পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা: ৩২ বিগত ৫টি পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা [পরীক্ষা – ১৯, ২২, ২৫, ২৮, ৩১]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
একটি স্কুলের মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১২০০ জন। ৬০% শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান করা হলে, কতজন শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পাবে?
  1. ৬৮০ জন
  2. ৭০০ জন
  3. ৭২০ জন
  4. ৭৬০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি স্কুলের মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১২০০ জন। ৬০% শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান করা হলে, কতজন শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পাবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
স্কুলে শিক্ষার্থী সংখ্যা = ১২০০ জন
উপবৃত্তি পাবে = ৬০%

শিক্ষার্থী সংখ্যা ১০০ জন হলে উপবৃত্তি পাবে = ৬০ জন
শিক্ষার্থী সংখ্যা ১ জন হলে উপবৃত্তি পাবে = ৬০/১০০ জন
শিক্ষার্থী সংখ্যা ১২০০ জন হলে উপবৃত্তি পাবে = (৬০ × ১২০০)/১০০ জন
= ৭২০ জন
.
একটি বই ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৬০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো। বইটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ৪০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ২৫০ টাকা
  4. ৩৮০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বই ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৬০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো। বইটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
ধরি,
বইটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
১০% ক্ষতিতে, বিক্রয়মূল্য = ১০০ - ১০ = ৯০ টাকা
৫% লাভে, বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য বেশি = ১০৫ - ৯০ = ১৫ টাকা

বিক্রয়মূল্য ১৫ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = ১০০/১৫ টাকা 
বিক্রয়মূল্য ৬০ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৬০)/১৫ টাকা
= ৪০০ টাকা
.
একজন ব্যবসায়ীর গুদামে  ২০০ মেট্রিক টন ডাল আছে। তিনি প্রতিদিন ২ মেট্রিক টন ৫০০ কেজি করে ডাল গুদাম থেকে দোকানে নিয়ে আসেন। তিনি কত দিনে গুদাম থেকে সব ডাল দোকানে আনতে পারবেন?
  1. ৬০ দিনে
  2. ৮০ দিনে
  3. ৭০ দিনে
  4. ৯০ দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন ব্যবসায়ীর গুদামে  ২০০ মেট্রিক টন ডাল আছে। তিনি প্রতিদিন ২ মেট্রিক টন ৫০০ কেজি করে ডাল গুদাম থেকে দোকানে নিয়ে আসেন। তিনি কত দিনে গুদাম থেকে সব ডাল দোকানে আনতে পারবেন?

সমাধান:
আমরা জানি,
১ মেট্রিক টন = ১০০০ কেজি
∴ ২০০ মেট্রিক টন = ১০০০ × ২০০ = ২০০০০০ কেজি

আবার, ২ মেট্রিক টন ৫০০ কেজি = (২ × ১০০০) + ৫০০ = ২৫০০ কেজি

২৫০০ কেজি চাল আনে = ১ দিনে
১ কেজি চাল আনে = ১/২৫০০ দিনে
∴ ২০০০০০ কেজি চাল আনে = (২০০০০০/২৫০০) দিনে
= ৮০ দিনে
.
এক ব্যক্তি ৬০০০০ টাকা বার্ষিক ১২% সরল মুনাফা হারে বিনিয়োগ করলে ২ বছরে কত টাকা মুনাফা পাবে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ১৬০০০ টাকা
  3. ২০০০০ টাকা
  4. ১৪৪০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি ৬০০০০ টাকা বার্ষিক ১২% সরল মুনাফা হারে বিনিয়োগ করলে ২ বছরে কত টাকা মুনাফা পাবে?

সমাধান:
১০০ টাকায় ১ বছরের মুনাফা = ১২ টাকা
১ টাকায় ১ বছরের মুনাফা = ১২/১০০ টাকা
৬০০০০ টাকায় ২ বছরের মুনাফা = (১২ × ৬০০০০ × ২)/ ১০০ টাকা
= ১৪৪০০ টাকা
.
ক, খ ও গ একটি কাজ যথাক্রমে ২০, ২৪ ও ৩০ দিনে সম্পন্ন করতে পারে। তারা একত্রে ৬ দিনে কাজ করার পর খ ও গ চলে গেল। বাকী কাজ ক একা আর কত দিনে সম্পন্ন করতে পারবে?
  1. ৪ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৬ দিন
  4. ৮ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক, খ ও গ একটি কাজ যথাক্রমে ২০, ২৪ ও ৩০ দিনে সম্পন্ন করতে পারে। তারা একত্র ৬ দিনে কাজ করার পর খ ও গ চলে গেল। বাকী কাজ ক একা আর কত দিনে সম্পূর্ণ করতে পারবে?

সমাধান:
ক, খ ও গ ৬ দিনে কাজ করে = (৬/২০) + (৬/২৪) + (৬/৩০) অংশ 
= (৩৬ + ৩০ + ২৪)/১২০ অংশ 
= ৯০/১২০ অংশ 
= ৩/৪ অংশ 

∴ বাকি কাজ = ১ - (৩/৪) অংশ
= ১/৪ অংশ

অতএব, বাকি কাজ ক একা করে = ২০ × (১/৪) = ৫ দিনে
.
'শিকড়' শব্দের অর্থ কী?
  1. রাজস্ব
  2. শীর্ষ
  3. জলবিন্দু
  4. মূল
ব্যাখ্যা
• 'শিকড়' শব্দের অর্থ - মূল

অন্যদিকে,
- 'শীকর' শব্দের অর্থ - বাতাসে ভাসমান জলকনা, জলবিন্দু।
- 'রাজস্ব' শব্দের অর্থ - সরকারের প্রদেয় কর বা খাজনা।
- 'শীর্ষ' শব্দের অর্থ - শিখর, চূড়া, মাথা, অগ্রভাগ, সর্বোচ্চ স্থান।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'তালাশ' শব্দের সমার্থক শব্দ -
  1. মেহনত
  2. অতল
  3. খোঁজ
  4. নিবিড়
ব্যাখ্যা
• 'তালাশ' শব্দের সমার্থক শব্দ - খোঁজ।

'খোঁজ' শব্দের আরো কিছু সমার্থক শব্দ:

- সন্ধান, অন্বেষণ, অনুসন্ধান, খোঁজা, তালাশ।

অন্যদিকে,
'কষ্ট' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- যন্ত্রণা, দুঃখ, ক্লেশ, আয়াস, পরিশ্রম, মেহনত

'গভীর' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অগাধ, অতল, গহন, প্রগাঢ়, নিবিড়

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
ক্রিয়া বিশেষণ বুঝাতে দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার কোনটি?
  1. ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি।
  2. দেখে দেখে যেও।
  3. এ দিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা।
  4. দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এলো।
ব্যাখ্যা
ক্রিয়াবাচক শব্দের দ্বিরুক্তি:

ক্রিয়া বিশেষণ:
- দেখে দেখে যেও।
- ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কীভাব?

অন্যদিকে,
বিশেষণ রূপে:
- এ দিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা।
- তোমার নেই নেই ভাব গেলো না।

স্বপ্লকাল স্থায়ী বোঝাতে:
- দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এলো।

পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে:
- ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'চলন্ত ট্রেন' - এখানে 'চলন্ত' কোন ধরনের বিশেষণ?
  1. ভাববাচক বিশেষণ
  2. অবস্থাবাচক বিশেষণ
  3. গুণবাচক বিশেষণ
  4. নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ
ব্যাখ্যা
অবস্থাবাচক বিশেষণ:
- যে বিশেষণ দিয়ে অবস্থা বােঝায়, তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:
- চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ – এখানে 'চলন্ত' ও 'তরল' অবস্থাবাচক বিশেষণ।

অন্যদিকে:
ভাববাচক বিশেষণ:
- যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:
- খুব ভালো খরব।
- গাড়িটা বেশ জোরে চলছে।
- এসব বাক্যে ‘খুব’ এবং ‘বেশ’ ভাববাচক বিশেষণ।

গুণবাচক বিশেষণ:
- যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বােঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:
- চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি – এখানে ‘চালাক’ ও ঠান্ডা হলাে গুণবাচক বিশেষণ।

নির্দিষ্টতাবাচক:
- যে বিশেষণ দিয়ে বিশেষিত শব্দকে নির্দিষ্ট করা হয়, তাকে নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:
- এই দিনে, সেই সময় – এখানে ‘এই' ও 'সেই' নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১০.
'আরশ' কোন ভাষার শব্দ?
  1. ফারসি
  2. হিন্দি
  3. বাংলা
  4. আরবি
ব্যাখ্যা
• 'আরশ'
- আরবি ভাষার শব্দ।
- বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- আল্লাহর সিংহাসন।

কিছু আরবি শব্দ:
- ইবাদত,
- ইনসান,
- এতিম,
- এলাকা,
- এলাহি,
- কয়েদ,
- কসাই,
- খারাবি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১১.
নিচের কোনটি অকর্মক ক্রিয়া?
  1. আমি চোখে দেখি না।
  2. সে বই পড়ছে।
  3. আমি রাতে ভাত খাব না।
  4. আকাশে চাঁদ দেখি না।
ব্যাখ্যা
সকর্মক ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়ার কর্মপদ আছে তাই সকর্মক ক্রিয়া। ক্রিয়ার সাথে কী বা কাকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই ক্রিয়ার কর্মপদ। কর্মপদযুক্ত ক্রিয়াই সর্কমক ক্রিয়া।

অকর্মক ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়ার কর্ম নেই, তা অকর্মক ক্রিয়া। যেমনঃ ছেলেটি হাসে। কী ‘হাসে’ বা ‘কাকে হাসে’ প্রশ্ন করলে কোনো উত্তর হয় না।
- কাজেই ‘হাসে’ ক্রিয়াটি অকর্মক ক্রিয়া।
- প্রয়োগ বৈশিষ্ট্যে সকর্মক ক্রিয়াও অকর্মক হতে পারে।

যেমন:
অকর্মক: সে পড়ছে।
সকর্মক: সে বই পড়ছে।

অকর্মক: আমি রাতে খাব না।
সকর্মক: আমি রাতে ভাত খাব না।

অকর্মক: আমি চোখে দেখি না।
সকর্মক: আকাশে চাঁদ দেখি না।

অকর্মক: ছেলেটা কানে শোনে না।
সকর্মক: ছেলেটা কথা শোনে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
ভাব বিশেষণ কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
ভাব বিশেষণ:
- যে পদ বিশেষ্য ও সর্বনাম ভিন্ন অন্য পদকে বিশেষিত করে তাকে ভাব বিশেষণ বলে।
- ভাব বিশেষণ ৪ প্রকার।

যথা:
১. ক্রিয়া বিশেষণ,
২. বিশেষণের বিশেষণ,
৩. অব্যয়ের বিশেষণ ও
৪. বাক্যের বিশেষণ।

ক্রিয়া বিশেষণ:
- যে পদ ক্রিয়া সংঘটনের ভাব,কাল বা রূপ নির্দেশ করে,তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।
যথা:
ক্রিয়া সংঘটনের ভাব: ধীরে ধীরে বায়ু বয়।
ক্রিয়া সংঘটনের কাল: পরে একবার এসো।

বিশেষণের বিশেষণ:
- যে পদ নাম-বিশেষণ অথবা ক্রিয়া বিশেষণকে বিশেষিত করে ,তাকে বিশেষণের বিশেষণ বা বিশেষণীয় বিশেষণ বলে।
যেমন-
নাম-বিশেষনের বিশেষণ:
- সামান্য একটু দুধ দাও।
- এ ব্যাপারে সে অতিশয় দুঃখিত।

ক্রিয়া-বিশেষণের বিশেষণ:
- রকেট অতি দ্রুত চলে।

অব্যয়ের বিশেষণ:
- যে ভাব বিশেষণ অব্যয় পদ অথবা অব্যয় পদের অর্থকে বিশেষিত করে,তাকে অব্যয়ের বিশেষণ বলে।
যেমন -
- ধিক তারে শত ধিক নির্লজ্জ যে জন ।

বাক্যের বিশেষণ: যে বিশেষণ পদ একটি সম্পূর্ণ বাক্যকে বিশেষিত করে,তাকে বাক্যের বিশেষণ বলে।
যেমন-
- দুর্ভাগ্যক্রমে দেশ আবার নানা সমস্যাজালে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
- বাস্তবিকই আজ আমাদের কঠিন পরিশ্রমের প্রয়োজন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
The table is made ________ wood.
  1. from
  2. of
  3. with
  4. by
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - of.
- Complete sentence: The table is made of wood.

• Preposition এর নিয়মানুযায়ী, 
- কোন কিছু থেকে কোনো জিনিস তৈরি হলে যদি এর উপকরণ টি পরিবর্তন হয়ে যায় তাহলে make from হয়।
- যেমন - Butter is made from milk.
- এখানে মূল উপকরণ milk, যা পরিবর্তিত হয়ে butter হয়েছে।

• আর যদি উপকরণ টি অপরিবর্তিত থাকে তবে made of হয়।
- যেমন - The chair is made of wood.
- এখানে মূল উপকরণ  অপরিবর্তিত রয়েছে।
১৪.
Shohan is a saint ___________ his father Abed Ali is a corrupted person.
  1. provided
  2. if
  3. whereas
  4. whether
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: Shohan is a saint whereas his father Abed Ali is a corrupted person.
- শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় শূন্যস্থানে whereas বসালে বাক্যের অর্থ পূর্ণতা পাবে।

• whereas (conjunction + noun)
English Meaning: while on the contrary/a conditional or qualifying statement.
Bangla Meaning: কিন্তু এর/তার বিপরীতে; যখন অন্যদিকে; পক্ষান্তরে।

অপশন আলোচনা:
- provided - যদি।
- if - যদি।
- whether - যদি অর্থে ব্যবহৃত হয়।

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৫.
What is the primary meaning of the word 'Grouse'?
  1. A type of bird
  2. A type of fish
  3. To celebrate joyously
  4. To grumble
ব্যাখ্যা
• The primary meaning of the word 'Grouse' is - To grumble.

• Grouse (noun)
English Meaning:
1. A complaint. 2. A bird with a fat body and feathers on its legs, which people shoot for sport and food; the meat of this bird
Bangla Meaning:
১. অভিযোগ করা, অসন্তোষ প্রকাশ করা।
২. মেঠো মোরগ বিশেষ, পাখি।

Synonyms: Grumble (নালিশ), Grievance (অভিযোগ করা), Grudge (অভিমান), Gripe (ক্ষোভ), Croak (অসন্তোষ)।

Antonyms: Compliment (প্রশংসা), Flattery (তোষামোদ), Praise (প্রশংসা করা), Congrats(অভিনন্দন) Extolment (কীর্তন)।

Example Sentence:
1. The common grouse voiced by regulars is that the number of breeze and shade-giving trees has dwindled over the years’ swings.’
2. It is the home of the lapwing, curlew, golden plover, dunlin and red grouse.

Source: Live MCQ Lecture.
১৬.
My spouse and I have been married for over 20 years.
Here 'spouse' is a -
  1. Masculine gender
  2. Feminine gender
  3. Common gender
  4. Neuter gender
ব্যাখ্যা
• My spouse and I have been married for over 20 years.
- Here 'spouse' is a - Common gender.

• Common gender:
- কিছু শব্দ আছে যেগুলো স্ত্রী-পুরুষ উভয় ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায় বলে এদের common gender বলে।

• Spouse:
English meaning: a person's husband or wife.
Bangla meaning: স্বামী বা স্ত্রী।

• যেহেতু এই শব্দটি দ্বারা স্বামী ও স্ত্রী উভয়কেই বুঝায় তাই এটি একটি common gender.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
১৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতুতে কয়টি স্প্যান রয়েছে?
  1. ৪১টি
  2. ৪৩টি
  3. ৪৯টি
  4. ৫০টি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু যমুনার নদীর ওপর নির্মিত।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
- এর নির্মাণ ব্যয় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

উল্লেখ্য,
- জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে।
- ডব্লিউডি-১ ও ডব্লিউডি-২ নামে দুটি প্যাকেজে জাপানি পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
- ডব্লিউডি-১ প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করছে জাপানি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবাইসি, টোআ করপোরেশন ও জেইসি (ওটিজে) জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- ডব্লিউডি-২ প্যাকেজটি বাস্তবায়নে রয়েছে জাপানের আইএইচআই ও এসএমসিসি জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- সেতুটি নির্মাণে জাপান, ভিয়েতনাম, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের কর্মীরা নিয়োজিত আছেন।

এছাড়াও,
- বঙ্গবন্ধু রেলসেতুটি চালু হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সারা দেশের রেলযোগাযোগ ও রেলওয়ে পরিবহন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
- অভ্যন্তরীণ রেল যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি ট্রান্সএশিয়ান রেলপথে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সক্ষমতা অর্জন করবে বাংলাদেশ।
- একই সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি বেগবান হবে।

অন্যদিকে,
- ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পরই ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় কমিয়ে দেওয়া হয় ট্রেনের গতিসীমা।
- বর্তমানে এই সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করে।

উৎস: i) ১০ মে, ২০২৪, প্রথম আলো।
         ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জিডিপিতে সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৩.১২ শতাংশ
  2. ৩.২১ শতাংশ
  3. ৫.৮০ শতাংশ
  4. ৬.৬৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:

- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇒ সাময়িক হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে –
কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৩.২১% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ২.৬১ শতাংশ।
একই সময়ে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.৬৬% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৮.১৮ শতাংশ।
সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৫.৮৪ শতাংশ।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার – ৬.৬৬%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ৩.২১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৯.
জুলাই মাসে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণ -
  1. উত্তর-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে
  2. উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুতে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে জলীয়বাষ্প কম থাকে
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু:
- বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু নামে পরিচিত।
- সুতরাং ঋতু ভেদে জলবায়ুর যে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় তাকে মৌসুমী বায়ু বলে।
- গ্রীষ্মকালে এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হতে এবং শীতকালে উত্তর-পূর্ব দিক হতে প্রবাহিত হয়।
- বায়ুর এ রূপ উৎপত্তির কারণ পানি এবং জলের উষ্ণতার তারতম্য।
- বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে অধিক তাপের জন্য উত্তর গোলার্ধের কোন স্থানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
- এ সময় দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্যের তাপ কম বলে উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয়।
- তখন দক্ষিণের উচ্চ চাপ অঞ্চল হতে বায়ু উত্তরের নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হতে বাংলাদেশের দিকে আসে বলে একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলে।
- কিন্তু শীতকালে এর বিপরীত অবস্থা ঘটে।
- শীতকালে এ বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক হতে প্রবাহিত হয় বলে একে উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু বলে।
- অর্থাৎ ঋতুভেদে বায়ুচাপের পরিবর্তন দেখা হয়।

উল্লেখ্য,
- গ্রীষ্মকালে এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম সমূদ্রের ওপর দিয়ে আসে বলে এতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে, যার ফলে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- পক্ষান্তরে শীতকালীন মৌসুমী বায়ু সাধারণত স্থল ভাগের উপর দিয়ে আসে বলে জলীয়বাষ্প খুব কম থাকে এবং সামান্য বৃষ্টি পাত হয়।

⇒ বর্ষাকাল:
- বাংলাদেশে মধ্য জুন থেকে নভেম্বর (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল।
- বর্ষাকালেও অধিক সূর্যতাপ থাকার ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- তবে আকাশে মেঘ ও প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে অধিক তাপমাত্রা উপলব্ধি করা যায় না।
- বর্ষাকালে অধিক জলীয়বাষ্পের কারণে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত হয়।
- এই সময় গড় তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসে।
- বছরে মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ এসময় হয়।
- বর্ষার শেষ দিকে মাঝে মাঝে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
অবস্থান অনুসারে 'চলনবিল' সাম্প্রতিককালের কোন প্লাবন সমভূমিতে অবস্থিত?
  1. ব-দ্বীপ
  2. সিলেট অববাহিকা
  3. গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি
  4. পাদদেশীয় পলল সমভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্ভুক্ত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম এ এলাকার নদীগুলো প্রায়ই গতি পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন পললভূমি গঠিত হতে দেখা যায়।
- এ সমভূমির গড় উচ্চতা প্রায় ৯ মিটার।

⇒ দেশের সমগ্র সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি একই ধরনের নয় বলে একে আবার নিম্নলিখিত কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে আলোচনা করা যায়। যথা:
ক) কুমিল্লার বা ত্রিপুরার সমভূমি,
খ) পাদদেশীয় পলল সমভূমি,
গ) সিলেট অববাহিকা,
ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি,
ঙ) ব-দ্বীপ। 

গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি:
- বৃহত্তর ঢাকা, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের অংশ বিশেষ নিয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত।
- এই অঞ্চলেও বেশ কিছু বিল ও হাওড় আছে।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল 'চলনবিল' এই এলাকাতে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলের অধিকাংশ স্থানই বর্ষার সময় পানিতে প্লাবিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।