পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
বাক্য, বাগধারা, বাক্য সংকোচন, উপসর্গ, অনুসর্গ। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
'বাক্যতত্ত্ব' এর ইংরেজি পরিভাষা কোনটি?
  1. ক) Semantic‌
  2. খ) Syntax
  3. গ) Lexicography
  4. ঘ) Phonology
ব্যাখ্যা

- 'Semantic' শব্দের বাংলা পরিভাষা- অর্থতত্ত্ব,
- 'Phonology' শব্দের বাংলা পরিভাষা- ধ্বনিতত্ত্ব,
- 'Syntax' শব্দের বাংলা পরিভাষা- বাক্যতত্ত্ব,
- 'Morphology' শব্দের বাংলা পরিভাষা- শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব
- 'Lexicography' শব্দের বাংলা পরিভাষা- অভিধানতত্ত্ব।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
বাক্যের গঠন নির্ভর করে প্রধানত কয়টি বিষয়ের উপর?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

বাক্যের গঠন নির্ভর করে প্রধানত দুটি বিষয়ের উপর
১. শব্দের (পদের) রূপ ও পারস্পরিক সংগতি এবং
২. এই সংগতি অনুসারে পদসমুহের বিন্যাস।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উদাহরণ উল্লেখ করা যাকঃ কোনও সাহেব যদি বলে, 'রাস্তায় করে যাবার সময় গাড়ি দিয়ে যেয়ো' বুঝব সে বাঙালি নয়।'
-ব্যাকুরণের নিয়ম পালিত হয়নি বলে উক্তিটি যথার্থ বাক্য হয়নি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
‘শেরেবাংলা মহান ছিলেন নেতা’। বাক্যের কোন গুণটি নেই?
  1. ক) আকাঙ্ক্ষা
  2. খ) আসত্তি
  3. গ) যোগ্যতা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাক্যের সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশের জন্যে বাক্যস্থিত পদগুলোকে সঠিকভাবে সাজিয়ে লেখা বা বলার নামই আসত্তি।
বাক্যকে সম্পূর্ণ করার জন্য প্রয়োজন আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি।
আর সুসংহত করার জন্য প্রয়োজন যোগ্যতা ও আসত্তি৷ সুতরাং একটি সার্থক বাক্যের ভিত্তি আকাঙ্ক্ষা, যোগ্যতা ও আসত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত৷
এই তিনটি বিষয়ের কোন একটির অভাব ঘটলে বাক্য নিরর্থক হয়ে পড়ে৷
যেমন- ‘শেরেবাংলা মহান ছিলেন নেতা’।——এতে একটি সম্পূর্ণ বাক্যের সবগুলো পদই আছে, কিন্তু আসত্তির অভাবে বাক্য হয়নি৷ পদগুলোর অর্থসংগতি রক্ষা করে ঠিকমত সাজালেই বাক্য হবে৷
অর্থাৎ সঠিক বাক্য- ‘শেরেবাংলা মহান নেতা ছিলেন’।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি, আমার দেশের মাটি।' কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) জটিল বাক্য
  3. গ) যৌগিক বাক্য
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য: যে বাক্যের মধ্যে একটি প্রধান বাক্য থাকে এবং একাধিক বাক্যকে প্রধান বাক্যের ওপর নির্ভরশীল দেখা যায়, তাকে জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য বলে৷
যেমন-
খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি, আমার দেশের মাটি।
যে এ সভায় অনুপস্থিত, সে বড় দুর্ভাগা।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি

.
'সূর্য পশ্চিম দিকে উঠছে।' বাক্যটিতে কোন গুণটি নেই?
  1. ক) আকাঙ্ক্ষা
  2. খ) আসত্তি
  3. গ) যোগ্যতা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।
সূর্য পশ্চিম দিকে উঠছে।
বাক্যটির সঠিক রূপঃ সূর্য পূর্ব দিকে উঠছে।
মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যে শব্দগুলো এমনভাবে পর পর সাজাতে হবে যাতে মনোভাব প্রকাশ বাধাগ্রস্ত না হয়। বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি।
উৎসঃ বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি৷

.
বাক্যের সঠিক গঠনপ্রণালী, বিভিন্ন উপাদানের সংযোজন, বিয়োজন, এদের সার্থক ব্যবহারযোগ্যতা, বাক্যমধ্যে শব্দ বা পদের স্থান বা ক্রম, পদের রূপ পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় কোথায় আলোচিত হয়?
  1. ক) Syntax
  2. খ) Phonology
  3. গ) Semantics
  4. ঘ) Morphology
ব্যাখ্যা

সব ভাষারই ব্যাকরণেই প্রধানত নিম্নলিখিত চারটি বিষয়ের আলোচনা করা হয়।
ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology) -
ধ্বনির উচ্চারণপ্রণালী, উচ্চারণের স্থান, ধ্বনির প্রতীক বা বর্ণের বিণ্যাস, ধ্বনিসংযোগ বা সন্ধি, ধ্বনির পরিবর্তন ও লোপ, ণত্ব ও ষত্ব বিধান ইত্যাদি বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্বে আলোচ্য বিষয়।
শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology) -
এক বা একাধিক ধ্বনির অর্থবোধক সম্মিলনে শব্দ তৈরি হয়, শব্দের ক্ষুদ্রাংশকে বলা হয় রূপ। রূপ গঠন করে শব্দ। সেই জন্য শব্দতত্ত্বকে রূপতত্ত্ব বলে।
বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax) -
বাক্যের সঠিক গঠনপ্রণালী, বিভিন্ন উপাদানের সংযোজন, বিয়োজন, এদের সার্থক ব্যবহারযোগ্যতা, বাক্যমধ্যে শব্দ বা পদের স্থান বা ক্রম, পদের রূপ পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়।বাক্যতত্বকে পদক্রম ও বলে।
অর্থতত্ত্ব (Semantics) -
শব্দের অর্থবিচার, বাক্যের অর্থবিচার, অর্থের বিভিন্ন প্রকারভেদ, যেমন - মুখ্যার্থ, গৌনার্থ, বিপরীতার্থ ইত্যাদি অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

উৎসঃবাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণি)

.
একাদিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে কি বলে?
  1. ক) সন্ধি
  2. খ) সমাস
  3. গ) বাচ্য
  4. ঘ) বাক্য সংক্ষেপণ
ব্যাখ্যা

একাদিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে তাকে বাক্য-সংক্ষেপণ বলে।
এটি বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশে'রই নামান্তর।
বহুপদকে একপদে পরিণত করার মধ্য দিয়ে বাক্যাংশের বা বাক্যের সংকোচন কাজ চলে।একেই বলা হয় বাক্য সংকোচন, নামান্তরে একপদীকরণ বা বাক্‌সংহতি।
যেমনঃ যা বার বার দুলছে = দোদুল্যমান।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
‘আপনাকে পন্ডিত মনে করে যে’ - এক কথায় প্রকাশ কী হবে?
  1. ক) পন্ডিতম্মন্য
  2. খ) প্রত্যুৎপন্নমতি
  3. গ) বুদ্ধিমান
  4. ঘ) অকুতোভয়
ব্যাখ্যা

আপনাকে পন্ডিত মনে করে যে- পন্ডিতম্মন্য।
যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে - প্রত্যুৎপন্নমতি৷
যার কোন কিছু থেকেই ভয় নেই - অকুতোভয়৷
যে নারী নিজে বর গ্রহণ করে নেয় - স্বয়ংবরা৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি

.
নিচের কোন এক কথায় প্রকাশটি সঠিক নয়?
  1. ক) যা উচ্চারণ করা যায় না = দুরুচ্চার্য।
  2. খ) যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না = অনপনেয়।
  3. গ) যা পূর্বে কখনো হয় নি = অভূতপূর্ব।
  4. ঘ) যা পূর্বে দেখা যায় নি = অদৃষ্টপূর্ব।
ব্যাখ্যা

যা উচ্চারণ করা যায় না = অনুচ্চার্য।
যা উচ্চারণ করা কঠিন = দুরুচ্চার্য।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশঃ
যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না = অনপনেয়।
যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর = দূরপনেয়।
যা পূর্বে দেখা যায় নি = অদৃষ্টপূর।
যা পূর্বে ছিল এখন নেই = ভূতপূর্ব।
যা পূর্বে কখনো হয় নি = অভূতপূর্ব।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)

১০.
দেবতা থেকে উৎপন্ন বা দৈবজাত - এক কথায় প্রকাশ কী হবে?
  1. ক) যাযাবর
  2. খ) আধিদৈবিক
  3. গ) ঐশ্বরিক
  4. ঘ) অনিকেত
ব্যাখ্যা

দেবতা থেকে উৎপন্ন বা দৈবজাত = আধিদৈবিক।
যার বাসস্থান নেই - অনিকেত।
যাদের নির্দিষ্ট কোন বাসস্থান নেই - যাযাবর।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

১১.
পূর্নিমার চাঁদ - এক কথায় কি বলে?
  1. ক) তমিস্রা
  2. খ) রাকা
  3. গ) মৃদঙ্গ
  4. ঘ) লীন
ব্যাখ্যা

পূর্নিমার চাঁদ = রাকা
লয় প্রাপ্ত হয়েছে যা = লীন
মৃৎ অঙ্গ যার = মৃদঙ্গ
ঘোর অন্ধকার রাত্রি = তামসী, তমিস্রা।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

১২.
যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত - এক কথায় প্রকাশ কি?
  1. ক) পুরন্ধ্রী
  2. খ) অবীরা
  3. গ) বালপুত্রিকা
  4. ঘ) মৃতবৎসা
ব্যাখ্যা

যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত - অবীরা।
যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত - বীরা বা পুরন্ধ্রী।
যে নারী শিশু সন্তানসহ বিধবা - বালপুত্রিকা।
যে নারীর সন্তান বাঁচে না - মৃতবৎসা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

১৩.
যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা - এক কথায় কি বলে?
  1. ক) অধিবিন্না
  2. খ) প্রোষিতভর্তৃকা
  3. গ) পরভৃতিকা
  4. ঘ) প্রোষিতপত্নীক
ব্যাখ্যা

যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা = পরভৃতিকা
যে যে নারীর স্বামী বিদেশ থাকে = প্রোষিতভর্তৃকা
যে পুরুষের বউ বিদেশ থাকে = প্রোষিতপত্নীক
যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে = অধিবিন্না।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

১৪.
‘আদমের কাল’ বাগধারাটির অর্থ কি?
  1. ক) বাড়াবাড়ি
  2. খ) দুর্লভ বস্তু
  3. গ) দীর্ঘসূত্রিতা
  4. ঘ) সুপ্রাচীন কাল
ব্যাখ্যা

আদমের কাল - সুপ্রাচীন কাল
আঠারো আনা - বাড়াবাড়ি
আকাশের চাঁদ - দুর্লভ বস্তু
আঠারো মাসে বছর - দীর্ঘসূত্রিতা
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৫.
বাগধারা ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়
  1. ক) ধ্বনিতত্ত্ব
  2. খ) শব্দতত্ত্ব
  3. গ) বাক্যতত্ত্ব
  4. ঘ) অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• 'বাগধারা' ব্যাকরণের অর্থতত্ত্ব অংশের আলোচ্য বিষয়।

• অর্থতত্ত্ব: 
- ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়।

• অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়:
- বিপরীত শব্দ,
- প্রতিশব্দ,
- শব্দজোড়,
- বাগধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)।

১৬.
সামান্য সম্পদ কথাটি কোন বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়েছে?
  1. ক) ব্যাঙের আধুলি
  2. খ) কেউকেটা
  3. গ) একাদশে বৃহস্পতি
  4. ঘ) শাপে বর
ব্যাখ্যা

ব্যাঙের আধুলি’- সামান্য সম্পদ।
'একাদশে বৃহস্পতি' - সৌভাগ্যের বিষয়।
'কেউকেটা' - সামান্য।
'শাপে বর' - অনিষ্টে ইষ্ট লাভ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
‘প্রাচীন সংস্কার ওই ভুষণ্ডির কাকেরাই আঁকাড়ে ধরে রাখে।’ এখানে ভুষন্ডির কাক বাগধারাটির অর্থ কি?
  1. ক) অর্বাচীন
  2. খ) অহংকার
  3. গ) ভন্ড
  4. ঘ) দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

ভুষন্ডির কাক - দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
ভুঁই-ফোঁড় - অর্বাচীন
পায়া ভারি - অহংকার
বিড়াল-তপস্বী - ভন্ড
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

১৮.
'বিয়ে বাড়িতে আয়োসুয়োর দল খুব হইচই বাঁধিয়ে দিয়েছে।' এখানে 'আয়োসুয়ো' বাগধারাটির অর্থ কি?
  1. ক) সামান্য লোক
  2. খ) সধবা স্ত্রীলোকের দল
  3. গ) অকেজো লোক
  4. ঘ) প্রাচীন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

আয়োসুয়ো - বিধবা স্ত্রীলোকের দল।
আদাড়ের হাঁড়ি - সামান্য লোক
আমরা কাঠের ঢেঁকি - অকেজো লোক
অক্ষয় বট - প্রাচীন ব্যক্তি
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৯.
উপসর্গের বৈশিষ্ঠ্য নয় কোনটি?
  1. ক) অর্থবাচকতা
  2. খ) অর্থদ্যোতকতা
  3. গ) নতুন শব্দ সৃজনের ক্ষমতা
  4. ঘ) শব্দের অর্থের পরিবর্তনের ক্ষমতা।
ব্যাখ্যা

উপসর্গঃ
বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না।
এগুলো অন্য শব্দের অগে বসে। ভাষায় ব্যবহৃত এসব অব্যয়সূচক শব্দাংশের নাম উপসর্গ
যেমনঃ 'কাজ' একটি শব্দ। এর আগে 'অ' অব্যয় টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে 'অকাজ' - যার অর্থ নিন্দনীয় কাজ।
এখানে অর্থের সংকোচন হয়েছে।
- উপসর্গগুলোর নিজস্ব কোন অর্থবাচকতা নাই, কিন্তু অন্য শব্দের আগে যুক্ত হয়ে এদের অর্থদ্যোতকতা বা নতুন শব্দ সৃজনের ক্ষমতা আছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী

২০.
‘নিলাজ’ কোন উপসর্গের উদাহরণ?
  1. ক) বাংলা উপসর্গ
  2. খ) তৎসম উপসর্গ
  3. গ) বিদেশী উপসর্গ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

উপসর্গঃ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে কতিপয় সুনির্দিষ্ট অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ যুক্ত হয়ে সাধিত শব্দের অর্থের পরিবর্তন,সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটিয়ে থাকে। এগুলোকে বলা হয় উপসর্গ।
উপসর্গ ৩ প্রকার।
- সংস্কৃত
- বাংলা
- বিদেশী

বাংলা উপসর্গঃ অ, অঘা, অজ, অনা, আ, কদ, কু, নি এ রূপ বিশটি (২১) টি উপসর্গ রয়েছে।
বাংলা উপসর্গ বাংলা শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে।

নি
অর্থদ্যোতকতা - নাই/নেতি
উদাহরণ - নিখুঁত, নিখোঁজ, নিলাজ, নিরেট ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী

২১.
‘ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আকাড়াঁ।’ বাক্যে আকাড়াঁ উপসর্গজাত শব্দটিতে ‘আ’ উপসর্গটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
  1. ক) অভাব
  2. খ) বাজে
  3. গ) বক্র
  4. ঘ) বিক্ষিপ্ত
ব্যাখ্যা

বাংলা উপসর্গঃ অ, অঘা, অজ, অনা, আ, কদ, কু, নি এ রূপ বিশটি (২১) টি উপসর্গ রয়েছে।
বাংলা উপসর্গ বাংলা শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে।
আ একটি বাংলা উপসর্গ।
আকাঁড়া বাংলা উপসর্গজাত শব্দ।

অর্থদ্যোতকতা - অভাব
উদাহরণ - আকাঁড়া, আধোয়া, আলুনি ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী

২২.
কয়টি উপসর্গ আছে যেগুলো বাংলা ও সংস্কৃত উভয় প্রকার শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবাচক শব্দ তৈরি করে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

আ, সু, বি, নি- এই ৪টি উপসর্গ বাংলা এবং তৎসম উভয় প্রকার শব্দে পাওয়া যায়।
যেমনঃ আ + ধোয়া = আধোয়া।
এখানে আ উপসর্গটি বাংলা শব্দ ধোয়া এর আগে বসে নতুন আরেকটি অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করেছে।
অন্যদিকে,
আ + কন্ঠ = আকন্ঠ।
কন্ঠ ততসমজাত শব্দ তার আগে 'আ' তৎসম উপসর্গ যোগ হয়ে নতুন শব্দ আকন্ঠ তৈরে করেছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৩.
‘প্রতিমাসে হিসেবে গরমিল থাকলে খাসমহল লাটে উঠবে।’ বাক্যটিতে কয়টি উপসর্গজাত শব্দ রয়েছে?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
ব্যাখ্যা

'প্রতিমাসে হিসেবে গরমিল থাকলে খাসমহল লাটে উঠবে।'
বাক্যটিতে মোট ৩টি উপসর্গজাত শব্দ রয়েছে।
প্রতিমাস - মাসের আগে 'পৌনঃপুন' অর্থে তৎসম উপসর্গ 'প্রতি' যোগ হয়েছে।
গরমিল - মিলের আগে 'অভাব' অর্থে আরবি উপসর্গ 'গর্'‌ যোগ হয়েছে।
খাসমহল - মহলের আগে 'বিশেষ/সাধারণ' অর্থে আরবি উপসর্গ খাস যোগ হয়েছে
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৪.
‘বি’ উপসর্গটি নিচের কোন শব্দে বিশেষরূপে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) বিনিদ্র
  2. খ) বিধৃত
  3. গ) বিকার
  4. ঘ) বিচরণ
ব্যাখ্যা

বি একটি তৎসম উপসর্গ।
অর্থদ্যোতকতাঃ
বিশেষ রূপে - বিধৃত, বিশুদ্ধ, বিজ্ঞান, বিবস্ত্র, বিশুষ্ক।
অভাব রূপে - বিনিদ্র, বিবর্ণ, বিশৃঙ্খল, বিফল।
গতি রূপে - বিচরণ, বিক্ষেপ।
অপ্রকৃতস্থ - বিকার, বিপর্যয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৫.
''খয়ের খাঁ'' শব্দে 'খয়ের' কোন উপসর্গের উদাহরণ?
  1. ক) ইংরেজি
  2. খ) বাংলা
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) আরবি
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু ফারসি উপসর্গ হলো - কার, দর্, না, নিম্, ফি, বদ, বে, বর্, কম্, ব্ ইত্যাদি।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু আরবি উপসর্গ হলো - আম্‌, খাস, লা, গর্‌, খয়ের, বাজে ইত্যাদি।
খয়ের আরবি উপসর্গ।
অর্থদ্যোতকতা - ভাল।
যেমনঃ খয়ের খাঁ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২৬.
নিচের কোনটি তৎসম উপসর্গ নয়?
  1. ক) অনু
  2. খ) নির
  3. গ) কদ্‌
  4. ঘ) অব
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ মোট ২০ টি।
যথা- প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।
খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, রাম, স, সা, সু, হা, বি, ভর।

কদ্‌ - একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৭.
নিচের কোনটি অনুসর্গ ?
  1. ক) পরি
  2. খ) অতি
  3. গ) আম
  4. ঘ) মধ্যে
ব্যাখ্যা

পরি, অতি - সংস্কৃত এবং আম আরবি উপসর্গ।

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু অনুসর্গ হলো -
প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, জন্য, পর্যন্ত, তরে, পানে, নামে, মতো, নিকট, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক, হতে, থেকে, চেয়ে, ভিতর, ভেতর ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৮.
বাংলা ভাষায় কোন শব্দ্টি অনুসর্গ এবং উপসর্গ হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) পরা
  2. খ) প্রতি
  3. গ) বিনা
  4. ঘ) অতি
ব্যাখ্যা

পরা, প্রতি, অতি সংস্কৃত উপসর্গ।
প্রতি, বিনা, সহ, পাছে, মধ্যে, মাঝে, পরে - এগুলো অনুসর্গ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি