পরীক্ষা আর্কাইভ

২৩তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ২৩ মার্চ, ২০০১সময়55 minutes৯৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
২৩তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান [মুক্তিযোদ্ধার সন্তান]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

২৩তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ২৩ মার্চ, ২০০১ · ১০০ প্রশ্ন

.
চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্যধারার চরিত্র?
  1. চণ্ডীমঙ্গল
  2. মনসামঙ্গল
  3. ধর্মমঙ্গল
  4. অন্নদামঙ্গল
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যা
• মনসামঙ্গল:
• মনসামঙ্গল মঙ্গলকাব্যগুলির মধ্যে প্রাচীনতম।
• ‘মনসামঙ্গল' কাব্যের অপর নাম ‘পদ্মাপুরাণ’।
• সাপের দেবী মনসার স্তব, কাহিনি ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য ‘মনসামঙ্গল’।
• চাঁদ সওদাগর প্রথম দিকে মনসা বিরূপতা করে, পরে মনসা দেবীর অলৌকিক শক্তির প্রভাব স্বীকার করে তার বশ্যতা স্বীকার করাই মনসামঙ্গল কাব্যসমূহের প্রধান আখ্যান।
• দেবতা ও মানুষের দ্বন্দ্বে সামাজিক শ্রেণীবৈষম্য এবং চাঁদের সঙ্গে মনসার বিবাদে আর্য-অনার্য দ্বন্দ্ব প্রকাশ পেয়েছে।
• কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি ।
• এছাড়াও বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস, পিপলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকা দাস, ক্ষেমানন্দ প্রমুখ মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন।

• এই কাব্যের অন্যান্য চরিত্রগুলো:
- চাঁদ সওদাগর,
- বেহুলা,
- লখিন্দর,
- সনকা,
- সাপের দেবী মনসা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'ইউসুফ-জোলেখা' প্রণয়কাব্য অনুবাদ করেছেন-
  1. দৌলত উজির বাহরাম খান
  2. মাগন ঠাকুর
  3. আলাওল
  4. শাহ্ মুহম্মদ সগীর
সঠিক উত্তর:
শাহ্ মুহম্মদ সগীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ্ মুহম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা
 ইউসুফ-জোলেখা কাব্য:
• ইউসুফ-জোলেখা’ শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত কাহিনি কাব্যগ্রন্থ যা রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য।
• গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এ কাব্যর রচনা হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে।
• বাইবেল ও কোরানে ইউসুফ-জোলেখার কাহিনি বর্ণিত আছে। ইরানের কবি ফেরদৌসিও এই নামে কাব্য রচনা করেছেন। সগীর বাইবেল পড়েন নি। তিনি কোরান ও ফেরদৌসির কাছে থেকেই কাহিনিসূত্র গ্রহণ করে ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনি লেখেন।
• পরবর্তীতে মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ জুলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেছেন। যেমন- ইউসুফ জুলেখা নিয়ে কাব্য রচনা করেন আব্দুল হাকিম এবং শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ। তবে এই কাব্য শাহ মুহাম্মদ সগীরই প্রথম লেখেন।

------------------------------
• শাহ মুহম্মদ সগীর:
- মধ্যযুগের তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
- তিনি পনের শতকের কবি ছিলেন।
- গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি কাব্য রচনা করেন।
- অনুবাদ সাহিত্য বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি - শাহ্‌ মুহম্মদ সগীর।
- শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকর্ম ইউসুফ-জোলেখা। এটি একটি রোমান্টিক প্রনয়োপাখ্যান।
- ইউসুফ-জোলেখা কাব্যগ্রন্থের রচনাকাল অনুসারে এটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য এবং শাহ মুহম্মদ সগীর এই ধারার প্রথম কবি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়িা।
.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'ভ্রান্তিবিলাস' কোন নাটকের গদ্য অনুবাদ?
  1. মার্চেন্ট অব ভেনিস
  2. কমেডি অব এররস
  3. অ্যা মিডসামার নাইটস ড্রিম
  4. টেমিং অব দ্য শ্রু
সঠিক উত্তর:
কমেডি অব এররস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমেডি অব এররস
ব্যাখ্যা
• ‘ভ্রান্তিবিলাস’:
- ভ্রান্তিবিলাস রচিত হয় ১৮৬৯ সালে, বিদ্যাসাগরের প্রথম রচনা বেতালপঞ্চবিংশতির বাইশ বছর পরে। 
- ভ্রান্তিবিলাস বিশ্বখ্যাত নাট্যকার শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটক অবলম্বনে রচিত।
- বইয়ের 'বিজ্ঞাপন' শিরোনাম অংশে তিনি লিখেছেন:
'কিছু দিন পূর্বে, ইংলন্ডের অদ্বিতীয় কবি শেক্সপীয়রের প্রণীত ভ্রান্তিপ্রহসন পড়িয়া আমার বোধ হইয়াছিল, এতদীয় উপাখ্যানভাগ বাঙ্গালাভাষায় সঙ্কলিত হইলে লোকের চিত্তরঞ্জন হইতে পারে। তদনুসারে ঐ প্রহসনের উপাখ্যানভাগ বাঙ্গালাভাষায় সঙ্কলিত ও ভ্রান্তিবিলাস নামে প্রচারিত হইল।'
- এরপরে তিনি বলেছেন যে এই নাটকের কাব্য-অংশ শেক্সপীয়রের অন্যান্য নাটকের চেয়ে 'নিকৃষ্ট', কিন্তু এর কাহিনী-অংশ কৌতুকপূর্ণ। সেজন্য তিনি এই নাটকটি বাংলাভাষায় রূপান্তরের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন।

-------------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি প্রথম গদ্যে যতিচিহ বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭)। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।

• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘ভ্রান্তিবিলাস’ গ্রন্থ।
.
কখনো উপন্যাস লেখেননি-
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. বুদ্ধদেব বসু
সঠিক উত্তর:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কোনো উপন্যাস গ্রন্থ নেই।

• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১-১৯৬০) ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
• ১৯৩১ সাল থেকে দীর্ঘ বারো বছর তিনি পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্রের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল।
• সুধীন্দ্রনাথ কর্মজীবনের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাও করেছেন। আধুনিক মনন ও বৈশ্বিক চেতনার কারণে তিনি বাংলা কাব্যে স্বতন্ত্র স্থান লাভ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি:
কাব্য:
• তন্বী,
• অর্কেস্ট্রা,
• ক্রন্দসী,
• উত্তরফাল্গুনী,
• সংবর্ত,
• দশমী।

গদ্যগ্রন্থ:
• স্বগত ,
• কুলায় ও কালপুরুষ।

• এছাড়া প্রতিধ্বনি (১৯৫৪) নামে তাঁর একটি অনুবাদগ্রন্থও আছে।

অন্যদিকে,
• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাসসমূহ:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- মাল্যবান;
- সতীর্থ;
- কল্যাণী।

• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা সৌমিত্র শেখর।
.
'দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা-
  1. শওকত ওসমান
  2. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত
  3. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. হাসান আজিজুল হক
সঠিক উত্তর:
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যা
‘দুধভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্থ:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের গল্পগ্রন্থ 'দুধভাতে উৎপাত'।
- এটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'দুধভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থের ‘মিলির হাতে স্টেনগান’ গল্পটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় রচিত।

- এই গল্পগ্রন্থে মোট চারটি গল্প রয়েছে। যথা -
• মিলির হাতে স্টেনগান,
• দুধভাতে উৎপাত,
• পায়ের নিচে জল,
• দখল।

--------------------------
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গোহাটি গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন মূলত কথাসাহিত্যিক।
- তাঁর পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস।
- তিনি বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এদেশের প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতিও তাঁর পরোক্ষ সমর্থন ছিল।
- তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
- বাংলা ভাষা ও বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার’ (১৯৮২), 'খোয়াবনামা' উপন্যাসের জন্য ‘সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার’ (১৯৯৫) ও কলকাতার ‘আনন্দ পুরস্কার’ (১৯৯৬) লাভ করেন।
- তিনি ১৯৯৭ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খােয়াবনামা।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোঁয়ারি,
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘দুধভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্থ ও বাংলাপিডিয়া।
.
রোহিণী-বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র?
  1. বিষবৃক্ষ-চতুরঙ্গ-চরিত্রহীন
  2. কৃষ্ণকান্তের উইল-যোগাযোগ-পথের দাবি
  3. দুর্গেশনন্দিনী-চোখের বালি-গৃহদাহ
  4. কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণকান্তের উইল:
- কৃষ্ণকান্তের উইল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- তিনটি চরিত্রে ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনি বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- রোহিনী,
- ভ্রমর এবং
- গোবিন্দলাল।

---------------------------------
• 'চোখের বালি' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ''চোখের বালি'' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- তিনি এই উপন্যাস রচনার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসকে নতুন খাতে প্রবাহিত করেন।
- এই উপন্যাসেই লেখক প্রথম সমসাময়িক সমাজের পাত্রপাত্রী ব্যবহার করেন।
- রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসেই প্রথম কাহিনির ভার পরিহার করে ব্যক্তিত্ত্বের ফলস্বরূপ নানা সংকটকে উপন্যাসের বিষয় হিসাবে ব্যবহার করেন।
- উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- বিনোদিনী ছিলেন বিধবা এবং তার আশা-আকাঙ্খা, প্রেম, দুঃখ ইত্যাদি এই উপন্যাসের কাহিনিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- উপন্যাসে আশালতা ছিলেন মহেন্দ্র’র স্ত্রী ও পতিব্রতা। কিন্তু মহেন্দ্র তার স্ত্রীর ভালোবাসা উপেক্ষা করে এবং বিধবা বিনোদিনীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে।

প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- বিনোদিনী,
- মহেন্দ্র,
- আশালতা,
- বিহারী,
- রাজলক্ষী প্রমুখ।

--------------------------
• 'চরিত্রহীন' উপন্যাস:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'চরিত্রহীন' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে।
- প্রথা বহির্ভূত প্রেম ও নারীপুরুষের সম্পর্ক নিয়ে এটি রচিত।
- উপন্যাসের নামকরণ তাই চরিত্রহীন।
- গল্পটিতে চারটি নারী চরিত্র রয়েছে।

 তার মধ্যে দুটি প্রধান চরিত্র:
- সাবিত্রী ও
- কিরণময়ী।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাস এবং 'চরিত্রহীন' উপন্যাস।
.
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে'-এ প্রার্থনাটি করেছে-
  1. ভাঁড়ুদত্ত
  2. চাঁদ সওদাগর
  3. ঈশ্বরী পাটনী
  4. নলকুবের
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরী পাটনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরী পাটনী
ব্যাখ্যা
• অন্নদামঙ্গল কাব্য:
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তাকে মধ্যযুগের প্রথম নাগরিক কবি বলা হয়।
- এই কাব্যের প্রধান চরিত্র: মানসিংহ, ভবানন্দ, বিদ্যাসুন্দর, মালিনী, ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য তিনখণ্ডে বিভক্ত: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল ও মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

- অন্নদামঙ্গল কাব্যের চরিত্র ঈশ্বরী পাটনীর উক্তি:
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'।

• অন্নদামঙ্গল কাব্যের কিছু বিখ্যাত পঙক্তি হলো-
- 'মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।’
- 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?'
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।’

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'হ্ম'-এর বিশ্লিষ্ট রূপ-
  1. ক + ঘ
  2. ক + ষ + ণ
  3. ক + ষ + ম
  4. হ্ + ম
সঠিক উত্তর:
হ্ + ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্ + ম
ব্যাখ্যা
• 'হ্ম' যুক্তবর্ণটি হ্ ও ম দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত।
• হ্ + ম = হ্ম।

------------------
সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না, এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম। যথা:
১. স্বচ্ছ ও
২. অস্বচ্ছ।

• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ট, জ্জ, জ্ব, ঞ, ণ্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, ণ্ঠ, ড, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, ল্প, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ত = (ক্ + ত),
ক্ম = (ক্ + ম),
ক্ষ = (ক্ + ষ),
ক্ষ্ম = (ক্ + ষ্ + ম),
ক্স = (ক্ + স),
গু = (গ্ + উ),
গ্ধ = (গ্ + ধ),
ঙ্গ = (ঙ্ + গ),
জ্ঞ = (জ + ঞ),
ঞ্চ = (ঞ্ + চ),
ঞ্জ = (ঞ্ + জ),
ষ্ণ = (ষ্ + ণ)
হু = (হ্ + উ),
হৃ = (হ + ঋ),
হ্ন = (হ্ + ন),
হ্ম = (হ্ + ম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি( ২০২২ সংস্করণ)।
.
নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে-
  1. কল্যাণীয়াষু
  2. সুচরিতেষু
  3. শ্রদ্ধাস্পদাসু
  4. প্রীতিভাজনেষু
সঠিক উত্তর:
শ্রদ্ধাস্পদাসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রদ্ধাস্পদাসু
ব্যাখ্যা
• পত্রে নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত  শব্দ- শ্রদ্ধাস্পদাসু।

• শ্রদ্ধাভাজন, স্নেহভাজন নারীদের লিখিত পত্রের সম্বোধনগুলো হলো:
- শ্রদ্ধাভাজনাসু, শ্রদ্ধাস্পদাসু, কল্যাণীয়াসু ইত্যাদি।

• শ্রদ্ধাভাজন, স্নেহভাজন পুরুষ ও বন্ধুদের লিখিত পত্রের সম্বোধনগুলো হলো:
- শ্রদ্ধাভাজনেষু, শ্রদ্ধাস্পদেষু, সুচরিতেষু, প্রীতিভাজন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
'পেয়ারা' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. হিন্দি
  2. উর্দু
  3. পর্তুগিজ
  4. গ্রিক
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা
• পর্তুগিজ শব্দ- পেয়ারা।

• পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো:
আনারস, আতা, র্গীজা, পেঁপে, সাবান, চাবি, সালোয়ার, বালতি, গুদাম, পাউরুটি , পাদ্রি, বালতি, কামরা, বোতল জানালা, বোতাম, গামলা , সাবান, তোয়ালে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১১.
সমার্থক শব্দগুচ্ছ সনাক্ত করুন-
  1. দীর্ঘিকা, নদী, প্রণালী
  2. শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
  3. গাঙ, তটিনী, অর্ণব
  4. স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু
সঠিক উত্তর:
শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
ব্যাখ্যা
• 'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ:
নদ, নদনদী, তটিনী, প্রবাহিণী, তরঙ্গিনী, শৈবালিনী, সরিৎ, স্রোতস্বিনী, স্রোতস্বতী, নির্ঝরণী, গাঙ, সমুদ্রকান্তা, সমুদ্রদয়িতা, স্রোতবহা, মন্দাকিনী, স্রোতোবহ, কল্লোলিনী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
শুদ্ধ বানানের শব্দগুচ্ছ সনাক্ত করুন-
  1. ভবিষ্যত, ভৌগলিক, যক্ষ্মা
  2. যশলাভ, সদ্যোজাত, সংবর্ধনা
  3. স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
  4. ঐক্যতান, কেবলমাত্র, উপরোক্ত
সঠিক উত্তর:
স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: 
গ) স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক।

অশুদ্ধ শব্দগুলোর শুদ্ধরূপ হলো-
• ভবিষ্যৎ, ভৌগোলিক, যক্ষ্মা
যশোলাভ, সদ্যোজাত, সংবর্ধনা।
• স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক।
ঐকতান, কেবল, উপরিউক্ত

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
'প্রাতরাশ'-এর সন্ধি-
  1. প্রাত + রাশ
  2. প্রাতঃ + রাশ
  3. প্রাতঃ + আশ
  4. প্রাত + আশ
সঠিক উত্তর:
প্রাতঃ + আশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাতঃ + আশ
ব্যাখ্যা
• বিসর্গসন্ধির নিয়ম:
অন্তঃ, পুনঃ, প্রান্তঃ ইত্যাদির পর স্বরধ্বনি থাকলে সন্ধির ফলে বিসর্গ র হয়ে পরবর্তী স্বরধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- অন্তঃ + অঙ্গ = অন্তরঙ্গ,
- প্রাতঃ + আশ = প্রাতরাশ,
- অন্তঃ + আত্মা = অন্তরাত্মা,
- অন্তঃ + ইত = অন্তরিত,
- অন্তঃ + ইন্দ্রিয় = অন্তরিন্দ্রিয়,
- অন্তঃ + ঈক্ষ = অন্তরীক্ষ,
- অন্তঃ+ ঈপ = অন্তরীপ,
- পুনঃ + উত্থান = পুনরুত্থান,
- পুনঃ+ উক্তি = পুনরুক্তি,
- পুনঃ + অধিকার = পুনরধিকার।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
যে পদে বাক্যের ক্রিয়াপদটির গুণ, প্রকৃতি, তীব্রতা ইত্যাদি প্রকৃতিগত অবস্থা বোঝায়, তাকে বলা হয়-
  1. ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য
  2. ক্রিয়াবিশেষণ
  3. ক্রিয়াবিশেষ্যজাত বিশেষণ
  4. ক্রিয়াবিভক্তি
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়াবিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়াবিশেষণ
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়াবিশেষণ:
ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সংঘটনের ভাব, কাল বা রূপ নির্দেশ করে। ক্রিয়াবিশেষণ বাক্যের ক্রিয়াকে বিশেষিত করে। এটি ক্রিয়ার গুণ, প্রকৃতি, তীব্রতা, বৈশিষ্ট্য ও অর্থ-প্রকাশক শব্দ হিসেবে কাজ করে এবং ক্রিয়া সময় স্থান, প্রকার, উৎস, উপকরণ ইত্যাদি প্রকৃতিগত অবস্থার অর্থগত ধারণা দেয়।

নিচের বাক্যে নিম্নরেখ শব্দগুলাে ক্রিয়া বিশেষণের উদাহরণ:
- ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়।
- লোকটি ধীরে হাঁটে।
এখানে দ্রুত, ধীরে শব্দ গুলো হল ক্রিয়া বিশেষণ।

ক্রিয়া বিশেষণকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

• ধরনবাচক ক্রিয়া বিশেষণ: কোনাে ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়, ধরন বাচক ক্রিয়াবিশেষণ তা নির্দেশ করে।
যেমন
- টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
- ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।

• কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে।
যেমন:
- যথাসময়ে সে হাজির হয় ।

• স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
যেমন: মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়।

• নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: না, নি ইত্যাদি দিয়ে ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা বোঝায়। এগুলো সাধারণত ক্রিয়ার পরে বসে।
যেমন:
- তিনি আর এখন ক্রিকেট খেলেন না।

• পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ: 'কি', 'যে', 'বা', 'না', 'ত' ইত্যাদি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
যেমন:
- আমি কি যাব?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫.
'রামগরুড়ের ছানা' কথাটির অর্থ-
  1. কাল্পনিক জন্তু
  2. গোমড়ামুখো লোক
  3. মুরগি
  4. পুরাণোক্ত পাখি
সঠিক উত্তর:
গোমড়ামুখো লোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোমড়ামুখো লোক
ব্যাখ্যা
• ‘রামগরুড়ের ছানা’ বাগ্‌ধারার অর্থ - গোমড়ামুখো লোক।

এরূপ গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগ্‌ধারা হলো:
• ‘ধামাধরা’ বাগ্‌ধারার অর্থ - তোষামোদকারী।
• ‘যমের দোসর’ বাগ্‌ধারার অর্থ - নিষ্ঠুর ব্যক্তি।
• ‘ভাঁড়ে মা ভবানী’ বাগ্‌ধারার অর্থ - একেবারে দরিদ্র বা হত দরিদ্র অবস্থা।
• 'বুদ্ধির ঢেঁকি' বাগ্‌ধারার অর্থ - নির্বোধ লোক।
• ‘ফেকলু পার্টি’ বাগ্‌ধারার অর্থ - কদরহীন লোক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
নিচের কোনটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি?
  1. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
  4. পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো সাত
সঠিক উত্তর:
ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
- যতিচিহ্নের অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে ‘ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২’ বাক্যে।
• বাক্যটির শুদ্ধরূপ হবে- ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২।

------------------------
• যতিচিহ্ন:

মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• কমা:

- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। কমা পূর্ণযতি নয়, তাই কমা দিয়ে কোনো বাক্য শেষ হয় না। কমা চিহ্নের বাংলা নাম পাদচ্ছেদ।
- শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
• সম্বোধন পদের পরে সাধারণত কমা বসে।
যেমন:
- স্যার, আমাকে ব্যাপারটি বুঝিয়ে দেবেন?
- রব, এদিকে এসো।

• বাক্যে একাধিক বিশেষ্য কিংবা বিশেষণ পদের বিবৃতি প্রকাশের ক্ষেত্রে কমা বসাতে হয়।
যেমন:
- জনি বুদ্ধিমান, সাহসী ও জ্ঞানী।
- মীম, সানি, হারুন ও রব কক্সবাজার গিয়েছে।

• তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে ‘কমা’ বসে।
যেমন:
- ১৯শে আশ্বিন, বৃহস্পতিবার, ১৪২৫ সালে মীম বান্দরবান জেলায় জন্মগ্রহণ করে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৭.
'বামেতর' শব্দটির অর্থ-
  1. বামচোখ
  2. ডান
  3. ইতর
  4. বাম দিক
সঠিক উত্তর:
ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডান
ব্যাখ্যা
• বামেতর (বিশেষণ পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- ডান;
- ডাহিন;
- দক্ষিণ।

কবিতায় ব্যবহার: প্রমীলার বামেতর নয়ন নাচিল- মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৮.
প্রথম বাংলা 'থিসরাস' বা সমার্থক শব্দের অভিধান সংকলন করেছেন-
  1. অশোক মুখোপাধ্যায়
  2. জগন্নাত চক্রবর্তী
  3. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
  4. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• ‘সমার্থক শব্দের অভিধান':
- ‘সমার্থক শব্দের অভিধান' একটি থিসরাস জাতীয় অভিধান।
- ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয় মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের ‘সমার্থক শব্দের অভিধান' গ্রন্থটি।
- বাংলোদেশে থিসরাস জাতীয় অভিধানের মধ্যে এটিই প্রথম রচনা।
- এছাড়া থিসরাস জাতীয় অভিধানের মধ্যে কলকাতা থেকে প্রকাশিত অশােক মুখােপাধ্যায় এর ‘সমার্থশব্দকোষ' বিশেষভাবে উল্লেখযােগ্য। - উক্ত দুটি অভিধান ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত পিটার মার্ক রজে’র ইংরেজি ভাষায় বিখ্যাত থিসরাস ‘থিসরাস অব ইংলিশ ওয়ার্ডস এন্ড ফ্রেজেস' অবলম্বনে, বিষয়ভিত্তিক সাজানাে হয়।
- প্রয়ােজনীয় শব্দের কাংখিত প্রতিশব্দ খুঁজে পেতে আপনাকে | বিষয়ভিত্তিক সূচিতে খোঁজ করতে হবে, যদিও বর্ণানুক্রমিক সূচি থিসরাস গ্রন্থের শেষে রয়েছে।

উৎস: ‘সমার্থক শব্দের অভিধান' গ্রন্থের ভূমিকা।
১৯.
'নিরানব্বইয়ের ধাক্কা' বাগধারাটির অর্থ-
  1. তীরে পৌছার ঝক্কি
  2. সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
  3. মুমূর্ষু অবস্থা
  4. আসন্ন বিপদ
সঠিক উত্তর:
সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
ব্যাখ্যা
• ‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ- সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি।
- বাক্য গঠন: এমনই তাঁর নিরানব্বইয়ের ধাক্কা যে মুমূর্ষু স্ত্রীর জন্যও টাকা খরচ করতে চায় না।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগ্‌ধারা হলো:
- 'যখন তখন অবস্থা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - মুমূর্ষু অবস্থা।
- 'শিরে সংক্রান্তি' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - আসন্ন বিপদ।
- 'ঊনকোটি চৌষট্টি' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - প্রায় সম্পূর্ণ।
- ‘আষাঢ়ে গল্প’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ- আজগুবি কাহিনি।
- 'অগ্নি পরীক্ষা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ- কঠিন পরীক্ষা।
- 'অদৃষ্টের পরিহাস' বাগ্‌ধারাটির অর্থ- ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা তা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে বলা হয়-
  1. দ্বন্দ্ব সমাস
  2. অব্যয়ীভাব সমাস
  3. কর্মধারয় সমাস
  4. নিত্য সমাস
সঠিক উত্তর:
নিত্য সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্য সমাস
ব্যাখ্যা
• নিত্য সমাস:
যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় না, তাকে নিত্য সমাস বলে।
যেমন:
- অন্য দেশ = দেশান্তর;
- ঈষৎ লাল = লালচে,
- অন্যকাল = কালান্তর ইত্যাদি,
- দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই,
- কেমল দর্শন = দর্শনমাত্র।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২১.
Complete the following sentence.
If I had known you were coming-
  1. I would go to the station.
  2. I had gone to the station.
  3. I would have gone to the station.
  4. I would be going to the station.
সঠিক উত্তর:
I would have gone to the station.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I would have gone to the station.
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে  সঠিক উত্তর হবে - I would have gone to the station.
- Complete Sentence: If I had known you were coming, I would have gone to the station.

• If + Sub + Present perfect = 3rd conditional.
- যেহেতু sentence টি 3rd conditional -
- তাই এর ২য় clause এ - Sub + would/could/might + have + verb এর past participle + extension হবে।
- Structure: If + Sub + Present perfect + Sub + would/could/might + have + verb এর past participle + extension.
২২.
Choose the correct option:
Even as harvesting was going on -
  1. the rainy season began.
  2. the rainy season was began.
  3. the rainy season had began.
  4. the rainy season begins.
সঠিক উত্তর:
the rainy season began.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the rainy season began.
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - the rainy season began.
- Complete sentence: Even as harvesting was going on the rainy season began.

• বাক্যে principal এবং subordinate clause একই tense এর হওয়া বাঞ্ছনীয়।
- যদি principal clause present tense এ হয় তবে subordinate clause টি যেকোনো tense এর হয়ে পারে।
- দুইটি clause এর মাঝে কোনো conjunction আসলে তখন নিয়মানুযায়ী tense এর পরিবর্তন ঘটতে পারে।

• নিয়মানুযায়ী, অপশন ক) the rainy season began সঠিক।
- খ) অপশনে was begun না হয়ে শুধু began হওয়া উচিত ছিলো, কারণ begun হচ্ছে verb এর past participle form তাই এর পূর্বে have/has/had বসে।
- গ) এবং ঘ) অপশন এই নিয়ম অনুসরণ না করায় তা সঠিক নয়। 
২৩.
Which phrase contains words opposed to each other in meaning?
  1. Hopes and aspiration.
  2. Heat and dust.
  3. Reproduction and death.
  4. Emerged and advanced.
সঠিক উত্তর:
Reproduction and death.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Reproduction and death.
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে - 
ক)
Hope - আশা/ভরসা/প্রত্যাশা করা।
Aspiration - আকাঙ্ক্ষা; উচ্চাকাঙ্ক্ষা।
খ)
Heat - তাপ; উত্তাপ।
Dust - ধুলা; ধূলিকণা।
গ)
Reproduction - পুনরুৎপাদন; পুনর্জনন।
Death - মৃত্যু; মরণ; জীবনহানি।
ঘ)
Emerged - প্রকাশিত হওয়া; (পানি থেকে) বেরিয়ে আসা।
Advanced - অত্যন্ত অগ্রসর।

• শব্দগুলোর অর্থ্য বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে - The phrase Reproduction and death -  contains words opposed to each other in meaning.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৪.
Find out the correct translation.
সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।
  1. It is raining from morning.
  2. It has been raining from morning.
  3. It has been drizzling since morning.
  4. It is drizzling since morning.
সঠিক উত্তর:
It has been drizzling since morning.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It has been drizzling since morning.
ব্যাখ্যা
• Drizzle (Verb):
English Meaning: rain lightly.
Bangla Meaning: গুঁড়ি গুঁড়ি বা খুব হালকাভাবে বৃষ্টি হওয়া।
And the sentence will be in the present perfect continuous form.

• Point of time এর পূর্বে since বসে।
Point of time হচ্ছে সেই সময়কাল যাকে এক, দুই, তিন ইত্যাদি গণনার একক দ্বারা গণনা করা যায় বরং কোনো মুহূর্ত বা সময়কে নির্দেশ করে। যেমন- গত সোমবার, গত সপ্তাহ/মাস/বছর, দুইটা, সাড়ে তিনটা ইত্যাদি।
Point of time এর ক্ষেত্রে present perfect continous tense হয়।
যেমন:
- It has been raining since morning.
- He has been studying since morning.

• সুতরাং, সঠিক Translation হবে - It has been drizzling since morning.

Source: Oxford Learners Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৫.
Maiden speech means-
  1. First speech
  2. Last speech
  3. Late speech
  4. Early speech
সঠিক উত্তর:
First speech
উত্তর
সঠিক উত্তর:
First speech
ব্যাখ্যা
• Maiden speech:
English meaning:
- A politician's maiden speech is the first speech that he or she makes in parliament after becoming a member of it.
- The first formal speech made by a British Member of Parliament in the House of Commons or by a member of the House of Lords.
Bangla meaning: প্রথম বক্তৃতা বা প্রথম ভাষণ।

Example: 
- I am most grateful for the opportunity to make my maiden speech in this debate.
- I spoke about referendums in my maiden speech and have done so on a number of other occasions.

• সুতরাং, Maiden speech means - First speech.

Source: Cambridge Dictionary,  Collins Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৬.
A person whose 'head' is in the clouds is-
  1. proud
  2. a day dreamer
  3. an aviator
  4. useless
সঠিক উত্তর:
a day dreamer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a day dreamer
ব্যাখ্যা
• A person whose head is in the clouds is - a day dreamer.
Have one’s head in the clouds:
English Meaning: (of a person) out of touch with reality/day dreaming.
Bangla Meaning: পরিস্থিতি সম্পর্কে পুর্ণ ধারণা না রাখা / আকাশ কুসুম কল্পনা।

Ex. Sentence: He's always got his head in the clouds.
Bangla Meaning: সে সর্বদাই দিবা-স্বপ্নে বিভোর থাকে।

• অন্য অপশনগুলোর অর্থ - 
ক) proud -
- (সদার্থে) গর্বিত; মর্যাদাবান।
- (কদার্থে) উদ্ধত; অহংকারী; প্রগলভ; অহংকৃত; দাম্ভিক।

গ) an aviator
- একজন বিমান, নভোযান বা বেলুনের চালক; বৈমানিক।

ঘ) useless
- অকাজের; মূল্যহীন; অর্থহীন; অপদার্থ; অকেজো; অকার্যকর

Source: Live MCQ Lecture and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৭.
Identify the correct sentence
  1. she had faith in and hopes for the future.
  2. She had faith and hopes for the future.
  3. she had faith and hopes in the future.
  4. she had faith and hopes in future.
সঠিক উত্তর:
she had faith in and hopes for the future.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
she had faith in and hopes for the future.
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে - She had faith in and hopes for the future.
- Faith এর সাথে appropriate preposition হচ্ছে in আর hope এর সাথে appropriate preposition হিসেবে for বসে।

• Faith in
English Meaning: Great trust or confidence in something or someone
Bangla Meaning: কোন কিছুতে বিশ্বাস রাখা।

• Hope for
English Meaning: to hope that something will be successful or happen in the way you want, even if it seems unlikely.
Bangla Meaning: কোন বিষয়ে আশা প্রকাশ করা।
২৮.
Choose the correct tense-
  1. Javed was so exhausted that he lain down for a sleep.
  2. Javed was so exhausted that he had laid down for a sleep.
  3. Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep.
  4. Javed was so exhausted that he will lay down for a sleep.
সঠিক উত্তর:
Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep.
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হচ্ছে - Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep.
- This sentence uses the past continuous tense "was lying," which correctly describes an ongoing action in the past, fitting the context of Javed being exhausted and lying down.

• Lie - শয়ন করা, অবস্থান করা।
- এর past form হচ্ছে - Lay এবং participle form হচ্ছে - Lain.

• অন্যদিকে, Lay - স্থাপন করা, ডিম পাড়া।
- এর past form এবং participle form হচ্ছে - Laid.

অপশন অনুযায়ী, 
ক) বাক্যটি ভুল কারণ এখানে past participle lain ব্যাবহৃত হলেও তার পূর্বে have বসে নি। 
- সঠিক বাক্য - Javed was so exhausted that he  had lain down for a sleep.

খ)  তে laid down ব্যাবহৃত হয়েছে যার অর্থ ডিম পারা যার সাথে ঘুমানোর কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘ) অপশনে tense এর ভুল ব্যাবহার হয়েছে।
২৯.
A synonym for 'resentment' is-
  1. fear
  2. anger
  3. indignation
  4. panic
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• Resentment (noun) 
English Meaning: Bitter indignation at having been treated unfairly.
Bangla Meaning: অসন্তুষ্টি; বিরতি; অপমানবোধ।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
ক) fear (noun)
- an unpleasant emotion caused by the threat of danger, pain, or harm.
- ভয়; আতঙ্ক।

খ) anger (noun)
-
a strong feeling of annoyance, displeasure, or hostility.
- ক্রোধ; রোষ; রাগ।

গ) indignation (noun)
- anger or annoyance provoked by what is perceived as unfair treatment.
- অবিচার, অসদাচরণ ইত্যাদি কারণে ক্রোধ, ক্ষোভ, কোপ বা রোষ।

ঘ) panic (noun)
- sudden uncontrollable fear or anxiety, often causing wildly unthinking behaviour.
- দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এমন অবুঝ নিয়ন্ত্রণহীন আতঙ্ক।

• Merriam-Webster Dictionary অনুসারে, Resentment এর synonym হিসেবে Anger এবং Indignation দুটিই সঠিক।
- অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy, Oxford Dictionary and Merriam-Webster Dictionary
৩০.
The captain left the boat, because it-
  1. turned down
  2. turned up
  3. turned bottom
  4. turned over
সঠিক উত্তর:
turned over
উত্তর
সঠিক উত্তর:
turned over
ব্যাখ্যা
• অপশন গুলোর অর্থ,
• turned down:
- to refuse an offer or request.

• turned up:
- to arrive or appear somewhere, usually unexpectedly or in a way that was not planned.
-  উপস্থিত হওয়া; আসা

• turned bottom:
- কোনো অর্থবোধক phrase নয়।

- turned over:
- If an engine turns over, its parts move in order to make the engine start running.
- উলটানো; উলটে যাওয়া; অবস্থান পরিবর্তন করা; আছাড় খাওয়া; পাশ ফেরা।

• phrase গুলোর অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - turned over.
- Complete sentence: The Captain left the boat, because it turned over.

Source: Cambridge Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩১.
One should be careful about _____ duty.
  1. his
  2. her
  3. one's
  4. the
সঠিক উত্তর:
one's
উত্তর
সঠিক উত্তর:
one's
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে - one's.
- Complete sentence: One should be careful about one's duty.
• প্রশ্নটি মূলত possessive pronoun বাক্যে possessive pronoun এর ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।

• নিয়মানুযায়ী,
- এখানে one শব্দটি হলো pronoun.
- এর possessive form হচ্ছে one's.
- One এর possessive হিসাবে সবসময়ই One's বসে।
- বাক্যে Subject হিসাবে One বসলে এর Possessive Adjective হিসাবে one's হবে।
- তাই এখানে one's ই ব্যবহার করতে হবে।
- His, her বা it বসে না।

• He এর possessive form 'his'.
- She এর possessive form 'her'.
৩২.
Three fourths of the work _____ finished.
  1. have been
  2. had
  3. has been
  4. were
সঠিক উত্তর:
has been
উত্তর
সঠিক উত্তর:
has been
ব্যাখ্যা
• সাধারণত ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে প্রথমটি One এর বেশি হলে দ্বিতীয়টির সঙ্গে 's' যোগ হয় (যেমন- Two-thirds).
- কিন্তু প্রথমটি One হলে দ্বিতীয়টির সঙ্গে 's' যোগ হয় না (যেমন- One-third).

- আবার সব ধরনের ভগ্নাংশের পরে noun - singular হলে verb - singular এবং noun - plural হলে verb - plural হয়।
- উল্লিখিত প্রশ্নে work হচ্ছে uncountable noun এবং singular.

- তাই, নিয়মানুযায়ী বুঝা যাচ্ছে সঠিক উত্তর হচ্ছে - has been finished.
- Three-fourths of the work has been finished.
- যেহেতু কোনো কাজ নিজে নিজে করা সম্ভব নয়, কারো দ্বারা সংঘটিত হয় তাই তা pasive sense প্রকাশ করছে বিধায় has been অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর।
- had না হয়ে had been হলে দ্বৈত উত্তর হত।
 
• Correct complete Sentence:
- Three-fourths of the work has been finished.
৩৩.
We waited until the plane-
  1. did not take off
  2. took off
  3. had not taken off
  4. had taken off
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর খ) took off এবং ঘ) had taken off
- অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায়, উত্তর নেয়া সম্ভব হয় নি।
-------------------

• When, as, till, until ইত্যাদি যখন সময় অর্থে ব্যবহৃত হয় তখন এগুলোর পুর্বে past form থাকলে পরের অংশে past indefinite এবং past perfect tense দুইটির ব্যবহারই শুদ্ধ।
• যেমন:
- We waited until the plane had taken off.
- এখানে until এর আগের অংশে past indefinite tense এবং পরের অংশে past perfect tense ব্যবহৃত হয়েছে।

• আবার,
- We waited until the plane took off.
- এখানে, until এর আগে এবং পরে উভয় ক্ষেত্রেই past indefinite tense ব্যবহৃত হয়েছে।

• অন্যদিকে,
- Till/unlill যুক্ত বাক্যের প্রথম clause টি future indefinite হলে , till/until এর পরের clause টি present indefinite হয়।
- Will you wait until I am ready?
৩৪.
I spent ____ with the patient
  1. sometimes
  2. sometime.
  3. some time
  4. some times.
সঠিক উত্তর:
some time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
some time
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে -
ক) Sometimes - মাঝে মাঝে ;
খ) sometime - কোন এক সময় ;
গ) some time - কিছু সময়, খানিকটা সময়।
ঘ) some times বলে কোনো শব্দ নেই।

•  সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে context অনুসারে শূন্যস্থানে some time বসালে বাক্যের অর্থ পূর্ণতা পাবে।
- Complete Sentence: I spent some time with the patient.
- বাক্যের অর্থ- আমি রোগীটির সাথে খানিকটা সময় ব্যয় করেছিলাম৷
৩৫.
Choose the correct sentence.
  1. Rahim ate almost the whole fish.
  2. Rahim almost ate the whole fish.
  3. Almost Rahim ate whole fish.
  4. Rahim ate the whole fish almost.
সঠিক উত্তর:
Rahim ate almost the whole fish.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rahim ate almost the whole fish.
ব্যাখ্যা
• Almost (adverb)- (প্রায়)
- এই বাক্যে almost একটি adverb যা বাক্যের verb, adjective এর পূর্বে বসে তার দোষ গুণ প্রকাশ করে
- Almost যার পূর্বে বসবে, তাকে Modify করবে।

- যার কারণে ate ও Rahim এর পূর্বে বসালে কোন Sense প্রকাশ করে না। আর বাক্যের শেষেও almost বসে না।
- সে হিসেবে গ এবং ঘ ভুল।

- Ate almost the whole fish অর্থ প্রায় সম্পূর্ণ মাছটি খেল, এটা যথার্থ অর্থবোধক।
- তাই এটিই সঠিক উত্তর।
৩৬.
Choose the right preposition for the sentence.
She argued ____ me about the marriage.
  1. with
  2. for
  3. to
  4. from
সঠিক উত্তর:
with
উত্তর
সঠিক উত্তর:
with
ব্যাখ্যা
Argue with/ about
- to speak angrily to someone, telling that person that you disagree with them
- কারো সাথে তর্ক করা, মতবিরোধ করা।
- কোন বিষয়ে/ ব্যাপারে তর্ক করা।
Example: He argued with me against the logic.

Argue for: কোন কিছুর পক্ষে বলা, যুক্তি দেখানো।
Example: He argued for the law.

• বাক্যে বলা হচ্ছে - সে আমার সাথে বিবাহের ব্যাপারে তর্ক করছিল।
- তাহলে শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - with।
- সঠিক বাক্য হবে: She argued with me about the marriage.

Source: Cambridge Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৭.
Choose the right preposition for the sentence.
I count ___ your help.
  1. after
  2. upon
  3. for
  4. with
সঠিক উত্তর:
upon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
upon
ব্যাখ্যা
শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - upon.
Complete Sentence: I count upon your help.

Count on someone (phrasal verb with count verb)
English Meaning: to be confident that you can depend on someone.
Bangla Meaning: কারও ওপরে নির্ভর করা।
- count এর পর preposition 'on/ upon' বসে।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৮.
Identify the correct passive form-
Open the window.
  1. The window shoud be opened.
  2. Let the window be opened.
  3. Let the window be opened by you.
  4. The window must be opened.
সঠিক উত্তর:
Let the window be opened.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let the window be opened.
ব্যাখ্যা
• Imperative Sentence এর ক্ষেত্রে,
শুধুমাত্র মূল verb দিয়ে শুরু Active voice কে Passive voice এ রূপান্তর করার নিয়ম:
i) প্রথমে Let বসে +
ii) Object টি Subject রূপে বসে +
iii) be বসে +
iv) Verb এর past participle বসে।
- সেক্ষেত্রে শেষে by + subject ব্যবহার না করলেও হয়।

Active: Open the window.
Passive: Let the window be opened.
৩৯.
Choose the appropriate meaning of the idiom 'swan song.'
  1. First work
  2. Last work
  3. Middle work
  4. Early work
সঠিক উত্তর:
Last work
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Last work
ব্যাখ্যা
• Swan Song অর্থ হচ্ছে - last work.

• Swan song:
English Meaning: the final performance or activity of a person's career / last work.
Bangla Meaning: শেষ কর্ম / রচনা।

Ex. Sentence: ‘The Tempest' is known as Shakespeare's Swan song.
Bangla Meaning: ‘দ্যা টেম্পেস্ট’ কে শেক্সপিয়ারের শেষ কীর্তি/রচনা বলা হয়।

Source: Live MCQ Lecture.
৪০.
Complete the sentence -
Trees have ___ off their leaves.
  1. thrown
  2. fallen
  3. cast
  4. put
সঠিক উত্তর:
cast
উত্তর
সঠিক উত্তর:
cast
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে -cast.
- Complete Sentence: Trees have cast off their leaves.
- Bangla Meaning: গাছ তাদের পাতা ফেলেছে/পরিত্যাগ করেছে।

• Cast (something) off
- (নৌকার) বাঁধন খুলে ভাসিয়ে দেওয়া;
- পরিত্যাগ করা।

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -
• Fall off
- ক্ষুদ্রতর হওয়া; কম হওয়া।

• Throw (on, off, over, etc):
- (পোশাক-পরিচ্ছদ) দ্রুত বা এলোপাতাড়ি পরা বা খুলে ফেলা।

• Put off
- (নৌকা ইত্যাদি) যাত্রা শুরু করা।
- স্থগিত করা: The marriage was put off by a week.
- (পোশাক) খুলে ফেলা; সন্দেহ, ভয় ইত্যাদি থেকে মুক্ত হওয়া: put off all your doubts.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪১.
৭২ কেজি ওজনবিশিষ্ট একটি মিশ্রণ A এর ১৭ ভাগ, B এর ৩ ভাগ এবং C এর ৪ ভাগ দ্বারা গঠিত। মিশ্রণে B কতটুকু আছে?
  1. ৯ কেজি
  2. ১২ কেজি
  3. ১৭ কেজি
  4. ৫১ কেজি
সঠিক উত্তর:
৯ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ কেজি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৭২ কেজি ওজনবিশিষ্ট একটি মিশ্রণ A এর ১৭ ভাগ, B এর ৩ ভাগ এবং C এর ৪ ভাগ দ্বারা গঠিত। মিশ্রণে B কতটুকু আছে?

সমাধান:
A এর ১৭ ভাগ, B এর ৩ ভাগ এবং C এর ৪ ভাগ
A : B : C = ১৭ : ৩ : ৪

অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ১৭ + ৩ + ৪ = ২৪

মিশ্রণে B এর পরিমাণ = ৭২ এর ৩/২৪
= ৯ কেজি
৪২.
একজন মাঝি স্রোতের অনুকূলে ২ ঘণ্টায় ৫ মাইল যায় এবং ৪ ঘণ্টায় প্রাথমিক অবস্থানে ফিরে আসে। তার মোট ভ্রমণে প্রতি ঘণ্টায় গড়বেগ কত?
  1. ৫/৬
  2. ৫/৩
  3. ১৫/৮
  4. ১৫/৪
সঠিক উত্তর:
৫/৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫/৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন মাঝি স্রোতের অনুকূলে ২ ঘণ্টায় ৫ মাইল যায় এবং ৪ ঘণ্টায় প্রাথমিক অবস্থানে ফিরে আসে। তার মোট ভ্রমণে প্রতি ঘণ্টায় গড়বেগ কত?

সমাধান:
মোট দূরত্ব = ৫ + ৫ = ১০ মাইল
মোট সময় = ৪ + ২ = ৬ ঘণ্টা

∴ ঘন্টায় গড় গতিবেগ = ১০/৬ মাইল/ঘণ্টা
= ৫/৩ মাইল/ঘণ্টা
৪৩.
একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ১৬ একক এবং অপর প্রত্যেক বাহুদ্বয় ১০ একক। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?
  1. ২৪
  2. ৩৬
  3. ৪৮
  4. ৫০
সঠিক উত্তর:
৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ১৬ একক এবং অপর প্রত্যেক বাহুদ্বয় ১০ একক। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?

সমাধান:
আমরা জানি,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহু a একক এবং ভূমি b একক হলে,
ক্ষেত্রফল = (b/4)√(4a2 - b2) বর্গএকক

দেওয়া আছে,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য ১০ একক
ভূমির দৈর্ঘ্য ১৬ একক

এখানে, a = ১০ একক, b= ১৬ একক

সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল =
(১৬/৪)√(৪ × ১০ - ১৬) বর্গএকক
= ৪√(৪ × ১০০- ২৫৬) বর্গএকক
= ৪√(৪০০ - ২৫৬) বর্গএকক
= ৪√১৪৪ বর্গএকক
= ৪ × ১২ বর্গএকক
= ৪৮ বর্গএকক
৪৪.
২০ সদস্যবিশিষ্ট একটি ফুটবল দল থেকে একজন অধিনায়ক ও একজন সহ- অধিনায়ক কতভাবে নির্বাচন করা যাবে?
  1. ২০
  2. ১৯০
  3. ৩৮০
  4. ৭৬০
সঠিক উত্তর:
৩৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০ সদস্যবিশিষ্ট একটি ফুটবল দল থেকে একজন অধিনায়ক ও একজন সহ- অধিনায়ক কতভাবে নির্বাচন করা যাবে?

সমাধান: 
20 জন থেকে 1 জন অধিনায়ক বাছাই করা যায় = 20C1 = 20 উপায়ে
19 জন থেকে 1 জন সহ অধিনায়ক বাছাই করা যায় = 19C1 =19 উপায়ে

∴ বাছাই সংখ্যা = 20 × 19 = 380
৪৫.
কোনো সমান্তর প্রগমনে প্রথম দুটি সংখ্যা যদি ৫ ও ১৭ হয়, তবে তৃতীয় সংখ্যাটি কত?
  1. ২২
  2. ২৫
  3. ২৯
  4. ৮৫
সঠিক উত্তর:
২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো সমান্তর প্রগমনে প্রথম দুটি সংখ্যা ৫ ও ১৭ হয় তবে তৃতীয় পদটি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমান্তর প্রগমনে প্রথম দুটি সংখ্যা ৫ ও ১৭ হলে -
সাধারণ অন্তর = (১৭ - ৫)
= ১২

∴ তৃতীয় পদ = দ্বিতীয় পদ + সাধারণ অন্তর
= ১৭ + ১২
= ২৯
৪৬.
১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪,..................... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ৫৫
  2. ৪০
  3. ৬৮
  4. ৮৯
সঠিক উত্তর:
৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪......... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

সমাধান: 
ধারাটি
১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, .........
পরপর দুটি সংখ্যার যোগফল পরবর্তী সংখ্যার সমান 

এখানে,
১ + ২ = ৩
২ + ৩ = ৫
৩ + ৫ = ৮
৫ + ৮ = ১৩
৮ + ১৩ = ২১
২১ + ১৩ = ৩৪ 
৩৪ + ২১ = ৫৫
৪৭.
১/২ এর শতকরা কত ৩/৪ হবে?
  1. ১২০%
  2. ১২৫%
  3. ১৪০%
  4. ১৫০%
সঠিক উত্তর:
১৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১/২ এর শতকরা কত ৩/৪ হবে?

সমাধান:
১/২ এর ক% = ৩/৪
⇒ ১/২ এর ক/১০০ = ৩/৪
⇒ ক /২০০ = ৩/৪
⇒ ক = ২০০× ৩/৪
∴ ক = ১৫০
৪৮.
M সংখ্যক সংখ্যার গড় A এবং N সংখ্যক সংখ্যার গড় B। সবগুলো সংখ্যার গড় কত?
  1. (A + B)/2
  2. (AM + BN)/2
  3. (AM + BN)/(M + N)
  4. (AM + BN)/(A + B)
সঠিক উত্তর:
(AM + BN)/(M + N)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(AM + BN)/(M + N)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: M সংখ্যক সংখ্যার গড় A এবং N সংখ্যক সংখ্যার গড় B। সবগুলো সংখ্যার গড় কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
M সংখ্যক সংখ্যার গড় = A
∴ M সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = AM 

আবার, 
N সংখ্যক সংখ্যার গড় = B 
∴ N সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = BN 

মোট সংখ্যা = M + N 
তাদের সমষ্টি = AM + BN 
∴ তাদের গড় = (AM + BN)/(M + N) 
৪৯.
যদি তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায় তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত কমালে, তেল বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না?
  1. ২০%
  2. ১৬%
  3. ১১%
  4. ৯%
সঠিক উত্তর:
২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায়, তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত কমালে তেল বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না?

সমাধান:
২৫% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ১২৫ টাকা

১২৫ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা
১ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫/১২৫ টাকা
∴ ১০০ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = (২৫ × ১০০)/১২৫ টাকা
= ২০ টাকা
৫০.
কোনো স্কুলে ৭০% শিক্ষার্থী ইংরেজি এবং ৮০% শিক্ষার্থী বাংলায় পাস করেছে। কিন্তু ১০% উভয় বিষয়ে ফেল করেছে। যদি উভয় বিষয়ে ৩০০ জন শিক্ষার্থী পাস করে থাকে তবে ঐ স্কুলে কতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে?
  1. ৪০০ জন
  2. ৫০০ জন
  3. ৫৬০ জন
  4. ৭৬০ জন
সঠিক উত্তর:
৫০০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো স্কুলে ৭০% শিক্ষার্থী ইংরেজি এবং ৮০% শিক্ষার্থী বাংলায় পাস করেছে। কিন্তু ১০% উভয় বিষয়ে ফেল করেছে। যদি উভয় বিষয়ে ৩০০ জন শিক্ষার্থী পাস করে থাকে তবে ঐ স্কুলে কতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে?

সমাধান:
উভয় বিষয়ে ফেল করে ১০%
শুধু ইংরেজিতে ফেল = ( ৩০ - ১০ )% = ২০%
শুধু বাংলায় ফেল করে = (২০ - ১০) = ১০%
উভয় বিষয়ে পাশ করেছে = {১০০ - (২০ + ১০ + ১০)} = ৬০%

প্রশ্নমতে,
৬০% = ৩০০ জন
১% = ৩০০/৬০ জন
১০০ % = (৩০০ × ১০০)/৬০ জন
= ৫০০ জন
৫১.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার কতটি?
  1. ২৯টি
  2. ২২টি
  3. ২১টি
  4. ৫টি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
[বি.দ্র: অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার ২৬টি।

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন:

- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি

বিসিএস-এর ২৬টি ক্যাডারের নাম:
১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন),
২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি),
৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (আনসার),
8. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (নিরীক্ষা ও হিসাব),
৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সমবায়),
৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারি),
৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিবার পরিকল্পনা),
৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (মৎস্য),
৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (খাদ্য),
১০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র),
১১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বন),
১২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা),
১৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য),
১৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (তথ্য),
১৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পশু সম্পদ),
১৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পুলিশ),
১৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ডাক),
১৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল),
১৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (গণপূর্ত),
২০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে প্রকৌশল),
২১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক),
২২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সড়ক ও জনপথ),
২৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিসংখ্যান),
২৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর),
২৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কারিগরি শিক্ষা),
২৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বাণিজ্য)।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
৫২.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় কোন খাত থেকে?
  1. চা
  2. পাট ও পাটজাত দ্রব্য
  3. তৈরি পোশাক
  4. চিংড়ি মাছ
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় তৈরি পোশাক খাত থেকে।


রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%।

অন্যদিকে-
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ‘শিল্পজাত পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ৯৭.১১%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: ‘কৃষিজাত পণ্য’ (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য’ (০.৮৬%)।

দেশ হিসেবে রপ্তানি:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৫৩.
ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাষ্ট্রপতির নাম কি?
  1. জেনারেল সুহার্তো
  2. মেঘবতী সুকর্নপুত্রী
  3. আবদুর রহমান ওয়াহিদ
  4. জেনারেল বিয়ান্তো
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

[বি.দ্র: অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাষ্ট্রপতির নাম প্রবোও সুবিয়ানতো।


ইন্দোনেশিয়ার নির্বাচন:
- ইন্দোনেশিয়ায় নির্বাচন আয়োজন এক মহাযজ্ঞ।
- এখানকার নির্বাচন বিশ্বের সবচেয়ে জটিল একদিনের নির্বাচনগুলোর একটি।
- ইন্দোনেশিয়ার এই নির্বাচনকে বলা হয় এক দিনে আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ নির্বাচন।
- এ নির্বাচনে দেশটির প্রেসিডেন্ট এবং পার্লামেন্ট সদস্যসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও নির্বাচিত হবেন।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গণতন্ত্র ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রবোও সুবিয়ানতো।

এছাড়াও,
ইন্দোনেশিয়া:
- ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ এটি।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- এক সময়ের ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- রাজধানী: নুসানতারা (নতুন)।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, পাপুয়া নিউ গিনি।
- ২০০৪ সালে দেশটিতে প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন-ড. আহম্মদ সকৰ্ণ।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্ণপুত্রী ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস: i) ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
         ii) Britannica.
৫৪.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. আট
  2. দশ
  3. এগার
  4. পনের
সঠিক উত্তর:
এগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগার
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

সেক্টরগুলো:
- ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী: ১নং সেক্টর,
- ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া–ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ২ নং সেক্টর,
- হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ: ৩ নং সেক্টর,
- সিলেট জেলার অংশবিশেষ: ৪ নং সেক্টর,
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ: ৫ নং সেক্টর,
- দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর: ৬ নং সেক্টর,
- রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ: ৭ নং সেক্টর,
- কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ৮ নং সেক্টর,
- পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ: ৯ নং সেক্টর,
- সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন: ১০ নং সেক্টর,
- ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল: ১১ নং সেক্টর।

উৎস: ২৬ মার্চ ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৫৫.
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাত পর্যন্ত বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?
  1. মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান
  2. মেজর জেনারেল মঞ্জুর
  3. মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
  4. মেজর জেনারেল এইচ এম এরশাদ
সঠিক উত্তর:
মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাত পর্যন্ত বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

মেজর জেনারেল কে. এম. শফিউল্লাহ:
- কাজী মোহাম্মদ শফিউল্লাহ বীর উত্তম যিনি কে এম শফিউল্লাহ নামেও পরিচিত।
- তার জন্ম ২ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ তারিখে।
- তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত বাংলাদেশী জেনারেল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং সাবেক সংসদ সদস্য।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবে, তার ব্যাটালিয়ন সহ, তিনি ছিলেন প্রথম বাঙালি অফিসার যিনি ১৯ মার্চ ১৯৭১ সালে বিদ্রোহ করেন এবং ৫৭ বিডিই কমান্ডার-ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ছিলেন।
- তিনি সিলেটের তেলিয়াপাড়ায় সদর দপ্তর ৩ সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হন।
- তিনি সরাসরি সক্রিয় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং অন্তত দুটি এই ধরনের যুদ্ধে নিশ্চিত মৃত্যু থেকে রক্ষা পান।
- সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে তিনি তিনজন ব্রিগেড কমান্ডারের একজন নিযুক্ত হন।
- তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় 'এস-ফোর্স'-এর কমান্ডার ছিলেন।
- শফিউল্লাহ ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে সেনাপ্রধান হন।
- ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালের বাংলাদেশ অভ্যুত্থানের পর, রাষ্ট্রপতি খোন্দকার মোশতাক আহমদ তার স্থলাভিষিক্ত হন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।

১৫ আগস্ট ১৯৭৫:
- ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের অভ্যুত্থান হলো মধ্য সারির সশস্ত্র অফিসারদের দ্বারা সংগঠিত একটি সামরিক অভ্যুত্থান।
- খন্দকার মোশতাক আহমেদের নেতৃত্বে একটি পাকিস্তানপন্থি সরকার দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারকে অপসারণের পরিকল্পনা করেছিলেন কর্মকর্তারা।
- শেখ মুজিব এবং তার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য এ অভ্যুত্থানে নিহত হন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৬.
Food and Agricultural Organisation-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. রোম
  2. জেনেভা
  3. ব্যাংকক
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম
ব্যাখ্যা
Food and Agricultural Organisation-এর সদর দপ্তর ইতালির রোমে অবস্থিত।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO):

- FAO-এর পূর্ণরূপ: Food and Agriculture Organization.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ (Qu Dongyu)।
- প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য: ক্ষুধা দূরীকরণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে পুষ্টি ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
৫৭.
The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. অমর্ত্য সেন
  2. গুনার মিরডাল
  3. মাইকেল লিফটন
  4. উইলয়াম রস্টো
সঠিক উত্তর:
গুনার মিরডাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুনার মিরডাল
ব্যাখ্যা

The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা গুনার মিরডাল।

গুনার মিরডাল:
- গুনার মিরডাল (Gunnar Myrdal) ছিলেন একজন সুইডিশ অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ.
- উন্নয়নমূলক অর্থনীতিতে তার অবদান যথেষ্ট।
- তৃতীয় বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার চিন্তাভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রতিফলিত হয় তার বেশ কিছু লেখা ও প্রকাশিত পুস্তকে।
- 'Economic Theory and Underdeveloped Regions' মিরডাল লিখিত এরূপ একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
- উন্নয়নের হাত ধরে যে চক্রাকার ও ক্রমযৌগিক (Circular and cumulative) কার্যকারণ সম্পর্ক রচিত হয় তা প্রতিফলিত হয়েছে তার বর্তমান তত্ত্বে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে তিনি "অর্থনৈতিক ও সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ঘটনাগুলির পারস্পরিক নির্ভরতার তাত্পর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য অর্থ ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের তত্ত্ব এবং তাদের তাত্পর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য" ফ্রেডরিখ হায়েকের সাথে যৌথভাবে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান।

অন্যদিকে,
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।

উৎস: Britannica.

৫৮.
নিম্নলিখিত শহরের কোনটি আলবেনিয়ার রাজধানী?
  1. বুদাপেস্ট
  2. প্রাগ
  3. এথেন্স
  4. তিরানা
সঠিক উত্তর:
তিরানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিরানা
ব্যাখ্যা
আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানা।

আলবেনিয়া:
- আলবেনিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
- আলেবেনীয় ভাষার দেশটির নাম 'ঈগলদের দেশ'।
- দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: তিরানা।
- মুদ্রা: লেক।

অন্যদিকে,
- হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্ট।
- প্রাগ হলো চেকোস্লোভাকিয়ার রাজধানী। 
- গ্রিসের রাজধানী এথেন্স।

উৎস: Britannica.
৫৯.
IFC বলতে কি বোঝায়?
  1. ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন
  2. ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স ক্যাপিটাল
  3. ইন্টারন্যাশনাল ফুড করপোরেশন
  4. এগুলোর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন
ব্যাখ্যা
IFC-এর পূর্ণরূপ: International Finance Corporation.

বিশ্বব্যাংক গ্রুপ:
- বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
5.International Development Association (IDA).

IFC:
- IFC-এর পূর্ণরূপ: International Finance Corporation.
- IFC ১৯৫৬ সালের ২০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৬টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- সংস্থাটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতে আর্থিক সহযোগীতা করে ও উপদেশ দিয়ে থাকে।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
৬০.
Organizatioin of African Unity কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
Organizatioin of African Unity ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

আফ্রিকান ইউনিয়ন (African Union):
- আফ্রিকান ইউনিয়ন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা আফ্রিকান দেশ সমূহ নিয়ে গঠিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৫ মে, ১৯৬৩।
- সদস্য সংখ্যা: ৫৫টি।
- সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: মরক্কো।

উৎস: আফ্রিকান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।
৬১.
বান্দুং কোথায় অবস্থিত?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ভিয়েতনাম
  3. থাইল্যান্ড
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
বান্দুং ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থিত।

বান্দুং শহর:
- বান্দুং হলো ইন্দোনেশিয়ার জাভা প্রদেশের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
- শহরটি জাভা দ্বীপ এর পশ্চিম অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।

উৎস: Britannica.
৬২.
পানামা খাল কোন কোন মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
পানামা খাল আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।

পানামা খাল:
- প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- এই খালটি তৈরি করা হয়েছিলো ১৯১৪ সালে।
- তৈরি করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র।
- এ খালের মালিকানা ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ছিল।
- এরপর তা পানামা রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ,
- এশিয়া থেকে আমেরিকা পর্যন্ত পণ্য আমদানি-রফতানির অন্যতম প্রধান সমুদ্রপথ পানামা খাল।

অন্যদিকে,
- জিব্রাল্টার প্রণালী প্রণালী ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- পক প্রণালী ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- মালাক্কা প্রণালী উত্তরে ভারত মহাসাগরের আন্দামান সাগরকে দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

উৎস: Britannica.
৬৩.
ইসরাইল কত সালে পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
ইসরাইল ১৯৬৭ সালে পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।

আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
⇒ ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এটি আরবিতে নাকবা (বিপর্যয়) ও হিব্রুতে মিলখেমেত হাতজমাউত (স্বাধীনতা যুদ্ধ) বলে পরিচিত।

⇒ ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।

⇒ ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।

⇒ ৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়োম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

উৎস: World Atlas.
৬৪.
'No Fly Zone' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. কুয়েত
  3. আফগানিস্তান
  4. ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা
'No Fly Zone' ইরাকে অবস্থিত।

No Fly Zone:
- আকাশসীমার কোনো অঞ্চলকে 'নো-ফ্লাই জোন' ঘোষণার অর্থ হলো সেখানে কোনো উড়োজাহাজ উড়তে পারবে না।
- সংবেদনশীল এলাকা যেমন রাজপ্রাসাদ রক্ষা করতে কিংবা কোনো খেলার আয়োজনে অথবা বড় সমাবেশের ক্ষেত্রেও স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইরাকে এমন একটি No Fly Zone স্থাপন করেছিল যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়াও,
⇒ পৃথিবীর বিখ্যাত কয়েকটি ‘নো ফ্লাই জোন’:
- উত্তর কোরিয়া,
- কিউবা,
- মক্কা, সৌদি আরব,
- প্যারিস, ফ্রান্স,
- ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- পার্থেনন, গ্রীস,
- ডিজনি পার্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- বাকিংহাম প্যালেস এবং উইন্ডসর ক্যাসেল, যুক্তরাজ্য।

উৎস: i) De Gruyter ওয়েবসাইট।
         ii) Worldatlas.
৬৫.
মাইকেল অ্যাঞ্জেলো কোন দেশের শিল্পী?
  1. অস্ট্রিয়া
  2. গ্রিস
  3. সুইডেন
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
মাইকেল অ্যাঞ্জেলো ইতালিয় শিল্পী।

মাইকেল অ্যাঞ্জেলো:

- মাইকেল এঞ্জেলাে (Michelangelo) ছিলেন রেনেসাঁস যুগের একজন ইতালিয় ভাস্কর, চিত্রকর, স্থপতি এবং কবি।
- জন্ম ১৪৭৫ সালের ৬ই মার্চ ইতালিতে।
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর শ্রেষ্ঠ মূর্তি মা মেরীর কোলে যীশুর মূর্তি।
- ম্যাডোনা অব দ্য স্টেপস মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর প্রথম উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্যগুলো হলো ম্যাডোনা এন্ড চাইল্ড, নাইট, মোজেস, পিয়েটা, স্লেইভ ইত্যাদি।
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পোপ দ্বিতীয় জুলিয়াসের সমাধি সৌধের ভাস্কর্য।
- ১৫৬৪ সালের ১৮ ই ফেব্রুয়ারি এই বিশ্ববিখ্যাত মহান শিল্পী পরলােকগমন করেন।

উৎস: Britannica.
৬৬.
ম্যাকমোহন লাইন কোন কোন দেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে?
  1. চীন ও রাশিয়া
  2. চীন ও ভারত
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
চীন ও ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন ও ভারত
ব্যাখ্যা
ম্যাকমোহন লাইন ভারত ও চীনের সীমানা নির্ধারণ করেছে।

আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC ): ভারত ও পাকিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন,
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮° চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,
- ইংলিশ চ্যানেল: ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স,
- ওডার-নাইসে লাইন: পূর্বতন পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ড,
- গ্রেট চ্যানেল: ভারত (আন্দামান, নিকোবর) ও সুমাত্রা,
- ডানকান প্যাসেজ: গ্রেট আন্দামান ও লিটন আন্দামান,
- ম্যাগিনট লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- সিগফ্রেড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- হিনডেন বার্গ লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।

উৎস: i) Britannica.
        ii) WorldAtlas.
৬৭.
কোনটি নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত?
  1. হেমারফেস্ট
  2. কুইবেক
  3. তিব্বত
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত নরওয়ে।

নিশীথ সূর্যের দেশ:

- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম -
- বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- শান্ত দেশ: কোরিয়া।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- সোনালী প্যাডোডার দেশ: মিয়ানমার।
- ধীবরের দেশ: নরওয়ে।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- মরুভুমির দেশ: আফ্রিকা।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- মেডিটেরিয়ানের দেশ: জিব্রাল্টার।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- বহ্মদেশ: মিয়ানমার।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

উৎস: Britannica.
৬৮.
ফনোগ্রাফ কে আবিষ্কার করেন?
  1. রন্টজেন
  2. ফ্যারাডে
  3. মার্কনি
  4. এডিসন
সঠিক উত্তর:
এডিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডিসন
ব্যাখ্যা
ফনোগ্রাফ আবিষ্কার করেন টমাস আলভা এডিসন।

ফনোগ্রাফ:
- শব্দ রেকর্ড করার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র হলো ফনোগ্রাফ (Phonograph)।
- ফনোগ্রাফ আবিষ্কার করেন টমাস আলভা এডিসন।
- ফোনোগ্রাফ শব্দ ধারণ (রেকর্ড) করে পরে তা শোনাতে পারে।
- পাতলা এক খণ্ড টিনফয়েলে প্যাঁচানো খাঁজকাটা ধাতব সিলিন্ডার ছিল প্রথম ফোনোগ্রাফ যন্ত্র।
- ফনোগ্রাফকে পরবর্তী সময়ে গ্রামোফোনও বলা হতো।

উল্লেখ্য,
- এডিসনের সবচেয়ে মৌলিক উদ্ভাবন ছিল ফোনোগ্রাফ।
- এটিই ছিল সর্বপ্রথম প্রযুক্তি, যা শব্দ রেকর্ড করে তা পুনরায় শোনাতে সক্ষম হয়।
- ১৮৭৭ সালে এডিসন মেনলো পার্ক ল্যাবে ফনোগ্রাফ আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীকালে আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেলসহ বেশ ক'জন বিজ্ঞানী ফোনোগ্রাফকে আরো উন্নত করে তোলেন।
- টমাস আলভা এডিসন ফনোগ্রাফ এবং বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন।

অন্যদিকে,
- রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- মাইকেল ফ্যারাডে বৈদ্যুতিক মোটর, বৈদ্যুতিক জেনারেটর, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার এবং তড়িৎ বিশ্লেষণের জনক হিসাবে পরিচিত।
- মার্কনি বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন।

উৎস: i) ২১ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
        ii) উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৯.
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. রিয়াদ
  2. কায়রো
  3. কুয়েত
  4. জেদ্দা
সঠিক উত্তর:
জেদ্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেদ্দা
ব্যাখ্যা
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।

Islamic Development Bank (IsDB):
- ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত মুসলিম দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের প্রথম সম্মেলনে IDB গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদর দপ্তর: সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- এর প্রেসিডেন্ট: ডক্টর মুহাম্মদ আল-জাসের।
- IDB এর সদস্যপদ লাভের পূর্বশর্ত হলো ওআইসি এর সদস্য হওয়া।

উৎস: IDB ওয়েবসাইট।
৭০.
বেলজিয়ামের মুদ্রার নাম কি?
  1. শিলিং
  2. ফ্রাংক
  3. পাউন্ড
  4. ক্রোনা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[বি.দ্র: অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

বেলজিয়ামের মুদ্রার নাম ইউরো।


ইউরো:
- ইউরো হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক একক এবং মুদ্রা, যা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।
- ইউরো ১৯৯১ সালের মাস্ট্রিচ চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়েছিল।
- ইউরো আনুষ্ঠানিকভাবে ১লা জানুয়ারী, ১৯৯৯ সালে জারি করা হয়েছিল।
- ইউরো ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়।
- ইউরো ব্যবহার সদস্য: ২০টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: ক্রোয়েশিয়া।
- ২০তম দেশ হিসেবে ১লা জানুয়ারী, ২০২৩ তারিখে ক্রোয়েশিয়া ইউরো মুদ্রা চালু করে।
- ইউরো ব্যবহারকারী দেশগুলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৭১.
কোনটি 'চির শান্তির শহর' নামে পরিচিত?
  1. রোম
  2. ভেনিস
  3. এথেন্স
  4. ওসলো
সঠিক উত্তর:
রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম
ব্যাখ্যা
চির শান্তির শহর:
- 'চির শান্তির শহর' নামে পরিচিত ইতালির রোম।

অন্যদিকে,
- The city of flowering trees: জিম্বাবুয়ের হারারেকে।
- City of Golden gate: যুক্তরাষ্ট্রের স্যানফ্রান্সিসকো।
- City of light: ফ্রান্সের প্যারিস।
- City of motor cars: যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট।
- City of canals: ইতালির ভেনিস।
- Pink city: ভারতের জয়পুর।
- Big apple: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক।
- বিশ্বের নিষিদ্ধ শহর: লাসা।

উৎস: Britannica.
৭২.
বাবেল মান্দেব কোন ভাষার শব্দ?
  1. ফারসি
  2. উর্দু
  3. আরবি
  4. ইংরেজি
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা

বাবেল মান্দেব আরবি ভাষার শব্দ।
- এর অর্থ মৃত্যু দরজা।
- এখানে এক সময় প্রচুর জাহাজ ডুবি হতো ও অনেক মানুষ মারা যেত।

National Geographic Website ও Collins Dictionary অনুসারে, Bab el Mandeb আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ যার অর্থ - “Gate of Tears” or “Gate of Grief”।

বাবেল মান্দেব প্রণালি:
- আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে পৃথক করেছে।
- প্রণালিটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত ইয়েমেন এবং আফ্রিকার অন্তরীপে অবস্থিত জিবুতি, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়াকে পৃথক করেছে।

উল্লেখ্য,
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।
- পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ 'কান্নার দ্বার'।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।

উৎস: World Atlas.

৭৩.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্র সর্বোচ্চ কত জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে?
  1. তিনজন
  2. চারজন
  3. পাঁচজন
  4. ছয়জন
সঠিক উত্তর:
পাঁচজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচজন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্র সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।

উল্লেখ্য,
- প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সারা বিশ্বের সব দেশের নেতারা বৈঠকে বসেন এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।
- একই মঞ্চে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের নেতা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একে অপরের সাথে সাক্ষাত হয় বলে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এই সভাকে ‘কূটনৈতিক স্পিড ডেটিং’ ইভেন্ট হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন অনেক কূটনীতিক।
- প্রতি বছর সাধারণ পরিষদের সভা শুরুর আগে একজন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
- প্রতিটি সদস্যদেশের সাধারণ পরিষদে একটি ভোট রয়েছে।
- সনদ অনুযায়ী প্রতিটি রাষ্ট্র সাধারণ সভায় ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে।
- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের সাধারণ সভার বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয়। 

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
৭৪.
পিএলও কখন গঠিত হয়?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
পিএলও ১৯৬৪ সালে গঠিত হয়।

পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
৭৫.
নক্রুমা কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
  1. নাইজেরিয়া
  2. কঙ্গো
  3. আবিসিনিয়া
  4. ঘানা
সঠিক উত্তর:
ঘানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘানা
ব্যাখ্যা
নক্রুমা ঘানার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

কোয়ামে নক্রুমা:
- আফ্রিকার জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন ড. কোয়ামে নক্রুমা।
- তিনি ঘানার স্বাধীনতা আন্দোলনের স্থপতি।
- নক্রুমা ছিলেন ঘানা প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপাতি।
- যিনি একাধারার শিক্ষক, লেখক, দার্শনিক, রাজনীতিবিদ, শাসক ছিলেন।

⇒ ঘানা:
- ঘানা হল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ।
- দেশটি গিনি উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত।
- দেশটি ১৯৫৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।
- রাজধানী: আক্রা।
- মুদ্রা: ঘানাইয়ান সেডি।
- ঘানার প্রথম রাষ্ট্রপতি কোয়ামে নক্রুমা।

উৎস: Britannica.
৭৬.
কোনো বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশি?
  1. খনির ভেতর
  2. পাহাড়ের ওপর
  3. মেরু অঞ্চলে
  4. বিষুব অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
- বস্তুর ওজন মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি। 
- একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বলে। 
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল। 
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সে স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। 
- মেরু অঞ্চলে g - এর মান বেশি হওয়ায় বস্তুর ওজনও বেশি। 
- আবার পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজনও শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৭৭.
প্রকৃতিতে সবচেয়ে শক্ত পদার্থ কোনটি?
  1. পিতল
  2. হীরা
  3. ইস্পাত
  4. গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
হীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরা
ব্যাখ্যা
হীরকের ব্যবহার: 
- কার্বন একটি অধাতু এবং বিজারক পদার্থ। 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হীরক বা হীরা। 
- হীরক কাচ কাটতে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য, 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু টাংস্টেন। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৮.
ক্যাসেটের ফিতার শব্দ রক্ষিত থাকে কি হিসেবে?
  1. বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে
  2. মেমোরী চিপ হিসেবে
  3. চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
  4. কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে
সঠিক উত্তর:
চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ও টেপ-রেকর্ডার বা ক্যাসেটের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক থাকে। 
- এক্ষেত্রে স্মৃতির ফিতা বা টেপে ব্যবহৃত ক্রোমিয়াম ডাই অক্সাইড (CrO2) পদার্থের বহি:চৌম্বক ক্ষেত্র সরিয়ে নিলেও আবিষ্ট চৌম্বকত্বের বেশিরভাগই অটুট থাকে অর্থাৎ, এর আবিষ্ট চুম্বকত্ব স্থায়ী হয়। 
- ১৯৩০ সালের দিকে জার্মানিতে আবিষ্কৃত হয় শব্দ সংরক্ষণের এই পদ্ধতি। 
- চৌম্বক শক্তিকে কাজে লাগিয়েই ক্যাসেটের ফিতাতে শব্দ সংরক্ষণ করা হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়। যথা- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৭৯.
ফারেনহাইট ও সেলসিয়াসের স্কেলে কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে?
  1. ০°
  2. ১০০°
  3. ৪°
  4. - ৪০°
সঠিক উত্তর:
- ৪০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- ৪০°
ব্যাখ্যা
- সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হলো- 
C/5 = (F - 32)/9 [C = সেলসিয়াস তাপমাত্রা, F = ফারেনহাইট তাপমাত্রা] 

এখন, 
সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা সমান (x) হলে, 
x/৫ = (x - ৩২)/৯ 
Or, ৯x = ৫x - ১৬০ 
Or, ৪x = - ১৬০ 
Or, x = - ৪০ 
অর্থাৎ, - ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ফারেনহাট ও সেলসিয়াস স্কেলে সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮০.
অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন কোনটি?
  1. পেনিসিলিন
  2. ইনসুলিন
  3. ফোলিক এসিড
  4. অ্যামিনো এসিড
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
ব্যাখ্যা
ডায়বেটিস: 
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। 
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়। 
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন হরমোন নির্গত হয় যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়। 
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না। 
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮১.
টেস্টিং সল্ট-এর রাসায়নিক নাম কি?
  1. সোডিয়াম বাইকার্বোনেট
  2. সোডিয়াম গ্লুটামেট
  3. পটাশিয়াম বাইকার্বোনেট
  4. সোডিয়াম মনোগ্লুটামেট
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম গ্লুটামেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম গ্লুটামেট
ব্যাখ্যা
- খাবার লবণের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড। 
- টেস্টিং সল্ট নামে পরিচিত আরেকটি লবণ আছে যার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম গ্লুটামেট বা মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট । 
- এটি শুষ্ক খাবার যেমন পাউরুটি, চানাচুর প্রভৃতির স্বাদ বাড়িয়ে তোলে। 
- আর্দ্র সোডিয়াম সালফেট হলো গ্লুবার লবণ। 
- সোডিয়াম থায়োসালফেটকে বলা হয় হাইপো। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৯ সংস্করণ]।
৮২.
তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় কোন পদার্থ?
  1. তরল পদার্থ
  2. বায়বীয় পদার্থ
  3. কঠিন পদার্থ
  4. নরম পদার্থ
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- তাপ প্রয়োগে করলে সব ধরনের পদার্থই প্রসারিত হয়। 
- তবে যে পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ যতো কম সে পদার্থ ততো বেশি প্রসারিত হয়। 
- কঠিন বা তরল পদার্থের তুলনায় বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম। 
- তাই তাপ প্রয়োগে বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৩.
পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কি কি থাকে?
  1. নিউট্রন ও প্রোটন
  2. ইলেক্ট্রন ও প্রোটন
  3. নিউট্রন ও পজিট্রন
  4. ইলেক্ট্রন ও পজিট্রন
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন ও প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন ও প্রোটন
ব্যাখ্যা
মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন - 
১। ইলেকট্রন, 
২। প্রোটন ও 
৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪.
মাটির পাত্রে পানি ঠাণ্ডা থাকে কেন?
  1. মাটির পাত্র পানি থেকে তাপ শোষণ করে
  2. মাটির পাত্র ভালো তাপ পরিবাহী
  3. মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
  4. মাটির পাত্র তাপ কুপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
ব্যাখ্যা
- বাষ্পায়ন থেকে শীতলীকরণ প্রক্রিয়ার ফলে মাটির কলসিতে পানি ঠান্ডা থাকে। 
- গরমের দিনে মাটির কলসীতে পানি রেখে পানি ঠান্ডা করা হয়। 
- মাটির কলসীর গায়ে অসংখ্য সূক্ষ্ম ছিদ্র পথে সর্বদা পানি চুঁইয়ে বাইরে আসে। 
- ফলে কলসীর বাইরের গাটি সবসময়ই ভেজা থাকে। 
- এই পানির কণা কলসীর গা এবং সংলগ্ন বাতাস থেকে প্রয়োজনীয় সুপ্ত তাপ সংগ্ৰহ করে বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। 
- কলসীর গা ক্রমশ ঠান্ডা হতে থাকে, ফলে কলসীর ভেতরের পানিও ঠান্ডা হয়। 
- এছাড়া বাষ্পায়ন থেকে শীতলীকরণের নীতিকে কাজে লাগিয়ে রিফ্রিজারেটর তৈরি করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫.
আকাশ মেঘলা থাকলে গরম বেশি লাগে কেন?
  1. মেঘ উত্তম তাপ পরিবাহক
  2. সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মেঘ তাপ উৎপন্ন করে
  3. বজ্রপাতের ফলে তাপ উৎপন্ন হয় বলে
  4. মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে
সঠিক উত্তর:
মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে
ব্যাখ্যা
- দিনের বেলায় সূর্য থেকে যে আলোকরশ্মি (তাপ ও আলো) বিকিরণ আকারে আসে তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য হয় বেশ ছোট, এ কারণে তা খুব সহজেই বর্ষার মেঘ ভেদ করে ভূপৃষ্ঠে চলে আসতে পারে। 
- এই বিকিরণ ভূপৃষ্ঠে সহজে আসতে পারলেও প্রতিফলিত হয়ে মহাকাশে চলে যেতে পারে না, কারণ প্রতিফলন হবার সময়ে এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশ বড় হয়ে যায় ফলে তখন আর সহজে মেঘ ভেদ করতে পারে না। 
- সেগুলি মেঘের গায়ে ধাক্কা খেয়ে মাটির দিকে ফিরে আসে, এ কারণে মেঘলা দিনে/রাতে ভূপৃষ্ট থেকে বির্কীর্ণ তাপের একটা অংশ মেঘ ও মাটির মধ্যেকার বায়ুমন্ডলে আটকে পড়ার ফলে মাটি এবং তার লাগোয়া বাতাসের স্তর ঠান্ডা তো হয়ই না, বরং বেশ গরম হয়েই থাকে। এতে আবহাওয়ার উষ্ণতা বেড়ে যায় বলেই গরমটা বেশি লাগে। 
- ফলে আকাশ মেঘলা থাকলে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি এর অর্থ বাতাসে পানির পরিমাণ বেশি। 
- বাতাস আর্দ্র থাকার কারণে আমাদের গরম লাগে যেটাকে সাধারণ ভ্যাপসা গরম বলা হয়ে থাকে। 
৮৬.
জীবের বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহন করে-
  1. নিউক্লিয়াস
  2. নিউক্লিওলাস
  3. ক্রোমোজোম
  4. নিউক্লিওপ্লাজম
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোজোম
ব্যাখ্যা
- জীবের বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহন করে- ক্রোমোজোম। 

ক্রোমোজোম: 
- যে সকল বস্তু জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে তাকে বংশগতি বস্তু বলে। 
- DNA এর যে ছোট অংশ নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে তাকে জিন বলে। 
- উন্নত জীবে DNA প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে তৈরি করে ক্রোমোসোম। 
- ক্রোমোসোমই জনন কোষের মাধ্যমে সন্তান-সন্ততিতে বাহিত হয়। 
- অর্থাৎ ক্রোমোসোম হলো বংশগতি বস্তুর ধারক ও বাহক। 
- ক্রোমোসোমকে বংশগতির প্রধান উপাদান বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে সবচেয়ে মৃদু পানি পাওয়া যায়?
  1. সাগর
  2. হ্রদ
  3. নদী
  4. বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
- মৃদু পানির সবচেয়ে বড় উৎস হলো বৃষ্টির পানি। 
- সাগরের পানিতে লবণ থাকে বলে এটি মৃদু বা মিষ্টি পানির উৎস নয়। 
- নদীর পানি ও বিলের পানি মৃদু হলেও এসব মূলত বৃষ্টিপাতের উপরে নির্ভরশীল। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
৮৮.
রেডিও আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়-
  1. কিডনির পাথর গলাতে
  2. পিত্তপাথর গলাতে
  3. গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
  4. নতুন পরমাণু তৈরিতে
সঠিক উত্তর:
গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
ব্যাখ্যা
- কোনো কোনো আইসোটোপ অস্থিতিশীল হয়ে থাকে, অর্থাৎ এদের নিউক্লিয়াসের মধ্যে পরিবর্তন ঘটে থাকে।
- ফলস্বরূপ, এই আইসোটোপ থেকে কিছু কণা বিচ্ছুরিত হয়, কখনো কখনো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়ে থাকে।
- এই প্রকার আইসােটোপকে রেডিও আইসোটোপ (radio isotope) বলা হয়। 
- এই রেডিও আইসোটোপ ব্যবহৃত হয় গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে। 

- An exceptionally useful radioactive isotope is iodine-131, which has a half-life of eight days. 
- t is employed in medicine to monitor thyroid gland functioning, to treat goitre and thyroid cancer, and to locate tumours of the brain and of the liver.

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি ও Britannica. 
৮৯.
যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ সরলরেখায় অবস্থান করে তখন হয়-
  1. চন্দ্রগ্রহণ
  2. সূর্যগ্রহণ
  3. অমাবস্যা
  4. পূর্ণিমা
সঠিক উত্তর:
সূর্যগ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যগ্রহণ
ব্যাখ্যা
সূর্যগ্রহণ: 
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ সরলরেখায় অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। 
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। 
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

চন্দ্ৰগ্ৰহণ: 
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান। 
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়। 
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া। 

পূর্ণিমা: 
- পূর্ণিমা তখনই হয়, যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে। 

অমাবস্যা: 
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

উৎস: ৪ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা। [লিঙ্ক]।
৯০.
বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে থাকে-
  1. পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
  2. অনেকগুলো ছোট ছোট দাঁতের দাগ
  3. ক্ষতস্থান থেকে প্রচুর রক্ষপাত হতে থাকে
  4. ক্ষতস্থানে প্রচুর বিষ লেগে থাকে
সঠিক উত্তর:
পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
ব্যাখ্যা
- বিষধর সাপের দুইটি বিষ দাঁত থাকে। 
- বিষধর সাপে কাটলে শরীরে বিষক্রিয়ার কিছু লক্ষণ দেখা যায়- 
ক্ষতস্থানে বিষদাঁতের দুটি দংশনের চিহ্নের উপস্থিতি
• ক্ষতস্থান থেকে অনবরত রক্তপাত ও ক্ষতস্থান অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা, 
• কখনো কখনো সারা শরীর ফুলে যাওয়া, খাবার ও ঢোক গিলতে অসুবিধা, শ্বাসকষ্ট, চোখে ঝাপসা দেখা ও চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসা। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।
৯১.
লোকভর্তি হল ঘরে শূন্য ঘরের চেয়ে শব্দ ক্ষীণ হয়, কারণ-
  1. লোকভর্তি ঘরে মানুষের সোরগোল হয়
  2. শূন্য ঘর নীরব থাকে
  3. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
  4. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়
সঠিক উত্তর:
শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
- বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়। 
- যখন একটি ঘরে মানুষ বা আসবাব পত্র দিয়ে ভর্তি থাকে, তখন অনেক শব্দ সেগুলোর মাধ্যমে শোষিত হয়ে যায়। 
অর্থাৎ, লোকভর্তি হল ঘরে মানুষ বেশি থাকায় শব্দের শোষণ বেশি হয় তাই সেখানে শব্দের আওয়াজ ক্ষীণ হয়।
- আর, শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয় লোকভর্তি হল ঘরের তুলনায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
পেট্রোলের আগুন পানি দ্বারা নেভানো যায় না, কারণ-
  1. পেট্রোলের সাথে পানি মিশে যায়
  2. পেট্রোল পানির সাথে মিশে না
  3. পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা
  4. খ ও গ উভয়ই ঠিক
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ই ঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ই ঠিক
ব্যাখ্যা
- পেট্রোল একধরনের প্রাকৃতিক হাইড্রোকার্বন যা পানির চেয়ে অনেক হালকা। 
- এজন্য পেট্রোলের আগুনে পানি দিলে পানি নিচে চলে যায় এবং তা পেট্রোলের সাথে মিশে না। 
- পেট্রোল উপরে উঠে আগুন জ্বলতেই থাকে। 
- পেট্রোলের আগুনে পানি ঢেলে দিলে পেট্রোলের আগুনের উত্তাপ অনেক বেশি হওয়ায় পানি বিশ্লিষ্ট হয়ে যায়। তাই পানি দ্বারা পেট্রােলের আগুন নেভানো যায় না।
৯৩.
কম্পিউটারে কোনটি নেই?
  1. স্মৃতি
  2. বুদ্ধি বিবেচনা
  3. দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা
  4. নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধি বিবেচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধি বিবেচনা
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার শব্দের অর্থ গণনা বা হিসাবকারী। 
- এটি শুধু হিসাবকারী যন্ত্রই নয় মৌলিক অর্থে কম্পিউটার এমন একটি যন্ত্র যা তথ্য গ্রহণ করে এবং বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াকরণ করে মানুষের জন্য বিশ্লেষণ ও উপস্থাপণ করে। 
- কম্পিউটার ভুল শনাক্ত করতে পারে কিন্তু নিজে নিজে ভুল সংশোধন করতে পারে না। 
- কারণ কম্পিউটারের নিজস্ব কোনো বুদ্ধি বিবেচনা নাই। 
এছাড়াও 
- বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক কম্পিউটার শিক্ষার সূত্রপাত ঘটে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৪.
'পিসিকালচার' বলতে কি বোঝায়?
  1. হাঁস-মুরগি পালন
  2. মৌমাছি পালন
  3. মৎস্য চাষ
  4. রেশম চাষ
সঠিক উত্তর:
মৎস্য চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৎস্য চাষ
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার। 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৯৫.
উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. ক্রনোমিটার
  2. ওডোমিটার
  3. ট্যাকোমিটার
  4. ক্রোসকোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
ট্যাকোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যাকোমিটার
ব্যাখ্যা
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার

অন্যদিকে,
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্নায়ক যন্ত্র - ক্রেসকোগ্রাফ।
মোটর গাড়ির গতি নির্নায়ক যন্ত্র - ওডোমিটার।
সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রোনোমিটার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৯৬.
মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. স্ফিগমোম্যানোমিটার
  2. স্টেথস্কোপ
  3. কার্ডিওগ্রাফ
  4. ইকোকার্ডিওগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
স্ফিগমোম্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ফিগমোম্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচন এবং প্রসারণের ফলে হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত ধমনির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় ধমনিপ্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয়, সেটাকে রক্তচাপ বলে।
- রক্তচাপ বলতে সাধারণভাবে ধমনির রক্তচাপকেই বুঝায়।
- নিলয়ের সিস্টোল অবস্থায় ধমনিতে যে চাপ থাকে, তাকে সিস্টোলিক রক্তচাপ এবং ডায়াস্টোল অবস্থায় যে চাপ থাকে, তাকে ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ বলে।
- মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র হলো- স্ফিগমোম্যানোমিটার

অন্যদিকে,
- হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের শব্দ নিরূপক যন্ত্র হলো- স্টেথোস্কোপ।
- হৃৎপিণ্ড গতি নির্ণায়ক যন্ত্র হলো কার্ডিওগ্রাফ।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৭.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
  1. কম হয়
  2. বেশি হয়
  3. একই হয়
  4. খুব কম হয়
সঠিক উত্তর:
একই হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই হয়
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়
- ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফুল স্পিডে বা আস্তে যেভাবেই ঘুরান পাওয়ার একই খরচ হয়। কারন ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ইন্ডাকটর দ্বারা তৈরি।
- ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের গতি কমে কিন্তু ইন্ডাক্টর উত্তপ্ত হয়। এই উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়।
- আবার ইলেকট্রনিক রেগুলেটরের বেলায় ভিন্ন। এটি একটি ভেরিয়েবল রেজিস্টর। এটি তৈরি হয় থাইরিস্টর ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে।
- এতে উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারনে রেগুলেটর লসও খুবি নগন্য হয়। ফলে ফ্যানের গতি কমালে পাওয়ার কম খরচ হবে এবং ফ্যানের গতি বাড়ালে পাওয়ার খরচ বাড়বে।
- তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়।

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
রেক্টিফাইড স্পিরিট হলো-
  1. ৯০% ইথাইল অ্যালকোহল +১০% পানি
  2. ৮০% ইথাইল অ্যালকোহল + ২০% পানি
  3. ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি
  4. ৯৮% ইথাইল অ্যালকোহল + ২% পানি
সঠিক উত্তর:
৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে।
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
তামার সাথে নিচের কোনটি মেশালে পিতল হয়?
  1. নিকেল
  2. টিন
  3. সিসা
  4. দস্তা (জিঙ্ক)
সঠিক উত্তর:
দস্তা (জিঙ্ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্তা (জিঙ্ক)
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু: 
- বিভিন্ন ধাতু একত্রে মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- এই সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না। 
- সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্ৰধান ধাতু এবং অন্য এক বা একাধিক পদার্থ থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু। 
- প্রধান ধাতুর নাম অনুসারে সংকর ধাতুর নামকরণ করা হয়। 
- পিতলে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে 35%। এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু। 
- স্টিলের মধ্যে লোহা প্রধান ধাতু এবং কার্বন অপ্রধান অধাতু। স্টিলে লোহা থাকে 99% এবং কার্বন থাকে 1% এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়। 
- কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 90%, টিন থাকে 10%। এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু। 
- কপারের দুইটি সংকর ধাতু আছে, যথা: পিতল (ব্রাস) ও কাঁসা (ব্রোঞ্জ)। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০০.
এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভরসংখ্যা বেড়ে যায় বলে তাদের বলা হয়-
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোমার
  3. আইসোটোন
  4. আইসোবার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়। 
- অন্যভাবে বলা যায়, এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভরসংখ্যা বেড়ে যায় তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়। 
- সেইজন্য আইসোটোপ তৈরি হয় নিউট্রনের তারতম্যের কারণে। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।