পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes১৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০৫: বিষয়: বাংলা টপিক: কাজী নজরুল ইসলাম, পঞ্চপান্ডব, হুমায়ূন আহমেদ, হুমায়ুন আজাদ, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, নির্মলেন্দু গুণ, প্রমথ চৌধুরী, বিহারীলাল চক্রবর্তী, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, মুনীর চৌধুরী, রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, শওকত ওসমান, শামসুর রহমান, সুকান্ত ভট্টাচার্য, সুফিয়া কামাল, জহির রায়হান, স্বর্ণকুমারী দেবী, মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের সাহিত্যকর্ম, সমসাময়িক সাহিত্য। উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
"প্রেমাংশুর রক্ত চাই" কোন সাহিত্যিকের রচনা?
  1. শওকত ওসমান
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. শামসুর রাহমান
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা

"প্রেমাংশুর রক্ত চাই" নির্মলেন্দু গুনের রচিত কাব্যগ্রন্থ। 

নির্মলেন্দু গুণ:
- নির্মলেন্দু গুণ বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি।
- তিনি ১৯৪৫ সালের ২১ জুন নেত্রকোনার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর ডাকনাম ছিল রতন।
- মূলত তিনি একজন কবি হলেও পাঠকসমাজে তাঁকে “বাংলাদেশের কবিদের কবি” হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- তাঁর কবিতায় প্রেম, বিপ্লব, গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রা, সমাজের বাস্তবতা এবং রাজনৈতিক চেতনা গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
- কবিতার পাশাপাশি তিনি অনুবাদকবিতা ও ছোটগল্পও রচনা করেছেন।

কাব্যগ্রন্থ:
- প্রেমাংশুর রক্ত চাই,
- না প্রেমিক না বিপ্লবি,
- চাষাভূষার কাব্য,
- মুজিব লেলিন ইন্দিরা,
- নিশিকাব্য।

অনুবাদকবিতা:
- রক্ত আর ফুলগুলি,
- তোহু,
- রাজনৈতিক কবিতা।

ছোটগল্প:
- অন্তর্জাল,
- আপনদলের মানুষ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
‘নেকড়ে অরণ্য’ শওকত ওসমানের রচিত কোন ধরনের রচনা?
  1. উপন্যাস
  2. গল্প
  3. প্রবন্ধ
  4. কবিতা
ব্যাখ্যা

‘নেকড়ে অরণ্য’ শওকত ওসমানের রচিত একটি  মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। 

শওকত ওসমান:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন ২ জানুয়ারি ১৯১৭ সালে, পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে।
- তিনি একজন  কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক।
- তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে  শেখ আজিজুর রহমান।
- উপন্যাস ও গল্প রচনায় তিনি বিশেষভাবে সুপরিচিত, তবে প্রবন্ধ, নাটক, রম্যরচনা, স্মৃতিকথা ও শিশুতোষ গ্রন্থও তিনি লিখেছেন।
- উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: ‘জননী’ এবং ‘ক্রীতদাসের হাসি’। 
- ১৯৯৮ সালে ১৮ই মে তিনি মারা যান। 

তাঁর প্রাপ্ত পুরস্কার গুলোর মধ্যে রয়েছে:
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬২),
- আদমজি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৬),
- একুশে পদক (১৯৮৩),
- ফিলিপস পুরস্কার (১৯৯১),
- স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৭)। 

তাঁর উপন্যাসগুলো হলো:
- জননী,
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- চৌরসন্ধি,
- রাজা উপাখ্যান,
- জাহান্নাম হইতে বিদায়,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- পতঙ্গ,
- পিঞ্জর। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া। 

.
‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতার লেখক কে?
  1. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. শামসুর রাহমান
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. শামসুল হক 
ব্যাখ্যা

 ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতার লেখক হচ্ছেন শামসুর রাহমান। 

শামসুর রাহমান:
- শামসুর রাহমান ছিলেন একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক।
- তিনি ১৯২৯ সালে পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- পৈত্রিক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- শৈশবে তাঁর ডাক নাম ছিল ‘বাচ্চু’।
- মাত্র আঠারো বছর বয়সে প্রথম কবিতা লেখা শুরু করেন।
- ১৯৪৩ সালে তাঁর প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় ‘সোনার বাংলা’ পত্রিকায়।
- তাঁর দুটি বিখ্যাত কবিতা হলো "স্বাধীনতা তুমি" এবং "তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা"।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
- তিনি প্রাপ্ত পুরস্কারসমূহ: আদমজি পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার।
- শামসুর রাহমান ২০০৬ সালে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। 

কবিতা সমূহ:
- প্রথম গান,
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ,
- এক ফোঁটা কেমন অনল,
- বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়,
- স্বপ্নে ও দুঃস্বপ্নে বেঁচে আছি,
- প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- বন্দী শিবির থেকে,
- কৃষ্ণপক্ষে পূর্ণিমার দিকে,
- না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া। 

.
প্রমথ চৌধুরী কোন পত্রিকা সম্পাদনা করতেন?
  1. ভারতী
  2. সবুজপত্র
  3. সমকাল
  4. বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।  

প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল ‘বীরবল’।
- তিনি বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের তুলনামূলক গবেষণা করেছেন।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতি প্রবর্তন এবং বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনায় তিনি বিশেষ খ্যাত।
- প্রমথ চৌধুরী প্রথম গদ্য ও প্রবন্ধে চলিত রীতির ব্যবহার করেন।
- তিনি বাংলা কাব্য সাহিত্যে প্রথম ইতালীয় সনেট প্রবর্তন করেন।
- ১৯১৪ সালে তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- ১৯৪৬ সালে তিনি শান্তিনিকেতনে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া। 

.
'পদ্মানদীর মাঝি' - এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র কোনটি?
  1. মজিদ
  2. কুবের
  3. মালেক
  4. গোরা 
ব্যাখ্যা

'পদ্মানদীর মাঝি'-এর উল্লেখযোগ্য চরিত্রটি হচ্ছে কুবের। 

পদ্মানদীর মাঝি:

- ‘পদ্মানদীর মাঝি’ নামক উপন্যাসটি ১৯৩৪ সাল থেকে পূর্বাশা পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।
- উপন্যাসের মূল কাহিনি পদ্মা নদীর তীরে বসবাসরত ধীবরদের জীবন ও তাঁদের দৈনন্দিন সংগ্রাম নিয়ে গঠিত।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্রের মধ্যে রয়েছে কুবের, কপিলা, মালা, ধনঞ্জয়, গণেশ, শীতলবাবু ও হোসেন মিঞা।

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন ১৯০৮ সালের ২৯ মে, পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়; ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।

উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- জননী (১৯৩৫),
- দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫),
- পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬),
- পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬),
- শহরতলী (১৯৪০-৪১),
- চিহ্ন (১৯৪৭),
- চতুষ্কোণ (১৯৪৮),
- সার্বজনীন (১৯৫২),
- আরোগ্য (১৯৫৩)।

উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প:
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প (১৯৩৫),
- প্রাগৈতিহাসিক (১৯৩৭),
- সরীসৃপ (১৯৩৯),
- সমুদ্রের স্বাদ (১৯৪৩),
- হলুদ পোড়া (১৯৪৫),
- আজ কাল পরশুর গল্প (১৯৪৬),
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৫০),
- ফেরিওয়ালা (১৯৫৩)।

অন্যদিকে,
- মজিদ চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লালসালু উপন্যাসের একটি চরিত্র। 
- মালেক চরিত্রটি সেলিনা হোসেনের পোকামাকড়ের ঘরবসতি উপন্যাসের একটি চরিত্র। 
- গোরা চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথেরব গোরা উপন্যাসের একটি চরিত্র। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

.
হুমায়ূন আহমেদের কোনটি চলচ্চিত্র নয়? 
  1. আগুনের পরশমণি
  2. দুই দুয়ারী 
  3. এইসব দিনরাত্রি
  4. নন্দিত নরকে 
ব্যাখ্যা

এইসব দিনরাত্রি হুমায়ূন আহমেদের চলচ্চিত্র নয়।
- এটি হুমায়ূন আহমেদের রচনায় তৈরি পারিবারিক নাটক। 

হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২):
- হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার এবং শিক্ষক। 
- তিনি নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে মাতামহের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- ছাত্রজীবনে তিনি ‘নন্দিত নরকে’ শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাস রচনা করেন, যা ১৯৭২ সালে লেখা এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। 
- এই উপন্যাসটি বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।

গ্রন্থ সংখ্যা ও ধরণ:
হুমায়ূন আহমেদের রচনা অন্তর্ভুক্ত গল্প, উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, শিশুতোষ গ্রন্থ, নাটক, প্রবন্ধ এবং আত্মজৈবনিক রচনা, যা মোট তিন শতাধিক। 

চলচ্চিত্র নির্মাণ:
- হুমায়ূন আহমেদ চলচ্চিত্র নির্মাণেও সফল ছিলেন।
- তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র ‘আগুনের পরশমণি’ (১৯৯৫) এবং শেষ চলচ্চিত্র ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ (২০১২)।
- এছাড়া, রয়েছে শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী। 
 - উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে ‘শ্যামল ছায়া’ রয়েছে, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া; ‘বাদশাহ নামদার’ উপন্যাস।

.
কাজী নজরুল ইসলামকে নিম্নলিখিত কোন পুরস্কার প্রদান করা হয়নি?
  1. বাংলা একাডেমী পদক
  2. একুশে পদক
  3. জগত্তারিনী পদক
  4. পদ্মভূষণ পদক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) বাংলা একাডেমী পদক। 

কাজী নজরুল ইসলামের সন্মান ও পুরস্কার:
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৪৫ সালে তাঁকে জগত্তারিনী পুরস্কারে ভূষিত করে।
- ভারত সরকার ১৯৬০ সালে কাজী নজরুল ইসলামকে ‘পদ্মভূষণ’ পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশে আনেন।
- ১৯৬৯ সালে রবীন্দ্রভারতী থেকে এবং ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি-লিট ডিগ্রি প্রদান করে।
- ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ থেকে তাঁকে নাগরিকত্ব ও একুশে পদক প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
বিহারীলাল চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. স্বপ্নদর্শন
  2. সঙ্গীত শতক
  3. সারদা মঙ্গল
  4. সাধের আসন
ব্যাখ্যা

বিহারীলাল চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে সারদা মঙ্গল। 

বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী ১৮৩৫ সালে কলকাতার নিমতলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পথপ্রদর্শক এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগুরু হিসেবে খ্যাত। 
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিক গীতিকবিতার স্রষ্টা হিসেবে তিনি বিশেষ পরিচিত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘সারদা মঙ্গল’ কাব্য পাঠের পরে তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ নামে অভিহিত করেন।
বিহারীলাল চক্রবর্তী ১৮৯৪ সালের ২৪ মে মৃত্যুবরণ করেন। 

প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীত শতক,
- বন্ধু-বিয়োগ,
- প্রেম প্রবাহিণী,
- নিসর্গ সন্দর্শন,
- বঙ্গসুন্দরী,
- সারদা মঙ্গল,
- নিসর্গ সঙ্গীত,
- মায়াদেবী,
- দেবরাণী,
- বাউল বিংশতি,
- সাধের আসন। 

সম্পাদিত পত্রিকা:
- পূর্ণিমা,
- সাহিত্য সংক্রান্তি,
- অবোধ বন্ধু।

অন্যদিকে, সাধের আসন হচ্ছে বিহারীলাল চক্রবর্তীর শেষ কাব্যগ্রন্থ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ কোন পুরস্কার লাভ করেছিলেন?
  1. একুশে পদক
  2. মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার
  3. স্বাধীনতা পুরস্কার
  4. জগত্তারিণী পদক
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ 'মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার' লাভ করেছিলেন।
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ - ২০২৪ সালে একুশে পদক পেয়েছেন।
অপশনে একাধিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ:
- রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ একজন প্রতিবাদী কবি হিসেবে পরিচিত।
- প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ; ‘রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’ নামটি তিনি নিজে গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বাগেরহাট জেলার মংলা থানার সাহেবের মেঠ গ্রামে।
- ছাত্রজীবনেই তাঁর দুটি কাব্যগ্রন্থ উপদ্রুত উপকূল (১৯৭৯) ও ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম (১৯৮১) প্রকাশিত হয়।
- তাঁর কবিতায় মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম, গণআন্দোলন, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং অসাম্প্রদায়িকতার বিষয়গুলো দৃঢ়ভাবে ফুটে উঠেছে।
- সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে তিনি 'মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার' লাভ করেন।
- ১৯৯১ সালের ২১ জুন ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- উপদ্রুত উপকূল,
- ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম,
- দিয়েছিলে সকল আকাশ,
- মৌলিক মুখোশ,
- মানুষের মানচিত্র।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

১০.
হুমায়ুন আজাদের রচিত “সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে” কি ধরনের রচনা?
  1. প্রবন্ধ
  2. উপন্যাস
  3. কবিতা 
  4. নাটক
ব্যাখ্যা

হুমায়ুন আজাদের  রচিত “সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে” এটি একটি কবিতা। 

হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ ছিলেন একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল বিক্রমপুরের রাড়িখালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার সাহিত্যজীবনের শুরু হয় কাব্যরচনার মাধ্যমে।

কবিতা:
- অলৌকিক ইস্টিমার (প্রথম কাব্যগ্রন্থ),
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- যতোই গভীরে যায় মধু, যতোই ওপরে যাই নীল, ইত্যাদি।

উপন্যাসসমূহ:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সবকিছু ভেঙে পড়ে,
- রাজনীতিবিদগণ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১.
জীবনানন্দ দাশের রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ঝরা পালক
  2. বনলতা সেন
  3. মাল্যবান
  4. মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা

জীবনানন্দ দাশের রচিত উপন্যাস হচ্ছে মাল্যবান। 

জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতৃনিবাস বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- পিতা সত্যানন্দ দাশ একজন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক ছিলেন, এবং মাতা কুসুমকুমারী দাশ একজন কবি ছিলেন।
- তিনি ১৯৫৪ সালের ১৪ অক্টোবর কলকাতায় এক ট্রাম-দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

উপাধি:
- ধুসরতার কবি,
- তিমির হননের কবি,
- রূপসী বাংলার কবি,
- নির্জনতার কবি। 

সাহিত্যকর্ম:
কাব্যগ্রন্থ: ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডু লিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির, রূপসী বাংলা, বেলা অবেলা কালবেলা।
উপন্যাস: মাল্যবান, সুতীর্থ।
প্রবন্ধগ্রন্থ: কবিতার কথা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২.
‘বন্দী শিবির থেকে’ কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. উপন্যাস
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. নাটক
  4. প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা

‘বন্দী শিবির থেকে’ হচ্ছে শামসুর রাহমান রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 

শামসুর রাহমান:

- শামসুর রাহমান ছিলেন একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক।
- তিনি ১৯২৯ সালে পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- পৈত্রিক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- শৈশবে তাঁর ডাক নাম ছিল ‘বাচ্চু’।
- মাত্র আঠারো বছর বয়সে প্রথম কবিতা লেখা শুরু করেন।
- তাঁর দুটি বিখ্যাত কবিতা হলো "স্বাধীনতা তুমি" এবং "তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা"।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
- তিনি প্রাপ্ত পুরস্কারসমূহ: আদমজি পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার।
- শামসুর রাহমান ২০০৬ সালে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। 

কাব্যগ্রন্থ সমূহ:
- প্রথম গান,
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ,
- এক ফোঁটা কেমন অনল,
- বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়,
- স্বপ্নে ও দুঃস্বপ্নে বেঁচে আছি,
- প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- বন্দী শিবির থেকে,
- কৃষ্ণপক্ষে পূর্ণিমার দিকে,
- না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন। 

তাঁর রচিত কিছু উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ, 
- এলো সে অবেলায়। 

প্রবন্ধ:
- আমৃত্যু তাঁর জীবনান্দ, 
- কবিতা একধরণের আশ্রয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া। 

১৩.
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘কুহেলিকা’ উপন্যাসটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. ভারতী
  2. নওরোজ
  3. বিজলী
  4. সাপ্তাহিক সংবাদ
ব্যাখ্যা

‘কুহেলিকা’ উপন্যাসটি নওরোজ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 

‘কুহেলিকা’ উপন্যাস:
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত এই উপন্যাসটি ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে ‘নওরোজ’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- এটি রাজনৈতিক উপন্যাস, যার রাজনৈতিক প্রসঙ্গ অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে তুলে ধরা হয়েছে।

উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি:
"ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।" 

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রসমূহ:
- জাহাঙ্গীর (নায়ক),
- তাহমিনা,
- চম্পা,
- ফিরদৌস বেগম। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৪.
"বাংলাদেশ" কবিতা কার লেখা?
  1. জসীম উদ্‌দীন
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কবিতাটি অমিয় চক্রবর্তীর লেখা। 

অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তীর জন্ম ১৯০১ সালের ১০ এপ্রিল, পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে।
- তিনি ছিলেন একজন কবি, গবেষক এবং শিক্ষাবিদ।
- পঞ্চকবির মধ্যে তিনি বিশেষভাবে খ্যাত।
- তিনি ১৯২১ সালে পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. পাস করেন এবং এরপর শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগ দেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে তিনি ‘বাংলাদেশ’ কবিতাটি রচনা করেন।
- কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন, যেমন: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমি পুরস্কার।
- ভারত সরকার ১৯৭০ সালে ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।
- অমিয় চক্রবর্তী ১৯৮৬ সালের ১২ জুন শান্তিনিকেতনে মারা যান।

প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

গদ্য রচনা:
- চলো যাই,
- সাম্প্রতিক 
- পুরবাসী 
- পথ অন্তহীন, ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

১৫.
নির্মলেন্দু গুণকে কী নামে আখ্যায়িত করা হয়? 
  1. রোমান্টিক কবি
  2. জনতার কবি
  3. কৃষকের কবি
  4. কবিদের কবি
ব্যাখ্যা

নির্মলেন্দু গুণকে কবিদের কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়। 

নির্মলেন্দু গুণ:
- নির্মলেন্দু গুণ বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি।
- তিনি ১৯৪৫ সালের ২১ জুন নেত্রকোনার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর ডাকনাম ছিল রতন।
- মূলত তিনি একজন কবি হলেও পাঠকসমাজে তাঁকে “বাংলাদেশের কবিদের কবি” হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- তাঁর কবিতায় প্রেম, বিপ্লব, গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রা, সমাজের বাস্তবতা এবং রাজনৈতিক চেতনা গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
- কবিতার পাশাপাশি তিনি অনুবাদকবিতা ও ছোটগল্পও রচনা করেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৬.
নিচের কোনটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের গ্রন্থ নয়?
  1. পূর্বাভাস
  2. ঘুম নেই
  3. গীতিগুচ্ছ
  4. জননী
ব্যাখ্যা

জননী সুকান্ত ভট্টাচার্যের গ্রন্থ নয়। এটি শওকত ওসমানের একটি উপন্যাস। 

সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর জেলার কোটালিপাড়ায়।
- তাঁর কাব্যে বিশ্বের মানুষ এবং শোষিত মানুষের জীবনযাত্রা, যন্ত্রণা, বিক্ষোভ এবং বিদ্রোহের অনুভূতি ফুটে উঠেছে।
- তিনি মাত্র ২০ বছর ৯ মাস বয়সে, ১৩ মে ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
- ছাড়পত্র,
- পূর্বাভাস,
- মিঠেকড়া,
- অভিযান,
- ঘুম নেই,
- হরতাল,
- গীতিগুচ্ছ।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৭.
হুমায়ূন আহমেদের “অনিল বাগচীর একদিন” কিসের পটভূমিতে রচিত?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. সামাজিক সমস্যা
  3. গ্রামীণ জীবন
  4. সায়েন্স ফিকশন
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদের “অনিল বাগচীর একদিন” মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। 

হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২) ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার এবং শিক্ষক।
- তিনি নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে মাতামহের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- ছাত্রজীবনে তিনি রচনা করেন ‘নন্দিত নরকে’ শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাস, যা ১৯৭২ সালে লেখা এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসটি বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়। 

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- আগুনের পরশমণি
- অনিল বাগচীর একদিন

উপন্যাস:
- নন্দিত নরকে,
- শঙ্খনীল কারাগার,
- আগুনের পরশমণি,
- কে কথা কয়,
- জোছনা ও জননীর গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। 

১৮.
কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের কবিতা নয় কোনটি?
  1. প্রলয়োল্লাস
  2. বিদ্রোহী
  3. আনোয়ার 
  4. চন্দ্রবিন্দু 
ব্যাখ্যা

চন্দ্রবিন্দু কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের কবিতা নয়। 
- এটি কাজী নজরুল ইসলামের নিষিদ্ধ একটি গ্রন্থ।

অগ্নিবীণা:
- ‘অগ্নিবীণা’ কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- এতে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে।
- এই গ্রন্থটি তিনি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেছেন।

অগ্নিবীণা কাব্যের কবিতার তালিকা:
- প্রলয়োল্লাস (প্রথম কবিতা),
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বরধারিণী মা,
- আগমনী,
- ধুমকেতু,
- কামালপাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী,
- মোহররম। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া। 

১৯.
জহির রায়হানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. সঙ্গম
  2. বাহানা
  3. জীবন থেকে নেয়া 
  4. কাঁচের দেয়াল
ব্যাখ্যা

জহির রায়হানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র হচ্ছে সঙ্গম। 

জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ১৯৩৫ সালে ফেনী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক ছিলেন।
- প্রকৃত নাম মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।

গল্পগ্রন্থ:
- উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সূর্যগ্রহণ।

চলচ্চিত্র পরিচালনা:
- নতুনত্বের পরিচয় দিয়েছেন; প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র কখনো আসে নি।
- প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র: সঙ্গম।
- প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি: বাহানা।
- কাঁচের দেয়াল চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে ‘নিগার পুরস্কার’ অর্জন করে।

উপন্যাসসমূহ ও সাহিত্যিক স্বীকৃতি:
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য আদমজি সাহিত্য পুরস্কার লাভ।
- অন্যান্য উপন্যাস: আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী, আর কতদিন, তৃষ্ণা, শেষ বিকেলের মেয়ে, কয়েকটি মৃত্যু।

উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রসমূহ:
- জীবন থেকে নেয়া, কখনও আসেনি, Stop Genocide, সোনার কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, আনোয়ারা, সঙ্গম, বাহানা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।