পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়40 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৮: পার্ট – ১: বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি: [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত] i) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ii) সত্তরের নির্বাচন iii) একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ iv) বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার বৈশ্বিক স্বীকৃতি v) স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে সমসাময়িক ইতিহাস পার্ট – ২: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান: i) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণগুলো), জাতিসংঘ মিশন সমূহ; ii) Bretton Woods - সংস্থাসমূহ [বিশ্বব্যাংক ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপ, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও GATT/WTO) পার্ট-৩: মানসিক দক্ষতা টপিকসমূহ: ১. ভাষাগত যৌক্তিক বিচার (Verbal Reasoning) ২. সমস্যা সমাধান (Problem Solving)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
নিচের কোন ব্যক্তি ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান আন্দোলনের শহীদ নন?
  1. ক) আসাদ
  2. খ) মতিউর
  3. গ) বরকত
  4. ঘ) জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভরত ছাত্র-জনতার উপর পুলিশের গুলিবর্ষণে আবুল বরকত  শাহাদত বরণ করেন।
- তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান:    
- ডাকসুর আহ্বানে ১৯৬৯ সালের ১৪ই জানুয়ারি সমগ্র পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়। 
- ২০শে জানুয়ারি নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্ররা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালন করেন।
- হরতাল  পালনকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। 
- আসাদের হত্যার প্রতিবাদে ২২, ২৩ ও ২৪ তারিখে ব্যাপক কর্মসূচী ঘোষিত হয়। 
- আবারও পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র কিশোর মতিউর নিহত হয় এবং অসংখ্য মানুষ আহত হয়। 
- ২৪শে জানুয়ারির পর থেকে লাগাতার আন্দোলন ও হরতালে বহু মানুষ পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত ও আহত হয় ।
- ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়।
- ১৮ই ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহাকে বেয়োনেট চার্জ করে হত্যা করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধুর নিম্নোক্ত কোন দাবিটি ছিল না?
  1. ক) সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে
  2. খ) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে
  3. গ) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে
  4. ঘ) জেনারেল ইয়াহিয়াকে প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়তে হবে
ব্যাখ্যা
৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ
- ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙ্গালির ইতিহাসের এক মহেন্দ্রক্ষণ।
- এদিন বঙ্গবন্ধু তাঁর ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ভাষণে ৪টি দাবি উত্থাপন করেন। যথা-
(১) সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে,
(২) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে,
(৩) গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে এবং
(৪) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় রাজসাক্ষীসহ মোট সাক্ষীর সংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ২২৫ জন
  2. খ) ২২৮ জন
  3. গ) ২২৭ জন
  4. ঘ) ২৩০ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯শে জুন বেলা এগারোটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- সাক্ষীর সংখ্যা ছিল সরকার পক্ষে ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন। 
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্ত আইনজীবীদের নিয়ে একটি ডিফেন্স টিম গঠন করা হয়।
- অন্যদিকে যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলি ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি. এইচ. খান। 
- ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস এ রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম আর খান ও মুকসুমুল হাকিম।
- ২৯শে জুলাই ১৯৬৮ সালে মামলার শুনানি পুনরায় শুরু হয়। 
- স্যার টমাস উইলিয়াম ৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন কে?
  1. ক) জেনারেল টিক্কা খান
  2. খ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  3. গ) জেনারেল নিয়াজী
  4. ঘ) জুলফিকার আলী ভুট্টো
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন
- আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতে জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতীয় পরিষদের আসন্ন ৩ মার্চের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। 
- সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কোনরূপ আলোচনা না করে অধিবেশন স্থগিত করায় পূর্ব বাংলার জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ২ মার্চ ঢাকায় ও ৩ মার্চ সারা পূর্ব পাকিস্তানে হরতালের ডাক দেন।
- বস্তুত ১ মার্চ হতেই পূর্ব বাংলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়ে যায়।
- জনগণের মারমুখি মনোভাব ও অসহযোগ আন্দোলনে ভীত হয়ে জেনারেল ইয়াহিয়া খান ৬ মার্চ ঘোষণা করেন, ‘২৫ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বসবে। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় কত তারিখে?
  1. ক) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ৭ মার্চ, ১৯৭১
  3. গ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ঘ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী সেনারা ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যায় লিপ্ত হয়।
- নিরস্ত্র ঘুমন্ত বাঙ্গালির ওপর বিভৎস এ আক্রমণ অখন্ড পাকিস্তানের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়।
- আনুমানিক রাত দেড়টার দিকে গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে পাণ্ডুলিপিবিহীন ও অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) UNESCO
  2. খ) UNICEF
  3. গ) UNFPA
  4. ঘ) UNHCR
ব্যাখ্যা
- ২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে     জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেসকো (UNESCO)। 
- ভাষণটি ইউনেসকো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ‘Memory of the World International Heritage Register'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। - এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'যশোর' জেলা কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) পাঁচ
  2. খ) ছয়
  3. গ) সাত
  4. ঘ) আট
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর :
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে ১১ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
- প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব- সেক্টরে বিভক্ত ছিল।
- সেক্টরগুলোর পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো-
• এক নম্বর সেক্টর: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী পর্যন্ত এলাকা।
• দুই নম্বর সেক্টর: নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত, কুমিল্লা জেলা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ (বর্তমানে জেলা), ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ।
• তিন নম্বর সেক্টর: আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলা, সিলেট, ঢাকা জেলার অংশবিশেষ ও কিশোরগঞ্জ।
• চার নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন ছাড়াও পূর্ব ও উত্তর দিকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত অঞ্চল।
• পাঁচ নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল, সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
• ছয় নম্বর সেক্টর: রংপুর জেলা, দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহকুমা (বর্তমানে জেলা)।
• সাত নম্বর সেক্টর: দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা।
আট নম্বর সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
• নয় নম্বর সেক্টর: দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চল, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা।
• দশ নম্বর সেক্টর: দশ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথ।
• এগার নম্বর সেক্টর: কিশোরগঞ্জ ছাড়া ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
.
১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কত শতাংশ মানুষের ভোট পেয়েছিল?
  1. ক) প্রায় ৬৯ ভাগ
  2. খ) প্রায় ৭৯ ভাগ
  3. গ) প্রায় ৮৯ ভাগ
  4. ঘ) প্রায় ৯৯ ভাগ
ব্যাখ্যা
প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
- প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮৮টি আসন লাভ করে। 
- প্রদত্ত ভোটের ৮৯ ভাগ ভোট আওয়ামী লীগ পায়।  
- বাকী ১২টি আসনের মধ্যে ৯টি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, ২টি পিডিপি এবং ১টি জামায়াত-ই-ইসলামী।
- আওয়ামী লীগ সংরক্ষিত ১০টি মহিলা আসন সহ নির্বাচনে ৩১০টি আসনের মধ্যে সর্বমোট ২৯৮টি আসন লাভ করে। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'বীরাঙ্গনা'দের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৫ সালে
  2. খ) ২০১৬ সালে
  3. গ) ২০১৭ সালে
  4. ঘ) ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নারী:
- মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল।
- ১৯৭১ সালের মার্চের প্রথম থেকেই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে যে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, তাতে নারীদের বিশেষ করে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত।
- মুক্তিযোদ্ধা শিবিরে পুরুষের পাশাপাশি নারীরা অস্ত্রচালনা ও গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- অপরদিকে সহযোদ্ধা হিসেবে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা-শুধুবা, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দান ও তথ্য সরবরাহ করে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এদেশের অগণিত নারী মুক্তিসেনা।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক ধর্ষিত হন প্রায় তিন লাখ মা-বোন।
- তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী।
- তাদের ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারিভাবে তাঁদের 'বীরাঙ্গনা' উপাধিতে ভূষিত করেন।
- আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৫ সালে তাঁদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং লিঙ্ক
১০.
মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শহীদ হন কে?
  1. ক) শম্ভু সরকার
  2. খ) সন্তু নাথ
  3. গ) নূর হোসেন
  4. ঘ) শঙ্কু সমজদার
ব্যাখ্যা
•  ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ দেশব্যাপী হরতাল চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন শঙ্কু সমজদার।
তাকে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১১.
মুক্তিযোদ্ধের সময় চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. ক) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে খন্দকার
  2. খ) লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
  3. গ) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান 
  4. ঘ) কর্নেল (অব.) এম. এ. জি ওসমানী  
ব্যাখ্যা
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার তথা মুজিবনগর সরকার এবং এই সরকার ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে। 
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যার নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকারও পরিচিতি লাভ করে মুজিবনগর সরকার নামে।
- এ সরকার গঠনের মাত্র ২ ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বিমান বাহিনী মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে মেহেরপুর দখল করে নেয় ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তর করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকার( মুজিবনগর সরকার)
রাষ্ট্রপতি (সর্বাধিনায়ক)- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উপ-রাষ্ট্রপতি- সৈয়দ নজরুল ইসলাম
প্রধানমন্ত্রী- তাজউদ্দিন আহমদ
অর্থমন্ত্রী- ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন, কৃষি মন্ত্রী- এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী- খন্দকার মোশতাক আহমদ
প্রধান সেনাপতি- কর্নেল (অব.) এম. এ. জি ওসমানী
চিফ অব স্টাফ- লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ- গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে খন্দকার।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
১২.
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭১ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ১৯৭৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচন:
- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
- বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠিত হয়- ১৯৭৩ সালে। 
- বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ইতিহাসে এ নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
জাতীয় চার নেতার অন্তর্ভূক্ত নয় -
  1. ক) এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  2. খ) এ. কে. ফজলুল হক
  3. গ) ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর গভীর রাতে ১৫ই আগস্ট হত্যাকাণ্ডের খুনিচক্র সেনাসদস্যরা দেশত্যাগের পূর্বে খন্দকার মোশতাকের অনুমতি নিয়ে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে সেখানে বন্দি অবস্থায় থাকা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতা— সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ও এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামানকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
- এ হত্যাকাণ্ড ছিল ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত, স্বাধীনতাবিরোধী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর সম্মিলিত ষড়যন্ত্র ও নীলনক্সার বাস্তবায়ন।
- ১৫ ই আগস্ট ও ৩রা নভেম্বরের হত্যাকাণ্ড একই গোষ্ঠী সংঘটিত করে।
- উভয় হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অর্জনসমূহ ধ্বংস ও দেশকে নেতৃত্বশূন্য করে পাকিস্তানি ভাবাদর্শ প্রতিষ্ঠা করা। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র ছিল কোনটি?
  1. ক) লন্ডন
  2. খ) ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
  3. গ) নয়া দিল্লি
  4. ঘ) স্টকহোম
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্রিটেনের ভূমিকা:
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে ব্রিটেনের প্রচার মাধ্যম বিশেষ করে বিবিসি এবং লন্ডন থেকে প্রকাশিত পত্র-পত্রিকা বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম নির্যাতন এবং বাঙালিদের সংগ্রাম ও প্রতিরোধ, ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের করুণ অবস্থা, পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি সম্পর্কে বিশ্ব জনমতকে জাগ্রত করে তোলে।
- ব্রিটিশ সরকারও আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে খুবই সহানুভূতিশীল ছিল।
- লন্ডন ছিল বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘের সরকারী ভাষা কয়টি?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ২
ব্যাখ্যা
 আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘ ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ (ইউএন) হল ২০ শতকে প্রতিষ্ঠিত দ্বিতীয় বহুমুখী আন্তর্জাতিক সংস্থা যা বিশ্বব্যাপী পরিধি এবং সদস্যপদে ছিল।
- এর পূর্বসূরি লীগ অব নেশনস ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল এবং ১৯৪৬ সালে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।
- জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস – জেনেভা, ভিয়েনা এবং নাইরোবিতেও  রয়েছে।
- এর সরকারী ভাষা ছয়টি  – আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রাশিয়ান এবং স্প্যানিশ।
 
উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট। 
১৬.
ঐতিহাসিক আটলান্টিক সনদে ব্রিটিশদের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. ক) মার্গারেট থ্যাচার
  2. খ) রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ
  3. গ) টনি ব্লেয়ার
  4. ঘ) উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যা
- বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার একক বিশ্বসংস্থা হল জাতিসংঘ।
- জাতিসংঘের প্রধান লক্ষ্য যেমন শান্তি প্রতিষ্ঠা তেমনি এর জন্মও পূর্বতন রূপের শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যর্থতা থেকে, যা জাতিপুঞ্জ) নামে পরিচিত ছিল।
- কিন্তু পৃথিবীতে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি বিশ্বযুদ্ধ এবং এর ধ্বংসযজ্ঞ জাতিপুঞ্জের কবর রচনা করে।
- এ উদ্যোগে প্রথমে এগিয়ে আসেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট যিনি জাতিসংঘ নামটি রাখেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইন্সটন চার্চিল এবং রুজভেল্টের সহযোগী হ্যারি হপকিনস ১৯৪১ সালের
ডিসেম্বরে একটি খসড়া তৈরি করেন।
- ১৯৪২ সালের ১-২ জানুয়ারি ২৬টি রাষ্ট্র জাতিসংঘ ঘোষণায় সাক্ষর করে।
- দীর্ঘ আলোচনার পর ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিলে সানফ্রান্সিসকোতে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ সম্মেলনেই জাতিসংঘ সনদের খসড়া প্রণীত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবরে বিশ্বের ৫০টি রাষ্ট্র জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর করে।
- এর মধ্য দিয়েই বর্তমান জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- তাই ২৪ অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
জাতিসংঘের নির্বাহী অঙ্গসংস্থা কোনটি?
  1. ক) সাধারণ পরিষদ
  2. খ) নিরাপত্তা পরিষদ
  3. গ) সচিবালয়
  4. ঘ) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
ব্যাখ্যা
- আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গসংস্থা রয়েছে ছয়টি:–  
- সাধারণ পরিষদ,
- নিরাপত্তা পরিষদ,
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ,
- অছি পরিষদ,
- আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এবং
- সচিবালয়। 

- জাতিসংঘের প্রধান নির্বাহী সংস্থা হলো সচিবালয় বা সেক্রেটারিয়েট। এটি জাতিসংঘের প্রধান ছয়টি অঙ্গসংস্থার একটি । দৈনন্দিন কাজ সম্পাদন করতে এবং জাতিসংঘের প্রধান নীতিমালা সমূহ বাস্তবায়নে এটি কাজ করে থাকে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৮.
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে কয়টি দেশ জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করেন?
  1. ক) ৫০
  2. খ) ৫২
  3. গ) ২৫
  4. ঘ) ৪০
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে অনুষ্ঠিত সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য পোল্যান্ড সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত ছিলো না।
- ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালের ১৫ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে।
- সনদ স্বাক্ষরের পূর্বে পোল্যান্ড জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করায় পোল্যান্ডকেও জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য বিবেচনা করা হয়।
- পোল্যান্ডসহ জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।

[প্রথমে ৫০টি দেশ স্বাক্ষর করেছে এবং পরবর্তীতে পোল্যান্ড এই সনদে স্বাক্ষর করে। অপশনে ৫১ না থাকলে ৫০ হবে সঠিক উত্তর।]

সূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৯.
ইয়াল্টা সম্মেলন -এর একটি লক্ষ্য ছিল—
  1. ক) বিশ্বযুদ্ধের কারণ কারণ নির্ণয়
  2. খ) জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
  3. গ) জিব্রাল্টার প্রণালির সুরক্ষা
  4. ঘ) যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ প্রদান
ব্যাখ্যা
- ইয়াল্টা সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য ছিল জাতিসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা।
- ইয়াল্টা সম্মেলন, (ফেব্রুয়ারি ৪-১১, ১৯৪৫):- তিন প্রধান মিত্র নেতাদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান সম্মেলন-প্রেস।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রিমিয়ার জোসেফ স্টালিন - যারা নাৎসি জার্মানির
চূড়ান্ত পরাজয় এবং দখলের পরিকল্পনা করার জন্য ক্রিমিয়ার ইয়াল্টায় মিলিত হয়েছিল।
- এটি ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে জার্মানি মার্কিন, ব্রিটিশ, ফরাসি এবং সোভিয়েত বাহিনীর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত দখলকৃত অঞ্চলে বিভক্ত হবে।
- কনফারিরা এই নীতিটি গ্রহণ করেছিলেন যে ন্যূনতম জীবিকা প্রদান করা ছাড়া জার্মানদের প্রতি মিত্রশক্তির কোন দায়িত্ব নেই, ঘোষণা করা হয়েছে যে জার্মান সামরিক শিল্প বিলুপ্ত বা বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং সম্মত হন যে বড় যুদ্ধাপরাধীদের একটি আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার করা হবে, যা পরবর্তীকালে সভাপতিত্ব করে। নুরনবার্গ।
- ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের দায়িত্ব একটি কমিশনকে দেওয়া হয়েছিল।


উতস: ব্রিটানিকা।
২০.
Virtue thrives best in -
  1. ক) Safety
  2. খ) Adversity
  3. গ) Reward
  4. ঘ) Dangers
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Virtue thrives best in -

সমাধান: 
Virtue thrives best in adversity.

প্রশ্নে প্রদত্ত প্রবাদ বাক্যটির বঙ্গানুবাদ - 'বিপদের মধ্যেই গুণের পরীক্ষা হয়'।
২১.
As the controversial argument continued, the debaters became more _________ and their remarks became more ________.
  1. ক) emotional - adroit
  2. খ) vehement - acrimonious
  3. গ) reticent - cliche
  4. ঘ) affable - adverse
ব্যাখ্যা
Question: As the controversial argument continued, the debaters became more _________ and their remarks became more ________.

Solution: 
The blanks will be fill up with vehement and acrimonious.
২২.
ইরান : আবাদান : : ইসরাইল : 
  1. ক) ডানজিগ
  2. খ) এডেন
  3. গ) ডাকার
  4. ঘ) হাইফা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ইরান : আবাদান : : ইসরাইল : 

সমাধান: 
ইরানের সমুদ্রবন্দর আবাদান আর ইসরাইলের সমুদ্রবন্দর হাইফা
তেমনি-
- পোল্যান্ডের সমুদ্রবন্দর ডানজিগ। 
- ইয়েমেনের সমুদ্রবন্দর এডেন।
- সেনেগালের সমুদ্রবন্দর ডাকার। 
২৩.
নিচের কোন উত্তরটি অন্যগুলোর সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ নয়? 
  1. ক) শেষের কবিতা
  2. খ) ক্ষণিকা
  3. গ) মানসী
  4. ঘ) সোনার তরী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন উত্তরটি অন্যগুলোর সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ নয়? 

সমাধান: 
শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস আর বাকিগুলো কাব্যগ্রন্থ। 
২৪.
আজ আরিফের ১০ তম ও তার বাবার ৩০ তম জন্মদিন। কত বছর পর তার বাবার বয়স আরিফের দ্বিগুণ হবে? 
  1. ক) ১০
  2. খ) ১৪
  3. গ) ১৮
  4. ঘ) ২০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আজ আরিফের ১০ তম ও তার বাবার ৩০ তম জন্মদিন। কত বছর পর তার বাবার বয়স আরিফের দ্বিগুণ হবে? 

সমাধান: 
ধরি, x বছর পর তার বাবার বয়স আরিফের দ্বিগুণ হবে

এখন,
২(x + ১০) = x + ৩০
⇒ ২x + ২০ = x + ৩০
⇒ ২x - x = ৩০ - ২০ 
∴ x = ১০ 

∴ ১০ বছর পর তার বাবার বয়স আরিফের দ্বিগুণ হবে
২৫.
একজন ব্যাটসম্যানের আটটি ওয়ানডে-তে এভারেজ ৭৮। পরবর্তী ২ ম্যাচে কত রান করলে এভারেজ ৮০ হবে?  
  1. ক) ১৭৪
  2. খ) ১৭৬
  3. গ) ১৭৮
  4. ঘ) ১৮০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন ব্যাটসম্যানের আটটি ওয়ানডে-তে এভারেজ ৭৮। পরবর্তী ২ ম্যাচে কত রান করলে এভারেজ ৮০ হবে?  

Solution: 
একজন ব্যাটসম্যান ওয়ানডে খেলেছে ৮টি 
পরে খেলবে ২টি 
তাহলে মোট ম্যাচ = (৮ + ২) = ১০টি 

৮০ এভারেজে ১০ টি ম্যাচে মোট রান হবে = ৮০ × ১০ = ৮০০
৭৮ এভারেজে ৮টি ম্যাচে মোট রান হবে = ৭৮ × ৮ = ৬২৪
∴ পরবর্তী ২ ম্যাচে রান করতে হবে = ৮০০ - ৬২৪ = ১৭৬ 
২৬.
টাকায় ৫টি করে আম ক্রয় করে টাকায় ৪টি করে বিক্রয় করলে, শতকরা কত লাভ হবে?  
  1. ক) ২০%
  2. খ) ২৫%
  3. গ) ৩০%
  4. ঘ) ৩৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: টাকায় ৫টি করে আম ক্রয় করে টাকায় ৪টি করে বিক্রয় করলে, শতকরা কত লাভ হবে?  

সমাধান:
৫টির ক্রয়মূল্য ১ টাকা 
∴ ১টির ক্রয়মূল্য ১/৫ টাকা 

আবার,
৪টির বিক্রয়মূল্য ১ টাকা
∴ ১টির বিক্রয়মূল্য ১/৪ টাকা 

লাভ হয় = (১/৪) - (১/৫) = ১/২০ টাকা 

১/৫ টাকায় লাভ হয় ১/২০ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় ৫/২০ টাকা
∴ ১০০ টাকায় লাভ হয় (৫ × ১০০)/২০ টাকা = ২৫ টাকা 

∴ লাভ হয় = ২৫% 
২৭.
Beggars should not be given alms, because - 
  1. ক) It is really a very bad habit
  2. খ) Many beggars indulge in evil activities
  3. গ) Beggars should be encouraged to work
  4. ঘ) It is forbidden by law
ব্যাখ্যা
Question: Beggars should not be given alms, because - 

Solution: 
Beggars should not be given alms, because beggars should be encouraged to work.
অর্থাৎ ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেয়া উচিৎ নয়, কারণ ভিক্ষুককে কর্ম করতে উৎসাহ দিতে হবে।  
২৮.
খাবার রান্না করা অসম্ভব -
  1. ক) একটি মাটি সরবরাহ ছাড়া
  2. খ) বিদ্যুৎ সরবরাহ ছাড়া
  3. গ) তাপ ছাড়া
  4. ঘ) কাঠের সরবরাহ ছাড়া
ব্যাখ্যা
Question: খাবার রান্না করা অসম্ভব -


Solution:
খাবার রান্নার জন্য তাপ আবশ্যক।
তাপ ছাড়া খাবার রান্না করা অসম্ভব।
২৯.
একটি রেলস্টেশন সবসময় থাকে-
  1. ক) একটি চায়ের দোকান
  2. খ) একটি ট্রেন
  3. গ) কুলি
  4. ঘ) রেল লাইন
ব্যাখ্যা
Question: একটি রেলস্টেশন সবসময় থাকে- 

Solution:
একটি রেলওয়ে স্টেশনে সবসময় রেললাইন থাকে অন্যথায় ট্রেন চলাচল করতে পারে না।
৩০.
আমার মায়ের বোনের ছেলের একমাত্র খালার মেয়ে আমার- 
  1. ক) ফুফি
  2. খ) চাচী
  3. গ) বোন
  4. ঘ) মামি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আমার মায়ের বোনের ছেলের একমাত্র খালার মেয়ে আমার- 

সমাধান: 
আমার মায়ের বোন - আমার খালা
আমার মায়ের বোনের ছেলে - আমার খালাতো ভাই
আমার মায়ের বোনের ছেলের একমাত্র  খালা - আমার মা 
আমার মায়ের বোনের ছেলের খালার মেয়ে - আমার বোন 
৩১.
কোন পশু শব্দ করতে পারে না?  
  1. ক) হাতি
  2. খ) বানর
  3. গ) জিরাফ
  4. ঘ) বাদুড়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন পশু শব্দ করতে পারে না?  

সমাধান: 
জিরাফ শব্দ করতে পারে না। 
৩২.
দৈনিক ৫ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ৭ জন ব্যক্তি একটি কাজ করে ১৬ দিনে। দৈনিক ৪ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ১০ জন ব্যক্তি কাজটি কতদিনে করবে? 
  1. ক) ৭
  2. খ) ১০
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দৈনিক ৫ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ৭ জন ব্যক্তি একটি কাজ করে ১৬ দিনে। দৈনিক ৪ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ১০ জন ব্যক্তি কাজটি কতদিনে করবে? 

সমাধান: 
৫ ঘণ্টায় ৭ জন কাজ করে ১৬ দিনে 
∴ ১ ঘণ্টায় ৭ জন কাজ করে (১৬ × ৫) দিনে 
∴ ১ ঘণ্টায় ১ জন কাজ করে (১৬ × ৫ × ৭) দিনে 
∴ ৪ ঘণ্টায় ১ জন কাজ করে (১৬ × ৫ × ৭)/৪ দিনে 
∴ ৪ ঘণ্টায় ১০ জন কাজ করে (১৬ × ৫ × ৭)/(৪ × ১০) দিনে = ১৪ দিনে
৩৩.
৩৫০ জন সৈন্য অন্য একটি ক্যাম্পে যাচ্ছিল। তারা সড়ক দুর্ঘটনায় পড়ে ও ১০০ জন সৈন্য আহত হয়। ৬০ জনকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেয়া হয়। ৩০ জন ছাড়া বাকী সবাই হাসপাতালে মারা যায়। ক্যাম্পের কতজন সৈন্য জীবিত আছে? 
  1. ক) ২৭০
  2. খ) ২৮০
  3. গ) ৩০০
  4. ঘ) ৩২০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩৫০ জন সৈন্য অন্য একটি ক্যাম্পে যাচ্ছিল। তারা সড়ক দুর্ঘটনায় পড়ে ও ১০০ জন সৈন্য আহত হয়। ৬০ জনকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেয়া হয়। ৩০ জন ছাড়া বাকী সবাই হাসপাতালে মারা যায়। ক্যাম্পের কতজন সৈন্য জীবিত আছে? 

সমাধান:
এখানে,
৬০ জনের মধ্যে ৩০ জন ছাড়া বাকীরা মারা যায়।
তাই ৩০ জন এদের মধ্যে জীবিত ও ৩০ জন মৃত।

∴ মোট জীবিত = (৩৫০ - ৩০) = ৩২০ জন
৩৪.
২ ঘণ্টার একটি পরীক্ষায় ১৫০টি প্রশ্ন ছিল। এদের মধ্যে ৫০টি গাণিতিক সমস্যা ছিল। গণিতের প্রতিটি সমস্যা সমাধানের জন্য অন্য প্রতিটি সমস্যার ২ গুন সময় লাগে। গণিতের সমস্যা সমাধানে মোট কত সময় লাগে? 
  1. ক) ৫০ মিনিট 
  2. খ) ৫৫ মিনিট 
  3. গ) ৬০ মিনিট 
  4. ঘ) ৬৫ মিনিট 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২ ঘণ্টার একটি পরীক্ষায় ১৫০টি প্রশ্ন ছিল। এদের মধ্যে ৫০টি গাণিতিক সমস্যা ছিল। গণিতের প্রতিটি সমস্যা সমাধানের জন্য অন্য প্রতিটি সমস্যার ২ গুন সময় লাগে। গণিতের সমস্যা সমাধানে মোট কত সময় লাগে?  

সমাধান: 
গণিত বাদে অন্য সমস্যা = ১৫০ - ৫০ = ১০০

ধরি,
গণিত বাদে অন্য সমস্যার প্রতিটিতে সময় লাগে x মিনিট
গণিতে সময় লাগে ২x মিনিট

প্রশ্নমতে,
(৫০ × ২x) + ১০০x = ২ × ৬০
⇒ ১০০x + ১০০x = ১২০
⇒ ২০০x = ১২০
⇒ x = ১২০/২০০
∴ x = ৩/৫

∴ গণিতে সময় লাগে = ৫০ × ২ × (৩/৫) মিনিট = ৬০ মিনিট
৩৫.
নিচের ত্রিভুজে x এর মান কত? 
  1. ক) 110° 
  2. খ) 115° 
  3. গ) 135° 
  4. ঘ) 140° 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের ত্রিভুজে x এর মান কত? 


সমাধান:

এখানে, 
AB = BC
ধরি, ∠ACB = ∠BAC = m

প্রশ্নমতে, 
m + m + 40 = 180 
⇒ 2m = 180 - 40
⇒ 2m = 140 
∴ m = 70

∴ x° = 180° - ∠ACB = 180° - 70° = 110°
৩৬.
একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৭০ বার ঘোরে। ১ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রী ঘুরবে? 
  1. ক) ৪০০° 
  2. খ) ৪২০° 
  3. গ) ৪৫০° 
  4. ঘ) ৫৪০° 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৭০ বার ঘোরে। ১ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রী ঘুরবে? 

সমাধান: 
১ মিনিট = ৬০ সেকেন্ড

৬০ সেকেন্ডে ঘুরে ৭০ × ৩৬০°  
∴ ১ সেকেন্ডে ঘুরে (৭০ × ৩৬০°)/৬০ = ৪২০°
৩৭.
সাবিত একটি শ্রেণিতে সামনে থেকে ৭ম এবং পিছন থেকে ৩৪তম হলে, শ্রেণিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা কত? 
  1. ক) ৪০ জন 
  2. খ) ৪১ জন 
  3. গ) ৪২ জন 
  4. ঘ) ৩৯ জন 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সাবিত একটি শ্রেণিতে সামনে থেকে ৭ম এবং পিছন থেকে ৩৪তম হলে, শ্রেণিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা কত? 

সমাধান:  
মোট সংখ্যা
= (সামনে থেকে তম + পিছন থেকে তম) - ১ জন
= (৭ + ৩৪) - ১ জন 
= (৪১ - ১) জন
= ৪০ জন
৩৮.
৪১ জন ছাত্রছাত্রীর ক্লাসে উপর দিক থেকে হিমেল ও রাজীবের অবস্থান যথাক্রমে ৫ম ও ৯ম। নিচের দিক থেকে তাদের অবস্থান যথাক্রমে কত? 
  1. ক) ৩৮ তম এবং ৩৩ তম
  2. খ) ৩৭ তম এবং ৩২ তম
  3. গ) ৩৭ তম এবং ৩৩ তম
  4. ঘ) ৩৬ তম এবং ৩২ তম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪১ জন ছাত্রছাত্রীর ক্লাসে উপর দিক থেকে হিমেল ও রাজীবের অবস্থান যথাক্রমে ৫ম ও ৯ম। নিচের দিক থেকে তাদের অবস্থান যথাক্রমে কত? 

সমাধান:
ক্লাসে হিমেলের পিছনে অবস্থান = (৪১ - ৫) = ৩৬ জনের
অর্থাৎ শেষের দিক থেকে হিমেলের অবস্থান = (৩৬ + ১) = ৩৭ তম

আবার,
ক্লাসে রাজীবের পিছনে অবস্থান = (৪১ - ৯) = ৩২ জনের
অর্থাৎ শেষের দিক থেকে রাজীবের অবস্থান = (৩২ + ১) = ৩৩ তম  
 
∴ নিচের দিক থেকে তাদের অবস্থান যথাক্রমে ৩৭ তম এবং ৩৩ তম।
৩৯.
দেওয়াল ঘড়িতে সাড়ে তিনটা বাজে। ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোনটি কত ডিগ্রী? 
  1. ক) ৬৫° 
  2. খ) ৭০° 
  3. গ) ৭৫° 
  4. ঘ) ৮০° 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দেওয়াল ঘড়িতে সাড়ে তিনটা বাজে। ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোনটি কত ডিগ্রী? 

সমাধান:
ঘড়ির কাঁটার মধ্যকার কোণ 
= (১১ m - ৬০h)/২
= {(১১ × ৩০) - (৬০ × ৩)}/২
= (৩৩০ - ১৮০)/২
= ১৫০/২
= ৭৫° 
৪০.
নিচের শব্দগুলিকে স্বাভাবিক নিয়মে সাজালে, কোন শব্দটি তৃতীয় স্থানে আসবে? 
eat, digest, cook, serve
  1. ক) eat
  2. খ) digest
  3. গ) cook
  4. ঘ) serve
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলিকে স্বাভাবিক নিয়মে সাজালে, কোন শব্দটি তৃতীয় স্থানে আসবে? 
eat, digest, cook, serve

সমাধান:
স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী 
- cook - serve - eat - digest 
- তাই তৃতীয় স্থানে আসবে eat
৪১.
আগামী পরশুর পরের দিন যদি বুধবার হয় তবে, গতকালের আগের দিন কি বার ছিল?
  1. ক) রবিবার
  2. খ) শনিবার
  3. গ) শুক্রবার
  4. ঘ) সোমবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আগামী পরশুর পরের দিন যদি বুধবার হয় তবে, গতকালের আগের দিন কি বার ছিল?

সমাধান: 
আগামী পরশুর পরের দিন যদি বুধবার হয় তবে আগামী পরশু দিন হবে মঙ্গলবার। 
তাহলে আজ  রবিবার।
সুতরাং গতকাল ছিল শনিবার।
গতকালের আগের দিন শুক্রবার।  
৪২.
০.০২ × ০.০০২ ÷ ০.০০০২ × ০.২০ = কত?
  1. ক) ০.৪
  2. খ) ০.০৪
  3. গ) ০.০০৪
  4. ঘ) ০.০০০৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০.০২ × ০.০০২ ÷ ০.০০০২ × ০.২০  = কত?

সমাধান:
০.০২ × ০.০০২ ÷ ০.০০০২ × ০.২০
= ০.০২ × ১০ × ০.২০
= ০.০৪