পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
বিষয়: বাংলা টপিক: ভাষা, লিঙ্গ ও বচন, যতিচিহ্ন। উৎস: মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই (উভয় সংস্করণ), বাংলা একাডেমি অভিধান, ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ বা যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
কোন প্রত্যয়টি একবচন নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. রাজি
  2. খানা
  3. মহল
  4. দাম
ব্যাখ্যা

খানা প্রত্যয়টি একবচন নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।

একবচন গঠনের নিয়ম:
- 'টি', 'টা', 'খানা', 'খানি' ইত্যাদি প্রত্যয় 'এক'-এর সঙ্গে যোগ করলে একবচন হয়।
- আবার 'এক' ব্যবহার না করেও কেবল টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি প্রভৃতি যোগ করেও একবচন গঠন হয়।

উদাহরণ:
- একটি ছেলে / ছেলেটি
- তার গলায় ছিল একখানি হার

সমষ্টিবাচক শব্দ যোগে একবচন
উদাহরণ:
- দাম - শৈবালদাম,
- রাজি - পুষ্পরাজি, বৃক্ষরাজি, গ্রন্থরাজি,
- মহল - মহিলামহল, গুণিমহল,

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

.
কোনটি ‘ঈ-প্রত্যয়’ যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. বুদ্ধিমতী
  2. কিশোরী
  3. গুণবতী
  4. শ্রীমতী
ব্যাখ্যা

কিশোরী ‘ঈ-প্রত্যয়’ যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ। 

'ঈ-প্রত্যয়' যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
- কিশোর - কিশোরী,
- নর - নারী,
- বেঙ্গামা- বেঙ্গামী।

অন্যদিকে,
মতী প্রত্যয়:
- বুদ্ধিমান-বুদ্ধিমতী,
- শ্রীমান-শ্রীমতী।

বতী প্রত্যয়:
- গুণবান-গুণবতী,

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ ও ২০১৮ সালের সংস্করণ)।

.
কোনটি বন্ধনীর সঠিক ব্যবহার নয়?
  1. অতিরিক্ত তথ্য দিতে 
  2. কালনির্দেশ দিতে 
  3. বাক্য শেষ করতে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাক্য শেষ করতে বন্ধনীর ব্যবহার করা নয়। 

বন্ধনী (), {}, []
- অতিরিক্ত তথ্য উপস্থাপন ও কালনির্দেশের ক্ষেত্রে বন্ধনীর ব্যবহার হয়।
- বন্ধনী তিন প্রকার: প্রথম বন্ধনী (), দ্বিতীয় বন্ধনী {} ও তৃতীয় বন্ধনী []।
- যেমন - তিনি বাংলা ভাষার বিবর্তন (চর্যাপদের সময় থেকে পরবর্তী) নিয়ে আলোচনা করবেন।
- কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে পরিচিত। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।

.
মানী পক্ষের বহুবচন নির্দেশ করতে কোন প্রত্যয় ব্যবহার করা হয় না?
  1. গণ
  2. বৃন্দ
  3. বর্গ
  4. কুল 
ব্যাখ্যা

মানী পক্ষের বহুবচন নির্দেশ করতে কুল লগ্নক ব্যবহার করা হয় না। 

মানী পক্ষের বহুবচন করার সময়ে, 
- গণ, 
- বৃন্দ, 
- মণ্ডলী, 
- বর্গ, ইত্যাদি লগ্নক যোগ করা হয়।

প্রাণিবাচক শব্দের ক্ষেত্র কুল ব্যবহৃত হয়,
কুল : জীবকুল, অলিকুল।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

.
প্রথম অংশের ব্যাখ্যা বা উদাহরণ উপস্থাপন করতে কোন যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
  1. ড্যাশ
  2. সেমিকোলন 
  3. কোলন 
  4. কমা 
ব্যাখ্যা

প্রথম অংশের ব্যাখ্যা বা উদাহরণ উপস্থাপন করতে কোলন যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।

কোলন (:)
- বাক্যের প্রথম অংশের কোনো উক্তিকে দ্বিতীয় অংশে ব্যাখ্যা করা এবং উদাহরণ উপস্থাপনের কাজে কোলন ব্যবহৃত হয়।
- যেমন- ভাষার দুটি রূপ: কথ্য ও লেখ্য।
- সভার সিদ্ধান্ত হলো: প্রতি মাসে সব সদস্যকে দশ টাকা করে চাঁদা দিতে হবে। 

অন্যদিকে, 
ড্যাশ (-)
- সাধারণত দুটি বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে এবং ব্যাখ্যাযোগ্য বাক্যাংশের আগে-পরে ড্যাশ ব্যবহৃত হয়।
- যেমন - বাংলাদেশ দল জয়লাভ করেছে বিজয়ের আনন্দে দেশের জনগণ উচ্ছ্বসিত।
- ঐ লোকটি - যিনি গতকাল এসেছিলেন তিনি আমার মামা।

কমা (,)
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
- যেমন- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।
- নিবিড় অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও সময়নিষ্ঠ থাকলে সাফল্য আসবে।
- সুজন, দেখ তো কে এসেছে।

সেমিকোলন (;)
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বর্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
- যেমন - সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।
- কোনো বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ নয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।

.
কোনটি নিত্য নারীবাচক শব্দ নয়?
  1. কনিষ্ঠা 
  2. অসতী
  3. রজঃস্বলা
  4. গর্ভবতী
ব্যাখ্যা

কনিষ্ঠা নিত্য নারীবাচক শব্দ নয়। 
- কনিষ্ঠা হচ্ছে আ প্রত্যয় যোগে গঠিত নারীবাচক শব্দ।

• কিছু শব্দ রয়েছে যা নিত্য নারীবাচক।
নিত্য স্ত্রীলিঙ্গ যেমন:
- অসতী,
- কুলটা,
- গর্ভবতী,
- সতীন,
- বিধবা,
- বারবানিয়া (অন্যান্য প্রতিশব্দ),
- রজঃস্বলা, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।
২। ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
‘ব্রজবুলি’ কী ধরনের ভাষা?
  1. প্রাকৃতিক ভাষা
  2. কৃত্রিম ভাষা 
  3. উপভাষা
  4. ব্রজধামের আদি ভাষা
ব্যাখ্যা

‘ব্রজবুলি’ এক ধরনের কৃত্রিম ভাষা। 

ব্রজবুলি
- ব্রজবুলি
একটি কৃত্রিম বা artificial ভাষা।
- এ ভাষায় কেউ কোনো দিন কথা বলে নি।
- মৈথিলি ভাষার সঙ্গে অবহটঠ বা বাংলা ভাষার বিশেষ রূপের সংমিশ্রণে এই কৃত্রিম ভাষা তৈরি করেন কতিপয় লেখক।
- এই ভাষা ব্রজধামের ভাষা নয়। ব্রজধামের ভাষার নাম 'ব্রজভাষা'।
- তবে এই করিছ ভাষায় শ্রীকৃষ্ণের ব্রজলীলা বর্ণিত হওয়ায় তা ব্রজবুলি নামকরণ হয়।

ব্রজবুলির বৈশিষ্ট্য:
- এই ভাষা অভিনদ কোমল, মধুর ও কাব্যিক।
- মৈথিলি ও বাংলার সঙ্গে এখানে বেশ কিছু হিন্দি শব্দের মিশ্রণ আছে।
- এই ভাষা চতুর্দশ শতাব্দীর মৈথিলি কবি বিদ্যাপতির কল্যাণে বাংলায় ব্যাপক প্রচার ও প্রসার লাভ করে।
- রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা এই ভাষায় যেরূপ মোহনীয়ভাবে প্রকাশিত হয়, অন্য ভাষাতে তেমন নয় বলে অনেকে মনে করেন।
- বিদ্যাপতির সঙ্গে মিথিলার কবি উমাপতি উপাধ্যায় এমন কি আধুনিক যুগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পর্যন্ত এই ভাষা ব্যবহার করেন।
- 'ব্রজবুলি' ভাষা হিসেবে প্রচারিত থাকলেও শব্দটির লিখিত ব্যবহার ঈশ্বর গুপ্তের রচনার আগে বাংলায় দেখা যায় না।

ব্রজবুলির উদাহরণ:
- 'গাগরি বারি ঢারি করি পীছল / চলতহি অঙ্গুলি চাপি / মাধব তুয়া অভিসারক লাগি।' - গোবিন্দ্র দা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
‘হস্তি’ শব্দের সাধারণ বহুবচন কোনটি?
  1. হস্তিকুল 
  2. হস্তিযূথ
  3. হস্তিসমূহ 
  4. হস্তিরাজি 
ব্যাখ্যা

‘হস্তি’ শব্দের সাধারণ বহুবচন হস্তিযূথ। 
কেবল জন্তুর বহুবচনে পাল ও যূথ ব্যবহৃত হয়,
পাল - মুগপাল,
যূথ - হস্তিযূথ। 

প্রাণিবাচক শব্দের ক্ষেত্র কুল ব্যবহৃত হয়,
- কুল - জীবকুল, অলিকুল।
সমষ্টিবাচক শব্দ যোগে রাজি ব্যবহৃত হয়,
- রাজি - পুষ্পরাজি, বৃক্ষরাজি, গ্রন্থরাজি। 
প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক উভয় শব্দে সমূহ ব্যবহৃত হয়,
- সমূহ - বিহগসমূহ, জনসমূহ, জাতিসমূহ। 

উৎস: ১। ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 
২। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'-অক' প্রত্যয়যুক্ত নরবাচক শব্দের নারীবাচক রূপ কোনটি?
  1. - অকা
  2. - নি
  3. - ইকা
  4. - মতী
ব্যাখ্যা

 '-অক' প্রত্যয়যুক্ত নরবাচক শব্দের নারীবাচক রূপ হচ্ছে - ইকা। 

• প্রত্যয় যোগে
নরবাচক শব্দকে নারীবাচক শব্দে পরিবর্তন করতে সাধারণত কিছু প্রত্যয় যোগ করতে হয়। 
'-অক' প্রত্যয় দিয়ে গঠিত নরবাচক শব্দকে নারীবাচক করার সময়ে 'অক'-এর জায়গায় '-ইকা' হয়।
যেমন
- পাঠক-পাঠিকা,
- লেখক-লেখিকা,
- গায়ক-গায়িকা।

উল্লেখ্য ,
- আনী প্রত্যয় যোগ করে: ইন্দ্র-ইন্দ্রাণী, শূদ্র-শূদ্রাণী।
- নি প্রত্যয়: জেলে-জেলেনি, বেদে-বেদেনি, ধোপা-ধোপানি।
- মতী: আয়ুম্মান-আয়ুষ্মতী, বুদ্ধিমান-বুদ্ধিমতী।
 
অন্যদিকে, অকা, প্রত্যয় নারীবাচক রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।

১০.
হাইফেন (-) এর ব্যবহার মূলত কোন উদ্দেশ্যে করা হয়?
  1. বাক্যের অর্থ শেষ করার জন্য
  2. ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
  3. বাক্যের ভেতরে পদ সংযোগের জন্য
  4. উদাহরণ উপস্থাপনের জন্য 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) বাক্যের ভেতরে পদ সংযোগের জন্য। 

হাইফেন (-)
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড়ো গৌরব।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকেই দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।

১১.
কোনটি প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক উভয় বহুবচন নির্দেশক?
  1. সকল 
  2. ব্রজ 
  3. বৃন্দ 
  4. আবলি 
ব্যাখ্যা

সকল প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক উভয় বহুবচন নির্দেশক।

প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক উভয় শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দসমূহ:
- কুল (ইষ্টককুল/ কবিকুল),
- নিচয় (পর্বতনিচয়/ মনুষ্যনিচয়),
- সকল (পর্বতসকল/ মনুষ্যসকল),
- সব (নথিসব/পাখিসব),
- সমূহ (বইসমূহ/ বৃক্ষসমূহ)। 

অন্যদিকে, 
- বৃন্দ: বীরবৃন্দ, প্রজাবৃন্দ, দর্শকবৃন্দ
- ব্রজ: ভধুরব্রজ, গিরিব্রজ,
- আবলি: রচনাবলি, রত্নাবলি, পদাবলি। 

উৎস: ১। ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 
২। বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।

১২.
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের উপভাষা কোনটি?
  1. বাঙ্গালি
  2. বরেন্দ্রি
  3. পূর্বি
  4. কামরূপি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের উপভাষা হচ্ছে বরেন্দ্রি। 

আঞ্চলিক কথ্য রীতি
- কথ্য রীতির আঞ্চলিক ভেদ সহজে বোঝা যায়।
- এই আঞ্চলিক ভেদ সাধারণত অঞ্চলের নামে পরিচিতি পায়। যেমন নোয়াখালীর ভাষা, চাঁপাই নবাবগঞ্জের ভাষা, কিংবা সুন্দরবন অঞ্চলের ভাষা।
- ভাষার এই আঞ্চলিকতা উপভাষা নামে আখ্যায়িত হয়ে থাকে।

উপভাষার উদাহরণ:
- বাঙ্গালি: বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চল। 
- পূর্বি: বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক অঞ্চল। 
- বরেন্দ্রি: বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল। 
- কামরূপি: বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চল। 
- রাঢ়ি: পশ্চিমবঙ্গ। 
- ঝাড়খণ্ডি: পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চল। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩.
অবজ্ঞাসূচক স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি? 
  1. ডাক্তারনি 
  2. বৌদি
  3. বান্ধবী
  4. শিক্ষিকা
ব্যাখ্যা

ডাক্তারনি একটি অবজ্ঞাসূচক স্ত্রীবাচক শব্দ। 

অবজ্ঞাসূচক কয়েকটি স্ত্রী-বাচক শব্দ হচ্ছে:
- ডাক্তার - ডাক্তারনি, 
- দারোগা - দারোগানি, 
- জমিদার - জমিদারনি, 
- মাস্টার - মাস্টারনি, ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• কিছু পুরুষবাচক শব্দের দুটি করে স্ত্রীবাচক শব্দ রয়েছে।
যেমন:
- দেবর - ননদ/জা,
- ভাই - বোন/ভাবী,
- শিক্ষক - শিক্ষিকা/শিক্ষক পত্নী,
- বন্ধু - বান্ধবী/বন্ধু পত্নী, 
- দাদা - দিদি/বৌদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।