পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়35 minutes
মোট প্রশ্ন৭৭
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড ⎯ ৩] বিষয়ের নাম: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সম্পূর্ণ [১০০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৭ প্রশ্ন

.
পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সময় হস্তান্তর করা হয়?
  1. রোনাল্ড রিগ্যান
  2. জেরাল্ড ফোর্ড
  3. জিমি কার্টার
  4. বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

পানামা খাল:
- পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়ে।
- ১৯৭৭ সালে তৎকালীন পানামার জাতীয়তাবাদী নেতা ওমর তোরিজোস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার একটি চুক্তি সই করেন, এটা "তোরিজোস-কার্টার চুক্তি" নামে পরিচিত।

​উল্লেখ্য, 
- চুক্তি অনুযায়ী, পানামা খাল ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে।
- পানামার কাছে হস্তান্তরের আগে খালটি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ছিল এবং
- তারা সেখানে "ক্যানাল জোন" নামে একটি বিশেষ অঞ্চল পরিচালনা করত।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর বিষয়টি পানামার জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল, যা এই চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
- খালটি বর্তমানে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।

.
NATO চুক্তির কোন ধারায় সম্মিলিত প্রতিরক্ষার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩
  2. অনুচ্ছেদ ৫ 
  3. অনুচ্ছেদ ৭ 
  4. অনুচ্ছেদ ৯ 
ব্যাখ্যা

- ন্যাটোর আর্টিকেল ৫ অনুযায়ী, কোনো সদস্য রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে তা সকল সদস্যের উপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে।  

​NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation  
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।

উল্লেখ্য,
ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

সূত্র: NATO ওয়েবসাইট। 

.
UNEP-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. নাইরোবি, কেনিয়া
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- UNEP-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত। 

​UNEP:
- UNEP-এর পূর্ণরূপ- United Nations Environment Programme.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা। 
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- UNEP এর সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-৫ জুন।
- চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে UNEP.

সূত্র: UNEP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
গুয়ানতানামো বে নৌ ঘাঁটিটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. পানামা
  2. কিউবা
  3. হাইতি
  4. পেরু
ব্যাখ্যা

- গুয়ানতানামো বে কিউবার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি মার্কিন নৌ ঘাঁটি। 

​গুয়ানতানামো বে কারাগার:
- গুয়ানতানামো বে কারাগার কিউবায় অবস্থিত।
- এটি কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব কোণে ক্যারিবীয় সাগরের তীরে অবস্থিত এবং
- কিউবা সরকারের কাছ থেকে ১৯০৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটি ভাড়া নেয়।
- পরবর্তীতে, ২০০২ সালে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের অংশ হিসেবে সেখানে বন্দিদের আটক রাখা শুরু হয়,
- এতে বেশিরভাগই আফগানিস্তান, ইরাক, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে বন্দী করা হয়েছিল।
- গুয়ানতানামো বে কারাগারটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

.
ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact) কোন দেশের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা

- ওয়ারশ চুক্তি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর একটি সামরিক জোট। 

​ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সামরিক চুক্তি।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে।
- ১৪ মে, ১৯৫৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির সাথে সাথে Warsaw Pact বিলুপ্ত হয়।

সূত্র: Britannica.

.
সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে কোন দুই দেশের মধ্যে?
  1. ভারত–পাকিস্তান
  2. ভারত–চীন
  3. চীন–পাকিস্তান
  4. ভারত–নেপাল
ব্যাখ্যা

- সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে।

সিয়াচেন হিমবাহ:
- সিয়াচেন হিমবাহ উত্তর কাশ্মীরে অবস্থিত এবং এটি পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
- এই হিমবাহ পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল, এটা দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার কারণ হয়ে আছে।
- কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখল নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়ায়।
- তবে এই দ্বন্দ্বের মূল শেকড় লুকিয়ে আছে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত করাচি ও সিমলা চুক্তির ফাঁকে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও বিবিসি নিউজ।

.
প্রাচীন মিশরীয় শাসকদের কী উপাধি দেওয়া হতো?
  1. জার
  2. কাইজার
  3. সম্রাট
  4. ফারাও
ব্যাখ্যা

মিশরীয় 'পের-ও' শব্দ থেকে ফারাও শব্দের উৎপত্তি, এটি দ্বারা মিশরের শাসকদের বোঝানো হতো।  

মিশরীয় সভ্যতা:
- প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশ যা আমাদের কাছে পরিচিত ইজিপ্ট বা মিশর নামে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে মিশরে প্রথম সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে।
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
- চিত্রকলায় আছে বিশেষ বৈচিত্রপূর্ণ অবদান।
- লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন, সেচ ব্যবস্থা চালু, চিকিৎসা শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র অংক শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত। এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- প্রাচীন মিশরের রাজাদের সাধারণত ফারাও বলা হতো।

অন্যদিকে:
- জার (Tsar): "জার" ছিল রাশিয়ার রাজাদের উপাধি।
- কাইজার (Kaiser): "কাইজার" ছিল জার্মানির সম্রাটদের উপাধি।

সূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
শতবর্ষ যুদ্ধ কোন দুটি দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ইংল্যান্ড ও স্পেন
  2. ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র 
  3. ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা

শতবর্ষ যুদ্ধ (Hundred Years' War) সংঘটিত হয়েছিল ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স এর মধ্যে। 

শতবর্ষ যুদ্ধ:
- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৩৩৭ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত।
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড ফ্রান্সের সিংহাসনের দাবিতে এই যুদ্ধ শুরু করেন।
- যুদ্ধের সময় ফ্রান্সের পক্ষ থেকে জোয়ান অব আর্ক একজন বিশিষ্ট সেনাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দেন।
- দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে অবশেষে ফ্রান্স বিজয়ী হয়।

সূত্র: Britannica.

.
কার্টাগেনা প্রটোকল মূলত কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. জৈব নিরাপত্তা
  2. সমুদ্র দূষণ
  3. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

- জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক হচ্ছে কার্টাগেনা প্রটোকল। 

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে খসড়া অনুমোদন হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রটোকল স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

সূত্র: UNTC ওয়েবসাইট।

১০.
IUCN এর ক্ষেত্রে 'Red List' কী?
  1. বিরল খনিজের তালিকা
  2. বিপন্ন ভাষার তালিকা
  3. পরিবেশ দূষণকারী দেশের তালিকা
  4. বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা
ব্যাখ্যা

- IUCN Red List হলো একটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রস্তুতকৃত আন্তর্জাতিক তালিকা, যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকি মূল্যায়ন করে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।

IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার জন্য ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেনব্লিউতে 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IUCN - এর সদর দপ্তর হলো সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে ।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৬০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- রাশিয়ার আশখাবাদে ১৯৭৮ সালে IUCN এর ১৪তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সূত্র: IUCN ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১১.
কোন দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. স্প্রাটলি
  2. পেরেজিল
  3. সেনকাকু
  4. ফকল্যান্ড
ব্যাখ্যা

সেনকাকু:
- সেনকাকু (দিয়াওয়ু) দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
- এই বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে ‘সেনকাকু’ এবং চীনের কাছে ‘দিয়াওয়ু’ নামে পরিচিত।
- ১৯৭২ সালে ‘ওকিনাওয়া রিভার্সন এগ্রিমেন্ট’-এর মাধ্যমে দ্বীপগুলোর প্রশাসনিক অধিকার জাপানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
- ১৮৯৫ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত চীন এই দ্বীপপুঞ্জের ওপর জাপানের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপত্তি জানায়নি।
- তবে ১৯৭০-এর দশকে দ্বীপপুঞ্জের তেল সম্পদ আবিষ্কারের সম্ভাবনা দেখা দিলে চীন এটির মালিকানা দাবি করতে শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে চীন এই দ্বীপপুঞ্জকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং ২০০৮ সাল থেকে চীন নিয়মিত জাপানের জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ:
​- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ : যুক্তরাজ্য – আর্জেন্টিনা।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান।
- পেরেজিল দ্বীপ : মরক্কো – স্পেন।
- আবু মুসা দ্বীপ : ইরান – সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ : চীন– তাইওয়ান – ফিলিপাইন - মালয়েশিয়া – ভিয়েতনাম।
- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা নিউজ।

১২.
FARC কোন দেশের গেরিলা সংগঠন ছিল?
  1. পেরু
  2. কলম্বিয়া
  3. ভেনিজুয়েলা
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

- FARC বা রেভোলিউশনারি আর্মড ফোর্সেস অফ কলম্বিয়া ছিল দেশটির প্রধান বামপন্থী গেরিলা গোষ্ঠী।  

​ফার্ক (FARC):
- FARC-এর পূর্ণরূপ: Revolutionary Armed Forces of Colombia.
- এটি ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- এটি কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- এরা মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী।

সূত্র: Britannica. 

১৩.
ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া (Transdniestria) অঞ্চলটি কোন রাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. আর্মেনিয়া
  2. মলদোভা
  3. বেলারুশ
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

- ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া (Transdniestria) একটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চল এটি আন্তর্জাতিকভাবে মলদোভার (Moldova) অংশ হিসেবে স্বীকৃত।

ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া:
- ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া অঞ্চলটি মলদোভা-ইউক্রেন সীমান্তে নিস্টার নদীর পূর্বতীরে অবস্থিত।
- এটি মলদোভার একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী ছিটমহল।
- ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া বিভিন্ন সময়ে অটোমান সাম্রাজ্য, রাশিয়া, ইউক্রেন এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বারা শাসিত হয়েছিল।
- এটির প্রধান শহর তিরাসপোল।
- অঞ্চলটির মোট আয়তন প্রায় সাড়ে তিন হাজার বর্গকিলোমিটার।
- মলদোভা সরকারের সাথে বিরোধের প্রেক্ষিতে ১৯৯৫ সালে অঞ্চলটিতে ১,৫০০ রুশ শান্তিরক্ষী মোতায়েন করা হয় যা এখনো সক্রিয় রয়েছে।

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট।

১৪.
প্রাচীন গ্রিসের কোন নগর-রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছিল?
  1. স্পার্টা
  2. করিন্থ
  3. এথেন্স
  4. থিবস
ব্যাখ্যা

- খ্রিস্টপূর্ব ৫০৮ অব্দে এথেন্সে বিশ্বের প্রথম গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সূচনা হয়। এটি ছিল প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র, যেখানে নাগরিকরা সরাসরি শাসনকার্যে অংশ নিত।

​গণতন্ত্রের সূচনা:
- 'গণতন্ত্র' পরিভাষাটি ইংরেজি 'Democracy' থেকে এসেছে।
- গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।
- ব্যুৎপত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে সলোন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে।
- গ্রিক সভ্যতার এথেন্স নগররাষ্ট্র ছিলো তখন গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীলতার ধারক।
- অ্যাথেন্সকে সাধারণত গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

সূত্র - ব্রিটানিকা ও কালের কণ্ঠ। 

১৫.
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীরা কী নামে পরিচিত?
  1. গ্রিন হেলমেট
  2. হোয়াইট হেলমেট
  3. ব্লু হেলমেট
  4. রেড হেলমেট
ব্যাখ্যা

- জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা তাদের স্বতন্ত্র নীল রঙের হেলমেট বা বেরেটের জন্য 'ব্লু হেলমেট' নামে পরিচিত।

​জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। [আগস্ট - ২০২৫] 
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৮ সালে।

​এছাড়াও, 
- আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২৯ মে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ১৯৮৮ সালে।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৬.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার কত নম্বর লক্ষ্য বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সম্পর্কিত?
  1. ৪নং 
  2. ৫নং
  3. ৬নং
  4. ৭নং
ব্যাখ্যা

- টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs)-এর ৬ নম্বর লক্ষ্য হলো "বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন"। 

​টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals.
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল,
২. ক্ষুধামুক্তি,
৩. সুস্বাস্থ্য,
৪. মানসম্মত শিক্ষা,
৫. লিঙ্গ সমতা,
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন,
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি,
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি,
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো,
১০. বৈষম্য হ্রাস,
১১. টেকসই শহর ও জনগণ,
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন,
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ,
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান,
১৫. স্থলভাগের জীবন,
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান,
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

সূত্র: UNDP ওয়েবসাইট।

১৭.
১৯৮০-১৯৮৮ সালের মধ্যে শাত-ইল-আরব নিয়ে কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  2. ছয় দিনের যুদ্ধ
  3. ইরাক–ইরান যুদ্ধ
  4. আফগান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

শাত-ইল-আরব:
- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক-ইরান যুদ্ধ হয়েছিল।
- তার আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

সূত্র: Britannica.

১৮.
‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত কে করেন?
  1. গ্রেটা থুনবার্গ
  2. মালালা ইউসুফজাই
  3. ডেভিড অ্যাটেনবরো
  4. লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও
ব্যাখ্যা

- 'Friday For Future' একটি পরিবেশবাদী আন্দোলন। 
- গ্রেটা থুনবার্গ ২০১৮ সালে এই আন্দোলনের সূত্রপাত করে।

Fridays for future:
- ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত করেন সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ।
- তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে ২০১৮ সালে স্কুলে না গিয়ে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
- তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও এতে অনুপ্রাণিত হয়ে অংশ নেয়।
- ফলে এটি একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী আন্দোলনে রূপ নেয়।
- আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করা।
- এভাবেই ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।

১৯.
জাতিসংঘের UN Emergency Force (UNEF) প্রথমবার কোন আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় মোতায়েন করা হয়েছিল?
  1. সুয়েজ সংকট
  2. কঙ্গো সংকট
  3. কাশ্মীর সংকট
  4. বসনিয়া সংকট
ব্যাখ্যা

- ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের সময় প্রথম সশস্ত্র শান্তিরক্ষী বাহিনী, UNEF (UN Emergency Force), মোতায়েন করা হয়।

​জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন UNEF:
- UNEF-এর পূর্ণরূপ: United Nations Emergency Force.
- এটি সুয়েজ সংকট সমাধানের জন্য গঠিত হয়েছিল।
- UNEF-I ছিল জাতিসংঘের প্রথম সশস্ত্র শান্তিরক্ষা মিশন।
- সময়কাল: নভেম্বর ১৯৫৬ – জুন ১৯৬৭।

সূত্র: United Nations Peacekeeping ওয়েবসাইট, দৈনিক কালের কণ্ঠ।

২০.
AUKUS জোটের সদস্য কোন তিনটি দেশ?
  1. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  2. অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা
  4. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, জাপান
ব্যাখ্যা

- AUKUS হলো অস্ট্রেলিয়া (AU), যুক্তরাজ্য (UK) এবং যুক্তরাষ্ট্রের (US) মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি। 

​AUKUS চুক্তি:
- AUKUS চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- অকাস হলো ২০৩০-এর শেষে বা ২০৪০-এর গোড়ার দিকে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার নতুন উচ্চপ্রযুক্তির সাবমেরিন তৈরি ও মোতায়েনের পরিকল্পনা।
- এই উন্নত প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তি অনুসারে ব্রিটিশ ও অ্যামেরিকার সাবমেরিন অস্ট্রেলিয়ায় মোতায়েন করা হবে।
- অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

সূত্র: U.S. Department of Defense (.gov).

২১.
সর্বপ্রথম ‘কার্বন ট্যাক্স’ চালু করে কোন দেশ?
  1. ডেনমার্ক
  2. ফিনল্যান্ড
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা

প্রথম কার্বন কর: 
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ড ছিল প্রথম কার্বন কর চালুকারী দেশ।
- দূষণ কমাতে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের উপর কর আরোপের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অনুশীলনকে উৎসাহিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর চালু করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড সহ বিশ্বের অনেক দেশ কার্বন কর চালু করে৷
- এর আওতায় কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে ট্যাক্স প্রদান করতে হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।

২২.
জেনেভা কনভেনশন কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. যুদ্ধকালীন মানবিক আইন
  3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

- জেনেভা কনভেনশনগুলো যুদ্ধাহত, যুদ্ধবন্দী এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আইন।

​জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আইন সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

সূত্র: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

২৩.
জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক কে ছিলেন?
  1. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. উড্রো উইলসন
  4. জোসেফ স্ট্যালিন
ব্যাখ্যা

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন তাঁর বিখ্যাত 'চোদ্দ দফা' (Fourteen Points) ঘোষণার মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাব করেন।  

​জাতিপুঞ্জ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ ১৯২০ সালে আত্মপ্রকাশ করে।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৪১টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়: ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি বক্তব্য প্রদান করেন।
- তাতে ছিল ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার ও জাতিপুঞ্জ গঠনের আহ্বান।
- এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।

সূত্র: United Nations ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।

২৪.
Green Climate Fund এর সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ইয়েনচিয়ন
  2. সিউল
  3. বুসান
  4. উলসান
ব্যাখ্যা

Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল।
- এটি ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16 সম্মেলনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই তহবিলের মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহায়তা করা।
- এর লক্ষ্য প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা।
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়ন শহরে অবস্থিত।

সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।

২৫.
রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট কে ছিলেন?
  1. জুলিয়াস সিজার
  2. কনস্টানটাইন সিজার
  3. রমিউলাস সিজার
  4. অগাস্টাস সিজার
ব্যাখ্যা

- জুলিয়াস সিজারের পালকপুত্র অক্টাভিয়ান ২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে 'অগাস্টাস' উপাধি গ্রহণ করে রোমের প্রথম সম্রাট হন। তার শাসনকাল থেকে রোমান সাম্রাজ্যের স্বর্ণযুগ শুরু হয়। 

​অগাস্টাস সিজার:
- রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট ছিলেন অগাস্টাস সিজার।
- অগাস্টাস সিজারের আসল নাম ছিল গাইয়াস অক্টাভিয়াস।
- জুলিয়াস সিজারের মৃত্যুর পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে অগাস্টাস সিজার রাখেন।
- সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪ খ্রিস্টাব্দ) রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন।
- তাঁর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।
- এই জন্য ইতিহাসে তাঁর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।

সূত্র: Britannica ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
জাতিসংঘ দিবস (UN Day) প্রতি বছর কোন তারিখে পালিত হয়?
  1. ২৬ জুন
  2. ১০ ডিসেম্বর
  3. ২৪ অক্টোবর
  4. ১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় এবং জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর 'জাতিসংঘ দিবস' পালন করা হয়।

​জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালে ৫১টি রাষ্ট্র কর্তৃক জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়।
- জাতিসংঘ মূলত একটি রাজনৈতিক আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন।
- জাতিসংঘের সদস্যপদ ১৯৪৫ সালে মূল ৫১টি সদস্য রাষ্ট্র থেকে বর্তমান ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রে উন্নীত হয়েছে।
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে সাধারণ পরিষদের একটি সিদ্ধান্তের মাধ্যমে রাষ্ট্রগুলো সদস্যপদ গ্রহণ করে।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব হিসেবে পর্তুগালের নাগরিক আন্তোনিও গুতেরেস ১ জানুয়ারি, ২০১৭ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। 

২৭.
NATO এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৯ সালে NATO ১২টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করে।   

​ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [আগস্ট - ২০২৫]

উল্লেখ্য,
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- পরবর্তীতে আরও দেশ যোগ দেওয়ার মাধ্যমে এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[আগস্ট - ২০২৫]

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।

২৮.
সামরিক ঘাঁটি 'জয়েন্ট বেস এলমেনডর্ফ-রিচার্ডসন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  2. দোহা, কাতার
  3. আলাস্কা, যুক্তরাষ্ট্র
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

- জয়েন্ট বেস এলমেনডর্ফ-রিচার্ডসন (Joint Base Elmendorf-Richardson) অবস্থিত আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজ শহরে। 

জয়েন্ট বেস এলমেনডর্ফ-রিচার্ডসন:
- যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের অ্যাঙ্কোরেজের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত ‘জয়েন্ট বেস এলমেনডর্ফ-রিচার্ডসন’ আলাস্কার সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি।
- ৬৪ হাজার একর আয়তনের এই ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর আর্কটিক অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে একটি প্রধান কেন্দ্র।
- ১৯৫৭ সালে ঘাঁটিটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় অবস্থায় ছিল। সে সময় এখানে ২০০টি যুদ্ধবিমান, একাধিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র ও সতর্কীকরণের জন্য রাডার সিস্টেম মোতায়েন ছিল।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত ইউনিয়নের হামলার আশঙ্কা মোকাবিলায় আকাশ প্রতিরক্ষাকেন্দ্র ও কেন্দ্রীয় কমান্ড পয়েন্ট হিসেবে ঘাঁটিটি ব্যবহৃত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৫ আগস্ট, ২০২৫ এই ঘাঁটিতে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠক হয়।

সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

২৯.
'বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন' প্রকাশ করে কোন সংস্থা?
  1. আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা
  2. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা
  3. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
  4. বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

World Bank:
- বিশ্বব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডসে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে। সেখানে অংশগ্রহণকারী ২৯টি দেশ ‘ব্রেটন উডস চুক্তি’তে স্বাক্ষর করে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৫ সালে এবং কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৬ সালের জুন মাসে। বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের সদস্য সংখ্যা ১৮৯টি দেশ। [আগস্ট - ২০২৫] এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হলো মধ্য আয়ের দেশগুলোকে উন্নয়ন সহায়ক ঋণ প্রদান ও পরামর্শসেবা দেওয়া। সংস্থাটি বিভিন্ন খাতে যেমন অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দারিদ্র্য বিমোচনে অর্থায়ন করে। বিশ্বব্যাংক ফ্রান্সকে প্রথম ঋণ প্রদান করে।
- বিশ্বব্যাংক প্রতি বছর একটি বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে, এর নাম ‘World Development Report’ বা ‘বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন’। ১৯৭৮ সাল থেকে শুরু করে এই প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে।

সূত্র: World Bank ওয়েবসাইট।

৩০.
জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা কে?
  1. লর্ড হ্যালিফ্যাক্স
  2. আর্চিবল্ড ম্যাকলিশ
  3. জন ডি. রকফেলার জুনিয়র
  4. নেলসন রকফেলার
ব্যাখ্যা

- মার্কিন কবি ও লেখক আর্চিবল্ড ম্যাকলিশ জাতিসংঘ সনদ রচনা করেছিলেন।  

​জাতিসংঘ সনদ (UN Charter):
- জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা আর্চিবল্ড ম্যাকলিশ (Archibald Macleish)।
- সনদে মোট ১১১টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- ১০৮ ধারা অনুযায়ী সনদ সংশোধন করা যেতে পারে।
- প্রথমে সংশোধনী সাধারণ পরিষদে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত হতে হবে।
- তারপর নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যগুলোসহ জাতিসংঘের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যরাষ্ট্রে স্ব স্ব সংবিধান অনুযায়ী তা অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষরিত হয় ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকরী হয় ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- প্রতি বছর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় ২৪ অক্টোবর।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩১.
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) গঠন করা হয় কোন সম্মেলনের মাধ্যমে?
  1. COP-16
  2. COP-15
  3. COP-13
  4. COP-17
ব্যাখ্যা

- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) গঠন করা হয় ২০১০ সালে মেক্সিকোর ক্যানকুনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP 16)-এর মাধ্যমে।

​COP: 
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) হলো "Conference of the Parties"-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ১৯৯৫ সাল থেকে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- ২০২৫ সালের COP-30 ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।
Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল।
- ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16 সম্মেলনে এই তহবিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়নে অবস্থিত।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহায়তার জন্য এই তহবিল গঠিত হয়েছে, এর লক্ষ্যমাত্রা বছরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা।

সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩২.
WWF-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  4. বার্লিন, জার্মানি
ব্যাখ্যা

- WWF (World Wide Fund for Nature)-এর আন্তর্জাতিক সদরদপ্তর অবস্থিত গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ডে।

​WWF: 

- WWF এর পূর্ণরূপ World Wide Fund for Nature.
- এটি হলো প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠন।
- এটি ১৯৬১ সালের এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WWF বর্তমানে বিশ্বের ১০০টির অধিক দেশে পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
- সংস্থাটির বৈশ্বিক সদরদপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে।
- WWF মূলত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, বন রক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে থাকে।

সূত্র: WWF ওয়েবসাইট।

৩৩.
অলিম্পিক খেলার উৎপত্তি কোন সভ্যতায়?
  1. রোমান সভ্যতায়
  2. গ্রিক সভ্যতায়
  3. মিশরীয় সভ্যতায়
  4. পার্সিয়ান সভ্যতায়
ব্যাখ্যা

- প্রাচীন গ্রিসের অলিম্পিয়া নামক স্থানে দেবতা জিউসের সম্মানে অলিম্পিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল। আধুনিক অলিম্পিক গেমস এরই অনুপ্রেরণায় গঠিত।  

​অলিম্পিক খেলা
- বড় কোন প্রয়োজনে বিচ্ছিন্ন নগর রাষ্ট্রগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি।
- এই চিন্তা হতে প্রাচীন গ্রীকরা একটা উৎসব অনুষ্ঠানের চিন্তা করলেন।
- যার ফসল হিসেবে শুরু হলো অলিম্পিক খেলা ৭৭৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
- প্রতি চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এ খেলায় বিভিন্ন নগর রাষ্ট্রের খেলোয়াড়রা অংশ নিত।
- এ খেলার সূত্র ধরে পারস্পরিক শত্রুতার বদলে গ্রিকদের মাঝে একটি সাংস্কৃতিক ঐক্য গড়ে ওঠে।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ কোথায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. নেপাল
  2. ভারত
  3. মালদ্বীপ
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা

সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভুটানের থিম্পু শহরে, Changlimithang Stadium-এ, ২০–৩১ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত। 

সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ:
- ২০ আগস্ট থেকে ভুটানে শুরু হয়েছে সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ।
​- ১২ দিনব্যাপী টুর্নামেন্টে চারটি দল বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান ও নেপাল অংশ নেবে।
​- রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে সবাই সবার বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে।
​- এরপর যারা পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকবে, তাদেরকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে।

​ উল্লেখ্য,
​- নিজেদের মাটিতে ২০২৩ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ হয়েছিল দ্বিতীয়।
​- টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে একমাত্র আমন্ত্রিত দল হিসেবে খেলতে নামা রাশিয়া জিতেছিল শিরোপা।

সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

৩৫.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. রোম
  3. প্যারিস
  4. জেনেভা
ব্যাখ্যা

- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা এটি আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।

​WHO:
- WHO-এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক: টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস। 
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে জাতিসংঘ পরিবারের সাথে যুক্ত হয়।

সূত্র: WHO ওয়েবসাইট।

৩৬.
UNICEF-এর প্রধান কাজ কী?
  1. বিশ্ব বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ
  2. পরিবেশ রক্ষা
  3. শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করা
  4. শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

- UNICEF (United Nations Children's Fund) বিশ্বজুড়ে শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা এবং সুরক্ষার জন্য কাজ করে। এটি শিশুদের অধিকার রক্ষায় জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা।

​UNICEF:
- UNICEF এর পূর্ণরুপ - United Nations Children's Fund
- এটি হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা,
- এটি শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা এবং সাধারণ কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে।
- ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত UNICEF প্রাথমিকভাবে যুদ্ধকালীন শিশুদের সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়, তবে বর্তমানে এটি ১৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে শিশুদের উন্নয়ন এবং সুরক্ষার জন্য কাজ করছে।
- ১৯৫৩ সালে সংস্থাটির নাম পরিবর্তন করে UNICEF রাখা হয়, এর পূর্বে United Nations International Children’s Emergency Fund ছিল।
- UNICEF এর সদর দপ্তর নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।
- সংস্থাটি ১৯৬৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

সূত্র: UNICEF ওয়েবসাইট।

৩৭.
কিয়োটো প্রটোকল কোন বৈশ্বিক সমস্যার মোকাবিলার জন্য গৃহীত হয়?
  1. ওজোন স্তর রক্ষা
  2. বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তন
  3. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  4. সামুদ্রিক দূষণ
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল (Kyoto Protocol) গৃহীত হয় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক উষ্ণায়ন সমস্যার মোকাবিলার জন্য।

​কিয়োটো প্রটোকল:
- কিয়োটো প্রটোকল একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি এটা বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের তৃতীয় জলবায়ু সম্মেলন বা Conference of Parties (COP)-3 এ এই প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এটি ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর প্রটোকলে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেয়।
- প্রটোকল থেকে সরে যাওয়া প্রথম দেশ ছিল কানাডা।

সূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।

৩৮.
জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা WMO কী নিয়ে কাজ করে?
  1. বৈশ্বিক আবহাওয়া
  2. আন্তর্জাতিক অভিবাসন
  3. খাদ্য ও কৃষি উন্নয়ন
  4. পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ
ব্যাখ্যা

WMO:
- এটি বৈশ্বিক আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান নিয়ে কাজ করে।
- এর পূর্ণরূপ World Meteorological Organization.
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
- WMO প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৩ মার্চ, ১৯৫০ সালে এবং এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে মর্যাদা লাভ করে ১৭ মার্চ, ১৯৫১ সালে।
- সংস্থাটির সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড-এ অবস্থিত।

সূত্র: WMO ওয়েবসাইট।

৩৯.
"রোটারি ইন্টারন্যাশনাল" এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. জর্জ ডব্লিউ. কার্ভার
  2. হেনরি ডুনান্ট
  3. উইলিয়াম জে. মরগান
  4. পল পি. হ্যারিস
ব্যাখ্যা

- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন পল পি. হ্যারিস (Paul P. Harris)।

রোটারি ইন্টারন্যাশনাল:
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ব্যবসায়িক ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়ে গড়ে উঠা সেবামূলক সংগঠন।
- এটি ১৯০৫ সালে শিকাগোর মার্কিন অ্যাটর্নি পল পি. হ্যারিসের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংগঠনটি মূলত সমাজসেবা, মানবকল্যাণ এবং বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার লক্ষ্যে কাজ করে।
- "নিজের উপরে সেবা"—এই নীতিবাক্যকে কেন্দ্র করে সংগঠনটি সারা বিশ্বে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- রোটারি ইন্টারন্যাশনালের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ইভানস্টনে অবস্থিত।

সূত্র: Rotary International ওয়েবসাইট।

৪০.
UNHCR কোন ধরনের জনগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করে?
  1. শিশু
  2. নারী
  3. শরণার্থী
  4. শ্রমিক
ব্যাখ্যা

- UNHCR বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত সম্প্রদায় এবং রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও সহায়তার জন্য কাজ করে।

​UNHCR:
- UNHCR এর পূর্ণরূপ: United Nations High Commissioner for Refugees.
- ১৯৫০ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR) গঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইউরোপীয় শরণার্থীদের সেবার প্রেক্ষাপটে UNHCR গঠিত হয়।
- এটি শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে।
- UNHCR এর প্রধানকে বলা হয় হাইকমিশনার।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।

সূত্র: UNHCR ওয়েবসাইট।

৪১.
কোন দুটি মুসলিম দেশ NATO-র সদস্য? [আগস্ট - ২০২৫] 
  1. তুরস্ক ও মিশর
  2. আলবেনিয়া ও ইন্দোনেশিয়া
  3. তুরস্ক ও আলবেনিয়া
  4. পাকিস্তান ও তুরস্ক
ব্যাখ্যা

- তুরস্ক ১৯৫২ সাল থেকে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সাল থেকে NATO-র সদস্য।

ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [আগস্ট - ২০২৫]

উল্লেখ্য,
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[আগস্ট - ২০২৫]

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।

৪২.
মায়া সভ্যতা কোন অঞ্চলে বিকাশ লাভ করেছিল?
  1. দক্ষিণ এশিয়া
  2. পূর্ব ইউরোপ
  3. মধ্য আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

- মায়া সভ্যতা আধুনিক মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন অংশে গড়ে উঠেছিল। তারা জ্যোতির্বিজ্ঞান, গণিত এবং পিরামিড নির্মাণের জন্য বিখ্যাত ছিল ।

​মায়া সভ্যতা (Maya Civilization):
- মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশ যেমন - গুয়েতমালা, বেলিজ, এল সালভাদের, হন্ডুরাস প্রভৃতি দেশে মায়া সভ্যতা লোকজনের বসবাস ছিল।
- তারা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে এসকল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল মেক্সিকোর অন্যতম প্রদেশ ইয়াকাতানে অবস্থিত চেচেন ইৎজা (Chichen Itza) শহর।

সূত্র: ব্রিটানিকা, হিস্টোরি.কম।

৪৩.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কোন সংস্থার উত্তরসূরি?
  1. UNCTAD
  2. GATT
  3. ITC
  4. IMF
ব্যাখ্যা

WTO ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি শুল্ক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত সাধারণ চুক্তি বা General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)-এর উত্তরসূরি হিসেবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে।

WTO: 
- WTO (World Trade Organisation) ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-এর বর্তমানে ১৬৬ জন সদস্য [আগস্ট - ২০২৫] রাষ্ট্র রয়েছে এবং এর সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নও সদস্য। সর্বশেষ সদস্য হিসেবে কমোরস এবং পূর্ব তিমুর লেস্তে যোগ দিয়েছে।
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- WTO এর সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).

সূত্র: WTO ওয়েবসাইট ও Britannica.

৪৪.
United Nations High Commissioner for Refugees কতবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

- সংস্থাটি ২ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। ১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। 

UNHCR:
- UNHCR এর পূর্ণরূপ: United Nations High Commissioner for Refugees.
- ১৯৫০ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR) গঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইউরোপীয় শরণার্থীদের সেবার প্রেক্ষাপটে UNHCR গঠিত হয়।
- এটি শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে।
- UNHCR এর প্রধানকে বলা হয় হাইকমিশনার।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।

সূত্র: UNHCR ওয়েবসাইট।

৪৫.
১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের (Russian Revolution) নেতৃত্ব দিয়েছিলেন - 
  1. জারপন্থী বাহিনী
  2. মেনশেভিকরা
  3. নৈরাজ্যবাদীরা
  4. বলশেভিকরা
ব্যাখ্যা

- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলশেভিকরা, এদের নেতৃত্বে ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন। তারা সমাজতান্ত্রিক আদর্শে জার শাসনের অবসান ঘটিয়ে সোভিয়েত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

সূত্র: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম

৪৬.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs)-এর মোট লক্ষ্য কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ২০টি
ব্যাখ্যা

- ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা SDGs-এর মোট ১৭টি প্রধান লক্ষ্য এবং ১৬৯টি সহায়ক লক্ষ্য রয়েছে। এটি ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত হয়েছে।

• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals.
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল,
২. ক্ষুধামুক্তি,
৩. সুস্বাস্থ্য,
৪. মানসম্মত শিক্ষা,
৫. লিঙ্গ সমতা,
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন,
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি,
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি,
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো,
১০. বৈষম্য হ্রাস,
১১. টেকসই শহর ও জনগণ,
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন,
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ,
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান,
১৫. স্থলভাগের জীবন,
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান,
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

সূত্র: UNDP ওয়েবসাইট।

৪৭.
ISI কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ভারত
  2. আফগানিস্তান
  3. পাকিস্তান
  4. সিরিয়া 
ব্যাখ্যা

ISI বা Inter-Services Intelligence হলো পাকিস্তানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।

​Inter-Services Intelligence:
- ISI বা Inter-Services Intelligence পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা,
- এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি মূলত পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করতে কাজ করে।
- আফগান যুদ্ধের সময়, ISI মার্কিন সহযোগিতায় মুজাহিদিনদের সহায়তা করেছিল।
- সংস্থাটি কাশ্মীর ইস্যু, আফগানিস্তানের রাজনীতি এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৪৮.
OIC কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর মুসলিম বিশ্বের নেতারা একত্রিত হন এবং ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে OIC প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC):
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট,
- এটি ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাত শহরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC গঠনের মূল কারণ ছিল ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে।
- OIC-এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- সংস্থাটির দাপ্তরিক ভাষা তিনটি— আরবি, ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।

সূত্র: OIC ওয়েবসাইট।

৪৯.
নিচের কোন দেশ BIMSTEC-এর সদস্য নয়? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. পাকিস্তান
  2. বাংলাদেশ
  3. থাইল্যান্ড
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান BIMSTEC এর সদস্য দেশ নয়।

• BIMSTEC:
- BIMSTEC বা Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-operation হলো বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের একটি বহুমাত্রিক প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতামূলক জোট।
- এটি ১৯৯৭ সালের ৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে BIMSTEC-এর সদস্য ছিল ৪টি দেশ, তবে বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭টি।

• এগুলো হলো:
- শ্রীলঙ্কা,
- থাইল্যান্ড,
- মিয়ানমার,
- নেপাল,
- বাংলাদেশ,
- ভারত,
- ভুটান।

সূত্র: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
৫০.
কার্বন ক্রেডিট’ ধারণাটি কোন আন্তর্জাতিক প্রোটোকলের অন্তর্গত?
  1. কিয়োটো
  2. নাগোয়া
  3. জেনেভা
  4. মন্ট্রিল
ব্যাখ্যা

- 'কার্বন ক্রেডিট' প্রোটোকলের সাথে জড়িত কিয়োটো প্রটোকল।

কিয়োটো প্রটোকল:
- কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় জাপানের কিয়োটোতে।
- কিয়োটো প্রটোকল ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে স্বাক্ষরিত হয়,
- কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে।
- কার্বন ক্রেডিট বা কার্বন বাণিজ্য কিয়োটো প্রটোকলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অন্যদিকে:
- নাগোয়া প্রোটোকল কী উদ্দেশ্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
​- মন্ট্রিল প্রোটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি। 

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৫১.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা - [আগস্ট - ২০২৫]
  1. ২৮টি
  2. ২৯টি
  3. ২৭টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU)।
- EU ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩.
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ইউরোপিয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা: ইউরো।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।[আগস্ট - ২০২৫]

• ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন

সূত্র: EU ওয়েবসাইট।
৫২.
১৯৭৫ সালে ভারতের ২২তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় - 
  1. অরুণাচল 
  2. সিকিম
  3. মিজোরাম
  4. নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা

সিকিম:
- সিকিম ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য,
​- সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক।
- এটি পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার পাদদেশে অবস্থিত।
- একসময় এটি একটি স্বাধীন অঞ্চল ছিল, কিন্তু ১৯৭৫ সালে ভারতের প্রজাতন্ত্রের অংশ হয়ে ওঠে।
- ১৯৭৩ সালে নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগের পর সিকিম ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্বে রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
- ১৯৭৪ সালের পুনর্নির্বাচনে লেন্দুপ দর্জির নেতৃত্বে সিকিম ন্যাশনাল কংগ্রেস বিপুল বিজয় অর্জন করে।
- ১৯৭৫ সালের ২৭ মার্চ গণভোটের মাধ্যমে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ২৬ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতের ২২তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট।

৫৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির (Axis Powers) প্রধান তিনটি দেশ কোনটি?
  1. জার্মানি, রাশিয়া, জাপান
  2. জার্মানি, ইতালি, জাপান
  3. ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির প্রধান তিন সদস্য ছিল জার্মানি, ইতালি এবং জাপান। তারা মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল ।  

​দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে জার্মান কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল- জার্মান, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল- ফ্রন্স, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্থন করে- ৭ মে, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্থনের মাধ্যমে ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।

সূত্র: Britannica & History.com

৫৪.
IUCN কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯১২ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

- IUCN ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সে প্রতিষ্ঠিত হয়। 

​IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার জন্য ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেনব্লিউতে 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IUCN - এর সদর দপ্তর হলো সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৬০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- রাশিয়ার আশখাবাদে ১৯৭৮ সালে IUCN এর ১৪তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সূত্র: IUCN ওয়েবসাইট। 

৫৫.
'অপারেশন নেপচুন স্পিয়ার' কোন গোয়েন্দা সংস্থার সাথে জড়িত?
  1. মোসাদ
  2. MI6
  3. CIA
  4. ISI
ব্যাখ্যা

- ‘অপারেশন নেপচুন স্পিয়ার’ যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ এর গোয়েন্দা সহায়তায় পরিচালিত একটি গোপন সামরিক অভিযান এই অভিযানটি ২০১১ সালের ১ মে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে পরিচালিত হয়। এর লক্ষ্য ছিল ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করে হত্যা করা।

​CIA:
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- CIA এর পূর্ণরূপ হলো Central Intelligence Agency.
- এর সদরদপ্তর ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত।
- CIA ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- CIA এর বর্তমান পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নস।

সূত্র: CIA ওয়েবসাইট ও পত্রিকা ওয়েবসাইট।

৫৬.
আমেরিকার গৃহযুদ্ধ (১৮৬১-১৮৬৫) এর প্রধান কারণ কী ছিল?
  1. দাসপ্রথা
  2. অর্থনৈতিক বৈষম্য
  3. ধর্মীয় বিভেদ
  4. অঙ্গরাজ্যের অধিকার
ব্যাখ্যা

আমেরিকার গৃহযুদ্ধের মূল কারণ ছিল দাসপ্রথা। শিল্পোন্নত উত্তরাঞ্চল দাসপ্রথার বিরোধী ছিল, অন্যদিকে কৃষিনির্ভর দক্ষিণাঞ্চল তাদের অর্থনীতির জন্য দাসপ্রথার উপর নির্ভরশীল ছিল, এটা গৃহযুদ্ধ জন্ম দেয়।  

​​আমেরিকার গৃহযুদ্ধ: 
​- আমেরিকার গৃহযুদ্ধ (১৮৬১–১৮৬৫) ছিল উত্তরাঞ্চলীয় ইউনিয়ন ও দক্ষিণাঞ্চলীয় কনফেডারেট রাজ্যগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ।
- মূল কারণ ছিল দাসপ্রথা ও নতুন রাজ্যে তার সম্প্রসারণ নিয়ে বিরোধ।
- আব্রাহাম লিঙ্কনের নির্বাচনের পর দক্ষিণের ১১টি রাজ্য ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যুদ্ধ শুরু করে।
- ১৮৬৫ সালে ইউনিয়নের বিজয়ের মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথার অবসান এবং জাতীয় ঐক্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করে।

​সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৫৭.
'অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম' কোন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  2. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  3. ইরাক যুদ্ধ
  4. আফগান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

- ১৯৯১ সালে ইরাকের কুয়েত দখলকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন জোট এই অভিযান পরিচালনা করে। 

​অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম:
– ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামের এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪টি দেশের যৌথ বাহিনীর মধ্যে।
– ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট বিপুল সেনাবাহিনী নিয়ে কুয়েত হামলা শুরু করে সাদ্দাম হোসেনের বাহিনী।
– ৮ আগস্ট কুয়েতকে ইরাকের ১৯তম প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করে বাগদাদ।
– ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে কুয়েত ও ইরাকে অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বাহিনী।
– উদ্দেশ্য ছিল ইরাকের আগ্রাসন থেকে কুয়েতকে মুক্ত করা।
– ২৮ ফেব্রুয়ারী ইরাকি বাহিনী পরাজয় বরণ করে।
– প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ নামেও পরিচিত।

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট ও Britannica.  

৫৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ডি-ডে (D-Day) বলতে কোন ঘটনাকে বোঝানো হয়?
  1. জার্মানির আত্মসমর্পণ
  2. জাপানের আত্মসমর্পণ
  3. মিত্রশক্তির নরম্যান্ডি অবতরণ
  4. হিরোশিমায় বোমা হামলা
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন মিত্রশক্তি ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূলে ইতিহাসের বৃহত্তম উভচর সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। এই ঘটনা 'ডি-ডে' নামে পরিচিত এবং এটি পশ্চিম ইউরোপকে নাৎসি দখলমুক্ত করার পথ প্রশস্ত করে ।  

​D-Day:
- D-Day দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।
- 'D-Day' ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪৪ সালের ৬ জুন দখলকৃত ফ্রান্স উদ্ধারের জন্য মিত্রবাহিনী স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে এক অপারেশন পরিচালনা করে যার কোড নাম ছিলো Operation Overlord।
- ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার যৌথ বাহিনীর সদস্য ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূলের ৫টি সৈকতে অবতরণ করেন।
- ৬ জুন দিনটিকে ডি ডে (D-Day) হিসাবে পালন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ফ্রান্সে মিত্রপক্ষের সেনাবাহিনীর অবতরণের দিন স্থির হয়।
- ৬ জুন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে চার হাজারেরও বেশি জাহাজে করে ১ লক্ষ ৫৬ হাজার মিত্রবাহিনীর সেনা নর্মান্ডি উপকূলে অবতরণ করে।

সূত্র: History.com

৫৯.
'ক্রুসেড' নিচের কোনটির জন্য পরিচালিত হয়েছিল?
  1. বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যকে রক্ষা করার জন্য
  2. বাণিজ্য পথ নিয়ন্ত্রণের জন্য
  3. মঙ্গোল আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য
  4. জেরুজালেম পুনরুদ্ধার করার জন্য
ব্যাখ্যা

 ১১শ শতাব্দীর শেষের দিকে, ক্যাথলিক চার্চ জেরুজালেম পুনরুদ্ধার করার জন্য জন্য সামরিক অভিযান বা ক্রুসেডের অনুমোদন দিতে শুরু করে। ক্রুসেডাররা বিশ্বাস করত যে তাদের এই সেবা তাদের পাপমোচন করবে এবং স্বর্গে স্থান নিশ্চিত করবে। 

​ক্রুসেড (Crusade):
- প্রথম ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধ শুরু হয় ১০৯৬ সালে।
- মুসলমানদের হাত থেকে জেরুজালেম মুক্ত করার জন্য খ্রিস্টানরা ১০৯৬ সাল থেকে ১২৭১ সাল পর্যন্ত সময়ে বারংবার যে-অভিযান চালায়, তা-ই ইতিহাসে ক্রুসেড নামে খ্যাত।
- মোট আটবার পরিচালিত, প্রথম ক্রুসেড অভিযান পরিচালনা করেন গডফ্রে।
- প্রধানত, ইউরোপ থেকেই ক্রুসেড অভিযানসমূহ প্রেরণ করা হয়।

সূত্র: রাজনীতিকোষ - হারুনুর রশীদ।

৬০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. থিওডোর রুজভেল্ট
  2. উড্রো উইলসন
  3. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  4. হার্বার্ট হুভার
ব্যাখ্যা

- ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অধিকাংশ সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার মৃত্যুর পর হ্যারি এস. ট্রুম্যান প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।  

​- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট। 
​- তিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত টানা চার মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
​- রুজভেল্ট অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় ‘নিউ ডিল’ কর্মসূচি চালু করেন।
​- ১৯৪১ সালে জাপান পার্ল হারবারে আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রবেশ করে। 
​- রুজভেল্ট মিত্রশক্তির প্রধান নেতা হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। 
​- তিনি ‘সৎ প্রতিবেশি নীতি’র মাধ্যমে লাতিন আমেরিকার সাথে সম্পর্ক উন্নত করেন। 
​- ১৯৪২ সালে তার উদ্যোগে “United Nations” বা জাতিসংঘ নামটি প্রথম ব্যবহার করা হয়।  

​সূত্র: Britannica & History.com

৬১.
অজ্ঞাতপরিচয় মৃতদেহ শনাক্ত করার জন্য ইন্টারপোল কোন নোটিশ জারি করে?
  1. ব্লু নোটিশ
  2. ব্ল্যাক নোটিশ
  3. গ্রিন নোটিশ
  4. পার্পল নোটিশ
ব্যাখ্যা

- ব্ল্যাক নোটিশ অজ্ঞাতপরিচয় মৃতদেহ সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধানের জন্য সদস্য দেশগুলোর কাছে পাঠানো হয়।  

​ইন্টারপোল:
- ইন্টারপোল হলো একটি আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা, এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁও শহরে অবস্থিত।
- এই সংস্থাটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে ইন্টারপোলের সদস্য সংখ্যা ১৯৬টি, এবং [আগস্ট - ২০২৫]
- সর্বশেষ সদস্য হিসেবে পালাউ ইন্টারপোলের ১৯৬তম সদস্যপদ লাভ করেছে।

উল্লেখ্য,
→ রেড নোটিস – পলাতক অপরাধীকে খুঁজে বের করা ও গ্রেপ্তারের অনুরোধ,
→ ব্লু নোটিস – পরিচয় শনাক্ত ও অবস্থান জানতে সাহায্য,
→ ইয়েলো নোটিস – নিখোঁজ ব্যক্তি (বিশেষ করে শিশু) শনাক্তে সহায়তা,
→ গ্রিন নোটিস – অপরাধীর গতিবিধি ও ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা,
→ পার্পল নোটিস – অপরাধ পদ্ধতি, বস্তু বা লুকানোর কৌশল সম্পর্কিত তথ্য,
→ ব্ল্যাক নোটিস – অজানা মৃতদেহ শনাক্ত করার জন্য,
→ অরেঞ্জ নোটিস – সম্ভাব্য বিপজ্জনক ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনা সম্পর্কে সতর্কতা।

সূত্র:- ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।

৬২.
জাপানের মুদ্রার নাম কী?
  1. ওন
  2. ইউয়ান
  3. ইয়েন
  4. বাথ
ব্যাখ্যা

- জাপানের জাতীয় মুদ্রার নাম ইয়েন।  

​ জাপান:
- জাপান এশিয়ার অন্যতম ধনী রাষ্ট্র। 
​- এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসাবে জাপান উন্নত দেশের জোট জি-৭ এর সদস্য।
- অতীতকালে জাপান Nippon বা Nihon নামে পরিচিত ছিলো।
- জাপানের পার্লামেন্টর নাম - ডায়েট।
- জাপানের পার্লামেন্ট 'ডায়েট' দুই কক্ষ বিশিষ্ট।

​অন্যদিকে: 
- ওন: দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারী মুদ্রা।
- ইউয়ান: চীনের সরকারী মুদ্রা।
- বাথ: থাইল্যান্ডের সরকারী মুদ্রা।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৬৩.
২০২৫ সালের কপ-৩০ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. মিশর 
  2. কেনিয়া
  3. ব্রাজিল
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালের কপ-৩০, ব্রাজিল আয়োজন করবে। 

COP:
- COP এর পূর্ণরূপ হলো Conference of the Parties.
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে এবং
- ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- 'কপ-২৯' আগামীতে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৫ সালের কপ-৩০, ব্রাজিল আয়োজন করবে এবং আমাজনীয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট এবং সময়নিউজ, ব্রাজিলের সরকারি ওয়েবসাইট।

৬৪.
দিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটিটি কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা

দিয়েগো গার্সিয়া ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের (BIOT) একটি দ্বীপ, এটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

​দিয়েগো গার্সিয়া:
- দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ ভারত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত চাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ।
- পর্তুগীজরা এ দ্বীপ আবিষ্কার করে এবং তারাই এ দ্বীপের নামকরণ করে।
- ১৭৯০ সালে ফরাসিরা এখানে প্রথমে বসতি স্থাপন করে।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়ানিক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে প্যারিস ট্রিটি অনুযায়ী ফ্রান্স এ দ্বীপ ব্রিটিশদের কাছে হস্তান্তর করে।
- দেশটি যুক্তরাজ্যের অধীনে একটি দেশ।
- দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ এক সময় মরিশাসের অন্তর্ভুক্ত ছিল ।

গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ:
প্রশান্ত মহাসাগর:
- পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

আটলান্টিক মহাসাগর:
- যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি।

ভারত মহাসাগর:
- মাদাগাস্কার, সেইসিলিশ, মরিশাস, দিয়েগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি।

সূত্র: Britannica.

৬৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯০৫ সালে
  2. ১৯১৪ সালে
  3. ১৯১৮ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়।  

​প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল ১৯১৪-১৯১৮ সাল।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি জোট ছিল: ফ্রান্স, গ্রেট ব্রিটেন, রাশিয়া, ইতালি, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।

সূত্র - ব্রিটানিকা।

৬৬.
মন্ট্রিয়াল প্রোটোকলের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ওজোন স্তর রক্ষা করা
  2. জলবায়ু পরিবর্তন কমানো
  3. গ্রিনহাউস গ্যাস কমানো
  4. বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয় এবং
- ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পরিবেশ রক্ষা এবং ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ।

এছাড়াও অন্যকিছু প্রটোকল:
- কিয়েটো প্রটোকল - গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- কার্টাগেনা প্রটোকল - জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক।
- নাগোয়া প্রোটোকল কী উদ্দেশ্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট ও Britannica.com

৬৭.
এশিয়া কাপ- ২০২৫ অনুষ্ঠিত হবে কোথায়?
  1. মালদ্বীপ
  2. পাকিস্তান
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

এশিয়া কাপ ২০২৫ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (UAE) — দুবাই ও আবুধাবি শহরে, ৯ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। 

এশিয়া কাপ- ২০২৫:
- আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত এশিয়া কাপ- ২০২৫ অনুষ্ঠিত হবে।
- টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে প্রতিযোগিতার সবকটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
- এবারের আসরে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান মোট আটটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
- আটটি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।
- 'এ' গ্রুপে আছে ভারত, পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান এবং 'বি' গ্রুপে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও হংকং।
- প্রত্যেক দল গ্রুপ পর্বে ৩টি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।

সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

৬৮.
কানাডার রাজধানী কোনটি?
  1. টরন্টো
  2. ভ্যাঙ্কুভার
  3. মন্ট্রিল
  4. অটোয়া
ব্যাখ্যা

- কানাডার রাজধানী অটোয়া।  

কানাডা:
- ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা।
​-  দেশটিতে ম্যাপল গাছের আধিক্য এবং কানাডার জনজীবনে এর সংশ্লিষ্টতার জন্যে কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
- কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।
- কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি দেশ।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
- কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।

সূত্র - কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট।

৬৯.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির উপর কোন চুক্তি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. ব্রাসেলস চুক্তি
ব্যাখ্যা

- ১৯১৯ সালে স্বাক্ষরিত ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয় এবং তার উপর কঠোর শর্ত, যেমন বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ এবং সামরিক সীমাবদ্ধতা, আরোপ করা হয়। 

​ভার্সাই চুক্তি: 
​- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি ফলাফল জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা এবং ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা ।
- এই চুক্তির মাধ্যমেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- ২৮ জুন ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।
- ভার্সাই চুক্তির পক্ষসমূহ ছিল মিত্রশক্তি এবং জার্মানি।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে ।

সূত্র: Britannica.com

৭০.
রটারডাম বন্দরটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জার্মানি
  2. বেলজিয়াম
  3. ফ্রান্স
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

- রটারডাম বন্দরটি নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপের ব্যস্ততম সমুদ্র বন্দর।  

​রটারডাম:
- নেদারল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং প্রধান ইউরোপীয় বন্দর।
- রটারডাম উত্তর সাগর থেকে প্রায় ১৯ মাইল (৩০ কিমি) দূরে অবস্থিত।
- এটি নিউ ওয়াটারওয়ে নামে একটি খালের মাধ্যমে উত্তর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- শহরটি নিউ মিউস নদীর (Nieuwe Maas) উভয় তীরে অবস্থিত, এটি রাইন নদীর একটি শাখা।
- ১২৮৩ সালে প্রথম রটারডামের নাম উল্লেখ করা হয়।
- ১৩৪০ সালে রটারডাম শি খাল খননের অনুমতি পায় এবং এটি প্রদেশের প্রধান বন্দর হয়ে ওঠে।
- ১৭শ শতকের শেষে এটি, আমস্টারডামের পরে, নেদারল্যান্ডসের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক শহর হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

সূত্র: Britannica.

৭১.
IPCC কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

- IPCC ১৯৮৮ সালে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এর যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

​IPCC:
- IPCC -এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এটি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের একটি আন্তঃসরকারি প্যানেল।
- এটি ১৯৮৮ সালে গঠিত হয় জাতিসংঘের দুটি সংস্থা—বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)–এর যৌথ উদ্যোগে।
- এই সংস্থাটি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন, এর প্রভাব এবং সম্ভাব্য প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ সম্পর্কে গবেষণা করে এবং সরকারগুলোর জন্য নীতিনির্ধারণী সুপারিশ প্রদান করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে গবেষণা ও সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় IPCC ২০০৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

সূত্র: IPCC ওয়েবসাইট।

৭২.
প্রথম শিল্প বিপ্লব কোন দেশে শুরু হয়েছিল?
  1. ইতালি 
  2. ফ্রান্স
  3. ইংল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

- অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটেনে প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূচনা হয়। কয়লা ও লোহার প্রাচুর্য, উপনিবেশ থেকে প্রাপ্ত কাঁচামাল, উন্নত ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এর প্রধান কারণ ছিল।

প্রথম শিল্প বিপ্লব:
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০-১৮৪০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
- ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব' শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে।
- এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে।
- ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

সূত্র: Britannica.

৭৩.
আন্তর্জাতিক আদালতের (International Court of Justice) একজন বিচারকের মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৯ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত:
- আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (International Court of Justice বা ICJ) জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গসংস্থার মধ্যে একটি।
- এটি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৬ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এর সদর দপ্তর অবস্থিত নেদারল্যান্ডসের দি হেগ শহরে।
- এই আদালতে মোট ১৫ জন বিচারক থাকেন।
- প্রত্যেক বিচারক জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের যৌথ ভোটে নির্বাচিত হন।
- একজন বিচারকের মেয়াদ নির্ধারিত থাকে ৯ বছর।
- আদালতের মধ্যে একজন সভাপতি এবং একজন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন বিচারকদের মধ্য থেকেই।
- সভাপতির মেয়াদ ৩ বছর, তবে তাকেও পুনঃনির্বাচিত করা যায়।

সূত্র: International Court of Justice ওয়েবসাইট।
৭৪.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. জন অ্যাডামস
  2. টমাস জেফারসন
  3. জেমস ম্যাডিসন
  4. জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন, তিনি কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি।

​মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা অর্জিত হয় ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে, যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে।
- এই দিনটি যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- বর্তমানে দেশটির মোট অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে প্রথমে ছিল ১৩টি অঙ্গরাজ্য এবং সর্বশেষ যুক্ত হওয়া অঙ্গরাজ্য হলো হাওয়াই। দেশটির জাতীয় পতাকায় ৫০টি তারকা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস দুইটি কক্ষে বিভক্ত—নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে হলে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন, তিনি কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি।
- দেশটিকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দিয়েছিল ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করেন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন, তিনি ছিলেন ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করা হয় ১৮৬৩ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের কাছ থেকে লুইসিয়ানা অঙ্গরাজ্যটি ক্রয় করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৭৫.
ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে কোন সংস্থা?
  1. UNESCO
  2. USAID
  3. WIPO
  4. UNFPA
ব্যাখ্যা
UNESCO:
- ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে UNESCO
- এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা,
- এর পূর্ণরূপ হলো United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization।
- এই সংস্থার প্রধান কাজ হলো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা, যেগুলো মানবজাতির সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক ইতিহাসের অংশ।
- UNESCO ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর একটি চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়, এর প্রতিষ্ঠার স্থান ছিল লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সংস্থাটির সদর দপ্তর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।

সূত্র: UNESCO ওয়েবসাইট।
৭৬.
কোন সম্মেলনের ফলে UNEP প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. রিও আর্থ সম্মেলন
  2. কিয়োটো সম্মেলন
  3. স্টকহোম সম্মেলন
  4. কোপেনহেগেন সম্মেলন
ব্যাখ্যা

- জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রথম পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সুইডেনের স্টকহোম শহরে। এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় UNEP.

UNEP:
- UNEP এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- এটি ১৯৭২ সালের ৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত।
- UNEP-এর প্রধানের পদবী হলো ‘নির্বাহী পরিচালক’।

উল্লেখ্য,
- UNEP প্রতিষ্ঠার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন অনুষ্ঠিত United Nations Conference on the Environment, এটি সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ছিল বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন। এই সম্মেলনের ফলস্বরূপই UNEP গঠিত হয়।

এছাড়াও,
- পরবর্তীতে, ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘ ৫ জুনকে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা দেয়, এবং ১৯৭৪ সাল থেকে দিনটি বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পালন করা হচ্ছে।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।

৭৭.
আলেকজান্দ্রিয়া সমুদ্র বন্দরটি কোন সাগরের তীরে অবস্থিত?
  1. লোহিত সাগর
  2. কৃষ্ণসাগর
  3. ভূমধ্যসাগর
  4. আরব সাগর
ব্যাখ্যা

- আলেকজান্দ্রিয়া মিশরের একটি ঐতিহাসিক সমুদ্র বন্দর এটি ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত। প্রাচীনকাল থেকেই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র।

আলেকজান্দ্রিয়া সমুদ্র বন্দর: 
​- আলেকজান্দ্রিয়া সমুদ্রবন্দরটি ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত, 
​- এটি মিশরের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে নীল নদের ব-দ্বীপের পশ্চিম প্রান্তে বিস্তৃত। 
​- এই বন্দরটি মিশরের অন্যতম প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং শিল্প ও বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। 
​- ৩৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট এই শহর প্রতিষ্ঠা করেন, 
​- এটি পরবর্তীতে হেলেনিক জ্ঞানচর্চা ও বিজ্ঞানচর্চার কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়।
​- ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী অবস্থানের কারণে এটি প্রাচীনকাল থেকেই সামুদ্রিক বাণিজ্য ও নৌ অভিযানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।  

​সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট।