পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩ টপিক - ১: বাংলাশের ইতিহাস: পালবংশ, সেন বংশ, মৌর্যবংশ, সুলতানি আমল, নবাবী আমল, বৃটিশ আমল। [২০ নম্বর] টপিক - ২: William Shakespeare, Cristopher Marlowe, John Donne, Alexander Pope, Jonathan Swift, G. B. Shaw, W. B. Yeats, Earnst Hemmingway, T. S. Eliot. [২০ নম্বর]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
সেন বংশের আদি নিবাস কোথায় ছিলো?
  1. ক) দাক্ষিণাত্য
  2. খ) নদীয়া
  3. গ) বিক্রমপুরে
  4. ঘ) কামরূপ
সঠিক উত্তর:
ক) দাক্ষিণাত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দাক্ষিণাত্য
ব্যাখ্যা
- সেন বংশের আদি নিবাস দাক্ষিণাত্য ছিলো। 

সেন বংশ: 

- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে এগারো শতকের অন্তিমলগ্নে পাল বংশের অবসান ঘটিয়ে সেনদের উত্থান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- সেন বংশের আদি নিবাস দাক্ষিণাত্য ছিলো। 
- বাংলায় সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সামন্ত সেন।
- তিনি যৌবনে কর্ণাটে বীরত্ব প্রদর্শন করে শেষ বয়সে বসতি স্থাপন করেন রাঢ় অঞ্চলে গঙ্গা তীরে।
- সামন্ত সেন কোনো রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করায় সেন বংশের প্রথম রাজার মর্যাদা দেয়া হয় তাঁর পুত্র হেমন্ত সেনকে । 
-হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন বাংলায় সেন বংশের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
- বল্লালসেন সুপন্ডিত হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি ১১৬৮ খ্রিস্টাব্দে দানসাগর লেখা সম্পন্ন করেন এবং ১১৬৯ খ্রিস্টাব্দে অদ্ভুতসাগর লেখায় হাত দেন। তবে তা তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেন নি।
- ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে লক্ষ্মণসেনের মৃত্যুর পর তাঁর দুই পুত্র বিশ্বরূপসেন ও কেশবসেন যথাক্রমে সিংহাসনে বসেন।
- তাঁদের শাসনামলের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায় না। তবে বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তাঁদের শাসন যে আরও প্রায় ২৫ বছর স্থায়ী ছিল, লিপি প্রমাণে তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।
 উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
মোঘল সম্রাটদের মধ্যে কে সর্বপ্রথম আত্মজীবনী লিখেন?
  1. ক) বাবর
  2. খ) আকবর
  3. গ) হুমায়ূন
  4. ঘ) শাহাজাহান
সঠিক উত্তর:
ক) বাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাবর
ব্যাখ্যা
উত্তর : বাবর

বাবর:
- বাবর জন্মেছিলেন ১৪৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ফারগানা (বর্তমানে উজবেকিস্তান) প্রদেশের আনদিজান শহরে।
- তিনি ফারগানা প্রদেশের শাসনকর্তা ওমর মির্জার বড় পুত্র ছিলেন।
- পিতার মৃত্যুর পর মাত্র ১২ বছর বয়সেই সিংহাসনে বসেন। তবে চাচার ষড়যন্ত্রের কাছে পরাজিত হয়ে সেখান থেকে বিতাড়িত হন বাবর। পরে ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করে হিন্দুকুশের দিকে পা বাড়ান বাবর।
- মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহিরউদ্দিন মুহম্মদ বাবর তুর্কি ভাষায় ‘তুজুক-ই-বাবুরী’ বা 'বাবরনামা' নামে তার জীবন স্মৃতি রচনা করেন। 
তিনিই প্রথম আত্মজীবনী রচনাকারী মোগল সম্রাট।

এছাড়া মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আত্মচরিত বা স্মৃতিকথা রচিত হয় ‘তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরী' নামে।
- আর খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে রচিত সম্রাট আকবরের প্রশাসনের বিস্তারিত বর্ণনা সমৃদ্ধ একটি নথি ‘আইন-ই-আকবরি'।

উৎস - বাংলাপিডিয়া।
.
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন কত সালে?
  1. ক) ১৩৩৩
  2. খ) ১৩৪৫
  3. গ) ১৩৩৮
  4. ঘ) ১৩৫৩
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩৩৮
ব্যাখ্যা
উত্তর: ১৩৩৮ 

ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ

- বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তাঁর রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে। 
- ১৩৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাহরাম খানের মৃত্যুর পর ফখরুদ্দীন সোনারগাঁয়ে শাসন ক্ষমতা করায়ত্ত করেন এবং স্বীয় অবস্থান সুদৃঢ় করে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে স্বাধীন সুলতান ঘোষণা করেন।
- স্বীয় মুদ্রায় ফখরুদ্দীন আল-সুলতানুল আযম ফখরুদ্দুনিয়া ওয়াদ-দ্বীন আবুল মুজাফফর মুবারক শাহ আল-সুলতান উপাধি গ্রহণ করেন।
- সোনারগাঁও দখল করে সাধীনতা ঘোষণা দেওয়ার মাধ্যমে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন ১৩৩৮ সালে। 
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের রাজত্বকালে মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলায় সফর করেন (১৩৪৬)।
- তিনি বাংলায় তাঁর ভ্রমণের এক মূল্যবান বিবরণ লিপিবদ্ধ করে যান।
- এ বিবরণে বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, অধিবাসীদের জীবনের বিভিন্ন দিক এবং দেশের সমৃদ্ধির প্রাণবন্ত বর্ণনা পাওয়া যায়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
জিয়াউদ্দিন বারাণী ছিলেন একজন -
  1. ক) ঐতিহাসিক
  2. খ) কবি
  3. গ) সম্রাট
  4. ঘ) সুলতান
সঠিক উত্তর:
ক) ঐতিহাসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঐতিহাসিক
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঐতিহাসিক 

- ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির মাধ্যমে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হলে বাংলার ইতিহাসে এক নবযুগের সূচনা হয় ৷
- বখতিয়ারের বাংলা বিজয়ের পর থেকে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত যেসব খলজি মালিক, তুর্কি শাসক ও বলবনী শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন তাদের অনেকেই পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না, বরং তাঁরা দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হতেন।
- কিন্তু দিল্লি থেকে বাংলা দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় তাঁদের অনেকেই সুযোগ পেলেই স্বাধীনতার জন্য দিল্লির সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।
- এজন্য ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারাণী বাংলাকে বুলঘাকপুর বা বিদ্রোহের নগরীও বলা হত।
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও-এ স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন৷
- তখন থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় দু'শ বছর ধরে বাংলাদেশ অবিচ্ছিন্নভাবে স্বাধীনতা ভোগ করেছিল। 

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির ইতিহাস, ওপেন স্কুল।
.
“রামচরিত” কাব্য কে রচনা করেন?
  1. ক) হর্ষবর্ধন
  2. খ) কালিদাস
  3. গ) সন্ধ্যাকর নন্দী
  4. ঘ) দিব্য
সঠিক উত্তর:
গ) সন্ধ্যাকর নন্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সন্ধ্যাকর নন্দী
ব্যাখ্যা
 “রামচরিত” কাব্য সন্ধ্যাকর নন্দী রচনা করেন। 

- রামচরিতম্  সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত একটি সংস্কৃত কাব্যগ্রন্থ। 
- গ্রন্থটির গুরুত্ব এই যে, এটি এগারো শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে বারো শতকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত বাংলার অবস্থার ওপর আলোকপাত করে।
- রামচরিতম্ বরেন্দ্রের (উত্তর বাংলা) একজন কবি কর্তৃক বাংলায় বসে রচিত একমাত্র সংস্কৃত গ্রন্থ, যার মূল বিষয়বস্ত্ত সমকালীন ঐতিহাসিক ঘটনা। একারণে গ্রন্থটি পরবর্তী পালযুগের ইতিহাসের নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচিত।
- সন্ধ্যাকর নন্দী মাত্র ১০টি শ্লোকে পালদের প্রাথমিক ইতিহাস বর্ণনা করেছেন।
- গ্রন্থের অবশিষ্ট অংশে রয়েছে তাঁর মূল বিষয়ের ওপর আলোচনা।
- তিনি রামপালের কাহিনীকে মহাকাব্যিক ব্যক্তিত্ব রামের কাহিনীর সাথে মিলিয়ে এক করে বর্ণনা করেছেন।


উৎসঃ বাংলাপিডিয়া। 
.
হযরত শাহজালাল কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
  1. ক) ইরান
  2. খ) ইরাক
  3. গ) ইয়েমেন
  4. ঘ) আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
গ) ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর : ইয়েমেন

হযরত শাহজালাল: 
- ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত সুফি ও দরবেশ হযরত শেখ শাহজালাল মুজার্রাদ ইয়ামনী (রাহ:)।
- উনার পুরো নাম শেখ শাহ জালাল, কুনিয়াত মুজাররাদ।
- ৭০৩ হিজরী মোতাবেক ১৩০৩ খ্রিষ্টীয় সালে ৩২ বছর বয়সে ইসলাম ধর্ম প্রচারের লক্ষ্যে অধুনা বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে এসেছিলেন বলে ধারণা করা হয়।
- সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের শাসনামলে বিখ্যাত সুফি ব্যক্তিত্ব হযরত শাহ জালাল বাংলায় আসেন।
- শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের সিলেট অভিযানকালে হযরত শাহ জালাল তাঁর সাথে মিলিত হয়ে সিলেটের রাজা গৌরগোবিন্দকে পরাজিত করেন। 
- বিশেষ করে হযরত শাহজালালের কারণে সিলেট অঞ্চলে ইসলামের ব্যাপক প্রচার-প্রসার হয়।
- হযরত শাহজালাল (র.) আরবের ইয়েমেনের অধিবাসী ছিলেন। তাঁর পিতা মাহমুদ বিন মোহাম্মদ ছিলেন কোরায়শ বংশের একজন সম্মানিত ব্যক্তি।

[সূত্র- বাংলাপিডিয়া ও সিলেট জেলা ওয়েব সাইড]

.
বাংলার শেষ স্বাধীন সুলতান কে ছিলেন?
  1. ক) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  2. খ) আলীবর্দী খাঁ
  3. গ) বৈরাম খাঁ
  4. ঘ) গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর :  গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ 

গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ: 
- গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ (১৫৩৩-১৫৩৮)  বাংলার হোসেন শাহী বংশের শেষ সুলতান।
- তিনি তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র সুলতান আলাউদ্দীন ফিরুজকে হত্যা করে ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং পাঁচ বছর শাসন করেন।
- ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওয়ে যে স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেছিলেন ১৫৩৮ সালে গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার অবসান ঘটে।
- ১৫৩৮ সালে শেরশাহ গৌড় দখল করে বাংলায় আফগানি শাসনের সূত্রপাত করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের নবম-দশম শ্রেণী)
.
আলিবর্দী খাঁ এর প্রকৃত নাম কী?
  1. ক) মির্জা মুহাম্মদ আলী
  2. খ) সরফরাজ খাঁ
  3. গ) সুজাউদ্দিন
  4. ঘ) হাজি আহমদ
সঠিক উত্তর:
ক) মির্জা মুহাম্মদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মির্জা মুহাম্মদ আলী
ব্যাখ্যা
আলীবর্দী খান:
 - আলিবর্দী খাঁ(১৬৭৬-১৭৫৬)  বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নওয়াব (১৭৪০-১৭৫৬)।
- তিনি প্রথম জীবনে মির্জা মুহম্মদ আলী নামে পরিচিত ছিলেন।
- তিনি ছিলেন আরব বংশোদ্ভূত মির্জা মুহম্মদের পুত্র।
- মির্জা মুহম্মদ ছিলেন আওরঙ্গজেব-এর দ্বিতীয় পুত্র মির্জা আজম শাহের দরবারের একজন কর্মচারী।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
ভারতের মুসলিম জাগরণের প্রথম অগ্রদূত কে?
  1. ক) এ কে ফজলুল হক
  2. খ) নবাব সলিমুল্লা
  3. গ) আবুল কালাম আজাদ
  4. ঘ) স্যার সৈয়দ আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্যার সৈয়দ আহমদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্যার সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা
- স্যার সৈয়দ আহমদ খান কে মুসলিম জাগরনের অগ্রদূত বলা হয়।

- সৈয়দ আহমদ খান:
সৈয়দ আহমদ খান হাজী আহমদের দ্বিতীয় পুত্র সৈয়দ আহমদ খান নওয়াব  সরফরাজ খানের আমলে ঘোড়াঘাট ও রংপুরের নায়েব ফৌজদার ছিলেন।
উনিশ শতকের মধ্যভাগে স্যার সৈয়দ আহমদ খান উত্তর ভারতে আলীগড় আন্দোলন গড়ে তুলে।
- আলিগড় আন্দোলনের প্রবর্তক ছিলেন স্যার সৈয়দ আহমদ খান। পিছিয়ে পড়া মুসলমান সম্প্রদায়কে যুক্তিবাদী আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে যে আন্দোলনের সূচনা করেন তা আলিগড় আন্দোলন নামে খ্যাত।
- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে বিদ্রোহের পর অনগ্রসর মুসলিম সমাজে কিছু কিছু সংস্কারের প্রয়োজন অনুভূত হয়।
- হিন্দুদের তুলনায় অনগ্রসর পাশ্চাত্য শিক্ষায় উদাসীন মুসলিম সমাজের দুরবস্থার কথা সৈয়দ আহমদ অবগত ছিলেন।
- ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে পাশ্চাত্য শিক্ষাকে প্রগতির যথার্থ সোপান বলে মনে করতেন তিনি এজন্য মুসলমানদের মধ্যে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রসারে উদ্যোগী হয়েছিলেন।
- তাই তাকে মুসলিম জাগরনের অগ্রদূত বলা হয়। 

সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ।
১০.
মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) নাবাব সলিমুল্লাহ
  2. খ) মাওলানা ভাসানী
  3. গ) সৈয়দ আমীর আলী
  4. ঘ) মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
ক) নাবাব সলিমুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাবাব সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা
উত্তর :  নাবাব সলিমুল্লাহ

- নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, ওরফে খাজা সলিমুল্লাহ কেবল বাঙালি মুসলমানের নবজাগরণের অগ্রদূতই ছিলেন না, ছিলেন সর্বভারতীয় মুসলিম সমাজের মহানায়ক। 
- ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার নবাব পরিবারে জন্মগ্রহণকারী এই মহান শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক ও রাজনীতিক নবাব পরিবারের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে এসে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় হয়েছিলেন।
-১৯০৬ সালে ঢাকায় তার উদ্যোগে আয়োজিত মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন ছিল বাঙালি মুসলমান সমাজের শিক্ষা ও জ্ঞান বিস্তারের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গড়ে তোলার এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। 
- মুসলিম লীগ  ১৯০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল।
- শুরুতে আগা খান এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কর্তৃক পরিচালিত এ দলটি মুসলিম জাতীয়তাবাদের পক্ষে জনসমর্থন তৈরিতে এবং অবশেষে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করে।
- সলিমুল্লাহ ছিলেন নিখিল ভারত মুসলিম লীগ গঠনের অন্যতম আহ্বায়ক এবং তার প্রস্তাবে ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার শাহবাগে ভারতীয় মুসলিম নেতাদের এক সভায় মুসলিম লীগ গঠিত হয়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১.
জালিওয়ানয়ালাবাগ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) হরিয়ানায়
  2. খ) লুধিয়ানায়
  3. গ) অমৃতসরে
  4. ঘ) জম্বুতে
সঠিক উত্তর:
গ) অমৃতসরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অমৃতসরে
ব্যাখ্যা
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের অমৃতসরে রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক সভায় ইংরেজ বাহিনীর গুলিবর্ষণে বহু নিরীহ লোক মারা যায়।
- এই হত্যাকাণ্ড 'জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড' নামে পরিচিত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ব্রিটিশ সরকার প্রদত্ত নাইট উপাধি (১৯১৫ সালে প্রদত্ত) ত্যাগ করেন। 
- ব্রিটিশ একজন সেনা কর্মকর্তা পাঞ্জাবের অমৃতসরের বিক্ষোভরত নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল সেদিন।
- জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড বলে পরিচিত ঐ ঘটনার সূচনা অমৃতসরের একটি সমাবেশ থেকে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা, বাংলাপিডিয়া। 
১২.
Which one is a tragi-comedy?
  1. ক) The Winter's Tale
  2. খ) Hamlet
  3. গ) The Black Prince
  4. ঘ) As You Like It
সঠিক উত্তর:
ক) The Winter's Tale
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) The Winter's Tale
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হচ্ছে : The Winter's Tale. 
The Winter's Tale হচ্ছে William Shakespeare এর Tragi-comedy. 
William Shakespeare (1564-1616) : 
- William Shakespeare is the greatest dramatist of all time. 
- তিনি মোট ৩৭টি নাটক রচনা করেছেন। 
- তার Tragi-comedy সমূহ হচ্ছে : The Winter's Tale, Cymbeline এবং The Tempest. 
Tragi-comedy : A kind of play in which tragic and comic scenes are mingled. 

Source: Encyclopedia Britannica, An ABC of English Literature.
১৩.
“No man is an island, entire of itself.” - Who said this?
  1. ক) Ernest Hemingway
  2. খ) T. S. Eliot
  3. গ) John Donne
  4. ঘ) Jonathan Swift
সঠিক উত্তর:
গ) John Donne
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) John Donne
ব্যাখ্যা
“No man is an island, entire of itself.” - এই উক্তিটি করেছেন John Donne. 
এটি তার বিখ্যাত কবিতা, 'No Man is an Island' থেকে চয়নকৃত। 

John Donne : 
- John Donne (1572-1631) Renaissance যুগের একজন কবি। 

Notable works:
- The Good-Morrow
- The Flea
- The Ecstasy
- The Sun Rising
- The Canonization
- Twicknam Garden
- For Whom The Bell Tolls etc.
Source: Encyclopedia Britannica. 
১৪.
Who wrote the book "The Sacred Wood"?
  1. ক) T. S. Eliot
  2. খ) W.B. Yeats
  3. গ) Ernest Hemingway
  4. ঘ) C. Marlowe
সঠিক উত্তর:
ক) T. S. Eliot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) T. S. Eliot
ব্যাখ্যা
The Sacred Wood হচ্ছে T. S. Eliot এর critical essay. 
T. S. Eliot (1888-1965) : 
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot. 
- তিনি আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি। 
- তিনি একজন American-English poet.
- তিনি ১৯৪৮ সালে ‘The Waste Land’ কবিতার জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
- তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হচ্ছে : The Waste Land, Four Quarters, Ash Wednesday, Murder in the Cathedral, The Family Reunion etc. 

Source: Encyclopedia Britannica, An ABC of English Literature.
১৫.
“Then love is sin, and let me sinful be.” Who wrote this?
  1. ক) William Shakespeare
  2. খ) John Donne
  3. গ) Jonathan Swift
  4. ঘ) T. S. Eliot
সঠিক উত্তর:
খ) John Donne
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) John Donne
ব্যাখ্যা
“Then love is sin and let me sinful be.” - এই উক্তিটি করেছেন John Donne. 
John Donne : 
- John Donne (1572-1631) Renaissance যুগের একজন কবি। 
- তার বিখ্যাত কবিতাসমূহ হচ্ছে :
- The Sun Rising,
- The Ecstacy,
- The Canonization,
- The Good Morrow etc. 

Source: Encyclopedia Britannica.