উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৩.
"Lycidas" is an example of which kind of poem?
ক
Epic poem
খ
Pastoral elegy
গ
Satirical poem
ঘ
Comedy
ব্যাখ্যা
• "Lycidas" is an example of a Pastoral Elegy.
• Lycidas - এটি রচনা করেছেন John Milton. - এটি একটি শোকগাঁথা। - এটি ১৭৩৭ সালে লেখা হয়েছিল এবং প্রথম প্রকাশিত হয় ১৬৩৮ সালে। - এই কবিতাটি তিনি তার বন্ধু Edward King এর অকাল মৃত্যুতে লিখেছিলেন, যিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে Milton এর সহপাঠী ছিলেন।
• সার-সংক্ষেপ - Lycidas একটি শোকগীতি, যা John Milton তার বন্ধু Edward King এর অকাল মৃত্যুকে কেন্দ্র করে লেখেন। - কবিতায় Edward King কে "Lycidas" নামে একজন কল্পিত রাখাল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। - মিল্টন প্রকৃতি, নদী, পশু-পাখি ইত্যাদি গ্রামীণ উপমা ব্যবহার করে তার বন্ধুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। - তিনি জীবনের অস্থায়িত্ব, খ্যাতির মূল্য এবং মৃত্যুর পর আত্মার ভাগ্য নিয়ে ভাবেন।
• Lycidas এর একটি বিখ্যাত লাইন: - "For Lycidas is dead, dead ere his prime, Young Lycidas, and hath not left his peer."
• John Milton - তিনি ছিলেন একজন English poet, Pamphleteer এবং Historia. - তিনি William Shakespeare এরপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত। - Milton is best known for Paradise Lost. - It is widely regarded as the greatest epic poem in English.
• Major Works - Paradise Lost (1667), the greatest epic in English, - Paradise Regained (1671), separated into four books, - Samson Agonistes (1671) (Poetic Drama), - Lycidas (Pastoral Elegy), - On His Blindness (Sonnet).
• Top quotes - Better to reign in Hell than serve in Heaven. (Paradise Lost). - Childhood shows the man, as morning shows the days. (Paradise Regained). - Death is the golden key that opens the place of eternity. (Paradise Lost).
Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman, Britannica.
৪.
"To Autumn" is part of which literary movement?
ক
Victorian Era
খ
Modernism
গ
Realism
ঘ
Romanticism
ব্যাখ্যা
• The poem "To Autumn" is part of the Romanticism literary movement.
• To Autumn - কবিতাটি লিখেছেন John Keats. - ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়। - এই কবিতাটিকে John Keats এর One of the last major poems হিসেবে বিবেচনা করা হয়। - কবির মৃত্যুর আগে সংক্ষিপ্তভাবে লেখা, এই কবিতাটি শরতের উদযাপনকে গ্রীষ্মের প্রক্ষিপ্ততা এবং জীবনের অস্থায়ীত্বের উপলব্ধির সাথে মিশিয়ে দেয়। - এটি একটি Three 11-line stanzas বিশিষ্ট কবিতা। - গ্রীষ্মের বিদায় এবং জীবনের সংক্ষিপ্ততা নিয়েও কবি আলোচনা করেছেন। - কবিতায় Autumn কে দেখানো হয়েছে উর্বরতা এবং পরিপক্কতার প্রতীক হিসেবে।
• John Keats - তিনি একজন British Poet. - Romantic period এর লেখক। - He is an English Romantic Lyric Poet who devoted his short life to the perfection of poetry marked by vivid imagery, great sensuous appeal, and an attempt to express a philosophy through classical legend.
• তার Title গুলো হলো: - Poet of Beauty; - Poet of Sensuousness; - A Death Hunted Poet; - The Youngest Poet of English Literature. - এর পাশাপাশি তিনি Physician, Surgeon, এবং Doctor ছিলেন। - তার সাহিত্য কর্মের মধ্যে আছে: sonnets, odes, and epics.
• His Famous works: - Ode to Psyche; - Ode to a Nightingale; - Ode on a Grecian Urn; - To Autumn; - Ode on Melancholy; - Isabella; - Lamia.
Source: An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman, Britannica.
৫.
"Claudio" is a character in which of the following plays?
ক
Hamlet
খ
Macbeth
গ
Measure for Measure
ঘ
Othello
ব্যাখ্যা
• Claudio is a character from the play "Measure for Measure". - এটি William Shakespeare এর 5 act সম্বলিত একটি Dark Comedy. - প্রায় ১৬০৩-০৪ সালে লেখা এবং ১৬২৩ সালের প্রথম ফলিওতে একজন লেখকের খসড়ার প্রতিলিপি থেকে প্রকাশিত হয়।
• সার-সংক্ষেপ: - Duke of Vienna ক্ষমতা অস্থায়ীভাবে Angelo কে দেন। Angelo কঠোর আইন প্রয়োগ করে Claudio কে মৃত্যুদণ্ড দেন, কারণ সে তার প্রেমিকা Juliet কে গর্ভবতী করেছে। - Claudio এর বোন Isabella, একজন novice nun, ভাইকে বাঁচানোর জন্য Angelo এর কাছে অনুরোধ করে। কিন্তু Angelo তাকে কুপ্রস্তাব দেয় Claudio কে মুক্তি দিতে হলে তাকে তার সতীত্ব ত্যাগ করতে হবে। Isabella রাজি হয় না। - এদিকে, Duke ছদ্মবেশে ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেন। শেষ পর্যন্ত, তিনি সত্য প্রকাশ করেন, Claudio মুক্ত হয়, এবং Angelo এর অন্যায় প্রকাশ পায়। Duke, Isabella কে বিয়ের প্রস্তাব দেন, এবং নাটকটি ন্যায়বিচারের মাধ্যমে শেষ হয়।
• এটির অন্যান্য চরিত্র সমূহ হচ্ছে, - Vincentio, - Isabella, (Main character) - Lord Angelo, - Juliet, - MIstress Overdone, etc.
• William Shakespeare - Born: April 26, 1564, Stratford-upon-Avon, England. - Death: April 23, 1616, Stratford-upon-Avon. - Shakespeare was also spelled Shakspere. - Byname: Bard of Avon or Swan of Avon. - He was an English poet, dramatist, and actor. - He was often called the English national poet and considered by many to be the greatest dramatist of all time. - Shakespeare wrote 37 Plays.
• Notable works: • Tragedy - Hamlet, - Othello, - King Lear, - Macbeth, - Titus Andronicus, - Timons of Athens, - Antony and Cleopatra, - Coriolanus, - Romeo and Juliet, etc.
• Tragi-comedy - The Merchant of Venice, - The Winter's Tale, - Cymbeline, - Troilus and Cressida, - Measure for Measure,
• Comedy - As You Like It, - The Tempest, - Twelfth Night, - Love's Labour's Lost, - A Comedy of Errors, - The Taming of the Shrew, - Much Ado About Nothing, - All's Well That Ends Well, - A Midsummer Night's Dream, - The Merry Wives of Windsor,
• Historical play - Julius Caesar (Tragedy + Historical), - Henry IV Part I, - Henry IV Part II, - Henry V, - Henry VI Part I, - Henry VI Part II, - Henry VI Part III, - Henry VIII, - King John, - Richard II, - Richard III
Source: An ABC of English Literature Dr. M Mofizar Rahman, Britannica.
৬.
"Biographia Literaria" is primarily known as a -
ক
Autobiographical work
খ
Novel
গ
Poem
ঘ
Epic
ব্যাখ্যা
• "Biographia Literaria" is primarily known as a - Autobiographical work.
- এটি Romantic Period এর বিখ্যাত কবি Samuel Taylor Coleridge এর অন্যতম সৃষ্টি। - This is known as a Critical Autobiography. - ১৮১৭ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
• Biographia Literaria ছিল ইংরেজি রোমান্টিক যুগের সাহিত্য সমালোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। - যা দর্শন ও সাহিত্য সমালোচনাকে এক নতুন উপায়ে একত্রিত করে literary criticism এর এক নতুন ধারার জন্ম দিয়েছিল। - সাহিত্য জগতে এর প্রভাব বেশ দীর্ঘস্থায়ী। - Biographia Literaria is the most significant work of general literary criticism produced in the English Romantic period.
• Samuel Taylor Coleridge: - তিনি ছিলেন একজন British poet. - তিনি একজন English lyrical poet, critic, এবং philosopher. - His Lyrical Ballads was written with William Wordsworth, heralding the English Romantic movement, and his Biographia Literaria (1817) is the most significant work of general literary criticism produced in the English Romantic period.
• His notable works - Biographia Literaria, - Christabel, - Dejection: An Ode, - Frost at Midnight, - Kubla Khan, - Lyrical Ballads, - On the Constitution of the Church and State, - The Rime of the Ancient Mariner.
Source: Britannica.
৭.
একই সমতলে দুইটি রেখা পরস্পরকে কয়টি বিন্দুতে ছেদ করতে পারে?
ক
একটি
খ
দুইটি
গ
তিনটি
ঘ
অসংখ্য
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একই সমতলে দুইটি রেখা পরস্পরকে কয়টি বিন্দুতে ছেদ করতে পারে? সমাধান: বিন্দু, রেখা, তল সম্পর্কিত কয়েকটি প্রয়োজনীয় ধারণা: (১) দুইটি বিন্দুর মধ্য দিয়ে একটি এবং কেবল একটি সরলরেখা আঁকা যায়। (২) যেসব বিন্দু একই সরলরেখায় অবস্থান করে, তাদেরকে সমরেখ বিন্দু বলা হয়। (৩) একটি রেখাংশের দৈর্ঘ্যই তার প্রান্ত বিন্দুদ্বয়ের দূরত্ব। (৪) প্রান্তবিন্দুদ্বয় ছাড়া রেখাংশের যেকোনো বিন্দুকে ঐ রেখাংশের অন্তঃস্থ বিন্দু বলা হয়। (৫) একই সমতলে দুইটি রেখা একটি এবং কেবল একটি বিন্দুতে পরস্পরকে ছেদ করতে পারে। (৬) যদি দুইটি বিন্দু একই সমতলে অবস্থান করে, তবে তাদের সংযোগরেখা সম্পূর্ণভাবে ঐ তলেই অবস্থান করে।
৮.
দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে কী কোণ বলা হয়?
ক
পূরক কোণ
খ
সরল কোণ
গ
প্রবৃদ্ধ কোণ
ঘ
সম্পূরক কোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে কী কোণ বলা হয়?
সমাধান: কোণ (Angle): - সমতলে দুইটি রশ্মির একই প্রান্তবিন্দু হলে মিলন স্থলে কোণ (Angle) তৈরি হয়। - রশ্মি দুইটিকে কোণের বাহু এবং তাদের সাধারণ প্রান্ত বিন্দুকে শীর্ষবিন্দু বলে।
সরল কোণ (Straight Angle): - দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি তাদের সাধারণ প্রান্তবিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে সরল কোণ বলে। - সরল কোণের পরিমাপ দুই সমকোণ বা 180°।
সমকোণ (Right Angle): - একটি সরল কোণের সমদ্বিখন্ডককে লম্ব এবং সংশ্লিষ্ট সন্নিহিত কোণের প্রত্যেকটিকে সমকোণ বলে।
সূক্ষ্মকোণ ও স্থূলকোণ (Acute and Obtuse Angle): - এক সমকোণ থেকে ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ এবং এক সমকোণ থেকে বড় কিন্তু দুই সমকোণ থেকে ছোট কোণকে স্থূলকোণ বলা হয়।
প্রবৃদ্ধ কোণ (Reflex Angle): - দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলা হয়।
পূরক কোণ (Complementary Angle): - দুইটি কোণের ডিগ্রি পরিমাপের সমষ্টি এক সমকোণ বা 90° হলে, কোণ দুইটিকে পরস্পরের পূরক কোণ বলা হয়।
সম্পূরক কোণ (Supplementary Angle): - দুইটি কোণের ডিগ্রি পরিমাপের সমষ্টি দুই সমকোণ বা 180° হলে, কোণ দুইটিকে পরস্পরের সম্পূরক কোণ বলা হয়।
৯.
দুইটি রেখা সমান্তরাল হওয়ার জন্য নিচের কোন শর্তটি আবশ্যক নয়?
ক
রেখাদ্বয় এক সমতলে থাকতে হবে
খ
রেখাদ্বয়ের দূরত্ব সর্বত্র সমান হতে হবে
গ
রেখাদ্বয় যতই বাড়ানো হোক, একে অপরকে ছেদ করবে না
ঘ
রেখাদ্বয় এক বিন্দুতে মিলিত হতে হবে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি রেখা সমান্তরাল হওয়ার জন্য নিচের কোন শর্তটি আবশ্যক নয়?
সমাধান: সমান্তরাল রেখা (Parallel Line): - দুটি রেখা যদি পরস্পরের মধ্যে সর্বদা সমান দূরত্ব বজায় রেখে চলতে থাকে তবে তাদেরকে সমান্তরাল রেখা বলে। - দুটি সমান্তরাল সরলরেখা হওয়ার শর্ত: i. সরলরেখা দুটি এক সমতলে থাকবে। ii. এদের যে কোনো দিকে যতটা খুশি বাড়ালেও একে অপরকে ছেদ করবে না। iii. দুটি সরলরেখার মাঝখানের লম্ব সবসময়ই সমান থাকবে। - দুই বা ততোধিক সরল রেখা একটি সরল রেখার উপর লম্ব হলে তারা পরস্পর সমান্তরাল। - একটি সরলরেখা সমান্তরাল রেখাদ্বয়ের একটির উপর লম্ব হলে তা অপরটির উপরও লম্ব হয়।
১০.
স্থূলকোণী ত্রিভুজে মোট কয়টি স্থূলকোণ থাকতে পারে?
ক
১ টি
খ
২ টি
গ
৩ টি
ঘ
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: স্থূলকোণী ত্রিভুজে মোট কয়টি স্থূলকোণ থাকতে পারে? সমাধান: ত্রিভুজ: - তিনটি রেখাংশ দ্বারা আবদ্ধ চিত্র একটি ত্রিভুজ। - রেখাংশগুলোকে ত্রিভুজের বাহু বলে। - যেকোনো দুইটি বাহুর সাধারণ বিন্দুকে শীর্ষবিন্দু বলা হয়। - ত্রিভুজের যেকোনো দুইটি বাহু শীর্ষবিন্দুতে কোণ উৎপন্ন করে। - ত্রিভুজের তিনটি বাহু ও তিনটি কোণ রয়েছে। - ত্রিভুজের বাহু তিনটির দৈর্ঘ্যের সমষ্টিকে পরিসীমা বলে। - ত্রিভুজের বাহুগুলো দ্বারা সীমাবদ্ধক্ষেত্রকে ত্রিভুজক্ষেত্র বলে।
সমবাহু ত্রিভুজ: - যে ত্রিভুজের তিনটি বাহু পরম্পর সমান তা সমবাহু ত্রিভুজ।
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ: - যে ত্রিভুজের দুইটি বাহু পরস্পর সমান তা সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
বিষমবাহু ত্রিভুজ: - যে ত্রিভুজের তিনটি বাহুই অসমান তা বিষমবাহু ত্রিভুজ।
সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ: - যে ত্রিভুজের প্রত্যেকটি কোণ সূক্ষ্মকোণ, তা সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ। - সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজের তিনটি কোণই সূক্ষ্মকোণ।
স্থূলকোণী ত্রিভুজ: - যে ত্রিভুজের একটি কোণ স্থূলকোণ, তা স্থূলকোণী ত্রিভুজ। - স্থূলকোণী ত্রিভুজের শুধু একটি কোণ স্থূলকোণ; অপর দুইটি কোণ সূক্ষ্মকোণ।
সমকোণী ত্রিভুজ: - যে ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ, তা সমকোণী ত্রিভুজ। - সমকোণী ত্রিভুজের শুধু একটি কোণ সমকোণ; অপর দুইটি কোণ সূক্ষ্মকোণ।
১১.
নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
ক
২০১০ সালে
খ
২০১১ সালে
গ
২০১৫ সালে
ঘ
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB): - নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক যা ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা (BRICS) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত। - প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১৫ সাল। - উদ্দেশ্য: উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর (EMDCs) অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন। কাজের ক্ষেত্র: জলবায়ু-স্মার্ট, দুর্যোগ-সহনশীল, প্রযুক্তিনির্ভর ও সামাজিকভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রকল্প। - ৯ম বার্ষিক সভা ২০২৪ সালের ২৯-৩১ আগস্ট কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হয়। - NDB উন্নয়নশীল দেশগুলোর টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
উৎস: NDB ওয়েবসাইট।
১২.
নিচের কোনগুলো কোয়াড এর সদস্য রাষ্ট্র?
ক
অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান ও নিউজিল্যান্ড
খ
অস্ট্রেলিয়া, ভারত, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
গ
অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র
ঘ
যুক্তরাজ্য, ভারত, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
কোয়াড (The Quad): - প্রতিষ্ঠিত: ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে সুনামির পর যৌথ সহযোগিতার ভিত্তিতে। - সদস্য রাষ্ট্র: অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র। - কোয়াড সদস্যরা যৌথভাবে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার জন্য কাজ করে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: - উন্মুক্ত, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধশালী ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিশ্চিত করা। - স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, অবকাঠামো উন্নয়ন, উদীয়মান প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে কার্যক্রম পরিচালনা। - মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মহাকাশ গবেষণা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ভুয়া তথ্য মোকাবিলা ও সন্ত্রাসবাদ দমন ইত্যাদি ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। - আসিয়ান (ASEAN) ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের উন্নয়ন কৌশলের সাথে সংহতি বজায় রাখা।
সহযোগিতা ও কৌশল: - আসিয়ান (ASEAN) কেন্দ্রিক আঞ্চলিক কাঠামোকে সমর্থন করা। - ভারত মহাসাগর রিম অ্যাসোসিয়েশন (IORA) এর সাথে যৌথভাবে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা। - প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের ফোরাম (PIF) এবং ব্লু প্যাসিফিক কৌশলের (2050 Strategy for the Blue Pacific Continent) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করা।
উৎস: Department of Foreign Affairs and Trade, Australian Government
১৩.
২০২৫ সালের মার্চ মাসে কোন সশস্ত্র সংগঠন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়? [এপ্রিল, ২০২৫]
ক
ফার্ক
খ
কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি
গ
সাইনিং পাথ
ঘ
হামাস
ব্যাখ্যা
কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (PKK): - কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি একটি সশস্ত্র কুর্দি জাতীয়তাবাদী সংগঠন। - এটি ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে আবদুল্লাহ "আপো" ওজালান প্রতিষ্ঠা করেন। - শুরুতে সংগঠনটি একটি স্বাধীন কুর্দি রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানালেও পরবর্তী সময়ে তারা তাদের লক্ষ্য কিছুটা শিথিল করে কুর্দিদের জন্য স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে পরিবর্তিত করে। - ২০২৫ সালের মার্চ মাসে PKK একটি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়। - এর দুই দিন আগে ওজালান সংগঠনটির অস্ত্র পরিহার ও বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়েছিলেন।
উৎস: Britannica.
১৪.
পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে কোন ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়?
ক
Azotobacter
খ
Pseudomonas
গ
Rhizobium
ঘ
Clostridium
ব্যাখ্যা
• পাট শিল্পে ব্যাকটেরিয়া: - ব্যাকটেরিয়াজনিত পঁচন ক্রিয়ার ফলেই পাটের কান্ড থেকে আঁশগুলো পৃথক হয়। - ফলে আমরা পাটের আঁশ পেয়ে থাকি। - এক্ষেত্রে Clostridium ব্যাকটেরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এছাড়াও, - মানুষের অস্ত্রে বসবাসকারী Escherichia coli, Aerobacter aerogenes এবং অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াগুলো ভিটামিন 'বি', থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নিকোটিনিক অ্যাসিড, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, বায়োটিন, ফলিক এসিড, ভিটামিন-কে ইত্যাদি প্রস্তুত ও সরবরাহ করে থাকে। - Azotobacter, Pseudomonas, Clostridium প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়া সরাসরি বায়ু হতে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে নাইট্রোজেন যৌগ পদার্থ হিসেবে স্থাপন করে, ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। - Rhizobium ব্যাকটেরিয়া শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলের নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে। - ব্যাকটেরিয়া হতে কলেরা, টাইফয়েড, যা প্রভৃতি রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রস্তুত করা হয়। ডি.পি.টি. রোগের প্রতিষেধকওব্যাকটেরিয়া হতে প্রস্তুত করা হয়। - যেমন- Corynebacterium diptheriae (D), Bordetalla pertussis (P) এবং Clostridium tetani (T) - এ তিনটি শব্দের সমন্বয়ে DPT নামকরণ করা হয়েছে।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
ট্রানজিস্টরে সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
ক
কার্বন
খ
সিলিকন
গ
কপার
ঘ
গোল্ড
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর: - ট্রানজিস্টার হলো এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুটি চওড়া p-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু n-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে অথবা দুটি চওড়া-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু p-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে। - প্রকৃত পক্ষে একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে তিনযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে p-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে p-n-p নিঃসারক ভূমি সংগ্রাহক ট্রানজিস্টার তৈরি করা হয় - ট্রানজিস্টরে সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয় সিলিকন ও জার্মেনিয়াম। - ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়। - বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক। - ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
C3 চক্রের অপরনাম কী?
ক
ক্যালভিন চক্র
খ
হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্র
গ
CAM চক্র
ঘ
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ক্যালভিন চক্র: - ক্যালভিন চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ ৩-কার্বনবিশিষ্ট তাই এ চক্রকে C3 চক্রও বলা হয়। - যে সব উদ্ভিদে C3 চক্র বর্তমান তাদেরকে C3 উদ্ভিদ বলা হয়। - পৃথিবীর অধিকাংশ উদ্ভিদই C3 উদ্ভিদ। যেমন- ধান, গম, পাট, বেগুন, টমেটো ইত্যাদি।
• হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র: - হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্রে প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার কার্বনবিশিষ্ট অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড। তাই একে C4 চক্রও বলা হয়। - যে সব উদ্ভিদে এ চক্র চলে তাদেরকে C4 উদ্ভিদ বলা হয়। যেমন- ইক্ষু, ভুট্টা, মুথা ঘাস, কাটানটে, ডাটাশাক ইত্যাদি।
• CAM পথ: - CAM চক্র C3 ও C4 চক্র হতে ভিন্নতর। - এটি প্রথমে ক্রাসিলুসি গোত্রের উদ্ভিদসমূহে পরিলক্ষিত হয়, তাই একে CAM চক্র বলে। - CAM উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র দিনে বন্ধ এবং রাতে খোলা থাকে। - অধিকাংশ মরুজ উদ্ভিদ CAM জাতীয় উদ্ভিদ।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় কতটি মৌলিক আদর্শের কথা বলা হয়েছে?
ক
৩টি
খ
৪টি
গ
৫টি
ঘ
৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে— “...যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল— জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা, সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে।” - এই বাক্যে পরিষ্কারভাবে চারটি মৌলিক আদর্শকে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এই ৪টি মৌলিক আদর্শ হলো: ১) জাতীয়তাবাদ (Nationalism) ২) সমাজতন্ত্র (Socialism) ৩) গণতন্ত্র (Democracy) ৪) ধর্মনিরপেক্ষতা (Secularism) → এই চারটি আদর্শ রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি এবং সংবিধানের মূল কাঠামো গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১৮.
"Ex post facto" means:
ক
Before the event
খ
Without legal effect
গ
By prior agreement
ঘ
Out of the aftermath
ব্যাখ্যা
→ The correct answer is: b) Out of the aftermath. • "Ex post facto" is a Latin phrase that literally means "from after the fact" or "out of the aftermath." In legal contexts, particularly criminal law, it refers to: 'A law that retroactively changes the legal consequences of actions that were committed before the enactment of the law.'
→ "Out of the aftermath" accurately reflects the Latin roots — “ex” (out of) + “post” (after) + “facto” (the fact). - It implies something that comes after an act, especially a law that is applied retroactively.
Example in law: - If a law is passed today that makes a certain act committed last year a crime, and someone is prosecuted for doing it before the law existed, that would be an ex post facto law — and it's generally unconstitutional in criminal law.
• বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদে ৩৫: অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ: - অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ: অনুচ্ছেদে ৩৫(১) এর বিধান হচ্ছে- অপরাধ করার সময় বলবৎ কার্যকর ছিল, এমন আইন ব্যতীত অন্য আইনে দণ্ড দেওয়া যাবে না। এ নীতিটাই Ex Post Facto Laws (ভূতাপেক্ষ আইন)। - অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনকালে বলবৎ আইনে যে শাস্তি ছিল তার অধিক বা ভিন্ন কোনো আইনে শাস্তি দেওয়া যাবে না বা নতুন আইন প্রণয়ন করে ভিন্নতর/তার অধিক শাস্তি দেওয়া যাবে না। -যেমন- ১৯৯০ সালে কাউসার সাহেবের যে অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন সাজা হতো ২০২১ সালে নতুন আইন করে সে একই অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না। Ex post facto laws (ভূতাপেক্ষ আইন) এর বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে এ সম্পর্কে বলা থাকলেও এটি ফৌজদারি আইনের সাথে সম্পর্কিত। - কারণ ফৌজদারি আইনের ক্ষেত্রে Retrospective Effect (ভূতাপেক্ষ প্রভাব) দেওয়া যায় না। যেহেতু সংবিধানে সরাসরি এই আইন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে তাই অধিকতর গ্রহণযোগ্য হিসেবে 'সাংবিধানিক আইন' কে উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।
১৯.
সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর সর্বাধিনায়ক কে?
ক
রাষ্ট্রপতি
খ
প্রধানমন্ত্রী
গ
সেনাপ্রধান
ঘ
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে— “বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত হইবে, এবং আইনের দ্বারা তাহার প্রয়োগ নিয়ন্ত্রিত হইবে।” - অর্থাৎ, প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর নামমাত্র (ceremonial) সর্বোচ্চ নেতৃত্বের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত। তবে এই ক্ষমতা আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং বাস্তবিক দিক থেকে প্রতিরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন ও পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। → তবে মূল সাংবিধানিক সর্বাধিনায়কের প্রশ্নে—রাষ্ট্রপতি-ই সঠিক উত্তর।
২০.
“The General Clauses Act” কবে প্রণীত হয়?
ক
১৯৪৭ সালে
খ
১৮৯৭ সালে
গ
১৮৭৯ সালে
ঘ
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১৮৯৭ সালে ⇒ The General Clauses Act, 1897 হল একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যামূলক আইন (interpretation law), যা বিভিন্ন আইন, অধ্যাদেশ, বিধিমালা ও নির্দেশনার ব্যাখ্যা ও প্রয়োগে সহায়তা করে। - এই আইনটি ১১ই মার্চ, ১৮৯৭ তারিখে প্রণীত হয় এবং কার্যকর হয় ১১ই মার্চ, ১৮৯৮ তারিখ থেকে। - এটি ব্রিটিশ ভারতীয় শাসনামলে গৃহীত হয়েছিল, এবং ভারত ও বাংলাদেশে এই আইন এখনও প্রযোজ্য। - আইনটির মূল উদ্দেশ্য হলো: একাধিক আইন ও নথিপত্রে ব্যবহৃত সাধারণ শব্দ ও অভিব্যক্তির একটি অভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করা।
২১.
সংবিধান অনুসারে একই সঙ্গে দুইটি নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সদস্যকে কী করতে হবে?
ক
একটিকে বেছে নিতে হবে
খ
রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত দেবেন
গ
উভয়টি শূন্য ঘোষণা করা হবে
ঘ
দুটি আসনই ধরে রাখতে পারবেন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭১ (Article 71)-এ এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে: “কোন ব্যক্তি একাধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে সংসদ-সদস্য পদে নির্বাচিত হইলে তিনি নির্ধারিত পদ্ধতিতে একটি আসন বেছে নিতে বাধ্য থাকিবেন। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি বেছে না নেন, তবে সকল আসন শূন্য ঘোষণা করা হইবে।” - একজন ব্যক্তি একাধিক আসনে প্রার্থী হতে পারেন। - যদি তিনি একাধিক আসনে নির্বাচিত হন, তাহলে তাকে একটি আসন নির্বাচন করতে হবে। - যদি তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন না করেন, তাহলে উভয় আসনই শূন্য ঘোষণা করা হয়।
- তাই সঠিক উত্তর: ক) একটিকে বেছে নিতে হবে।
- আর যদি তিনি তা না করেন, তবে গ) উভয়টি শূন্য ঘোষণা করা হবে — এটি তখন প্রযোজ্য হয়। - তবে প্রশ্নটি “কি করতে হবে?” জিজ্ঞাসা করেছে, অর্থাৎ প্রথম করণীয় – একটি বেছে নেওয়া।
২২.
আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নীতিটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
ক
অনুচ্ছেদ ২৩
খ
অনুচ্ছেদ ২৪
গ
অনুচ্ছেদ ২৫
ঘ
অনুচ্ছেদ ২৬
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ (শিরোনাম: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন)–এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা—এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি…” - এই অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সেখানে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতি হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন: জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র (ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন; (খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং (গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷
২৩.
What is the meaning of the legal maxim "Vox populi"?
ক
Law of the land
খ
Rule by law
গ
Majority opinion
ঘ
Equal justice under law
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) Majority opinion. ⇒ "Vox populi" একটি ল্যাটিন ম্যাক্সিম, যার অর্থ "জনগণের কণ্ঠস্বর" বা "জনগণের মতামত" (Voice of the people or majority opinion)। - এটি সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়, যেখানে কোনো বিষয়ে জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। - গণতন্ত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, কারণ এতে জনগণের ইচ্ছাই নীতিনির্ধারণে মুখ্য বিবেচ্য হয়।
উদাহরণস্বরূপ, কোনো জাতীয় সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত বা গণভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে তা vox populi হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন করে।
অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ: ক) Law of the land – এর মানে "দেশের প্রচলিত আইন", যা ভিন্ন ধারণা। খ) Rule by law – আইন দ্বারা শাসন, তবে এটি ব্যক্তির স্বাধীন মতামতের প্রতিফলন নয়। ঘ) Equal justice under law – আইনের দৃষ্টিতে সমতা, এটি ন্যায়বিচারের ধারণা বোঝায়, কিন্তু vox populi নয়।
২৪.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেতে একজন এ্যাডভোকেটকে সর্বনিম্ন কত বছর প্র্যাকটিস করতে হয়?
ক
৫ বছর
খ
১০ বছর
গ
১৫ বছর
ঘ
২০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫(২)(ক) অনুযায়ী: “(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং (ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; ... তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।” অর্থাৎ, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য একজন ব্যক্তিকে কমপক্ষে ১০ বছরকাল সুপ্রীম কোর্টে এ্যাডভোকেট হিসেবে প্র্যাকটিস করতে হবে। এটি যোগ্যতার একটি প্রধান শর্ত।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫ বিচারক-নিয়োগ (১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন। (২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং (ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা (খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা (গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না। (৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।
২৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে গ্রেপ্তারের কারণ জানানো এবং আইনজীবীর সাথে পরামর্শের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
ক
অনুচ্ছেদ ৩১
খ
অনুচ্ছেদ ৩৩
গ
অনুচ্ছেদ ৩৪
ঘ
অনুচ্ছেদ ৩৫
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৩ (১) এ বলা হয়েছে, "গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।" - এটি একটি মৌলিক অধিকার যা একজন নাগরিককে পুলিশ বা রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ দ্বারা অন্যায়ভাবে হয়রানির হাত থেকে রক্ষা করে।
অর্থাৎ গ্রেপ্তারের কারণ জানানো, আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করার অধিকার, এই দুইটি সুরক্ষা অনুচ্ছেদ ৩৩-এর অধীনেই নিশ্চিত করা হয়েছে।
২৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে "কোর্ট অব রেকর্ড" ঘোষণা করা হয়েছে?
ক
১০৭ অনুচ্ছেদ
খ
১০৮ অনুচ্ছেদ
গ
১০৯ অনুচ্ছেদ
ঘ
১১১ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: "সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব রেকর্ড' হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।" - অর্থাৎ, এই অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে "Court of Record" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
"Court of Record" অর্থ এমন একটি আদালত: যার রায়, আদেশ, ও কার্যক্রম লিখিতভাবে রেকর্ড হয় এবং ভবিষ্যতে উদাহরণ বা নজির হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। - যার কাছে contempt of court (আদালত অবমাননা) সংক্রান্ত মামলায় বিচার ও শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা থাকে।
২৭.
রাষ্ট্রপতি নিয়োগ সংক্রান্ত কোন বিষয়টি কেবলমাত্র তাঁর নিজস্ব বিবেচনায় সম্পন্ন করেন?
ক
সেনাপ্রধানের নিয়োগ
খ
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
গ
স্পীকার নিয়োগ
ঘ
মহা হিসাব নিরীক্ষক নিয়োগ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁর সব কার্যাবলি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী সম্পন্ন করেন, তবে ব্যতিক্রম রয়েছে প্রধান বিচারপতির নিয়োগের ক্ষেত্রে। - এই ব্যতিক্রম অনুচ্ছেদ ৯৫(১)-এ বর্ণিত আছে, যেখানে বলা হয়েছে যে: - “Chief Justice shall be appointed by the President.” - এখানে কোথাও বলা হয়নি যে প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কারো পরামর্শে এটি করতে হবে। অতএব, সঠিক উত্তর: খ) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ রাষ্ট্রপতি: (১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। (২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। (৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
২৮.
রাষ্ট্রপতির নিকট বিল পেশের পর, তিনি কত দিনের মধ্যে সম্মতিদান করবেন অথবা পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করবেন?
ক
৫ দিন
খ
১০ দিন
গ
১৫ দিন
ঘ
২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধানের ৮০(৩) ধারা অনুসারে, রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করার পর, তিনি ১৫ দিনের মধ্যে বিলটির জন্য সম্মতিদান করবেন বা পুনর্বিবেচনার জন্য বিশেষ কোনো সংশোধনী বা বার্তা সহ সংসদে ফেরত পাঠাবেন। - তবে, অর্থবিলের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়, অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পেশের পর উল্লিখিত ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতিদান করতে হবে।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮০: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি: (১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে। (২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে। (৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে। (৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে। (৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
২৯.
রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষে শূন্য পদ পূরণের নির্বাচন কখন হবে?
ক
যখনই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে
খ
মেয়াদ শেষের ৩০-৬০ দিন আগে
গ
মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে
ঘ
মেয়াদ শেষের ১২০ দিন পরে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে। ⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ধারা ১২৩ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা রয়েছে। - বাংলাদেশের সংবিধানের ধারা ১২৩(১) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে পদটি শূন্য হলে, মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী ৯০ দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে। - অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে-আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে যেন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত সময়েই দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন।
উদাহরণ: যদি রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হয় ৩০শে জুন, তাহলে ১লা এপ্রিল থেকে ১লা মে এর মধ্যে নির্বাচন হতে হবে।
৩০.
মন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য সংসদ সদস্য না হয়েও মন্ত্রীদের সর্বোচ্চ কত অংশ পর্যন্ত মনোনীত হতে পারেন?
ক
এক-দশমাংশ
খ
নয়-দশমাংশ
গ
তিন-দশমাংশ
ঘ
পাঁচ-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬(২) অনুযায়ী বলা হয়েছে: "প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।" অর্থাৎ কমপক্ষে ৯০% (নয়-দশমাংশ) মন্ত্রী হতে হবে সংসদ সদস্য। বাকী সর্বোচ্চ ১০% (এক-দশমাংশ) মন্ত্রী হতে পারেন সংসদ সদস্য না হলেও, তবে তাঁদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ: - মন্ত্রিসভার মোট সদস্য যদি ৫০ জন হয়, তাহলে, কমপক্ষে ৪৫ জনকে সংসদ সদস্য হতে হবে। - সর্বোচ্চ ৫ জন সংসদ সদস্য না হলেও চলবে, তবে তাঁরা নির্বাচিত হবার যোগ্য হতে হবে।
তাই সঠিক উত্তর: ক) এক-দশমাংশ।
৩১.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জরুরী অবস্থা ঘোষণার সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
ক
৯০ দিন
খ
১২০ দিন
গ
১৮০ দিন
ঘ
৩৬৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জরুরী অবস্থা ঘোষণার সর্বোচ্চ সময়সীমা ১২০ দিন। - এটি সংবিধানের ১৪১(ক) ধারা অনুযায়ী উল্লেখিত, যেখানে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন অনধিক একশত কুড়ি (১২০) দিনের জন্য। এই সময়সীমার মধ্যে সংসদে প্রস্তাব পেশ করা এবং সংসদ অনুমোদন লাভ করা জরুরি, অন্যথায় সেই ঘোষণা কার্যকর থাকবে না। - অতএব, সঠিক উত্তর হবে: খ) ১২০ দিন।
৩২.
What does the term "Doli Capax" mean in a legal context?
ক
Incapable of wrong
খ
Capable of wrong
গ
Among other things
ঘ
Presumption of innocence
ব্যাখ্যা
→ The correct answer is: খ) Capable of wrong. - "Doli Capax" (ডলি ক্যাপাক্স) is a Latin legal term meaning "capable of wrong" or capable of forming criminal intent. - It is used to determine whether a child (usually above a certain age, such as 9 years under the Penal Code Section 82) can be held criminally liable for their actions. - The opposite term, "Doli Incapax", means incapable of wrong and applies to very young children (typically under 9) who are presumed unable to understand the consequences of their actions.
Other options: ক) Incapable of wrong → Doli Incapax গ) Among other things → Inter Alia ঘ) Presumption of innocence → Not related to Doli Capax
- Thus, the correct choice is খ) Capable of wrong.
→ Doli Capax একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হলো "অপরাধ করার সক্ষমতা রয়েছে"। আইনগত প্রেক্ষাপটে এটি এমন শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যাদের বয়স এমন স্তরে পৌঁছেছে যেখানে ধরে নেওয়া যায় তারা অপরাধ এবং তার প্রকৃতি বুঝতে সক্ষম। - উদাহরণস্বরূপ,দণ্ডবিধির ধারা ৮৩ অনুযায়ী, ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরা Doli Capax হতে পারে, যদি প্রমাণ হয় যে তারা অপরাধের প্রকৃতি বুঝতে সক্ষম ছিল।
৩৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
ক
১১৫ অনুচ্ছেদ
খ
১১৭ অনুচ্ছেদ
গ
১১৮ অনুচ্ছেদ
ঘ
১১৯ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদটি সংবিধানের তৃতীয় পরিচ্ছেদ (প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল) এর অধীনে পড়ে। → ১১৭ অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু: ১. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত – সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে। ২. এই ট্রাইব্যুনালগুলো নিম্নলিখিত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে: - নবম ভাগে বর্ণিত সরকারি কর্মচারীদের চাকরির শর্তাদি। - রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বা সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম। ১০২(৩) দফার আওতাভুক্ত আইনসংক্রান্ত বিষয়। ৩. ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়ে অন্য আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, তবে সংসদ চাইলে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার বিধান করতে পারে।
অতএব, সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদ-এ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। - এটি প্রশাসনিক বিচারব্যবস্থা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ব্যবস্থা, যা বিচারব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করে।
৩৪.
“The General Clauses Act” এর কোন ধারায় “Effect of Repeal” সম্পর্কিত বিধান আছে?
ক
৫ ধারায়
খ
৬ ধারায়
গ
৬ক ধারায়
ঘ
৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ৬ (Section 6) শিরোনাম—“Effect of Repeal”- এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে,কোনো আইন যদি রহিত করা হয়, তাহলে তার ফলে কী কী বিষয় প্রভাবিত হবে না, তা নির্ধারণ করা হয়েছে। - এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আইন রহিত করা হয়, এবং যদি অন্য কোনো অভিপ্রায় প্রকাশিত না থাকে, তাহলে- (a) পূর্বে রহিত বা অকার্যকর কোনো বিষয় পুনরুজ্জীবিত হবে না, (b) রহিত আইনের অধীনে যেটুকু কার্যকর হয়েছিল, তা প্রভাবিত হবে না, (c) অধিকার, দায়, দণ্ড ইত্যাদি প্রভাবিত হবে না (d) তদন্ত বা বিচার চলতে পারবে আগের মতই, (e) দণ্ড আরোপও করা যাবে।
-ধারা ৬ এমন একটি সুরক্ষা বিধান, যা বলে দেয় যে, পুরাতন কোনো আইন রহিত করলেও তার অধীনে অর্জিত অধিকার, দায়, বিচার প্রক্রিয়া, শাস্তি ইত্যাদি বাতিল হবে না।
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 6. Effect of repeal: Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- (a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or (b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or (c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or (d) affect any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or (e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
৩৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসন সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
ক
অনুচ্ছেদ ৫৯
খ
অনুচ্ছেদ ৬০
গ
অনুচ্ছেদ ৬১
ঘ
অনুচ্ছেদ ৫৮
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে স্থানীয় শাসন সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে অনুচ্ছেদ ৬০-এ। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে তিনটি প্রধান ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে— ১. কর আরোপের ক্ষমতা ২. বাজেট প্রণয়নের ক্ষমতা ৩. নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা - এইসব ক্ষমতা প্রদান করা হবে সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে, এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের এলাকায় স্বশাসন ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে।
→ অনুচ্ছেদ ৬০ এর মূল বক্তব্য: "এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ, বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।"
→ তাই, স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬০-এ উল্লেখ রয়েছে।