পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৩: টপিক: পদ প্রকরণ বা ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি (ক্রিয়া বিশেষণ, ক্রিয়া, যোজক ও আবেগ শব্দ) [লাইভ ক্লাস - ২৫ ও ২৬]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
ভাব প্রকাশের সম্পূর্ণতা অনুসারে ক্রিয়াকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়। সেগুলো হলো -
  1. ক) সর্মক ক্রিয়া ও অকর্মক ক্রিয়া
  2. খ) যৌগিক ক্রিয়া ও মিশ্র ক্রিয়া
  3. গ) মৌলিক ক্রিয়া ও যৌগিক ক্রিয়া
  4. ঘ) সমাপিকা ক্রিয়া ও অসমাপিকা ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
ভাব প্রকাশের সম্পূর্ণতা অনুসারে ক্রিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
সমাপিকা ক্রিয়া 
অসমাপিকা ক্রিয়া
উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
.
নিচের কোনটি অকর্মক ক্রিয়া?
  1. ক) আমি খাই।
  2. খ) করিম করিমাকে ভালোবাসে। 
  3. গ) তারা ফুটবল খেলে।
  4. ঘ) সে গান করে।
ব্যাখ্যা
আমি খাই - এ বাক্যের ‘খাই’ ক্রিয়ার কোনো কর্মপদ নেই। বাকি বাক্যগুলো কর্মপদ আছে।  

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
.
নিচের কোনটি দ্বিকর্ম ক্রিয়া নয়?
  1. ক) বাবা আমাকে একটি বই কিনে দিয়েছেন। 
  2. খ) সুজন সখিকে চিঠি লিখবে।
  3. গ) শিক্ষক ছাত্রকে ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন। 
  4. ঘ) আমার একটি উপন্যাস আছে।
ব্যাখ্যা
যে ক্রিয়ার দুটি কর্মপদ আছে তাকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন : 
বাবা আমাকে একটি বই কিনে দিয়েছেন। 
মা তোমাকে চিঠি লিখবেন।
শিক্ষক ছাত্রকে অঙ্ক করাচ্ছেন। 

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
.
নিচের কোন বাক্যে প্রযোজক ক্রিয়া আছে?
  1. ক) বাবা ছেলেকে পড়াচ্ছেন।
  2. খ) বাবা ছেলের জন্য বই এনেছেন।
  3. গ) শিক্ষক ছাত্রদের বেতাচ্ছেন। 
  4. ঘ) মা শিশুকে গান শোনাচ্ছেন।
ব্যাখ্যা
যে ক্রিয়া একজনের (কর্তার) প্রযোজনায় বা চালনায় অন্যের দ্বারা অনুষ্ঠিত হয় তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
যেমন : 
মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন। 
শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন। 
সাপুড়ে সাপ খেলায়

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
.
নিচের কোন বাক্য সমধাতুজ কর্ম আছে?
  1. ক) তুলি ফুলে তোলে।
  2. খ) করিম ভাত খায়।
  3. গ) রহিম সিনেমা দেখে।
  4. ঘ) এমন সুখের মরণ কে মরতে পারে?
ব্যাখ্যা
ক্রিয়া ও কর্ম যদি একই ধাতু থেকে উৎপন্ন হয় তবে তাকে সমধাতুজ কর্ম বলে। যেমন :
খুব এক ঘুম ঘুমিয়েছি।
দারুণ এক খেলা খেলেছ।
এমন সুখের মরণ কে মরতে পারে?

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
.
নিচের কোন বাক্যে যৌগিক ক্রিয়া নেই?
  1. ক) সময় চলে যায়। 
  2. খ) তুমি লুকিয়ে থাক। 
  3. গ) সাইরেন বেজে উঠল।
  4. ঘ) আমরা তাজমহল দর্শন করলাম।
ব্যাখ্যা
একটি সমাপিকা ক্রিয়া ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া যদি একত্রে একটি বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে তবে তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন : 
তুমি চলে যাও। 
সময় চলে যায়
তুমি বসে পড়। 
সাইরেন বেজে উঠল

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
.
নিচের কোনটিতে নামক্রিয়া আছে?
  1. ক) আমরা তাজমহল দর্শন করলাম। 
  2. খ) তোমাকে দেখে প্রীত হলাম। 
  3. গ) শিশুটি কলম বাঁকাচ্ছে।
  4. ঘ) মাথা ঝিমঝিম করছে। 
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বনাত্মক অব্যয়ের শেষে আ-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় তাকে নামক্রিয়া বলে।
যেমন : 
বিশেষ্যের পরে : শিক্ষক ছাত্রকে বেতাচ্ছেন
বিশেষণের পরে : শিশুটি কলম বাঁকাচ্ছে
ধ্বনাত্মক অব্যয়ের পরে : ছেলেটি ঝিমাচ্ছে

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
.
নিচের কোনটিতে মিশ্র ক্রিয়া আছে?
  1. ক) শিক্ষক ছাত্রকে অঙ্ক করাচ্ছেন।
  2. খ) ছেলেটি ঝিমাচ্ছে
  3. গ) মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
  4. ঘ) আমর মাথা ভনভন করছে।
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বনাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে র্ক, হ্, দে, পা, যা, কাট্, গা, ছাড়্, র্ধ, র্মা প্রভৃতি ধাতুযোগ যে ক্রিয়া সৃষ্টি হয় তাকে মিশ্র ক্রিয়া বলে।
যেমন : 
বিশেষ্যের পর: আমরা তাজমহল দর্শন করলাম। 
বিশেষণের পর: তোমাকে দেখে প্রীত হলাম। 
ধ্বনাত্মক অব্যয়ের পর: মাথা ঝিমঝিম করছে

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
.
সুজনা অতি দ্রুত লিখতে পারে - এ বাক্যে দ্রুত কী ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ?
  1. ক) সময়বাচক
  2. খ) ধরনবাচক
  3. গ) স্থানবাচক
  4. ঘ) বাক্য সংযোজক
ব্যাখ্যা
যে ক্রিয়াবিশেষণ দ্বারা কোনো কাজ কীভাবে বা কেমন করে সংঘটিত হচ্ছে বুঝায় তাকে ধরনবাচক বা ভাবজ্ঞাপক ক্রিয়াবিশেষণ বলে। যেমন : 
অর্পনা দ্রুত লিখতে পারে।
লেখাটা ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। 
টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
১০.
জিন্নাত কুমিল্লা থাকে। - এ বাক্যে ‘কুমিল্লা’ কোন পদ?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) বিশেষণ
  3. গ) ক্রিয়া বিশেষণ
  4. ঘ) সর্বনাম
ব্যাখ্যা
যে ক্রিয়াবিশেষণ দ্বারা কোনো কাজ কোথায় বা কোন স্থানে সংঘটিত হচ্ছে বোঝায় তাকে স্থানজ্ঞাপক ক্রিয়াবিশেষণ বলে।
যেমন : 
আমার সামনে দাঁড়াও। 
এখানে বসো। 
কল্যাণী গাজীপুর থাকে। 
চশমাটা কোথায় রেখেছি বলতে পারছি না। 
মামুন আমেরিকা থাকে।
জিন্নাত কুমিল্লা থাকে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
১১.
আমি ভাত খাব না। - এ বাক্যে ‘না’ কোন পদ?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) বিশেষণ
  3. গ) ক্রিয়া বিশেষণ
  4. ঘ) ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
যে ক্রিয়াবিশেষণ দ্বারা কোনো বাক্যের না-বাচক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় তাকে না-বাচক ক্রিয়াবিশেষণ বলে।
যেমন : 
আমি ভাত খাব না
মেয়েটা মিষ্টি নয়। 
ছেলেটা দুষ্টু নয়। 
আমার বাবা লন্ডন যাননি। 

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
১২.
কখনও বা দেখা হবে। - এ বাক্যে ‘বা’ কোন ক্রিয়াবিশেষণ?
  1. ক) সময়বাচক
  2. খ) ধরনবাচক
  3. গ) স্থানবাচক
  4. ঘ) পদাণু
ব্যাখ্যা
বাক্যের মধ্যে বিশেষ কোনো ভূমিকা পালন না করলেও  কি, যে, বা, না, তো প্রভৃতি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে। যেমন :
কি : আমি কি যাব?
যে : খুব যে বলেছিলে আসবেন!
বা : কখনও বা দেখা হবে।
না : একটু ঘুরে আসুন না, ভালো লাগবে।
তো : মরি তো মরব।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
১৩.
আবেগ শব্দের প্রচলিত নাম কী?
  1. ক) সমুচ্চয়ী অব্যয়
  2. খ) অনন্বয়ী অব্যয়
  3. গ) অনুসর্গ অব্যয়
  4. ঘ) অনুকার অব্যয়
ব্যাখ্যা
যে শব্দের সাহায্যে বক্তার মনের নানা ভাব বা আবেগ প্রকাশ পায় তাকে আবেগ-শব্দ বলে। 
প্রচলিত ব্যাকরণে এগুলোকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। 

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ। 
১৪.
আবেগ শব্দ কত প্রকার ?
  1. ক) ২
  2. খ) ৫
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ১০
ব্যাখ্যা
আবেগ শব্দ আট প্রকার। যথা :
১. বিস্ময়সূচক আবেগ
২. প্রশংসাসূচক আবেগ
৩. বিরক্তিসূচক আবেগ
৪. ভয় ও যন্ত্রণাবাচক আবেগ
৫. করুণাবাচক আবেগ
৬. সিদ্ধান্তসূচক আবগে
৭. সম্বোধনসূচক আবেগ
৮. আলংকারিক আবেগ

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
১৫.
বাঃ! চমৎকার গান গেয়েছ তো। - কী ধরনের আবেগ?
  1. ক) বিস্ময়সূচক আবেগ
  2. খ) প্রশংসাসূচক আবেগ
  3. গ) বিরক্তিসূচক আবেগ
  4. ঘ) ভয় ও যন্ত্রণাবাচক আবেগ
ব্যাখ্যা
যে আবেগ-শব্দ দ্বারা প্রশংসা মনোভাব প্রকাশ পায় তাকে প্রশংসাসূচক আবেগ বলে।
যেমন: 
শাবাশ! দারুণ খেলেছে ছেলের। 
বাঃ! চমৎকার গান গেয়েছ তো।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
১৬.
ওগো, আমাকে কক্সবাজার নিয়ে যাবে? - ‘ওগো’ কোন পদ?
  1. ক) ক্রিয়া বিশেষণ
  2. খ) অনুসর্গ
  3. গ) আবেগ
  4. ঘ) যোজক
ব্যাখ্যা
যে আবেগ-শব্দ দ্বারা সম্বোধন বা আহŸান করা বুঝায় তাকে সম্বোধনসূচক আবেগ বলে। যেমন : 
হে বন্ধু, চলো ফিরে যাই গ্রামে। 
ও বন্ধু, তোমাকে অভিনন্দন।
ওগো, আমার হাতটা ধরবে একটু।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
১৭.
যোজককে প্রচলিত ব্যাকরণে কী বলে?
  1. ক) সমুচ্চয়ী অব্যয়
  2. খ) অনন্বয়ী অব্যয়
  3. গ) অনুসর্গ অব্যয়
  4. ঘ) অনুকার অব্যয়
ব্যাখ্যা
যে পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন ও সংকোচন ঘটায় তাকে যোজক বলে। 
প্রচলিত ব্যাকরণে যোজককে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলা হয়েছে। 

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
১৮.
যোজক কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
যোজক পাঁচ প্রকার। যথা :
সাধারণ যোজক
বৈকল্পিক যোজক
রিবোধমূলক যোজক
কারণবাচক যোজক
সাপেক্ষ যোজক
উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
১৯.
যখন বৃষ্টি শুরু হবে তখন তুমি বারান্দায় এসো। - এ বাক্যে কী ধরনের যোজক ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) বৈকল্পিক যোজক
  2. খ) রিবোধমূলক যোজক
  3. গ) কারণবাচক যোজক
  4. ঘ) সাপেক্ষ যোজক
ব্যাখ্যা
যে যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয় তাকে সাপেক্ষ যোজক বলে। সাপেক্ষ যোজক হলো : যথা..তথা, যত...তত, যখন...তখন, যেমন... তেমন, যেরূপ...সেরূপ। যেমন :
যদি যৌতুকের প্রশ্ন ওঠে তবে বিয়েতে রাজি হব না।
যদি তুমি আস তবে আমি যাব।
যদি তুমি আমাকে ভালোবাস তবে আমিও তোমাকে ভালোবাস।
যখন বৃষ্টি শুরু হবে তখন তুমি বারান্দায় এসো।
যেমন তোমার মেধা তেমন তোমার চেহারা।
যত গর্জে তত বর্ষে না।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
২০.
তোমাকে মেসেঞ্জারে নক করেছি, কিন্তু উত্তর পাইনি। - এ বাক্যে কী ধরনের যোজক আছে?
  1. ক) বৈকল্পিক যোজক
  2. খ) রিবোধমূলক যোজক
  3. গ) কারণবাচক যোজক
  4. ঘ) সাপেক্ষ যোজক
ব্যাখ্যা
যে যোজক দুটি বাক্যের সংযোগ ঘটিয়ে দ্বিতীয়টির সাহায্যে প্রথম বাক্যের বিরোধ নির্দেশ করে তাকে বিরোধমূলক যোজক বলে। বিরোধমূলক যোজক হলো : কিন্তু, তবু, অথচ।
যেমন : 
তোমাকে ইমেইল করেছি, কিন্তু উত্তর পাইনি। 
তোমাকে কত ডাকলাম, কিন্তু তুমি শুনলে না।
সারাদিন খুঁজলাম, অথচ তোমার দেখা পেলাম না। 
এত বৃষ্টি হলো, তবু গরম কমল না।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।