পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২ টপিক: সৌরজগৎ, পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহ এবং অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা, পৃথিবীর গতি ও দিন-রাত্রির হ্রাসবৃদ্ধি [Live Class – 3 & 4]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
পৃথিবীর পরিধি কত?
  1. ৪৫ ডিগ্রি
  2. ৯০ ডিগ্রি
  3. ১৮০ ডিগ্রি
  4. ৩৬০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
পৃথিবী:
- পৃথিবীর পরিধি ৩৬০ ডিগ্রি।
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ।
- একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দুরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ধ্রুবতারার অবস্থানের মাধ্যমে নিম্নের কোনটি নির্ণয় করা যায়?
  1. দ্রাঘিমাংশ
  2. অক্ষাংশ
  3. দ্রাঘিমা রেখা
  4. কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ:
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে।
- প্রধানত দুইটি পদ্ধতিতে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
- যথা:
১। ধ্রুবতারার অবস্থান:
- উত্তর গোলার্ধের কোনো স্থানে ধ্রুবতারা যত ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে সেই মানই উক্ত স্থানের অক্ষাংশ।

২। সূর্যের অবস্থান:
- আকাশে সূর্যের অবস্থান অনুযায়ী সেক্সট্যান্ট নামক যন্ত্র ব্যবহার করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।

অন্যদিকে,
দ্রাঘিমাংশ:
- ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থানে মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে।

দ্রাঘিমা রেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমা রেখা বলে।
- অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা (Latitude)।
- প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একেকটি অর্ধবৃত্ত।

কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি কোন মহাসাগরের উপর দিয়ে টানা হয়েছে?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. ভারত মহাসাগরে
  4. আর্কটিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারনের এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গ্রীনিচের দ্রাঘিমা কত ডিগ্রী?
  1. ০°
  2. ২৩.৫°
  3. ৬৬.৫°
  4. ১২০°
ব্যাখ্যা
মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian):
- মূল মধ্যরেখা প্রকৃতপক্ষে লন্ডনের গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর কল্পিত এক দ্রাঘিমা রেখা।
- ১৮৮৪ সালে এই দ্রাঘিমা রেখাকে মূলমধ্য রেখা হিসেবে স্থির করে এই রেখার পূর্ব ও পশ্চিমে অন্য দ্রাঘিমা রেখাগুলোর মান নির্ধারণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গ্রীনিচ মান মন্দির বরাবর যে কল্পিত দ্রাঘিমা রেখা রয়েছে সেটির মান (০°) ধরা হয়।
- প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হয়।
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সুমেরুবৃত্তরেখার অক্ষাংশ কোনটি?
  1. ৬০° উত্তর
  2. ৬০° দক্ষিণ
  3. ৬৬.৫° উত্তর
  4. ৬৬.৫° দক্ষিণ
ব্যাখ্যা
সুমেরুবৃত্ত (Arctic Circle):
- ২১ শে জুন তারিখে সূর্য ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে (কর্কটক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- ঐ দিন উত্তর গোলার্ধে মেরুবিন্দু অর্থাৎ ৯০° উত্তর থেকে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে।
- এ জন্য ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে উত্তর মেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত নামে অভিহিত করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle):
- ২২ শে ডিসেম্বর তারিখে সূর্য ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখায় (মকরক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- উক্ত তারিখে দক্ষিণ মেরু বিন্দু অর্থ্যাৎ ৯০° দক্ষিণ থেকে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে।
- ফলে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle) নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকালকে কী বলা হয়?
  1. কসমিক ইয়ার
  2. সৌর বছর
  3. আলোক বর্ষ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ছায়াপথ:
- সৌরজগতের গ্রহসমূহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, আর সূর্য মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
- এই মধ্যবিন্দুর চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর সময় লাগে।
- এই সময়টাকেই কসমিক ইয়ার বা গ্যালাকটিক ইয়ার বলে।
- ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকালকে কসমিক ইয়ার বলে।

তথ্যসুত্র - Britannica.com
.
পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে কী হয়?
  1. সূর্য পৃথিবীর নিকটতম হয়
  2. চাঁদের তাপ বৃদ্ধি পায়
  3. দিন ও রাত হয়
  4. ঋতু পরিবর্তন হয়
ব্যাখ্যা
আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ:
• দিন-রাত্রি সংঘটন,
• জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি,
• বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি,
• তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি,
• জীব জগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন ও দিন- রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
উত্তর গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয় কখন?
  1. ২২ ডিসেম্বর
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২১ মার্চ
ব্যাখ্যা
২১ জুন:
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত।

২২ ডিসেম্বর:
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত। তাই সেদিন উত্তর গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয়। 
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত।

দিন-রাত্রি সমান:

- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০°) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব’ (Vernal Spring Equinox) নামে অভিহিত।
- অপরদিকে ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব ‘শারদ বিষুব' (Autumnal Equinox) নামে অভিহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
পৃথিবীর নিরক্ষীয় ব্যাস কত?
  1. ১২,৭৫৭ কিলোমিটার
  2. ১৮,৭৫৭ কিলোমিটার
  3. ৮,৭৫৭ কিলোমিটার
  4. ১০,৭৫৭ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর ব্যাস:
- পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুকে ছেদ করে একটি রেখা যদি পৃথিবীর যে কোনো দুইটি প্রান্তকে স্পর্শ করে, তবে ঐ রেখাকে পৃথিবীর ব্যাস বলা হয়।

• ইরাটোসথেনীসের গণনা অনুযায়ী-
- মেরুদেশীয় এলাকায় পৃথিবীর ব্যাস ১২,৭১৪ কি.মি. বা ৭,৯০০ মাইল,
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস ১২,৭৫৭ কি.মি. বা ৭,৯২৭ মাইল।

⇒ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ:
- পৃথিবীর ব্যাসার্ধ (Radius) হলো এমন একটি রেখা বা লাইন যেটি পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দু থেকে যে কোনো একটি প্রান্ত স্পর্শ করে।
- পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ হলো ৬,৪০০ কিঃ মিঃ।

⇒ পৃথিবীর আয়তন:
- বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর আয়তন ৫১ কোটি ৪৯ লক্ষ ২৫ হাজার ৭১৪.৩ বর্গ কিঃমিঃ।

⇒ পৃথিবীর পরিধি:
- গ্রীক পন্ডিত ইরাটোসথেনীস খৃস্টপূর্ব ২৫০ অব্দে গাণিতিক পদ্ধতিতে পৃথিবীর পরিধি নির্ণয় করেন।
- পৃথিবীর ঠিক মধ্যভাগ বরাবর অবস্থিত নিরক্ষরেখার (০০ অক্ষাংশ) পরিধি হলো পৃথিবীর পরিধি।
- পৃথিবীর প্রকৃত পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কিঃ মিঃ বা ২৫,০০০ মাইল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
নীহারিকার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. গ্যাস, ধুলা ও প্লাজমা দ্বারা নীহারিকা গঠিত
  2. নীহারিকায় শতকরা ৯০ ভাগ হাইড্রোজেন বিদ্যমান
  3. শতকরা ১ ভাগ কার্বন বিদ্যমান
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
নীহারিকার:
- প্রধানত গ্যাস, ধুলা ও প্লাজমা দ্বারা নীহারিকা গঠিত।
- বেশির ভাগ নীহারিকায় শতকরা ৯০ ভাগ হাইড্রোজেন, শতকরা ৯ ভাগ হিলিয়াম আছে।
- এ ছাড়া বাকি শতকরা ১ ভাগ হিসেবে রয়েছে কার্বন, নাইট্রোজেন, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও পটাসিয়াম।
- নীহারিকাগুলো মূলত অবস্থিত আন্ত নাক্ষত্রিক শূন্যস্থান বা interstellar medium (ISM)-এ।
- এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে ছোটো নীহারিকা NGC 7027 মাত্র ০.১ আলোকবর্ষ।
- আবিষ্কৃত সর্ববৃহৎ ট্যারান্টুলা নেবুলা প্রায় ১৮৬২ আলোকবর্ষ।

তথ্যসুত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ২ জুন ২০২৩।
১১.
কোথায় সারাবছর দিন ও রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান?
  1. কুমেরুবৃত্ত
  2. সুমেরুবৃত্ত
  3. বিষুবরেখা
  4. মূল মধ্যরেখা
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা:
- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত।
- এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।
- বিষুবরেখাকে 0° অক্ষাংশও বলা হয়।
- এটি পৃথিবীর মাঝখানে পূর্ব এবং পশ্চিমে চলে।
- পৃথিবীর কেন্দ্রীয় অক্ষের সাথে এর সম্পর্ক ঘূর্ণন এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।
- বিষুব রেখার আশেপাশে অঞ্চলগুলোতে তাপমাত্রা এবং জলবায়ু তুলনামূলক ভাবে স্থিতিশীল অবস্থায় থাকে, যেখানে ঋতু পরিবর্তন খুবই কম হয়।

⇒ দিন-রাত্রি সমান:
- বিষুবরেখায় সারাবছর দিন ও রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০°) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব’ (Vernal Spring Equinox) নামে অভিহিত।
- অপরদিকে ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব ‘শারদ বিষুব' (Autumnal Equinox) নামে অভিহিত হয়।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের নিকটবর্তী গ্রীনিচ নামক স্থানে একটি মান মন্দির বরাবর যে দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল দ্রাঘিমা রেখা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- সুমেরুবৃত্ত: ২১ শে জুন তারিখে সূর্য ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে (কর্কটক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়। ঐ দিন উত্তর গোলার্ধে মেরুবিন্দু অর্থাৎ ৯০° উত্তর থেকে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে। এ জন্য ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে উত্তর মেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত নামে অভিহিত করা হয়।
- কুমেরুবৃত্ত: ২২ শে ডিসেম্বর তারিখে সূর্য ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখায় (মকরক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়। উক্ত তারিখে দক্ষিণ মেরু বিন্দু অর্থ্যাৎ ৯০° দক্ষিণ থেকে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে। ফলে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle) নামে অভিহিত করা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।