পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬: (পুরাতন রাউন্ড) টপিক সমূহ: রিভিশন [পরীক্ষা ১৩ - ১৫] [ক্লাস ১৫ - ২০] ক্লাস মেন্টর - আব্দুর রাজ্জাক
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
কোনটি প্রাইমারি সেল নয়?
  1. ডেনিয়েল কোষ
  2. লেড সঞ্চয়ী কোষ
  3. লেকল্যান্স কোষ
  4. ভোল্টার কোষ
সঠিক উত্তর:
লেড সঞ্চয়ী কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেড সঞ্চয়ী কোষ
ব্যাখ্যা
প্রাইমারি সেল বা প্রাথমিক কোষ: 
- যে বিদ্যুৎ কোষ নিজেই নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করে বিদ্যুৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বা মৌলিক কোষ বলে।   যেমন - ভোল্টার কোষ, লেকল্যান্স কোষ, ডেনিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ ইত্যাদি। 
- শুষ্ক কোষে কোন তরল ব্যবহৃত হয় না। 

গৌণ কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ বা সেকেন্ডারি কোষ:
- যে বিদ্যুৎ কোষে বাইর থেকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে বিদ্যুৎ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিরূপে সঞ্চিত রাখা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে গৌণ কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ বা সেকেন্ডারি কোষ বলে। 
- সাধারণত লেড সঞ্চয়ী কোষ ও নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ নামক দুটি সঞ্চয়ী কোষ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।
.
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ কী নামে পরিচিত?
  1. বিষুবরেখা
  2. অক্ষরেখা
  3. দ্রাঘিমারেখা
  4. সুমেরু রেখা
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমারেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
- পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমারেখা।
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের নিকটবর্তী গ্রীনিচ নামক স্থানে একটি মান মন্দির বরাবর যে দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- এই মূল মধ্যরেখাটির মান ০° ধরে নেয়া হয় এবং প্রতি ১° অন্তর অন্তর একটি করে দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা বরাবর সমস্ত পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে দুইভাগে বিভক্ত করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- অপরদিকে মূল মধ্য রেখা থেকে পশ্চিমে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- পৃথিবী পৃষ্ঠে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত মোট দ্রাঘিমারেখার সংখ্যা ৩৬০টি।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ার ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা মূলত একই মধ্যরেখার পড়ে।
- এই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
C-14 আইসোটোপে নিউট্রন সংখ্যা কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ৭টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
কার্বোনের আইসোটোপ এবং তাদের মৌলিক কণিকার সংখ্যা:

- C-12:  6টি প্রােটন এবং 6টি নিউট্রন,
- C-13:  6টি প্রােটন এবং 7টি নিউট্রন,
- C-14:  6টি প্রােটন এবং ৪টি নিউট্রন।

- এখানে, C14 বলতে আসলে ১৪ পারমানবিক ভর বিশিষ্ট কার্বনকে বুঝানো হয়েছে। আমরা জানি ভর হলো নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যার সমষ্টি। কার্বনের প্রোটন সংখ্যা ৬ তাই C14  এ নিউট্রনের সংখ্যা (১৪ - ৬) বা ৮টি।
- কার্বনের এই তিনটি আইসােটোপের মাঝে C14 অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়।

উৎস: নবম দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান।
.
P- type অর্ধপরিবাহীতে অপদ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় -
  1. গ্রুপ-১৩
  2. গ্রুপ-১১
  3. গ্রুপ-১৫
  4. গ্রুপ-১৮
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-১৩
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping):
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে। 
- অর্থাৎ, পরিবাহিতা বৃদ্ধির জন্য সেমিকন্ডাক্টরে অপদ্রব্য মেশানোকে ডোপিং বা ডোপায়ন বলে। 
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। 
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যথা - 

১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

ডোপায়নের ফলে ২ ধরনের অবিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টর পাও্যা যায়। যথা -
১. P-type - বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহির সাথে অপদ্রয় হিসেবে তৃযোজী বা গ্রুপ ১৩ এর মৌল যুক্ত করা হয়।
২. N-type - বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহির সাথে অপদ্রয় হিসেবে পঞ্চযোজী বা গ্রুপ ১৫ এর মৌল যুক্ত করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রকেট আবিষ্কার করেন কে?
  1. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
  2. থিওডর মাইম্যান
  3. উইলিয়াম গিলবার্ট
  4. ডব্লিউ কনগ্রিড
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ কনগ্রিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ কনগ্রিড
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন আবিষ্কার:
- ডব্লিউ কনগ্রিড রকেট আবিষ্কার করেন।

- মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো আবিষ্কার করেন।
- উইলিয়াম গিলবার্ট বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেন।
- ডিনামাইট আবিষ্কার করেন আলফ্রেড নোবেল।
- ওপেনহেইমার আবিষ্কার করেন পারমাণবিক বোমা; 
- থিওডর মাইম্যান আবিষ্কার করেন লেজার রশ্মি;
- টমাস আলভা এডিসন আবিষ্কার করেন গ্রামোফোন, ফনোগ্রাফ, সিনেমা প্রজেক্টর, ভিডিও ক্যামেরা এবং দীর্ঘস্থায়ী বৈদ্যুতিক বাতি (বাল্ব) সহ বহু যন্ত্র।
- পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। 

উৎস: Britannica.
.
সম্মুখী ঝোঁকের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. P-type ধনাত্মক প্রান্তে , N-type ঋণাত্মক প্রান্তে
  2. N-type ধনাত্মক প্রান্তে , P-type ঋণাত্মক প্রান্তে
  3. P-type, N-type উভয়ই ঋণাত্মক প্রান্তে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
P-type ধনাত্মক প্রান্তে , N-type ঋণাত্মক প্রান্তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P-type ধনাত্মক প্রান্তে , N-type ঋণাত্মক প্রান্তে
ব্যাখ্যা
সম্মুখী ঝোঁক:
- যখন জাংশনে বহিভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যাতে বিভব প্রাচীর হ্রাস পায় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ চালু হয় তখন একে সম্মুখী ঝোঁক প্রয়োগ করা বুঝায়।
- এক্ষেত্রে ব্যাটারীর ধনাত্মক প্রান্ত p-টাইপের প্রান্তের সাথে এবং ঋণাত্মক প্রাপ্ত n টাইপের প্রান্তের সাথে সংযোগ দেয়া হয়।
- যখন সম্মুখী ঝোঁক দ্বারা বিভব প্রাচীর অপসারিত হয়, জাংশনের রোধ তখন শূন্যে নেমে আসে।
- তখন p-n জাংশানে ও বহিঃস্থ বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্ঠি হয়।
- এই প্রবাহকে সম্মুখী প্রবাহ বলে।

বিমুখী ঝোঁক:
- যদি বহির্ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয়, যাতে বিভব প্রাচীরের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তবে এ ধরনের ঝোঁক প্রয়োগকে বলা হয় বিমুখী ঝোঁক প্রয়োগ বা বিপরীত বায়াসিং (Reverse biasing)।
- এক্ষেত্রে ব্যাটারীর ঋণাত্মক প্রান্ত p-টাইপের প্রান্তের সঙ্গে এবং ধনাত্মক প্রান্ত n-টাইপের প্রান্তের সঙ্গে সংযোগ দেয়া হয়।
- বিভব প্রাচীর বৃদ্ধির ফলে আধান বাহকের চলাচলে আরো অধিক বাধার সৃষ্টি হয়।
- অর্থাৎ রোধ অনেক বেড়ে যায় ফলে বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ট্রানজিস্টরে কয়টি ডায়োড ব্যবহৃত হয়?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ১ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর:
- দুটি অর্ধপরিবাহী ডায়ােডকে পাশাপাশি যুক্ত করে একটি অর্ধপরিবাহী ট্রায়ােড তৈরি করা হলে তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর প্রথম তৈরি করেন উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্ৰাটেইন।
- ট্রানজিস্টর তৈরি করতে প্রয়ােজন সেমিকন্ডাক্টর (সিলিকন, জার্মেনিয়াম)।
- p-n-p এবং n-p-n দুই ধরনের ট্রানজস্টর হয়ে থাকে।
- ট্রানজিস্টরের অপর নাম অর্ধপরিবাহী ট্রায়ােড। ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয় বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে।
- ইলেকট্রনিক্সে বিপ্লব শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে।
- ট্রানজিস্টর প্রধানত ব্যবহার করা হয় এমপ্লিফায়ার বা বিবর্ধক হিসেবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, শাহাজান তপন।
.
'তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ ফোটনের প্রবাহ'- কোন তত্ত্বের আলোচ্য বিষয়?
  1. কণা তত্ত্ব
  2. তরঙ্গ তত্ত্ব
  3. কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  4. আপেক্ষিকতার তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
ফোটন:
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে।
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টার আকার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)।

ফোটন কণার ধর্মসমূহ-  
১. প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ।
২. শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে(C= 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না।
৩. প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf; এখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশী হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশী হয়। ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
৪. নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Tsunami শব্দের অর্থ কী?
  1. পােতাশ্রয় ঢেউ
  2. উচ্চ জলোচ্ছ্বাস
  3. নদীর ঢেউ
  4. অগ্নুৎপাত
সঠিক উত্তর:
পােতাশ্রয় ঢেউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পােতাশ্রয় ঢেউ
ব্যাখ্যা
সুনামি (Tsunami):
- সুনামি’ জাপানি শব্দ। বাংলায় এর অর্থ পােতাশ্রয়ের ঢেউ।
- সাগর বা নদী বা অন্য কোন জলক্ষেত্রে ভূমিকম্পের, ভূমিধ্বসের কিংবা আগ্নেয়গিরির উদগীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলােচ্ছ্বাসকেই বলা হয় সুনামি।
- বিভিন্ন কারণে সুনামির সৃষ্টি হতে পারে।
- কারণগুলাের মধ্যে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অন্নুৎপাত, ভূমিধ্বস অন্যতম।
- তন্মধ্যে দুটি কারণ উলেখযােগ্য হলাে সমুদ্রতলের ২০-৩০ কিলােমিটার গভীরে ভূমিকম্প সংঘটন এবং টেকটোনিক প্লেটের আকষ্মিক উত্থান-পতন।
- ইতিহাসে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক সুনামি ছিল ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি । ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা উপকূলে ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি , ব্রিটানিকা এবং বাংলাপিডিয়া। 
১০.
নিচের কোনটি অপুষ্পক উদ্ভিদের বৈশিষ্ঠ নয়?
  1. স্পোর বা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন হয়।
  2. উদ্ভিদে ফুল ও ফল হয় না।
  3. দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না।
  4. শুষ্ক পরিবেশে বেশি জন্মে।
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক পরিবেশে বেশি জন্মে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক পরিবেশে বেশি জন্মে।
ব্যাখ্যা
অপুষ্পক উদ্ভিদ:
- উদ্ভিদের মধ্যে কিছুসংখ্যক উদ্ভিদে ফুল ও ফল হয় না। এরা স্পোর বা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে।
- এদের অনেকের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। এরা সমাঙ্গঁদেহী উদ্ভিদ। যথা: স্পাইরোগাইরা।
- আবার কিছু উদ্ভিদের কাণ্ড ও পাতা রয়েছে। তবে সাধরণত উদ্ভিদের ন্যায় মূল নেই। মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড রয়েছে।
- এদের স্যাঁতসেঁতে ইট, মাটি, দেয়াল ও গাছের বাকলে জন্মাতে দেখা যায়।
- এ ছাড়া পানিতে ভাসমান অবস্থায়ও এদের দেখা যায়। সাধারণত এরা পুরাতন ভেজা দেয়ালে কার্পেটের মতো নরম আস্তরণ করে ঠাসা ঠাসিভাবে জন্মে। যেমন : মস।
- ফার্ন অপুষ্পক উদ্ভিদের মধ্যে সর্বোন্নত উদ্ভিদ।
- ফার্নের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। বাড়ির পাশে স্যাঁতসেঁতে ছায়াযুক্ত স্থানে এবং পুরানো দালানের প্রাচীরে এরা প্রচুর পরিমাণে জন্মে। যেমন: ঢেঁকিশাক। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১১.
কোনটি বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ?
  1. লেবু
  2. দূর্বাঘাস
  3. কালকাসুন্দা
  4. রঙ্গন
সঠিক উত্তর:
দূর্বাঘাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূর্বাঘাস
ব্যাখ্যা
গুল্ম:
- একক গুঁড়িবিহীন ঝোপজাতীয় মাঝারি ধরনের কাষ্ঠল উদ্ভিদকে গুল্ম বলে।
- যেমন- জবা, গোলাপ, রঙ্গন, লেবু।
- গুল্ম বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ।

উপগুল্ম:
- গুল্মের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট আকৃতির উদ্ভিদকে উপগুল্ম বলে।
- যেমন- কালকাসুন্দা, দাঁতমর্দন।

বীরুৎ:
- ছোট ও নরম কাণ্ড বিশিষ্ট অকাষ্ঠল উদ্ভিদকে বীরুৎ বলে।
- যেমন- ধান, সরিষা, মরিচ, গম, দূর্বাঘাস ইত্যাদি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২.
তড়িৎ রাসায়নিক কোষে ব্যবহৃত লবণ সেতু কী কাজ করে?
  1. খুব দ্রুত চার্জের ভারসাম্য বজায় রাখতে
  2. ক্যাটায়নের পরিমান বাড়াতে
  3. বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে
  4. অ্যানায়নের পরিমান বাড়াতে
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে
ব্যাখ্যা
লবণ সেতু:
- ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন এর আয়নীয় গতিবেগ সমান এমন একটি তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের জলীয় দ্রবণে আগর আগর জেলি মিশিয়ে উত্তপ্ত করে পরে ঠান্ডা করে লবণ সেতু বা সল্ট ব্রিজ তৈরি করা হয়।
- লবণ সেতু ছাড়া যদি কোন পূর্ণাঙ্গ তড়িৎ রাসায়নিক কোষ তৈরি করা হয়, তবে একটি দ্রবণ দ্রুত ধনাত্মক চার্জ সংগ্রহ করবে এবং অন্যটি নেগেটিভ চার্জ জমা করবে এবং শেষ পর্যন্ত বিদ্যুতের উৎপাদন থামিয়ে দেবে।
- লবণ সেতুর উদ্দেশ্য হলো বৈদ্যুতিক রাসায়নিক বিক্রিয়াকে খুব দ্রুত ভারসাম্য বজায় রাখা থেকে বিরত রাখা।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে তড়িৎ কোষে লবণ সেতু ব্যবহার করা হয়।
- লবণ সেতুর লবণের আয়নগুলো তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষের উভয় অর্ধকোষের দ্রবণে ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চলাচল করে।
- আয়নগুলো দ্রবণের সাথে কোন প্রকার রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না।
- জারণ অর্ধকোষে উৎপন্ন ধনাত্মক আয়ন বৃদ্ধি পেলে লবণ সেতু হতে ঋণাত্মক আয়ন ব্যাপন প্রক্রিয়ায় দ্রবণে প্রবেশ করে চার্জের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- একইভাবে বিজারণ অর্ধকোষে ঋণাত্মক আয়ন বৃদ্ধি পেলে লবণ সেতু হতে ধনাত্মক আয়ন ব্যাপন প্রক্রিয়ায় দ্রবণে প্রবেশ করে চার্জের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ফলে উভয় অর্ধকোষের দ্রবণে তড়িৎ নিরপেক্ষতা বজায় থাকে।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।