্লান্তি নেই যার'- এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
  1. ক) কর্মঠ
  2. খ) অক্লান্ত
  3. গ) অক্লান্তকর্মা
  4. ঘ) অক্লান্ত কর্মী
ব্যাখ্যা
'কর্মে ক্লান্তি নেই যার' - অক্লান্ত কর্মী।
অক্লান্তকর্মা - পরিশ্রমে/কর্মে ক্লান্ত নয় এমন।
ক্লান্তিহীনভাবে চলে যা - অক্লান্ত / অবিশ্রাম।
কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী - কর্মঠ।
কোনো কাজের নয় এমন - অকর্মা।
নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে এমন - কর্মন্য।

তথ্যসূত্র:- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১১.
ধেড়ে : কচি :: চৌকস : ?
  1. ক) হাঁদা
  2. খ) উদ্বৃত্ত
  3. গ) প্রশস্তি
  4. ঘ) নিন্দা 
ব্যাখ্যা
'ধেড়ে' শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ- কচি।
চৌকস শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ- হাঁদা
উদ্বৃত্ত শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ- ঘাটতি।
'প্রশস্তি' শব্দের বিপরীত শব্দ- নিন্দা।

তথ্যসূত্র:- ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
The Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC) - কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৮ সালে
  3. গ) ১৯৯৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
- UNEP এবং WMO এর যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC (The Intergovernmental Panel on Climate Change) প্র্রতিষ্ঠিত হয়।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী কর্তৃপক্ষকে বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত সরবরাহের উদ্দেশ্যে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫টি।
- IPCC এর সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
- IPCC ২০০৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস:- IPCC ওয়েবসাইট।
১৩.
Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT) চুক্তিটি কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৬৮
  2. খ) ১৯৬৯
  3. গ) ১৯৭০
  4. ঘ) ১৯৭৯
ব্যাখ্যা
- Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT) বা পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ থেকে।

- রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, তুরস্ক, ইরানসহ চুক্তিটির মোট অংশীদার ১৯১টি দেশ।
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরাইল, দক্ষিণ সুদান ও উত্তর কোরিয়া (প্রত্যাহারকারী) NPT চুক্তিতে স্বাক্ষর বা অনুমোদন করেনি।
- বাংলাদেশ ৩১ আগস্ট ১৯৭৯ চুক্তিটি অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৪.
নিচের কোন চুক্তিটি নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. ক) Extradition Treaty
  2. খ) SALT
  3. গ) NPT
  4. ঘ) ABM
ব্যাখ্যা
- Extradition Treaty হলো এক দেশের অপরাধীকে অন্য দেশ চুক্তির মাধ্যমে তার নিজ দেশে ফেরত পাঠানো।
- প্রত্যর্পণের জন্য প্রথম আইনটি ১৮৩৩ সালে গৃহীত হয়েছিল বেলজিয়াম।

- ২৬ মে, ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2)।

পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty)। এই চুক্তিকে সংক্ষেপে বলা হয় NPT।
- ১ জুলাই ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ৫ই মার্চ ১৯৭০ সালে।

- Anti Ballistic Missile Treaty (ABM)- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে ১৯৭২ সালে।
- এই চুক্তির দুইটি পক্ষ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন। ১৩ জুন ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করে।

তথ্যসূত্র:- সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 
১৫.
'ATT' চুক্তি কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) পরিবেশ বিষয়ক
  2. খ) মানবাধিকার বিষয়ক
  3. গ) শিক্ষা বিষয়ক
  4. ঘ) অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক
ব্যাখ্যা
- ATT (Arms Trade Treaty) হলো জাতিসংঘের উদ্যোগে স্বাক্ষরিত অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক একটি চুক্তি।
- এর চুক্তির উদ্দেশ্য হলো প্রচলিত ক্ষুদ্রাস্ত্র থেকে শুরু করে ট্যাংক কিংবা যুদ্ধবিমানের বিশ্ববাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করা।
- চুক্তিটি ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল গৃহিত হয় এবং কার্যকর হয় ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর থেকে।
- চুক্তিটিতে স্বাক্ষরকারী দেশ ১৩০টি। তবে অংশীদার ১১০টি দেশ।
- বাংলাদেশ ATT চুক্তিতে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ স্বাক্ষর করলেও এখনো তা অনুমোদন করেনি।

সূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৬.
'United Nations Framework Convention on Climate Change' স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮৮ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ১৯৯১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন হচ্ছে- UNFCCC।
- UNFCCC- এর পূর্ণরূপ- United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯২ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে।
- UNFCCC এর সদরদপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- UNFCCC ওয়েবসাইট।
১৭.
রামসার কনভেনশন কার্যকর করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭১
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৯২
  4. ঘ) ২০০০
ব্যাখ্যা
- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 171

বাংলাদেশ ও রামসার:-
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র:- রামসার ওয়েবসাইট।
১৮.
নিচের কোন দেশটি NPT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) ইসরাইল
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT) বা পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ থেকে।
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরাইল, দক্ষিণ সুদান ও উত্তর কোরিয়া (প্রত্যাহারকারী) NPT চুক্তিতে স্বাক্ষর বা অনুমোদন করেনি।

- রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, তুরস্ক, ইরানসহ চুক্তিটির মোট অংশীদার ১৯১টি দেশ।
- বাংলাদেশ ৩১ আগস্ট ১৯৭৯ চুক্তিটি অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৯.
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড এর সদরদপ্তর কোথায়?
  1. ক) টোকিও,জাপান
  2. খ) বন,জার্মানি
  3. গ) ইনচন,দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ঘ) কোপেন সম্মেলন,ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
- ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচন শহরে অবস্থিত
- এই ফান্ড থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার উন্নয়নশীল গুলোকে সহায়তা করা হয়।
- এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহায়তা প্রদান করা হয়। উন্নত দেশসমূহ এ ফান্ডে অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র:- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ওয়েবসাইট।