১.
নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য কী?
সঠিক উত্তর: খ
অন্যায় কাজকে বারিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
অন্যায় কাজকে বারিত করা
ব্যাখ্যা
নিষেধাজ্ঞা:
নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে আইনে সুনির্দিষ্ট কোন বিধান নেই, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫২-৫৭ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ এর বিধি ১ থেকে ৫ এ নিষেধাজ্ঞার বিধান বর্ণিত রয়েছে। সাধারণভাবে, নিষেধাজ্ঞা বলতে বোঝায়, আদালত কর্তৃক প্রদত্ত একটি আদেশ যা কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করে বা কোন কাজ থেকে বিরত রাখে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কার্যকরকরণ, মামলার বিষয়বস্তু সংরক্ষণ এবং বিচার নিষ্পত্তির স্বার্থে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা।
বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি বিচার বিষয়ক কার্যধারা।
- এর মাধ্যমে কোন পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
- অন্য পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করা যেতে পারে।
- নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
উদ্দেশ্য:
নিষেধাজ্ঞার সাধারণ উদ্দেশ্য হলো অন্যায় কাজকে প্রতিরোধ করা। অর্থাৎ, অনুচিত অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত রাখা, সম্ভাব্য ক্ষতি নিবারণ করা, দখল পুনরুদ্ধার করা এবং স্থায়ী ভোগের অধিকার রক্ষা করা। অধিকারকে চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ না করা পর্যন্ত, বিরোধীয় সম্পত্তি ক্ষতি থেকে রক্ষা করা এবং তা অন্য পক্ষের দখলে যাওয়া রোধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়। এর মাধ্যমে বৈধ অধিকার রক্ষা, মামলা চলাকালীন ভবিষ্যৎ ক্ষতি এড়ানো এবং চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিষয়বস্তু বজায় রাখা হয়।
নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে আইনে সুনির্দিষ্ট কোন বিধান নেই, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫২-৫৭ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ এর বিধি ১ থেকে ৫ এ নিষেধাজ্ঞার বিধান বর্ণিত রয়েছে। সাধারণভাবে, নিষেধাজ্ঞা বলতে বোঝায়, আদালত কর্তৃক প্রদত্ত একটি আদেশ যা কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করে বা কোন কাজ থেকে বিরত রাখে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কার্যকরকরণ, মামলার বিষয়বস্তু সংরক্ষণ এবং বিচার নিষ্পত্তির স্বার্থে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা।
বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি বিচার বিষয়ক কার্যধারা।
- এর মাধ্যমে কোন পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
- অন্য পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করা যেতে পারে।
- নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
উদ্দেশ্য:
নিষেধাজ্ঞার সাধারণ উদ্দেশ্য হলো অন্যায় কাজকে প্রতিরোধ করা। অর্থাৎ, অনুচিত অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত রাখা, সম্ভাব্য ক্ষতি নিবারণ করা, দখল পুনরুদ্ধার করা এবং স্থায়ী ভোগের অধিকার রক্ষা করা। অধিকারকে চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ না করা পর্যন্ত, বিরোধীয় সম্পত্তি ক্ষতি থেকে রক্ষা করা এবং তা অন্য পক্ষের দখলে যাওয়া রোধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়। এর মাধ্যমে বৈধ অধিকার রক্ষা, মামলা চলাকালীন ভবিষ্যৎ ক্ষতি এড়ানো এবং চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিষয়বস্তু বজায় রাখা হয়।