পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক যন্ত্রপাতি, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৩০০ ন্যানোমিটার থেকে ৪০০ ন্যানোমিটার
  2. খ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৬০০ ন্যানোমিটার
  3. গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
  4. ঘ) ৫০০ ন্যানোমিটার থেকে ৮০০ ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
আলো হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। 
সব ধরনের আলো আমরা দেখতে পাই না। 
যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত সেই আলো আমরা দেখতে পাই। 
ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এর আলো বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকলে রং পরিবর্তন হতে থাকে।
আই আলোই হচ্ছে দৃশ্যমান আলো। 

সূত্র - নবম - দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা - ২১৩ - ২১৪, বোর্ড বই
.
সর্বাপেক্ষা বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে-
  1. ক) ইনফ্রারেড
  2. খ) রেডিও ওয়েভ
  3. গ) আল্ট্রা ভায়োলেট আলো
  4. ঘ) মাইক্রোওয়েভ
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও ওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও ওয়েভ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হয় সেটাকে আমরা বলি আল্ট্রা ভায়োলেট আলো, আরো ছোট হলে এক্স-রে আরো ছোট হলে গামা রে- যেটা তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয়। আবার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড় হয় সেটাকে আমরা বলি ইনফ্রারেড, আরো বড় হলে মাইক্রোওয়েভ এবং আরো বড় হলে রেডিও ওয়েভ।
সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট আলোকে গামা রে বলে এবং সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট আলোকে রেডিও ওয়েভ বলে। 

[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
.
তড়িৎ তীব্রতার একক কোনটি?
  1. ক) N
  2. খ) Nm
  3. গ) Nm-1
  4. ঘ) NC-1
সঠিক উত্তর:
ঘ) NC-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) NC-1
ব্যাখ্যা
কোনো স্থানের অভিকর্ষজ ত্বরণ জানা থাকলে যেমন ঐ স্থানের যে কোনো বস্তুর ওজন (অভিকর্ষ জনিত বল) বের করা সুবিধা হয়, তেমনি তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে তড়িৎ ক্ষেত্রের তীব্রতা জানা থাকলে ঐ বিন্দুতে অবস্থিত যে কোনো আধানের উপর ক্রিয়াশীল বলের মান নির্ণয় করা সম্ভব। তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে কোনো বিন্দুতে একক ধনাত্মক আধান রাখলে সেটি যে বল অনুভব করে তাকে ঐ ক্ষেত্রের ঐ বিন্দুতে তড়িৎ ক্ষেত্রের তীব্রতা বলে। একে E দিয়ে প্রকাশ করা হয়। তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে +q আধান রাখলে যদি আধানটি F বল অনুভব করে তাহলে ঐ বিন্দুর তড়িৎ তীব্রতা,

E = F/q

তড়িৎ তীব্রতা একটি দিক রাশি এবং এর দিক হলো ঐ আধানের উপর বল যে দিকে ক্রিয়া করে সেই দিক বরাবর। তড়িৎ তীব্রতার একক হলো NC-1

সূত্র - SSC, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বোর্ড বই
.
B.T.U এর পূর্ণ রূপ কী?
  1. ক) Board Of Trade unit
  2. খ) Board Of Tax unit
  3. গ) Board Of Transport
  4. ঘ) Board Of Transmission
সঠিক উত্তর:
ক) Board Of Trade unit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Board Of Trade unit
ব্যাখ্যা
- B.O.T বা B.T.U : তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান কিলোওয়াট ঘন্টা (kWh) এককে শক্তির পরিমাপ করে।
 -সারা বিশ্বে তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান এ একক ব্যবহার করে।
- এজন্য এ একককে বোর্ড অব ট্রেড ইউনিট (Board Of Trade unit) বলে।
- সংক্ষেপে একে শুধু ইউনিট বলে।

সূত্র - SSC, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বোর্ড বই
.
দীর্ঘ দৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়ার কারণ কী?
  1. ক) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে যাওয়া
  2. খ) চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব কমে যাওয়া
  3. গ) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে যাওয়া
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে যাওয়া
ব্যাখ্যা
দীর্ঘ দৃষ্টি বা দূর বদ্ধ দৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়াঃ
এই ত্রুটিগ্রস্থ মানুষ দূরের বস্তু ভালভাবে দেখতে পারে, কিন্তু কাছের বস্তু ভালভাবে দেখতে পারে না। চোখের স্পষ্ট দর্শনের নিকট দূরত্ব দূরে সরে যায় বা বেড়ে যায়। চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে গেলে বা চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বেড়ে গেলে এই ত্রুটি দেখা দেয়। এই ত্রুটির ফলে চোখের কাছের লক্ষ্যবস্তু থেকে আগত রশ্মিগুচ্ছ চক্ষু লেন্সের মধ্য দিয়ে প্রতিসৃত হয়ে রেটিনার পেছনে একটি বিন্দুতে মিলিত হয়, ফলে রেটিনার পরিবর্তে পেছনে প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। ফলে রেটিনায় গঠিত বিম্বটি অস্পষ্ট হয়। তাই চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না। এই ত্রুটি দূর করার জন্যও চোখে চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে ত্রুটির পরিমাণ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ফোকাস দৈর্ঘ্যর বা পাওয়ারের উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়। উত্তল লেন্স লক্ষ্যবস্তু থেকে আগত রশ্মিকে পরিমাণ মতো সংকুচিত করে, ফলে ফোকাসটি রেটিনাতে পড়ে এবং বস্তুর সুস্পষ্ট বিম্ব তৈরি হয়। এক্ষেত্রে লেন্স চোখের নিকট বিন্দুটি সামনেএগিয়ে আনে।
.
শক্তিশালী চুম্বক তৈরীর জন্য কোন ধরনের চৌম্বক পদার্থ প্রয়োজন?
  1. ক) ফেরো-চৌম্বক পদার্থ
  2. খ) প্যারা-চৌম্বক পদার্থ
  3. গ) ডায়া-চৌম্বক পদার্থ
  4. ঘ) যে কোনো চৌম্বক পদার্থ
সঠিক উত্তর:
ক) ফেরো-চৌম্বক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফেরো-চৌম্বক পদার্থ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের চৌম্বক পদার্থঃ
- প্যারা-চৌম্বক পদার্থঃ যে সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়, এদেরকে প্যারা - চৌম্বক বলে। প্যারা চৌম্বক পদার্থের অণু, পরমাণু, বা আয়নের স্থায়ী চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে।
যেমন - অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, পন্টিনিয়াম, টিন ইত্যাদি।
- ডায়া-চৌম্বক পদার্থঃ যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইত্যাদি।
- ফেরো-চৌম্বক পদার্থঃ যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।

উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
.
কোনটির মধ্যে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয় না?
  1. ক) পোলোনিয়াম
  2. খ) টাইটেনিয়াম
  3. গ) প্লোটোনিয়াম
  4. ঘ) কার্বন - ১৪
সঠিক উত্তর:
খ) টাইটেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টাইটেনিয়াম
ব্যাখ্যা
ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়।
যেমন- ইউরেনিয়াম-৯২, নেপচুনিয়াম-৯৩, প্লুটোনিয়াম-৯৪, পোলোনিয়াম-৮৪ ইত্যাদি।

কার্বন মৌলের ৬ টি প্রােটন ও তিনটি আইসােটোপ রয়েছে- কার্বন-১২, কার্বন-১৩ ও কার্বন-১৪।
এই তিনটির মধ্যে কার্বন-১৪ অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়। এতে ৬টি প্রােটন ও ৮টি নিউট্রন রয়েছে।
কার্বন-১৪ (14) ব্যবহৃত হয় মৃত প্রাণী বা উদ্ভিদের বয়স হিসাব করতে।
টাইটেনিয়ামে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয় না।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই এবং নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)
.
এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় -
  1. ক) ১০-৭ মি
  2. খ) ১০-৬ মি
  3. গ) ১০-৯ মি
  4. ঘ) ১০-১০ মি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০-১০ মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০-১০ মি
ব্যাখ্যা
- এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব ছোট।
- এ রশ্মি অত্যন্ত ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় ১০-১০ মি।

[তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, ড সাহজাহান তপন, পৃষ্ঠা - ৩৮8]