পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

পরীক্ষাপ্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) টপিক: আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সম্মেলন (পরিবেশ ও জলবায়ু ব্যতীত); পুরস্কার ও সম্মাননা,আন্তর্জাতিক মুদ্রা সংক্রান্ত ইস্যু, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, খেলাধুলা, বিশ্ব বাণিজ্য ও অর্থনীতি, আনুষঙ্গিক সাম্প্রতিক বিষয়াবলি ইত্যাদি। উৎস: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিখ্যাত পত্রিকা রিপোর্ট ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫ · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
ভেনেজুয়েলার সরকারের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত যে সামরিক অভিযান চালানো হয় তার নাম কী?? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. অপারেশন আয়রন শিল্ড
  2. অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ
  3. অপারেশন লিবার্টি স্টর্ম
  4. অপারেশন ব্লু ফিনিক্স
ব্যাখ্যা

- ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে ‘অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ’ নামে একটি অভিযানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করা হয়।
- ৩ রা জানুয়ারি মার্কিন বাহিনী এ অভিযান চালায় ভেনেজুয়েলায়।
- দেশটির সব থেকে বড় সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনার দুর্গের মতো সুরক্ষিত বাসভবন থেকে মাদুরোকে বন্দি করা হয়,
- ‘অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ’ অভিযানের অংশ হিসাবে পাঁচ মাস ধরেই মাদুরোকে চোখে চোখে রাখেন মার্কিন গোয়েন্দারা। 
- ‘অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ’ নামের এই অভিযানে যৌথভাবে অংশ নেয় মার্কিন সেনাবাহিনীর অভিজাত ইউনিট ডেল্টা ফোর্স, সিআইএ ও এফবিআই। 
- ২৫ ডিসেম্বর অভিযানের অনুমোদন দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

উৎস: বিবিসি।

.
আধুনিক তুরস্কের জন্ম হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. আলজিয়ার্স চুক্তি
  2. ভার্সাই চুক্তি 
  3. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. লুজান চুক্তি
ব্যাখ্যা

লুজান চুক্তি হল ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত এমন একটি শান্তি চুক্তি যার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে বর্তমান তুরস্কের সীমানা।  অর্থাৎ আধুনিক তুরস্কের জন্ম এই চুক্তির মাধ্যমে। 

লুজান চুক্তি:
- এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির  চূড়ান্ত চুক্তি । 
- লুজান চুক্তি হলো একটি শান্তি চুক্তি যার মাধ্যমে বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়েছে।
- আধুনিক তুরস্কের জন্ম এই চুক্তির মাধ্যমে। 
- চুক্তিটি ২৪ জুলাই, ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে স্বাক্ষরিত হয়েছিল বিধায় এর নাম হয় লুজান চুক্তি।
- চুক্তিতে এক পক্ষে ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্তরসূরি তুরস্কের প্রতিনিধিরা।
- অন্য পক্ষে ছিলেন ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, গ্রিস, রোমানিয়া এবং যুগোস্লাভিয়ার প্রতিনিধিরা।
- ২০২৩ সালে এই চুক্তির ১০০ বছর পূর্ণ হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে প্যারিস শান্তি সম্মেলনে প্রণীত প্রাথমিক চুক্তি ছিল ভার্সাই চুক্তি । এটি ২৮ জুন, ১৯১৯ তারিখে ভার্সাই প্রাসাদের হল অফ মিররসে মিত্রশক্তি এবং সংশ্লিষ্ট শক্তি এবং জার্মানি দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং ১০ জানুয়ারী, ১৯২০ তারিখে কার্যকর হয়।

⇒ আলজিয়ার্স চুক্তি : ইরান ও ইরাকের মধ্যকার চুক্তি । যেখানে ইরাক দুই দেশের মধ্যে সমুদ্র সীমানা থালওয়েগে স্থানান্তর করতে সম্মত হয়েছিল - ইরাকি কুর্দিদের প্রতি ইরানের সমর্থন প্রত্যাহারের শর্তে।

⇒ প্যারিস শান্তি চুক্তি :  ভিয়েতনামে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসানের জন্য ২৭ জানুয়ারী ১৯৭৩ সালে স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তি ছিল। 

উৎস: Britannica .

.
বিশ্বের তেল উত্তোলনে শীর্ষ  শীর্ষ দেশ কোনটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভেনেজুয়েলা
  3. সৌদি আরব
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র
- যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী।
- দেশটি প্রতিদিনি ২১ দশমিক ৯১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করে।
-  যা গোটা বিশ্বের মোট উত্তোলনের ২২ শতাংশ।

- যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মজুত ঠিক কত তা নিয়ে অনেক ভিন্নতা আছে।
- এক হিসাবে দেশটির মোট তেলের মজুত ৬৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ব্যারেল। আরেক হিসাবে তাদের মজুত ৭৪ বিলিয়ন ব্যারেল।

সৌদি আরব
- বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী এবং ওপেকভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সৌদি।
- দেশটি প্রতিদিন ১১ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করে। যা গোটা বিশ্বের মোট উত্তোলনের ১১ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- অপরিশোধিত জ্বালানি তেল মজুতে শীর্ষ দেশ- ভেনেজুয়েলা।

উৎস: প্রথম আলো এবং যুগান্তর।

.
সর্বশেষ ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কততম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ৪৬তম 
  2. ৪৭তম 
  3. ৪৫তম 
  4. ৪৯তম 
ব্যাখ্যা

ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
- শপথ গ্রহণের দিনটিকে, ২০শে জানুয়ারি ২০২৫-কে তিনি 'মুক্তির দিন' বলে বর্ণনা করেন।
- তিনি ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

এছাড়াও,
- ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি, ২০১৭ ইংরেজি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প সবচেয়ে আলোচিত - সমালোচিত প্রেসিডেন্ট ধারা যায়।
- বিভিন্ন বিতর্কিত কাজ করে আলোচনায় থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের নিম্ন-কক্ষ হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিশংসিত হয়েছিলেন।
- অবশ্য তার আগে আরো দুইজন প্রেসিডেন্ট হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিসংশিত হয়েছিলেন।
- তারা হচ্ছেন অ্যান্ড্রু জনসন এবং বিল ক্লিনটন।

অন্যদিকে,
- জো বাইডেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: Britannica.

.
২০২৫ সালের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. ব্রাজিল
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন, ২০২৫:
- ২০২৫ সালের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন ২২-২৩ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হয়।
- ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো আফ্রিকান দেশে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এবারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল 'সংহতি, সমতা ও স্থায়িত্ব'।
- এতে অংশ নেওয়া বিশ্ব নেতারা ১২২ দফার একটি বিস্তারিত যৌথ ঘোষণাপত্রে একমত হন।
- ঘোষণাপত্রে বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘শ্বেতাঙ্গ গণহত্যা’ চলছে বলে দাবি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্মেলনটি বর্জন করেছে।

উল্লেখ্য,
- জি-২০ বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠনের নাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ২১টি; ১৯টি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ও আফ্রিকান ইউনিয়ন। 
- এসব দেশ বিশ্বব্যাপী মোট জিডিপি'র প্রায় ৮৫ শতাংশ ও বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করে। 
- প্রথম G-20 শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। 

উৎস: বাসস, জি-২০ ওয়েবসাইট।

.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত তারিখে?
  1. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  2. ৪ জানুয়ারি, ১৯৫৪
  3. ৬ জুন, ১৯৫৭
  4. ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৯
ব্যাখ্যা

৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে।
- ন্যাটোর ভিত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- Article 5: একটি দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ।
- ৯/১১ এর সন্ত্রাসী হামলায় প্রথমবার Article 5 প্রয়োগ করা হয়।
- ন্যাটোর প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হয়।
- কসোভো, ভূমধ্যসাগর এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের মতো অঞ্চলে ন্যাটো মিশন পরিচালনা করে।
- ন্যাটো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

.
কোন চুক্তি বসনিয়া সংকট সমাধানের পথ সুগম করেছিল?
  1. অসলো চুক্তি
  2. আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  4. ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা

১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। যার কারণে চুক্তিটি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,

- ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৯৩ সালে সম্পাদিত অসলো চুক্তির মাধ্যমে।
- ইরান-ইরাকের মধ্যে শাতিল আরব জলপথকে ঘিরে দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি (১৯৭৫) স্বাক্ষরিত হয়।
- মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে শান্তি স্থাপনে ১৯৭৮ সালে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
সর্বশেষ ইউরো মুদ্রা চালুকারী দেশ কোনটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. লাটভিয়া
  2. এস্তোনিয়া
  3. সুইডেন
  4. বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি দেশ।
- বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ। [ জানুয়ারি, ২০২৬]
- সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া।
- সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তখন থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।
- ১ জানুয়ারি ,২০২৬ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২১তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা চালু করে- বুলগেরিয়া।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।

.
কোন চুক্তিতে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ হওয়ার কথা বলা হয়েছে?
  1. CTBT
  2. SALT-I
  3. SALT-II
  4. NPT
ব্যাখ্যা

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

অন্যদিকে,
SALT:
- SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks।
- আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা।
- এই আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে।
- আলোচনার সময়: ১৯৬৯ সাল।
- পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দুইটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা SALT-I ও SALT-II নামে পরিচিত।
- SALT-I চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-II চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৮ জুন, ১৯৭৯ সালে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা 'ফ্রিজ' করা হয়।
- এতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে পারে না।
- এর মাধ্যমে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল (আনুষ্টানিক ভাবে স্বীকার করে নাই)।

উৎস: i) Arms Control Association.
         ii) NATO ওয়েবসাইট।

১০.
গাজা শান্তি পরিকল্পনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটি দফা প্রস্তাব করেন?
  1. ১৫
  2. ২০
  3. ১৮
  4. ১৩
ব্যাখ্যা

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার ২০ দফা:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা সংকট নিরসনে একটি ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেন।
- এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ইসরায়েল ও হামাস উভয় পক্ষই নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে বলে ট্রাম্প ঘোষণা করেন।
- পরিকল্পনাটির লক্ষ্য হলো যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, জিম্মি ও বন্দি বিনিময়, গাজার শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি স্থায়ী ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।

উল্লেখ্য,
এই ২০ দফা পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্যই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে “Board of Peace (বোর্ড অব পিস)” গঠনের প্রস্তাব করা হয়।
Board of Peace হলো ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনায় প্রস্তাবিত একটি আন্তর্জাতিক তদারকি ও সমন্বয়মূলক কাঠামো।
এর মূল লক্ষ্য হলো—
- যুদ্ধবিরতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা।
- ইসরায়েল ও হামাস—উভয় পক্ষের চুক্তি পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করা।
- জিম্মি ও বন্দি বিনিময়, মানবিক সহায়তা প্রবাহ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় সাধন।
- ভবিষ্যতে গাজার প্রশাসন টেকনোক্র্যাটদের হাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়াকে সহজ ও বিশ্বাসযোগ্য করা।

উৎস: বিবিসি ও রয়টার্স।

১১.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৫০ সালে 
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights) গৃহীত ও ঘোষিত হয়।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১২.
২০২৬ সালে ৫২তম G7 শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

G-7: 
- G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- এটি বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- G-7 এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৭টি।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি।
- তবে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

⇒ ৫১তম G-7 শীর্ষ সম্মেলন:
- ১৫-১৭ জুন, ২০২৫ ৫১তম G-7 শীর্ষ সম্মেলন কানাডার আলবার্টার কানানাস্কিস রিসোর্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে, কানাডা G-7-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ২০২৫ সালের G-7 সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছে।
- ৫২তম G-7 শীর্ষ সম্মেলন ২০২৬ সালে ফ্রান্সে।

উৎস: G-7 ওয়েবসাইট।

১৩.
বিশ্বের বৃহত্তম ই-কমার্স কোম্পানি কোনটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. আলিবাবা
  2. অ্যামাজন
  3. শপিফাই
  4. মার্কাডো লিব্রে
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের বৃহত্তম ই-কমার্স কোম্পানি- অ্যামাজন।
- বিশ্বের প্রায় সব দেশেই অ্যামাজন অনলাইনে পণ্য সরবরাহ করে থাকে।
- অ্যামাজনের সহপ্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধনী।
- ১৯৯৪ সালে অনলাইনে বই বিক্রি দিয়ে তিনি এ ব্যবসা শুরু করেন। 
- ই-কমার্সের পাশাপাশি ক্লাউড কম্পিউটিং, এআইসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে তারা।
- এ ছাড়া হোল ফুড ও আইএমডিবির মতো সাবসিডিয়ারি কোম্পানি আছে অ্যামাজনের।
- তাদের কর্মীর সংখ্যা ১৫ লাখ ৪৬ হাজার।
- কম্পানিটির বাজার মূলধন: ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি ডলার।

এছাড়াও,
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে, চীনের আলিবাবা, কম্পানিটির বাজার মূলধন: ৩৫ হাজার ৭৪০ কোটি ডলার।

উৎস: প্রথম আলো [লিংক]।

১৪.
'ওয়ারশ প্যাক্ট' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ প্যাক্ট:
- ওয়ারশ প্যাক্ট বা Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance ছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত একটি সামরিক জোট।
- এটি পূর্ব ইউরোপের আটটি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি,
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সোভিয়েত প্রভাব বজায় রাখা এবং পশ্চিমা সামরিক শক্তি, বিশেষ করে ন্যাটোর (NATO) বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৫৫ সালের ১৪ মে, পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ শহরে।
- প্রাথমিকভাবে এই জোটে আটটি দেশ সদস্য ছিল: সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া।
- জোটটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছিল এবং পূর্ব ইউরোপে সমাজতান্ত্রিক শাসন টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- তবে স্নায়ুযুদ্ধের শেষে ইউরোপজুড়ে সমাজতান্ত্রিক শাসনের পতন ও গণতন্ত্রের উত্থানের ফলে ওয়ারশ প্যাক্ট ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- অবশেষে, আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই এই সামরিক জোটটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৫.
পাবলো পিকাসো কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ইতালি
  2. স্পেন
  3. পর্তুগাল
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• পাবলো পিকাসো
- বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী চিত্রশিল্পীদের একজন পাবলো পিকাসো।
- কেবল রং-তুলিই তাঁর শিল্পকলা প্রকাশের মাধ্যম ছিল না, তিনি একাধারে ছিলেন দক্ষ ভাস্কর, মৃৎশিল্পী, পোশাক পরিকল্পক ও মঞ্চসজ্জাশিল্পী। কবিতা ও নাটকও লিখেছেন।
- পাবলো রুইজ পিকাসোর জন্ম ১৮৮১ সালের ২৫ অক্টোবর দক্ষিণ স্পেনের ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী মালাগা শহরে। 
- পিকাসোর জীবনে ১৯০৭ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- কারণ, এ সময়ে তিনি শিল্পী জর্জেস ব্রাকের সঙ্গে কাজ করে শিল্পে ‘কিউবিস্ট’ আন্দোলনের সূচনা করেন।
- জটিল জ্যামিতিক পদ্ধতিতে আঁকা ছবিতে বাস্তবতা উপস্থাপনের এক নতুন কৌশল ছিল এটি।
- একটানা ১৯১৯ সাল পর্যন্ত এই কিউবিজমের চর্চা চালিয়ে গেছেন। কোলাজশিল্পটির উদ্ভাবনেও তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
- পিকাসোর আঁকা অসংখ্য বিখ্যাত ছবির একটি হলো ‘গোয়ের্নিকা’।
- ১৯৩৭ সালে স্পেনের স্বৈরশাসক ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর অনুরোধে জার্মানি ও ইতালি যৌথভাবে আক্রমণ চালায় স্পেনের প্রত্যন্ত গোয়ের্নিকা গ্রামে।
- এ ঘটনায় মর্মাহত পাবলো পিকাসো এঁকেছিলেন তাঁর জগদ্বিখ্যাত ছবি ‘গোয়ের্নিকা’।
- গোয়ের্নিকাকে বলা হয় পৃথিবীর সর্বকালের সেরা যুদ্ধবিরোধী চিত্রকর্ম।
- তাঁর আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি হলো ‘দ্য ওল্ড গিটারিস্ট’, ‘গার্ল বিফোর আ মিরর’, ‘দ্য উইপিং ওমেন’, ‘উইমেন অব আলজিয়ার্স’, ‘সেলফ পোর্ট্রেট’, ‘থ্রি মিউজিশিয়ানস’, ‘সিটেড বাথার’ প্রভৃতি।
- ১৯৪৪ সাল থেকে ভাস্কর্যের দিকে মনোনিবেশ করেন পিকাসো। তাঁর একটি বিখ্যাত ভাস্কর্যের নাম ‘শিকাগো পিকাসো’।
- এ ছাড়া মৃৎশিল্পের কাজ, পোশাক পরিকল্পনা ও মঞ্চসজ্জার কাজও করেছেন তিনি।
- মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন সাহিত্য রচনায়। কাব্যচর্চা চালিয়ে গেছেন ১৯৩৯ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত।
- এ সময় লিখেছেন ৩০০টির বেশি কবিতা। এ ছাড়া দুটি নাটকও লিখেছেন।
- পিকাসো মারা গেছেন ১৯৭৩ সালের ৮ এপ্রিল, ফ্রান্সের মুজাই শহরে।

উৎস: ব্রিটানিকা।  

১৬.
ইন্টারপোলের ৯৩তম সাধারণ সম্মেলন-২০২৫ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. জার্মানি
  2. মরক্কো
  3. কাতার
  4. সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা

ইন্টারপোলের ৯৩তম সাধারণ সম্মেলন:
- আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের ৯৩তম সাধারণ সম্মেলন ২৪ থেকে ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত মরক্কোর মারাকেশে অনুষ্ঠিত হয়।
- ইন্টারপোলের সদস্যভুক্ত ১৯৬টি দেশের পুলিশপ্রধান ও প্রতিনিধিরা এ সম্মেলনে অংশ নেন।
- ইন্টারপোলের এ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাজনিত সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপস্থাপন করা হয়।
- এর মধ্যে সাইবার অপরাধ ও ডেটাভিত্তিক তদন্ত, আন্তদেশীয় সংগঠিত অপরাধ প্রতিরোধ, বিশ্বব্যাপী স্ক্যাম সেন্টার উচ্ছেদ, ইন্টারপোলের উদ্ভাবনী পুলিশি সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নারী পুলিশ নেতৃত্বের বিকাশ উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।

১৭.
‘A Long walk to Freedom’ কার রচিত আত্মজীবনী?
  1. জওহরলাল নেহেরু
  2. আবুল কালাম আজাদ
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

 নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম - ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। 
- ১৯৬০ সালে শ্বেতাঙ্গ নিয়ন্ত্রিত সরকার ANC এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
- ১৯৬২ সালে “Spear of the Nation” (ANC সদস্যদের নিয়ে গেরিলা আক্রমন শুরু করেন।
 - ম্যান্ডেলাকে “রোবেন দ্বীপ”– এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- পরবর্তীতে দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন তীব্র হলে ১৯৮৯ সালে শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এফ. ডি ক্লার্ক ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দেন।
- ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পান।
- ১৯৯৯ সালে তিনি স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে অবসরে যান ।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো - ৪৬৬ এবং কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
তিনি “Yes for the children” - এর প্রতিষ্ঠাতা।

- তার রচিত বই - A Long Walk to Freedom (Autobiography), Conversations With Myself, The Prison Letters of Nelson Mandela, I Am Prepared to Die, No Easy Walk to Freedom, The Struggle Is My Life, In His Own Words

উৎস: Britannica & History.com

১৮.
২০২৬ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের কততম আসর অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ২২তম আসর
  2. ২৩তম আসর
  3. ২৪তম আসর
  4. ২৫তম আসর
ব্যাখ্যা

ফিফা বিশ্বকাপ, ২০২৬:
- ফিফা বিশ্বকাপ, ২০২৬ এর আসরটি ২৩তম আসর।
- আয়োজক দেশ- মোট ৩টি [কানাডা, মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র]।
- অংশগ্রহণকারী দল-৪৮টি দেশ।
- উদ্বোধনী ম্যাচ- ১১ জুন, ২০২৬।
- ফাইনাল ম্যাচ- ১৯ জুলাই, ২০২৬।

উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট।

১৯.
বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
  3. বেনজীর ভুট্টো
  4. অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
ব্যাখ্যা

শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীর নাম শ্রীমাভো বন্দরনায়েক।
- ১৯৬০ সালে নির্বাচনে জিতে শ্রিলংকার প্রধানমন্ত্রী হন তিনি।
- ১৯৬৫ সালে ক্ষমতা ত্যাগ করার পরে ১৯৭০ থেকে ১৯৭৭ সাল এবং ১৯৯৪ থেকে ২০০০ সাল মেয়াদে আরো দুইবার প্রধানমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পালন করেন।

অন্যদিকে -
- বেনাজীর ভুট্টো ছিলেন বিশ্বের প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ইসাবেলা পেরন।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।

উৎস:
i) Britannica.com.
ii) Ministry of Foreign Affairs, Sri Lanka.

২০.
ফিফার ইতিহাসে প্রথম শান্তি পুরস্কার (FIFA Peace Prize) পান কে?
  1. আন্তোনিও গুতেরেস
  2. ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ
  3. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  4. জিয়ানি ইনফান্তিনো
ব্যাখ্যা

ফিফার শান্তি পুরস্কার:
- বৈশ্বিক ফুটবল সংস্থা ফিফার প্রথম শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- ৫ ডিসেম্বর,২০২৫ এ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এর ড্র-র আগে তিনি এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।
- ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো চলতি বছর (২০২৫) থেকে এই পুরস্কার চালু করেছেন।
- পুরষ্কারটি এমন ব্যক্তিকে দেওয়া হচ্ছে যিনি শান্তির জন্য অসাধারণ ও অনন্য পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং সারা বিশ্বের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। 

উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।

২১.
উইম্বলডন ২০২৫-এর পুরুষ এককে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কে?
  1. রবি রিগস
  2. ইয়ানিক সিনার
  3. কিম ক্লাইস্টার্স
  4. রজার ফেদেরার
ব্যাখ্যা

উইম্বলডন ২০২৫-এর পুরুষ এককের চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ইতালির ইয়ানিক সিনার।

টেনিস:
- টেনিস বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা।
- অনেক জায়গায় এটি লন টেনিস নামে পরিচিত।
- গ্র্যান্ড স্ল্যাম একই বছরে চারটি বৃহৎ টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ- অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন (উইম্বলডন) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র- জেতাকে বোঝায়।
- গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন (ITF) দ্বারা পরিচালিত হয়।
- প্রতিটি টুর্নামেন্ট দুই সপ্তাহ সময়সীমার পরে খেলা হয়।

⇒ গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে রয়েছে:
• অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (জানুয়ারির মাঝামাঝি),
• ফ্রেঞ্চ ওপেন (মে মাসের শেষ থেকে জুনের শুরুতে),
• উইম্বলডন (জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরুতে),
• ইউএস ওপেন (আগস্ট-সেপ্টেম্বর)।

⇒ উইম্বলডন (Wimbledon) ২০২৫:
• পুরুষ একক:
- চ্যাম্পিয়ন: ইয়ানিক সিনার (ইতালি)।
- রানার আপ: কার্লোস আলকারাস।

• নারী একক:
- চ্যাম্পিয়ন: ইগা সিয়াতেক।
- রানার আপ: অ্যামান্ডা অ্যানিসিমোভা।

উৎস: International Tennis Federation ওয়েবসাইট।

২২.
শেনজেন (Schengen) চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. সুইডেন
  3. হাঙ্গেরি
  4. লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা

সেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement):
- সেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের জাতীয় সীমানা বিলুপ্তি করে দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- সেনজেন চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল সীমানাবিহীন একটি ইউরোপ তৈরি করা যা 'শেঞ্জেন এলাকা' নামে পরিচিত হবে।
- স্বাক্ষরিত হয়- ১৯৮৫ সালে।
- স্থান- লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ১৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- প্রায় ৪২০ মিলিয়ন লোকের জনসংখ্যা সহ শেনজেন এলাকা ৪ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার।
- বর্তমান শেনজেন ভুক্ত দেশ- ২৭টি।
- যার মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর দেশ ২৩টি।
- লিচেনস্টাইন, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ে এই দেশ চারটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়েও সেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকায় রয়েছে।
- সেনজেন ভুক্ত ২৭তম দেশ হলো ক্রোয়েশিয়া।

উৎস: The Schengen area explained - Consilium.europa.eu.

২৩.
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন কে? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. দিয়োসদাদো কাবেয়ো
  2. নিকোলাস মাদুরো
  3. হুয়ান গুয়াইদো
  4. দেলসি রদ্রিগেজ
ব্যাখ্যা

- দেলসি রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
- ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে এক সংসদীয় অধিবেশনে ৫৬ বছর বয়সী দেলসি শপথ গ্রহণ করেন।
- ২০১৮ সাল থেকে তিনি ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

⇒ ৩রা জানুয়ারি ২০২৬ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে ‘বড় পরিসরে’ হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। এর সাত ঘণ্টা পরে আটক মাদুরোর ছবি প্রকাশ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবিতে তাঁর চোখ বাঁধা, হাতে হাতকড়া আর পরনে ধূসর রঙের নরম কাপড়ের তৈরি ট্রাউজার দেখা যায়।

উৎস: প্রথম আলো।

২৪.
আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. AFTA
  2. NAFTA
  3. SAFTA
  4. APTA
ব্যাখ্যা

• ASEAN Free Trade Area (AFTA ).
- AFTA হলো আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ১৯৯২ সালের ২৮ জানুয়ারি চতুর্থ আসিয়ান সামিটে AFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
- AFTA এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১১টি। 
এগুলো হলো:
- মালয়েশিয়া;
- ইন্দোনেশিয়া;
- ফিলিপাইন;
- সিঙ্গাপুর;
- ভিয়েতনাম;
- কম্বোডিয়া;
- লাওস;
- থাইল্যান্ড;
- ব্রুনাই এবং;
- মায়ানমার।
- পূর্ব তিমুর।

অন্যদিকে,
- SAFTA (South Asian Free Trade Area) হলো সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- APTA হলো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৭টি দেশের একটি অগ্রাধিকারমূলক আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি।
- ১৯৯২ সালে স্বাক্ষরিত উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (NAFTA) ছিল একটি বিতর্কিত বাণিজ্য চুক্তি যার লক্ষ্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর মধ্যে।

উৎস: আসিয়ান ওয়েবসাইট।

২৫.
যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি সংক্রান্ত বর্ণনা রয়েছে কোনটিতে?
  1. মন্ট্রিল কনভেনশন
  2. জেনেভা কনভেনশন
  3. প্যারিস কনভেনশন
  4. রিও কনভেনশন
ব্যাখ্যা

 জেনেভা কনভেনশন-১৯৪৯ হলো যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

২৬.
গ্র্যান্ড স্ল্যাম কথাটি কোন খেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. টেবিল টেনিস
  2. ক্রিকেট
  3. ফুটবল
  4. লন টেনিস
ব্যাখ্যা

- 'গ্র্যান্ড স্ল্যাম' শব্দটি লন টেনিস খেলার সাথে সম্পর্কিত।
-  গ্র্যান্ড স্ল্যাম একই বর্ষপঞ্জীর চারটি বৃহৎ টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ জেতাকে বোঝায়।
- গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন (ITF) দ্বারা পরিচালিত হয়।
- প্রতিটি টুর্নামেন্ট দুই সপ্তাহ সময়সীমার পরে খেলা হয়।

 • গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে রয়েছে:

- অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (জানুয়ারির মাঝামাঝি)
- ফ্রেঞ্চ ওপেন (মে মাসের শেষ থেকে জুনের শুরুতে)
- উইম্বলডন (জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরুতে)
- ইউএস ওপেন (আগস্ট-সেপ্টেম্বর)

• লন টেনিস:
- টেনিস বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা।
- অনেক জায়গায় এটি লন টেনিস নামে পরিচিত।
- টেনিস খেলার জন্য প্রয়োজন হয় তারযুক্ত একটি দন্ড যা 'রেকেট' নামে পরিচিত, একটি বল এবং জাল।

উৎস: International Tennis Federation ওয়েবসাইট।

২৭.
ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১ কী সংক্রান্ত বিধি?
  1. মানবাধিকার বিধি
  2. কূটনৈতিক আচরণ বিধি
  3. শিশু অধিকার বিধি
  4. বাণিজ্য বিধি
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশন, (১৯৬১):  
- ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস (Vienna Convention on Diplomatic Relations, 1961) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনার নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
- গৃহীত হয়:  ১৯৬১ সালের ১৮ এপ্রিল।
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 
- কার্যকর হয়: ১৯৬৪ সালের ২৪ এপ্রিল।
- ভিয়েনা কনভেনশন আধুনিক কূটনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছে।
- চুক্তিটিতে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে, সাক্ষরকারী রাষ্ট্রসমূহ যেগুলো সব সময় মেনে চলার চেষ্টা করে।
- এটি বর্তমানে প্রায় ১৯০টি দেশের মধ্যে সম্পর্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- এর মাধ্যমে বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে বিশ্বাস ও সহযোগিতা বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।
- স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে। (বিবিসি) 
- বাংলাদেশ ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৮ সালে স্বাধীনতার পর ভিয়েনা কনভেনশনে স্বাক্ষর করে এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মান রক্ষা করার অঙ্গীকার করে।
- ভিয়েনা কনভেনশন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতি পরিচালনার একটি মৌলিক কাঠামো। 
- এটি রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সহযোগিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
কূটনীতিকদের বিশেষ সুবিধা (Privileges):
কূটনীতিকদের দায়িত্ব পালনের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়।
করমুক্ত সুবিধা এবং ভ্রমণে বিশেষ অধিকার থাকে।

কূটনীতিকদের দায়মুক্তি (Immunity):
স্বাগতিক দেশের আইন অনুযায়ী তাদের বিচার করা যায় না।
কূটনীতিকের ব্যক্তিগত আবাসস্থলও সুরক্ষিত।

দূতাবাসের নিরাপত্তা:
দূতাবাস ও এর প্রাঙ্গণকে স্বাগতিক দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রবেশ করতে পারে না।
রাষ্ট্রের সম্মান অনুযায়ী দূতাবাস পরিচালনা নিশ্চিত করা হয়।

কূটনৈতিক ব্যাগ (Diplomatic Pouch):
কূটনৈতিক পণ্য ও চিঠিপত্র "ডিপ্লোম্যাটিক ব্যাগ"-এর মাধ্যমে সুরক্ষিতভাবে পরিবহন করা হয়।
এটি তল্লাশি থেকে মুক্ত।

সদস্য দেশসমূহের দায়িত্ব:
কূটনীতিকদের সুরক্ষা এবং সুবিধা নিশ্চিত করা।
অন্যান্য দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনার নিয়ম মেনে চলা।

উল্লেখযোগ্য ধারা:
- ভিয়েনা কনভেনশনের ২৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিদেশি কূটনীতিক মিশনের সকল সদস্য স্বাগতিক দেশে স্বাধীন ও অবাধে চলাচল করতে পারবেন। তবে জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত বিশেষ সংরক্ষিত এলাকায় তারা বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারবেন না।
- চুক্তির ২৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে, বিদেশি মিশন যেন সব ধরনের দাপ্তরিক কাজ অবাধে সম্পন্ন করতে পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
- ভিয়েনা কনভেনশনের ২৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিদেশি কূটনীতিকদের আটক বা গ্রেফতার করা যাবে না। অর্থাৎ তারা স্বাগতিক দেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার বাইরে থাকবে।
- চুক্তিটির ৩০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে, মিশন প্রাঙ্গণের মতোই কূটনীতিকদের বাসভবন, নথিপত্রসহ অন্যান্য যাবতীয় সম্পত্তির সুরক্ষায় গ্রহীতা দেশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

উৎস: 
i) United Nations Treaty Collection.

ii) বিবিসি বাংলা।

২৮.
জাতিসংঘের প্রথম ‘বৈশ্বিক শান্তির দূত’  হিসেবে কাকে নিয়োগ দেওয়া হয়?
  1. মারিয়া কোরিনা মাচাদো
  2. নাদিয়া মুরাদ
  3. আহমেদ আবদালি
  4. মরিয়ম বুকার হাসান
ব্যাখ্যা

- জাতিসংঘের প্রথম বৈশ্বিক শান্তির দূত হলেন নাইজেরিয়ার স্পোকেন-ওয়ার্ড শিল্পী ও কবি মরিয়ম বুকার হাসান। 

- ২০২৫ সালের জুলাই মাসে, মরিয়ম বুকার হাসানকে শান্তির জন্য গ্লোবাল অ্যাডভোকেট মনোনীত করা হয়।

⇒ মরিয়ম একজন নাইজেরিয়ান কথ্য শিল্পী, কবি, প্রভাবশালী এবং শান্তির প্রবক্তা, যার কাজ শিল্প, সক্রিয়তা এবং নারীবাদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। উত্তর নাইজেরিয়ায় জন্মগ্রহণকারী মরিয়ম তার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সহিংসতা এবং বাস্তুচ্যুতি দ্বারা প্রভাবিত সম্প্রদায়গুলিতে নারী অধিকার, যুব ক্ষমতায়ন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে লড়াই করেন।

⇒ জাতিসংঘের শান্তি ও নিরাপত্তা স্তম্ভের প্রথম গ্লোবাল অ্যাডভোকেট হিসেবে, মরিয়ম নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা (WPS) এবং যুব, শান্তি ও নিরাপত্তা (YPS) এজেন্ডা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে তার কণ্ঠস্বর এবং প্রভাব ব্যবহার করে যাবেন, টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী ও তরুণদের নেতৃত্বকে উৎসাহিত করবেন।

⇒ গ্লোবাল অ্যাডভোকেট হিসেবে মরিয়মের ভূমিকা যৌথভাবে শান্তি অভিযান বিভাগ (ডিপিও) এবং রাজনৈতিক ও শান্তি বিনির্মাণ বিষয়ক বিভাগ (ডিপিপিএ) দ্বারা পরিচালিত হয়, যা একসাথে জাতিসংঘের শান্তি ও নিরাপত্তা স্তম্ভ গঠন করে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৯.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention) অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. অটোয়া চুক্তি
  4. হেগ চুক্তি
ব্যাখ্যা

স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

অন্যদিকে,
- জেনেভা কনভেনশন চারটি চুক্তি ও তিনটি বাড়তি প্রটোকল নিয়ে গঠিত, যা যুদ্ধে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- প্যারিস চুক্তি হলো-  ২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ই ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন, কপ- ২১।
- হেগ কনভেনশন, ১৮৯৯ এবং ১৯০৭ সালে নেদারল্যান্ডসের হেগে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন থেকে জারি করা আন্তর্জাতিক চুক্তির একটি সিরিজ।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

৩০.
২০২৬ সালের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. কানাডা
  2. বেলজিয়াম
  3. তুরস্ক
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট  (১৯ আগস্ট ২০২৫) ঘোষণা অনুযায়ী- ২০২৬ সালের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন ৭ এবং ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে তুরস্কের আঙ্কারার বেস্তেপে প্রেসিডেন্সিয়াল কম্পাউন্ডে (কুলিয়ে) অনুষ্ঠিত হবে।

• ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫:
- স্থান: হেগ, নেদারল্যান্ডস। 
- সময়: দুই দিনব্যাপী (২৪ ও ২৫ জুন) শীর্ষ সম্মেলন।
- মূল আলোচ্য বিষয়: ন্যাটোর প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় সংক্রান্ত।

উল্লেখ্য,
• ন্যাটো (NATO):
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়। 
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর: লন্ডন।
- বর্তমান সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২ টি।
- সর্বশেষ সদস্যদেশ: সুইডেন।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট। 

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৩১.
Chemical Weapons Convention (CWC)- কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৩
  3. ১৯৯২
  4. ১৯৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ এবং তাদের ধ্বংস সংক্রান্ত কনভেনশন (রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বা CWC), 
- একটি প্রস্তাবনা, 24টি অনুচ্ছেদ এবং 3টি পরিশিষ্ট নিয়ে গঠিত - 
- ১৯৯৩ সালের ১৩ জানুয়ারী প্যারিসে রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়।
- প্রথম দুই দিনের মধ্যে ১৩০টি দেশ কনভেনশনে স্বাক্ষর করে।
- কার্যকর হয় ১৯৯৭ সাল থেকে।
- ১৯৩টি রাষ্ট্র রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনে স্বাক্ষর করে।

Organistion for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW):
- রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল:২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- সদস্য দেশ: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।
- OPCW নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ২০১৩ সালে।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

৩২.
তাসখন্দ চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. উজবেকিস্তান 
  2. ভারত
  3. আফগানিস্তান
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি 
▪ ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
▪ এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
▪ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
▪ তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

৩৩.
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক দেশ কোন দুটি?
  1. ভারত ও বাংলাদেশ
  2. ভারত ও শ্রীলঙ্কা
  3. শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৬:
- ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ভারত ও শ্রীলঙ্কা। 
- ৭ ফেব্রুয়ারি,  ২০২৬ থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- ৮ মার্চ আহমেদাবাদের ফাইনাল দিয়ে শেষ হবে এই টুর্নামেন্ট।
- আয়োজক দেশ ভারত ও শ্রীলঙ্কার বাইরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই টুর্নামেন্টে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শীর্ষ সাত দল—আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
- টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে আগামী বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা তিনটি দল—নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও আয়ারল্যান্ড।
- ইউরোপিয়ান বাছাইপর্ব থেকে এই বিশ্বকাপে খেলার টিকিট কেটেছে নেদারল্যান্ডস ও ইতালি।
- এবারই প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইতালি।

উৎস: ইত্তেফাক।