পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪১
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অধ্যায়: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক টপিকসমূহ: i) ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ-বিপ্লব, অপারেশন, সামরিক বিষয়াবলি। ii) সামরিক জোট ও সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, গেরিলা সংগঠন iii) নিরাপত্তাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, সনদ ও সম্মেলন, কূটনৈতিক পরিভাষা। উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] ------------- নির্দেশিকা: ১. এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে। ২. এই পরীক্ষাটি "Award Mania: Season - 10” এর জন্য প্রযোজ্য।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৪১ প্রশ্ন

.
'D-Day'-এর সাথে নিম্নের কোন যুদ্ধটি সংশ্লিষ্ট?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  4. কোরিয় যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
D-Day:
- D-Day দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে ১৯৪৪ সালের ৬ জুন প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার যৌথ বাহিনীর সদস্য ফ্রান্সে অবতরণ করেন।
- ফ্রান্স উদ্ধারের জন্য মিত্রবাহিনী স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে যে অপারেশন পরিচালনা করে তার কোডনাম ছিলো Operation Overlord।
- দিনশেষে প্রায় সাড়ে চার হাজার সৈন্য মারা যান, যা বিশ্বের সেনা ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান।
- ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে ডি-ডে নামে খ্যাত ওই অভিযানের মধ্যে দিয়ে নাৎসী জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্রবাহিনীর বিজয়ের সূচনা হয়।
- ৬ জুন দিনটিকে ডি ডে (D-Day) হিসাবে পালন করা হয়।
- এই লড়াইয়ের এক বছর পর পরাজয় স্বীকার করে জার্মানি।

উল্লেখ্য,
- ডি দিবস (D Day) বা অবতরণ দিবসের দিন ধার্য হয় ১৯৯৪ সালের ১ জুন।
- কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য পিছিয়ে ৬ জুন করা হয়।
- এই সুবিশাল সামরিক অভিযানের নেতা ছিরেন আমেরিকান সেনাপতি আইজেনহাওয়ার।

উৎস: History.com
.
Operation Peace Spring পরিচালনা করে কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইরান
  3. তুরস্ক
  4. ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
Operation Peace Spring:
- ৯ অক্টোবর, ২০১৯ সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তুরস্ক যে অভিযান শুরু করে তা অপারেশন পিস স্প্রিং নামে পরিচিত।
- এই অপারেশন সিরিয়ার কুর্দি মিলিশিয়া গ্রুপ ওয়াইপিজে এবং ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে চালানো হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তুরস্কে আশ্রয় নেওয়া সিরিয়ান শরনার্থীদের জন্যে একটি নিরাপদ অঞ্চল গড়ে তোলা। 

উল্লেখ্য,
- এর আগে ২০১৮ সালে তুরস্ক সফলভাবে কুর্দি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ অভিযান পরিচালনা করে।

উৎস: European Parliament ওয়েবসাইট।
.
কোন দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য 'গুড ফ্রাইডে' চুক্তি হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. উত্তর আয়ারল্যান্ড
  3. জার্মানি
  4. স্কটল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
উত্তর আয়ারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম গুড ফ্রাইডে' চুক্তি বা Good Friday Agreement.
- গুড ফ্রাইডে' চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী: লর্ড ট্রিম্বল (যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার)।

⇒ শুক্রবারে সই হওয়ায় এটি গুড ফ্রাইডে চুক্তি (জিএফএ) নামেই বেশি পরিচিতি।
- এই চুক্তির শর্তানুযায়ী, উত্তর আয়ারল্যান্ডে সরকার পরিচালনায় প্রোটেস্ট্যান্ট ও ক্যাথলিকদের মধ্যে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে সরকার গঠনের বিধান গৃহীত হয়। সেই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাংবিধানিক মর্যাদা স্বীকার করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি সংযুক্ত আয়ারল্যান্ড গঠন করার একটি নীতিও গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯২১ সালে যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের যাত্রা শুরু হয়। সে সময় আয়ারল্যান্ডের বাকি অংশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে অঞ্চলটির জনগণ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এক দল আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে একত্রিত হতে চেয়েছিল, আরেক দল চেয়েছিল যুক্তরাজ্যের অংশ হয়েই থাকতে। বিষয়টি নিয়ে প্রায় ৩০ বছরের সহিংস সংঘর্ষের অবসান ঘটেছিল গুড ফ্রাইডে চুক্তির মাধ্যমে। এই সংঘর্ষে প্রাণ হারায় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষ।

উৎস: Britannica.
.
নিম্নের কোনটিকে কেন্দ্র করে ইরাক-ইরান যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. শিয়া-সুন্নি ধর্মীয় বিরোধ
  2. শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকার
  3. সাদ্দাম হোসেনের শাসনপ্রতিষ্ঠা
  4. লোহিত সাগরে শাসনপ্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকার
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

⇒ আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।

উল্লেখ্য,
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে আলজিয়ার্স চুক্তি অকার্যকর হয়।

উৎস: Britannica.
.
'Shuttle Diplomacy' ধারণাটি কোন শান্তি চুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শান্তি চুক্তি
  2. লাতিন আমেরিকায় শান্তি চুক্তি
  3. আফ্রিকায় শান্তি চুক্তি
  4. মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তি
সঠিক উত্তর:
মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
Shuttle Diplomacy:
- 'শাটল ডিপ্লোমেসি' (Shuttle Diplomacy) হলো একটি কূটনৈতিক কৌশল, যেখানে তৃতীয় পক্ষের একজন মধ্যস্থতাকারী দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা পাঠায় এবং তাদের মধ্যে আলোচনা বা সমঝোতার জন্য পরিবেশ তৈরি করে।
- এই ধরনের কূটনীতি সাধারণত সংঘর্ষ বা জটিল পরিস্থিতি সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
- 'Shuttle Diplomacy' ধারণাটি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য "শাটল কূটনীতি" নামক কূটনৈতিক কৌশলে নিযুক্ত হন।
- এটি ছিল একটি প্রক্রিয়া যেখানে কিসিঞ্জার ইসরায়েল, মিশর, সিরিয়া এবং অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বার্তা পৌঁছানোর জন্য এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াত করতেন।
- তার লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
- জানুয়ারি ১৯৭৪ সালে, কিসিঞ্জার প্রথম মিশর-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তিতে সহায়তা করেন এবং মে ১৯৭৪ সালে সিরিয়া-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তি সম্পন্ন করেন।
- তার "শাটল কূটনীতি" ১৯৭৫ সালে দ্বিতীয় মিশর-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তির মাধ্যমে সফল হয়।
- এই কূটনীতি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বিশেষ করে ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি প্রতিষ্ঠার দিকে পরিচালিত করে।

উৎস: Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট।
.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সম্পর্কে নিম্নের কোনটি সঠিক নয়?
  1. সর্বপ্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬৩ সালে
  2. প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়
  3. সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট
  4. সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত হয়
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত হয়
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC) হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নিরাপত্তা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত।
- এর লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং সমাধান খোঁজা।
- এটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়
- বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।

উল্লেখ্য,
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক।
- প্রথম এক দশক এই সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।

⇒ ২০২৫ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- ২০২৫ সালে ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
.
কোন চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটিশ কলোনিতে পরিণত হয়?
  1. নানকিং চুক্তি
  2. আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. হেবরন চুক্তি
  4. উই রিভার চুক্তি
সঠিক উত্তর:
নানকিং চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নানকিং চুক্তি
ব্যাখ্যা
আফিম যুদ্ধ:
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, তাই আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উনিশ শতকের গোড়া থেকে চীনের সঙ্গে ব্যবসায়ে ঘাটতি মেটাতে বঙ্গদেশ থেকে চীনে আফিম রপ্তানি শুরু করে।
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অবৈধ উপায়ে এ ব্যবসা অব্যাহত রাখে।
- কোম্পানির অবৈধ আফিম ব্যবসার কারণে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে।
- ১ম যুদ্ধে চীনারা পরাজিত হয় এবং চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।

⇒ নানকিং চুক্তি:
- প্রথম আফিম যুদ্ধে পরাজয়ের পর চীনের শাসকগোষ্ঠী ব্রিটিশদের সাথে একটি অপমানজনক 'অসম চুক্তি' স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- চিনা কমিশনার চিইং (Chiying) এবং নব নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার হেনরি পট্টিনগার (Sir Henry Pottinger) -এর উদ্যোগে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির নাম নানকিং চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ আগস্ট, ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের 'ক্রাউন কলোনি'তে পরিণত হয়।

অন্যদিকে,
- শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম আলজিয়ার্স চুক্তি।
- হেবরন চুক্তি: ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ‘হেবরন চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তিতে ফিলিস্তিনি চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের অধিকাংশ থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে একমত হন।
- উই রিভার চুক্তির বিষয়বস্তু: প্যালেস্টাইন সংকট।

উৎস: Britannica.
.
যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র কোন দেশে 'No Fly Zone' ঘোষণা করেছিল?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. আফগানিস্তান
  4. ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা
No Fly Zone:
- আকাশসীমার কোনো অঞ্চলকে 'নো-ফ্লাই জোন' ঘোষণার অর্থ হলো সেখানে কোনো উড়োজাহাজ উড়তে পারবে না।
- সংবেদনশীল এলাকা যেমন রাজপ্রাসাদ রক্ষা করতে কিংবা কোনো খেলার আয়োজনে অথবা বড় সমাবেশের ক্ষেত্রেও স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়ে থাকে।
- ১৯৯১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইরাকে এমন একটি No Fly Zone স্থাপন করেছিল যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়াও,
⇒ পৃথিবীর বিখ্যাত কয়েকটি ‘নো ফ্লাই জোন’:
- উত্তর কোরিয়া,
- কিউবা,
- মক্কা, সৌদি আরব,
- প্যারিস, ফ্রান্স,
- ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- পার্থেনন, গ্রীস,
- ডিজনি পার্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- বাকিংহাম প্যালেস এবং উইন্ডসর ক্যাসেল, যুক্তরাজ্য।

উৎস: i) De Gruyter ওয়েবসাইট।
ii) Worldatlas.
.
মোসাদ প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ইয়েহুদা ওয়াইমান
  2. ডেভিড ফার্গুসন
  3. রবার্ট জিয়ুস
  4. ডেভিড বেনগুরিয়ন
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বেনগুরিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বেনগুরিয়ন
ব্যাখ্যা
মোসাদ:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- মোসাদ গঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান প্রধান: ডেভিড বার্নিয়া। (২০২৪ সাল)
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।

⇒ এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- মোসাদ সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
১০.
সিনহাই বিপ্লবের (Xinhai Revolution) মাধ্যমে যে রাজবংশের পতন ঘটে -
  1. হান রাজবংশের
  2. কিং রাজবংশের
  3. হ্যান রাজবংশের
  4. মিং রাজবংশের
সঠিক উত্তর:
কিং রাজবংশের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিং রাজবংশের
ব্যাখ্যা
সিনহাই বিপ্লব:
- সিনহাই বিপ্লব যা চীনে 'Xinhai Revolution' হিসেবে পরিচিত।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল যা কিং রাজবংশের (Qing Dynasty) এর পতন ঘটিয়ে চীনে প্রথম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।
- এই বিপ্লবের ফলে চীনে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালের ১০ অক্টোবর এই বিপ্লব শুরু হয় যা ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংঘটিত হয়।

⇒ ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।

⇒ চিং রাজবংশ ছিল চীনের শেষ সামন্ততান্ত্রিক রাজবংশ যা ১৬৪৪ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত শাসন করেছিল।
- জনগণের মধ্যে রাজবংশের শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল।
- চিং রাজবংশের শেষ সম্রাট পু ই স্বীকার করেন যে রাজবংশের শাসন অব্যাহত রাখার কোনও সম্ভাবনা নেই।
- এর ফলে, চীনের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে সান ইয়েৎ-সেন নির্বাচিত হন।
- চিং রাজবংশের পতনের সাথে সাথে চীনে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্য কমে আসে।

উৎস: Britannica.
১১.
'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক্রুজ ক্ষেপনাস্ত্র স্থাপন
  2. যুদ্ধবিরতি
  3. যুদ্ধাপরাধ
  4. নারী অধিকার
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধ
ব্যাখ্যা
নুরেমবার্গ ট্রায়াল:
- 'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' যুদ্ধাপরাধ-এর সাথে সংশ্লিষ্ট।
- নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত বিচার প্রক্রিয়ার নাম। 

⇒ ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল হিটলারের নাৎসি বাহিনীর নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠন করে এবং তাদের বিচার করে।
- তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরনের যথা:
১. শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা।
২. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: মানুষকে সমূলে বিনাশ করা, বাসস্থান থেকে বিতাড়ন করা এবং গণহত্যা।
৩. যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন।
৪. উপরিউক্ত তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা।

⇒ আন্তর্জাতিক এই সামরিক ট্রাইবুনালে বিশিষ্ট ২২ জন নাৎসি কর্মকর্তার বিচার শুরু হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই নুরেমবার্গের আদালতে শীর্ষ নাৎসি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
- যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে বিচার হয় তাদের।
- বিচারাধীনদের মধ্যে ছিল সামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিক, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।

উৎস: Britannica.
১২.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি -
  1. INF Treaty
  2. CTBT Treaty
  3. ABM Treaty
  4. Ottawa Treaty
সঠিক উত্তর:
Ottawa Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ottawa Treaty
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি:
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি বা Anti-Personnel Landmines Convention।
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি বা Ottawa Treaty।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।

⇒ চুক্তির উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

অন্যদিকে,
'INF' চুক্তি:
- INF-এর পূর্ণরূপ: The Intermediate-Range Nuclear Forces.
- এটি হলো মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।

ABM Treaty:
- ABM- এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty.
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১৩.
ইরান পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কোন পক্ষের সঙ্গে?
  1. পি৫+১
  2. পি৫+২
  3. পি৬+১
  4. পি৬+২
সঠিক উত্তর:
পি৫+১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পি৫+১
ব্যাখ্যা
Joint Comprehensive Plan of Action:
- এটি ইরান পরমাণু চুক্তি হিসেবে পরিচিত।
- এটি সমঝোতা ‘ইরান ডিল’ নামেও পরিচিত।
- চুক্তিটি হয়েছিল ইরান ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশ তথা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে।
- এই চুক্তিতে স্থায়ী পাঁচ সদস্য দেশের সাথে জার্মানিও ছিল।
- এজন্য এই পক্ষকে ‘পি৫ + ১’ বলা হয়ে থাকে।

⇒ স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ জুলাই, ২০১৫।
- কার্যকর হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে চুক্তিটি স্বাক্ষর ও কার্যকর হয়।

⇒ এই চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ ও মজুদ করার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
- চুক্তির অধীনে ইরানের ওপর আরোপিত বেশ কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২০ সালের শুরুর দিকে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় ইরান।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
১৪.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ‘নক্ষত্র যুদ্ধ’-এর প্রস্তাবক ছিলেন?
  1. জর্জ বুশ
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. জিমি কার্টার
  4. রোনাল্ড রিগ্যান
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগ্যান
ব্যাখ্যা
তারকা যুদ্ধ:
- তারকা যুদ্ধ নামে খ্যাত Strategic Defense Initiative এর প্রস্তাবক ছিলেন রোনাল্ড রিগ্যান।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, যা SDI (Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত।
- এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল, পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করা, যাতে সেগুলি মহাকাশে বা পৃথিবীতে ধ্বংস করা যায়।
- তাই, একে সমালোচকরা 'নক্ষত্র যুদ্ধ' (Star Wars) হিসেবেও অভিহিত করেন।

⇒ ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং ঠান্ডাযুদ্ধের সমাপ্তির পর SDI প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে যায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং পরবর্তীতে রাশিয়ার সাথে সম্পর্কের উন্নতি এই প্রকল্পটির গুরুত্ব কমিয়ে দেয়, ফলে এটি কার্যকরভাবে স্তিমিত হয়ে যায়। 
- তবে, SDI প্রকল্পের ধারণা এবং এর বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উদ্যোগগুলো পরবর্তীতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির বিকাশে কিছুটা প্রভাব ফেলেছিল।

উৎস: Britannica.
১৫.
প্রথম কয়টি দেশ Antarctic Treaty স্বাক্ষর করে?
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
এন্টার্কটিক ট্রিটি (Antarctic Treaty): 
- চুক্তিটি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের শান্তিপূর্ণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য একটি বিশেষ অঞ্চল হিসেবে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ ডিসেম্বর ১৯৫৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৬১ সালে। 
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তি প্রথমে স্বাক্ষর করেছিল: ১২টি দেশ।
- বর্তমানে সদস্য: ৫৮টি দেশ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭-৫৮ সালের আন্তর্জাতিক ভূ-পদার্থিক বছর (IGY) চলাকালীন অ্যান্টার্কটিকায় এবং তার আশেপাশে অবস্থিত দেশের বিজ্ঞানীরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।
- চুক্তিটি প্রথমে ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ (যারা অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছিল) দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ অ্যান্টার্কটিক চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিধান:
- শান্তিপূর্ণ ব্যবহার: অ্যান্টার্কটিকা শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে (আর্টিকেল I)।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা: অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক তদন্তের স্বাধীনতা থাকবে এবং গবেষণা ফলাফল বিনিময় করা হবে (আর্টিকেল II ও III)।
- আঞ্চলিক দাবি নিষিদ্ধ: চুক্তির অধীনে নতুন আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের দাবি বা পুরনো দাবির প্রসারণ নিষিদ্ধ (আর্টিকেল IV)।
- কোনো সামরিক কার্যকলাপ নয়: অ্যান্টার্কটিকায় কোনো সামরিক কার্যকলাপ বা পারমাণবিক পরীক্ষা করা যাবে না।

উৎস: Antarctic Treaty ওয়েবসাইট।
১৬.
কোন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মাঝে সংঘর্ষ হয়?
  1. ইয়েরেভান
  2. নাগার্নো কারাবাখ
  3. আর্টসাখ প্রজাতন্ত্র
  4. আকসাই অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
নাগার্নো কারাবাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগার্নো কারাবাখ
ব্যাখ্যা
নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- নাগার্নো কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মাঝে সংঘর্ষ হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

⇒ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

উৎস: i) Britannica.
ii) বিবিসি বাংলা।
১৭.
AUKUS জোটের সদস্য কারা?
  1. জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া
  2. রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ভারত 
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
AUKUS চুক্তি:
- AUKUS চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- অকাস হলো ২০৩০-এর শেষে বা ২০৪০-এর গোড়ার দিকে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার নতুন উচ্চপ্রযুক্তির সাবমেরিন তৈরি ও মোতায়েনের পরিকল্পনা।
- এই উন্নত প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তি অনুসারে ব্রিটিশ ও অ্যামেরিকার সাবমেরিন অস্ট্রেলিয়ায় মোতায়েন করা হবে।
- অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).
১৮.
TPNW চুক্তিতে স্বাক্ষরিত দেশের সংখ্যা - [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৯৩টি
  2. ১০৩টি
  3. ১০৪টি
  4. ৯৪টি
সঠিক উত্তর:
৯৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪টি
ব্যাখ্যা
TPNW:
- TPNW-এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons.
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- এই চুক্তিতে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।

উল্লেখ্য,
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- চুক্তির পক্ষে ভোট দেয়: ১২২টি দেশ।
- চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেয়: ১টি দেশ (নেদারল্যান্ডস)।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৯৪টি।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।
১৯.
CIA-এর পূর্ণরূপ নিম্নের কোনটি?
  1. Central Investigating Agency
  2. Central Investment Agency
  3. Central Intelligence Agency
  4. Central Inter-Services Agency
সঠিক উত্তর:
Central Intelligence Agency
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Central Intelligence Agency
ব্যাখ্যা
CIA:
- CIA-এর পূর্ণরূপ: Central Intelligence Agency.
- Central Intelligence Agency যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন একটি বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা এই সংস্থার দায়িত্ব।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত অফিস অফ স্ট্র্যাটেজিক সার্ভিসেস (OSS)-এর উত্তরসূরী হিসেবে সিআইএ'র জন্ম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪২ সালের জুন মাসে রুজভেল্ট মার্কিন বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের খণ্ডিত এবং অসংলগ্ন স্ট্র্যান্ডগুলিকে একক সংস্থায় একত্রিত করার জন্য OSS তৈরি করেছিলেন।
- এর কাজ ছিলো যুক্তরাষ্ট্র সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখা-প্রশাখার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা।

এছাড়াও,
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা:
• Defense Intelligence Agency (DIA),
• Fairfax,
• Federal Bureau of Investigation (FBI)।

উৎস: Britannica.
২০.
'১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ' কী নামে পরিচিত?
  1. অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম
  2. অপারেশন অডিসি ডন
  3. অপারেশন বারবারোসা
  4. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
ব্যাখ্যা
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম:
- '১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ' অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- 'অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম' এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪টি দেশের জাতিসংঘ অনুমোদিত যৌথ বাহিনীর মধ্যে।
- ১৯৯০ সালের আগস্ট মাসে ইরাকের কুয়েত আগ্রাসন এবং কুয়েতি ভূ-খন্ড দখলের প্রেক্ষিতে ইরাক বাহিনীর হাত থেকে কুয়েতকে মুক্ত করাই ছিল সে যুদ্ধের উদ্দেশ্য।
- ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক কর্তৃক কুয়েত আক্রান্ত হলে ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী ইরাকের উপর বিমান হামলা শুরু করে।
- ইরাকের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধই ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে পরিচিত।
- বহুজাতিক বাহিনীর আক্রমণের মুখে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরাকি বাহিনী পরাজয় বরণ করে।
- এই যুদ্ধ প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- আফগানিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান - অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম।
- অপারেশন অডিসি ডন (Operation Odyssey Dawn) লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম।
- ১৯৪১ সালে ২২ জুন জার্মানীর হিটলার 'অপারেশন বারবারোসা' নামে পরিচিত সোভিয়েত ইউনিয়ন অভিযান শুরু করেছিলেন।

উৎস: Britannica.
২১.
‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ কোন দেশের সশস্ত্র গোষ্ঠী?
  1. মিয়ানমার
  2. জাপান
  3. ল্যাটিন আমেরিকা
  4. পেরু
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স:
- ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- তিনটি বৃহত্তর বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ নামে নতুন একটি জোট গড়ে তুলেছে।
- জোটে রয়েছে মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক আর্মি (এমএনডিএ), তায়াং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এবং আরাকান আর্মি (এএ)।

অন্যদিকে -
- জাপানের কমিউনিস্ট উগ্রপন্থী সংগঠন হলো রেড আর্মি। 
- ফার্ক (FARC): এটি ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- শাইনিং পাথ পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

উৎস: Reuters.
২২.
ডেটন চুক্তির মাধ্যমে নিম্নের কোন সংকটের পরিসমাপ্তি ঘটে?
  1. কিউবা
  2. বসনিয়া
  3. ফিলিস্তিন
  4. ইথিওপিয়া
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তির মাধ্যমে বসনিয়া সংকটের পরিসমাপ্তি ঘটে।

ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার যুদ্ধ ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর। 
- এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল এক ‘অসম’ শান্তিচুক্তির হাত ধরে।
- ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর সই হয় ‘জেনারেল ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট ফর পিস’ শীর্ষক সেই শান্তিচুক্তি, যা ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- চুক্তিতে বলা হয়, চুক্তি সইকারী পক্ষগুলো পরস্পরকে স্বীকৃতি দেবে, জাতিগত ঐক্য বজায় রাখবে, একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সবাই মধ্যস্থতা করবে। 
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।

উল্লেখ্য,
- নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে যাওয়ার পর ১৯৯২ সালে বসনিয়া যুদ্ধের সূচনা।
- আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.
২৩.
১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিক আক্রমণের সাথে কোন গেরিলা সংঠনটি সংশ্লিষ্ট?
  1. ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
  2. হামাস
  3. হিজবুল্লাহ
  4. এলটিটিই
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি ফিলিস্তিনের ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি অংশ।
- গঠিত হয়: ১৯৭১ সালে।
- বিলুপ্ত ঘোষিত হয়: ১৯৭৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- জার্মানির মিউনিখ শহরে ১৯৭২ সালে বসেছিল গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আসর।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর সংগঠনটি জার্মানিতে অনুষ্ঠিত মিউনিখ অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ইসরায়েলের অ্যাথলেটকে অপহরণের ঘটনার জন্যে আলোচিত।
- তাঁদের চাওয়া ছিল, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিতে হবে, কিন্তু তা হয়নি।
- জার্মান পুলিশ অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নামে।
- এর ফলে অপহরণকারীরা দুজন খেলোয়াড়কে হত্যা করেন।
- অন্যদিকে অপহরণকারীদের বেশির ভাগ পুলিশের হাতে প্রাণ হারান।
- এ কারণে আধুনিক অলিম্পিকের ইতিহাসে ৫ সেপ্টেম্বর একটা কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
২৪.
স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তির মধ্যে কোন দুটি দেশ ছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান
  3. জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. ফ্রান্স ও জার্মানি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
স্নায়ুযুদ্ধ:
- স্নায়ুযুদ্ধ বলতে সরাসরি কোনো যুদ্ধ বোঝায়না।
- 'যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব অথচ যুদ্ধ নয়' এ অবস্থাকে রসিকজনেরা বলেন, ঠান্ডাযুদ্ধ। এর কেতাবি নাম স্নায়ুযুদ্ধ।
- ১৯৪০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৮০ দশকের শেষ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধ শুরু হয় ১৯৪৫ সালে।
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তির মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে চলা স্নায়ুযুদ্ধ অবসান হয়েছিলো ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে।
- সোভিয়েত ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শেষ পর্যন্ত রাশিয়া শক্ত অবস্থান নিয়েই টিকে আছে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে।

⇒ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তিতে পরিণত হয়।
- এ সময়ে মার্শাল প্ল্যানের (১৯৪৭) মাধ্যমে ইউরোপ পুনর্গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাধ্যমে দুটো বিপরীত বৈশ্বিক শক্তি ও আদর্শের বিকাশ ঘটে।
- পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পশ্চিম ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট।
- একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট।
- পুরো স্নায়ুযুদ্ধের কালজুড়ে মধ্য ইউরোপের উভয় পক্ষের দেশগুলো পরস্পরের দিকে তাক করে রেখেছিল পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
২৫.
‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্রটির উদ্ভাবক কোন দেশ?
  1. সিরিয়া
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
ক্ষেপণাস্ত্র ‘ওরেশনিক’:
- রাশিয়ার তৈরি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ওরেশনিক’।

উল্লেখ্য,
- ওরেশনিক এক নতুন মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম।
- পেন্টাগন বলেছে, ‘আরএস–২৬ রুবেজ’ নামের আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে ওরেশনিক।
- হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শব্দের চেয়ে অন্তত পাঁচ গুণ গতিতে ছুটতে পারে।
- আবার পথিমধ্যে পারে কৌশল বদলাতে, এ কারণে এগুলো শনাক্ত করা ও আটকে দেওয়া অধিকতর কঠিন।
- ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে ১০ গুণ গতিতে ছুটে যায়।

উৎস: i) BBC.
ii) The Business Standard.
২৬.
পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমার নাম কী?
  1. ট্রিনিটি
  2. থাড
  3. এক্সটেন্ট
  4. আরডিএস
সঠিক উত্তর:
ট্রিনিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রিনিটি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমা:
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল।
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।

⇒ ১৬ই জুলাই ১৯৪৫ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের ইয়োর্নাদা দেল মুয়ের্তো মরুভূমিতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালানো হয়েছিল।
- এর সাংকেতিক নাম ছিল ট্রিনিটি।

⇒ জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: BBC.
২৭.
'NPT' চুক্তি অনুসারে, নিম্নের কোনটি পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্র নয়?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
 
'NPT' চুক্তি অনুসারে, 
- আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

উল্লেখ্য,
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি। কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।
- উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল। কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও, 
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।
২৮.
OSCE নিম্নের কোন অঞ্চলের নিরাপত্তা সংগঠন?
  1. লাতিন আমেরিকা
  2. দক্ষিণ এশিয়া
  3. ইউরোপ
  4. পূর্ব আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ
ব্যাখ্যা
OSCE:
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: The Organisation for Security and Co-Operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন। 
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: ফেরিদুন এইচ. সিনিরলিওগলু  (তুর্কিয়ে)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০-এর দশকের ডিটেনটে পর্বে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংলাপের জন্য Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের হেলসিঙ্কি চুক্তি CSCE-কে একটি বহুপাক্ষিক ফোরাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল।
- ১৯৯০ সালের প্যারিস শীর্ষ সম্মেলনে CSCE নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- এরপর, ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট শীর্ষ সম্মেলনে CSCE এর নাম পরিবর্তন করে OSCE রাখা হয়।

উৎস: OSCE ওয়েবসাইট।
২৯.
THAAD কোন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে সক্ষম?
  1. ব্যালিস্টিক মিসাইল
  2. ক্রুজ মিসাইল
  3. এন্টি-শিপ মিসাইল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ব্যালিস্টিক মিসাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যালিস্টিক মিসাইল
ব্যাখ্যা
THAAD:
- ‘THAAD’ এর পূর্ণরুপ: Terminal High Altitude Area Defense।
- ‘থাড’ হলো একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা যা স্বল্প, মাঝারি এবং মধ্যবর্তী-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে সক্ষম।
- এটিই একমাত্র মার্কিন সিস্টেম যা বায়ুমণ্ডলের ভেতরে ও বাইরের লক্ষ্যবস্তুকে বাধা দিতে সক্ষম।
- THAAD ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি।
- এর নির্মাতা লকহিড মার্টিন কোম্পনি।
- এটি প্রাথমিক ভাবে ২০১২ সালের এপ্রিলে মোতায়েন করা হয়।

⇒ ‘থাড’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, এটিতে কোনো বিস্ফোরক ওয়ারহেড নেই। এর পরিবর্তে, এটি গতিশক্তি ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করে। অর্থাৎ এটি কোনো ওয়ারহেড বিস্ফোরণ না ঘটিয়েই নিজস্ব শক্তি দিয়ে আগত ক্ষেপণাস্ত্রকে আঘাত করে।

⇒ ‘থাড’ প্রধান চারটি উপাদান:
- ইন্টারসেপ্টর: কার্যকরী বল প্রয়োগ করে তার দিকে আগত ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করে।
- লঞ্চ ভেইকেল: মোবাইল ট্রাক যা ইন্টারসেপ্টর বহন করে এবং উৎক্ষেপণ করে।
- রাডার: ৮৭০ থেকে ৩ হাজার কিলোমিটার রেঞ্জের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি শনাক্ত করে।
- ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম: উৎক্ষেপিত ও টার্গেট করা ইন্টারসেপ্টরগুলো সমন্বয় করে।

উল্লেখ্য,
- ব্যালিস্টিক মিসাইল: এই মিসাইলগুলি সাধারণত বায়ুমণ্ডলের বাইরে উড্ডয়ন করে এবং এরপর আবার বায়ুমণ্ডলে ফিরে এসে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে।
- ক্রুজ মিসাইল: ক্রুজ মিসাইলগুলি স্থল বা জল থেকে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে এবং তারা একটানা নিম্ন উচ্চতায় উড্ডয়ন করে, প্রায় একটি বিমান যেমন গতি নিয়ে লক্ষ্যবস্তুর দিকে এগিয়ে যায়।
- এন্টি-শিপ মিসাইল: এই মিসাইলগুলি জাহাজের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত উপকূলীয় অঞ্চলে আক্রমণ করতে সক্ষম। এটি সমুদ্রের উপরে বা তার নিচে চলতে পারে।

উৎস: i) Lockheed Martin ওয়েবসাইট।
ii) CRS Reports (.gov) ওয়েবসাইট। 
৩০.
Global Zero কর্মসূচী কি নিয়ে কাজ করে?
  1. অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ
  2. দারিদ্র্য দূরীকরণ
  3. পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূল
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূল
ব্যাখ্যা
Global Zero কর্মসূচী:
- Global Zero একটি আন্তর্জাতিক আন্দোলন যা বিশ্বের পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংসের লক্ষ্যে কাজ করছে।

- এই কর্মসূচীর মূল উদ্দেশ্য হলো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার এবং বিস্তার রোধ করা এবং একটি পারমাণবিক অস্ত্রবিহীন পৃথিবী গঠন করা।

⇒ Global Zero আন্দোলন ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে প্যারিসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গ্লোবাল জিরো এখন পর্যন্ত ৩০০টিরও বেশি বিশ্বনেতা এবং কয়েক লাখ নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এটি চারটি গ্লোবাল জিরো সামিট এবং বহু আঞ্চলিক সম্মেলন আয়োজন করেছে।
- ২৯টি দেশে ১৭৫টিরও বেশি ক্যাম্পাস অধ্যায় গড়ে তুলেছে।

উৎস: Global Zero ওয়েবসাইট।
৩১.
RAW প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কোন বছর?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৭০ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
RAW:
- RAW-এর পূর্ণরূপ: Research and Analysis Wing.
- এটি ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৬৮ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন: রামেশ্বর নাথ কাও।
- এর বর্তমান প্রধান: সামন্ত গোয়েল।
- প্রধান কার্যালয়: নয়াদিল্লি, ভারত।

⇒ প্রাথমিক কাজ:
- বিদেশে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা;
- জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশ্লেষণমূলক তথ্য প্রদান করা;
- সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সহযোগিতা করা;
- দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উল্লেখ্য,
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- ১৯৬২ সালের যুদ্ধে চীনের নিকট ভারতের পরাজয়ের দুর্বলতার অনুসন্ধানে ভারত সরকার একটি স্বতন্ত্র ও কার্যকর বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

উৎস: Britannica.
৩২.
ভারত নিম্নের কোন দেশের সাথে '১২৩ চুক্তি' স্বাক্ষর করেছে?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. পাকিস্তান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে '১২৩ চুক্তি' স্বাক্ষর করেছে।

ধারা ১২৩ চুক্তি (Section 123 Agreement):

- ধারা ১২৩ চুক্তি হলো মার্কিন পরমাণু শক্তি আইনের একটি অংশ যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে পারমাণবিক শক্তি সম্পর্কিত সহযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো প্রদান করে।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তি আইন ১৯৫৪-এর ধারা 123 এর অধীনে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 
- এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পারমাণবিক উপাদান, প্রযুক্তি বা সরঞ্জাম স্থানান্তর এবং অন্যান্য দেশগুলোর সাথে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২৫টি ১২৩ চুক্তি কার্যকর রয়েছে।
- এই চুক্তিগুলি ৪৯টি দেশ, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA), এবং তাইওয়ানের গভর্নিং কর্তৃপক্ষের সাথে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা পরিচালনা করে।

⇒ ভারত-মার্কিন অসামরিক পারমাণবিক চুক্তি (Indo-US Civilian Nuclear Agreement):
- ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে ১২৩ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা ভারত-মার্কিন অসামরিক পারমাণবিক চুক্তি (Indo-Us Nuclear Agreement) নামে পরিচিত।
- এই চুক্তির খসড়া ২০০৫ সালে ১৮ জুলাই শুরু হয়। 
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিংহ এবং মার্কিন রাষ্ট্রপতি জর্জ ডব্লিউ বুশের যৌথ বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে প্রকাশিত হয়।
- এই চুক্তিটির কার্যকারিতার জন্যে প্রায় তিন বছরের উর্দ্ধে সময় লাগে কারণ বিভিন্ন জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এটি অতিক্রান্ত হয়, এমনকি মার্কিন জাতীয় আইন এবং ১৯৫৪ সালের পারমাণবিক শক্তি আইনের (Atomic Energy Act of 1954) সংশোধন করতে হয়।
- ভারত- মার্কিন পারমাণবিক জ্বালানি ও প্রযুক্তি বিদ্যার সহযোগিতায় এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনে, আমেরিকা ভারতের সাথে সম্পূর্ণ বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতায় সম্মত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০০৮ সালে।

উৎস: i) Department of Energy (.gov) ওয়েবসাইট।
ii) Raja Narendra Lal Khan Women's College।
৩৩.
নিম্নোক্ত কোন ব্যক্তি 'পিএলও' সংগঠনের নেতা হিসেবে পরিচিত?
  1. ইতজাক রাবিন
  2. ইয়াসির আরাফাত
  3. আনোয়ার সাদাত
  4. জামাল আবদেল নাসের
সঠিক উত্তর:
ইয়াসির আরাফাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াসির আরাফাত
ব্যাখ্যা
পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।

উল্লেখ্য,
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
৩৪.
Extradition Treaty চুক্তি সাধারণত কোন বিষয়ে সাহায্য করে?
  1. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ
  2. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা
  3. এক দেশের অপরাধীকে অন্য দেশে ফেরত পাঠানো
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
এক দেশের অপরাধীকে অন্য দেশে ফেরত পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক দেশের অপরাধীকে অন্য দেশে ফেরত পাঠানো
ব্যাখ্যা
Extradition Treaty:
- Extradition Treaty বা প্রত্যর্পণ চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যার মাধ্যমে একটি দেশ অপরাধে অভিযুক্ত বা দোষী ব্যক্তিকে অন্য একটি দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে।
- এই চুক্তি সাধারণত দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়, যাতে এক দেশ অপরাধীকে অন্য দেশ থেকে প্রত্যর্পণ করতে পারে, যদি সেই ব্যক্তি ওই দেশের আইনের অধীনে অপরাধ করেছে এবং সে দেশে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ফেরত পাঠানো প্রয়োজন।

⇒ এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশ তাদের নাগরিকদের অপরাধের জন্য একে অপরকে ফেরত পাঠানোর জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ শর্তসমূহ:
- প্রত্যর্পণের জন্য অপরাধটি উভয় দেশে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে হবে।
- রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে করা অপরাধ বা রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- যদি অনুরোধকারী দেশে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি অমানবিক আচরণ বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকে, তবে সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- অপরাধীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রমাণ থাকতে হবে।

উৎস: Britannica.
৩৫.
কোন দুইটি দেশের মধ্যে ‘হেবরন চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইসরাইল ও ফিলিস্তিন
  2. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  3. ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল ও ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল ও ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
হেবরন চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ‘হেবরন চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ জানুয়ারি, ১৯৯৭ সালে।
- এ চুক্তিতে ফিলিস্তিনি চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের অধিকাংশ থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে একমত হন।
- এই চুক্তি ছিল ইসরাইলি-প্যালেস্টিনিয়ান অটোনমি চুক্তির অংশ।

উল্লেখ্য,
- চুক্তি অনুযায়ী, হেবরনের দুটি প্রধান অংশের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাগাভাগি করা হয়। হেবরনের একটি অংশ (খোলার) ফিলিস্তিনের নিরাপত্তা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে ছিল, এবং অন্য অংশ (ইহুদিবাদী বসতি) ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।

উৎস: The Washington Institute।
৩৬.
প্রথম মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন:
- এটি Moscow Conference on International Security নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
- এই সম্মেলনের আয়োজক রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
- প্রথম মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালে। 
- এই ফোরাম ক্রমাগত আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার সবচেয়ে প্রকৃত সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে তার ভূমিকাকে শক্তিশালী করে।

উৎস: মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন ওয়েবসাইট।
৩৭.
১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত হেলসিঙ্কি চুক্তিতে কয়টি দেশ স্বাক্ষর করেছিল?
  1. ৮টি
  2. ১২টি
  3. ২৩টি
  4. ৩৫টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords):
- হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords) ১৯৭৫ সালে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নসহ মোট ৩৫টি দেশ দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ আগস্ট, ১৯৭৫।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৩৫টি।
- এটি Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE)-এর আওতায়, ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল শীতল যুদ্ধের উত্তেজনা কমানো, ইউরোপের নিরাপত্তা এবং সহযোগিতা বাড়ানো এবং মানবাধিকার ও স্বাধীনতার রক্ষায় সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি প্রদান।

⇒ চুক্তির মূল বিষয়:
- সীমান্ত অখণ্ডতা বজায় রাখা।
- মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা।
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, এবং পরিবেশগত সহযোগিতা।

উৎস: Britannica.
৩৮.
'হেগ চুক্তি' সংশোধন করে স্বাক্ষরিত হয় -
  1. প্রথম জেনেভা কনভেনশন
  2. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন
  3. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন
  4. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
৩৯.
জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) এর প্রথম সম্মেলনে কয়টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল?
  1. ১২টি
  2. ১৮টি
  3. ২২টি
  4. ২৫টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন.
- এটি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: উগান্ডা- ইওয়েরি মুসেভেনি (২০২৪-২৭)।
- ন্যামের প্রথম প্রেসিডেন্ট: ইয়োসিপ ব্রোজ টিটো (মার্শাল টিটো)।

উল্লেখ্য,
⇒ এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং-এ এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি দেশের অংশগ্রহণে বান্দুং সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর ভূমিকা, শান্তি বজায় রাখা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উপনিবেশবাদ থেকে ‍মুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়।
- বান্দুং সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ জোট নিরপেক্ষ অবস্থা অবলম্বনের নীতি গ্রহণ করে।
- এর অংশ হিসেবে ভারতের জওহরলাল নেহেরু, ইন্দোনেশিয়া ড. আহমেদ সুকর্ণ, মিশরের গামাল আবদেল নাসের প্রমুখ নেতৃত্ববৃন্দের উদ্যোগে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর ২৫টি দেশের অংশগ্রহণে সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে প্রথম NAM শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
৪০.
ন্যাটো চুক্তির কোন ধারা অনুযায়ী, নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্ত হতে পারে?
  1. অনুচ্ছেদ - ৫
  2. অনুচ্ছেদ - ৮
  3. অনুচ্ছেদ - ১০
  4. অনুচ্ছেদ - ১৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১০
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

• অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৪১.
কত সালে 'INF' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
'INF' চুক্তি:
- INF-এর পূর্ণরূপ: The Intermediate-Range Nuclear Forces.
- এটি হলো মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮৭ সালের ৮ ডিসেম্বর। 
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- স্বাক্ষরকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।

উল্লেখ্য,
⇒ চুক্তিবলে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
- ১ জুন, ১৯৯১ তারিখ চুক্তির বাস্তবায়নের সময়সীমার মধ্যে দেশ দুটি প্রায় ২৬৯২টি মিসাইল ধ্বংস করে।
- কিন্তু এই চুক্তিটি অকার্যকর হয়ে যায় যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন।
- ২ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে INF চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Arms Control Association. [link]