পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান সিলেবাস: ভৌত বিজ্ঞান: পদার্থের অবস্থা, এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস এবং এর প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর, আলোক যন্ত্রপাতি, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি। আধুনিক বিজ্ঞান: পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত, ফোটন কণা ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
তড়িৎ চৌম্বক আবেশ আবিষ্কার করেন কে?
  1. ওয়ারস্টেড
  2. মাইকেল ফ্যারাডে
  3. টমাস আল্ভা এডিসন
  4. মার্কনি
সঠিক উত্তর:
মাইকেল ফ্যারাডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকেল ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ চৌম্বক আবেশ:
- ওয়েরস্টেড (১৮২০) তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বকীয় ক্রিয়া আবিস্কারের পর থেকেই বিজ্ঞানীদের মাথায় চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টির কথা চিন্তা করেন।
- তখন তিন দেশের তিন জন বিজ্ঞানী ইংল্যান্ডে মাইকেল ফ্যারাডে, আমেরিকাতে জোসেফ হেনরী এবং রাশিয়ায় এইচ. এফ. ই. লেনজ পৃথক পৃথক ভাবে এ বিষয়ের উপর গবেষণা করে সফলতা অর্জন করেন।
- কিন্তু মাইকেল ফ্যারাডে ১৮৩১ সালে সর্বপ্রথম তাঁর গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রকাশ করেছিলেন।
- সেজন্য মাইকেল ফ্যারাডে তড়িৎ চৌম্বক আবেশের আবিষ্কারক হিসাবে পরিচিত।
- ফ্যারাডের পরীক্ষাগুলো থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, কোনো বদ্ধ কুণ্ডলী এবং কোনো চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আপেক্ষিক গতি থাকলে ঐ কুণ্ডলীতে
একটি আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তির সৃষ্টি হয়। এই ঘটনাকে তড়িৎ চৌম্বক আবেশ বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শব্দের বেগের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. আদ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  2. শীতকালের চেয়ে বর্ষাকালে শব্দের বেগ বেশি হয়।
  3. শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩৩২ মিটার।
  4. পানিতে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ৪.৫ গুন বেশি।
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩৩২ মিটার।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩৩২ মিটার।
ব্যাখ্যা
• শব্দের বেগ:
- মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলতে পারে না। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ ০।

- কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি যা ৫২২১ মি./সে,
- বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম যা ৩৩২ মি./সে।
- তরল মাধ্যমে শব্দের বেগ ১৪৫০ মি./সে।
- বাতাসের তুলনায় পানিতে শব্দের বেগ প্রায় চারগুন।
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। এই কারণে বর্ষাকালে জোরে শব্দ শোনা যায়।
- তাপমাত্রা বাড়লে মাধ্যমের ঘনত্ব কমে, ফলে শব্দের বেগ বাড়ে।
- শীতকালের চেয়ে বর্ষাকালে শব্দের বেগ বেশি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি  ও ব্রিটানিকা।
.
একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে তৈরি করা হয়-
  1. ট্রান্সফরমার
  2. ডায়োড
  3. ক্যাপাসিটর
  4. সেমিকন্ডাক্টর
সঠিক উত্তর:
ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়োড
ব্যাখ্যা
• ডায়োড:
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন রঙের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়?
  1. লাল
  2. বেগুনি
  3. সাদা
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
• পদার্থের তাপশোষণ ক্ষমতা:
- কালো রঙের কাপে চা দ্রুত ঠাণ্ডা হয়।

- কারণ কালো রং তাপ শোষণ করতে পারে।
- তাপ সব সময় উচ্চ তাপীয় অবস্থা থেকে নিম্ন তাপীয় অবস্থায় স্থানান্তরিত হয়।
- এক্ষেত্রে চা এর কালো কাপটি হচ্ছে নিম্ন তাপীয় অবস্থা তাই তা দ্রুত তাপ শোষণ করে নেবে এবং চা তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হয়ে যাবে।
- সাদা রঙের কাপে চা বেশি সময় গরম থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে কোন গ্যাস সবচেয়ে পরিমাণে পাওয়া যায়?
  1. হাইড্রোজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. হিলিয়াম
  4. আর্গন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
• বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো হাইড্রোজেন।
- হাইড্রোজেন গ্যাস মহাবিশ্বের মৌলিক গঠনের প্রায় 75% (ভর) তৈরি করে।
- এটি আমাদের সূর্য সহ নক্ষত্রগুলিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং এটি পারমাণবিক ফিউশন প্রতিক্রিয়াগুলির জন্য প্রাথমিক জ্বালানী উৎস।
- হাইড্রোজেন আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশেও প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত থাকে এবং এটি আণবিক মেঘের একটি মূল উপাদান যেখানে নতুন তারকা গঠি হয়।

অন্যদিকে,
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে নাইট্রোজেন গ্যাস।
- মহাবিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান হচ্ছে হিলিয়াম।
- হাইড্রোজেন ও হিলিমায় যৌথভাবে মহাবিশ্বের ৯৯.৯% উপাদান গঠন করেছে।
- এই সারিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে অক্সিজেন।

উৎস: The University of Texas; LiveScience and Nature Journal.
.
নিচের কোনটি বারিমন্ডলের অংশ নয়?
  1. পাহাড়
  2. নদী
  3. সাগর
  4. হ্রদ
সঠিক উত্তর:
পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড়
ব্যাখ্যা
• 'পাহাড়' বারিমন্ডলের অংশ নয়।  

• বারিমন্ডল:

- পৃথিবীর জলভাগই হলো বারিমন্ডল। বারিমন্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere।
- Hydro অর্থ পানি এবং Sphere অর্থ ক্ষেত্র। অর্থাৎ আভিধানিক অর্থে Hydrosphere এর অর্থ পানির ক্ষেত্র বা আধার।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়।

• বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন:
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না-
  1. নিকেল
  2. আয়রন
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
• চৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয়, তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।
- এ সকল পদার্থকে সহজেই চুম্বকে পরিণত করা যায়।

• অচৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা প্রভাবিত হয় না, তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন- কাঠ, কাঁচ, তামা, সোনা, রুপা ইত্যাদতসঃ

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
.
কুলম্বের সূত্র অনুসারে, দুটি আধানের আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ভর করে-
  1. আধান দুটির পরিমাণের উপর
  2. আধান দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর
  3. আধান দুটি যে মাধ্যমে উপস্থিত তার উপর
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• কুলম্বের সূত্র:
- কুলম্বের সূত্র (Coulomb’s Law) হলো একটি মৌলিক সূত্র যা দুইটি স্থির তড়িৎ চার্জের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।

• দুটি আধানের আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ভর করে-
- আধান দুটির পরিমাণের উপর। 
- আধান দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর। 
- আধান দুটি যে মাধ্যমে উপস্থিত তার উপর। 

সূত্রটি:
• F = k⋅q1⋅q2/r2

• F = বল (Newton-এ)
• q₁, q₂ = দুইটি চার্জ (Coulomb)
• r = দুই চার্জের মধ্যকার দূরত্ব (meter)
• k = ধ্রুবক

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
.
পাতন বলতে কী বুঝায়?
  1. বাষ্পীভবন
  2. ঘনীভবন
  3. বাষ্পীভবন + ঘনীভবন
  4. কোনোটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবন + ঘনীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবন + ঘনীভবন
ব্যাখ্যা
• পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন।

- পাতন (Distillation) হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে তরল পদার্থকে প্রথমে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বাষ্পে রূপান্তর করা হয় এবং পরে সেই বাষ্পকে ঘনীভবনের মাধ্যমে তরলে রূপান্তর করে আলাদা করা হয়।
- এটি মূলত ভিন্ন ভিন্ন গলনাঙ্ক বা স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট পদার্থগুলোকে পৃথক করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০.
আইনস্টাইন কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
• আলবার্ট আইনস্টাইন:
- আলবার্ট আইনস্টাইন ১৪ মার্চ ১৮৭৯ সালে জার্মানির উলম শহরে জন্মগ্রহন করেন।
- আপেক্ষিকতার সূত্র বা Theory of Relativity আবিষ্কার করেন।
- ভর শক্তি সম্পর্ক (E=mc2) স্থাপন করেন তিনি।
- তিনি ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১.
রোধ কিসের উপর নির্ভর করে?
  1. প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলে
  2. উপাদান
  3. তাপমাত্রা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• রোধ:
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে।
- রোধের এস আই একক হলো ও'ম।
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট এবং এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ ১ অ্যাম্পিয়ার হলে, ঐ পরিবাহীর রোধ হবে ১ ও'ম।
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে।
- স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
সিলিকনের সাথে কোন পদার্থ যোগ করলে p-টাইপ অর্ধপরবাহী তৈরি হয়?
  1. ফসফরাস
  2. বোরন
  3. হাইড্রোজেন
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
বোরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরন
ব্যাখ্যা
• p- টাইপ অর্ধপরিবাহক:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
- যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।

• n- টাইপ অর্ধপরিবাহক:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
- যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩.
বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না কোন রশ্মি?
  1. আলফা
  2. বিটা
  3. গামা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা
ব্যাখ্যা
• গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি:
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ।
- এই রশ্মি আলোর ন্যায় বেগে গতিশীল ।
- এর কোনো চার্জ ও ভর নাই ।
- গামা রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
- এটি ফটোগ্রাফিক পেণ্টটের উপর বিক্রিয়া করে।
- এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম ।
- জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে।
 - গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ব্যাটারী থেকে কোন ধরনের বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়?
  1. AC
  2. DC
  3. ADC
  4. TC
সঠিক উত্তর:
DC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DC
ব্যাখ্যা
• ব্যাটারি:
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়।
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়।
- ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে।
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। যেমন- অ্যানোড, ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট।
- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে ব্যাটারি থেকে ডিসি বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
নিচের কোনটি মৌলিক পদার্থ নয়?
  1. ফুলারিন
  2. হীরা
  3. রম্বিক সালফার
  4. ফসফিন
সঠিক উত্তর:
ফসফিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসফিন
ব্যাখ্যা
• ফসফিন (PH₃) একটি যৌগিক পদার্থ, কারণ এটি ফসফরাস ও হাইড্রোজেন  দুটি ভিন্ন মৌল দিয়ে গঠিত।
- তাই ফসফিন মৌলিক পদার্থ নয়, এটি একটি যৌগ। 

• মৌলিক পদার্থ:
- যে পদার্থকে বিশ্লেষণ করলে ওই পদার্থ ভিন্ন ধর্ম বিশিষ্ট অন্য কোন নতুন পদার্থ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে।
- উদাহরণ:হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হিলিয়াম, কার্বন, গন্ধক, তামা, দস্তা, পারদ, সোনা, রুপা প্রভৃতি মৌলিক পদার্থ।

- হীরা, গ্রাফাইট, ফুলারিনস ইত্যাদি হলো কার্বনের রূপভেদ। এরা মৌলিক পদার্থ।
- শ্বেত ফসফরাস, লোহিত ফসফরাস ইত্যাদি হলো ফসফরাসের রূপভেদ। এরা মৌলিক পদার্থ।
- রম্বিক বা আলফা সালফার, মনোক্লিনিক বা বিটা সালফার, প্লাস্টিক বা নমনীয় বা গামা সালফার, দুগ্ধ বা ডেল্টা সালফার, ল্যামডা সালফার, মিউ সালফার ইত্যাদি হলো গন্ধকের বিভিন্ন রূপভেদ। এরাও সবাই মৌলিক পদার্থ।
- সিলিকা হলো সিলিকন ডাই-অক্সাইড যা বালি গঠনের প্রধান উপাদান। সিলিকন ও অক্সিজেন নামক মৌলিক পদার্থের সমন্বয়ে সিলিকা নামক যৌগিক পদার্থ উৎপন্ন হয়।

উৎস:  রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি  ও ব্রিটানিকা।
১৬.
জটিল অণুবীক্ষণ যন্ত্রে গঠিত চুড়ান্ত বিম্ব কেমন হয়?
  1. উলটো ও খর্বিত
  2. সোজা ও বিবর্ধিত
  3. উলটো ও বিবর্ধিত
  4. সোজা ও খর্বিত
সঠিক উত্তর:
উলটো ও বিবর্ধিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উলটো ও বিবর্ধিত
ব্যাখ্যা
• জটিল অণুবীক্ষণ যন্ত্র (Microscope) সাধারণত দুইটি প্রধান লেন্স দিয়ে তৈরি হয়:

- অভিলক্ষ লেন্স (Objective lens)
- অভিনেত্র লেন্স (Eyepiece / Ocular lens)
- দুটি লেন্স ব্যবহারের ফলে চূড়ান্তভাবে যে বিম্ব দেখা যায় তা হয়:উলটো (inverted) ও বিবর্ধিত (magnified)
এই দুইটি লেন্স মিলে একটি ক্ষুদ্র বস্তুকে অনেক বড় এবং বিশদভাবে দেখায়। 


• অভিলক্ষ লেন্স (Objective lens):
- বস্তুটির খুব কাছাকাছি রাখা হয়।
- এটি একটি বাস্তব, উলটো ও বিবর্ধিত বিম্ব তৈরি করে।
- এই বিম্বটি চোখের লেন্সের সামনের দিকে (যেখান থেকে আমরা দেখি) অবস্থান করে।

• অভিনেত্র লেন্স (Eyepiece):
- এটি অভিলক্ষ লেন্সের গঠিত বিম্বটিকে আবার বিবর্ধিত ভার্চুয়াল বিম্ব হিসেবে দেখায়।
- এই দ্বিতীয় বিম্বটিও হয় উলটো ও বিবর্ধিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৭.
প্রকৃতিতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় কোন ধাতু?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. লোহা
  3. তামা
  4. দস্তা
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
• অ্যালুমিনিয়াম (Al):
- অ্যালুমিনিয়াম (Al) হল পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পাওয়া ধাতু।
- এটি মূলত বক্সাইট আকরিক (Bauxite ore) আকারে পাওয়া যায়।
- যদিও এটি কখনোই মুক্ত ধাতু হিসেবে পাওয়া যায় না, কারণ এটি অত্যন্ত সক্রিয়। তাই এটি সর্বদা যৌগ আকারে থাকে।

• অ্যালুমিনিয়ামের ধর্ম:
১. অ্যালুমিনিয়াম তাপ এবং বৈদ্যুতিক সুপরিবাহী।
২. হালকা কিন্তু টেকসই।

উৎস:  ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৮.
ইপসম লবণের রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. ZnSO4.7H2O
  2. CuSO4.5H2O
  3. FeSO4.7H2O
  4. MgSO4.7H2O
সঠিক উত্তর:
MgSO4.7H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MgSO4.7H2O
ব্যাখ্যা
• ইপসম লবণের সংকেত MgSO4.7H2O ।

• বিভিন্ন যৌগের রাসায়নিক সংকেত:
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O,
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl.
- ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত- CHCl3,
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3,
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O,
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa,
- সাদা ভিট্রিওলের সংকেত - ZnSO4.7H2O।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
১৯.
বিজারক কী?
  1. প্রোটন গ্রহণ করে
  2. অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়
  3. অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়
  4. ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে
সঠিক উত্তর:
অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়
ব্যাখ্যা
• জারণ- বিজারণ:
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়।
- বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।

- সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ক্লোরাইড তৈরি হওয়া (2Na+Cl2=2NaCl) এধরনের জারণ প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।
- উক্ত বিক্রিয়ায় সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন দান করে এবং যুগপৎভাবে ক্লোরিন সেটি গ্রহণ করে।
- ফলে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম বিজারক ও ক্লোরিন জারক
• Na → Na+ + e- (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
• Cl + e- → CI (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

• সহজে মনে রাখার উপায়:
- জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ।
- জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ।
- বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ।
- বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
কার্বন- কার্বন দ্বিবন্ধন দেখা যায় কোন সমগোত্রীয় শ্রেণিতে?
  1. অ্যালকেন
  2. অ্যালকিন
  3. অ্যালকাইন
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
অ্যালকিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালকিন
ব্যাখ্যা
• অ্যালকিন (Alkene):
- এটি এমন একটি হাইড্রোকার্বনের সমগোত্রীয় শ্রেণি, যেখানে অন্তত একটি কার্বন-কার্বন দ্বিবন্ধন (C=C) বিদ্যমান থাকে।
- সাধারণ সূত্র: CnH2n
- উদাহরণ:
- ইথিন (C₂H₄) → CH₂=CH₂
- প্রোপিন (C₃H₆) → CH₂=CH–CH₃

অন্যদিকে,
- অ্যালকেন হলো সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন, যেখানে কার্বন-কার্বনের মধ্যে শুধুমাত্র একক বন্ধন (C–C) থাকে।
- অ্যালকাইন শ্রেণির যৌগগুলোতে কার্বন-কার্বনের মধ্যে ত্রিবন্ধন (C≡C) থাকে।
- অ্যালকোহল হলো এমন যৌগ, যেখানে –OH (হাইড্রক্সিল) গ্রুপ যুক্ত থাকে।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২১.
মহাজাগতিক রশ্মির অন্য নাম কী?
  1. ইউনিভার্সাল রে
  2. কসমিক রে
  3. এটারনাল রে
  4. কসমপলিটন রে
সঠিক উত্তর:
কসমিক রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমিক রে
ব্যাখ্যা
• মহাজগতিক রশ্মি:
- মহাজগতিক রশ্মির অন্যনাম কসমিক রে (Cosmic rays)।
- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- এগুলো মূলত প্রোটন, হেলিয়াম নিউক্লিয়াস এবং অন্যান্য ভারী উপাদানের আয়নযুক্ত কণা নিয়ে গঠিত।
- অস্ট্রিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস (Victor Hess) প্রথম মহাজাগতিক রশ্মির অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন।
- ১৯১২ সালে, তিনি বেলুনে বসে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পরিবর্তন হয় কি না তা পরীক্ষা করছিলেন।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।