১.
সেন বংশের আদি নিবাস কোথায় ছিলো?
সঠিক উত্তর: ক
ক) দাক্ষিণাত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) দাক্ষিণাত্য
ব্যাখ্যা
- সেন বংশের আদি নিবাস দাক্ষিণাত্য ছিলো।
সেন বংশ:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে এগারো শতকের অন্তিমলগ্নে পাল বংশের অবসান ঘটিয়ে সেনদের উত্থান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- সেন বংশের আদি নিবাস দাক্ষিণাত্য ছিলো।
- বাংলায় সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সামন্ত সেন।
- তিনি যৌবনে কর্ণাটে বীরত্ব প্রদর্শন করে শেষ বয়সে বসতি স্থাপন করেন রাঢ় অঞ্চলে গঙ্গা তীরে।
- সামন্ত সেন কোনো রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করায় সেন বংশের প্রথম রাজার মর্যাদা দেয়া হয় তাঁর পুত্র হেমন্ত সেনকে ।
-হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন বাংলায় সেন বংশের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
- বল্লালসেন সুপন্ডিত হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি ১১৬৮ খ্রিস্টাব্দে দানসাগর লেখা সম্পন্ন করেন এবং ১১৬৯ খ্রিস্টাব্দে অদ্ভুতসাগর লেখায় হাত দেন। তবে তা তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেন নি।
- ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে লক্ষ্মণসেনের মৃত্যুর পর তাঁর দুই পুত্র বিশ্বরূপসেন ও কেশবসেন যথাক্রমে সিংহাসনে বসেন।
- তাঁদের শাসনামলের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায় না। তবে বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তাঁদের শাসন যে আরও প্রায় ২৫ বছর স্থায়ী ছিল, লিপি প্রমাণে তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
সেন বংশ:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে এগারো শতকের অন্তিমলগ্নে পাল বংশের অবসান ঘটিয়ে সেনদের উত্থান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- সেন বংশের আদি নিবাস দাক্ষিণাত্য ছিলো।
- বাংলায় সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সামন্ত সেন।
- তিনি যৌবনে কর্ণাটে বীরত্ব প্রদর্শন করে শেষ বয়সে বসতি স্থাপন করেন রাঢ় অঞ্চলে গঙ্গা তীরে।
- সামন্ত সেন কোনো রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করায় সেন বংশের প্রথম রাজার মর্যাদা দেয়া হয় তাঁর পুত্র হেমন্ত সেনকে ।
-হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন বাংলায় সেন বংশের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
- বল্লালসেন সুপন্ডিত হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি ১১৬৮ খ্রিস্টাব্দে দানসাগর লেখা সম্পন্ন করেন এবং ১১৬৯ খ্রিস্টাব্দে অদ্ভুতসাগর লেখায় হাত দেন। তবে তা তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেন নি।
- ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে লক্ষ্মণসেনের মৃত্যুর পর তাঁর দুই পুত্র বিশ্বরূপসেন ও কেশবসেন যথাক্রমে সিংহাসনে বসেন।
- তাঁদের শাসনামলের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায় না। তবে বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তাঁদের শাসন যে আরও প্রায় ২৫ বছর স্থায়ী ছিল, লিপি প্রমাণে তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।