পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২১: বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - ভৌত বিজ্ঞান: রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ক ১. পদার্থের অবস্থা ও ধর্ম, পারমাণবিক গঠন, মৌলিক কণা, মৌলের ধর্ম, পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন, সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়। ২. মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, পদার্থের দ্রবণ ধর্ম ও দ্রাব্যতা, সাবানের কাজ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, তড়িৎ কোষ, অজৈব ও জৈব যৌগ, পলিমার। এবং বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক - আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক i) বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল, দ্বন্দ্বপূর্ণ সাগর ও অন্যান্য; ii) NATO, Warsaw Pact, INTERPOL, ANZUS, নিরাপত্তা সম্মেলন সমূহ; iii) নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি; iv) বিভিন্ন গোয়েন্দা, গেরিলা ও জঙ্গী সংস্থা, বিদ্রোহী জোট; [FBI, CIA, FSB, RAW, Fairfax, মোসাদ, আমান, M16, হামাস, হিজবুল্লাহ, আল শাবাব, আইরিস রিপানলিকান আর্মি, টুপাক আমারু, ফার্ক, আবু শায়াফ, শাইনিং পাথ, M-23, উলফা, খেমারুজ, পিকেকে, ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর, গডস আর্মি, ইসলামিক স্ট্যাট, হুথি বিদ্রোহী, লস্কর - ই তৈইব্যা, জইশ মোহাম্মদ, হিজবুত তাহরীর, JKLF, নকশাল, তানজিম আল জিহাদ, M19]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
ওয়ারশ প্যাক্ট কতটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৬টি
  4. ঘ) ২০টি
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact):

- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা জোট (১৯৫৫ সাল)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির সাথে সাথে Warsaw Pactও বিলুপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
.
কত সালে হিজবুল্লাহ গঠন করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৭ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:

- এটি লেবাননের মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও সশ্বস্ত্র গোষ্ঠী।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের পর, লেবাননের শিয়া ধর্মগুরুদের একটি দল লেবানন থেকে ইসরাইলকে তাড়ানো এবং সেখানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে হিজবুল্লাহ গঠন করে।
- লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- আল মানার হিজবুল্লাহ পরিচালিত একটি টিভি চ্যানেল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
.
টুপাক আমারু কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৮০ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
টুপাক আমারু:

- টুপাক আমারু রেভ্যুলেশনারী মুভমেন্ট (MRTA) হলো পেরুর কমিউনিস্ট সশস্ত্র সংগঠন।
- ভিক্টর পোলে ক্যাম্পোস ১৯৮৪ সালে এমআরটিএ সংগঠিত করেছিলেন। 
- এটি পেরুতে শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে ১৯৮৪ সাল থেকে সশস্ত্র লড়াই শুরু করে।
- ২০০০ সালের দিকে এর কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। শাইনিং পাথ পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

তথ্যসূত্র - এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন এর ওয়েবসাইট।
.
Irish Republican Army প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯১৯ সালে
  2. খ) ১৯১০ সালে
  3. গ) ১৯০৫ সালে
  4. ঘ) ১৯২২ সালে
ব্যাখ্যা
IRA:

- 'Irish Republican Army' (IRA) যাকে 'Provisional Irish Republican Army' ও বলা হয়।
- 'Irish Volunteers (১৯১৩) এর উত্তরাধিকারী হিসেবে IRA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে।
- আইআরএর উদ্দেশ্য ছিল আয়ারল্যান্ডে ব্রিটিশ শাসনকে অকার্যকর করার জন্য সশস্ত্র শক্তি ব্যবহার করা এবং একটি স্বাধীন প্রজাতন্ত্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য অর্জনে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
.
হুতি বিদ্রোহীরা কোন মতবাদে বিশ্বাসী?
  1. ক) সুন্নি
  2. খ) শিয়া
  3. গ) ইবাদি
  4. ঘ) আহমদিয়া
ব্যাখ্যা
হুতি বিদ্রোহী:

- এটি ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়।
- তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ধারণা ও অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়, হুতিদের সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দেয় শিয়াপ্রধান দেশ ইরান।
- ২০১৪ সালের শুরুর দিকে ইয়েমেনের সাআদা রাজ্যের দখল নিয়ে সবার নজরে আসে হুতিরা।

তথ্যসূত্র - দ্যা ডেইলী স্টার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২।
.
হিযবুত তাহ্‌রীর কে গড়ে তোলেন?
  1. ক) উসামা বিন লাদেন
  2. খ) তাকিউদ্দিন
  3. গ) শায়েখ আব্দুর রহমান
  4. ঘ) খমিনি
ব্যাখ্যা
হিযবুত তাহরীর:

- হিযবুত তাহ্‌রীর পশ্চিমাদের ইরাক আক্রমণের সূত্র ধরে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালায়।
- জেরুজালেমের বিচারক তাকিউদ্দিন আল-নাবানি ১৯৫৩ সালে হিযবুত তাহ্‌রীর গড়ে তোলেন।
- হিযবুত তাহ্‌রীর আরবি শব্দ, যার অর্থ মুক্তির দল।
- বর্তমানে ৪০টি দেশে এ সংগঠনের তৎপরতা রয়েছে।
- ২০০৯ সালে হিযবুত তাহরীরকে বাংলাদেশ সরকার নিষিদ্ধ ঘোষনা করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে যে হামলা হয়েছিল, সেই হামলার আত্মঘাতী সদস্যদের প্রধানসহ তিনজন ছিলেন হিযবুত তাহ্‌রীরের কর্মী।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৪।
.
লস্কর-ই-তৈয়বা কত সালে জম্মু ও কাশ্মীরে তার প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল?
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৮ সালে
  3. গ) ১৯৯০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
লস্কর-ই-তৈয়বা:

- এটি ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠী।
- ১৯৮০ এর দশকের শেষের দিকে পাকিস্তানে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল।
- দাওয়া-ওয়াল-ইরশাদ, সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত একটি ইসলামী সংগঠন।
- এটি শেষ পর্যন্ত সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল।
- লস্কর-ই-তৈয়বা প্রাথমিকভাবে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যে, পাকিস্তান-ভারত সীমান্তে কাজ করত।
- লস্কর-ই-তৈয়বা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে তার প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।
- ২১ শতকের প্রথম দশকের মধ্যে এই দলটি ভারতে আরও বহুদূরে তাদের প্রসার ঘটিয়েছিল।
- জম্মু ও কাশ্মীর ভারত, একটি বৃহত্তর হিন্দু দেশ এবং পাকিস্তান, একটি বৃহত্তর মুসলিম দেশ উভয়ই দাবি করেছিল এবং এই বিরোধটি জম্মু ও কাশ্মীরের মধ্যে অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠীর জন্ম দিয়েছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
.
জইশ ই মোহাম্মদ কোন দেশের জঙ্গি সংগঠন?
  1. ক) কুয়েত
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) বাহরাইন
ব্যাখ্যা
জইশ ই মোহাম্মদ:

- জইশ ই মোহাম্মদ পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন।
- সংগঠনটি জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রত্যাহারের দাবি করে।
- সংগঠনটি দাবি করে যে পাকিস্তানে তাদের প্রতিটি অফিস জিহাদের স্কুল হিসেবে কাজ করবে।
- মাওলানা মাসউদ আজহার সংগঠনটির আমীর।
- জম্মু ও কাশ্মীরে (জেএন্ডকে) সক্রিয় অন্যান্য প্রধান সংগঠনগুলির তুলনায় জৈশ-ই-মোহাম্মদ (জেএম) একটি অপেক্ষাকৃত নতুন সন্ত্রাসী সংগঠন।

তথ্যসূত্র - South Asia Terrorism Portal.
.
নিচের কোন লবণটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না?
  1. ক) অ্যামোনিয়াম ফসফেট
  2. খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  3. গ) পটাসিয়াম নাইট্রেট
  4. ঘ) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
ব্যাখ্যা
লবণ:

- ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
- যে লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে তা হলো- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম গ্লুটামেট (COHINO Na) লবণ।
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য চুনাপাথর (CaCO3) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ।
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।
যেমন: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NHNO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি।
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ, যা প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। যেমন: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3), সিলভার সালফেট (Ag2SO4), সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
লোহায় মরিচা পড়ার কারণ কোনটি?
  1. ক) জারণ
  2. খ) জারণ-বিজারণ
  3. গ) বিয়োজন বিক্রিয়া
  4. ঘ) সংযোজন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
পদার্থের পরিবর্তন:

- পদার্থের পরিবর্তন  দুই ধরনের। 

১. ভৌত বা অবস্থানগত পরিবর্তন:
যে পরিবর্তনের ফলে শুধু পদার্থের বাহ্যিক আকার বা অবস্থার পরিবর্তন হয় কিন্তু তা কোনো নতুন পদার্থে পরিণত হয় না, তাকে ভৌত পরিবর্তন বলে। উদাহরণ : পানিকে বরফ ও বাষ্পে পরিণত করা, লোহাকে চুম্বকে পরিণত করা, চিনিকে পানিতে দ্রবীভূত করা।

২. রাসায়নিক পরিবর্তন:
যে পরিবর্তনের জন্য এক বা একাধিক বস্তু প্রত্যেকে তার নিজস্ব সত্তা হারিয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধর্ম বিশিষ্ট এক বা একাধিক নতুন বস্তুতে পরিণত হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। উদাহরণ : পানি এবং অক্সিজেনের সংযোগে লোহায় মরিচা ধরা, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে পানি তৈরি হওয়া, দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালানো এগুলো রাসায়নিক পরিবর্তন।

- আদ্র বাতাসের সংস্পর্শে বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে লোহার রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সৃষ্টি হয় আয়রন অক্সাইডের একধরনের যৌগ। এই যৌগই মরিচা।
- জারণ-বিজারণের ফলে লোহায় মরিচা পড়ে।
- মরিচা সৃষ্টিকে নিম্নরূপ সমীকরণের আকারে দেখানো সম্ভব -
লোহার সামগ্রী + আর্দ্র বাতাস = আয়রন অক্সাইড বা মরিচা

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি ও রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি প্রযোজ্য
  1. ক) জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে না।
  2. খ) জারণ বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন এবং নিউট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
  3. গ) জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই।
ব্যাখ্যা
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:

- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
- যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে তাকে জারণ-বিজারণ বা রেডক্স বিক্রিয়া বলে।
- যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন ত্যাগ হয় তাকে জারণ বিক্রিয়া বলে।
- যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ হয় তাকে বিজারণ বিক্রিয়া বলে। তবে এই জারণ ও বিজারণ একই সাথে সংঘটিত হয়।
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় যখন ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে তখন একটি বিক্রিয়ক ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং অপর আরেকটি বিক্রিয়ক সেই ইলেকট্রনকে গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
মৌলিক পদার্থসমূহ পরমাণু নামক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত- উক্তিটি কার?
  1. ক) অ্যারিস্টটল
  2. খ) আইনস্টাইন
  3. গ) প্লেটো
  4. ঘ) ডাল্টন
ব্যাখ্যা
ডাল্টনের পারমাণবিক তত্ত্ব:

- মৌলিক পদার্থসমূহ পরমাণু নামক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত- স্বীকার্যটি জন ডাল্টনের (১৮০৩ সালে)।
- প্রত্যেক মৌলিক পদার্থ অসংখ্য অবিভাজ্য ও অতিক্ষুদ্র নিরেট কলা দিয়ে গঠিত। এই ক্ষুদ্রতম কণাকে পরমাণু বলে।
- পরমাণুগুলোকে রাসায়নিক প্রক্রিয়া দ্বারা ভাঙা যায় না, সৃষ্টি করা যায় না বা ধ্বংস করা যায় না। কোন প্রক্রিয়া দ্বারা পরমাণুগুলির আকার, ওজন বা ধর্মের পরিবর্তন করা যায় না। পরমাণু অবিভাজ্য এবং অবিনশ্বর।
- একই মৌলিক পদার্থের পরমাণুর ভর ও ধর্ম অভিন্ন হয়।
- বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরমাণুর ভর এবং ধর্ম আলাদা।
- বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরমাণু গুলি পূর্ণ সংখ্যার অনুপাতে পরস্পর যুক্ত হয়ে যৌগিক পদার্থ উৎপন্ন করে। পরমাণু অবিভাজ্য বলে কখনও ভগ্নাংশে যুক্ত হয় না।

তথ্যসূত্র - সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১৩.
নিচের কোন গ্যাসটির ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) ক্লোরিন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) সালফার
ব্যাখ্যা
ব্যাপন:

- যে গ্যাসের আণবিক ভর কম সে গ্যাসের ব্যাপন হার বেশি হয়।
- হাইড্রোজেনের আণবিক ভর ২।
- অক্সিজেনের আণবিক ভর ৩২।
- ক্লোরিনের আণবিক ভর ৭০।
- সালফারের আণবিক ভর ৬৪।
- এখানে হাইড্রোজেনের আণবিক ভর সবচেয়ে কম, তাই হাইড্রোজেনের ব্যাপনের হারও সবচেয়ে বেশি হবে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
নিউট্রন কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৯৩২ সালে
  2. খ) ১৯৩৬ সালে
  3. গ) ১৯৪০ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
নিউট্রন:

- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- ১৯৩২ সালে চ্যাডউইক (James Chadwick) নিউট্রন আবিষ্কার করেন।
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান।
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান।
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675 × 10-24 গ্রাম।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, এসএসএসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
কোনটি পানিতে অদ্রবণীয়?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
ক্ষারক:

- ক্ষারক হলো মূলত ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড।
- কিছু কিছু ক্ষারক আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয় আর কিছু আছে যারা দ্রবীভূত হয় না।

- যে সমস্ত ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় তাদেরকে বলে ক্ষার। তাহলে ক্ষার হলো বিশেষ ধরনের ক্ষারক।
- সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH)4 OH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 এগুলো ক্ষার। এদেরকে কিন্তু ক্ষারকও বলা যায়।

- পক্ষান্তরে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Al(OH)2] কিন্তু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই এটি একটি ক্ষারক হলেও ক্ষার নয়।
- অতএব একথা বলা যায় যে, সকল ক্ষার ক্ষারক হলেও সকল ক্ষারক কিন্তু ক্ষার নয়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১৬.
নিচের কোনটি মৃদু ক্ষার?
  1. ক) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
ক্ষার:
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে।
- ক্ষার বা ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে।
- ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH) দান করে।

তীব্র ক্ষার:
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়।
- যেমন: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 ইত্যাদি।

মৃদু ক্ষার:
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয়। তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়।
- যেমন: অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), আয়রন (ii) হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)2, আয়রন (iii) হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)3, অ্যালুমিনিয়াম (iii) হাইড্রোক্সাইড Al(OH), ইত্যাদি। ক্ষার পানিতে দ্রবণীয়। এর জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে।
- ক্ষারের জলীয় দ্রবণকে স্পর্শ করলে সাবানের ন্যায় পিচ্ছিল মনে হয়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
নিচের কোনটি অজৈব যৌগ?
  1. ক) মরিচা
  2. খ) ইথেন
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) পেন্টাইন
ব্যাখ্যা
অজৈব যৌগ:

- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয়।
- এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ।
- জৈব যৌগ: মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি।
- অজৈব যৌগ: পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
পোলার দ্রাবকের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. ক) আয়নিক যৌগগুলো সাধারণত পোলার দ্রাবকে দ্রবণীয় নয়।
  2. খ) পানি (H2O) পোলার দ্রাবক।
  3. গ) কার্বন ডাই-সালফাইড (CS) পোলার দ্রাবক।
  4. ঘ) বেনজিন (CH) পোলার দ্রাবক।
ব্যাখ্যা
দ্রাব্যতা: 

- আয়নিক যৌগগুলো সাধারণত পোলার দ্রাবকে দ্রবণীয়। 
- সমযোজী যৌগগুলো অপোলায় দ্রাবকে দ্রবণীয়। 
- পানি (H2O) পোলার দ্রাবক। 
- কার্বন ডাই-সালফাইড (CS)), কার্বন টেট্রাক্লোরাইড (ccl 4), বেনজিন (CH) অপোলার দ্রাবক। 

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
নিচের কোনটি প্রাথমিক তড়িৎ রাসায়নিক কোষ?
  1. ক) লেকল্যান্স কোষ
  2. খ) নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ
  3. গ) লেড সঞ্চয়ী কোষ
  4. ঘ) এসিড স্টোরেজ কোষ
ব্যাখ্যা
তড়িৎ রাসায়নিক কোষ:

- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।

প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ: যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে।
- লেকল্যান্স কোষ, ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ।

সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ: যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে।
- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।

তথ্যসূত্র - উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।