পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ৮ জুলাই, ২০২৩সময়55 minutes৭৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩ (বুড়িগঙ্গা) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ১৪.০৪.২০১৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ৮ জুলাই, ২০২৩ · ৮০ প্রশ্ন

.
‘ফাঁসির মঞ্চ গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান আসি' অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান? পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) ফররুখ আহমেদ
  4. ঘ) গোলাম মোস্তফা
সঠিক উত্তর:
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• পঙক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থের 'কাণ্ডারী হুশিয়ার' কবিতার অংশ। 

কান্ডারী হুশিয়ার!
- কাজী নজরুল ইসলাম---সংকলিত (কাজী নজরুল ইসলাম)
 
দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু, দুস্তর পারাবার 
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি-নিশীথে, যাত্রীরা হুশিয়ার! 

দুলিতেছে তরি, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ, 
ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ? 
কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ। 
এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার। 

তিমির রাত্রি, মাতৃমন্ত্রী সান্ত্রীরা সাবধান! 
যুগ-যুগান্ত সঞ্চিত ব্যথা ঘোষিয়াছে অভিযান। 
ফেনাইয়া উঠে বঞ্চিত বুকে পুঞ্জিত অভিমান, 
ইহাদের পথে নিতে হবে সাথে, দিতে হবে অধিকার। 

অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া, জানে না সন্তরন 
কান্ডারী! আজ দেখিব তোমার মাতৃমুক্তি পন। 
হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোন জন? 
কান্ডারী! বল, ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার 

গিরি সংকট, ভীরু যাত্রীরা গুরু গরজায় বাজ, 
পশ্চাৎ-পথ-যাত্রীর মনে সন্দেহ জাগে আজ! 
কান্ডারী! তুমি ভুলিবে কি পথ? ত্যজিবে কি পথ-মাঝ? 
করে হানাহানি, তবু চলো টানি, নিয়াছ যে মহাভার! 

কান্ডারী! তব সম্মুখে ঐ পলাশীর প্রান্তর, 
বাঙালীর খুনে লাল হল যেথা ক্লাইভের খঞ্জর! 
ঐ গঙ্গায় ডুবিয়াছে হায়, ভারতের দিবাকর! 
উদিবে সে রবি আমাদেরি খুনে রাঙিয়া পূনর্বার। 

ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান, 
আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন্ বলিদান 
আজি পরীক্ষা, জাতির অথবা জাতের করিবে ত্রাণ? 
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, কান্ডারী হুশিয়ার!

• কাজী নজরুল ইসলামের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ-  
- অগ্নিবীণা,
- সাম্যবাদী,
- ঝিঙে ফুল,
- ভাঙার গান,
- দোলনচাঁপা,
- সিন্ধু হিন্দোল,
- চক্রবাক,
- জিঞ্জিরা,
- নতুন চাঁদ,
- প্রলয় শিখা,
- মরুভাস্কর ইত্যাদি। 

উৎস: সর্বহারা, কাজী নজরুল ইসলাম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'বিষের বাঁশি' কাজী নজরুল রচিত একটি—
  1. ক) গল্প
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) কাব্য
  4. ঘ) প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
গ) কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাব্য
ব্যাখ্যা
বিষের বাঁশি:
১৩৩১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণে (আগস্ট, ১৯২৪) ‘বিষের বাঁশী’ প্রকাশ করেন কবি নিজেই। সে বছরই সরকার গ্রন্থটি নিষিদ্ধ করে।
- এটি নজরুলের প্রথম নিষিদ্ধকৃত কাব্যগ্রন্থ। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহৃত হয়েছিল ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৭শে এপ্রিল।
- এ গ্রন্থের কবিতাগুলাে উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার অন্তর্গত।
- কাজী নজরুলের কবিতার বলিষ্ঠতা, যৌবনের উদ্দাম শক্তি, উদার মানবিকতা ও সামাজিক সচেতনতা এবং গীতি প্রতিভার সমস্ত বৈশিষ্ট্য এই কাব্যে পরিস্ফুট হয়েছে।

এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- বন্দী-বন্দনা,
- উদ্‌বোধন,
- উৎসর্গ,
- চরকার গান,
- জাতের বজ্জাতি,
- বন্দনা-গান,
- বিদ্রোহীর বাণী,
- যুগান্তরের গান,
- শিকল-পরার গান।

• কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ-
- অগ্নি-বীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- চক্রবাক,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- নতুন চাঁদ,
- পুবের হাওয়া,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- দোলনচাঁপা,
- চন্দ্রবিন্দু,
- সিন্ধু হিন্দোল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'এইসব দিনরাত্রি' নাটকটির লেখক—
  1. ক) হুমায়ূন আহমেদ
  2. খ) আবদুল্লাহ আল মামুন
  3. গ) কল্যাণ মিত্র
  4. ঘ) ইমদাদুল হক মিলন
সঠিক উত্তর:
ক) হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ: 
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে। 
- শৈশবে হুমায়ূন আহমেদের নাম ছিল শামসুর রহমান। 
- তিনি একাধারে কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন। 
- 'নন্দিত নরকে' উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।

• তাঁর প্রথম ধারাবাহিক নাটক - "এইসব দিনরাত্রি" বাংলাদেশের দর্শকদের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়।

এ ছাড়া অন্যান্য জনপ্রিয় ধারাবাহিকের মধ্যে আছে:
- বহুব্রীহি (কমেডি),
- অয়োময় (সামাজিক-ঐতিহাসিক),
- কোথাও কেউ নেই (নাগরিক জীবনভিত্তিক),
- আজ রবিবার (পারিবারিক-সামাজিক),
- নক্ষত্রের রাত (আধুনিক জীবনসমস্যা) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) উন্মিলন
  2. খ) উন্মীলন
  3. গ) উন্মিলণ
  4. ঘ) উন্মীল
সঠিক উত্তর:
খ) উন্মীলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উন্মীলন
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,

উন্মীলন (বিশেষ্য)

- সংস্কৃত শব্দ।
প্রকৃতি-প্রত্যয়: উৎ+ √মীল্+অন(ল্যুট্)}।
অর্থ:
- চোখ মেলে চাওয়া;
- চোখ খোলা,
- বিকাশ,
- উদ্‌ঘাটন;
- উন্মোচন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) প্রণয়িনী
  2. খ) প্ৰনয়িনী
  3. গ) প্রণয়িনি
  4. ঘ) প্রনয়ীনী
সঠিক উত্তর:
ক) প্রণয়িনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রণয়িনী
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
প্রণয়িনী
বানানটি শুদ্ধ।
- এটি প্রণয়ী এর স্ত্রী রূপ।
প্রণয়ী (বিশেষ্য)
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- প্রেমের পাত্র,
- অনুরক্ত ব্যক্তি,
- প্রণয়াসম্পদ (বিশেষণ)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'তার চোখ দিয়ে পানি পড়ে'- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) কর্মে ৩য়া
  2. খ) করণে ৩য়া
  3. গ) অপাদানে ৩য়া
  4. ঘ) অধিকরণে ৩য়া
সঠিক উত্তর:
গ) অপাদানে ৩য়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অপাদানে ৩য়া
ব্যাখ্যা
• অপাদান কারক:
যা থেকে কোনাে কিছু উৎপত্তি, বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয়, তাকে বলা হয় অপাদান কারক।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলাে অপাদান কারক।
উদাহরণ
বিচ্যুত : ছাদ থেকে পানি পড়ে। মেঘ থেকে বৃষ্টি হয় ইত্যাদি।
গৃহীত : দুধ থেকে দই হয়। বিশ্বাস থেকে বস্তু মেলে।
জাত : জমি থেকে আমরা ফসল পাই। খেজুর রসে গুড় হয়।
বিরত : পাপে বিরত হও। মিথ্যা বলা ছাড়।
দূরীভূত : দেশ থেকে পাপাচার দূর করতে হবে।
রক্ষিত : বিপদ থেকে আমায় বাঁচাও।
আরম্ভ : বুধবার থেকে দুর্নীতিবিরােধী অভিযান চলবে।
ভীত : বাঘে ভীত হয়।

• অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তি ছাড়াও হইতে, হতে, থেকে, দিয়ে, দিয়া ইত্যাদি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়।
অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়ােগ
- প্রথমা বা শূন্য বা অ বিভক্তি:
বোঁটা-আলগা ফল গাছে থাকে না।
মনে পড়ে সেই জ্যৈষ্ঠ দুপুরে পাঠশালা পলায়ন
- দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি : বাবাকে বড় ভয় পাই।
- ষষ্ঠী বা এর বিভক্তি : যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধ্যা হয়।
- সপ্তমী বা এ বিভক্তি : বিপদে মােরে করিবে ত্রাণ, এ নহে মাের প্রার্থনা।

অনুরূপভাবে, তার 'চোখ দিয়ে পানি পড়ে।' - অপাদান কারকে ৩য়া বিভক্তির উদাহরণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘এমন মেয়ে আর দেখিনি'— বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে
কোন বিভক্তি?
  1. ক) কর্তায় শূন্য
  2. খ) কর্মে শূন্য
  3. গ) অপাদানে শূন্য
  4. ঘ) অধিকরণে শূন্য
সঠিক উত্তর:
খ) কর্মে শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্মে শূন্য
ব্যাখ্যা
• বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।

“এমন মেয়ে আর দেখিনি” বাক্যে দেখার কাজটি মেয়েকে অবলম্বন করে হয়েছে তাই এটা কর্মকারক এবং ‘মেয়ে’র সাথে শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'বিষবৃক্ষ' (বিশ সদৃশ বৃক্ষ) কোন সমাস?
  1. ক) তৎপুরুষ
  2. খ) বহুবীহি
  3. গ) অব্যয়ীভাব
  4. ঘ) কর্মধারয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কর্মধারয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কর্মধারয়
ব্যাখ্যা
• কর্মধারয় সমাস:
বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে বা বিশেষ্য ও বিশেষণ ভাবাপন্ন পদে যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের প্রাধান্য পায় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন - নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম। এখানে নীল রংটিকে প্রাধান্য না দিয়ে পদ্মটিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

বিষবৃক্ষ = বিষ রূপ বৃক্ষ; এটি রূপক কর্মধারয় সমাস।
বিষবৃক্ষ বলতে বিশেষ ধরণের বৃক্ষকে বোঝায় যার ফল বিষময়। এখানে, বিষবৃক্ষ দ্বারা প্রথম অংশ 'বিষ'কে বোঝানো হচ্ছে না, পরের অংশ 'বৃক্ষ'কে বোঝাচ্ছে। অর্থ্যাৎ, পরপদের প্রাধান্য পাচ্ছে।

এরূপ -
জ্ঞান রূপ বৃক্ষ = জ্ঞানবৃক্ষ;
প্রান রূপ বায়ু = প্রাণবায়ু;
কাল রূপ রাত্রি = কালরাত্রি;
মন রূপ মাঝি = মনমাঝি ইত্যাদি।

উৎস: ড. হায়াৎ মামুদ রচিত ভাষা শিক্ষা বই ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
‘মেঘশূন্য' (মেঘ দ্বারা শূন্য) কোন সমাস?
  1. ক) তৎপুরুষ
  2. খ) কর্মধারয়
  3. গ) বহুবীহি
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
সঠিক উত্তর:
ক) তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তির (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা-
মন দিয়ে গড়া = মনগড়া,
শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রমলব্ধ,
মধু দিয়ে মাখা= মধুমাখা,
রব(শব্দ) দ্বারা আহুত(ডাকা হয়েছে এমন) =রবাহুত,
রক্ত দ্বারা অক্ত(মাখানো)=রক্তাক্ত।

ক) উন, হীন, শূন্য প্রভৃতি শব্দ উত্তরপদ হলেও তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়।
যথা-
এক দ্বারা উন = একোন,
বিদ্যা দ্বারা হীন = বিদ্যাহীন,
মেঘ দ্বারা শূন্য = মেঘশূন্য,
পাঁচ দ্বারা কম = পাঁচ কম।

খ) উপকরণবাচক বিশেষ্য পদ পূর্বপদে বসলেও তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়।
যথা- স্বর্ণ দ্বারা মণ্ডিত = স্বর্ণমণ্ডিত। এরূপ-হীরকখচিত, চন্দনচর্চিত, রত্নশোভিত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
'যা পূর্বে ছিল এখন নেই'- এক কথায় কী হবে?
  1. ক) অপূর্ব
  2. খ) ভূতপূর্ব
  3. গ) অভূতপূর্ব
  4. ঘ) অদৃষ্টপূর্ব
সঠিক উত্তর:
খ) ভূতপূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভূতপূর্ব
ব্যাখ্যা
যা পূর্বে ছিল এখন নেই - ভূতপূর্ব।

অন্যান্য এক কথায় প্রকাশ: 
যা পূর্বে দেখা যায় নি এমন - অদৃষ্টপূর্ব।
যা লাফিয়ে চলে - প্লবগ।
যা অধ্যয়ন করা হয়েছে - অধীত।
যা বলা হয় নি - অনুক্ত।
যা বলার যোগ্য নয় - অকথ্য।
যা পূর্বে শোনা যায় নি - অশ্রুতপূর্ব।
যা কখনো নষ্ট হয় না - অবিনশ্বর।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ।
১১.
‘যে নারী প্রিয় কথা বলে’ - এক কথায় কী হবে?
  1. ক) প্রিয়া
  2. খ) সুহাসিনী
  3. গ) প্রিয়ংবদা
  4. ঘ) শ্রীমতি
সঠিক উত্তর:
গ) প্রিয়ংবদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রিয়ংবদা
ব্যাখ্যা
যে নারী প্রিয় বাক্য/কথা বলে' = প্রিয়ংবদা।

যে নারীর হাসি সুন্দর = সুহাসিনী।
শ্রীমতি = ভাগ্যবতী।
প্রিয়া = ভালোবাসার পাত্রী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ এবং আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১২.
'ভাবুক' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) ভাব + উক
  2. খ) ভৌ + উক
  3. গ) ভো + উক
  4. ঘ) ভৌ + অক
সঠিক উত্তর:
খ) ভৌ + উক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভৌ + উক
ব্যাখ্যা
• 'ভাবুক' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ = ভৌ + উক।
এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। 
সূত্র: ঔ+উ = আব্‌+উ।

• এ, ঐ, ও, ঔ- কারের পরে এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্‌, আব্‌ হয়। 
যেমন,
- ভৌ + উক = ভাবুক; (সূত্র: ঔ+উ = আব্‌+উ)।
- পৌ + অক = পাবক,
- গো + আদি = গবাদি,
- গো + এষণা = গবেষণা,
- পো + ইত্র = পবিত্র,
- নৌ + ইক = নাবিক ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
'কোকিল' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) অসূয়া
  2. খ) নিশাকর
  3. গ) তিলক
  4. ঘ) কাকপুষ্ট
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাকপুষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাকপুষ্ট
ব্যাখ্যা
'কোকিল' শব্দের সমার্থক শব্দ -  কাকপুষ্ট।

• কোকিল শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ: 
- অন্যপুষ্ট।
- কলকন্ঠ।
- পরপুষ্ট।
- বসন্তদূত।
- মধুসখা।
- মধুস্বর।
- পরভৃত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
‘আবাহন' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) বিসর্জন
  2. খ) তিরোভাব
  3. গ) অপকর্ষ
  4. ঘ) অবরোহন
সঠিক উত্তর:
ক) বিসর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিসর্জন
ব্যাখ্যা
আবাহন এর বিপরীত শব্দ বিসর্জন।

অন্যান্য অপশন:
আবির্ভাব - তিরোভাব।
আরোহণ - অবতরণ।

• আরো কিছু বিপরীতার্থক শব্দ- 
- 'আকুঞ্চন' শব্দের বিপরীত শব্দা = প্রসারণ।
- 'সংহত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = বিভক্ত।
- 'প্রসারিত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = সংকুচিত।
- 'হত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = জীবিত।
- 'সংযত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = অসংযত।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- সৌমিত্র শেখর।
১৫.
‘সুসময়ের বন্ধু’- কোন বাগধারা দিয়ে বুঝানো হয়েছে?
  1. ক) কংস মামা
  2. খ) দহরম মহরম
  3. গ) সুখের পায়রা
  4. ঘ) লেফাফা দুরস্ত
সঠিক উত্তর:
গ) সুখের পায়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুখের পায়রা
ব্যাখ্যা
'দুধের মাছি' এর সমার্থক বাগ্‌ধারা 'সুখের পায়রা'। 
'দুধের মাছি' এবং 'সুখের পায়রা' উভয় বাগ্‌ধারার অর্থ = সুসময়ের বন্ধু।
অন্যদিকে, 
- 'কংস মামা' বাগধারাটির অর্থ - নির্মম আত্মীয়।
- 'দহরম মহরম' বাগধারার অর্থ - ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
- ‘লেফাফা দুরস্ত’ বাগধারাটির অর্থ 'পরিপাটি'।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) Achevement
  2. খ) Acheivment
  3. গ) Achievment
  4. ঘ) Achievement
সঠিক উত্তর:
ঘ) Achievement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Achievement
ব্যাখ্যা
• Achievement (Noun)
English Meaning: A thing done successfully with effort, skill, or courage.
Bangla Meaning: অর্জন; সিদ্ধি; সিদ্ধিলাভ।

Example sentence: His achievements are well-known. 

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৭.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Acclamation
  2. খ) Aclamation
  3. গ) Aclaimation
  4. ঘ) Acclaimation
সঠিক উত্তর:
ক) Acclamation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Acclamation
ব্যাখ্যা
• Acclamation (Noun)
English Meaning: loud and enthusiastic approval.
Bangla Meaning: প্রস্তাব ইত্যাদির উচ্চকণ্ঠ; সোৎসাহ সমর্থন.

Source: Bangla Academy Dictionary and Oxford Learners Dictionary.
১৮.
Anger may be compared____ fire বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) with
  2. খ) to
  3. গ) of
  4. ঘ) in
সঠিক উত্তর:
খ) to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) to
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হচ্ছে -to.
- Complete sentence: Anger may be compared to fire. 

- The sentence "Anger may be compared to fire" suggests that anger can be likened or compared to fire.
- অর্থাৎ এখানে ক্রোধ বা রাগকে আগুনের সাথে তুলনা করা হয়েছে বা আগুনের সাথে সাদৃশ্য আছে আছে এমনটি বোঝাচ্ছে। 

• The preposition "to" is used to draw a similarity or analogy between two things.
- প্রদত্ত বাক্যটিতেও বোঝানো হচ্ছে আগুনের বৈশিষ্ট্যের সাথে রাগের মিল রয়েছে।
- এছাড়াও, আগুন অনেক ক্ষেত্রেই  Fire is often used as a metaphor for the তীব্রতা, প্রচন্ডতা, ধ্বংসাত্মকতা ইত্যাদি রুপকার্থে ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং, সার্বিকভাবে বলা যায়, প্রদত্ত শূন্যস্থানের জন্য appropriate preposition হলো "to".
১৯.
He was astonished ____ my courage. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে—
  1. ক) to
  2. খ) in
  3. গ) with
  4. ঘ) at
সঠিক উত্তর:
ঘ) at
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) at
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - at.
Complete sentence: He was astonished at my courage.

• Astonished at
English Meaning: very surprised
Bangla Meaning: বিস্ময়বিহ্বল করা; চমৎকৃত করা; তাক লাগানো:
• অর্থাৎ, কোনো বিষয়ে অবাক হওয়া বোঝাতে Astonished এরপর appropriate preposition হিসাবে at বসে।
২০.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) He is not in the committee
  2. খ) He is not at the committee
  3. গ) He is not on the committee
  4. ঘ) He is not with the committee
সঠিক উত্তর:
গ) He is not on the committee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) He is not on the committee
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - He is not on the committee - বাক্যটি সঠিক। 
- কারন - কেউ কোন ধরনের বা কিছুর সদস্য বুঝাতে on বসে।
- যেমন - I am not on the committee.
- The Prime Minister is on the committee.

• On এর ব্যবহার:
১. স্পর্শ অবস্থায় উপরে বা সংস্পর্শ বুঝাতে on বসে।
যেমন- Put the book on the table.

২. নির্দিষ্ট দিন বা বারের নামের পূর্বে on বসে।
যেমন- I went to meet him on last Monday.

৩. নির্দিষ্ট তারিখ বুঝাতে on বসে।
যেমন- I was born on 21 July in 1990.

৪. সদস্য বুঝাতে on বসে।
যেমন - I am not on the committee.
- The Prime Minister is on the committee.

৫. কোনো কিছু সম্বন্ধে অর্থে on বসে।
যেমন- This is a book on pregnancy.
২১.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) The more he gets, more he wants.
  2. খ) More he gets, the more he wants.
  3. গ) More he gets, more he wants.
  4. ঘ) The more he gets, the more he wants.
সঠিক উত্তর:
ঘ) The more he gets, the more he wants.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) The more he gets, the more he wants.
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
- The more he gets, the more he wants বাক্যটি সঠিক।
- কারন, সাধারণত comparative form এর পূর্বে The বসে না।
- তবে Double comparative বা বাংলা বাক্যে, যত ---- তত বা আনুপাতিক হ্রাস-বৃদ্ধি বুঝাতে দুইটি adverb comparative এর প্রত্যেকটির পূর্বে the বসে।
- অর্থাৎ The + comparative + ---, the + comparative + --- structure টি ব্যবহৃত হয়।
২২.
কোনটি 'Vacant' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ক) Blank
  2. খ) Engaged
  3. গ) Busy
  4. ঘ) Full
সঠিক উত্তর:
ক) Blank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Blank
ব্যাখ্যা
• 'Vacant' - শূন্য; রিক্ত; খালি; ফাঁকা

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) Blank - শূন্য; ফাঁকা; অপূর্ণ; অলিখিত; দাগহীন।
খ) Engaged - নিয়োগ করা/ শপথ বা চুক্তিদ্বারা আবদ্ধ হওয়া।
গ) Busy - কর্মরত; ব্যাপৃত; ব্যস্ত; কর্মব্যস্ত।
ঘ) Full -  ভরতি; ভরা; পূর্ণ; পরিপূর্ণ; ভরপুর; সংকুল; আকীর্ণ; সমাকীর্ণ; টইটম্বুর।

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে, উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Blank শব্দটি Vacant এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।

Source: Bangla Academy Dictionary.
২৩.
কোনটি 'Kind' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ক) Unkind
  2. খ) Benign
  3. গ) Cruel
  4. ঘ) Inhuman
সঠিক উত্তর:
খ) Benign
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Benign
ব্যাখ্যা
• 'Kind' - সদয়; অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল।
• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 

ক) Unkind - নির্দয়; নিষ্ঠুর; অকরুণ; কঠোর:
খ) Benign - সদয়; সহৃদয়; নম্র; ভদ্র।
গ) Cruel - নিষ্ঠুর; নির্দয়।
ঘ) Inhuman - অমানুষিক; নির্মম; নৃশংস; হৃদয়হীন

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে, উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Benign শব্দটি Kind এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।

Source: Bangla Academy Dictionary.
২৪.
'Did you eat the apple?' বাক্যটির Passive form হবে-
  1. ক) Do the apple eaten by you?
  2. খ) Was the apple eaten by you?
  3. গ) Was the apple eat by you?
  4. ঘ) Was the apple ate by you?
সঠিক উত্তর:
খ) Was the apple eaten by you?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Was the apple eaten by you?
ব্যাখ্যা
• Active voice থেকে passive voice করার নিয়ম:

• Active voice এর object টি passive voice এর subject হয়।
- Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
- তারপর মূল verb এর past participle হয়।
- Active voice এর subject টি passive voice এর object হয়।
- তার পূর্বে preposition (by, with, at, to, in) বসে।
- Active Voice এ Auxiliary Verb হিসেবে did থাকলে Passive Voice এ এটাকে বাদ দিয়ে তার জায়গায় was/ were বসে আর মূল Verb এর Past Participle বসে।


• সুতরাং নিয়মানুযায়ী, 
Active voice: 'Did you eat the apple?'
Passive voice: Was the apple eaten by you?
২৫.
'His behaviour surprised me' শব্দটির Passive form হবে-
  1. ক) I surprised at his behaviour.
  2. খ) I was surprised with his behaviour.
  3. গ) I was surprised at his behaviour.
  4. ঘ) I had been surprised at his behaviour.
সঠিক উত্তর:
গ) I was surprised at his behaviour.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) I was surprised at his behaviour.
ব্যাখ্যা
• প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি past indefinite tense এ আছে।
- Past indefinite যুক্ত বাক্যকে passive করার নিয়ম - 
- Active এর object প্রথমে
- Tense অনুযায়ী auxiliary verb
- মূল verb এর past participle form
- by
- Active এর subject + extension.

• সাধারণত Passive voice এর verb এর past participle এর পর by বসলেও  active voice এ surprise verb হিসাবে থাকলে এবং verbটির পর বস্তু বুঝালে at বসে; ব্যক্তি বুঝালে with বসে।
সুতরাং, His behaviour surprised me - বাক্যটির passive from হবে- I was surprised at his behaviour.
২৬.
কোনটি Abstract Noun ?
  1. ক) Man
  2. খ) Jury
  3. গ) Long
  4. ঘ) Height
সঠিক উত্তর:
ঘ) Height
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Height
ব্যাখ্যা
• Abstract Noun: Abstract Noun: 
- Abstarct Noun হলো সেই noun যা কোন অবস্তুগত ধারণা বা গুণকে নির্দেশ করে; যার কোন বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই এবং যা ছোঁয়া যায় না; গন্ধ বা শ্রবণ দ্বারা বুঝা যায় না; কিন্তু শুধু কল্পনা দ্বারা বুঝা যায়। 
- প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Height - উচ্চতা হচ্ছে Abstract Noun.

•অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) Man - পুরুষমানুষ বা পুরুষজাতি - এর সাধারণ নাম।
খ) Jury -বিচারকমণ্ডলী, যা একটি সমষ্টিকে বুঝায়, তাই এটা Collective Noun. 
গ) Long -  লম্বা; দীর্ঘ হচ্ছে Adjective.
২৭.
'Courage' শব্দটির Verb হবে—
  1. ক) Encourage
  2. খ) Courageous
  3. গ) Couragefull
  4. ঘ) Courage
সঠিক উত্তর:
ক) Encourage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Encourage
ব্যাখ্যা
• Courage শব্দের অর্থ সাহস; মনোবল.
- এটি একটি noun. 
- এর verb form হচ্ছে - encourage - উৎসাহিত করা।

• অন্য অপশন গুলোর  মধ্যে - 
- The Adjective form of 'courage' is- courageous - যার অর্থ - সাহসী; নির্ভয়; বীরত্বপূর্ণ।
- Couragefull ব্লে কোনো শব্দ হয় না।

Source: Accessible Dictionary.
২৮.
The Chairman said to the members, 'Let us drop the matter today.' বাক্যটির indirect speech হবে—
  1. ক) The Chairman proposed to the members to drop the matter that day.
  2. খ) The Chairman proposed to the members that they should drop the matter today.
  3. গ) The Chairman proposed to the members that they should drop the matter that day.
  4. ঘ) The Chairman proposed to the members that they might drop the matter today.
সঠিক উত্তর:
গ) The Chairman proposed to the members that they should drop the matter that day.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) The Chairman proposed to the members that they should drop the matter that day.
ব্যাখ্যা
• Direct speech এ Let us থাকলে Indirect speech এ রূপান্তর করার নিয়ম: 
• Structure 1- Subject + propose/suggest (tense অনুযায়ী) + to + object + that + they/we (person অনুযায়ী) + should + reporting speech এর মূল verb থেকে শেষ পর্যন্ত। 
• Structure 2- Subject + propose/suggest (tense অনুযায়ী) + object + reporting speech এর মূল verb এর সাথে ing + বাকী অংশ। 

Direct: We said to the chairman, "Let us drop the matter."
Indirect:
- The Chairman proposed to the members that they should drop the matter that day. (Structure 1)
- The Chairman proposed to the members dropping the matter that day. (Structure 2)

• যেহেতু অপশনে The Chairman proposed to the members that they should drop the matter that day - তাই এটিই উত্তর। 

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
২৯.
He addressed Mr. Rahman and wished him good morning - বাক্যটির direct speech হবে-
  1. ক) He said to Mr. Rahman, Good morning.
  2. খ) He said, 'Good morning, Mr. Rahman.
  3. গ) He said, 'Good morning. to Mr. Rahman. '
  4. ঘ) He bade good morning to Mr. Rahman
সঠিক উত্তর:
খ) He said, 'Good morning, Mr. Rahman.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) He said, 'Good morning, Mr. Rahman.
৩০.
A baker's dozen-এর অর্থ-
  1. ক) Charity
  2. খ) Allowance
  3. গ) Twelve
  4. ঘ) Thirteen
সঠিক উত্তর:
ঘ) Thirteen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Thirteen
ব্যাখ্যা
A baker's dozen
- from the former bakers' custom of adding an extra loaf to a dozen sold
- এ phrase টি মূলত রুটি বা বিস্কুট তৈরীকারীদের অতীত রীতি থেকে এসেছে।
- তারা কোন অর্ডার এর ক্ষেত্রে ১২ টির জায়গায় একটি অতিরিক্ত দিয়ে ১৩ টি দিত।
- তাই ‘A baker’s dozen’ অর্থ ১৩ টি।
৩১.
দুইটি রাশির অনুপাত ৬ : ১৩। উত্তররাশি ৯১ হলে, পূর্বরাশি কত?
  1. ক) ৪২
  2. খ) ৫৪
  3. গ) ৫৭
  4. ঘ) ৬২
সঠিক উত্তর:
ক) ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি রাশির অনুপাত ৬ : ১৩। উত্তররাশি ৯১ হলে, পূর্বরাশি কত?

সমাধান: 
পূর্ব রাশি : উত্তর রাশি = ৬ : ১৩
পূর্ব রাশি : ৯১ = ৬ : ১৩
পূর্ব রাশি/ ৯১ = ৬/ ১৩
∴ পূর্বরাশি = (৬ × ৯১)/১৩ = ৪২
৩২.
এক খণ্ড রশিকে ৩ : ৪ অনুপাতে কর্তন করা হল। বৃহত্তর অংশ ১২.৮ মিটার হলে, ক্ষুদ্রতর অংশ হবে-
  1. ক) ৮.২ মিটার
  2. খ) ৯.৬ মিটার
  3. গ) ৯.৮ মিটার
  4. ঘ) ১০.২ মিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ৯.৬ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯.৬ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক খণ্ড রশিকে ৩ : ৪ অনুপাতে কর্তন করা হল। বৃহত্তর অংশ ১২.৮ মিটার হলে, ক্ষুদ্রতর অংশ হবে-

সমাধান:
মনেকরি
ক্ষুদ্রতর অংশ = ক মিটার

প্রশ্নমতে
৩ : ৪ = ক : ১২.৮
ক/১২.৮ = ৩/৪
বা, ৪ক = ১২.৮ × ৩
বা, ক = (১২.৮ × ৩)/৪
∴ ক = ৯.৬ মিটার
৩৩.
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ৪২ বছর। আবার পিতা, মাতা ও এক পুত্রের গড় বয়স ৩২ বছর। পুত্রের বয়স কত?
  1. ক) ৮ বছর
  2. খ) ১০ বছর
  3. গ) ১২ বছর
  4. ঘ) ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও মাতার বয়সের গড় ৪২ বছর। আবার পিতা, মাতা ও এক পুত্রের গড় বয়স ৩২ বছর। পুত্রের বয়স কত?

সমাধান:
সমাধান:
এখানে,
পিতা, মাতা ও এক পুত্রের বয়সের গড় = ৩২ বছর
 ∴ তিন জনের বয়সের সমষ্টি = ৩২ × ৩ = ৯৬ বছর

আবার,
পিতা ও মাতার বয়সের গড় = ৪২ বছর 
∴ পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = ৪২ × ২ = ৮৪ বছর

∴ পুত্রের বয়স = (৯৬ - ৮৪) বছর = ১২ বছর।
৩৪.
লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ঘণ্টায় ১২ কিমি ও ৪ কিমি। নদীপথে ৩২ কিমি অতিক্রম করে পুনরায় ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?
  1. ক) ৪ ঘণ্টা
  2. খ) (৯/২) ঘণ্টা
  3. গ) (১১/২) ঘণ্টা
  4. ঘ) ৬ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ঘণ্টায় ১২ কিমি ও ৪ কিমি। নদীপথে ৩২ কিমি অতিক্রম করে পুনরায় ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?

সমাধান:

সমাধান:
স্রোতের অনুকূলে গতিবেগ = ১২ + ৪ = ১৬ কি.মি./ঘণ্টা 
স্রোতের প্রতিকূলে গতিবেগ = ১২ - ৪ = ৮ কি.মি./ঘণ্টা 


মোট সময় = (৩২/১৬) + (৩২/৮)ঘণ্টা 
= (২ + ৪)ঘণ্টা 
= ৬ ঘণ্টা
৩৫.
ক ও খ একত্রে একটি কাজ ১০ দিনে শেষ করতে পারে। খ একা ১৪ দিনে কাজটি শেষ করতে পারলে ক একা কত দিনে কাজটি শেষ করতে পারবে?
  1. ক) ২৫ দিন
  2. খ) ৩০ দিন
  3. গ) ৩৫ দিন
  4. ঘ) ৪০ দিন
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক ও খ একত্রে একটি কাজ ১০ দিনে শেষ করতে পারে। খ একা ১৪ দিনে কাজটি শেষ করতে পারলে ক একা কত দিনে কাজটি শেষ করতে পারবে?


সমাধান:
ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে = ১/১০ অংশ
খ একা ১ দিনে করে = ১/১৪ অংশ

∴ ক একা ১ দিনে করে = (১/১০ - ১/১৪) অংশ
= (৭ - ৫)/৭০ অংশ
= ২/৭০ অংশ
= ১/৩৫ অংশ

ক একা ১/৩৫ অংশ শেষ করে ১ দিনে
∴ ক একা ১ বা সম্পূর্ণ  অংশ শেষ করে (১ × ৩৫) দিনে
= ৩৫ দিনে
৩৬.
২৫ জন শ্রমিক একটি কাজ ১৪ দিনে শেষ করতে পারে। ১০ দিনে কাজটি শেষ করতে হলে নতুন কতজন শ্রমিক লাগবে?
  1. ক) ৮ জন
  2. খ) ১০ জন
  3. গ) ১২ জন
  4. ঘ) ১৫ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২৫ জন শ্রমিক একটি কাজ ১৪ দিনে শেষ করতে পারে। ১০ দিনে কাজটি শেষ করতে হলে নতুন কতজন শ্রমিক লাগবে?

সমাধান:
১৪ দিনে একটি কাজ শেষ করতে পারে ২৫ জনে
১ দিনে একটি কাজ শেষ করতে পারে ২৫ × ১৪ জনে
১০ দিনে একটি কাজ শেষ করতে পারে (২৫ × ১৪)/১০ জনে
= ৩৫ জনে

নতুন শ্রমিক লাগবে = (৩৫ - ২৫) জন = ১০ জন 
৩৭.
যদি তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায়, তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত কমালে তেল বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না?
  1. ক) ২০%
  2. খ) ২২%
  3. গ) ২৫%
  4. ঘ) ৩০%
সঠিক উত্তর:
ক) ২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায়, তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত কমালে তেল বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না?

সমাধান: 
২৫% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ১২৫ টাকা

১২৫ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা
১ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫/১২৫ টাকা
∴ ১০০ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = (২৫ × ১০০)/১২৫ টাকা
= ২০ টাকা
৩৮.
কোনো পরীক্ষায় শতকরা ৮৫ জন ইংরেজিতে পাস করেছে। ইংরেজিতে ফেলের মোট সংখ্যা ৭৫ জন হলে, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কত?
  1. ক) ৩৫০ জন
  2. খ) ৪০০ জন
  3. গ) ৪৫০ জন
  4. ঘ) ৫০০ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫০০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫০০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো পরীক্ষায় শতকরা ৮৫ জন ইংরেজিতে পাস করেছে। ইংরেজিতে ফেলের মোট সংখ্যা ৭৫ জন হলে, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কত?

সমাধান:
সমাধান:
মোট পরীক্ষার্থী ১০০ জন হলে,
ফেল করে = (১০০ - ৮৫) জন 
= ১৫ জন

১৫ জন ইংরেজিতে ফেল করলে পরীক্ষার্থী = ১০০ জন
∴ ১ জন ইংরেজিতে ফেল করলে পরীক্ষার্থী = ১০০/১৫ জন
∴ ৭৫ জন ইংরেজিতে ফেল করলে পরীক্ষার্থী = (১০০ × ৭৫)/১৫ জন 
= ৫০০ জন 

∴ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ৫০০ জন। 
৩৯.
বার্ষিক শতকরা ৫.০০ টাকা হার সুদে কত সময়ে ৩০০ টাকা সুদ- আসলে ৪০৫ টাকা হবে?
  1. ক) ৫ বছর
  2. খ) (১১/২) বছর
  3. গ) ৭ বছর
  4. ঘ) (১৫/২) বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক শতকরা ৫.০০ টাকা হার সুদে কত সময়ে ৩০০ টাকা সুদ- আসলে ৪০৫ টাকা হবে?

সমাধান: 
মুনাফার হার r = ৫% = ৫/১০০ টাকা 
আসল P = ৩০০ টাকা 
সুদ I = (৪০৫ - ৩০০) টাকা 
= ১০৫ টাকা 

আমরা জানি,
I  =Pnr 
n  = I /Pr 
 = ১০৫/{৩০০ × (৫/১০০)}
 = ১০৫/১৫
 = ৭
৪০.
নিচের ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?
  1. ক) ৩/৪
  2. খ) ৫/৯
  3. গ) ৭/১২
  4. ঘ) ৯/১৩
সঠিক উত্তর:
ক) ৩/৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩/৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?

সমাধান:
৩/৪ = ০.৭৫
৫/৯ = ০.৫৫
৭/১২ = ০.৫৮
৯/১৩ = ০.৬৯
৪১.
১৫.৬ এর ৮% = কত?
  1. ক) ০.১২৪৮
  2. খ) ১.২৪৮
  3. গ) ১২.৪৮
  4. ঘ) ১২৪.৮
সঠিক উত্তর:
খ) ১.২৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.২৪৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৫.৬ এর ৮% = কত?

সমাধান:
১৫.৬ এর ৮% 
= ১৫.৬ এর ৮/১০০
= ১.২৪৮
৪২.
x + y = 7 এবং xy = 10 হলে, (x - y)2 এর মান কত?
  1. ক) 3
  2. খ) 6
  3. গ) 9
  4. ঘ) 12
সঠিক উত্তর:
গ) 9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y = 7 এবং xy = 10 হলে, (x - y)2 এর মান কত?

সমাধান:
x + y = 7 
xy = 10 

এখন
(x - y)2 = (x + y)2 - 4xy
বা, (x - y)2 = 72 - 4 × 10
বা, (x - y)2 = 49 - 40
∴ (x - y)2 = 9
৪৩.
4x2 - 20x এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ হবে?
  1. ক) 4
  2. খ) 9
  3. গ) 16
  4. ঘ) 25
সঠিক উত্তর:
ঘ) 25
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 25
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4x2 - 20x এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ হবে?

সমাধান:
4x2 - 20x
= (2x)2 - 2.2x.5 + 52 - 52
= (2x - 5)2 - 25

4x2 - 20x এর সাথে 25 যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ হবে। 
৪৪.
কোনো ত্রিভুজের বাহুগুলোর লম্ব-দ্বিখণ্ডক তিনটি যে বিন্দুতে ছেদ করে তাকে বলে-
  1. ক) ভরকেন্দ্র
  2. খ) পরিকেন্দ্র
  3. গ) আন্তঃকেন্দ্র
  4. ঘ) লম্ববিন্দু
সঠিক উত্তর:
খ) পরিকেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পরিকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
অন্তঃকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের তিন কোণের সমদ্বিখণ্ডকগুলো যে বিন্দুতে ছেদ করে তাকে অন্তঃকেন্দ্র বলে।
পরিকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের যেকোন দুই বাহুর লম্বদ্বিখন্ডক যে বিন্দুতে ছেদ করে তাকে ত্রিভুজের পরিকেন্দ্র বলে।
ভরকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের ছেদবিন্দুকে ভরকেন্দ্র বলে।
৪৫.
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুদ্বয় বর্ধিত করলে উৎপন্ন কোণদ্বয় হবে-
  1. ক) স্থুলকোণ
  2. খ) সমকোণ
  3. গ) সূক্ষ্মকোণ
  4. ঘ) সরলকোণ
সঠিক উত্তর:
ক) স্থুলকোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্থুলকোণ
ব্যাখ্যা
ত্রিভুজ সংক্রান্ত কিছু অনুসিদ্ধান্তঃ
১) ত্রিভুজের একটি বাহুকে বর্ধিত করলে যে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়, তা এর বিপরীত অন্তঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টির সমান।
২) সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয় বর্ধিত করলে উৎপন্ন কোণদ্বয় স্থুলকোণ হবে।
৩) সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয় পরস্পর সমান হবে
৪৬.
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম কি?
  1. ক) সন্দ্বীপ
  2. খ) সোনাদিয়া
  3. গ) পূর্বাশা দ্বীপ
  4. ঘ) কুতুবদিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) পূর্বাশা দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পূর্বাশা দ্বীপ
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:

- এই দ্বীপের অপর নাম পূর্বাশা দ্বীপ।
- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান এলাকায় জেগে ওঠা একটি উপকূলবর্তী দ্বীপ।
- বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলার বশীরহাট থানার মধ্যকার হাড়িয়াভাঙ্গা নদী দ্বারা চিহ্নিত সীমান্ত রেখা বরাবর দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনায় অগভীর সমুদ্রে এ ক্ষুদ্র দ্বীপটি গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটির আকৃতি প্রায় গোলাকার এবং ভাটার সময় সমুদ্রের পানি নেমে গেলে এটিকে দেখতে অনেকটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির মতো মনে হয়।
- দক্ষিণ তালপট্টির সরাসরি উত্তরে বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড তালপট্টি এবং দক্ষিণে উন্মুক্ত বঙ্গোপসাগর।
- দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার।
- জোয়ারভাটার উঠানামায় দ্বীপটির জেগে থাকা ভূ-ভাগের আয়তন প্রায় ৭ বর্গ কিমি থেকে ১৪ বর্গ কিমি পর্যন্ত হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে।
- ১৯৭০ সালের নভেম্বরে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় গাঙ্গেয় বদ্বীপাঞ্চলের দক্ষিণ ভাগে আঘাত হানার ঠিক পর পরই দ্বীপটি প্রথম দৃষ্টিগোচর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪৭.
তেঁতুলিয়া কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) লালমনিরহাট
  3. গ) কুড়িগ্রাম
  4. ঘ) পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
ঘ) পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান:

- তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।
- সর্ব উত্তরে - পঞ্চগড়(জেলা), - তেতুলিয়া (উপজেলা), বাংলাবান্ধা (ইউনিয়ন), জায়গীর জোত (স্থান)।
- সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগঞ্জ(জেলা), শিবগঞ্জ(উপজেলা), মনাকাষা (স্থান)।
- সর্ব পূর্বে - বান্দরবান (জেলা), থানচি (উপজেলা), আখানইঠং (স্থান)। 
- সর্ব দক্ষিণে - কক্সবাজার (জেলা), টেকনাফ(উপজেলা), সেন্টমার্টিন (ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ(স্থান)। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৮.
ব্রহ্মপুত্র কোথায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. ক) লালমনিরহাটে
  2. খ) নীলফামারীতে
  3. গ) কুড়িগ্রামে
  4. ঘ) ভুরুঙ্গামারীতে
সঠিক উত্তর:
গ) কুড়িগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুড়িগ্রামে
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra):
- ব্রহ্মপদ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এরপর এটি তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরব বাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।
- আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 

তথ্যসূত্র: ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯.
বাংলাদেশের গভীরতম নদী কোনটি?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) পদ্মা
  4. ঘ) ধলেশ্বরী
সঠিক উত্তর:
খ) মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেঘনা
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী:

- বাংলাদেশের গভীরতম নদী মেঘনা।
- মেঘনা নদীকে চিরযৌবনা নদী বলা হয়।
- কারন, মেঘনা নদীতে সব সময় জোয়ার-ভাটা বহমান থাকে।
- মেঘনা নদী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী ও প্রশস্ততম নদী। চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনার শাখা নদী হলো তিতাস ও ডাকাতিয়া ।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৫০.
মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জামালপুরে
  2. খ) ঢাকার মালিবাগে
  3. গ) চট্টগ্রামের রাউজানে
  4. ঘ) দিনাজপুর ফুলবাড়িতে
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রামের রাউজানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রামের রাউজানে
ব্যাখ্যা
মহামুনি বিহার:

- মহামুনি বিহার চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত।
- রাউজান উপজেলার ২০০ বছরের ঐতিহাসিক প্রাচীন নিদর্শন মহামুনি বিহার।
- 'চাইঙ্গা ঠাকুর' নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু এই বিহারে ১৮০৫ মতান্তরে ১৮১৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপন করেন।
- এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামে এ বিহারের নামকরণ করা হয় মহামুনি মন্দির।
- এই মন্দিরটির কারণে মহামুনি গ্রাম ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থানে পরিণত হয়।
- এ মন্দিরকে কেন্দ্র করে মং সার্কেল রাজা ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামুনি মন্দির চত্বরে মেলার প্রবর্তন করেন, যা চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে শুরু হয়।

তথ্যসুত্র - দৈনিক সমকাল, ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ।
৫১.
বিবি পরি কে ছিলেন?
  1. ক) আওরঙ্গজেবের কন্যা
  2. খ) শায়েস্তা খানের কন্যা
  3. গ) আজিমুসশানের কন্যা
  4. ঘ) মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) শায়েস্তা খানের কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শায়েস্তা খানের কন্যা
ব্যাখ্যা
পরী বিবি:

- তিনি বাংলার মুগল সুবাহদার শায়েস্তা খান এর কন্যা।
- বাদশাহ আওরঙ্গজেব এর পুত্র মুহম্মদ আজম এর স্ত্রী।
- বাংলাদেশ সরকারের কাটরার ওয়াকফ পরিদপ্তরে সংরক্ষিত শায়েস্তা খানের নিজস্ব অছিয়তনামা থেকেই শায়েস্তা খানের কন্যা হিসেবে বিবি পরীকে (ইরান দুখ্ত্ রহমত বানু) চিহ্নিত করা যায়।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে মসজিদের পূর্ব দিকে বিবি পরীকে সমাহিত করা হয়। শায়েস্তা খান কন্যার সমাধির উপর একটি সুদৃশ্য সৌধ নির্মাণ করেন।

তথ্যসুত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫২.
কোন মোঘল সুবেদার পর্তুগীজদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন?
  1. ক) কাসিম খান
  2. খ) মীর জুমলা
  3. গ) ইসলাম খান
  4. ঘ) মুর্শিদকুলী খান
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে সঠিক উত্তর  না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

সুবেদার শায়েস্তা খান:

- শায়েস্তা খানের সুবাদারি আমল দুঅধ্যায়ে বিভক্ত ছিল। তিনি প্রথম অধ্যায়ে ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- চট্টগ্রাম থেকে পর্তুগীজ ও মগদের বিতাড়ন ও চট্টগ্রাম জয় শায়েস্তা খানের সুবাদারির কৃতিত্বপূর্ণ কাজ।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।
- শুল্ক ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করলে ইংরেজ কোম্পানির সঙ্গে শায়েস্তা খানের প্রথম সংঘর্ষ ঘটে এবং ইংরেজরা বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। এভাবে তিনি ইংরেজ বণিকদের ঔদ্ধত্যের সমুচিত জবাব দেন।
- শায়েস্তা খান রাজস্ব সংস্কারে বড় ধরনের অবদান রাখেন।
- তাঁর সময়ে বাংলাদেশ কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। তখন বাংলাদেশে জিনিসপত্রের দাম খুব কম ছিল।
- শায়েস্তা খান ঢাকায় ছোট কাটরা, হুসায়েনী দালান, লালবাগ দুর্গের একাংশ এবং আরও বহু অট্টালিকা ও মসজিদ নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩.
জাতিসংঘ দিবস কবে?
  1. ক) ২৩ অক্টোবর
  2. খ) ২৪ অক্টোবর
  3. গ) ২৫ অক্টোবর
  4. ঘ) ২৬ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৪ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৪ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:

- প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়।
- ১৯৪৫ সালে ৫১টি রাষ্ট্র কর্তৃক জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ মূলত একটি রাজনৈতিক আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন।
- বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬ তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC) টেকসই উন্নয়নের তিনটি মাত্রাকে এগিয়ে নিতে জাতিসংঘের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
- ১৯৫৬ সালে প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।
- সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ সালে মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। এটির উদ্দেশ্য ছিল ওজোন-ক্ষয়কারী পদার্থের উৎপাদন ও ব্যবহার কমানো।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৫৪.
বৌদ্ধ সভ্যতার জন্য বিখ্যাত তক্ষশীলা অবস্থিত-
  1. ক) নেপালে
  2. খ) ভারতে
  3. গ) পাকিস্তানে
  4. ঘ) চীনে
সঠিক উত্তর:
গ) পাকিস্তানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাকিস্তানে
ব্যাখ্যা
তক্ষশীলা:

- তক্ষশীলা পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত শহর এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
- প্রাচীন তক্ষশীলা নগরী ছিল হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং বর্তমান সময়েও উক্ত ধর্মদুটির ঐতিহ্যে এ স্থানটির একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে।
- ১৯৮০ সালে বেশকিছু এলাকাসহ তক্ষশীলাকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- গার্ডিয়ান পত্রিকা ২০০৬ সালে এটিকে পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যটন স্থান হিসেবে নির্বাচিত করে।
- কথিত আছে, কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্র এই নগরেই রচনা করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫৫.
কোনটি ছোঁয়াচে রোগ?
  1. ক) হাঁপানী
  2. খ) বাতজ্বর
  3. গ) রাতকানা
  4. ঘ) পাঁচড়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাঁচড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাঁচড়া
ব্যাখ্যা
যে সকল রোগের বিস্তার রোগীর সংস্পর্শে বা ছোঁয়ায় হয়ে থাকে, তাদেরকে ছোঁয়াচে রোগ বলে।

ছোঁয়াচে রোগের উদাহরণ হলো-
- জলবসন্ত,
- হুপিংকাশি,
- কলেরা,
- ধনুষ্টংকার,
- যক্ষ্মা,
- মাম্পস,
- ফাইলেরিয়া,
- পাঁচড়া ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- হাঁপানি শ্বাসনালি সংক্রান্ত রোগ।
- কোনো একটি বহিঃস্থ পদার্থ ফুসফুসে প্রবেশ করলে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করতে দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থার যতটুকু প্রতিক্রিয়া দেখানোর কথা, তার চেয়ে অনেক তীব্রভাবে প্রতিক্রিয়া দেখালে অ্যাজমা বা হাঁপানি হতে পারে। এটি ছোঁয়াচে নয়, জীবাণুবাহিত রোগও নয়। 

রাতকানা (Night Blindness) :
- ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরোফথ্যালমিয়া (Xerophthalmia) নামক রোগ হয়। 
- জেরোফথ্যালমিয়ার সাত থেকে আটটি মাত্রা রয়েছে, যার সর্বনিম্ন মাত্রা হচ্ছে রাতকানা।
- সাধারণত দুই থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা দেয়। 

- রিউম্যাটিক ফিভার বা বাতজ্বর হার্টের, জয়েন্ট, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র এবং ত্বকের নিচের টিস্যুর প্রদাহজনিত রোগ, যা একটি বিটা-হেমোলাইটিক স্ট্রেপ্টোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া গ্রুপের গলার সংক্রমণের পরে বিকাশ লাভ করে।
- এই রোগটি পেনিসিলিন দিয়ে প্রতিরোধ সম্ভব, কিন্তু নির্দিষ্ট চিকিৎসা পাওয়া যায় না।
- রোগটি প্রধানত শিশু এবং অল্প বয়স্কদের মধ্যে ঘটে, যারা ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সের মধ্যে হয়ে থাকে।  

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৫৬.
রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে—
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকায়
  2. খ) শ্বেত রক্তকণিকায়
  3. গ) অনুচক্রিকায়
  4. ঘ) প্লাজমায়
সঠিক উত্তর:
ক) লোহিত রক্তকণিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লোহিত রক্তকণিকায়
ব্যাখ্যা
রক্তরস (Plasma):
রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্তরস বলে। সাধারণত রক্তের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ রক্তরস। 
এর মধ্যে যে পদার্থগুলো থাকে তা হলো:
- প্রোটিন, যথা অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন ও ফাইব্রিনোজেন
-গ্লুকোজ
- ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চর্বিকণা
- খনিজ লবণ
- ভিটামিন
- হরমোন
- এন্টিবডি
- বর্জ্য পদার্থ যেমন: কার্বন ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া, ইউরিক এসিড ইত্যাদি।

মানুষের রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা রয়েছে৷
যথা-
১. লোহিত রক্তকণিকা,
২. শ্বেত রক্তকণিকা ও
৩. অনুচক্রিকা।

• লোহিত রক্তকণিকা
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে যার জন্য রক্ত লাল হয়।
- লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস নেই।
- এ কণিকা দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।
- লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।

• শ্বেত রক্তকণিকা
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকারনেই।
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১ থেকে ১৫ দিন।
- শ্বেত রক্তকণিকাকে দেহের প্রহরী বলা হয়।

• অণুচক্রিকা
- অণুচক্রিকা হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের।
- এতে নউক্লিয়াস থাকে না।
- অণুচক্রিকা দেহের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- অনুচক্রিকার গড় আয়ু ৫ থেকে ১০দিন।




উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৭.
উদ্ভিদকোষ থেকে বাষ্পাকারে পানি বের হয়ে যাওয়ার প্রণালীকে বলে-
  1. ক) প্রস্বেদন
  2. খ) শ্বসন
  3. গ) ব্যাপন
  4. ঘ) বাষ্পীভবন
সঠিক উত্তর:
ক) প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন:
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বলা হয়। 
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়। এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে।
- এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি 'Necessary evil'।  
-  প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে।
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।

- কোন অঙ্গের মাধ্যমে প্রস্বেদন ঘটে তার উপর ভিত্তি করে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন,
২. কিউটিকুলার প্রস্বেদন,
৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।

- উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের ৯০-৯৫% হয় পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদনের মাধ্যম।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
২. জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৮.
কেঁচোর রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে –
  1. ক) শ্বেতকণিকায়
  2. খ) লোহিত
  3. গ) রক্তরসে
  4. ঘ) কোনোটাতেই না
সঠিক উত্তর:
গ) রক্তরসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রক্তরসে
ব্যাখ্যা
- কেঁচো, যাকে অ্যাঙ্গেলওয়ার্মও বলা হয়, লুমব্রিকাস প্রজাতির সদস্য।
- সতেরোটি স্থানীয় প্রজাতি এবং ১৩ টি প্রবর্তিত প্রজাতি (ইউরোপ থেকে) পূর্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দেখা যায়, যার মধ্যে এল. টেরেস্ট্রিস সবচেয়ে সাধারণ। কেঁচো মাটির  আর্দ্রতা এবং জৈব উপাদান টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।
- অধিকাংশ প্রজাতি লালচে বাদামী, তবে কিছু কেঁচো (যেমন, Allolobophora chlorotica, গ্রেট ব্রিটেনের স্থানীয়) সবুজ।
- এল. টেরেস্ট্রিসের লালচে আভা, তার রক্তরসে পিগমেন্ট হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির ফলে।

উৎস: ব্রিটানিকা 
৫৯.
স্যালিক এসিড পাওয়া যায়—
  1. ক) আমলকিতে
  2. খ) আঙ্গুরে
  3. গ) টমেটোতে
  4. ঘ) কমলালেবুতে
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- আঙ্গুর, কমলা, লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড;
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড;
- টমেটোতে থাকে অক্সালিক এসিড;
- আমলকিতে থাকে এসকরবিক এসিড;
- আপেল, আনারসে থাকে ম্যালিক এসিড
- স্যালিসাইক্লিক এসিড পাওয়া যায় আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, বরই ইত্যাদি ফলে। 

প্রশ্নে স্যালিসাইক্লিক এসিড হলে সঠিক উত্তর হবে আঙ্গুরে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা 
৬০.
কোনটি সাবানকে শক্ত করে?
  1. ক) সোডিয়াম কার্বনেট
  2. খ) সোডিয়াম সিলিকেট
  3. গ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম সালফেট
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম সিলিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম সিলিকেট
ব্যাখ্যা
- সাবান সাধারণত শক্ত এবং কোমল এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত।
- শক্ত সাবান তৈরিতে কষ্টিক সোডা এবং কোমল সাবান তৈরিতে কস্টিক পটাসের ব্যবহার হয়ে থাকে।
- সাধারণত তুলনামূলক শক্ত ধরনের সাবান তৈরীর জন্যে সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড (NaOH) এবং কোমল ধরনের সাবানের জন্যে পটাশিয়াম হাইড্রক্সাইড (KOH) ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়াও, সাবানকে শক্ত ও ভারী করার জন্য সোডিয়াম সিলিকেট (Na2SiO3) ব্যবহার করা হয়। তবে, এটা পরিমাণমত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যাতে বেশি শক্ত হয়ে না যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সাধারণ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬১.
কোন রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা কম?
  1. ক) কালো
  2. খ) বেগুনি
  3. গ) সাদা
  4. ঘ) হলুদ
সঠিক উত্তর:
গ) সাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাদা
ব্যাখ্যা
সাদা রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
- কারণ সাদা রঙের বস্তু তার উপর আপতিত প্রায় সমস্ত আলো বা তাপ বিকিরণ করে।

- অপরদিকে কালো রঙের বস্তু বা কাপড়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
- কালো রঙের বস্তু বা কাপড় তাপ বিকিরণ করতে পারে না। অধিকাংশ তাপই শোষিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
একটি পেন্ডুলাম ঘড়ি বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নিলে ঘড়িটি—
  1. ক) স্লো হবে
  2. খ) ফাস্ট হবে
  3. গ) ঠিক সময় দেবে
  4. ঘ) কোনো রকম প্রভাবিত হবে না
সঠিক উত্তর:
খ) ফাস্ট হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফাস্ট হবে
ব্যাখ্যা
একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে ওজনহীন, নমনীয় এবং অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে।
কৌণিক বিস্তার অল্প হলে-
সরল দোলকের দোলনকাল, T = 2π √(L/g).
এখানে, t= দোলনকাল, L= কার্যকরী দৈর্ঘ্য (সূতার দৈর্ঘ্য+দোলকপিন্ডের ব্যাসার্ধ), g= অভিকর্ষজ ত্বরণ।

উপরের সূত্রমতে আমরা পাই,
১. সরল দোলকের দোলনকাল কাযকরী দৈর্ঘ্য ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভরশীল।
২. একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল অসীম হবে, কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য। এক্ষেত্রে দোলকঘড়ি চলবে না।
৩. গ্রীষ্মকালে দোলকঘড়ি ধিরে চলে। কারন, অধিক তাপমাত্রার জন্য দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বাড়ে, ফলে দোলককাল বাড়ে এবং ঘড়ি ধিরে চলে।
৪. শীতকালে দোলকঘড়ি দ্রুত চলে। কারণ, কম তাপমাত্রায় দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য কমে, ফলে দোলককাল কমে এবং ঘড়ি দ্রুত চলে।
৫. দোলকঘড়ি বিষুবরেখা হতে মেরু অঞ্চলে নিলে ঘড়ি দ্রুত চলবে। কারণ, বিষুবরেখার চেয়ে মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি। ফলে দোলনকাল কমবে এবং ঘড়ি দ্রুত চলবে।
৬. দোলককে পাহাড়ের উপর নিয়ে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম বলে দোলনকাল বাড়বে।
৭. কোন সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ বাড়বে, আর মাধ্যাকর্ষণ জনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ কমবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি
৬৩.
কোন ভিটামিন ক্ষতস্থান হতে রক্তপড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে?
  1. ক) ভিটামিন বি
  2. খ) ভিটামিন বি
  3. গ) ভিটামিন সি
  4. ঘ) ভিটামিন কে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন কে
ব্যাখ্যা
• ভিটামিন কে:
- ভিটামিন কে এর রাসায়নিক নাম ফাইটাল নেপথোকুইনোন।
- এটি তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্থ হয় না।

 ভিটামিন কে এর উৎস:
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুটি ইত্যাদিতে কে ভিটামিন পাওয়া যায়।

 ভিটামিন কে এর কাজ:
১. কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে। রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে।
২. পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে।

 ভিটামিন কে এর অভাবজনিত অবস্থা:
- এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়। ফলে, সামান্য কাটা ছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো হচ্ছে বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন বি অথবা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি। বি ভিটামিনগুলোর মধ্যে ভিটামিন বি-১ বা থায়ামিন, ভিটামিন বি-২ বা রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন বি-৫, ভিটামিন বি-৬ বা পিরিডক্সিন, ফলিক এসিড, পেন্টোথেনিক এসিড, বায়োটিন, ভিটামিন বি-১২।
• ভিটামিন বি-২ বা রিবোফ্লাভিন (Vitamin B 2 ): 
ভিটামিন বি-২ এর রাসায়নিক নাম রিবোফ্লাভিন ( Riboflavin )। এটি তাপে নষ্ট হয় না। তাই রান্না করলেও রিবোফ্লাভিনের পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।

বিরোফ্লাভিনের উৎস: দুধ, ডিম, মাছ, মাংস, যকৃত ইত্যাদি প্রাণিজ উৎস এবং সবুজ শাক-সবজি, বাদাম, ডাল, শস্যদানা ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ উৎস হতে রিবোফ্লাভিন পাওয়া যায়।

রিবোফ্লাভিনের কাজ :
১। শর্করা, আমিষ ও ফ্যাটের জারণ-বিজারণ ক্রিয়ায় কো-এনজাইমরূপে কাজ করে বিক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।
২। আমিষ ও শর্করা বিপাকে ভূমিকা রাখে।
৩। ত্বকের সজীবতা রক্ষায় কাজ করে।

• ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড (Vitamin C) :
ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম এসকরবিক এসিড (Ascorbic acid)। এটি তাপ, আলো, বাতাস ও ক্ষারে খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।

এসকরবিক এসিডের উৎস: টাটকা শাক-সবজি ও ফল-মূল ভিটামিন সি এর উত্তম উৎস। টাক জাতীয় ফল যেমন- কমলা, লেবু, পেয়ারা, আমলকী, বাতাবি লেবু, আমড়া, কামরাঙা, আঙুর, আনারস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এছাড়া, লেটুস পাতা, কাঁচা মরিচও এর ভালো উৎস।

এসকরবিক এসিডের কাজ
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।
- ক্ষতস্থানের ঘা শুকাতে সাহায্য করে।
- দেহের পেশি, কলা ও অস্থির সংযোজক কলা তৈরিতে সহায়তা করে ইত্যাদি। 

উৎস: গার্হস্থ্যবিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সাভার
  2. খ) টঙ্গী
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
ক) সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাভার
ব্যাখ্যা
বিকেএসপি:

- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়। 
- সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানের ৪টি শাখা রয়েছে।প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং একাডেমিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
অভিষেক টেস্টে বাংলাদেশে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. খ) নাঈমুর রহমান দুর্জয়
  3. গ) খালেদ মাহমুদ সুজন
  4. ঘ) মিনহাজুল আবেদীন
সঠিক উত্তর:
খ) নাঈমুর রহমান দুর্জয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাঈমুর রহমান দুর্জয়
ব্যাখ্যা
• টেস্ট ক্রিকেট:
- প্রথম অধিনায়ক - নাঈমুর রহমান।
- বাংলাদেশ ২৬ জুন, ২০০০ সালে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- এরপর থেকে বাংলাদেশ নিয়মিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণসহ বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে খেলার সুযোগ পাচ্ছে।

- বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে ক্যাপ্টেন ছিলেন নাঈমুর রহমান।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশ ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায় ।
- তার আগে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।

• টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম দল:
শাহরিয়ার হোসেন, মেহরাব হোসেন, হাবিবুল বাশার, আমিনুল ইসলাম, আকরাম খান, নাঈমুর রহমান (অধিনায়ক), আল-শাহরিয়ার, খালেদ মাসুদ (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ রফিক, হাসিবুল হোসেন, বিকাশ রঞ্জন দাশ।

উৎস: ক্রিকিনফো, বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।
৬৬.
কত সালে টেস্ট ক্রিকেট শুরু হয়?
  1. ক) ১৮৭৫
  2. খ) ১৮৭৬
  3. গ) ১৮৭৭
  4. ঘ) ১৮৭৮
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৭৭
ব্যাখ্যা
টেস্ট ক্রিকেট:
- টেস্ট ক্রিকেট শুরু হয় - ১৮৭৭ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচ হয় -  মেলবর্ন, অস্ট্রেলিয়া।
- খেলা হয় - অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে জয়ী হয় - অস্ট্রেলিয়া।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৬৭.
দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত নয় কোন দেশটি?
  1. ক) আলবেনিয়া
  2. খ) চিলি
  3. গ) প্যারাগুয়ে
  4. ঘ) সুরিনাম
সঠিক উত্তর:
ক) আলবেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা (South America) :

- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত একটি দেশ নয় - আলবেনিয়া।
- আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
- এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির ।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান আকাঙ্কাগুয়া ।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ ১৪টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম ব্রাজিল এবং ক্ষুদ্রতম সুরিনাম।
- ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম এবং পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী আমাজান।
- এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে 'চির বসন্তের দেশ বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা দেশটির উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৬৮.
বাংলাদেশের সংবিধান সর্বপ্রথম কোন তারিখে গণপরিষদে উত্থাপিত হয়?
  1. ক) ১লা অক্টোবর ১৯৭২
  2. খ) ১২ অক্টোবর ১৯৭২
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
  4. ঘ) ২৬ মার্চ ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ অক্টোবর ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ অক্টোবর ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন। এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এবং ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।   

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৬৯.
কোনটিতে আমিষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) তাজা ছোট মাছ
  2. খ) মাংস
  3. গ) ডিম
  4. ঘ) শুঁটকি মাছ
সঠিক উত্তর:
ঘ) শুঁটকি মাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শুঁটকি মাছ
ব্যাখ্যা
- ডিমে প্রতি ১০০ গ্রামে আমিষ থাকে ১৩ গ্রাম। 
- তাজা ছোট মাছে প্রতি ১০০ গ্রামে আমিষ থাকে প্রায় ২০ গ্রাম।  
- মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে আমিষ থাকে ২৬ গ্রাম। 
- শুঁটকি মাছে প্রতি ১০০ গ্রামে আমিষ থাকে ৬২ গ্রাম। 

উৎস: USDA ওয়েবসাইট 
৭০.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
  1. ক) ১৩৬তম
  2. খ) ১৩৭তম
  3. গ) ১৩৮তম
  4. ঘ) ১৩৯তম
সঠিক উত্তর:
ক) ১৩৬তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৩৬তম
ব্যাখ্যা
 জাতিসংঘ:
- বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘে যোগদান করে - ১৭ সেপ্টেম্বর,  ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের - ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন - ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭১.
যে প্রাণীর তিনটি হৃদপিণ্ড আছে—
  1. ক) হাঙ্গর
  2. খ) বানর
  3. গ) কাতল মাছ
  4. ঘ) কস্তুরী মৃগ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে সঠিক উত্তর  না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

- ক্যাটল ফিস এবং অক্টোপাসের হৃৎপিণ্ড আছে ৩টি করে।
- ব্যাঙের হৃৎপিণ্ড ৩ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।

অন্যদিকে, 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড ৪ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। উপরের দিকে দুটি অলিন্দ এবং নিচের দিকে দুটি নিলয়।
- তেলাপোকার হৃৎপিণ্ড ১৩ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৭২.
শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্ৰ-
  1. ক) অডিওমিটার
  2. খ) অ্যামিটার
  3. গ) অডিওফোন
  4. ঘ) অলটিমিটার
সঠিক উত্তর:
ক) অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অডিওমিটার
ব্যাখ্যা
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- অ্যামিটার তড়িৎ প্রবাহের মান নির্ণয় করে। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৭৩.
কোন প্রাণীকে ডেভিল মাছ বলে?
  1. ক) তিমি
  2. খ) অক্টোপাস
  3. গ) হাঙ্গর
  4. ঘ) ডলফিন
সঠিক উত্তর:
খ) অক্টোপাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অক্টোপাস
ব্যাখ্যা
- অক্টোপাস সামুদ্রিক প্রাণী। 
- এটি মলাস্কা পর্ব ও সেফালোপডা শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। 
- অক্টোপাসের তিনটি হৃৎপিণ্ড রয়েছে। 
- অক্টোপাসের বাহ্যিক গঠন ভীতির সৃষ্টি করে বলে একে ডেভিল ফিশ বলা হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা
৭৪.
করোটিতে কতগুলো অস্থি থাকে?
  1. ক) ২৭
  2. খ) ২৮
  3. গ) ২৯
  4. ঘ) ৩০
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯
ব্যাখ্যা
• করোটি (Skull):
- মুখমণ্ডলীয় ও করোটিকার অস্থি সমন্বয়ে গঠিত মাথার কঙ্কালিক গঠনকে করোটি বলে।
- করোটিতে মোট ২৯টি অস্থি থাকে।



উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
নাইট্রোজেনের প্রধান উৎস-
  1. ক) মাটি
  2. খ) উদ্ভিদ
  3. গ) বায়ুমণ্ডল
  4. ঘ) প্রাণীদেহ
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুমণ্ডল
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডল:
- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি।
- যথা: নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- অক্সিজেনের পরিমাণ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

- বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর শতকরা পরিমাণ,
নাইট্রোজেন ৭৮.০১%,
• অক্সিজেন ২০.৭১%,
• আর্গন ০.৮০%,
• জলীয়বাষ্প ০.৪১%,
• কার্বন-ডাই-অক্সাইড ০.০৩% ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৬.
আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল কি আবিষ্কার করেন?
  1. ক) টেলিফোন
  2. খ) টেলিভিশন
  3. গ) তড়িৎ
  4. ঘ) টেলিগ্রাফিক সংকেত
সঠিক উত্তর:
ক) টেলিফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টেলিফোন
ব্যাখ্যা
- ১৮৭৬ সালে আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন।
- টেলিফোনের পাঁচটি অংশ থাকে। যথা-
সুইচ,
রিংগার,
কি প্যাড,
মাইক্রোফোন,
এবং স্পিকার।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান
৭৭.
জার্মানির মুদ্রার নাম কি?
  1. ক) মার্ক
  2. খ) পেসো
  3. গ) দিনার
  4. ঘ) ইউরো
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরো
ব্যাখ্যা
এক নজরে জার্মানিঃ
- রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম - Federal Republic of Germany/ Bundesrepublik Deutschland
- রাজধানী - বার্লিন।
- মুদ্রার নাম - ইউরো।
- রাষ্ট্রীয় ভাষা - জার্মান।
- সংসদের নাম - সংসদ (২ কক্ষ বিশিষ্ট); উচ্চকক্ষ - Bundesrat বা Federal Council ও নিম্নকক্ষ - Bundestag বা Federal Assembly
জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর - অ্যাঞ্জেলা মারকেল। তিনি ২০০৫ সালে প্রথমবার চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন।

সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা.কম।
৭৮.
পৃথিবীর কোন নদীতে মাছ হয় না?
  1. ক) জাম্বেসি
  2. খ) জর্ডান
  3. গ) আমাজন
  4. ঘ) দানিয়ুব
সঠিক উত্তর:
খ) জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জর্ডান
ব্যাখ্যা
জর্ডান নদী:
- জর্ডান নদী মাউন্ট হারমোন থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
- এটির দৈর্ঘ্য ৩৬০ কিলোমিটার।
- এটি পৃথিবীর যেকোনো নদীর তুলনায় এর উচ্চতা সবচেয়ে কম।
- নদীটি সিরিয়া ও লেবাননের সীমান্তে হারমন পর্বতের ঢালে উঠে গেছে এবং উত্তর ইস্রায়েলের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে গ্যালিল সাগরে।
- এই নদীতে কোন মাছ হয়না।

সুত্রঃ ব্রিটানিকা
৭৯.
জাতীয় স্মৃতিসৌধটি কবে উদ্বোধন করা হয় ?
  1. ক) ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
  2. খ) ১৯৮১ সালের ২৬ মার্চ
  3. গ) ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৯৮৩ সালের ২৬ মার্চ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত।
- এর নকশা প্রণয়ন করেছেন স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- এখানে মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের দশটি গণকবর রয়েছে। বিদেশি রাষ্ট্রনায়কগণ সরকারিভাবে বাংলাদেশ সফরে আগমন করলে এই স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন রাষ্ট্রাচারের   অন্তর্ভুক্ত।
- স্বাধীনতা আন্দোলনের পরিক্রমা বা পর্যায় হিসেবে সাতটি ঘটনাকে বিবেচনা করে সৌধটি নির্মিত হয়েছে।
- ১৯৭২ এর ১৬ই ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হোসেন মুহাম্মাদ এরশাদ এর উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।
৮০.
কিসের সাহায্যে সমুদ্রের ও কুয়ার গভীরতা নির্ণয় করা যায়?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিসরণ
  3. গ) প্রতিধ্বনি
  4. ঘ) প্রতিসারঙ্ক
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিধ্বনি
ব্যাখ্যা
প্রতিধ্বনি:
- কোন শব্দ উৎস থেকে শব্দ করা হলে তা কোন কঠিন তলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে আবার যদি শব্দের উৎসের নিকট ফিরে আসে, তখন সেই শব্দের পুনরাবৃত্তি শোনা যায়, শব্দের এই পুনরাবৃত্তিকেই শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূলধ্বনি ও প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড হওয়া প্রয়োজন।

শব্দের প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগিয়ে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
হাইড্রোফোন নামে এক রকমের যন্ত্রের সাহায্যে মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনির মধ্যে সময়ের ব্যবধান নিখুঁতভাবে পাওয়া যায়।

প্রতিধ্বনির ব্যবহারসমূহ- 
১. হিমশৈল জাহাজের অস্তিত্ব নির্ণয়ে
২. বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ নির্ণয়ে
৩. পাতলা পাতের পুরুত্ব নির্ণয়ে
৪. ক্ষতিকারক অণুজীব ধ্বংস করতে প্রতিধ্বনি ব্যবহার করা হয়
৫. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করবার ক্ষেত্রে। 

সূত্র: National Ocean Service