পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয়: বাংলা ব্যাকরণ পরীক্ষার টপিক: ১. সমাস, ২. বাক্য প্রকরণ ও বাক্যের রূপান্তর, ৩. বানান ও বাক্যশুদ্ধি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
কোনটি জটিল বাক্য?
  1. পরিশ্রমী ব্যক্তিরাই জীবনে সাফল্য লাভ করে।
  2. বিদ্বান হলেও তাঁর বিন্দুমাত্র অহংকার নেই।
  3. বাঙালির যে আত্মজাগরণ তা অভিনন্দনের দাবি রাখে।
  4. সৎ লোক কখনোই মিথ্যার সঙ্গে আপস করে না।
সঠিক উত্তর:
বাঙালির যে আত্মজাগরণ তা অভিনন্দনের দাবি রাখে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালির যে আত্মজাগরণ তা অভিনন্দনের দাবি রাখে।
ব্যাখ্যা
• জটিল বাক্য:
যে বাক্যে প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একের বেশি অপ্রধান খণ্ডবাক্য থাকে বা একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়। তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে।

জটিল বাক্যে ব্যবহৃত সাপেক্ষ সর্বনাম ও যোজক/অব্যয়গুলো হলো:
• যে - সে, যা - তা, যিনি - তিনি, যাঁরা - তাঁরা ইত্যাদি।
• নিত্যসম্বন্ধীয় যোজক (অব্যয়): যখন – তখন, যেমন - তেমন, বরং - তবু, যেইনা - অমনি, যেহেতু -সেজন্যে/সেহেতু ইত্যাদি।

যেমন:
- বাঙালির যে আত্মজাগরণ তা অভিনন্দনের দাবি রাখে।
[প্রদত্ত বাক্যে প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন অপ্রধান খণ্ডবাক্য 'যা - তা' সাপেক্ষ সর্বনাম দ্বারা যুক্ত হয়ে ভাব প্রকাশ করছে।]

অন্যদিকে,
• পরিশ্রমী ব্যক্তিরাই জীবনে সাফল্য লাভ করে।
• বিদ্বান হলেও তাঁর বিন্দুমাত্র অহংকার নেই।
• সৎ লোক কখনোই মিথ্যার সঙ্গে আপস করে না।

অপশনে প্রদত্ত অন্যান্য বাক্যগুলো সরল বাক্যের উদাহরণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'স্বর্গনরক' কোন সমাস?
  1. কর্মধারায় সমাস
  2. দ্বন্দ্ব সমাস
  3. নিত্য সমাস
  4. বহুব্রীহি সমাস
সঠিক উত্তর:
দ্বন্দ্ব সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা
• বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব:
অর্থের দিক থেকে যে দ্বন্দ্ব পরস্পরের মধ্যে বিরোধ তৈরি করে তাকে বলা হয় বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব।
যেমন-
• ভালো ও মন্দ = ভালোমন্দ,
• সাদা ও কালো= সাদাকালো,
• দা ও কুমড়া = দা-কুমড়া,
• অহি ও নকুল = অহি-নকুল,
• স্বর্গ ও নরক = স্বর্গ-নরক,
• দেব ও দানব = দেবদানব,
• ধনী ও গরিব = ধনীগরিব ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. অতিলোভে তাঁতি নষ্ট।
  2. অতিশয় দুঃখিত হলাম।
  3. তাহারা বাড়ি যাচ্ছে।
  4. অপব্যায় একটি মারাত্মক ব্যাধি।
সঠিক উত্তর:
অতিলোভে তাঁতি নষ্ট।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিলোভে তাঁতি নষ্ট।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: অতিলোভে তাঁতি নষ্ট।

অশুদ্ধ বাক্যের শুদ্ধরূপ হলো-
• খুব দুঃখ পেলাম / অত্যন্ত দুঃখিত হলাম।
• তারা বাড়ি যাচ্ছে।
• অপব্যয় একটি মারাত্মক ব্যাধি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোনটি যৌগিক বাক্য?
  1. যারা ধার্মিক তারা সুখী।
  2. তোমাকে দেওয়ার মতো আমার কিছুই নেই।
  3. ধনী হলেও তুমি উদার নও।
  4. সূর্য উদিত হয় তবে অন্ধকার দূর হয়।
সঠিক উত্তর:
সূর্য উদিত হয় তবে অন্ধকার দূর হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য উদিত হয় তবে অন্ধকার দূর হয়।
ব্যাখ্যা
• যৌগিক বাক্য:
পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

উল্লেখ্য,
যৌগিক বাক্যের অন্তর্গত নিরপেক্ষ বাক্যগুলো এবং, কিন্তু, ও, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, তবে, তথাপি প্রভৃতি অব্যয় যোগে সংযুক্ত থাকে।
যেমন:
- সূর্য উদিত হয় তবে অন্ধকার দূর হয়।

[প্রদত্ত বাক্যে 'সূর্য উদিত হয়' একটি স্বাধীন বাক্য এবং 'অন্ধকার দূর হয়' আরেকটি স্বাধীন বাক্য। এখানে দুটি নিরপেক্ষ বাক্য 'তবে ' অব্যয় যোগে সংযুক্ত হয়েছে। সুতরাং এটি একটি যৌগিক বাক্য।]

অন্যদিকে, 
• জটিল বাক্য- যারা ধার্মিক তারা সুখী।
• সরল বাক্য- তোমাকে দেওয়ার মতো আমার কিছুই নেই।
• সরল বাক্য- ধনী হলেও তুমি উদার নও।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. গন্যমান্য
  2. ঘনিষ্ট
  3. টেকসই
  4. চাতুর্যতা
সঠিক উত্তর:
টেকসই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকসই
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: টেকসই। 
- বিশেষণ পদ,
- (টেক) বাংলা (সই) আরবি। 
অর্থ:
- মজবুত,
- দীর্ঘস্থায়ী। 

অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো:
অশুদ্ধ - শুদ্ধ:
• গন্যমান্য - গণ্যমান্য। 
• ঘনিষ্ট - ঘনিষ্ঠ। 
• চাতুর্যতা - চাতুর্য। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং অভিগম্য অভিধান।
.
'সত্য কথা না বলে বিপদে পড়েছি।' বাক্যটির জটিল রূপ কোনটি?
  1. সত্য কথা বলিনি বলেই বিপদে পড়েছি।
  2. আমি সত্য কথা বলিনি, সেহেতু আমি বিপদে পড়েছি।
  3. আমি সত্য কথা বলিনি, তাই আমি বিপদে পড়েছি।
  4. যেহেতু আমি সত্য কথা বলিনি, তাই আমি বিপদে পড়েছি।
সঠিক উত্তর:
যেহেতু আমি সত্য কথা বলিনি, তাই আমি বিপদে পড়েছি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেহেতু আমি সত্য কথা বলিনি, তাই আমি বিপদে পড়েছি।
ব্যাখ্যা
• বাক্যটির জটিল রূপ: যেহেতু আমি সত্য কথা বলিনি, তাই আমি বিপদে পড়েছি।

-----------------
• সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্যে রূপান্তরের নিয়ম:
সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে মৌলিক অর্থ বা মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে নিচের সাধারণ সূত্রগুলো অবলম্বন করা যেতে পারে-

→ সূত্র: বাক্য পরিবর্তিত হলেও মৌলিক অর্থ অপরিবর্তিত থাকবে।
যেমন-
সরল: 'ইহাদের ন্যায় রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে নাই।'
জটিল: 'ইহারা যেরূপ, এরূপ রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে নাই।'

→ সূত্র: সরল বাকোর উদ্দেশ্য বা কর্তা ও বিধেয় বা সমাপিকা ক্রিয়াকে পরিবর্তন না করে সাধারণত জটিল বাক্যের প্রধান খণ্ডবাক্যটি গঠিত হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমও হয়।
যেমন:
সরল: 'তুমি নবমালিকা কুসুমকোমলা হওয়া সত্ত্বেও তোমায় আলবালজলসেচনে নিযুক্ত করিয়াছেন।'
জটিল: 'যদিও তুমি নবমালিকা কুসুমকোমলা, তথাপি তোমায় আলবালজলসেচনে নিযুক্ত করিয়াছেন।'

→ সূত্র: সরল বাক্যের বাকি অংশ বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয় অপ্রধান বা আশ্রিত খণ্ডবাক্যে পরিণত হয়।
যেমন:
সরল: 'ভূস্বামী স্বাধিকারে অধিষ্ঠান করিলে প্রজারা একদিনের নিমিত্ত নিশ্চিন্ত থাকিতে পারে না।'
জটিল: 'ভূস্বামী যখন স্বাধিকারে অধিষ্ঠান করেন, তখন প্রজারা একদিনের নিমিত্ত নিশ্চিন্ত থাকিতে পারে না।'

→ সূত্র: প্রধান ও অপ্রধান খন্ডবাক্য সাপেক্ষ সর্বনাম (যা, তা) কিংবা যোজক শব্দ (যদি, তবে) দ্বারা যুক্ত হয়।
যেমন:
সরল: 'কার্যে ক্ষতি না হইলে তথায় গিয়া অতিথি সৎকার করুন।'
জটিল: 'যদি কার্যে ক্ষতি না হয়, তবে তথায় গিয়া অতিথি সৎকার করুন।'

সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্যে রূপান্তরের ক্ষেত্রে কিছু যোজক ও সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহৃত হয় -
• সাপেক্ষ যোজক: বটে-কিন্তু, যেই-সেই, বরঞ্চ-তথাপি, হয়-নয়, এত-যে, যেমন-তেমন, একে-তায়, যদি-তবু। তাহলে, এরূপ-যে-সে, যত-তত, যাই-তাই ইত্যাদিকে সাপেক্ষ যোজক বলে।

• সাপেক্ষ সর্বনাম: পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল এক প্রকার সংযোগমূলক সর্বনামই সাপেক্ষ সর্বনাম।
যেমন: যে-সে, যিনি-তিনি, যা-তা, যার-তার, যতক্ষণ-ততক্ষণ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'চতুরঙ্গ' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. অব্যয়ীভাব সমাস
  2. কর্মধারায় সমাস
  3. দ্বিগু সমাস
  4. তৎপরুষ সমাস
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু সমাস
ব্যাখ্যা
• দ্বিগু সমাস:
সংখ্যাবাচকশব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাসহয়, তাকেবলাহয় দিগু সমাস।
উদাহরণ-
• চার পদের সমাহার = চুতুষ্পদ,
• চার অঙ্কের সমাহার = চতুরঙ্গ,
• ত্রি (তিন) ফলের সমাহার = ত্রিফলা,
• ত্রি (তিন) জগতের সমাহার = ত্রিজগৎ,
• পাঁচ সেরের সমাহার = পশুরী,
• ত্রি (তিন) মাথার সমাহার = তেমাথা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সরল বাক্য নয় কোনটি?
  1. অনেকের নিবাস থাকলেও আমার নিবাস নাই।
  2. তিনি ধনী কিন্তু দাতা নন।
  3. ইন্দ্রের ঐরাবতের মতো আমার পদ্মা।
  4. অনেকেরই জীবনে দুঃখের পর সুখ আসে।
সঠিক উত্তর:
তিনি ধনী কিন্তু দাতা নন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি ধনী কিন্তু দাতা নন।
ব্যাখ্যা
• সরল বাক্য নয়- তিনি ধনী কিন্তু দাতা নন। 

[প্রদত্ত বাক্যে 'তিনি ধনী' একটি স্বাধীন বাক্য এবং 'দাতা নন' আরেকটি স্বাধীন বাক্য। দুটি নিরপেক্ষ বাক্য 'কিন্তু' অব্যয় যোগে সংযুক্ত হয়েছে। সুতরাং এটি একটি যৌগিক বাক্য।]

--------------
• যৌগিক বাক্য:
পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

উল্লেখ্য,
যৌগিক বাক্যের অন্তর্গত নিরপেক্ষ বাক্যগুলো এবং, কিন্তু, ও, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, তথাপি প্রভৃতি অব্যয় যোগে সংযুক্ত থাকে।

অন্যদিকে,
--------------- 
• সরল বাক্য:
কে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে।
যথা-
- অনেকের নিবাস থাকলেও আমার নিবাস নাই।
- ইন্দ্রের ঐরাবতের মতো আমার পদ্মা।
- অনেকেরই জীবনে দুঃখের পর সুখ আসে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯- সংস্করণ)।
.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. বৈশিষ্ট
  2. বুদ্ধিজীবি
  3. বৈয়াকরণ
  4. বৈচিত্র
সঠিক উত্তর:
বৈয়াকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈয়াকরণ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - বৈয়াকরণ। 
 - বিশেষণ পদ,
- সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
 - ব্যাকরণে পণ্ডিত;
- ব্যাকরণ-বিশারদ;
- ব্যাকরণবিদ। 

অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো:
অশুদ্ধ - শুদ্ধ:
• বৈচিত্র - বৈচিত্র্য। 
• বৈশিষ্ট - বৈশিষ্ট্য। 
• বুদ্ধিজীবি - বুদ্ধিজীবী। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং অভিগম্য অভিধান।
১০.
"আমি বহু কষ্টে শিক্ষা লাভ করেছি।"- বাক্যটির যৌগিক রূপ কোনটি?
  1. আমি বহু কষ্ট করেছি, ফলে শিক্ষা লাভ করেছি।
  2. আমি বহু কষ্ট করেছি বলেই, শিক্ষা লাভ করেছি।
  3. যেহেতু আমি বহু কষ্ট করেছি, তাই শিক্ষা লাভ করেছি।
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আমি বহু কষ্ট করেছি, ফলে শিক্ষা লাভ করেছি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমি বহু কষ্ট করেছি, ফলে শিক্ষা লাভ করেছি।
ব্যাখ্যা
• বাক্যটির যৌগিক রূপ: আমি বহু কষ্ট করেছি, ফলে শিক্ষা লাভ করেছি।

----------------
• সরল বাক্য থেকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তরের নিয়ম-
সরল বাক্য থেকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে বাক্যের মৌলিক অর্থ বা মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে নিচের সাধারণ সূত্রগুলো অবলম্বন করতে হবে-

• সূত্র: বাক্যের পরিবর্তন হলেও বাক্যের মূল অর্থের পরিবর্তন হয় না।
যেমন-
সরল: সমাজে দয়ার চেয়ে দায়ের জোর বেশি।
যৌগিক: সমাজে দয়ার জোর বেশি নয়, বরং দায়ের জোর বেশি।

• সূত্র: সরল বাক্যের অসমাপিকা ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) যারা স্বনির্ভর খণ্ডবাক্যে পরিণত করতে হয়।
যেমন-
সরল: 'গুহাটা হইতে বাহির হইয়া আসিয়া ধড়ে প্রাণ আসিল।'
যৌগিক: 'গুহাটা হইতে বাহির হইলাম, তবেই ধড়ে প্রাণ আসিল।'

• সূত্র: সরল বাক্যের সমাপিকা ক্রিয়া দ্বারা অন্য একটি স্বনির্ভর খণ্ডবাক্যও গঠিত হয়।
যেমন-
সরল ঝুরি নেমে গড়ে ওঠা গড়িই এখন রয়েছে।
যৌগিক: ঝুরি নেমে গুঁড়ি গড়ে উঠেছে, আর তা-ই এখন রয়েছে।

• সূত্র: প্রয়োজনে সরল বাক্যের অন্য শব্দসমষ্টির দ্বারা কিংবা বাক্যাংশকে প্রসারিত করে এক বা একাধিক স্বনির্ভর খণ্ডবাক্য গঠিত হতে পারে।
যেমন-
সরল: আমি বর ছিলাম বলে বিবাহ সম্বন্ধে আমার মত যাচাই করা অনাবশ্যক ছিল।
যৌগিক: আমি ছিলাম বর, সুতরাং বিবাহ সম্মন্ধে আমার মত যাচাই করা অনাবশ্যক ছিল।

• সূত্র: খণ্ডবাক্যগুলো ব্যতিরেকাত্মক, প্রাতিপাক্ষিক, সংযোজক, বিয়োজক প্রভৃতি যে কোনো অব্যয় দ্বারা যুক্ত করে যৌগিক বাক্য গঠন করা।
যেমন-
সরল: তুমি চলে গেলে তোমার জিনিসপত্তর দেখবে কে?
যৌগিক: তুমি চলে যাবে, কিন্তু তোমার জিনিসপত্তর দেখবে কে?

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
নিচের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. সে তাহার শিক্ষকের একান্ত বাধ্য।
  2. অধ্যাপনাই ছাত্রদের তপস্যা।
  3. অন্নাভাবে ঘরে ঘরে হাহাকার।
  4. 'গীতাঞ্জলি' একখানা কাব্যগ্রন্থ।
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপনাই ছাত্রদের তপস্যা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপনাই ছাত্রদের তপস্যা।
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বাক্য: অধ্যাপনাই ছাত্রদের তপস্যা।
• শুদ্ধ: অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা।

অন্যদিকে, 
শুদ্ধ: সে তাহার শিক্ষকের একান্ত বাধ্য। 
শুদ্ধ: অন্নাভাবে ঘরে ঘরে হাহাকার।
শুদ্ধ 'গীতাঞ্জলি' একখানা কাব্যগ্রন্থ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
কোনটি অনুজ্ঞাসূচক বাক্য?
  1. আর তো পথ নেই।
  2. দুর্জনকে দূরে রেখো।
  3. এটা তো মানুষের ধর্ম নয়।
  4. মরতে তো একদিন হবেই।
সঠিক উত্তর:
দুর্জনকে দূরে রেখো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্জনকে দূরে রেখো।
ব্যাখ্যা
• অনুজ্ঞাসূচক বাক্য- দুর্জনকে দূরে রেখো।

• অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক বাক্য:
যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, নিষেধ ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পায় তাকে অনুজ্ঞা-বাক্য বলে। একে আজ্ঞাসূচক, আজ্ঞাবাচক, অনুজ্ঞাসূচক, আদেশসূচক বাক্যও বলা হয়।
যেমন:
• আদেশ: কাছে এসো।
• উপদেশ: সদা সত্য কথা বলবে।
• অনুরোধ: দয়া করে আমার কাজটা করে দেবেন/দিন।
• নিষেধ: "সুচেতনা, ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি।
• প্রস্তাব: চলো, নাটক দেখে আসি।

অন্যদিকে, 
• আর তো পথ নেই।
• এটা তো মানুষের ধর্ম নয়।
• মরতে তো একদিন হবেই।

প্রদত্ত বাক্যগুলো নির্দেশাত্মক বাক্যের উদাহরণ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. কূটনীতি
  2. ক্রীড়া
  3. খেলোয়ার
  4. কুঞ্ঝটিকা
সঠিক উত্তর:
খেলোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খেলোয়ার
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - খেলোয়ার। 

• শুদ্ধ বানান- খেলোয়াড়। 
- সংস্কৃত শব্দ
- বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয়পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
অর্থ:
- যে খেলা করে; যে খেলায় অংশগ্রহণ করে। 
-  ক্রীড়াপটু;
- যে ভালো খেলতে পারে। 

• অপশনে প্রদত্ত কূটনীতি, ক্রীড়া ও কুঞ্ঝটিকা বানানগুলো শুদ্ধ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং অভিগম্য অভিধান।
১৪.
সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস নয় কোনটি?
  1. দানবীর
  2. যাদুকর
  3. ভোজনপটু
  4. মনমরা
সঠিক উত্তর:
যাদুকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাদুকর
ব্যাখ্যা
• সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস নয় - যাদুকর। 

• সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস:

যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) লোপ পায়, তাকে বলা হয় সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস।
যেমন-
• গাছে পাকা = গাছপাকা,
• অকালে মৃত্যু = অকালমৃত্যু,
• দিবায় নিদ্রা = দিবানিদ্রা,
• ভোজনে পটু = ভোজনপটু,
• পূর্বে অদৃষ্ট = অদৃষ্টপূর্ব,
• দানে বীর = দানবীর,
• মনে মরা = মনমরা ইত্যাদি।

-------------------
• উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদকে বলা হয় কৃদন্ত পদ। কৃদন্ত পদের পূর্বের পদকে বলা হয় উপপদ। উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।
যেমন-
• পঙ্কে জন্মে যে = পঙ্কজ,
• যাদু করে যে = যাদুকর,
• ইন্দ্রকে জয় করেছে যে = ইন্দ্রজিৎ,
• ছেলে ধরে যে = ছেলেধরা,
• পকেট মারে যে = পকেটমার ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
কোনটি শুদ্ধ?
  1. একের লাঠি দশের বোঝা।
  2. সব মাছগুলোর দাম কত?
  3. বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়।
  4. কালীদাস খ্যাতমান কবি।
সঠিক উত্তর:
বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়।

অন্যদিকে, 
• অশুদ্ধ: একের লাঠি দশের বোঝা।
• শুদ্ধ: দশের লাঠি একের বোঝা।

• অশুদ্ধ: সব মাছগুলোর দাম কত?
• শুদ্ধ: সব মাছের দাম কত?

• অশুদ্ধ: কালীদাস খ্যাতমান কবি।
• শুদ্ধ: কালিদাস খ্যাতিমান কবি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬.
যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেককে বলে-
  1. সমস্ত পদ
  2. ব্যাসবাক্য
  3. সমস্যমান পদ
  4. পূর্বপদ
সঠিক উত্তর:
সমস্যমান পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমস্যমান পদ
ব্যাখ্যা
সমাসের কয়েকটি পরিভাষা-
• সমস্যমান পদ: যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেককে সমস্যমান পদ বলে। যেমন- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন। এ বাক্যে সিংহ, চিহ্নিত, আসন- এ তিনটি হচ্ছে সমস্যমান পদ।

• সমস্ত পদ: সমস্যমান পদগুলো মিলিত হয়ে যে একপদে পরিণত হয়, তাকে সমস্ত পদ বলে। একে আবার সমাসবদ্ধ পদও বলা হয়। যেমন- সিংহ চিহ্নিত আসন সিংহাসন। এখানে সিংহাসন হচ্ছে সমস্ত পদ।

• ব্যাসবাক্য: সমাসবদ্ধ পদটিকে ব্যাখ্যা করার জন্য যে বাক্য তৈরি করা হয় তাকে ব্যাসবাক্য বলে। 'ব্যাস' শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ। একে ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্যও বলা হয়। উপরের বাক্যে 'সিংহ চিহ্নিত আসন' হলো সিংহাসন শব্দের ব্যাসবাক্য।

• পূর্বপদ ও পরপদ: সমাস যুক্ত পদের প্রথম অংশকে বলা হয় পূর্বপদ এবং শেষ অংশকে বলা হয় পরপদ বা উত্তরপদ। সিংহাসন শব্দের সিংহ হলো পূর্বপদ, আর আসন হলো পরপদ বা উত্তরপদ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
আবেগসূচক বাক্য কোনটি?
  1. সেই বাঁশির সুর ভারি মিষ্টি।
  2. শীতে দরিদ্র মানুষের কী কষ্ট!
  3. এ গানটি অত্যন্ত করুণ।
  4. যা দেখলাম, ভারি সুন্দর।
সঠিক উত্তর:
শীতে দরিদ্র মানুষের কী কষ্ট!
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীতে দরিদ্র মানুষের কী কষ্ট!
ব্যাখ্যা
• বিস্ময়বোধক বাক্য- শীতে দরিদ্র মানুষের কী কষ্ট!

---------------
• বিস্ময় বা আবেগসূচক বাক্য:
যে বাক্যে বিস্ময়, হর্ষ, শোক, ঘৃণা, ক্রোধ, ভয় ইত্যাদি ভাব প্রকাশ পায় তাকে আবেগসূচক বাক্য বলে।
যথা:
• বিস্ময়: কী সাংঘাতিক লোক!
• হর্ষ: ছন্দে ছন্দে দুলি আনন্দে, আমি বনফুল গো!
• ঘৃণা: ছিঃ ছিঃ! অমন কথা মুখে আনলে কী করে? 
• শোক: হায় হায়! কী যন্ত্রণায় যে পড়েছি।
• ক্রোধ: এত বড় স্পর্ধা! মুখের ওপর কথা বলে।
• ভয়: ওরে বাবা রে, খেয়ে ফেলল রে!
• আবেগ: বাহ! সুন্দর লিখেছ তো। 

অন্যদিকে, 
নির্দেশাত্মক বাক্য:
• সেই বাঁশির সুর ভারি মিষ্টি।
• এ গানটি অত্যন্ত করুণ।
• যা দেখলাম, ভারি সুন্দর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৮.
'গোড়ায়গলদ' কোন সমাস?
  1. অলুক তৎপুরুষ
  2. সপ্তমী তৎপুরুষ
  3. উপপদ তৎপুরুষ
  4. চতুর্থী তৎপুরুষ
সঠিক উত্তর:
অলুক তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলুক তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
• অলুক তৎপুরুষ সমাস:
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।
যেমন-
• গোড়ায় গলদ = গোড়ায়গলদ, 
• ঘানি তেল = ঘানিরতেল,
• ঘি দিয়ে ভাজা = ঘিয়েভাজা,
• হাতে কাটা = হাতেকাটা,
• কল দ্বারা ছাঁটা = কলেছাঁটা
• তেলে ভাজা = তেলেভাজা ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
'হররোজ' কোন সমাস?
  1. নিত্য সমাস
  2. অব্যয়ীভাব সমাস
  3. কর্মধারায় সমাস
  4. দ্বন্দ্ব সমাস
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা
• অব্যয়ীভাব সমাস:
যে সমাসের পূর্বপদে অব্যয় থাকে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধানরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে বলা হয় অব্যয়ীভাব সমাস।

অন্যভাবে বলা যায়,
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে অর্থের প্রাধান্য থাকলে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসের ব্যাসবাক্যে অব্যয় উল্লেখ হয় না, কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি গঠিত হয়।

যেমন-
• জানু পর্যন্ত লম্বিত = আজানুলম্বিত। 
• মরণ পর্যন্ত = আমরণ।
• রোজ রোজ = হররোজ। 
• বছর বছর = ফিবছর। 
• ক্ষুদ্র মহাদেশ = উপমহাদেশ ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. মেয়েটি বিদ্যান কিন্তু ঝগড়াটে।
  2. যাবতীয় প্রাণীবৃন্দ এই গ্রহের বাসিন্দা।
  3. মাদকাসক্তি ভালো নয়।
  4. পরোপকার মানুষত্বের পরিচায়ক।
সঠিক উত্তর:
মাদকাসক্তি ভালো নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদকাসক্তি ভালো নয়।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: মাদকাসক্তি ভালো নয়।

অন্যদিকে, 
• অশুদ্ধ: পরোপকার মানুষত্বের পরিচায়ক।
• শুদ্ধ: পরোপকার মনুষ্যত্বের পরিচায়ক।

• অশুদ্ধ: মেয়েটি বিদ্যান কিন্তু ঝগড়াটে।
• শুদ্ধ: মেয়েটি বিদুষী কিন্তু ঝগড়াটে।

• অশুদ্ধ: যাবতীয় প্রাণীবৃন্দ এই গ্রহের বাসিন্দা।
• শুদ্ধ: যাবতীয় প্রাণী এই গ্রহের বাসিন্দা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২১.
সমাসের সমস্তপদে 'আ, এ, ও' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত সমাসকে বলা হয়-
  1. ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস
  2. প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস
  3. অলুক বহুব্রীহি সমাস
  4. সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস
ব্যাখ্যা
• প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস:
যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ, এ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে বলা হয় প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস।
যথা-
• এক দিকে চোখ বা দৃষ্টি যার = একচোখা,
• ঘরের দিকে মুখ যার = ঘরমুখো,
• নিঃ (নেই) খরচ যার = নি-খরচ,
• দো টানা যার = দোটানা,
• দুই তলা যার = দোতলা,
• দুই দিকে টান যার = দোটানা,
• দুই দিকে মন যার = দোমনা ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।