উত্তর
ব্যাখ্যা
- তমদ্দুন মজলিশ 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা - বাংলা না উর্দু’- পুস্তিকাটি প্রকাশ করে।
ভাষা আন্দোলন:
- পশ্চিম পাকিস্তানে শতকরা ৯৭ ভাগ এবং পূর্ব বাংলায় শতকরা ৮০ ভাগ অধিবাসী ছিল মুসলমান।
- ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার প্রস্তাব করে।
- পূর্ব বাংলার বুদ্ধিজীবীমহল, ছাত্রসমাজ, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী প্রমুখ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পাল্টা প্রস্তাব করে।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ জ্ঞানগর্ভ যুক্তি দিয়ে বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি সমর্থন জানান।
- ১৯৪৭ সালের ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নবগঠিত রাজনৈতিক সংগঠন পূর্বপাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগের কর্মী সম্মেলনে বাংলাভাষাকে পূর্বপাকিস্তানের শিক্ষার বাহন ও আইন-আদালতের ভাষা করার দাবি জানানো হয়।
- একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন ভাষার প্রশ্নে সোচ্চার হয়। সংগঠনটির নাম ছিল 'তমদ্দুন মজলিশ'।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তারিখে উক্ত সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে। পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা - বাংলা না উর্দু'।
- তমাদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।