ব্যাখ্যা
• 'রাত্রি' শব্দটি 'সংস্কৃত' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- সূর্যাস্ত থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়, রাত, রজনি।
অন্যদিকে,
তদ্ভব শব্দ - হাত, ডিম।
দেশি শব্দ - বাড়ি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন
• 'রাত্রি' শব্দটি 'সংস্কৃত' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- সূর্যাস্ত থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়, রাত, রজনি।
অন্যদিকে,
তদ্ভব শব্দ - হাত, ডিম।
দেশি শব্দ - বাড়ি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ঝড়তুফান' শব্দটি 'দেশি' এবং 'আরবি' শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- ঝড়ের তাড়না, ঝড়ঝঞ্ঝা।
অন্যদিকে,
- ধনদৌলত (সংস্কৃত+আরবি),
- পকেটমার (ইংরেজি+বাংলা)।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• পর্তুগিজ শব্দ - নিলাম।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- কোনো দুর্লভ বস্তু চিত্রকর্ম রত্ন প্রভৃতি উপস্থিত ক্রেতাদের মধ্যে দাম হেঁকে সর্বোচ্চ মূল্য দিতে আগ্রহী ক্রেতার নিকট বিক্রয়ের ব্যবস্থা।
অন্যদিকে,
ফারসি শব্দ - চাবুক।
তুর্কি শব্দ - কুর্নিশ, চোগা।
কিছু পর্তুগিজ শব্দ:
- ইংরেজ, পাউরুটি, আনারস , আচার, আলকাতরা, আলপিন, চাবি, আলমারি, বেহালা , বালতি, পেয়ারা , ইস্পাত, গরাদ, গামলা, পেরেক, মিস্ত্রি, যিশু, কেদারা, কামরা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
[অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]
মৌলিক ধাতু:
- যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়, সেগুলোই মৌলিক ধাতু। এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।
যেমন:
- চল্, পড়, কর্, শো, হ, খা ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
সাধিত ধাতু:
- মৌলিক ধাতু কিংবা কোনো কোনো নাম-শব্দের সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে সাধিত ধাতু বলে।
যেমন:
- দেখ্ + আ = দেখা,
- পড়্ + আ= পড়া,
- বল্ + আ = বলা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি, ২০১৯ সালের সংস্করণ।
তদ্ভব শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
যেমন:
- হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত, হাতি, ঘোড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
যৌগিক শব্দ:
- যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ অভিন্ন তাদের যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন:
- দৌহিত্র, চিকামারা, বাবুয়ানা, মধুর, কর্তব্য ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
রূঢ়ি শব্দ - বাঁশি, তৈল।
যৌগরূঢ় শব্দ - রাজপুত।
উংস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• তুর্কি শব্দ - লাশ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- শব, মরদেহ।
অন্যদিকে,
আরবি শব্দ - তুফান।
পর্তুগিজ শব্দ - ফিতা।
দেশি শব্দ - কাতান।
কিছু তুর্কি শব্দ:
- কলগি,
- চাকু,
- বাবা,
- বাবুর্চি,
- মুচলেকা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা ভাষায় মৌলিক ধাতুগুলোকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যথা:
(ক) বাংলা,
(খ) সংস্কৃত এবং
(গ) বিদেশি ধাতু।
বাংলা ধাতু:
যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসেনি সেগুলো হলো বাংলা ধাতু।
যেমন - কাট্, কাঁদ, জান্, নাচ্ ইত্যাদি।
সংস্কৃত ধাতু:
- বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে।
যেমন
- কৃ, গম্, ধৃ, গঠ্, স্থা, কথ্, গঠ্, পঠ্ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'পাঞ্জাবি' শব্দটি 'ফারসি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- হাতের তালু পর্যন্ত বিস্তৃত আস্তিনবিশিষ্ট ঢিলা জামাবিশেষ; কামিজ।
কিছু ফারসি শব্দ:
- কারিগর,
- খোয়াব,
- চশমা,
- চেহারা,
- দরদি,
- দরবার,
- দারোগা,
- দারোয়ান,
- ফসলি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ইস্কাপন' শব্দটি 'ওলন্দাজ' ভাষা হতে এসেছে।
আরো কিছু ওলন্দাজ ভাষার শব্দ:
- হরতন,
- ইস্কাপন,
- রুইতন,
- টেক্কা,
- তুরুপ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা ধাতু:
যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসেনি সেগুলো হলো বাংলা ধাতু।
যেমন:
- কাট্, কাঁদ, জান্, নাচ্ ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
সংস্কৃত ধাতু:
- বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে।
যেমন:
- কৃ, গম্, ধৃ, গঠ্, স্থা, কথ্, গঠ্, পঠ্ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'জাহাজ' শব্দটি 'আরবি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- ইঞ্জিনচালিত সমুদ্রগামী বড়ো নৌযান, অর্ণবপোত।
অন্যদিকে,
ফারসি শব্দ - দারোগা, চশমা, খোদ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ভোগদখল' মিশ্র শব্দটি 'সংস্কৃত এবং আরবি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- (ভূসম্পত্তির ক্ষেত্রে) অধিকারে রেখে বসবাস।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• দেশি শব্দ - পেট।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ডের নিম্নস্থ অঙ্গ, উদর, জঠর।
দেশি শব্দ:
- বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ:
- কুড়ি, পেট, চুলা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
কর্মবাচ্যের ধাতু:
- মৌলিক ধাতুর সাথে 'আ' প্রত্যয় যোগে কর্মবাচ্যরে ধাতু সাধিত হয়। এটি বাক্যমধ্যস্ত কর্মপদের অনুসারী ক্রিয়ার ধাতু।
যেমন:
- হার্ + আ = হারা;
বাক্য: যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন কেষ্টা বেটায় চোর।
অন্যদিকে,
সংযোগমূলক ধাতু:
- বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাতক অব্যয়ের সাথে কর্, দে, পা, খা, ছাড় ইত্যাদি মৌলিক ধাতু সংযুক্ত হয়ে যে নতুন ধাতু গঠিত হয় তাই সংযোগমূলোক ধাতু।
যেমন:
- যোগ (বিশেষ্য) + কর্ (ধাতু) = 'যোগ কর' (সংযোগমূলোক ধাতু)।
প্রযোজক ধাতু:
- মৌলিক ধাতুর পরে প্রেরণার্থে (অপরকে নিয়োজিত করা অর্থে) 'আ' প্রত্যয় যোগ করে প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু গঠিত হয়।
যেমন:
- কর্ + আ = করা (এখানে 'করা' একটি ধাতু)।
বাক্য: সে নিজে চুরি করে না, অন্যকে দিয়ে করায়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• তদ্ভব শব্দ - পত্তর।
- সংস্কৃত শব্দ 'পত্র' থেকে 'পত্তর' শব্দটি আগত।
শব্দের অর্থ:
- 'পত্র'-র আঞ্চলিক ও বিকৃত রূপ (চিঠিপত্তর)।
অন্যদিকে,
সংস্কৃত শব্দ - পত্র, শ্রাদ্ধ, জ্যোৎস্না।
তদ্ভব শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
যেমন:
- হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত, হাতি, ঘোড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
রূঢ়ি শব্দ:
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হস্তী - হস্ত + ইন, অর্থ - হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা।
এইরকম:
• প্রবীণ - শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি 'অভিজ্ঞতাসম্পন্ন 'বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
• সন্দেশ- শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে 'সংবাদ'। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে 'মিষ্টান্ন বিশেষ'।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করলে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন:
- গরমিল, ('গরমিল' সমাসের ব্যাসবাক্য - "মিলের অভাব"। এটি একটি অব্যয়ীভাব সমাস।)
- পরিচালক,
- সম্পাদকীয়,
- সংসদ,
- নীলাকাশ ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- নাক, লাল, কলম মৌলিক শব্দ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• ফরাসি শব্দ - আঁতেল।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- শিক্ষিত না হয়েও যে বুদ্ধিজীবীর চালচলন অনুকরণ করে।
অন্যদিকে,
ফারসি শব্দ - কারখানা, তোশক।
তুর্কি শব্দ - চাকু।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• হিন্দি শব্দ - টপ্পা।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- খেয়াল গানের অনুকরণে রচিত লঘুরসাত্মক বৈঠকি গান। ষোলো মাত্রার তালবিশেষ।
কিছু হিন্দি শব্দ:
- দহলা,
- দশেরা
- রোকড়,
- লড়াকু,
- লেনদেন ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।