পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮ টপিক: পারমাণবিক অস্ত্র, ক্ষেপনাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, আলোচিত অভিযান, ইন্টারপোল, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড, নিরস্ত্রীকরণ ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রন -জীবাণু অস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি, রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত কনভেনশন, স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত চুক্তি (Petition of Rights, English Bill of Rights, Pact of paris) International Bill Of Human Rights (মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি), মানবাধিকার সংগঠন -আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, সম্মেলন/কনভেনশন- আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলন+বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলন+ভিয়েনা, কনভেনশন 1961 + ভিয়েনা কনভেনশন 1993 [Live Class – 13 & 14]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পরিবেশ
  2. বানিজ্য
  3. অর্থনীতি
  4. কূটনীতি
সঠিক উত্তর:
কূটনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কূটনীতি
ব্যাখ্যা
• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations. 
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

• মূল উদ্দেশ্য:
- রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করা।
- কূটনীতিকদের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা।
- কূটনৈতিক মিশন ও ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
.
পারমানবিক অস্ত্র পরীক্ষারোধ (CTBT) চুক্তিতে নিচের কোন দেশটি স্বাক্ষর করেনি?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
•পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT)
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ,
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য:
- চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে Annex 2 দেশগুলোর মধ্যে ৪৪টি দেশকে স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিতে হবে।
- এই দেশগুলোর মধ্যে ৯টি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- যার মধ্যে রাশিয়া ২০২৩ সালে তার অনুমোদন প্রত্যাহার করেছে।
- বর্তমানে, চুক্তিটি কার্যকর হয়নি কারণ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশ অনুমোদন দেয়নি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
.
’Pact of Paris’ নামে পরিচিত চুক্তিটি কোন বছর স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ১৯২৮ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৮ সালে
ব্যাখ্যা
• Pact of Paris:
- Pact of Paris যা Kellogg–Briand Pact নামেও পরিচিত।
- একটি আন্তর্জাতিক শান্তিচুক্তি, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রগুলো যুদ্ধকে একটি রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে পরিত্যাগ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়।
- চুক্তির নাম: Pact of Paris / Kellogg–Briand Pact।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২৭ আগস্ট, ১৯২৮।
- কার্যকর হয়: ২৪ জুলাই, ১৯২৯।
- মূল উদ্যোক্তা: Frank B. Kellogg (যুক্তরাষ্ট্র) ও Aristide Briand (ফ্রান্স)।
- স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রের সংখ্যা: শুরুতে ১৫টি, পরে বেড়ে দাঁড়ায় ৬২টি।

• চুক্তির লক্ষ্য:
- আন্তর্জাতিক বিরোধে যুদ্ধ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা;
- শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধান নিশ্চিত করা;
- বিশ্বজুড়ে নিরস্ত্রীকরণ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিষ্ঠা।

উৎস: Britannica.
.
এফ- ১৬ কী?
  1. যুদ্ধ বিমান
  2. স্যাটেলাইট
  3. সাবমেরিন
  4. প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ বিমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ বিমান
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র:
- এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান।
- বি- ৫২ (বোমারু বিমান),
- স্টেলথ (রাডারের নজর এড়াতে সক্ষম জঙ্গি বিমান),
- সি-১৩০ (সামরিক পরিবহন বিমান)।

• রাশিয়া
- ইয়াক-১৩০ (অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ বিমান),
- মিগ - ২১ / মালালাইকা (যুদ্ধ বিমান),
- মিগ - ২১ এর চীনা সংস্করণ জে-৭ / এফ-৭ এয়ারগার্ড,
- মিগ ২১ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম ফাইটার বিমান।

• যুক্তরাজ্য: 
- চ্যালেঞ্জার -১ (ট্যাংক)।

• জার্মানি:
- U Boat (Under sea Boat - সাবমেরিন)।

উৎস: Britannica.
.
ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করতে পরিচালিত অভিযানের নাম কী?
  1. Operation Blue Star
  2. Operation Desert Storm
  3. Operation Neptune Spear
  4. Operation Eagle
সঠিক উত্তর:
Operation Neptune Spear
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Operation Neptune Spear
ব্যাখ্যা
Operation Neptune Spear: 
- অভিযানের নাম: Operation Neptune Spear.
- তারিখ: ২ মে, ২০১১।
- অভিযান পরিচালনা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভি সিল (SEAL Team Six)।
- অভিযানের স্থল: অ্যাবোটাবাদ, পাকিস্তান।
• লক্ষ্য: ওসামা বিন লাদেনকে গ্রেফতার বা হত্যা করা।
- অভিযানের সময়কাল: প্রায় ৪০ মিনিট।
- ফলাফল: ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১০ সালের আগস্টে, মার্কিন গোয়েন্দারা পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ শহরের একটি বিলাসবহুল বাড়িতে ওসামা বিন লাদেনের অবস্থানের তথ্য পান।

উৎস: Operation Neptune Spear [Link].
.
নিচের কোনটি পাকিস্তান বিরোধী ভারতের পরিচালনাকারী অভিযান?
  1. অপারেশন সিন্দুর
  2. অপারেশন এনাকোন্ডা
  3. অপারেশন ডেজার্ট ফক্স
  4. অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সিন্দুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সিন্দুর
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সিন্দুর:
- পরিচালনাকারী দেশ: ভারত।
- বিপক্ষ দেশ: পাকিস্তান।
- সময়: ৭ মে, ২০২৫সাল।
- ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী ও বিমান বাহিনী রাত ১টা ৫ মিনিটে পাকিস্তান ও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ৯টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
- মূল কারন: ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় জঙ্গি হামলার ঘটনায়।

উল্লেখ্য, 
- অপারেশন এনাকোন্ডা: আল-কায়েদা ও তালেবান বাহিনীর অবস্থান ধ্বংস করা।
- অপারেশন ডেজার্ট ফক্স: ইরাকের অস্ত্র ধ্বংস কর্মসূচির ওপর হামলা।
- অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড: ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
.
'Human Rights Watch'- কোন দেশ ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. কানাডা
  4. সুইডেন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• Human Right watch:
-
প্রতিষ্ঠিত: ১৯৭৮সালে।
- এবং ১৯৮৮ সালে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ নামধারণ করে।
- মূল নাম: Helsinki Watch.
- উদ্দেশ্য: Helsinki Accords-এ স্বাক্ষরকারী দেশগুলিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত।
- এটি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংস্থা।
- পর্যবেক্ষণ: এটি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলে।
- এর সদর দপ্তর: নিউইয়র্কের এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ে অবস্থিত।
- ১৯৯৭ সালে সংস্থাটি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
 
• কর্মপরিধির সম্প্রসারণ:
- গণহত্যা ও জাতিগত নিধন,
- সরকারের গণমাধ্যম দখল,
- কর্মী ও রাজনৈতিক বিরোধীদের ভিত্তিহীন গ্রেফতার।
 
উৎস:  Human Right watch ওয়াচ ওয়েবসাইট।
.
BWC চুক্তি কোন ধরনের অস্ত্র নিষিদ্ধ করে?
  1. পারমাণবিক
  2. রাসায়নিক
  3. জীবাণু ও টক্সিন
  4. ক্ষেপণাস্ত্র
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ও টক্সিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ও টক্সিন
ব্যাখ্যা
• BWC:
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prohibition of the Development, Production and Stockpiling of Biological and Toxin Weapons and on their Destruction.
- সংক্ষিপ্ত নাম: Biological Weapons Convention (BWC)।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ১০ এপ্রিল, ১৯৭২।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২৬ মার্চ, ১৯৭৫।
- নিষিদ্ধ অস্ত্র: জীবাণু (biological) ও টক্সিন (toxin) অস্ত্র।
- চুক্তির সদস্য সংখ্যা: ১৮৮ টি রাষ্ট্র এবং চারটি Signatory States.
- পুনর্মূল্যায়ন সম্মেলন:  প্রতি ৫ বছর পর পর।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। [Link]।
.
নিচের কোনটি রাশিয়ার ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নয়?
  1. Avangard
  2. S- 400
  3. 9k720
  4. THAAD
সঠিক উত্তর:
THAAD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
THAAD
ব্যাখ্যা
→ রাশিয়ার ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নয়:  THAAD।
-
রাশিয়ার ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, Avangard, S- 400, 9k720।

• থাড (THAAD):

- টার্মিনাল হাই অলটিচিউড এরিয়া ডিফেন্স।
- একটি অত্যাধুনিক ভূমি-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- যা যুক্তরাষ্ট্রের লকহিড মার্টিন দ্বারা উন্নত এবং নির্মিত।
- এটি মূলত শত্রু দেশের ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিহত করতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রযুক্তি: থাড একটি "হিট-টু-কিল" (hit-to-kill) প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- এটি কোনো বিস্ফোরক ওয়ারহেড ছাড়াই সরাসরি শত্রু ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে সংঘর্ষ করে ধ্বংস করে।
- রেঞ্জ ও উচ্চতা: থাডের ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বোচ্চ রেঞ্জ প্রায় ২০০ কিলোমিটার এবং সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- রাডার সিস্টেম: থাডের রাডার সিস্টেম AN/TPY-2.
- যা একটি এক্স-ব্যান্ড সক্রিয় ইলেকট্রনিকালি স্ক্যানড অ্যারে রাডার।
- এটি শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও ট্র্যাক করতে - সক্ষম এবং ১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে। 
- মোবাইলিটি: থাড একটি মোবাইল সিস্টেম, যা দ্রুত স্থানে স্থানে স্থানান্তরিত করা যায়। 

উৎস: Army Technology [Link]
১০.
বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয় কোথায়?
  1. হিরোশিমায়
  2. টোকিওতে
  3. কিয়োটোতে
  4. নাগাসাকিতে
সঠিক উত্তর:
হিরোশিমায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিরোশিমায়
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক:
- তারিখ: ৬ আগস্ট, ১৯৪৫,
- স্থান: হিরোশিমা, জাপান,
- বোমার নাম:"Little Boy".
- বিমান: Enola Gay (যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর বি-২৯ বোমারু বিমান),
- ধ্বংসযজ্ঞ: আনুমানিক ৭০,০০০–৮০,০০০ মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে নিহত হন।
- অস্ত্রের ধরণ: ইউরেনিয়াম-২৩৫ ভিত্তিক পারমাণবিক বোমা,
- দ্বিতীয় হামলা: ৯ আগস্ট, ১৯৪৫- নাগাসাকি শহরে (বোমার নাম: "Fat Man")।

উল্লেখ্য, 
- জাপান ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে আত্মসমর্পণ করে।
- হিরোশিমা ও নাগাসাকি হামলা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও যুদ্ধনীতি পুনর্বিবেচনার পথ খুলে দেয়।

উৎস: Britannica.
১১.
নিচের কোনটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র নয়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
→ জার্মানি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র নয়।

• পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র:

- চীন: ১৯৬৪ সালে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে।
- বর্তমানে একটি স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র।
- ভারত: ১৯৭৪ সালে "Smiling Buddha" নামে প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষণ করে।
- পাকিস্তান : ১৯৯৮ সালে সফলভাবে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষণ করে।
- দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর দেশ।

অপরদিকে,
- জার্মানির পারমাণবিক অবস্থান:
- জার্মানি NPT (Non-Proliferation Treaty)-এর সদস্য।
- তাদের নিরাপত্তা নির্ভর করে NATO ও মার্কিন পরমাণু নিরাপত্তার উপর।
‍- জার্মান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র কিছু পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করলেও সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।

উৎস: Britannica এবং ডেইলি স্টার।
১২.
রাফাল (Rafale) যুদ্ধবিমান উৎপাদনকারী দেশ-
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• রাফাল যুদ্ধবিমান:
- উৎপাদক: ড্যাসল্ট অ্যাভিয়েশন, ফ্রান্স।
- প্রথম উড্ডয়ন: ১৯৮৬ সালে
- সেবায় প্রবেশ: ফরাসি বিমান বাহিনীতে ২০০৬ সালে এবং নৌবাহিনীতে ২০০৪ সালে।
- ধরণ: "Omnirole" মাল্টিরোল ফাইটার।
- প্রধান ব্যবহার: এয়ার সুপারিওরিটি, আকাশ প্রতিরক্ষা, নিকটবর্তী আক্রমণ, দূরপাল্লার আক্রমণ, গোয়েন্দাগিরি, নৌযান বিধ্বংসী আক্রমণ, পারমাণবিক প্রতিরক্ষা।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি, ৭ মে ২০২৫  ভারত রাফাল যুদ্ধবিমান দিয়ে পাকিস্তানে হামলা করে।
- ভারতের ৩৬ টি রাফায়াল যুদ্ধবিমান রয়েছে।
- ফ্রান্স থেকে আরও ২৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করেছে ভারত। 

উৎস: ড্যাসল্ট অ্যাভিয়েশন। [Link]।