পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes২৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা টপিক: এই বাটনে অনুষ্ঠিত বিগত ৪ টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা [ফুল মডেল টেস্ট ব্যতিত]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
নিচের কোন জন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত ছিলেন না?
  1. চণ্ডীচরণ মুনশী
  2. তারিণীচরণ মিত্র
  3. রামরাম বসু
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

অপশনে উল্লিখিত সকলেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত ছিলেন। তাই সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
-------------------

• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ:
- লর্ড ওয়েলেসলী ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলাসহ ভারতের অনেক ভাষা বিশেষজ্ঞ ও ধর্মপ্রচারক উইলিয়ম কেরীকে স্থানীয় ভাষা বিভাগের প্রধান নিয়োগ করা হয়।
- ১৮০১ সালের মে মাসে উইলিয়াম কেরী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
- পরবর্তীতে ১৮০৫ সালের মধ্যে কলেজে মোট ১২টি অনুষদ খোলা হয়।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ হলেন:
- উইলিয়াম কেরী,
- রামরাম বসু,
- গোলকনাথ শর্মা,
- মৃত্যুঞ্জয়‌ বিদ্যালঙ্কার,
- তারিণীচরণ মিত্র,
- রাজীবলােচন,
- চণ্ডীচরণ মুনশী,
- হরপ্রসাদ রায়,
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর,
ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

.
মৈমনসিংহ গীতিকা কোথা থেকে প্রকাশিত হয়?
  1. বাংলা একাডেমি
  2. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ 
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

মৈমনসিংহ গীতিকা:
- ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রচলিত গানগুলোকে একত্রে মৈমনসিংহ গীতিকা বলা হয়।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে।
- চন্দ্রকুমার দে ছিলেন ময়মনসিংহ নিবাসী।
- দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৈমনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয়।
- মৈমনসিংহ গীতিকা বিশ্বের ২৩টি ভাষায় মুদ্রিত হয়।
- এটি ১০টি গীতিকা ও রূপকথা স্থান পেয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
মুহম্মদ কবির কোন ধরনের কাব্যের জন্য পরিচিত?
  1. প্রহসন
  2. প্রণয়োপাখ্যান
  3. ধর্মীয় কাব্য
  4. মহাকাব্য
ব্যাখ্যা

 মুহম্মদ কবির:
• মুহম্মদ কবির (১৬শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি। 
• প্রণয়োপাখ্যান রচয়িতা হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত। 
• মধুমালতী (১৫৮৮) নামে একখানি রোম্যান্টিক প্রণয়কাব্য তাঁর রচনা।
• চট্টগ্রামের জোরওয়ারগঞ্জে এর পুঁথি পাওয়া গেছে বলে কবিকে ওই অঞ্চলের অধিবাসী মনে করা হয়।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

.
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি-
  1. শাহ মুহম্মদ সগীর
  2. মুহাম্মদ কবীর
  3. দৌলত উজির বাহরাম খান
  4. নওয়াজিশ খান
ব্যাখ্যা

শাহ মুহম্মদ সগীর:
- তিনি পনের শতকের কবি ছিলেন।
- মধ্যযুগের তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
- গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি এ কাব্য রচনা করেন।
- অনুবাদ সাহিত্যে বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি - শাহ্‌ মুহম্মদ সগীর।
- শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকর্ম — ইউসুফ-জুলেখা।
- তিনি পারস্যের জামী রচিত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যের বাংলা অনুবাদ করেন যা এই ধারার আদি গ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
”চৈতন্য-ভাগবত” গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. কৃষ্ণদাস কবিরাজ
  2. বৃন্দাবন দাস 
  3. লোচন দাস
  4.  মুরারিগুপ্ত
ব্যাখ্যা

শ্রীচৈতন্যদেব ও জীবনী সাহিত্য:
- শ্রীচৈতন্যদেব এর প্রকৃত নাম বিশ্বম্ভর মিশ্র। কৃষ্ণ চৈতন্য নামেও তিনি পরিচিত। তাঁর ডাক নাম রাখা হয় নিমাই।
- তিনি ১৪৮৬ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি শনিবার নবদ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ব্রাহ্মণ থেকে রূপান্তরিত এক ধর্মবেত্তা, যিনি তাঁর স্বকীয় ভক্তির মাধ্যমে বাংলা ও উড়িষ্যার বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মধ্যে দারুণ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিলেন।
শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনী রচনার মধ্য দিয়ে বাংলায় জীবনীসাহিত্য রচনা আরম্ভ হয়।

• সর্বাপেক্ষা তথ্যবহুল চৈতন্যজীবনী হলো কৃষ্ণদাস কবিরাজের 'চৈতন্য-চরিত্রামৃত'।
• বাংলা ভাষায় শ্রীচৈতন্যদেবের প্রথম জীবনী গ্রন্থ হলো বৃন্দাবন দাস রচিত 'চৈতন্য-ভাগবত'।
• শ্রীচৈতন্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থ হলো লোচন দাসের 'চৈতন্য-মঙ্গল'।
• মুরারিগুপ্ত রচিত চৈতন্যজীবনী শ্রী শ্রী কৃষ্ণ চৈতন্যচরিতামৃত।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

.
গোরক্ষবিজয়ের পুথি কোন শতকে পাওয়া যায়?
  1. ষোড়শ শতক
  2. সপ্তদশ শতক
  3. অষ্টাদশ শতক
  4. ঊনবিংশ শতক
ব্যাখ্যা

নাথসাহিত্য:
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে শিব উপাসক নাথ-যোগী ও সিদ্ধাচার্যদের রচিত সাহিত্যই নাথ সাহিত্য হিসেবে পরিচিত।
- নাথ সাহিত্য প্রধান দুই ভাগে বিভক্ত।
যথা:
 ১. মীন নাথ ও তার শিষ্য গোরক্ষনাথের কাহিনি,
২. রাজা গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস।

এই দুই কাহিনি অবলম্বন করেই নাথ যোগীদের অলৌকিক গল্প পল্লবিত হয়েছে।
- গোরক্ষবিজয়ের পুথি অষ্টাদশ শতকে, বাংলায় সহদেব চক্রবর্তী ও রামাই পণ্ডিতের  'ধর্ম পুরাণে' বা 'অনিল পুরাণে' পাওয়া যায়।
- গোপীচন্দ্র কাহিনির প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় জায়সীর  'পদুমাবৎ' এ। এ বিষয়ে প্রথম বাংলা গ্রন্থ নেপালে রচিত সপ্তদশ শতাব্দীর নাটক 'গোপীচন্দ্র নাটক'।
- 'গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস' রচনা করেন - সুকুর মামুদ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাপিডিয়ায় 'শুকুর মাহমুদ' দেওয়া আছে। মূলত তারা একই ব্যক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
’ধনপতি, ভাঁড়ুদত্ত’ কোন কাব্যের চরিত্র?
  1. চণ্ডীমঙ্গল
  2. মনসামঙ্গল
  3. ধর্মঙ্গল
  4. কালিকামঙ্গল
ব্যাখ্যা

'চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য:
- 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত।
- চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান বা শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবর্তী৷
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজ মাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে অন্যান্য কবি গুলো হলো: দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, লালা জয়নারায়ণ সেন, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী।

• এই কাব্যের দুটি উপাখ্যান রয়েছে-
১. একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি, চণ্ডী বরে কালকেতুর ধনপ্রাপ্তি নতুন রাজ্যপত্তন, ধূর্ত ভাড়ুদত্তের ষড়যন্ত্রে প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ।
২. দ্বিতীয় উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সওদাগর, অন্যান্য প্রধান চরিত্র তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।

চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
We should not aspire ________ wealth only.
  1. in
  2. on
  3. after
  4. with
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) after
Complete sentence: We should not aspire after wealth only
.

Aspire after: 
- Bangla meaning: আকাঙ্ক্ষা করা বা উচ্চাশা পোষণ করা।
- English meaning: To aim for something of high value or great goal.

Aspire এর সাথে Appropriate preposition হিসেবে after বসে কোন কিছু অর্জনের ইচ্ছা বা আশাকে বোঝানো হয়।
- আবার, কিছু অর্জনের ইচ্ছা বা আশাকে বোঝাতে Aspire এর পরে Appropriate preposition হিসেবে to ও বসে।
- শুধু সম্পদের বা অর্থের পেছনে ছুটা নিরুৎসাহিত করতে এখানে Aspire after ই সঠিক উত্তর।
 
aspire to something
- Bangla meaning: আকাঙ্ক্ষা করা বা উচ্চাশা পোষণ করা।
- English meaning: To aim for something of high value or great goal.
 

More examples: 
- He aspires after becoming a doctor.
- Few people who aspire to fame ever achieve it.

Source:
1. A Passage To The English Language, S.M. Zakir Hussain.
2. Cambridge Dictionary.

.
The appropriate plural form of the word ‘Stratum’ is—
  1. Stratum
  2. Stratames
  3. Strata
  4. Stratums
ব্যাখ্যা

The correct answer is 'strata'

- Singular number এর শেষে um থাকলে plural করার সময় um এর পরিবর্তে a বসে । 
- Stratum -এর বাংলা অর্থ হলো স্তর, থর, বা ধাপ। এটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার হতে পারে। যেমন: মাটির স্তর, সামাজিক স্তর  অথবা কোন    কিছুর গভীরতার স্তর বোঝাতেও এটি ব্যবহার হতে পারে।
- যেহেতু Stratum শব্দটির শেষে um রয়েছে তাই নিয়ম অনুসারে um এর স্থলে a বসে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো Strata.

Other examples:
Singular → Plural
- Corrigendum → Corrigenda,
- Agendum → Agenda,
- Medium → Media,
- Datum → Data,

Source: A Passage To The English Language, S.M. Zakir Hussain.

১০.
The word ‘fearless’ means —
  1. arrogant
  2. belligerent
  3. intrepid
  4. questioning
ব্যাখ্যা

The correct answer is- Intrepid.

Fearless:
- Bangla meaning: নির্ভীকতা,দুঃসাহসিকতা।
- English meaning: Someone who has no fear or who is free from fear.

Intrepid:
- Bangla meaning: অকুতোভয় বা অসীম সাহসী।
- English meaning: Brave and willing to do dangerous things.

Example sentences:
- Mr. Rahman is a very intrepid person.
- An intrepid journalist will go to any length for a story.

Other options:
- Arrogant: উদ্ধত।
- Belligerent: যুদ্ধরত বা যুধ্যমান।
- Questioning: প্রশ্ন করা বা জিজ্ঞাসা করা।

Source: Merriam-Webster dictionary, Accessible Dictionary, and Cambridge Dictionary.

১১.
Choose the correct spelling-
  1. Greivance
  2. Grievance
  3. Griveance
  4. Grieveance
ব্যাখ্যা

The correct spelling is Grievance.

Grievance:
- English meaning: A complaint or a strong feeling that you have been treated unfairly. 
- Bangla meaning: দুঃখদুর্দশার কারণ; দুঃখদুর্দশা।

Example sentences:
- She has been nursing a grievance all week.
- He has a deep sense of grievance against his former employer

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary and Cambridge Dictionary

১২.
Synonym of the 'outset' is-
  1. Elucidation
  2. Complication
  3. Commotion
  4. Inception 
ব্যাখ্যা

The synonym of the word ‘Outset’ is 'Inception'

Outset:
- Bangla meaning: শুরু বা আরম্ভ।
- English meaning: Beginning, Start.

Inception:
- Bangla meaning:শুরু, আরম্ভ, উপক্রম।
- English meaning: An act or process of beginning something.

Other options:
Elucidation:
-Bangla meaning: ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ করা।
-English meaning: To give a clear explanation.

Complication:
- Bangla meaning: কোন কিছু যা নতুন জটিলতা বা অসুবিধা সৃষ্টি করে। 
- English meaning: Something that makes a situation more difficult.

Commotion: 
- Bangla meaning: হৈ চৈ বা গোলমাল ।
- English meaning: A condition of civil unrest or disturbance.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary and Cambridge Dictionary.

১৩.
Antonym of the word 'Accuracy' is–
  1. Rightness
  2. Bureaucracy
  3. Delicacy
  4. Imprecision
ব্যাখ্যা

The antonym  of the word ‘Accuracy’ is ‘Imprecision’ 

Accuracy:
- Bangla meaning: যথার্থতা, নির্ভুলতা বা সঠিকতা।
- English meaning: Correctness or exactness . 

Imprecision:
- Bangla meaning: অযথার্থতা বা অসম্পূর্নতা। 
- English meaning: Lack of accuracy.

Other options
Rightness
- Bangla meaning: ন্যায্যতা, যথার্থতা। 
- English meaning: Being in accordance with what is just, good, or proper.

Bureaucracy:
- Bangla meaning: আমলাতন্ত্র; আমলাদের পরিচালিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
- English meaning: A body of nonelected government officials.

Delicacy:
- Bangla meaning: কমনীয়তা; কোমলতা; পেলবতা; মৃদুতা; সূক্ষ্মতা।
- English meaning: fineness or intricacy of texture or structure.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary and Cambridge Dictionary.

১৪.
The idiom ”Hit the hay“ means —
  1. To reach the target
  2. To solve a problem
  3. To get a job
  4. To go to bed
ব্যাখ্যা

The idiom “Hit the hay” means—'to go to bed'

Hit the hay
- Bangla meaning: ঘুমাতে যাওয়া বা শয়ন করা।
- English meaning: To go to bed.

Example sentences:
- It’s one o’clock, so I am going to hit the hay.
- I need to get up early in the morning, so I must hit the hay now.

Other options:
- To reach the target - লক্ষ্যে পৌছানো বা উপনীত হওয়া ।

- To solve a problem - কোন সমস্যার সমাধান করা ।

- To get a job - চাকরি পাওয়া।

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary and Cambridge Dictionary.

১৫.
______ traffic in Cumilla is increasing, no one is doing anything about it 
  1. Although
  2. Since
  3. Because
  4. Which
ব্যাখ্যা

Complete Sentence: Although traffic in Cumilla is increasing, no one is doing anything about it.

- Though/although যদিও ,তথাপি, কিছু হওয়া সত্ত্বেও অর্থে Sentence এর দুইটি clause এর বিপরীমুখিতা বোঝাতে though বা although ব্যাবহৃত হয়। তবে এরা অবশ্যই clause এর পূর্বে বসে।

- এ বাক্যের প্রথম অংশ পরবর্তী অংশের বিপরীতধর্মী।
- তাই এখানে linker হিসেবে option গুলো থেকে although ই হলো সঠিক উত্তর।

Other options:
- Since: বাক্যে তখন থেকে / তারপর থেকে অর্থ প্রকাশ করলে since ব্যবহার করা হয়।
- Because: বাক্যে কারণ অর্থ প্রকাশ করলে clause এর পূর্বে Because ব্যবহার করা হয়।
- Which: এমন কোনও শব্দ বা বাক্যাংশের আগে যা পূর্ববর্তী clause এর reaction to or commentary দিতে introductory হিসেবে which linker হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।

Source: A Passage To The English Language, S.M Zakir Hussain. 

১৬.
The phrase 'De facto' means -
  1. By law 
  2. Illegal
  3. In fact
  4. Not really
ব্যাখ্যা

The correct answer is 'In fact'.

De facto

- English meaning: Existing in fact.
- Bangla meaning: একটি ল্যাটিন word বা Phrase যার অর্থ হলো কার্যত, বস্তুত, প্রকৃতপক্ষে।

- এটি বিদ্যমান কোন ঘটনার বাস্তব বা প্রকৃত অবস্থা নির্দেশ করে।
- মূলত De jure এর সাথে বিপরীতমুখিতা প্রকাশ করতে De facto phrase টি ব্যাবহার করা হয়। De jure বলতে বুঝায় আইনগতভাবে বা আইনানুসারে।
- অন্যদিকে De facto বলতে বুঝায় প্রকৃত ঘটনা হতে পারে তবে তা আইনগত ভাবে ঠিক নয়।

Other options:
- By law: আইনগতভাবে বা আইনানুসারে।
- Illegal: অবৈধ বা যা আইনানুসারে ঠিক নয়।
- Not really: যাহা প্রকৃত ঘটনা নয়।

Source: Merriam-Webster dictionary, Accessible Dictionary and Cambridge Dictionary.

১৭.
সুদের হার ৯% থেকে কমে ৫% হলে এক ব্যক্তির আয় ৫ বছরে ৮০ টাকা কমে যায়, তার মূলধন কত টাকা?
  1. ৪০০ টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৮০০ টাকা
  4. ৯০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সুদের হার ৯% থেকে কমে ৫% হলে এক ব্যক্তির আয় ৫ বছরে ৮০ টাকা কমে যায়, তার মূলধন কত টাকা?

সমাধান: 
১০০ টাকায় ১ বছরে আয় কমে = (৯ - ৫)%
= ৪%
∴ ১০০ টাকায় ৫ বছরে আয় কমে = (৫ × ৪) টাকা 
= ২০ টাকা

এখন,
২০ টাকা আয় কমে যখন মূলধন = ১০০ টাকা
∴ ১ টাকা আয় কমে যখন মূলধন = ১০০/২০ টাকা
∴ ৮০ টাকা আয় কমে যখন মূলধন = (১০০ × ৮০)/২০ টাকা
= ৪০০ টাকা

∴ মূলধন = ৪০০ টাকা।
১৮.
কোনো পরীক্ষায় শতকরা ৮৫ জন ইংরেজিতে পাস করেছে। ইংরেজিতে ফেলের মোট সংখ্যা ৭৫ জন হলে, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কত? 
  1. ৪০০ জন
  2. ৪৫০ জন
  3. ৩৫০ জন
  4. ৫০০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো পরীক্ষায় শতকরা ৮৫ জন ইংরেজিতে পাস করেছে। ইংরেজিতে ফেলের মোট সংখ্যা ৭৫ জন হলে, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কত?

সমাধান: 
মোট পরীক্ষার্থী ১০০ জন হলে,
ফেল করে = (১০০ - ৮৫) জন
= ১৫ জন

১৫ জন ইংরেজিতে ফেল করলে পরীক্ষার্থী = ১০০ জন
∴ ১ জন ইংরেজিতে ফেল করলে পরীক্ষার্থী = ১০০/১৫ জন
∴ ৭৫ জন ইংরেজিতে ফেল করলে পরীক্ষার্থী = (১০০ × ৭৫)/১৫ জন
= ৫০০ জন

∴ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ৫০০ জন।
১৯.
একটি ছাগল ৮% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। ছাগলটি আরও ৮০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৮% লাভ হতো। ছাগলটির ক্রয়মূল্য কত? 
  1. ৪০০০ টাকা
  2. ৪৫০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ৬০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ছাগল ৮% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। ছাগলটি আরও ৮০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৮% লাভ হতো। ছাগলটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান: 
ছাগলটির ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে,
৮% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ৮) টাকা = ৯২ টাকা

আবার,
৮% লাভে বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ৮) টাকা = ১০৮ টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য বেশি হয় = (১০ ৮- ৯২) টাকা = ১৬ টাকা

বিক্রয়মূল্য ১৬ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য ১ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = ১০০/১৬ টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য ৮০০ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৮০০)/১৬ টাকা
= ৫০০০ টাকা

∴ ছাগলটির ক্রয়মূল্য = ৫০০০ টাকা ।
২০.
মনির আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ১৫ : ১০ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত ভাগ?
  1. ৩৩.৩৩%
  2. ৪৫.৫০%
  3. ৬৬.৬৬%
  4. ৬৯.৭৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মনির আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ১৫ : ১০ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত ভাগ?

সমাধান: 
ধরি,
মনির আয় = ১৫x টাকা
মনির ব্যয় = ১০x টাকা
∴ সঞ্চয় = (১৫x - ১০x) টাকা
= ৫x টাকা

∴ সঞ্চয় আয়ের শতকরা = {(৫x/১৫x) × ১০০}%
= ৩৩.৩৩%

∴ তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা = ৩৩.৩৩%।
২১.
আয়নায় দেখা গেলো ঘড়িতে 9 : 40 বাজে। প্রকৃতপক্ষে সময় কত? 
  1. 2 : 40
  2. 2 : 20
  3. 3 : 20
  4. 3 : 40
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আয়নায় দেখা গেলো ঘড়িতে 9 : 40 বাজে। প্রকৃতপক্ষে সময় কত?

সমাধান: 
প্রকৃত সময় = 11 : 60 - আয়নায় সময়
= 11 : 60 - 9 : 40
= 2 : 20
২২.
একজন ছাত্র ২৪ টি প্রশ্নের উত্তর শুদ্ধ করে ৭২% নম্বর পেল। ৯০% নম্বর পেতে হলে তাকে কতটি প্রশ্নের উত্তর শুদ্ধ করতে হবে?
  1. ১৮ টি
  2. ২১ টি
  3. ৩০ টি
  4. ২৭ টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন ছাত্র ২৪ টি প্রশ্নের উত্তর শুদ্ধ করে ৭২% নম্বর পেল। ৯০% নম্বর পেতে হলে তাকে কতটি প্রশ্নের উত্তর শুদ্ধ করতে হবে?

সমাধান: 
৭২% নম্বর পায় = ২৪ টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে 
∴ ১% নম্বর পায় = ২৪/৭২ টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে
∴ ৯০% নম্বর পায় = (২৪ × ৯০)/৭২ টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে
= ৩০ টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে

∴ ছাত্রটির প্রশ্নের উত্তর শুদ্ধ করতে হবে = ৩০ টি।
২৩.
৫ টাকায় ২ টি করে কমলা কিনে ৩৫ টাকায় কয়টি কমলা বিক্রয় করলে p% লাভ হবে? 
  1. (১৪০০ + p)/১০০ টি
  2. ১৪০০p টি
  3. (১০০ + p)/১৪০০ টি
  4. ১৪০০/(১০০ + p) টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫ টাকায় ২ টি করে কমলা কিনে ৩৫ টাকায় কয়টি কমলা বিক্রয় করলে p% লাভ হবে?

সমাধান: 
p% লাভে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১০০ + p) টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১০০ + p)/১০০ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ৫ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = {(১০০ + p) × ৫}/১০০ টাকা
= (১০০ + p)/২০ টাকা

এখন, 
(১০০ + p)/২০ টাকায় বিক্রয় করতে হবে = ২ টি কমলা
∴ (১০০ + p)/২০ টাকায় বিক্রয় করতে হবে = (২ × ২০)/(১০০ + p) টি কমলা
∴ ৩৫ টাকায় বিক্রয় করতে হবে = {(২ × ২০) × ৩৫}/(১০০ + p) টি কমলা
= (২ × ২০ × ৩৫)/(১০০ + p) টি কমলা
= ১৪০০/(১০০ + p) টি কমলা।
২৪.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জেড ফোর্সের প্রধান ছিল-
  1. কে এম শফিউল্লাহ
  2. জিয়াউর রহমান
  3. খালেদ মোশাররফ
  4. জেনারেল ওসমানী
ব্যাখ্যা

• মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জেড ফোর্সের প্রধান ছিল জিয়াউর রহমান।

• মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স।

• জেড ফোর্স:
- মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- 'জেড ফোর্স' নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

অন্যদিকে, 
- এস ফোর্স:
- কে.এম. সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- 'এস ফোর্স' নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

• কে ফোর্স:
- কর্ণেল খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে অক্টোবর মাসে কে ফোর্স গঠিত হয়।
- 'কে ফোর্স' গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ঢাকা জেলা প্রসাশন ওয়েবসাইট।

২৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন 'অপারেশন জ্যাকপট' কীসের সাংকেতিক নাম?
  1. নৌ কমান্ডোদের অভিযান
  2. বিমান বাহিনীর অভিযান
  3. গেরিলা বাহিনীর অভিযান
  4. সীমান্ত যুদ্ধ অভিযান
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন 'অপারেশন জ্যাকপট' হলো নৌ কমান্ডোদের অভিযানের সাংকেতিক নাম।

• অপারেশন জ্যাকপট:
- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট পরিচালিত নৌ-কমান্ডো বাহিনীর প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
- অপারেশন জ্যাকপট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি নৌ-কমান্ডোরা বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে অত্যন্ত অল্প সময়ে যুদ্ধের গতি সম্পর্কে বিশ্বকে ধারণা দিতে সক্ষম হয়।
- এদিন রাতে নৌ-কমান্ডোরা একযোগে মংলা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর আক্রমণ করে এবং পাকিস্তান বাহিনীর ২৬ টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দেয়।
- মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাঞ্চলকে যে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এর মধ্যে ১০নং সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো।
- মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, নদী ও সমুদ্র বন্দরসহ বাংলাদেশের সমগ্র জলপথ নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৬.
বাংলাদেশ সংবিধানে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদের মাধ্যমে?
  1. ৩৯ (১)
  2. ৩৯ (২)
  3. ২৮ (২)
  4. ২৯ (২)
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায় হচ্ছে - মৌলিক অধিকার বিষয়ক।
- এই অধ্যায়ের অন্তর্গত ২৮ (২) অনুচ্ছেদটি নারী-পুরুষের সমতা বিষয়ক।

• অনুচ্ছেদ - ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য- 
(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ - ২৯ (২): 
কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।

অনুচ্ছেদ - ৩৯ (১): 
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

অনুচ্ছেদ - ৩৯ (২): 
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৭.
বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন গঠিত হয় সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুসারে?
  1. ১৩৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত।

উল্লেখ্য যে,
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

• বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে:
- ১৩৬ নং: কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন।
- ১৩৭ নং: সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- ১৩৮ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ।
- ১৩৯ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ।
- ১৪০ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব।
- ১৪১ নং: সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।

উৎস:
i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

২৮.
মুক্তিযুদ্ধকালীন 'হেমায়েত বাহিনী' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. পাবনা
  3. বরিশাল
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধকালীন 'হেমায়েত বাহিনী' বরিশাল অঞ্চলে যুদ্ধ করে।

• আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

২৯.
'শপথ ও ঘোষণা' সংবিধানের কততম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা

• 'শপথ ও ঘোষণা' সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- বাংলাদেশ সংবিধানে সাতটি তফসিল রয়েছে।
- প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।