পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪৯ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) টপিক: বৈশ্বিক নিরাপত্তা, নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যু ও সংস্থা, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও আনুষঙ্গিক বিষয়াবলি। উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
স্থল মাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি কোথায় স্বাক্ষর হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• অটোয়া কনভেনশন/ মাইন ব্যান ট্রিটি:
- ইংরেজী নাম: "Ottawa Convention" or "Mine Ban Treaty"
- উদ্দেশ্য: স্থলমাইন ব্যবহার, মজুত, উৎপাদন ও হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা এবং বিদ্যমান মাইন ধ্বংস করা।
- স্বাক্ষর উন্মুক্ত হয়: ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭ ( অটোয়া, কানাডা)
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০
- অ্যান্টি-পার্সোনেল ল্যান্ড মাইন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরণের জন্য কূটনৈতিক সম্মেলনে ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ সালে অসলোতে চুক্তি সম্পন্ন হয়।
- ধারা ১৫ অনুযায়ী, চুক্তিটি ৩-৪ ডিসেম্বর ১৯৯৭ তারিখে কানাডার অটোয়ায় স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
- নভেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত ১৬৪টি দেশ চুক্তির পক্ষভুক্ত (যা বিশ্বের ৮০% এরও বেশি রাষ্ট্র)।
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ শুধু স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু অনুসমর্থন করেনি।
- যেসব বড় শক্তি যোগ দেয়নি: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র: Arms Control Association ; United Nations Treaty Collection Link Link 2

.
CTBT এর পূর্ণরূপ -
  1. Complete Nuclear Test Ban Treaty
  2. Chemical Nuclear Test Ban Treaty
  3. Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty
  4. Chronic Nuclear Test Ban Treaty
ব্যাখ্যা

• CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরের স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। (জাতিসংঘ সদর দপ্তরে)
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৮ মার্চ, ২০০০

• CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

তথ্যসূত্র:
i) Arms Control AssociationLink
ii) UN Treaty CollectionLink
iii) US Department of States Link

.
সম্প্রতি রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোন চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. NPT 
  2. INF 
  3. SALT 
  4.  START 
ব্যাখ্যা

• INF Treaty:
- পূর্ণরূপ Intermediate-Range Nuclear Forces Treaty
- চুক্তির পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- বিষয়স্তু: ৫০০–৫,৫০০ কিলোমিটার পাল্লার স্থলভিত্তিক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট সহায়ক কাঠামো ধ্বংস।
- সময়সীমা: চুক্তি কার্যকর হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে ধ্বংস সম্পন্ন করতে হবে।
- প্রাথমিক সমঝোতা: সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ (বছরের শেষ নাগাদ সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত)।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৭।
- স্বাক্ষরকারী নেতা:  রোনাল্ড রিগ্যান (যুক্তরাষ্ট্র) ও মিখাইল গর্বাচেভ (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
- স্থান: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- ২০১৯ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে রাশিয়ার বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস (আইএনএফ) চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
 - মস্কো তখন বলেছিল, ওয়াশিংটন এমন অস্ত্র মোতায়েন না করলে তারাও মোতায়েন করবে না।
- ইউক্রেইনে যুদ্ধ বন্ধের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ বৃদ্ধির মধ্যেই গত ৪ আগস্ট, ২০২৫ রাশিয়া আইএনএফ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

তথ্যসূত্র: US States Department ও দৈনিক পত্রিকা।

.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. CBI
  2. FBI
  3. FSB
  4. SIS
ব্যাখ্যা

• FBI:
- FBI এর পুরো নাম - Federal Bureau of Investigation।
- ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে এই গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাতা - মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট।
- সদর দপ্তর - ওয়াশিংটন ডিসি।
- ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে এফবিআই-এর পরবর্তী পরিচালক হিসেবে কাশ প্যাটেলকে বেছে নিয়েছেন মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এছাড়াও,
- FBI হল একটি অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যা অপরাধ তদন্ত এবং জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কিত কাজ করে।
- যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা সংস্থা CIA (Central Intelligence Agency)
- CIA মূলত বিদেশী গোয়েন্দাগিরি এবং সিক্রেট অপারেশন পরিচালনা করে।


অন্যদিকে,
- CBI (Central Bureau of Investigation) হলো ভারতের অন্যতম প্রধান তদন্ত সংস্থা। 
- রাশিয়ার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা হল এফএসবি (FSB), যার পূর্ণরূপ Federal Security Service.
- বাংলাদেশের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা হল NSI (National Security Intelligence), 
- ভারত গোয়েন্দা সংস্থা RAW (Research and Analysis Wing), 
- পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থা ISI (Inter-Services Intelligence), 
- ব্রিটেন গোয়েন্দা সংস্থা SIS/MI6 (Secret Intelligence Service/Military Intelligence Section 6),
- ইসরায়েল গোয়েন্দা সংস্থা MOSSAD (Institute for Intelligence and Special Operations).


তথ্যসূত্র:  এফবিআই ওয়েবসাইট ও যুগান্তর পত্রিকার নিউজ এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

.
‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ফ্রান্স ও জার্মানি
  2. ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য 
  3.  জার্মানি ও ইতালি
  4. স্পেন ও যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’:
- অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ফ্রান্স-যুক্তরাজ্যের ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ চুক্তি কার্যকর হয়।
- ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ চুক্তি অনুসারে ফ্রান্সের উপকূল থেকে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে আসা প্রত্যেক অভিবাসীকে আটক করে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাজ্য।
- বিনিময়ে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আশ্রয় চাওয়া সমানসংখ্যক অভিবাসীকে ফ্রান্স থেকে নিয়মিত পথে আসার সুযোগ দেবে দেশটি।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ 

.
CWC-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. জৈবিক অস্ত্র উৎপাদন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা
  2. রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা
  3. পারমাণবিক অস্ত্র সীমিতকরণ
  4. বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সীমিত করা
ব্যাখ্যা

• Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

.
“Coalition of the Willing” এর প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  2. বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য বৃদ্ধি করা
  3. গাজা যুদ্ধের অবসান করা
  4. ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া
ব্যাখ্যা

• Coalition of the willing:
- “Coalition of the willing” হলো একটি অস্থায়ী আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী, যার সাধারণ লক্ষ্য হলো ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদান করা।
- সদস্য দেশগুলো প্রধানত ইউরোপীয় দেশ, তবে এতে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান ও কানাডাও রয়েছে।
- জোটটি প্রথম ঘোষণা করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, গত ২ মার্চ, ২০২৫ ।
 - সেই সময় স্টারমার বলেন, "এই জোটে সেই দেশগুলো থাকবে যারা একযোগে কাজ করতে ইচ্ছুক এবং ইউক্রেনের জন্য একটি স্থায়ী শান্তি পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, যা শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর কার্যকর হবে।"

- ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) ঘোষণা করেন যে ২৬টি দেশ যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনে সেনা পাঠানো বা অন্যান্য সামরিক সহায়তা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যাতে দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়
- ম্যাক্রোঁর এই ঘোষণা আসে “Coalition of the Willing” শীর্ষক প্যারিসে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর।


তথ্যসূত্র: আল জাজিরা ও বিবিসি। (Link1) (Link2)

.
সম্প্রতি কোন দেশ স্থলমাইন বিরোধী চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইউক্রেন
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

• অটোয়া কনভেনশন/ স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি :
- ইংরেজী নাম: "Ottawa Convention" or "Mine Ban Treaty"
- উদ্দেশ্য: স্থলমাইন ব্যবহার, মজুত, উৎপাদন ও হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা এবং বিদ্যমান মাইন ধ্বংস করা।
- স্বাক্ষর উন্মুক্ত হয়: ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭ ( অটোয়া, কানাডা)
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮

- অটোয়া কনভেনশনের ল্যান্ডমাইন বিরোধী চুক্তি থেকে সরে আসছে ইউক্রেন।
-এই নিয়ে একটি ডিক্রিতে সই করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। (৩০ জুন, ২০২৫)
-প্রেসেডেন্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি নথিতে একথা বলা হয়েছে।  
- মনে করা হচ্ছে, ইউক্রেনের সংসদে এই বিষয় সিদ্ধান্ত নিয়ে এবং  জাতিসংঘকে এই বিষয়ে অবহিত করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র স্থলমাইন বিরোধী চুক্তি স্বাক্ষর করেনি।

তথ্যসূত্র: Arms Control Association ; United Nations Treaty Collection ও ডয়েচে ভেলে(DW)। Link

.
অপারেশন রাইজিং লায়ন পরিচালনার মূল লক্ষবস্তু কী ছিলো?
  1. যুদ্ধজাহাজ
  2. পারমাণবিক স্থাপনা
  3. বিদ্যুৎকেন্দ্র
  4. যুদ্ধবিমান
ব্যাখ্যা

• অপারেশন রাইজিং লায়ন:
- ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল
- শুক্রবার (১৩ জুন, ২০২৫) চালানো এই হামলার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’।
- মূলত তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে আঘাত করাই ছিল এই অভিযানের উদ্দেশ্য।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলা ইরানি পরিকল্পনাগুলোর ওপর হামলা চালানো।
- এর আওতায় ছিল ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো।

উৎস: daily-sun website.

১০.
সৌদি আরব ও পাকিস্তান কোন তারিখে "স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট" স্বাক্ষর করেছে?
  1. ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  2. ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  3. ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  4. ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ব্যাখ্যা

• সৌদি আরব-পাকিস্তান নিরাপত্তা চুক্তি:
- চুক্তির নাম: "স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট"
- সৌদি আরব ও পরমাণু অস্ত্রধারী পাকিস্তান ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (বুধবার) গভীর রাতে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছ।
- এটি দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
- এই চুক্তি এমন এক সময়ে হলো যখন ইসরায়েল কাতারে হামলা চালিয়ে অঞ্চলের কূটনৈতিক সমীকরণকে নাড়িয়ে দিয়েছে।
- এই উন্নত প্রতিরক্ষা সম্পর্ক এমন সময়ে আসলো যখন উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলো ক্রমশ যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তাকারী হিসেবে কতটা নির্ভরযোগ্য, তা নিয়ে সন্দিহান হয়ে উঠছে
- পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি থেকে প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, চুক্তিটিতে বলা হয়েছে, ‘যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে।’

- ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে ইয়েমেনে মিশরের যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগের কারণে পাকিস্তানের সৈন্যরা প্রথম সৌদি আরব গিয়েছিল।
- প্রতিরক্ষা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা ১৯৬৭ সাল থেকে শুরু হয়েছিল এবং ১৯৭৯ সালে মক্কায় গ্র্যান্ড মসজিদ দখলের পর তা আরও গভীর হয়, যখন পাকিস্তানের বিশেষ বাহিনী সৌদি সৈন্যদের পবিত্র মসজিদ আল-হারাম পুনরুদ্ধারে সাহায্য করেছিল।

অন্যদিকে,
- রিয়াদের সঙ্গে দিল্লির উষ্ণ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই এ চুক্তি হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে গত মে মাসে চার দিনের সংক্ষিপ্ত তবে ভয়াবহ সংঘাত হয়েছিল।
- পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তান অতীতেও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একাধিক যুদ্ধ ও সংঘাতে জড়িয়েছে।
- তাই পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে সৌদি আরবের যেকোনো ধরনের সমর্থনের উদ্যোগ ভারতে সরাসরি উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এনটিভি ও প্রথম আলো । (Link1) (Link2) (Link3) 

১১.
‘New START’ কোন দুটি দেশের মধ্যে সম্পাদিত একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  4.  যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত (১৫৫০টি)  করে দিয়েছিল এই চুক্তি।
মেয়াদ: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সাল পর্যন্ত। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative.

১২.
ভেনেজুয়েলার বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম কী?
  1.  হুয়ান গুইদো
  2. এডমুন্ডো গনজালেজ উরুতিয়া
  3. নিকোলাস মাদুরো
  4. মারিয়া কোরিনা মাচাদো
ব্যাখ্যা

- ভেনেজুয়েলার বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম নিকোলাস মাদুরো।

• নিকোলাস মাদুরো
- পূর্ণ নাম: নিকোলাস মাদুরো মোরোস
- জন্ম: ২৩ নভেম্বর ১৯৬২ খ্রি.
- জন্মস্থান: কারাকাস, ভেনেজুয়েলা
- পেশা: রাজনীতিবিদ ও শ্রমিক নেতা
- বর্তমান পদ: ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি

»  রাজনৈতিক জীবন
- ১৯৯৯ সালে জাতীয় গণপরিষদের সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ।
- পরে জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০১২ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন।
- ২০১৩ সালের মার্চে হুগো শ্যাভেজের মৃত্যুর পর অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি হন।
- ২০১৩ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বিশেষ নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- ২০১৮ সালে দ্বিতীয়বারের মতো পুনর্নির্বাচিত হন।

» বিতর্ক ও সমালোচনা
- তার শাসনকাল জুড়ে কর্তৃত্ববাদ, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, ও বিতর্কিত নির্বাচনের অভিযোগ উঠেছে।
- মাদুরোর নেতৃত্বে ভেনেজুয়েলা রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক পতন, এবং মানবিক সংকটে পতিত হয়েছে।

» আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট
- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ ও বিরোধিতা সত্ত্বেও মাদুরো ক্ষমতায় টিকে আছেন।
- তিনি হুগো শ্যাভেজের আদর্শ, চাভিসমো-এর দৃঢ় সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
- নিকোলাস মাদুরো শ্যাভেজের রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে ভেনেজুয়েলার সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন,
- যদিও তার শাসনকাল ব্যাপক বিতর্কিত ও অর্থনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৩.
নিচের কোন দেশ NPT চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

• NPT চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty):
- চুক্তির পূর্ণ নাম: Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT).
- বাংলায়: পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।

• চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা।
- পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ (nuclear disarmament) নিশ্চিত করা।
- খসড়া গৃহীত: ১ জুলাই ১৯৬৮।
- কার্যকর: ৫ মার্চ ১৯৭০।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর ও অনুমোদন করে: ৩১ আগস্ট, ১৯৭৯
- প্রাথমিক পৃষ্ঠপোষক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া)।
- নজরদারি সংস্থা: IAEA (International Atomic Energy Agency).
- বর্তমানে প্রায় ১৯১টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল – চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি
- উত্তর কোরিয়া – ২০০৩ সালে NPT থেকে বেরিয়ে যায়।

• চুক্তির মেয়াদ:
- প্রথমে এটি ২৫ বছরের জন্য কার্যকর ছিল।
- পরে, ১৯৯৫ সালে এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৪.
তেলকে প্রথমবারের মতো কার্যকরভাবে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় কোন সালে?
  1. ১৯৬৭
  2. ১৯৭১ 
  3. ১৯৭৩ 
  4. ১৯৮০ 
ব্যাখ্যা

• তেল অস্ত্র:
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা তখন তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়।
- তারা ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
- ১৯৭৩ সালে ইরাকের তেল সংক্রান্ত ফেডারেল আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন ড. ফাদিল চালাবি।
- তিনি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো একতরফাভাবে তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- এতে তেল কোম্পানিগুলোর কোন ভুমিকাই থাকবে না।

• তেল অবরোধ:
- বড় বড় তেলক্ষেত্রগুলো ছিল সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, কুয়েত এসব মধ্যপ্রাচ্যের দেশে।
- কিন্তু সেই তেল উত্তোলন করছিল সেই বড় পশ্চিমা কোম্পানিগুলো, তেলের দামও নির্ধারণ করছিল তারাই।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা কমিয়ে দিল তেলের উৎপাদন, বাড়িয়ে দিল তেলের দাম, আর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিল।
- ১৯৭৩ সালে তেল রপ্তানিকারী আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু শিল্পোন্নত দেশের বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা জারি করে
- তারা ঠিক করলো, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোই তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।
- এর পরিণামে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল কয়েকগুণ।
- এর সুদুরপ্রসারী প্রভাব পড়েছিল বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে।
- এভাবেই আরবরা তেল অবরোধ করে।

তথ্যসূত্র: i) World Atlas.
ii) BBC.

১৫.
ডেটন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ভিয়েনা
  2. প্যারিস
  3. হাভানা
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা

• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):

- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

তথ্যসূত্র: i) OSCE.org.
 ii) Britannica.

১৬.
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী নিরাপত্তা ব্যবস্থা THAAD কোন দেশের উদ্ভাবন?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

• থাড (THAAD):
- থাড (THAAD) যুক্তরাষ্ট্রের ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরোধী নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- ‘THAAD’ এর পূর্ণরুপ: Terminal High Altitude Area Defense।
- ‘থাড’ হলো একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা যা স্বল্প, মাঝারি এবং মধ্যবর্তী-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে সক্ষম।
- এটিই একমাত্র মার্কিন সিস্টেম যা বায়ুমণ্ডলের ভেতরে ও বাইরের লক্ষ্যবস্তুকে বাধা দিতে সক্ষম।
- শত্রু কোনো দেশ থেকে যদি কোনো মিসাইল নিক্ষেপিত হয়, থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা মহাশূন্যেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম।
- এটি প্রাথমিক ভাবে ২০১২ সালের এপ্রিলে মোতায়েন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এটি ব্যবহার করে এবং ইতোমধ্যে আরব আমিরাত, তুরষ্ক ও দক্ষিণ কোরিয়াতে তা মোতায়েন করা হয়েছে।
- থাড মিসাইল-এর ব্যাপ্তি ১২৫ মাইল।
- থাড মিসাইল ব্যাটারী এক সাথে ৬টি মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে এবং শত্রু মিসাইল টার্গেটে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করতে সক্ষম।
- প্রতিটি থাড মিসাইল ব্যাটারীর মূল্য ৮০০ মিলিয়ন ডলার।
- এর নির্মাতা লকহিড মার্টিন কোম্পনি।

উৎস: i) Lockheed Martin ওয়েবসাইট।
ii) CRS Reports (.gov) ওয়েবসাইট।
iii) আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।

১৭.
AUKUS জোটের সদস্য কারা?
  1. রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য
  2. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ভারত 
ব্যাখ্যা

• AUKUS চুক্তি:
- AUKUS চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
-  সদস্য দেশ: ৩টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধান উদ্দেশ্য: ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- অকাস হলো ২০৩০-এর শেষে বা ২০৪০-এর গোড়ার দিকে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার নতুন উচ্চপ্রযুক্তির সাবমেরিন তৈরি ও মোতায়েনের পরিকল্পনা।
- এই উন্নত প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তি অনুসারে ব্রিটিশ ও অ্যামেরিকার সাবমেরিন অস্ট্রেলিয়ায় মোতায়েন করা হবে।
- অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৮.
তাসখন্দ চুক্তি কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ১৯৬২
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৬৫
  4. ১৯৬৬
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি (Tashkent Agreement):
- তাসখন্দ চুক্তি ছিল একটি দ্বিপাক্ষিক শান্তি চুক্তি।
- যা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
• স্বাক্ষরের তারিখ ও স্থান:
- তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
- স্থান: তাসখন্দ, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান উজবেকিস্তান)।

•  অংশগ্রহণকারীরা নেতৃত্ব:
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী: সোভিয়েত নেতা আলেক্সি কোসিগিন।
- ১৯৬৫ সালের আগস্ট মাসে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো যুদ্ধ শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- চুক্তি স্বাক্ষরের পরদিনই লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর আকস্মিক মৃত্যু ঘটে (১১ জানুয়ারি, ১৯৬৬)।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৯.
সম্প্রতি কোন দেশ জাতিসংঘের পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ও সহযোগিতা স্থগিত করেছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ইরান
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. সৌদি আরব
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা

• IAEA:
- পূর্ণ নাম: International Atomic Energy Agency. 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা: ১৭৯টি। [ সেপ্টেম্বর, ২০২৫]

• ইরানের সদস্যপদ ত্যাগ:
- জাতিসংঘের পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ও সহযোগিতা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
- এর ফলে সংস্থাটির সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি থেকে ২জুলাই, ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে গেল তেহরান।

তথ্যসূত্র: IEAE ওয়েবসাইট ও পত্রিকা।

২০.
ABM চুক্তির মূল বিষয় কী ছিল?
  1. ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন
  2. ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ
  3. পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস ও সীমিতকরণ
  4. কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

• Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।