পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়28 minutes
মোট প্রশ্ন৪৫
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 11” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা] ----------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৫ প্রশ্ন

.
স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1. কাণ্ড
  2. লাবণ্য
  3. লক্ষণ
  4. মরণ
ব্যাখ্যা
• ণ-ত্ব বিধান:
তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।

মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের নিয়ম:
১. ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়। যেমন- ঘণ্টা, লুণ্ঠন, কাণ্ড ইত্যাদি।
২. ঋ, র, ষ – এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেমন- ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
৩. ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, যয় বহং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেমন- কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ, অর্পণ (র্ + প্ + অ+), লক্ষণ (ক্+ + অ + ণ)। এরূপ রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।

৪. কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয়।
যেমন: কল্যাণ, শোণিত, মণি, স্থাণু, গুণ, পুণ্য, বেণী, আপণ, লাবণ্য, বাণী, নিপুণ, ভণিতা, পাণি, শাণ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকারণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
.
কোনটি তারিখ পূরণবাচক শব্দ?
  1. দ্বাদশ
  2. উনিশে
  3. প্রথমা
  4. একুশতম
ব্যাখ্যা
• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যথা:
পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), ছয়ই (৬ই), সাতই (৭ই), আটই (৮ই), নয়ই (৯ই), দশই (১০ই), এগারোই (১১ই), বারোই (১২ই), তেরোই (১৩ই), চোদ্দই (১৪ই), পনেরোই (১৫ই), ষোলোই (১৬ই), সতেরোই (১৭ই), আঠারোই (১৮ই), উনিশে (১৯শে)। 


---------------------
• সাধারণ পূরণবাচক:

ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারোতম ইত্যাদি। সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন: ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ (১১শ) ও এগারোতম (১১তম), দ্বাদশ (১২শ) ও বারোতম (১২তম), ত্রয়োদশ (১৩শ) ও তেরোতম (১৩তম), চতুর্দশ (১৪শ) ও চোদ্দতম (১৪তম), পঞ্চদশ (১৫শ) ও পনেরোতম (১৫তম), ষোড়শ (১৬শ) ও ষোলোতম (১৬তম), সপ্তদশ (১৭শ) ও সতেরোতম (১৭তম), অষ্টাদশ (১৮শ) ও আঠারোতম (১৮তম)।

১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু 'তম' প্রত্যয় যোগ করা হয়। যথা: উনিশতম বা উনবিংশতিতম (১৯তম), বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম), একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম), আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম), উনপঞ্চাশতম বা ঊনপঞ্চাশত্তম (৪৯তম), আশিতম বা অশীতিতম (৮০তম), নব্বইতম বা নবতিতম (৯০তম), নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।

বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন প্রথমা (১মা), দ্বিতীয়া (২য়া), তৃতীয়া (৩য়া), চতুর্থী (৪র্থী), পঞ্চমী (৫মী), ষষ্ঠী (৬ষ্ঠী), সপ্তমী (৭মী), অষ্টমী (৮মী), নবমী (৯মী), দশমী (১০মী), একাদশী (১১শী), দ্বাদশী (১২শী), ত্রয়োদশী (১৩শী), চতুর্দশী (১৪শী), পঞ্চদশী (১৫শী), ষোড়শী (১৬শী), সপ্তদশী (১৭শী), অষ্টাদশী (১৮শী) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকারণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়-
  1. ব্যঞ্জন্যাত্মক দ্বিত্ব
  2. ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
  3. পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
  4. অনুকার দ্বিত্ব
ব্যাখ্যা
• অনুকার দ্বিত্ব:
পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়। এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়। তাতে শব্দকে খানিকটা অনির্দিষ্ট, সাধারণ বা গুরুত্বহীন করা হয়। প্রকাশ পায় 'এই রকম একটা' ভাব।
যেমন-
অঙ্ক-টঙ্ক, আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর, গরু-টরু, ছাগল-টাগল, ঝাল-টাল, হেন-তেন, লুচিফুচি, টাটু-ফাটু, আগড়ম-বাগড়ম, চাকর-বাকর, এলোমেলো, ঝিকিমিকি, কচর-মচর, ঝিলমিল, শেষ-মেষ, অল্পসল্প, বুদ্ধিশুদ্ধি, গুটিশুটি, মোটাসোটা, নরম-সরম, ব্যাপার-স্যাপার, বুঝে-সুঝে।

অনুকার দ্বিত্বে অনেক সময়ে স্বরের পরিবর্তন ঘটে। 
যেমন-
আড়াআড়ি, খোঁজাখুঁজি, ঘোরাঘুরি, চুপচাপ, ঠেকাঠেকি, তাড়াতাড়ি, দলাদলি, দামাদামি, পাকাপাকি, বাড়াবাড়ি, মোটামুটি, টুকরো-টাকরা, ধারধোর, জোগাড়-জাগাড়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকারণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
মানী পক্ষের বহুবচনে ব্যবহৃত লগ্নক কোনটি?
  1. আবলি
  2. বর্গ
  3. সব
  4. মালা
ব্যাখ্যা
• মানী পক্ষের বহুবচন করার সময়ে '-গণ,' '-বৃন্দ', '-মণ্ডলী', '-বর্গ' ইত্যাদি লগ্নক যোগ করা হয়।
যেমন-
গণ- সদস্যগণ, সচিবগণ। 
বৃন্দ- দর্শকবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ। 
মণ্ডলী- সুধীমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী। 
বর্গ- পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রীবর্গ।

• প্রাণী বা বস্তুর নামকে বহুবচন করতে '-সব', '-সমূহ', '-আবলি', '-মালা' ইত্যাদি লগ্নক যোগ করতে হয়।
যেমন-
সব- ভাইসব, পাখিসব। 
সমূহ- গ্রন্থসমূহ, বৃক্ষসমূহ। 
আবলি- নিয়মাবলি, রচনাবলি। 
মালা- মেঘমালা, পর্বতমালা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকারণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব?
  1. ঝাঁকে ঝাঁকে
  2. ফটাফট
  3. থকথকে
  4. ফুসুর ফুসুর
ব্যাখ্যা
• পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে। যেমন-জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

• বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত: ভালো ভালো (কথা), কত কত (লোক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড়ু উড়ু (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।
• বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত: কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

অন্যদিকে, 
• ফটাফট,  থকথকে ও ফুসুর ফুসুর ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকারণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
'ষ' এর অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে নিচের কোন শব্দে?
  1. সুষমা
  2. স্পষ্ট
  3. জিনিষ
  4. ভবিষ্যৎ
ব্যাখ্যা
• 'ষ' এর অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে- জিনিষ শব্দে। 
• শুদ্ধ বানান- জিনিস। 

---------------------
ষ ব্যবহারের নিয়ম:

১. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের স য হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ (ভ্ + অ + ব্‌ + ই+) এখানে ব-এর পরে ই-এর ব্যবধান), মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।

২. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ' হয়। যেমন অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ অনুষঙ্গ, প্রতিসেধক প্রতিষেধক, প্রতিস্থান > প্রতিষ্ঠান, অনুস্থান > অনুষ্ঠান, বিসম > বিষম, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।

৩. 'ঋ' এবং ঋ কারের পর 'ষ' হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি ইত্যাদি।

৪. তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়। যেমন- বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।

৫. র- ধ্বনির পরে যদি অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকে তবে তার পরে 'ষ' হয়। যথা: পরিষ্কার। কিন্তু অ, আ স্বরধ্বনি থাকলে স হয়। যথা পুরস্কার।

৬. ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে 'ষ' যুক্ত হয়। যথা: কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
৭. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' হয়। যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, ভূষণ, দ্বেষ ইত্যাদি।

জ্ঞাতব্য
• আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ষ হয় না। এ সম্বন্ধে সতর্ক হতে হবে। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকারণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
শুধু মানুষের বেলায় ব্যবহৃত নির্দেশক কোনটি?
  1. খানা
  2. জন
  3. টি
  4. খানি
ব্যাখ্যা
• '-জন' নির্দেশক:
শুধু মানুষের বেলায়-জন নির্দেশকের ব্যবহার হয়। যেমন-বিজ্ঞজন, লোকজন, অনেকজন, কয়জন, এতজন, পণ্ডিতজন।

সংখ্যার সঙ্গেও-জন নির্দেশকের ব্যবহার হয়। যেমন-একজন রাজা, দুজন ডাক্তার ইত্যাদি।

অধিক সংখ্যার বেলায় 'জন' নির্দেশকটি সংখ্যা পরে আলাদা শব্দের মতো বসে। যেমন- পাঁচ জন, পঁচিশ জন, ৪৫ জন ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• -টা, -টি:
বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের সঙ্গে-টা, -টি নির্দেশক বসে। এর দুটি রূপান্তর: টো ও-টে। যেমন-
বাড়িটা, ছেলেটা, এটা, সেটা, আমারটা, কিছুটা, একটা, সারাটা, করাটা; দিনটি, মেয়েটি, একটি, কয়েকটি, আরেকটি; দুটো; তিনটে ইত্যাদি।

• -খানা, -খানি:
বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে-খানা, খানি নির্দেশক বসে। যেমন-ব্যাপারখানা, ভাবখানা, একখানা, আধখানা, মুখখানি, অনেকখানি ইত্যাদি।
যেসব ক্ষেত্রে-টা বাটি বসে, সেসব ক্ষেত্রেখানা বা-খানি বসতে পারে। যেমন, বাড়িটা বা বাড়িটি না বলে বাড়িখানা বা বাড়িখানিও বলা যায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকারণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
কোন পুরুষবাচক শব্দের আগে স্ত্রীবাচক শব্দ প্রয়োগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়?
  1. চাকর
  2. নাপিত
  3. কবি
  4. গোয়ালা
ব্যাখ্যা
• কতগুলো পুরুষবাচক শব্দের আগে স্ত্রীবাচক শব্দ প্রয়োগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়।
যেমন-
• কবি - মহিলা কবি,
• ডাক্তার - মহিলা ডাক্তার,
• সভ্য - মহিলা সভ্য,
• কর্মী - মহিলা কর্মী,
• শিল্পী - মহিলা বা নারী শিল্পী,
• সৈন্য - নারী / মহিলা সৈন্য,
• পুলিশ -মহিলা পুলিশ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
•আনী-প্রত্যয়: ঠাকুর-ঠাকুরানী, নাপিত-নাপিতানী, মেথর-মেথরানী, চাকর-চাকরানী ইত্যাদি।
• ইনী-প্রত্যয়: কাঙাল-কাঙালিনী,গোয়ালা-গোয়ালিনী, বাঘ-বাঘিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকারণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'তেহাই' কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ভগ্নাংশবাচক
  2. তারিখবাচক
  3. সাধারণ পূরণবাচক
  4. ক্রমবাচক
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন:
আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকারণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১০.
Who were the authors of Gorboduc?
  1. Christopher Marlowe and Ben Jonson
  2. William Shakespeare and John Fletcher
  3. Thomas Norton and Thomas Sackville
  4. Edmund Spenser and Philip Sidney
ব্যাখ্যা
"Gorboduc" হলো ইংরেজী সাহিত্যের প্রথম ট্র্যাজেডি, যা Thomas Norton এবং Thomas Sackville লিখেছিলেন।

• Gorboduc:
- এটি প্রকাশিত হয় ১৫৩২ সালে।
- এটি The Gorboduc বা The Tragedy of Gorboduc নামেও পরিচিত।
- এটি Thomas Norton ও Thomas Sackville দুইজন এর যৌথ রচনা।
- এটি রচিত হয়েছে ancient Britain এর একজন পৌরণিক রাজা Gorboduc কে নিয়ে।
- It is the earliest English tragic play in blank verse.
- এটিকে ইংরেজী সাহিত্যের প্রথম ট্র্যাজেডি বলা হয়। 

• বিভ্রান্তি  এড়াতে নিচের তথ্যগুলো মনে রাখুুন:
- First English Tragedy - The Gorboduc or The Tragedy of Gorboduc written by Thomas Norton and Thomas Sackville.
- First English Revenge Tragedy - The Spanish Tragedy written by Thomas Kyd.
- Cristopher Marlowe is called the Father of English Tragedy.

Source: Britannica, Live MCQ Lecture.
১১.
What does Shylock demand as collateral for his loan to Antonio in 'The Merchant of Venice'?
  1. Antonio’s house
  2. A casket of gold
  3. A ship filled with treasures
  4. A pound of Antonio’s flesh
ব্যাখ্যা
"The Merchant of Venice" নাটকে Shylock হলেন একজন ইহুদি মহাজন, যিনি Antonio-কে ঋণ দেন। কিন্তু এই ঋণের শর্ত ছিল অদ্ভুত ও নিষ্ঠুর—যদি Antonio ঋণ শোধ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে Shylock তার এক পাউন্ড মাংস (a pound of flesh) কাটার অধিকার পাবেন।

• The Merchant of Venice:
- এটি Shakespeare লিখিত একটি comedy.
- একজন ইহুদি (Jew) সুদখোর 'Shylock' এর কাহিনি নিয়ে এটি রচিত। 
- তিনি ছিলেন একজন moneylender. 
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এই comedy টি লেখা হয়েছিল।

Short Summary:
- জরুরী প্রয়োজনে সুদী ব্যবসায়ী Shylock এর কাছ থেকে টাকা ধার করতে হয় Antonio কে। ধুরন্ধর Shylock শর্ত দেয়, যদি সময়মতো টাকা পরিশোধ করতে না পারে, তাহলে সে ঋনগ্রহীতার শরীর থেকে এক পাউন্ড গোশত কেটে নিবে।
- Antonio নির্দিষ্ট সময়ে টাকা শোধ করতে পারেনা। কিন্তু তার বন্ধুরা তার সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে এবং বিষয়টি বিচারকের কাঠগড়া পর্যন্ত পৌঁছায়।
- শেষ পর্যন্ত সুদখোর মহাজন Shylock এর শাস্তি হয় যে, তার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে। অভিযোগ: সে Antonio কে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল।

• Shakespeare:
- জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- The Merchant of Venice,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com
১২.
The Duchess of Malfi is written by -
  1. John Webster
  2. Cyril Tourneur
  3. Thomas Nashe
  4. Thomas Kyd
ব্যাখ্যা
"The Duchess of Malfi" নাটকটি লিখেছেন John Webster.

• The Duchess of Malfi
- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy play যা Revenge Tragedy/ Tragedy of Suffering হিসেবে পরিচিত।
- এটি ১৬১৩-১৪ সালে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রকাশিত হয়। 
- The Duchess of Malfi tells the story of the spirited duchess and her love for her trustworthy steward Antonio.
- তার দুই ভাই Ferdinand (ক্যালাব্রিয়ার ডিউক) এবং Cardinal বিরোধিতা সত্ত্বেও তারা গোপনে বিয়ে করে।
- পরবর্তীতে তাদের তিনটি সন্তান জন্ম নেয়  কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি কখনো তাঁর ভাইদের কাছে তাঁর বাচ্চাদের নাম বলেন নি।
- Duchess এর ভাইয়েরা সকল খবর বের করার জন্য তার বিরুদ্ধে Bosola নামক একজন গোয়েন্দা ( Bosola) নিযুক্ত করে।
-  Bosola বিভিন্ন কৌশলে Dutchess এর কাছ থেকে তাড় স্বামি সন্তানদের খবর জেনে তার ভাইদেরকে বলে দেয় এবং তাদের আদেশে এদেরকে গ্রেফতার করতে যায়।
- নাটকের শেষে দেখা যায় সবাই মারা গিয়েছে কেবল মাত্র Dutchess এর বড় সন্তানটি ছাড়া যে কিনা পরবর্তীতে Malfi এর শাসক হয়।
- Webster’s The Duchess of Malfi কে সচরাচর last great tragedy of the Elizabethan and Jacobean eras হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• John Webster: 
- তিনি একজন English Dramatist. 
- তাঁর জন্ম ১৫৮০ সালে এবং ১৬৩২ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 
- তিনি Jacobean যুগের একজন সাহিত্যিক। 

Source: Ab ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
১৩.
Spenser's "The Shepheardes Calender" is -
  1. series of short stories
  2. series of poems
  3. novel
  4. play
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:
(খ) series of poems.

• The Shepheardes Calender:
- এটি হলো Edmund Spenser রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- 'The Shepherd's Calendar' is a series of poems by Edmund Spenser.
- ১৫৭৯ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- এই কবিতাগুলো গ্রামীণ জীবন, প্রকৃতি এবং প্রেমের থিম নিয়ে আলোচনা করে, এবং প্রতিটি কবিতায় আলোকিত চরিত্র হিসেবে শেফার্ড বা রাখালদের তুলে ধরা হয়।
- এটি ইংরেজি সাহিত্যে pastoral শৈলীর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
- It is considered to mark the beginning of the English Renaissance in literature.

• Edmund Spenser:
- তিনি একজন English poet.
- তার long allegorical poem, The Faerie Queene is one of the greatest in English literature.
- Edmund Spenser is called the poet of poets.
- His famous sonnet collection is 'Amoretti'.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
১৪.
Who wrote Ralph Roister Doister?
  1. Thomas Kyd
  2. Nicholas Udall
  3. George Peele
  4. Edmund Spenser
ব্যাখ্যা
"Ralph Roister Doister" হল ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম কমেডি নাটক, যা Nicholas Udall লিখেছিলেন।

• Ralph Roister Doister:
- এটি Nicholas Udall রচিত.
- এটি একটি Comedy.
- নাটকটি একজন rich widow কে কেন্দ্র করে।
- Christian Custance, who is betrothed to Gawyn Goodluck, a merchant. Ralph Roister Doister is encouraged throughout by a con-man trickster figure to woo Christian Custance, but his pompous attempts do not succeed.

• Nicholas Udall:
- তিনি একজন English writer.
- তিনি একাধারে একজন English playwright, translator.
- তিনি ছিলেন একজন schoolmaster.
- প্রথম comedy Ralph Roister Doister তার রচিত।

• Notable work:
- Ralph Roister Doister.

Source: An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman, Britannica, and Live MCQ Lecture.
১৫.
1798 - 1832 is known as the _____ of English literature.
  1. Elizabethan period
  2. Modern period
  3. Neoclassical period
  4. Romantic period
ব্যাখ্যা
1798 - 1832 is known as the Romantic period of English literature.
- The Romantic Period is the shortest period of English Literature.
-  ১৭৯৮ সালে William Wordsworth রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয়।
- ১৮৩২ সালে Reformation Act এর মাধ্যমে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুগকে 'Revival of Romanticism' ও বলা হয়ে থাকে because the romantic ideals of the Elizabethan Period revived during this period.
- এই যুগের স্থায়িত্বকাল মাত্র ৩৪ বছর ( 1798-1832).

------------------
• English Literature Periods and their sub-ages: 
1. The Old English Period (450 -1066) (longest period).

2. The Middle English Period (1066 -1500)
i) The Anglo-Norman Period.
ii) The Age of Chaucer.

3. The Renaissance Period (1500 -1660),
i) Elizabethan Period (1558-1603), (Golden age),
ii) Jacobean Period (1603-1625),
iii) Caroline Period (1625-1649) and
iv) Commonwealth Period (1649-1660).

4. The Neoclassical Period (1660 -1785),
i) The Restoration Period (1660-1700),
ii) The Augustan Period (1700-1745) (age of Pope),
iii) The Age of Sensibility (1745-1785/1798). (Age of Dr. Samuel Johnson).

5. The Romantic Period (1798 -1832) (shortest period).

6. The Victorian Period (1832 -1901),
i) The Pre-Raphaelites: (1848-1860),
ii) Aestheticism & Decadence: (1880-1901).

7. The Modern Period (1901 -1939),
1. The Edwardian Period (1901-1910),
2. The Georgian Period (1910-1939).

8. The Post-Modern Period (1939 ) (latest period).

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
১৬.
যদি log432 = x হয়,তাহলে x এর মান কত?
  1. 5
  2. 5/2
  3. 2
  4. 1/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি log432 = x হয়,তাহলে x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
log432 = x
⇒ 4x = 32
⇒ (22)x = 25
⇒ 22x = 25
⇒ 2x = 5
∴ x = 5/2
১৭.
যদি 3(x + y) = 27 এবং 3(x - y) = 243 হয়, তবে y এর মান কত হবে
  1. - 1
  2. - 2
  3. - 1/2
  4. 1/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি 3(x + y) = 27 এবং 3(x - y) = 243 হয়, তবে y এর মান কত হবে

সমাধান:
দেওয়া আছে,
⇒ 3(x + y) = 27
⇒ 3(x + y) = 33
⇒ x + y = 3 .......... (1)

আবার,
⇒ 3(x - y) = 243
⇒ 3(x - y) = 35
⇒ x - y = 5 .......... (2)

এখন,
(1) - (2) করে পাই,
⇒ x + y - (x - y) = 3 - 5
⇒ x + y - x + y = - 2
⇒ 2y = - 2
⇒ y = - 1
১৮.
একটি সমান্তর ধারার ৪র্থ পদ 20 এবং ৯ম পদ 45। সাধারণ অন্তর কত?
  1. 3
  2. 8
  3. 5
  4. 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার ৪র্থ পদ 20 এবং ৯ম পদ 45। সাধারণ অন্তর কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
৪র্থ পদ = a + 3d = 20 .......... (১)
৯ম = a + 8d = 45 ...............(২)

এখন,
(২) - (১) করে পাই,
⇒ (a + 8d) - (a + 3d) = 45 - 20
⇒ 5d =25 
⇒ d = 25/5
⇒ d = 5

∴ সাধারণ অন্তর 5
১৯.
5 + 10 + 20 + 40 + .......... ধারাটির 10 তম পদ কত?
  1. 2560
  2. 1530
  3. 2250
  4. 2660
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5 + 10 + 20 + 40 + .......... ধারাটির 10 তম পদ কত?

সমাধান:
এটি একটি গুণোত্তর ধারার যার,
প্রথম পদ, a = 5
সাধারণ অনুপাত, r = 10/5 = 2

আমরা জানি,
গুণোত্তর ধারার n তম পদ = a × r(n - 1)
গুণোত্তর ধারার 10 তম পদ = 5 × 2(10 - 1)
= 5 × 29
= 5 × 512
= 2560

অতএব, 10 ম পদ 2560
২০.
  1. 2
  2. 1
  3. am + n
  4. m + n
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:
 
সমাধান:
২১.
  1. 2/3
  2. 5/3
  3. 1/2
  4. 5/6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
২২.
24 + 27 + 30 + 33 + .......... ধারাটির 35 তম পদ কত?
  1. 96
  2. 126
  3. 156
  4. 146
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 24 + 27 + 30 + 33 + .......... ধারাটির 35 তম পদ কত?

সমাধান:
এটি একটি সমান্তর ধারা
প্রথম পদ, a = 24
সাধারণ অন্তর, d = 27 - 24 = 3

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার n তম পদ,
= a + (n - 1)d
= 24 + (35 - 1)3
= 24 + (34 × 3)
= 24 + 102
= 126

অতএব, এই ধারার 35তম পদ হলো 126
২৩.
একটি গুণোত্তর ধারার ৪র্থ পদ 54 এবং ৭ম পদ 1458। ধারাটির  প্রথম পদ কত?
  1. 4
  2. 3
  3. 6
  4. 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর ধারার ৪র্থ পদ 54 এবং ৭ম পদ 1458। ধারাটির  প্রথম পদ কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
গুণোত্তর ধারার n তম পদ = a × r(n - 1)

∴ ৪র্থ পদ ​= a × r(4 - 1)
⇒ ar3 = 54 ...... (১)
এবং
৭ম পদ ​= a × r(7 - 1)
⇒ ar6 = 1458 ...... (২)

এখন,
(২) ÷ (১) করে পাই,
⇒ (ar6)/(ar3) = 1458/54
⇒ r3 = 27 = 33
⇒ r = 3

(১) নং এ r = 3 বসিয়ে পাই,
⇒ a × 33 = 54
⇒ a × 27 = 54
⇒ a = 54/27
⇒ a = 2

অতএব, প্রথম পদ, a = 2
২৪.
3 + 6 + 9 + 12 + .......... ধারাটির 15 টি পদের সমষ্টি কত?
  1. 250
  2. 360
  3. 430
  4. 280
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 3 + 6 + 9 + 12 + .......... ধারাটির 15 টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
এটি একটি সমান্তর ধারা যার,
প্রথম পদ, a = 3
সাধারণ অন্তর, d = 6 - 3 = 3

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার n তম পদের সমষ্টি, Sn​ = (n/2) ​× (2a +(n - 1)d)
সমান্তর ধারার 15 তম পদের সমষ্টি, S15​ = (15/2) ​× {(2 × 3) +(15 - 1)× 3}
= (15​/2) × {6 + (14 × 3)}
= (15​/2) × (6 + 42)
= (15​/2) × 48
= 15 × 24
= 360
২৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা?
  1. গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা
  2. নির্ভুলভাবে কাজ করার ক্ষমতা
  3. অতি দ্রুত কাজ করার ক্ষমতা
  4. বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা এবং কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী। 
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র। 
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়। 
- তাছাড়াও গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তমূলক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভরতার সাথে কম্পিউটার সম্পন্ন করতে পারে। 
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই, মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে। 
- কম্পিউটার বিভিন্ন তথ্যকে স্মৃতিতে ধারণ করে রাখে এবং প্রয়োজনে নির্দেশ অনুযায়ী ধারণকৃত তথ্য নির্ভলভাবে এবং তড়িৎ গতিতে উপস্থাপন করতে পারে। 
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
Care360 কোন ধরনের সফটওয়্যার?
  1. টেলিমেডিসিন
  2. ই-মেডিসিন
  3. ক্রায়োসার্জারি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
টেলিমেডিসিন: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূরবর্তী অঞ্চলের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রদান করাকে টেলিমেডিসিন বলে। 
- টেলিমেডিসিন এর মূল উদ্দেশ্য হলো স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানো। 
- বর্তমানে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যেও গ্রামাঞ্চলের ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে টেলিকনফারেন্স ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং এতে জনগণ সুফল ভোগ করছেন।
- বিশ্বব্যাপী এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে যেমন- Teladoc, Maven Clinic, iCliniq, MDlive, Amwell, Doctor on Demand, এবং treatmentonline যার মাধ্যমে যে কোনো স্থান থেকে অনলাইনে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
- সঠিক রোগ নির্ণয় হচ্ছে সঠিক চিকিৎসার পূর্বশর্ত।
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার রোগ নির্ণয়ে সহায়ক হয়ে উঠছে, এর মাধ্যমে রোগ নির্ণয় আরও নিখুঁতভাবে করা সম্ভব।
- ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড (EHR) ব্যবস্থাপনায় রোগীর সব তথ্য একটি ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে। ফলে রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোনো স্থানে বসে নিজের রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট বা চিকিৎসার পরামর্শ পেতে পারেন।
- এই ধরনের কাজের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে রয়েছে Therapy Notes, Epic Care, Nextgen Ambulatory EHR, Care360 ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২৭.
101 সংখ্যাটি কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত? 
  1. বাইনারি
  2. ডেসিমেল
  3. হেক্সাডেসিমেল
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাইনারি: 
- বাইনারি সংখ্যার বেস ২ টি। 
যেমন - 0, 1. 

অক্টাল: 
- অক্টাল সংখ্যার বেস ৮ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7. 

ডেসিমেল: 
- ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যার বেস ১০ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9. 

হেক্সাডেসিমেল: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেস ১৬ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F. 

অর্থাৎ 0, 1 এই দুই ডিজিট সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২৮.
নিচের কোন ধরনের প্রিন্টার সাধারণত উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে?
  1. ডট প্রিন্টার
  2. লেজার প্রিন্টার
  3. ইমপেক্ট প্রিন্টার
  4. ইঙ্কজেট প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
লেজার প্রিন্টার: 
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার। 
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী। 
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়। 
- লেজার প্রিন্টার সাধারণত উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়। 
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি। 
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM এ পরিমাপ করা হয়। 
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন 1200 DPI এবং গতি 24 PPM. 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২৯.
সার্বজনীন গেইট কোনটি? 
  1. নট গেইট
  2. অর গেইট
  3. নর গেইট
  4. অ্যান্ড গেইট
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট: 
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়। 
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে তিনটি মৌলিক গেইট রয়েছে। 
যেমন- 
১। অর গেইট (OR Gate), 
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও 
৩। নট গেইট (NOT Gate). 

সার্বজনীন গেইট: 
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে। 
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়; কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩০.
ই-মেইল ঠিকানায় কোন চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হবে?
  1. &
  2. @
  3. #
  4. $
ব্যাখ্যা
ই-মেইল: 
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন। 
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। 
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়। 
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত। 
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম। 
- ই-মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৩১.
কোনটি কম্পিউটার হার্ডওয়ার নয়?
  1. সিপিইউ
  2. মাউস
  3. মনিটর
  4. পাওয়ার পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফটওয়্যার। 
- আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট অ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 
- Power Point একটি মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের সফটওয়্যারের অংশ। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
কোন সেবার মাধ্যমে জমি-জমার বিভিন্ন রেকর্ড অনলাইনে পাওয়া যায়? 
  1. ই-বুক
  2. ই-পুর্জি
  3. ই-পর্চা
  4. ই-স্বাস্থ্যসেবা
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশে অনেক নাগরিক সেবা খুব সহজে পাওয়া যায়। 
- এই গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো-
১। ই-পর্চা: 
- জমি-জমার বিভিন্ন রেকর্ড সংগ্রহের জন্য পূর্বে অনেক হয়রানি হতো, বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় ই-সেবা কেন্দ্র থেকে তা সহজে সংগ্রহ করা যায়। 
- এজন্য অনলাইনে আবেদন করে আবেদনকারী জমি-জমা সংক্রান্ত বিভিন্ন দলিল এর সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারে, এর ফলে জনগণ খুব সহজে সেবা পাচ্ছেন। 
- অন্যদিকে সেবা প্রদানের সময় তথ্যাদি ডিজিটালকৃত হয়ে যাচ্ছে ফলে ভবিষ্যতে তথ্য প্রাপ্তির পথ সহজ হচ্ছে। 

২। ই-বুক: 
- সকল পাঠ্যপুস্তক অনলাইনে সহজে প্রাপ্তির জন্য সরকারিভাবে একটি ই-বুক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে (www.ebook.gov.bd)। 
- এতে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ও সহায়ক পুস্তক রয়েছে। 

৩। ই-পুর্জি: 
- চিনিকলের পুর্জি (ইক্ষু সরবরাহের অনুমতিপত্র) স্বয়ংক্রিয়করণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে মোবাইল ফোনে কৃষকরা তাদের পুর্জি পাচ্ছে। 
- ফলে এ সংক্রান্ত হয়রানির অবসান হওয়ার পাশাপাশি কৃষকও তাদের ইক্ষু সরবরাহ উন্নত করতে পেরেছেন। 

৪। ই-স্বাস্থ্যসেবা: 
- জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশের অনেক স্থানে টেলিমিডিসিন সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। 
- এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালসমূহের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মোবাইল ফোনে বা এসএমএসে অভিযোগ পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর ফলে স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৩৩.
ডেসিমেল 75 এর অক্টাল সংখ্যা কোনটি? 
  1. 113
  2. 121
  3. 111
  4. 123
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit -MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit-LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান নির্ণয় করা হয়। 

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা। 


অর্থাৎ, (75)10 = (113)8

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
আফ্রিকা মহাদেশ থেকে নিয়োগকৃত জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
  1. দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
  2. ড. বুট্রোস ঘালি
  3. কফি আনান
  4. কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম
ব্যাখ্যা
• আফ্রিকা মহাদেশ থেকে নিয়োগকৃত জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন মিশরের ড. বুট্রোস ঘালি।

• জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিববৃন্দ:
- প্রথম: ট্রিগভেলাই (নরওয়ে),
- দ্বিতীয়: দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (সুইডেন),
- তৃতীয়: উ থান্ট (মিয়ানমার),
- চতুর্থ: কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম (অস্ট্রিয়া),
- পঞ্চম: জাভিয়ার পেরেজ দ্য কুয়েলার (পেরু),
- ষষ্ঠ : ড. বুট্রোস ঘালি (মিশর),
- সপ্তম : কফি আনান (ঘানা),
- অষ্টম : বান কি মুন (দক্ষিণ কোরিয়া),
- জাতিসংঘের বর্তমান ও নবম মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল) জানুয়ারি, ২০১৭ - বর্তমান।( মার্চ,২০২৫)
- জাতিসংঘের মহাসচিব ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- জাতিসংঘের দুইজন মহাসচিব নোবেল পুরস্কার পান।
- নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত মহাসচিবরা হলেন- দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (১৯৬১) ও কফি আনান (২০০১)।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৫.
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য কত বছরের জন্য নির্বাচিত হন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
• নিরাপত্তা পরিষদ:
- নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১৫টি।
- ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয়। যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- স্থায়ী সদস্য ৫টি।
- যথা: চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স ও ব্রিটেন।
- অস্থায়ী সদস্য ১০টি।
- অস্থায়ী সদস্যদের কোটাভিত্তিতে আফ্রিকা ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল, ল্যাটিন আমেরিকা, পূর্ব-ইউরোপ, এবং পশ্চিম ইউরোপ ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে ভোটাভুটির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়।
- অস্থায়ী সদস্যপদের মেয়াদ দুই(২) বছর।
- জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে উল্লেখ আছে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু'বার নির্বাচিত হয়, প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে।
- নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব সদস্য দেশগুলোর নামের আদ্যক্ষর অনুসারে পরিবর্তিত হয়। সভাপতিত্বের মেয়াদ ১ মাস।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৬.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশনে প্রথম অংশগ্রহণ করে কত সালে?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ শান্তি মিশন:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৮৮ সালে United Nations Iran Iraq Military Observer Group (UNIIMOG) মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সংযুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে সৈন্য প্রেরণকারী শীর্ষ দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে।
- আর তাতে অংশ নিয়েছে সশস্ত্রবাহিনীর (সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী) লক্ষাধিক সদস্য।
- শান্তি মিশনে সৈন্য প্রেরণকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম।
- এই মহান কর্তব্য পালন করতে গিয়ে কঙ্গো, সিয়েরালিওনসহ বেশ কয়েকটি দেশে বাংলাদেশী সেনাদের আত্মত্যাগ বিশ্ব সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করে, যা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্ব দরবারে উজ্জ্বল করেছে।
- শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
- এসব কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী জাতিগত যুদ্ধ ও সহিংসতা কমিয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
জাতিসংঘ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪১ সালে
  2. ১৯৪৩ সালে
  3. ১৯৪৪ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।( মার্চ,২০২৫)।
- সর্বশেষ সদস্য- দক্ষিণ সুদান ( মার্চ,২০২৫)।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
- সাধারণ পরিষদ
- নিরাপত্তা পরিষদ
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
- আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
- অছি পরিষদ ও
- জাতিসংঘ সচিবালয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৮.
World Bank এর বর্তমান সদস্যসংখ্যা কত? ( মার্চ, ২০২৫)
  1. ১৮৯
  2. ১৯০
  3. ১৯১
  4. ১৯২
ব্যাখ্যা
• বিশ্বব্যাংক (World Bank):
- বিশ্বব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত হয় ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ২৯টি দেশ ব্রেটন উডস চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- কার্যক্রম শুরু: জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৯টি দেশ।( মার্চ, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ নাউরু: ১২ এপ্রিল, ২০১৬ সাল।( মার্চ, ২০২৫)
- বিশ্বব্যাংকের বর্তমান ও ১৪তম প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা।
- World Bank গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ৫ টি।
• IFC, • IDA, • ICSID, • MIGA, • IBRD.

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩৯.
GATT কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৬১ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
• WTO:
- World Trade Organization (WTO) বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা।
-WTO এর পূর্বনাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)
- ১৯৪৭ সালে GATT প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৮ সালে কার্যকর হয়।
- GATT ১ জানুয়ারী, ১৯৯৫ সালে WTO-তে রুপান্তরিত হয়।
- সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য ১৬৬ টি।
- WTO প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে।
- WTO-এর সর্বশেষ রাউন্ড হল দোহা রাউন্ড (২০০১ সাল থেকে)।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট ও Britannica.
৪০.
জাতিসংঘের কোন মহাসচিব নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন?
  1. কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম
  2. উ থান্ট
  3. দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
  4. ড. বুট্রোস ঘালি
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ ও নোবেল পুরস্কার:
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ ও এর সাথে সম্পর্কিত ব্যাক্তিবর্গ মোট ১২ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- জাতিসংঘের ২ জন মহাসচিব কফি আনান ও দ্যাগ হ্যামারশোল্ড নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- জাতিসংঘ মহাসচিব থাকাকালীন কঙ্গো সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও জাতিসংঘকে একটি কার্যকরী বৈশ্বিক লাভ করে।
- ১৯৬১ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (মরণোত্তর) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নত শান্তিপূর্ণ বিশ্ব নিশ্চিৎকরণে অবদান রাখার জন্য জাতিসংঘ ও কফি আনান ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।

উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪১.
সভ্য সমাজের মানদন্ড নিচের কোনটি?
  1. আইনের শাসন
  2. সংবিধান
  3. বিচার ব্যবস্থা
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সভ্য সমাজের মানদন্ড হল আইনের শাসন।

আইনের শাসন:
- আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতা অর্থাৎ আইন সকল নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হবে।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজ থেকে অন্যায়, বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য দূর হয়।
- যার কারণে সমাজে স্থিলিশীলতা আসে এবং শান্তির বিরাজ করে।
- নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য অধিকার কেবল আইনের শাসনের মাধ্যমে বলবৎ করা যায়।
- আইনের শাসন না থাকলে সবল-দুর্বল, ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান প্রকট হতে থাকে।
- সমাজ থেকে মায়া, মমতা, সহমর্মিতা, ন্যায়-বিচার, নীতি-আদর্শ হ্রাস পায়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
৪২.
মূল্যবোধ হল -
  1. মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাবলীর দিক নির্দেশনা
  2. সমাজজীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়োজনীয় উপাদান
  3. সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তি
  4. মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
অন্যভাবে বলা যায়, মূল্যবোধ হলো কতগুলো মনোভাবের সমন্বয়ে গঠিত অপেক্ষাকৃত স্থায়ী বিস্বাস।
- আর যে শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, প্রথা, আদর্শ ইত্যাদির বিকাশ ঘটে তাই হলো মুল্যবোধ শিক্ষা।
- মূল্যবোধ হল সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তি।
- এটি মানুষের আচরণের সামাজিক মাপকাঠি।
- একটি দেশের সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উৎকর্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে এটি ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩.
'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক কে?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. বাট্রান্ড রাসেল
  3. হার্বার্ট স্পেন্সার
  4. ইমানুয়েল কান্ট
ব্যাখ্যা
ইমানুয়েল কান্ট:
- ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।
- ইমানুয়েল কান্ট একজন জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা ৩টি। যথা:
• সৎ ইচ্ছা।
• কর্তব্যের জন্য কর্তব্য।
• শর্তহীন আদেশ।
- 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতা' বা 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়।
- 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক ইমানুয়েল কান্ট।
- 'সততার জন্য সদিচ্ছা'র কথা বলেছেন ইমানুয়েল কান্ট।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৪৪.
নিচের কোন মতবাদ অনুসারে নৈতিকতার ভিত্তি হল সুখ?
  1. উপযোগবাদ
  2. পূর্ণতাবাদ
  3. পরার্থবাদ
  4. আত্মস্বার্থবাদ
ব্যাখ্যা
উপযোগবাদ:
- সুখকে নৈতিকতার মান হিসেবে যে মতবাদ গ্রহণ করে তাকেই সুখবাদ বলে।
- সুখবাদী নিজেদেরকে উপযোগবাদী বলে পরিচয় দিতে ভালবাসতেন।
- এর কারণ হচ্ছে তাঁরা বিশ্বাস করতেন যে, একটি কাজের নৈতিক মূল্য নির্ভর করে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোকের সর্বোচ্চ আনন্দ নিশ্চিত করার ব্যাপারে তার উপযোগিতা দিয়ে।
- জন স্টুয়ার্ট মিলের ভাষায় উপযোগবাদ হচ্ছে "একটি বিশ্বাস যা নৈতিকতার ভিত্তি হিসেবে উপযোগিতা বা সর্বোচ্চ আনন্দের নীতিকে গ্রহণ করে এই মনে করে যে কার্যাবলী যথার্থ হয় আনন্দকে উৎসাহিত করার ব্যাপারে তাদের প্রবণতার অনুপাতে"।
- উপযোগবাদের মতে আমাদের কাজের নৈতিক মূল্য নির্ভর করে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোকের সর্বোচ্চ আনন্দ নিশ্চিত করার ব্যাপারে।
- উপযোগবাদের প্রথম প্রবক্তা হিসেবে বেনথামের আলোচনা অনেকটা স্কুল সুখবাদের ইঙ্গিত দেয়।
- তিনি যখন সর্বাধিক লোকের জন্য সর্বোচ্চ সুখের কথা বলেন তখন এ সুখ তিনি নির্দেশ পরিমাণ দ্বারা।
- অর্থাৎ দুটো কাজের মধ্যে যে কাজ আমাদেরকে সর্বোচ্চ পরিমাণের সুখ।
- উপযোগবাদ একটি দার্শনিক মতবাদ যার মূল বক্তব্য হলো সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের জন্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ সুখ।
- এই মতবাদ অনুসারে নৈতিকতার ভিত্তি হল সুখ।
- সুখের মাধ্যমেই ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য নিরূপিত হয়।
- উপযোগবাদ সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন হাচিসন।
- তবে উপযোগবাদের প্রকৃত প্রবক্তা হলেন জেরেমি বেন্থাম এবং জে এস মিল।

তথ্যসূত্র - নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৪৫.
মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয় -
  1. সমাজে
  2. পরিবারে
  3. বিদ্যালয়ে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সামাজিক মূল্যবোধ:
- সামাজিক মূল্যবোধ সমাজের অন্যতম ভিত্তি।
- মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাস, আদর্শ ও নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজে পরিচালিত করে এবং অন্যের কাজের ভাল মন্দ বিচারের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- মূল্যবোধ, ব্যক্তিদল, পরিবার, সমষ্টি, সমাজ, পেশা, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি সকল পর্যায়েই থাকে।
- সামাজিক মূল্যবোধ হল সমাজের সদস্যদের সিংহভাগের সর্ব সম্মত বিশ্বাস, আদর্শ, নীতি ইত্যাদির সমষ্টি যা তারা ভাল বলে গ্রহণ করে।
- সমাজের মানুষের ভাল মন্দ আচরণ বিচারের মানদন্ড হলো সামাজিক মূল্যবোধ।
- এটি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- সামাজিক পরিবর্তনের সাথে সাথে মূল্যবোধেও পরিবর্তন ঘটে।
- ব্যক্তি ও সমাজের অভিন্ন আকাংখার অভিব্যক্তিই হলো সামাজিক মূল্যবোধ।
- শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ অর্জন।
- জ্ঞানার্জন বা শিক্ষার মাধ্যমেই মূল্যবোধ সুদৃঢ় হয়।
- মানুষের শিক্ষাজীবনকে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় বলা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রাথমিক উৎস হল পরিবার।
- পরিবার থেকেই মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১মপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।