পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়13 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২০ বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -------------- টপিক: i) কম্পিউটার ও মোবাইল নেটওয়ার্কিং, টপোলজি, ডাটাবেজ, সংখ্যা পদ্ধতি, লজিক গেইট, সাইবার অপরাধ, ক্লাউড কম্পিউটিং। ii) কম্পিউটারের পেরিফেরালস, সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান, তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত Abbreviation. [নম্বর কাভার - ৬]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
49 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 01101001
  2. 01001011
  3. 01001001
  4. 01001101
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

4 এর বিসিডি 0100
9 এর বিসিডি 1001
∴ 49 এর বিসিডি 01001001

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডেটাবেজ প্যাকেজ প্রোগ্রাম নয় কোনটি?
  1. Ms-Excel
  2. Informix
  3. Foxpro
  4. Oracle
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-

• Word Processing Package Program:
- Word Star,
- Word Perfect,
- Ms-Word,
- Word Note ইত্যাদি।

• Spreadsheet Package Program:
- Lotus 1-2-3,
- Ms-Excel,
- Quattro Pro ইত্যাদি।

• Database Package Program:
- dBase,
- Foxpro,
- Oracle,
- Informix,
- Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
"Alphabet Inc." এর বর্তমান সিইও কে?
  1. Sundar Pichai
  2. Satya Nadella
  3. Arvind Krishna
  4. Jensen Huang
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন]

•  Google (Alphabet Inc.):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- CEO: Sundar Pichai (Oct 2, 2015 - present).
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

অপশন আলোচনা:
- Microsoft এর CEO হচ্ছেন - Satya Nadella.
- IBM এর CEO হচ্ছেন - Arvind Krishna.
- NVIDIA এর CEO হচ্ছেন - Jensen Huang.
 
এছাড়াও,
- Facebook (Meta) এর CEO হচ্ছেন - Mark Zuckerberg.
- Tesla, SpaceX এর CEO হচ্ছেন - Elon Musk.
- X (Twitter) এর CEO হচ্ছেন - Linda Yaccarino.
- Apple Inc. এর CEO হচ্ছেন - Tim Cook.
 
- Intel এর CEO হচ্ছেন - Patrick Pat Gelsinger.
- Oracle এর CEO হচ্ছেন - Safra Catz.
- Cisco Systems এর CEO হচ্ছেন - Chuck Robbins.
- Amazon এর CEO হচ্ছেন - Andy Jassy.

উৎস: Websites of Google, Microsoft, Apple Inc., Amazon, Facebook (Meta), Tesla, SpaceX, X (Twitter), IBM, Intel, Oracle, Cisco Systems, NVIDIA.
.
নিচের কোনটি NOR গেইট?
    ব্যাখ্যা
    • NOR গেইট:
    - OR গেইট + NOT গেইট = NOR গেইট।
    - NOR গেইট OR গেইটের বিপরীত।
    - NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
    - কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

    figure: NOR গেইট।

    অপশন আলোচনা:

    এটি AND গেইট।


    এটি OR গেইট।


    এটি NAND গেইট।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    .
    মেশ টপোলজিতে 6 টি নোডের জন্য মোট তারের সংখ্যা কত?
    1. 15 টি
    2. 12 টি
    3. 21 টি
    4. 36 টি
    ব্যাখ্যা
    • মেশ টপোলজি (Mesh Topology):
    - যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
    - এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
    - রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারকে প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
    - মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
    - নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়।
    - একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
    - এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n - 1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n - 1)/2.

    • নোড n = 6 হলে, তারের সংখ্যা = 6(6 - 1)/2 = 15 টি।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
    .
    "111110" এর সমতুল্য ডেসিমেল কত?
    1. 58
    2. 59
    3. 61
    4. 62
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: "111110" এর সমতুল্য ডেসিমেল কত?
     
    সমাধান:
    (111110)2
    (1 × 25) + (1 × 24) + (1 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (0 × 20)
    = (1 × 32) + (1 × 16) + (1 × 8) + (1 × 4) + (1 × 2) + (0 × 1)
    = 32 + 16 + 8 + 4 + 2 + 0
    = 62
     
    ∴ (111110)2 = (62)10
    .
    নিচের কোনটি ব্রাউজিং সফটওয়্যার নয়?
    1. Safari
    2. Edge
    3. Sheets
    4. Firefox
    ব্যাখ্যা
    • স্প্রেডশিট সফটওয়্যার:
    - অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার।
    - যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে ।
     
    স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের উদাহরণ:
    - Microsoft Excel,
    - Google Sheets,
    - iWork Numbers,
    - LibreOffice Calc,
    - Apache OpenOffice Calc,
    - WPS Office Spreadsheets,
    - Smartsheet,
    - Calc (Calligra) ইত্যাদি।
     
    • Browser:
    - ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন, যেটি ব্যবহার করা হয় ইন্টারনেটে সক্রিয় ওয়েবসাইট গুলোর ওয়েব সার্ভার এর সাথে সংযোগ স্থাপন করা যায়।
    - এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী যেকোনো ওয়েবপেইজ, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে অথবা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে অবস্থিত কোনো ওয়েবসাইটের যেকোনো লেখা, ছবি এবং অন্যান্য তথ্যের অনুসন্ধান করতে পারে, দেখতে পারে। 
    কিছু উল্লেখযোগ্য ব্রাউজার হল:
     
    - Google Chrome,
    - Mozilla Firefox,
    - Microsoft Edge,
    - Apple Safari,
    - Opera,
    - Tor Browser,
    - UC Browser,
    - Waterfox,
    - DuckDuckGo Browser (Known for its privacy features, it automatically blocks hidden third-party trackers.)
     
    উৎস:
    ১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
    .
    ডেটাকে Ascending Order এবং Descending Order- এ সাজানোকে বলা হয় -
    1. সর্টিং
    2. কুয়েরি
    3. ইনডেক্সিং
    4. কোনটি নয়
    ব্যাখ্যা
    সর্টিং: 
    - ডাটাকে ঊর্ধবক্রম থেকে অধঃক্রম অনুসারে সাজানোকে সর্টিং বলা হয়। 
    - ডেটাকে দুইভাবে সাজানো বা সর্টিং করা যায়।
    - যেমন: ছোট থেকে বড় (Ascending Order) ও বড় থেকে ছোট (Descending Order). 

    ইনডেক্সিং:
    - ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ড সমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
    - কোন ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানো হয়। 

    কুয়েরি: 
    - ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ, পুনরূদ্ধার, ডেটা মডিফাই, ডিলিট ইত্যাদি অপারেশনকে বুঝায়।
    - যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
    - তিনটি কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ সর্বাধিক প্রচলিত - QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি।

    সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    .
    পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য কোন মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়?
    1. XOR
    2. NOT
    3. OR
    4. AND
    ব্যাখ্যা
    • লজিক গেইট:
    - লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
    - লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
    - মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
     
    OR gate:
    - বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
     
    AND gate:
    - বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
     
    NOT gate:
    - বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
     
    অন্যদিকে,
    - XOR গেইট একটি বিশেষ গেইট।
     
    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ১০.
    16 বিটের ডেটা বাসের মধ্য দিয়ে একক সময়ে কত বিট ডেটা চলাচল করতে পারে?
    1. 16 বিট
    2. 8 বিট
    3. 4 বিট
    4. 32 বিট
    ব্যাখ্যা
    সিস্টেম বাস (System Bus):
    - যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
    - সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

    সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
    ১। ডেটা বাস (Data Bus),
    ২। অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
    ৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

    ডেটা বাস (Data Bus):
    - কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরের বিভিন্ন উপাদান যেমন মাইক্রোপ্রসেসর, হার্ডডিস্ক, র‍্যাম, ইনপুট/আউটপুট পোর্ট ইত্যাদির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে যে বাস ব্যবহৃত বাসকে ডেটা বাস বলা হয়।
    - ডেটা বাসের মাধ্যমে কম্পিউটার ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস থেকে প্রসেসর এবং প্রসেসর থেকে মেমরি অথবা মেমরি থেকে প্রসেসর এবং মেমরি থেকে ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে।
    - এ ধরনের বাসের মধ্যে উভয় দিকেই ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
    - তাই ডেটা বাসকে দ্বিমুখী বা Bi-directional বাস বলা হয়।
    - ডেটা বাস ৪ বিট, 16 বিট, 32 বিট, 64 বিট বা তারও বেশি ক্ষমতার হতে পারে।
    - যেমন, 16 বিটের ডেটা বাসের মধ্য দিয়ে একক সময়ে 16 বিট ডেটা চলাচল করতে পারে।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১১.
    ক্লাউড কম্পিউটিং এ PaaS এর পূর্ণরূপ কী?
    1. Process as a Service
    2. Program as a Service
    3. Platform as a Service
    4. Product as a Service
    ব্যাখ্যা
    • ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
    - ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-

    ১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
    - এই ধরনের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে। 
    - এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
    - আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
     
    ২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
    - এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
    - গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরনের সেবার উদাহরণ।
     
    ৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
    - সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
    - Google Docs এই ধরনের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।
     
    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
    ১২.
    প্রত্যেকটি এট্রিবিউটের যে মান থাকে তাকে কী বলে?
    1. ভ্যালু
    2. রেকর্ড
    3. এট্রিবিউট
    4. এনটিটি সেট
    ব্যাখ্যা
    এনটিটি:
    - এনটিটি হচ্ছে সত্তা যা দিয়ে অবজেক্টকে চিহ্নিত করা যায়।
    - কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডাটার এনটিটি।
    - যেমন- একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়।
    - এনটিটির বাস্তব উপস্থিতি থাকতে পারে অথবা এটি শুধুমাত্র ধারণার উপর ভিত্তি করে হতে পারে।

    এনটিটি সেট:
    - একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
    - একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।

    এট্রিবিউট:
    - প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে।
    - অর্থাৎ, এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

    ভ্যালু:
    - প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।

    কী:
    - সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়।
    - এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।

    সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১৩.
    কোন প্রতিষ্ঠানে SQL তৈরি করা হয়?
    1. IBM
    2. Microsoft
    3. Apple
    4. Google
    ব্যাখ্যা
    SQL:
    - SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language.
    - এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
    - রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
    - অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
    - বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
    - এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
    - অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
    - SQL কুয়েরি প্রয়োগ করার জন্য SQL উইন্ডো ওপেন করে নিতে হয়।
    - ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

    তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১৪.
    সিস্টেম সফটওয়্যার নয় কোনটি?
    1. DOS
    2. Linux
    3. Windows Xp
    4. Oracle
    ব্যাখ্যা
    • সফটওয়্যারের শ্রেণি বিভাগ:
    - কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: 
    ১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) ও
    ২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার।
     
    • সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
    - সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
    - এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। 
    - কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে। 
    - DOS, Windows Xp, Linux, Unix, Mac OS, Solaris ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।
     
    • অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
    - অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
    - ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:
    - Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, MS Word, Word Note.
    - Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
    - Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।
     
    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১৫.
    PCI এর পূর্ণরূপ কোনটি?
    1. Peripheral Component Interconnect
    2. Primary Circuit Integration
    3. Personal Computing Interface
    4. Portable Computing Interface
    ব্যাখ্যা
    • কম্পিউটার বাস:
    - বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটালি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।
    - বাস দুই প্রকার। যথা:

    ১. সিস্টেম বাস:
    - যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
    - সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
    - সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস।

    ২. এক্সপানশনস বাস:
    - যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
    ১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture),
    ২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture),
    ৩. লোকাল বাস – 
    - ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture),
    - পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect),
    ৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus),
    ৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Firewire Bus) ev IEEE 1394,
    ৬. এজিপি (AGP – Accelerated Graphics Port), ইত্যাদি।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১৬.
    "8D" এর সমতুল্য ডেসিমেল কত?
    1. 121
    2. 131
    3. 67
    4. 141
    ব্যাখ্যা
    • হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
    - যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
    - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
    - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
    - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।  
    - A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
    - ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
    - এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
     
    ∴ (8D)16 = (8 × 161) + (13 × 160
    = 128 + 13
    = (141)10
     
    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১৭.
    কোনটিতে 'one-to-many communication' মডেল ব্যবহার করা হয়?
    1. মাল্টিকাস্ট
    2. ব্রডকাস্ট
    3. ইউনিকাস্ট
    4. কোনটি নয়
    ব্যাখ্যা
    ডাটা কমিউনিকেশন:
    - ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডাটা পাঠানো হয় ৷
    - প্রাপকের সংখ্যা ও ডাটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় ৷ এগুলো হলো-

    ১) ইউনিকাস্ট (Unicast):
    - এ পদ্ধতিতে একটি প্রেরক থেকে শুধু একটি প্রাপকই ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
    - অনেক প্রাপক একসাথে ডাটা গ্রহণ করতে পারে না, এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট মোডও বলা হয়  বা
    - Unicast কে point-to-point communication বলা হয়। কারণ, Unicast 'Large Audience'- এর জন্য প্রযোজ্য না।
    - Unicast- এ 'one-to-one communication' ব্যবহার করা হয়।

    ২) ব্রডকাস্ট (Broadcast):
    - ব্রডকাস্ট মোডে কোন একটি যন্ত্র (কম্পিউটার, বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীন সকল যন্ত্র গ্রহণ করতে পারে।
    - টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ করতে পারে, এটি Broadcast- এর উদাহরণ।
    - Broadcast- এ 'one-to-all communication' মডেল ব্যবহার করা হয়।

    ৩) মাল্টিকাস্ট (Multicast):
    - মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের একটি নোড থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেওয়ার্কের অধীন সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না।
    - শুধু নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে।
    - ভিডিও কনফারেসিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।
    - Multicast- কে  'balance between unicast and broadcast'- ও বলা যায়।
    - Multicast- এ 'one-to-many communication' মডেল ব্যবহার করা হয়।

    উৎস:
    ১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২) IEEE Transactions on Communications.
    ১৮.
    কোন হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহিত করে?
    1. White hat hacker
    2. Black hat hacker
    3. Grey hat hacker
    4. Red hat hacker
    ব্যাখ্যা
    • হ্যাকিং (Hacking):
    - প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়। 
    - বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
    যথা:
     
    • গ্রে হ্যাট হ্যাকার (Grey hat hacker):
    - এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ (Legal) ও অবৈধ (Illegal) দুই ধরনের কাজ করতে পারে। 
    - একজন Grey hat hacker যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে। 
    - এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
     
    • ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার (Black hat hacker):
    - একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। 
    - বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
     
    • হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার (White hat hacker):
    - একজন white hat hacker একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহিত করে।
    - সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।
     
    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
    ১৯.

    নিচের কোনটি উপরের চিত্রের ন্যায় ডেটা ট্রান্সমিট করে?
    1. রেডিও
    2. টিভি
    3. টেলিফোন
    4. কোনটি নয়
    ব্যাখ্যা
    • ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
    - ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা পাঠানো হয়।
    - উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
    - ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
    ১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
    ২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) এবং 
    ৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)। 

    • সিমপ্লেক্স:
    - শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
    - এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না।
    - চিত্রে, A হতে B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করা যাবে। কিন্তু B হতে A এর দিক ডাটা প্রেরণ সম্ভব নয়।
    - উদাহরণ: রেডিও, টিভি।

     

    • হাফ-ডুপ্লেক্স:
    - হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
    - চিত্রে, হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডেটা প্রেরণ করবে B তখন ডেটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। A এর প্রেরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে B ডেটা প্রেরণ করতে পারবে।
    - উদাহরণ: ওয়াকিটকি।


    • ফুল-ডুপ্লেক্স:
    - এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডেটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
    - যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডেটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
    - চিত্রে, ফুল-ডুপ্লেক্সের ক্ষেত্রে, A যখন B এর দিকে ডেটা প্রেরণ করবে B ও তখন A এর দিকে ডেটা প্রেরণ করতে পারবে। 
    - উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল।


    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২০.
    DQL এর পূর্ণরূপ কোনটি?
    1. Data Query Language
    2. Database Query Logic
    3. Digital Query Link
    4. Data Query Logic
    ব্যাখ্যা
    • SQL:
    - SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language।
    - ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
    - ডেটা ডেফিনেশন ও ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ হিসেবে বিভিন্ন RDBMS (যেমন- DB2, SQL/DS ORACLE, INGRES, FOXPRO ইত্যাদি) এ ব্যবহৃত হয়।
    - Tuple Calculas এর উপর ভিত্তি করে SQL তৈরি করা হয়েছে।
    - SQL ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে থাকে। যেমন-

    ১. ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Data Query Language - DQL):
    - ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা কুয়েরি করে ব্যবহার করা হয়।
    - SELECT স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটা পুনরুদ্ধার করা হয়।

    ২. ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Defination Language - DDL):
    - DDL এর সাহায্যে টেবিলের গঠন পরিবর্তন যেমন- টেবিল তৈরি, টেবিল আপডেট, টেবিল মুছে ফেলা ইত্যাদি পরিবর্তনগুলি করা হয়।
    - CREATE স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটাবেজে নতুন টেবিল তৈরি করা হয়
    - ALTER স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটাবেজের স্ট্রাকচার পরিবর্তন যেমন- টেবিলে নতুন কোন ফিল্ড যোগ করা বা ডিলিট করা ইত্যাদি কাজ করা হয়।
    - ডেটাবেজের টেবিল মুছে ফেলতে DROP স্টেটমেন্টেটি ব্যবহৃত হয়।

    ৩. ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Manipulation Language - DML):
    - এক বা একাধিক রেকর্ড মুছে ফেলার জন্য DELETE কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
    - এক বা একাধিক রেকর্ড এন্ট্রি করার জন্য INSERT কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
    - এক বা একাধিক রেকর্ড হালনাগাদ বা আপডেট করার জন্য UPDATE কমান্ড ব্যবহার করা হয়।

    ৪. ডেটা কন্ট্রোল ল্যাংগুয়েজ (Data Control Language - DCL):
    - DCL এর সাহায্যে ডেটাবেস ব্যবহারকারীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।