পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়13 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২০ বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -------------- টপিক: i) কম্পিউটার ও মোবাইল নেটওয়ার্কিং, টপোলজি, ডাটাবেজ, সংখ্যা পদ্ধতি, লজিক গেইট, সাইবার অপরাধ, ক্লাউড কম্পিউটিং। ii) কম্পিউটারের পেরিফেরালস, সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান, তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত Abbreviation. [নম্বর কাভার - ৬]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি নেটওয়ার্ক লেয়ার ডিভাইস?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. রাউটার
  4. মডেম
ব্যাখ্যা

◉ নেটওয়ার্ক লেয়ার হলো OSI (Open Systems Interconnection) মডেলের তৃতীয় স্তর, যা ডাটা প্যাকেট রাউটিং এবং IP অ্যাড্রেসিং পরিচালনা করে।

OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- হাব এবং সুইচ ডেটা লিংক লেয়ার ডিভাইস (OSI মডেলের লেয়ার 2), যা MAC অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডেটা ফরওয়ার্ড করে।
- মডেম ফিজিক্যাল লেয়ার ডিভাইস (OSI মডেলের লেয়ার 1), যা ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটালে রূপান্তর করে।

Source: Cisco Learning Network. [লিংক] 

.
ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য কোন প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়?
  1. HTTP
  2. FTP
  3. SMTP
  4. TCP/IP
ব্যাখ্যা

◉ HTTP (HyperText Transfer Protocol) হল ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান প্রোটোকল, যা ওয়েব সার্ভার এবং ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার করে। নিরাপদ সংযোগের জন্য HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) ব্যবহৃত হয়, যা SSL/TLS এনক্রিপশন সাপোর্ট করে।

HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
FTP (File Transfer Protocol): ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য নয়।
SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol): এটি একটি প্রোটোকল স্যুট যা ইন্টারনেটে ডেটা কমিউনিকেশনের ভিত্তি, কিন্তু এটি সরাসরি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

.
কোনটি SQL (Structured Query Language) এর একটি বৈধ কমান্ড নয়?
  1. SELECT
  2. INSERT
  3. MODIFY
  4. DELETE
ব্যাখ্যা

◉ SQL (Structured Query Language) হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা ম্যানিপুলেশন, কুয়েরি, এবং ডাটাবেজ কন্ট্রোল করার জন্য ব্যবহৃত একটি স্ট্যান্ডার্ড ভাষা। MODIFY SQL এর কোনো বৈধ কমান্ড নয়। ডাটাবেজে ডেটা পরিবর্তন করার জন্য UPDATE কমান্ড ব্যবহৃত হয়।

SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।

নিচে SQL এর কিছু সাধারণ কমান্ডের বর্ণনা দেওয়া হলো:
SELECT: এই কমান্ডটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা রিট্রিভ (পুনরুদ্ধার) করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: SELECT * FROM users;
INSERT: এই কমান্ডটি ডাটাবেজে নতুন ডেটা যোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: INSERT INTO users (name, age) VALUES ('John', 25);
DELETE: এই কমান্ডটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: DELETE FROM users WHERE id = 1;
UPDATE: এই কমান্ডটি ডাটাবেজে বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তন (মডিফাই) করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: UPDATE users SET age = 30 WHERE id = 1;

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
বাইনারি সংখ্যা (1101)2 এর দশমিক মান কত?
  1. 15
  2. 11
  3. 12
  4. 13
ব্যাখ্যা

◉ বাইনারি সংখ্যা (1101)2 এর দশমিক মান হচ্ছে - 13.

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে। 
যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ২দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে, 
(1101)2 এর দশমিক সংখ্যা হলো- 
= 1 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 1 × 2
= 8 + 4 + 0 + 1 
= 13

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
যে ম্যালওয়্যার ফাইলগুলোকে এনক্রিপ্ট করে এবং ডিক্রিপশন কী-এর জন্য মুক্তিপণ দাবি করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. র‍্যানসমওয়্যার
  2. স্পাইওয়্যার
  3. ওয়ার্ম
  4. ট্রোজান
ব্যাখ্যা

◉ র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware) এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর ফাইল বা সিস্টেমকে এনক্রিপ্ট করে এবং ডিক্রিপশন কী (ফাইল ফিরে পেতে) এর জন্য মুক্তিপণ দাবি করে। এটি সাধারণত ক্রিপ্টোকারেন্সি (যেমন: বিটকয়েন) মাধ্যমে অর্থ দাবি করে।

র‍্যানসমওয়্যার:
- এটি হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়।
- ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে।
- যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ওয়ার্ম (Worm): এটি একটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ানো ম্যালওয়্যার, যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়ায়।
ট্রোজান (Trojan): এটি একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা নিজেকে বৈধ প্রোগ্রাম হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করে।
স্পাইওয়্যার (Spyware): এটি ব্যবহারকারীর ডেটা গোপনে সংগ্রহ করে এবং তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]

.
প্রাইভেট ক্লাউডের উদাহরণ কোনটি?
  1. Amazon Web Services (AWS)
  2. Google Cloud
  3. Microsoft Azure
  4. কোম্পানির নিজস্ব সার্ভার
ব্যাখ্যা

◉ প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud) একটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেল যেখানে ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য সংরক্ষিত থাকে। এটি সাধারণত প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে হোস্ট করা হয় এবং শুধুমাত্র সেই প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য। এটি নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ, এবং কাস্টমাইজেশনের জন্য আদর্শ।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

অন্যদিকে, 
Amazon Web Services (AWS), Google Cloud, এবং Microsoft Azure হলো পাবলিক ক্লাউড সেবা প্রদানকারী। এগুলি বহু ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত এবং শেয়ার্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচারে কাজ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
প্রিন্টারের DPI কী নির্দেশ করে?
  1. ডকুমেন্ট প্রিন্টিং ইনডেক্স
  2. ডটস পার ইঞ্চ
  3. ডিজিটাল প্রিন্টিং ইন্টারফেস
  4. ডিসপ্লে পিক্সেল ইনডেক্স
ব্যাখ্যা

◉ প্রিন্টারের DPI হলো ডটস পার ইঞ্চ (Dots Per Inch)।

পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে(DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- DPI দ্বারা নির্দেশ করা হয় প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বিন্দু) প্রিন্ট করা যায়।
- যত বেশি DPI, তত বেশি শার্প এবং ডিটেইলযুক্ত প্রিন্ট আউটপুট পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, 300 DPI মানে প্রতি ইঞ্চিতে 300টি ডট প্রিন্ট করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ফার্মওয়্যার কী?
  1. হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণকারী সফটওয়্যার
  2. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

◉ ফার্মওয়্যার (Firmware) একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার ডিভাইসের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং সেই ডিভাইসের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। ফার্মওয়্যার সাধারণত রম (ROM), ইপ্রম (EPROM), বা ফ্ল্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষিত থাকে।
উদাহরণস্বরূপ, BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি ফার্মওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্টগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং অপারেটিং সিস্টেম বুট করার প্রক্রিয়া শুরু করে।

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: এটি ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা সফটওয়্যার, যেমন MS Word, Photoshop ইত্যাদি।
অপারেটিং সিস্টেম: এটি সিস্টেম রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন Windows, Linux, macOS ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

.
কোন কোম্পানি CPU তৈরি করে?
  1. Adobe
  2. Intel
  3. Microsoft
  4. Facebook
ব্যাখ্যা

◉ Intel হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং পরিচিত CPU (Central Processing Unit) প্রস্তুতকারক কোম্পানি। Intel এর প্রসেসরগুলি (যেমন: Core i3, i5, i7, i9) ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, এবং সার্ভারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

Intel: 
- Intel Corporation এর Dr. Tade Haff কম্পিউটার চিপ এর উন্নতি সাধন করেন।
- Intel পৃথিবীর প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004 চিপটি বাজারে ছাড়েন।
- এটি পৃথিবীর প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
- এটি ছিল চার বিটের একটি মাইক্রোপ্রসেসর।
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
Adobe: এটি সফটওয়্যার কোম্পানি, যা Photoshop, Illustrator, Premiere Pro ইত্যাদি সফটওয়্যার তৈরি করে।
Microsoft: এটি অপারেটিং সিস্টেম (Windows), অফিস সফটওয়্যার (Microsoft Office), এবং হার্ডওয়্যার (Surface ডিভাইস) তৈরি করে, কিন্তু CPU তৈরি করে না।
Facebook: এটি একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং টেক কোম্পানি, যা হার্ডওয়্যার তৈরি করে না।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।

১০.
কোন টপোলজিতে একটি নোড ব্যর্থ হলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. মেশ টপোলজি
ব্যাখ্যা

স্টার টপোলজি (Star Topology): এই টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস (যেমন: হাব বা সুইচ) থাকে এবং অন্যান্য সমস্ত নোড (ডিভাইস) এই কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে। যদি কোনো একটি নোড ব্যর্থ হয়, তাহলে শুধুমাত্র সেই নোডটি প্রভাবিত হয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয় না। কেন্দ্রীয় ডিভাইস ব্যর্থ হলেই কেবল সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হতে পারে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
বাস টপোলজি (Bus Topology): এই টপোলজিতে একটি প্রধান কেবল থাকে এবং সমস্ত নোড এই কেবলের সাথে সংযুক্ত থাকে। যদি প্রধান কেবলে কোনো সমস্যা হয়, তাহলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হতে পারে।
রিং টপোলজি (Ring Topology): এই টপোলজিতে নোডগুলি একটি বৃত্তাকার পথে সংযুক্ত থাকে। যদি একটি নোড ব্যর্থ হয়, তাহলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হতে পারে।
মেশ টপোলজি (Mesh Topology): এই টপোলজিতে প্রতিটি নোড অন্য সমস্ত নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি সবচেয়ে বেশি ফল্ট টলারেন্ট, কিন্তু স্টার টপোলজির তুলনায় এটি জটিল এবং ব্যয়বহুল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
নিচের কোনটি একটি NoSQL ডাটাবেজ?
  1. MySQL
  2. Oracle
  3. MongoDB
  4. SQL Server
ব্যাখ্যা

◉ MongoDB একটি জনপ্রিয় NoSQL ডাটাবেজ, যা ডকুমেন্ট-ভিত্তিক ডাটা মডেল ব্যবহার করে।

NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, এবং Couchbase.

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
MySQL, Oracle, এবং SQL Server হলো রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS), যা SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে ডেটা ম্যানিপুলেশন করে।

উৎস: ওরাকল ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১২.
কোন সংখ্যা পদ্ধতি কম্পিউটারে মেমোরি অ্যাড্রেসিং এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. বাইনারি
  2. অক্টাল
  3. ডেসিমাল
  4. হেক্সাডেসিমাল
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের মেমোরি অ্যাড্রেসিং এর জন্য হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বেস-16 সংখ্যা পদ্ধতি, যা বাইনারি এর চেয়ে বেশি কমপ্যাক্ট এবং মানুষের পড়ার জন্য সহজ।
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি মেমোরি অ্যাড্রেস, রেজিস্টার মান, এবং অন্যান্য লো-লেভেল ডেটা রিপ্রেজেন্টেশনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,A,B,C,D,E,F) প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬। - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,A,B,C,D,E,F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভূল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

উদাহরণ:
একটি 32-বিট মেমোরি অ্যাড্রেস বাইনারিতে 11010101101011101101101010101101 হিসেবে লেখা যায়, কিন্তু হেক্সাডেসিমালে এটি D5AED6AD হিসেবে লেখা হয়, যা পড়া এবং বুঝতে অনেক সহজ।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। লেনোভো ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১৩.
কোনটি সাইবার অপরাধের উদাহরণ নয়?
  1. ফিশিং
  2. হ্যাকিং
  3. রিবুটিং
  4. ডিডোস আক্রমণ
ব্যাখ্যা

◉ রিবুটিং (Rebooting) একটি সাধারণ কম্পিউটার অপারেশন যেখানে একটি সিস্টেম বা ডিভাইস পুনরায় চালু করা হয়। এটি কোনো সাইবার অপরাধ নয়, বরং একটি প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া।

সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৪.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের "Hypervisor" কোনটির জন্য দায়ী?
  1. ভার্চুয়াল মেশিন ম্যানেজমেন্ট
  2. ক্লাউড নেটওয়ার্ক ট্র্যাকিং
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. কানেকশন লোড ব্যালেন্সিং
ব্যাখ্যা

◉ Hypervisor হল একটি সফটওয়্যার, যা একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন (VM) তৈরি ও পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়।
এটি ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার ও ভার্চুয়াল মেশিনগুলোর মধ্যে একটি স্তর হিসেবে কাজ করে, যাতে একাধিক অপারেটিং সিস্টেম একই হার্ডওয়্যার প্ল্যাটফর্মে চালানো যায়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। Amazon Web Services ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১৫.
যে সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. মিডলওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) হলো এমন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা বা কাজ পূরণের জন্য ডিজাইন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, MS Word (ডকুমেন্ট তৈরি), Photoshop (ইমেজ এডিটিং), এবং Google Chrome (ওয়েব ব্রাউজিং) হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software): এটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার পরিচালনা করে। উদাহরণ: অপারেটিং সিস্টেম (Windows, Linux)।
ইউটিলিটি সফটওয়্যার (Utility Software): এটি কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ এবং অপ্টিমাইজেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: Antivirus, Disk Cleanup।
মিডলওয়্যার (Middleware): এটি বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। উদাহরণ: Database Middleware, Web Servers.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
Apple এর প্রথম কম্পিউটারের নাম কী ছিল?
  1. Macintosh
  2. Apple I
  3. Lisa
  4. iMac
ব্যাখ্যা

◉ Apple I (বা Apple-1) হল Apple Inc. এর প্রথম কম্পিউটার, যা 1976 সালে Steve Wozniak ডিজাইন এবং তৈরি করেন। এটি একটি সিঙ্গেল-বোর্ড কম্পিউটার ছিল এবং ব্যবহারকারীদেরকে নিজেদের মনিটর, কীবোর্ড, এবং পাওয়ার সাপ্লাই যোগ করতে হতো।

অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
Macintosh: এটি Apple এর প্রথম গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) সহ কম্পিউটার, যা ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
Lisa: এটি Apple এর একটি প্রাথমিক কম্পিউটার, যা ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি GUI ব্যবহার করেছিল।
iMac: এটি Apple এর একটি জনপ্রিয় ডেস্কটপ কম্পিউটার লাইন, যা ১৯৯৮ সালে চালু হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৭.
JSON-এর পূর্ণরূপ কী এবং এটি কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. JavaScript Object Notation; ডেটা বিনিময়
  2. Java System Online Network; সার্ভার ম্যানেজমেন্ট
  3. Joint Security Object Notation; নিরাপত্তা উন্নয়ন
  4. JavaScript Online Network; প্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা

◉ JSON (JavaScript Object Notation) মূলত একটি ডেটা ফরম্যাট যা ডেটা বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। পুর্বে মূলত JavaScript এ ব্যবহৃত হলেও এখন প্রায় সব প্রোগ্রামিং ভাষায় সমর্থিত।

JSON:
- JSON এর পূর্ণরূপ হলো JavaScript Object Notation.
- এটি মূলত ডেটার কাঠামো বজায় রাখার জন্য একটি টেক্সট বেইজড ডেটা বিনিময় বিন্যাস।
- JSON হলো JSON-এ XML ডেটা এক্সচেঞ্জ ফরম্যাটের প্রতিস্থাপন।
- JSON একটি ল্যাঙ্গুয়েজ ইনডিপেন্ডেন্ট ফরম্যাট যা জাভাস্ক্রিপ্ট থেকে উদ্ভূত।
- JSON-এর অফিসিয়াল মিডিয়া টাইপ হল application/json এবং .json এক্সটেনশনে ফাইল সংরক্ষণ করে।
- JSON প্রাথমিকভাবে 2000 এর দশকের গোড়ার দিকে ডগলাস ক্রকফোর্ড দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৮.
মেশ টপোলজির প্রধান সুবিধা কী?
  1. এটি তৈরি করা তুলনামূলক ব্যয়বহুল নয়
  2. এটি সর্বোচ্চ রিডান্ডেন্সি এবং নির্ভরযোগ্যতা প্রদান করে
  3. এটি একটি সাধারণ ক্যাবলিং স্ট্রাকচার ব্যবহার করে
  4. এটি কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্ক ডিভাইসের ওপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

◉ মেশ টপোলজিতে (Mesh Topology) প্রতিটি নোড (ডিভাইস) অন্য সমস্ত নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ রিডান্ডেন্সি এবং নির্ভরযোগ্যতা প্রদান করে, কারণ কোনো একটি সংযোগ ব্যর্থ হলে ডেটা অন্য পথে পাঠানো যায়।

মেশ টপোলজি (Mesh Topology):
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কমপিউটারকে প্রতিটি কমপিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়।
- একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n-1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n-1)/2.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। লেনোভো ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১৯.
HTTPS এবং HTTP-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. HTTPS দ্রুততর, HTTP বেশি নিরাপদ
  2. HTTP ক্লাউড সেবা ব্যবহার করে, HTTPS ক্লায়েন্ট সার্ভার ব্যবহার করে
  3. HTTP সার্ভারের জন্য, HTTPS ডেটাবেসের জন্য
  4. HTTP এনক্রিপ্টেড নয়, HTTPS এনক্রিপ্টেড
ব্যাখ্যা

◉ HTTP (HyperText Transfer Protocol) হল ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার থেকে ডেটা ট্রান্সমিট করার একটি প্রোটোকল।
HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) হল HTTP-এর একটি উন্নত সংস্করণ, যা SSL/TLS এনক্রিপশন ব্যবহার করে ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২০.
ব্লুটুথ প্রযুক্তি নিচের কোন ধরনের নেটওয়ার্ক হিসেবে বিবেচিত?
  1. LAN
  2. MAN
  3. WAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা

◉ Bluetooth প্রযুক্তি সাধারণত একটি ছোট অঞ্চল জুড়ে ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত রাখতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি ব্যক্তিগত অঞ্চলভিত্তিক নেটওয়ার্ক হিসেবে বিবেচিত হয়, যাকে PAN (Personal Area Network) বলে।

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২১.
ট্রানজ্যাকশন প্রসেসিং সিস্টেমের ACID বৈশিষ্ট্যে 'I' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Isolation
  2. Integration
  3. Integrity
  4. Inheritance
ব্যাখ্যা

◉ ট্রানজ্যাকশন প্রোসেসিং সিস্টেমের ACID বৈশিষ্ট্যে 'I' দ্বারা Isolation (আইসোলেশন) বোঝায়।

ACID বৈশিষ্ট্য: 
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট। [লিংক] 

২২.
2's কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি কেন ব্যবহার করা হয়?
  1. ডাটা এনক্রিপশন করার জন্য
  2. ফ্লোটিং পয়েন্ট সংখ্যা উপস্থাপন করার জন্য
  3. ঋণাত্মক সংখ্যা উপস্থাপন করার জন্য
  4. ডাটা কমপ্রেশন করার জন্য
ব্যাখ্যা

◉ 2's কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি কম্পিউটার সিস্টেমে ঋণাত্মক সংখ্যা উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের একটি কার্যকরী এবং সহজ পদ্ধতি। 

২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

উদাহরণ: 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২৩.
স্পুফিং কী?
  1. ভাইরাস ছড়ানোর একটি পদ্ধতি
  2. অন্য ব্যক্তি বা ডিভাইসের পরিচয় ধারণ করা
  3. ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি
  4. নেটওয়ার্ক স্পীড বাড়ানোর একটি টেকনিক
ব্যাখ্যা

◉ স্পুফিং (Spoofing) হলো একটি সাইবার অপরাধ, যেখানে একজন আক্রমণকারী অন্য ব্যক্তি বা ডিভাইসের পরিচয় ধারণ করে (impersonate) এবং নিজেকে বৈধ ব্যবহারকারী বা ডিভাইস হিসেবে উপস্থাপন করে। এর মাধ্যমে আক্রমণকারী অননুমোদিত অ্যাক্সেস পেতে পারে, ডেটা চুরি করতে পারে বা অন্যান্য ক্ষতিকর কার্যক্রম চালাতে পারে।

সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হচ্ছে-

স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে ।
- ইন্টারনেটে বিভিন্ন ভাবে স্পুফিং হয়ে থাকে। যথা: ইমেইল স্পুফিং, গেটওয়ে স্পুফিং, আইপি স্পুফিং ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৪.
কম্পিউটারে BIOS এর কাজ কী?
  1. অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
  2. ভাইরাস স্ক্যানিং
  3. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স
  4. ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

◉ BIOS (Basic Input/Output System) এর প্রধান কাজ হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় অপারেটিং সিস্টেম লোড করা এবং হার্ডওয়্যার ইনিশিয়ালাইজেশন ও টেস্টিং (POST) সম্পন্ন করা।

BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটারে BIOS সংরক্ষিত থাকে - মাদারবোর্ডের ROM চিপে।
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৫.
কোনটি ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার?
  1. WinRAR
  2. Adobe Reader
  3. Notepad
  4. PowerPoint
ব্যাখ্যা

◉ WinRAR হলো একটি ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার, যা ফাইল বা ফোল্ডারকে কমপ্রেস (সংকুচিত) করে এবং আর্কাইভ ফাইল (যেমন .rar বা .zip) তৈরি করে।

ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

WinZip:
- WinZip হল Windows, macOS, iOS এবং Android এর জন্য একটি Compressor Tool.
- WinZip ব্যবহারকারীদের ফাইল কম্প্রেস করে এবং .zip ফরম্যাটে ফাইলটি পরিণত করে।
- WinZip বড় ফাইল কম্প্রেস করে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লাউড, ই-মেইল ইত্যাদিতে পাঠাতে সাহায্য করে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) Adobe Reader: এটি একটি PDF ফাইল পড়ার এবং ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার। 
গ) Notepad: এটি একটি সাধারণ টেক্সট এডিটর, যা টেক্সট ফাইল তৈরি এবং সম্পাদনা করতে ব্যবহৃত হয়। 
ঘ) PowerPoint: এটি একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, যা স্লাইড শো তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

২৬.
MAC অ্যাড্রেস কত বিট হয়?
  1. 32 বিট
  2. 48 বিট
  3. 64 বিট
  4. 128 বিট
ব্যাখ্যা

◉ MAC অ্যাড্রেস (Media Access Control Address) হলো একটি 48-বিট ইউনিক আইডেন্টিফায়ার, যা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কন্ট্রোলার (NIC) বা নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টারের জন্য নির্ধারিত হয়। এটি সাধারণত হেক্সাডেসিমেল ফরম্যাটে (যেমন 00:1A:2B:3C:4D:5E) লেখা হয় এবং নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইসকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়।

MAC Address: 
- কোন কম্পিউটারে ম্যাক এড্রেস হচ্ছে সেই কম্পিউটারটিতে ব্যবহার্য নেটওয়ার্ক ডিভাইসের জন্য একটি অনন্য পরিচিতি।
- কোন ডিভাইসের ম্যাক এড্রেস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করে থাকে ।
- একেকটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এর জন্য একেকটি ম্যাক এড্রেস থাকে ।
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত করার জন্য NIC বা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড ব্যবহার করা হয়।
- এ কার্ডকে ল্যান কার্ড বা নেটওয়্যার্ক অ্যাডাপ্টার বলে।
- ল্যান কার্ডে ৪৮ বিট বা ৬ বাইটের একটি অদ্বিতীয় কোড থাকে একে ম্যাক অ্যাড্রেস বলে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৭.
Half Adder সার্কিট কয়টি লজিক গেইট ব্যবহার করে তৈরি করা হয়?
ব্যাখ্যা

◉ Half Adder সার্কিট হলো একটি মৌলিক ডিজিটাল লজিক সার্কিট, যা দুটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি দুটি মৌলিক গেইট ব্যবহার করে তৈরি করা হয়:
XOR গেইট: যোগফল (Sum) বের করতে ব্যবহৃত হয়।
AND গেইট: ক্যারি (Carry) বের করতে ব্যবহৃত হয়।

হাফ এডার: 
- দুইটি বাইনারি বিট যোগ করার জন্য যে বর্তনী ব্যবহার করা হয় তাকে অর্ধযোগের বর্তনী বলা হয়।
- দুইটি বিট A ও B যোগ করে এই বর্তনী হতে যোগফল (S) এবং হাতের সংখ্যা বা ক্যারি (C) পাওয়া যায়।
- ক্যারি যোগের ব্যবস্থা থাকে না বলে এই বর্তনীকে অর্ধযোগের বর্তনী বলে।


চিত্র: হাফ এডারের লজিক সার্কিট। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।