পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৭: আইন বিষয়াবলী - ৪ Subject: The Code of Civil Procedure, 1908 Topic: Temporary Injunction (Order 39), Appointment of Receiver (Order 40), Alternative Dispute Resolution (Sections 89A-89E), Appeals (Sections 96-99, 104-112 & Orders 41-45) Reference (Section 113, Order 46), Review (Sections 114 & Order 47), Revision (Section 115), Application for Restitution (Section 144), Inherent Power of the Court (Section 151), Miscellaneous (Orders 48-50, Sections 132-155).
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি
  2. অন্যায় কাজকে বারিত করা
  3. বিরোধীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করা
  4. অন্যায় কাজকে উৎসাহিত করা
সঠিক উত্তর:
অন্যায় কাজকে বারিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায় কাজকে বারিত করা
ব্যাখ্যা
নিষেধাজ্ঞা:
নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে আইনে সুনির্দিষ্ট কোন বিধান নেই, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫২-৫৭ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ এর বিধি ১ থেকে ৫ এ নিষেধাজ্ঞার বিধান বর্ণিত রয়েছে। সাধারণভাবে, নিষেধাজ্ঞা বলতে বোঝায়, আদালত কর্তৃক প্রদত্ত একটি আদেশ যা কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করে বা কোন কাজ থেকে বিরত রাখে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কার্যকরকরণ, মামলার বিষয়বস্তু সংরক্ষণ এবং বিচার নিষ্পত্তির স্বার্থে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা।

বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি বিচার বিষয়ক কার্যধারা।
- এর মাধ্যমে কোন পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
- অন্য পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করা যেতে পারে।
- নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

উদ্দেশ্য:
নিষেধাজ্ঞার সাধারণ উদ্দেশ্য হলো অন্যায় কাজকে প্রতিরোধ করা। অর্থাৎ, অনুচিত অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত রাখা, সম্ভাব্য ক্ষতি নিবারণ করা, দখল পুনরুদ্ধার করা এবং স্থায়ী ভোগের অধিকার রক্ষা করা। অধিকারকে চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ না করা পর্যন্ত, বিরোধীয় সম্পত্তি ক্ষতি থেকে রক্ষা করা এবং তা অন্য পক্ষের দখলে যাওয়া রোধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়। এর মাধ্যমে বৈধ অধিকার রক্ষা, মামলা চলাকালীন ভবিষ্যৎ ক্ষতি এড়ানো এবং চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিষয়বস্তু বজায় রাখা হয়।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় একতরফা মূল ডিক্রির আপিলের ক্ষেত্রে কী বিধান রয়েছে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যায়
  2. একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না
  3. একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায়
  4. নিম্ন আদালতে একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায়
ব্যাখ্যা
মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল: দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারায় বলা হয়েছে,
১. আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপীল শ্রবণের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালতে আপীল দায়ের করতে হবে।
২. একতরফা মূল ডিক্রি হতেও আপীল দায়ের করা যায়।
৩. পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তা হতে কোন আপীল চলবে না।

সুতরাং আইনে অন্য কিছু বলা না থাকলে, প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারায় কত ধরনের আদালতকে রিভিশন এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. ৫ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ২ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
রিভিশন [Revision]:
রিভিশন অর্থ হলো ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিউ এবং রিভিশনের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো রিভিউ দায়ের করা হয় ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে অন্যদিকে রিভিশন দায়ের করা হয় ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের রিভিশন ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজের নিকট)। দেওয়ানী আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ রিভিশন আবেদন দায়ের করতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ (দুই) ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে-
১. হাইকোর্ট বিভাগের;
২. জেলা জজ আদালতের।
১১৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। ১১৫ (২) ধারায় জেলা জজের আদালতে রিভিশন দায়ের সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে।

রিভিশন দায়েরের কারণ:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে যদি-
ক. ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান না থাকলে এবং
খ. নিম্ন আদালত আইনগত ভুল করার কারণে ডিক্রি বা আদেশে ভুল হয়েছে এবং
গ. উক্ত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হলে রিভিশন দায়ের করা যাবে।
শুধুমাত্র আইনত ভুলের ক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। যদি আইনগত ভুলটি ন্যায় বিচার বিঘ্ন করে, শুধুমাত্র আদালত তখনই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
.
আদালত কার আবেদনের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. আদালতের স্বপ্রণোদিত সিদ্ধান্তে
  2. মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  3. সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিকের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. সম্পত্তিতে স্বার্থ আছে এরকম ৩য় কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movbale property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
.
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩ এর অধীনে আপিল আদালত কাদের অনুকূলে আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আপিলকারী পক্ষের অনুকূলে
  2. আপিলকারী বা তার পক্ষগণ যারা আপত্তি জানিয়েছে
  3. যে কোনো পক্ষ, এমনকি যারা আপিল বা আপত্তি দায়ের করেনি
  4. শুধুমাত্র নিম্ন আদালতের আদেশ যারা চ্যালেঞ্জ করেছে তাদের জন্য
সঠিক উত্তর:
যে কোনো পক্ষ, এমনকি যারা আপিল বা আপত্তি দায়ের করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো পক্ষ, এমনকি যারা আপিল বা আপত্তি দায়ের করেনি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
যে কোন ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত বা প্রয়োজনে অতিরিক্ত কোন ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আপিল আদালতের থাকবে এবং আপিল ডিক্রির অংশ বিশেষ সম্পর্কিত হওয়া সত্ত্বেও এ ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে এবং পক্ষদের সকলের বা যে কোন একজন উত্তরদায়ক বা পক্ষ আপিল বা আপত্তি দায়ের করে না থাকে, তবে আপিল আদালত উত্তরদায়ক বা পক্ষদের সকলের অনুকূলে ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের হয়েছে সে আদালত কোন আপত্তির উপর অনুরূপ আদেশ দিতে বাদ দিলে বা দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে, সে সম্পর্কে আপিল আদালত এ আইনের ৩৫ক ধারার অধীনে কোন আদেশ প্রদান করবেন না।

উদাহরণঃ 'X', 'Y' বা 'Z'- এর নিকট কিছু টাকা পাবে বলে দাবী করে এবং উভয়ের বিরুদ্ধে রুজুকৃত মোকদ্দমায় 'Y'- এর বিরুদ্ধে ডিক্রি লাভ করে। 'Y', আপিল করে এবং 'X' ও 'Z' উত্তরদায়ক থাকে। আপিল আদালত 'Y'-এর অনুকূলে মোকদ্দমা নিস্পত্তি করে। এক্ষেত্রে 'Z'-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়ার ক্ষমতা আপিল আদালতের আছে।

মূল বিধান:
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩ এর অধীনে আপিল আদালত যেকোনো ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন, বাতিল বা প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারে। এমনকি যদি আপিল ডিক্রির কিছু অংশ সম্পর্কিত হয়, তবে পুরো মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আপিল আদালত সকল পক্ষের জন্য ন্যায্য ও সঠিক আদেশ প্রদান করার ক্ষমতা রাখে। পক্ষদের কেউ আপিল না করলেও বা আপত্তি না জানালেও আদালত তার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
.
কোন আইনের ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  2. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
সঠিক উত্তর:
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯ক (১) অনুযায়ী,
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে বা আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়, তাহলে আদালত শুনানী মুলতুবি রেখে-
ক. মোকদ্দমার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা
খ. মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিরোধটি-
১. The Legal Aid Act 2000 এর অধীন নিয়োগকৃত সংশ্লিষ্ট আইন সহায়তা কর্মকর্তার নিকট বা
২. মোকদ্দমার পক্ষগণের নিযুক্ত উকিল এর নিকট পাঠাতে পারে; বা
৩. যেক্ষেত্রে কোন উকিল নিযুক্ত করা হয়নি, সেই ক্ষেত্রে মোকদ্দমার পক্ষ বা পক্ষগণের নিকট পাঠাতে পারে; বা
8. জেলা জজ কর্তৃক তৈরীকৃত প্যানেল থেকে কোন একজন মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে।

দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর জন্য প্রযোজ্য না। কারণ অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর অধীন মধ্যস্থতা সম্পর্কিত আলাদা বিধান আছে।
.
আদেশ ৪৭, বিধি ২ অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার জন্য ডিক্রি বা আদেশের আবেদন কার বরাবর করতে হবে?
  1. উচ্চতর আদালতের বিচারক
  2. আদেশদানকারী আদালতের রেজিস্ট্রার
  3. যে বিচারক ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছেন
  4. আদেশদানকারী আদালতের কর্মচারী
সঠিক উত্তর:
যে বিচারক ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে বিচারক ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৭ বিধি ২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি ১ এ উল্লেখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।

Order 47 Rule 2: To whom applications for review may be made:
An application for review of a decree or order of a Court, not being a the High Court Division, upon some ground other than the discovery of such new and important matter or evidence as is referred to in rule 1 or the existence of a clerical or arithmetical mistake or error apparent on the face of the decree, shall be made only to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed, but any such application may, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to issue under rule 4, sub-rule (2), proviso (a), be disposed of by his successor.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা আদালতকে কী ধরনের ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. রায়ের ত্রুটি সংশোধন করার
  2. আপিল গ্রহণ করার
  3. নতুন মামলা শুরুর করার
  4. সাক্ষীদের ভুল বিবৃতি সংশোধন করার
সঠিক উত্তর:
রায়ের ত্রুটি সংশোধন করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের ত্রুটি সংশোধন করার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা- রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।

Section 152- Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
.
What is the subject of Rule 2, Order 40 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. Powers of a receiver
  2. Appointment of a receiver
  3. Removal of a receiver
  4. Remuneration of a receiver
সঠিক উত্তর:
Remuneration of a receiver
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Remuneration of a receiver
ব্যাখ্যা
Order 40 Rule-2: Remuneration:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.

আদেশ ৪০ বিধি-২: পারিশ্রমিক:
আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কার্যের জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারবে।
১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় যদি সহকারী জজ কোন ডিক্রি প্রদান করে, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধিতে উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে কী প্রতিকার দেয়া হয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে
  2. জেলা জজ আদালতে আপিল করতে হবে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করতে হবে
  4. জেলা জজ আদালতে রিভিউ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করতে হবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুসারে,
যে আদালতই ডিক্রি প্রদান করুক না কেন, আপীলঅযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে সর্বদা রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। যেমন সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ, বা জেলা জজের সকলের আপীলঅযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। এই ক্ষেত্রে কোন আদালত আপীলঅযোগ্য ডিক্রিটি দিয়েছে বা মোকদ্দমার মূল্যমান কত তা গুরুত্বপূর্ণ না।

উদাহরণ: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় যদি সহকারী জজ কোন ডিক্রি প্রদান করে, তাহলে উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন করতে হবে। কারণ ৯ ধারার ডিক্রীটি আপীলঅযোগ্য কিন্তু এর বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায়। এই ক্ষেত্রে কিন্তু কোন আদালত ডিক্রি দিয়েছে বা মোকদ্দমার মূল্যমান বিবেচনা করা হয়নি বরং আপীলঅযোগ্য ডিক্রি হওয়ার কারণে রিভিশনটি হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।
১১.
দেওয়ানি আপিলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপিলকারী তার বক্তব্য আপিল শুনানিতে ________ অনুমতি ব্যতীত পেশ করবে না।
  1. বিরোধী পক্ষের
  2. আপিল আদালতের
  3. বিচারিক আদালতের
  4. আপিল আদালত এবং বিরোধী পক্ষ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২- আপিলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে:
আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপিলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না; কিন্তু আপিল আদালত আপিল নিষ্পত্তিকালে আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।

দেওয়ানি আপিলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপিলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবে না অর্থাৎ একমাত্র আপিল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপিলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
১২.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আদেশ ৩৯ বিধি ২ এর অধীন আদালত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. নিষেধাজ্ঞা জারি করা পুনর্বিবেচনা করবে
  2. দোষী ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারে
  3. দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা:
১) বিবাদীকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদী অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
১৩.
আদেশ ৪৬ বিধি ১ অনুসারে, আদালত কোন ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারে?
  1. আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
  2. আপিলযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
  3. উভয় ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে
  4. আবেদনকারী যে ডিক্রির ক্ষেত্রে আবেদন করে
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-১: হাইকোর্ট বিভাগে প্রশ্নের রেফারেন্স:
যেক্ষেত্রে ডিক্রি আপিলযোগ্য নয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় বা আপিলের শোননির সময় বা যেক্ষেত্রে ঐরূপ কোন ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত এমন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়, যার উপর মোকদ্দমা বা আপিল বিচারকারী বা ডিক্রি নির্বাহী আদালত যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ পোষণ করে, সেক্ষেত্রে এটা স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন পক্ষদের কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে মোকদ্দমাটির ঘটনাবলী ও সন্দেহের বিষয়সমূহ সম্বলিত একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগে সিদ্ধান্তের জন্য ঐ বিষয় নিজস্ব অভিমতসহ একই ধরণের বিবৃতি প্রেরণ করতে পারে।

সহজ ভাষায় বলা যায়:
যখন কোনো ডিক্রি (সিদ্ধান্ত) আপিল করা যায় না, তখন আদালতে বা আপিলের শুনানির সময় কিছু আইন বা আইনের নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। যদি বিচারক বা নির্বাহী আদালত সেই প্রশ্নে সন্দেহে থাকে, তাহলে তারা স্বতঃপ্রবৃত্তভাবে বা কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে মামলার ঘটনা ও সন্দেহগুলো লিখে রাখতে পারে। এরপর সেই বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে নিজের মতামতসহ পাঠাতে পারে।
১৪.
আদালত কর্তৃক রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুরের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. আপত্তি দায়ের করা যায়
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান এবং মঞ্জুর বিরুদ্ধে প্রতিকার:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ (১) আদেশ অনুযায়ী বলা যায়, যে পক্ষ রিভিউ আবেদন করে, আদালত যদি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেয়, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। অর্থাৎ রিভিউ আবেদন মঞ্জুর একটি আপীলযোগ্য আদেশ।

কিন্তু আদেশ-৪৭ বিধি ৭(১) অনুসারে,
রিভিউ আবেদন না মঞ্জুরের বিরুদ্ধে আপিল বা আপত্তি দায়ের করা যায় না । যেহেতু রিভিউ আবেদন নামঞ্জুর করে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয় তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন করা যাবে। ৪৭ আদেশের ৭ (২) বিধির অধীনে রিভিউ আবেদনকারীর অনুপস্থিতি বা হাজির না হওয়ার কারণে আদালত রিভিউ আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। উক্ত ৪৭ আদেশের ৭ (২) বিধির অধীনে রিভিউটি পুনঃবহালের আবেদন করা যেতে পারে।
১৫.
দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা কখন প্রযোজ্য হয়?
  1. আদালতের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে
  2. আইন লঙ্ঘন করে আদেশ দেয়ার ক্ষেত্রে
  3. আদালতের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করতে
  4. আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)

• Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
১৬.
সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার জন্য বিষয়বস্তুর মূল্য কত হতে হবে?
  1. সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা
  2. ১০ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব
  3. ২০ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব
  4. সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব
ব্যাখ্যা
ধারা ১১০- বিষয়বস্তুর মূল্য:
১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে; অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে; এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

Sec.-110: Value of subject-matter:
In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount of value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards,or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value, and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substancial question of law.
১৭.
আদালত একটি মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিলো। উক্ত একতরফা ডিক্রি কার্যকর করার কারণে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল হারায়। পরবর্তীতে বিবাদী একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করলে আদালত একতরফা ডিক্রি বাতিল করে আদেশ দিলো অর্থাৎ সম্পত্তিতে বিবাদীর দখল বহাল থাকলো। এক্ষেত্রে বিবাদী কত ধারার অধীনে সম্পত্তিতে তার দখল ফেরত বা প্রত্যর্পণ পাওয়ার অধিকারী হবে?
  1. ১৪২ ধারা
  2. ১৪৪ ধারা
  3. ১৪৬ ধারা
  4. ১৪৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
-----------------------------------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালতের কোন ডিক্রি বা আদেশের কারণে দুইটি বিষয় ঘটতে পারে। যেমন-
১. মোকদ্দমার কোন পক্ষ কোন কিছু গ্রহণ করতে পারে, আবার
২. অন্য পক্ষ কোন কিছু হারাতে পারে।

পরবর্তীতে আদালতের এই ডিক্রি বা আদেশ যদি সংশোধন, পরিবর্তন বা পরিমার্জন হয় এবং এর ফলে কোন পক্ষ কোন কিছু পাওয়ার অধিকারী হলে, তাকে সেই বিষয়টি ফেরত বা প্রত্যর্পণ করতে হবে অর্থাৎ তাকে তার পূর্বের অবস্থানে প্রতিস্থাপন করতে হবে। আদালতের ডিক্রি জারিতে যে-সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা হয়, ডিক্রি বাতিল হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুসারে ওই সম্পত্তির দখল প্রত্যর্পণ করতে হয় সেই ব্যক্তির নিকট যে ব্যক্তি ডিক্রি জারিতে উক্ত সম্পত্তির দখল হারিয়েছিল। কোন পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারে।

এক্ষেত্রে, আদালত একটি মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিলো। উক্ত একতরফা ডিক্রি কার্যকর করার কারণে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল হারায়। পরবর্তীতে বিবাদী একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করলে আদালত একতরফা ডিক্রি বাতিল করে আদেশ দিলো অর্থাৎ সম্পত্তিতে বিবাদীর দখল বহাল থাকলো । এই ক্ষেত্রে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল ফেরত বা প্রত্যর্পণ পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। এই ক্ষেত্রে আদালত এমন প্রত্যর্পণের আদেশ মঞ্জুর করে যে সিদ্ধান্ত দিবে তা ডিক্রি বলে গণ্য হবে।
১৮.
Under what condition will an appeal be heard ex parte according to 'Rule 17, Order 41' of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. When both the appellant and the respondent are absent
  2. When the appellant does not appear, but the respondent does
  3. When the appellant appears and the respondent does not appear
  4. When neither party submits written arguments
সঠিক উত্তর:
When the appellant appears and the respondent does not appear
উত্তর
সঠিক উত্তর:
When the appellant appears and the respondent does not appear
ব্যাখ্যা
Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.

আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
১৯.
ধারা ৮৯ক (২) অনুযায়ী নিম্নের কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন না?
  1. অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
  2. আদালত নিজে
  3. প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত ব্যক্তি
  4. জেলা জজ কর্তৃক নিযুক্ত প্যানেলের সদস্য
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
মধ্যস্থতাকারী: ৮৯ক (২) ধারা অনুযায়ী-

১. আদালত নিজে;
২. পক্ষগণ কর্তৃক নিযুক্ত উকিল বা উক্ত উকিল কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন উকিল যে উক্ত মোকদ্দমায় কোন পক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত হয়নি;
৩. অবসরপ্রাপ্ত কোন বিচারক;
8. জেলা জজ কর্তৃক তৈরীকৃত প্যানেল থেকে কোন একজন মধ্যস্থতাকারী;
৫. অন্যকোন ব্যক্তি যাকে তারা মধ্যস্থতাকারী হিসাবে উপযুক্ত মনে করে;
তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না।
২০.
মোকদ্দমার শুনানীর সময় বাদী 'ক' অনুপস্থিত থাকার কারণে সহকারী জজ মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ প্রদান করে। 'ক' উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করে। জেলা জজ রিভিশনটি প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করে। এক্ষেত্রে প্রতিকার কী?
  1. অনুমতি সাপেক্ষে জজ আদালতে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
  2. সরাসরি জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
  3. অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
  4. সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
সঠিক উত্তর:
অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ২য় রিভিশন:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে। একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে দ্বিতীয় দেওয়ানী রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করার ক্ষেত্রে অনুমতি নিতে হবে। একমাত্র জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের রিভিশনে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায় ।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে, মোকদ্দমার শুনানীর সময় বাদী 'ক' অনুপস্থিত থাকার কারণে সহকারী জজ মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ প্রদান করে। মোকদ্দমা খারিজ আদেশ হলো আপীলঅযোগ্য আদেশ। 'ক' উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করে। জেলা জজ রিভিশনটি প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে। কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগে প্রথম রিভিশন দায়ের করার ক্ষেত্রে অনুমতির প্রয়োজন নেই। দেওয়ানী কার্যবিধিতে অনুমতি সাপেক্ষে দ্বিতীয় রিভিশনের বিধান আছে। কিন্তু ফৌজদারী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় রিভিশনের কোন সুযোগ নেই।
২১.
কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা কোন আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সালিশ আইন, ২০০১
  3. আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  4. বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে

⇒ তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।

Section 89B- Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:
 
Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section. 
 
(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).
২২.
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক এর অধীনে আপিল কতবার পুনঃশুনানি করা যাবে?
  1. এক বার
  2. দুই বার
  3. পক্ষের অনুরোধে যত বার প্রয়োজন
  4. আদালতের বিবেচনায় যত বার প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
এক বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বার
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিলে পুনঃশুনানি:

১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন। বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে কা পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
২৩.
Under Rule 6 Order 47, A Review application will be rejected when:
  1. The court is equally divided
  2. The evidence is insufficient
  3. The applicant does not attend the hearing
  4. The court feels there is no merit in the application
সঠিক উত্তর:
The court is equally divided
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The court is equally divided
ব্যাখ্যা
Order 47 Rule 6: Application where rejected-
1) Where the application for a review is heard by more than one Judge and the Court is equally divided, the application shall be rejected.
2) Where there is a majority, the decision shall be according to the opinion of the majority.

আদেশ ৪৭ বিধি-৬: যেক্ষেত্রে আবেদন অগ্রাহ্য করা হয়:
১) যখন একাধিক বিচারক কর্তৃক কোন রিভিউ আবেদনের শুনানি হয়, এবং আদালত সমানভাবে বিভক্ত হয়, তখন রিভিউ আবেদন অগ্রাহ্য হবে।
২) যেক্ষেত্রে গরিষ্ঠ সংখ্যক বিচারক একমত পোষন করবেন, সেক্ষেত্রে সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামত মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
২৪.
'ক', 'খ' -এর বিরুদ্ধে সহকারী জজ আদালতে একটি চুক্তি রদের মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত চুক্তিটি রদের ডিক্রি প্রদান করে। উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপিল করা হয়। জেলা জজ আপিল শুনানী শেষে চুক্তি রদের ডিক্রি বহাল রাখে। এক্ষেত্রে জেলা জজ কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে-
  1. রিভিশন করা যাবে
  2. জেলা জজ আদালতে ২য় আপিল করা যাবে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে ২য় আপিল করা যাবে
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
রিভিশন করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন করা যাবে
ব্যাখ্যা
নিম্নলিখিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না:

১. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত ডিক্রি হলেও তার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবেনা। কারণ এই আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ দায়ের করা যাবেনা।

২. দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপস বা সোলে ডিক্রি [Compromise Decree] দিলে তার বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। আদেশ ২৩ এর বিধি ৩ অনুযায়ী আদালত আপস ডিক্রি বা সম্মতিসূচক ডিক্রি দিয়ে থাকে এবং এমন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

৩. ক্ষুদ্র এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের প্রদত্ত কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

৪. আপীল শুনানী শেষে আপীল আদালত কোন ডিক্রি দিলে, উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।

উপরের উল্লেখিত ক্ষেত্রে যেহেতু আপিল করা যায় না, তাই এই সকল ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে। অন্যদিকে, ৮৯ক ধারা অনুযায়ী মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রির দিলে তার বিরুদ্ধে কোনরূপ আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

প্রশ্নে উল্লিখিত মোকদ্দমায়, 'ক', 'খ' -এর বিরুদ্ধে সহকারী জজ আদালতে একটি চুক্তি রদের মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত চুক্তিটি রদের ডিক্রি প্রদান করে। যেহেতু বিচারিক আদালত বা আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী, সহকারী জজ, কর্তৃক চুক্তি রদের ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে, সেহেতু উক্ত ডিক্রিটি একটি আপিলযোগ্য ডিক্রি এবং এর বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপিল করা যায়। যদি জেলা জজ আপীল শুনানী শেষে চুক্তি রদের ডিক্রি বহাল রাখে। জেলা জজের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কারণ জেলা জজ সিদ্ধান্ত দিয়েছে আপিল শুনানী শেষে এবং দেওয়ানী মোকদ্দমায় দ্বিতীয় আপিল চলে না। তাই এই ক্ষেত্রে রিভিশন করা যাবে।
২৫.
রিভিউ বা পুনরীক্ষণের দরখাস্ত অনুমোদন করতে হলে আদালতকে প্রথমে কী করতে হবে?
  1. ডিক্রি পরিবর্তন করতে হবে
  2. আবেদনকারীকে নোটিশ পাঠাতে হবে
  3. বিপরীত পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে হবে
  4. আবেদনকারী এবং বিপরীত পক্ষ উভয়কে নোটিশ প্রদান করতে হবে
সঠিক উত্তর:
বিপরীত পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপরীত পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৭ বিধি ৪- যেক্ষেত্রে দরখাস্ত অগ্রাহ্য হয়:
১) যদি আদালতের কাছে দৃষ্টিগােচর হয় যে, রিভিউ বা পুনরীক্ষণের করার মত যথেষ্ট অজুহাত নাই, তবে আদালত রিভিউ বা পুনরীক্ষণের দরখাস্ত অগ্রাহ্য করতে পারবে।

২) দরখাস্ত অনুমােদন হওয়ার ক্ষেত্রে-
যদি আদালত মনে করেন যে, রিভিউ বা পুনরীক্ষণের দরখাস্ত অনুমােদন করা উচিত, তবে শর্ত হল যে,
ক) যে ডিক্রী বা আদেশ রিভিউ বা পুনরীক্ষণের আবেদন করা হয়েছে, সে ডিক্রী বা আদেশ সম্পর্কে বিপরীত পক্ষকে হাজির হয়ে বক্তব্য পেশ করার সুযােগ প্রদানের জন্য আগে নােটিশ প্রদান করা না হলে রিভিউ বা পুনরীক্ষণের আবেদন অনুমােদন করা যাবে না; এবং

খ) দরখাস্তকারী এমন ধরনের নতুন তথ্য বা প্রমাণের উদঘাটন করেছে যা ডিক্রী বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাতসারে ছিল না বা হাজির করা সম্ভব হয় নাই, উক্ত অভিযােগের কারণে রিভিউ বা পুনরীক্ষণের আবেদন দরখাস্ত করা হলে উক্তরূপ নালিশ সম্বন্ধে দৃঢ় প্রমাণ ছাড়া পুনরীক্ষণের আবেদন অনুমােদন করা যাবে না।

Order-47 Rule-4: Application where rejected:
(1) Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a review, it shall reject the application.

Application where granted:
(2) Where the Court is of opinion that the application for review should be granted, it shall grant the same: Provided that−
(a) no such application shall be granted without previous notice to the opposite party, to enable him to appear and be heard in support of the decree or order, a review of which is applied for: and

(b) no such application shall be granted on the ground of discovery of new matter or evidence which the applicant alleges was not within his knowledge, or could not be adduced by him when the decree or order was passed or made, without strict proof of such allegation.
২৬.
আদেশ ৪৪ বিধি-১ এ কার আপিল করার অনুমতি প্রদানের ব্যাপারে বলা হয়েছে?
  1. নাবালকের
  2. অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তির
  3. নিঃস্ব ব্যক্তির
  4. ক এবং খ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-১: কে নিঃস্বভাবে আপিল করতে পারে:
১) আপিল করার অধিকার যার আছে, যদি আপিলের স্মারকলিপির জন্য এধরণের যে কোন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অপারগ হয়, তাহলে স্মারকলিপির সাথে সে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে আপিল করার জন্য একটি আবেদন পেশ করতে পারবে এবং এরূপ ক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তি নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সম্বন্ধীয় এই আইনের বিধানসমূহ যতদূর প্রযোজ্য তৎসাপেক্ষে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে আপিল করার অনুমতি প্রদান করা যাবেঃ

আপিল গ্রহণের জন্য দরখাস্তের পদ্ধতিঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আপিলের আবেদন এবং যে রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সেগুলো দেখে আদালত যদি মনে করেন যে, উক্ত ডিক্রি আইনবিরুদ্ধ বা আইনের ন্যায় প্রচলিত রীতিবিরুদ্ধে নয় বা অন্য কোন কারণেও অসঙ্গত নয়, তবে আদালত ঐ আবেদন অগ্রাহ্য করবেন।

Rule.-1: Who may appeal as pauper-
Any person entitled to prefer an appeal, who is unable to pay the fee required for the memor-andum of appeal,may present an application accompanied by a memor-andum of appeal, and maybe allowed to appeal as a pauper, subject, in all matters, including the presentation of such application, to the provisions relating to suits by paupers, in so far as those provisions are applicable:

Procedure on application for admission of appeal:
Provided that the Court shall reject the application unless, upon a perusal thereof and of the judgment and decree appealed from, it sees reason to think that the decree is contrary to law or to some usage having the force of law, or is otherwise erroneous or unjust.
২৭.
আদেশ ৪৬ বিধি ২ অনুযায়ী, আদালত কিসের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের
  2. পক্ষগণের বক্তব্য শুনে
  3. হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
  4. পক্ষগণের আবেদন অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি ২- আদালত হাইকোর্ট ডিভিশনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন:
অনুরূপ রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও আদালত কর্মক্রম স্থগিত রাখিতে পারে বা মামলা অগ্রসর হতে পারেন, এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত বিষয় সম্বন্ধে সিদ্ধান্তের আলােকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন; কিন্তু রেফারেন্সে প্রেরিত বিষয়ের উপর রায়ের নকল না পাওয়া পর্যন্ত যে মামলায় অনুরূপ বিষয় প্রেরিত হয় সে মামলায় কোন ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাবে না।