পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অধ্যায়: বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস: i) মানব সমাজের বিবর্তন ii) বিশ্ব সভ্যতা
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
আধুনিক তুরস্ক, সিরিয়া, ইরান, ইরাক, কুয়েত ইত্যাদি রাষ্ট্রগুলাে প্রাচীন কোন সভ্যতার অংশ?
  1. মেসোপটেমিয় সভ্যতা
  2. রোমান সভ্যতা
  3. পারস্য সভ্যতা
  4. ইনকা সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমিয় সভ্যতা: 
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’।
- আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রের সীমারেখার মধ্যেই প্রাচীনকালে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- আধুনিক তুরস্ক, সিরিয়া, ইরান, ইরাক ও কুয়েত ইত্যাদি রাষ্ট্রগুলাে মেসোপটেমিয় সভ্যতার অংশ।
-  ফোরাত (ইউফ্রেটিস) ও দজলা (টাইগ্রিস) নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ হতে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের মধ্যে মেসোপটেমিয়ায় অতি উন্নত এক সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতারই চারটি পর্ব ছিল।
- সেগুলো হলো: সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা।
 
অন্যদিকে -
- প্রাচীন ভারতে সিন্ধু নদের তীরে গড়ে উঠেছিল সিন্ধু সভ্যতা।
- প্রাচীন রোমের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল রোমান সভ্যতা।
- ইউরােপের বলকান উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে ভূমধ্য সাগরের তীরে ক্ষুদ্র পার্বত্য অঞ্চলে খ্রিষ্টপূর্ব ১৬০০ নাগাদ যে সভ্যতা গড়ে ওঠেছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসে তাই গ্রিক সভ্যতা নামে পরিচিত। 
- খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে প্রাচীন মিশরে মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠে।
 
উৎস: Britannica
.
রােমান সভ্যতা কত বছর স্থায়ী হয়েছিল?
  1. প্রায় পাঁচশ বছর
  2. প্রায় ছয়শ বছর
  3. প্রায় সাতশ বছর
  4. প্রায় আটশ বছর
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা:
- গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রােমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রােমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- প্রথম দিকে রােম একজন রাজার শাসনাধীন ছিল।
- এ সময় একটি সভা ও সিনেট ছিল।
- রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ রােমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রােমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ’ বছর স্থায়ী হয়েছিল। 
- ৭৫৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দে জার্মান বর্বর জাতিগুলোর হাতে রোমান সম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতন হয়।
- রোমের গণতন্ত্র একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। 
 
সভ্যতায় রোমের অবদান:
- রোম শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, স্থাপত্য সর্বক্ষেত্রে গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।
- রোমানদের সবচেয়ে বড় অবদান আইনের ক্ষেত্রে।
- রোমের অর্থনীতি ছিল দাসদের ওপর নির্ভরশীল।
- সম্রাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন।
- ৮০ খ্রিষ্টাব্দে রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক নির্মিত কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়, যেখানে একসঙ্গে ৫৬০০ দর্শক বসতে পারত।
- স্থাপত্যকলার পাশাপাশি রোমান ভাস্কর্যেরও উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল। 
 
উৎস: i) Britannica.
         ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
১৭২৫ সালে ইউরােপের কোন শহরে বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরা চালু হয়েছিল?
  1. প্যারিস
  2. সালজবার্গ
  3. মাদ্রিদ
  4. কিয়েটো
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরা:
- বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরা স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ শহরে অবস্থিত।
- রেস্তোরাটির নাম সোব্রিনো দে বোতিন।
- গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুক অনুসারে, এটিই বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরাঁ।
- প্রাচীন রেস্তোরাঁটির পুরনো সব মেন্যু এখনও চালু রয়েছে।
- স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের বিখ্যাত প্লাসা মাইয়র স্কয়ার প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো।
- চারদিকে রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ও সুভেনিরের দোকান।

উল্লেখ্য,
- ফরাসি জিন বোতিন ও তার স্ত্রী ১৭২৫ সালে এ রেস্তোরাঁ প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রথমে এটি ছিল সরাইখানা।
- যার নাম ছিল ‘কাসা বোতিন’।
- কিছুদিন পর তার ভাইপো রেস্তোরাঁর মালিক হন।
- নাম দেন ‘সোব্রিনো দে বোতিন’।

উৎস: Restaurante Botín ওয়েবসাইট।
.
মঙ্গোলীয় গোত্রের মানুষের গায়ের রং কেমন ছিল?
  1. কালো
  2. তামাটে
  3. হলদেটে
  4. সাদা
ব্যাখ্যা
মঙ্গোলীয়:
- মঙ্গোলীয় গোত্রের মানুষ আকারে বেঁটে, দেহ সুগঠিত, শক্ত চিবুক, দাঁড়ি-গোঁফ নেই বললেই চলে।
- মুখাকৃতি গোলাকার এবং গায়ের বর্ণ হলদেটে।
- তিব্বতীয়, চিনা, জাপানি এবং বর্মিদের সমগোত্রীয় এরা।
- তিব্বত এবং মঙ্গোলিয়া হচ্ছে- মেঙ্গালীয়দের আদি ভূমি।
- এরা উত্তর পূর্বের পাহাড়ি পথ ধরে ভারতে প্রবেশ করে।
- এক সময় এরা আর্যদের সাথে মিশে যায়।
- বর্তমানে এই গোষ্ঠীর লোকেরা হিমালয়ের পাদদেশে সিকিম, আলমোরা, গারহ্ওয়াল, ভুটান এবং আসামের পাহাড়ে বসবাস করছে।
- ভারতে মঙ্গোলীয় জাতির লোক হিসাবে গুর্খা, ভুটিয়া এবং খাসিয়াদের নির্দেশ করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কনস্টান্টিনোপল নগরী কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. রমুলাস
  2. কনস্টানটাইন
  3. পিথাগোরাস
  4. জুলিয়াস সিজার
ব্যাখ্যা
রোমান সাম্রাজ্য:
- কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- প্রথম দিকে ছিল এটা একটি বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ক্রমে গ্রিক সভ্যতার পতন ৪৭৬ (খ্রি.) ঘটলে এই রোম সমগ্র ইতালি ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল দখল করে এক বিশাল রোমান সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী কনস্টান্টিনোপল প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই নামকরণ করা হয়েছিল সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে।

উৎস: i) History.com
         ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মেক্সিকোকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি প্রাচীন সভ্যতার নাম -
  1. সুমেরীয় সভ্যতা
  2. অ্যাজটেক সভ্যতা
  3. এ্যাসিরীয় সভ্যতা
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অ্যাজটেক সভ্যতা:
- উত্তর আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- বর্তমান মেক্সিকো অঞ্চলে এই সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- যার বিস্তৃতি ছিল উত্তর আমেরিকার বেশির ভাগ অংশজুড়ে।
- কৃষিকাজের মাধ্যমে আজটেক সভ্যতার প্রসার ঘটে।
- খ্রিস্টীয় ১২ শতকে এ সভ্যতার উৎপত্তি হয়েছিল।
- আজটেকের রাজধানী ছিল টেনোচিটিলান।
- টিনোচ ছিলেন আজটেকদের প্রথম রাজা। 

উল্লেখ্য,
- সৃজনশীল ও উন্নত সংস্কৃতির ধারক হিসেবে প্রায় ৪৫০ বছর নিজেদের সভ্যতা টিকিয়ে রাখতে পেরেছিল আজটেকরা।
- আজটেক সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল ১৫২১ খ্রিষ্টাব্দে স্প্যানিশদের দ্বারা।

অন্যদিকে,
- সুমেরীয়দের আদি বাসস্থান ছিল মেসোপটেমিয়ার (বর্তমান ইরাক) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এলামের পাহাড়ি অঞ্চলে।
- ব্যাবিলন থেকে প্রায় দু'শ মাইল উত্তরে টাইগ্রিস নদীর তীরে এ্যাসিরীয় সভ্যতা গড়ে ওঠে। 

উৎস: Britannica.
.
পৃথিবীর প্রাচীনতম মহাকাব্য কোনটি?
  1. শাহনামা
  2. ইলিয়াড
  3. গিলগামেশ
  4. ইনিড
ব্যাখ্যা
মহাকাব্য গিলগামেশ:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’।
- আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রের সীমারেখার মধ্যেই প্রাচীনকালে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- আক্কাদিয়ান ভাষার নিদর্শন গিলগামেশ মহাকাব্য।
- কিউনিফর্ম লিপিতে লেখা হয় বিখ্যাত মহাকাব্য গিলগামেশ।
- গিলগামেশের কাহিনি প্রথম শুরু হয় ৫টি সুমেরীয়  কবিতার মাধ্যমে। 
- গিলগামেশ মহাকাব্যের প্রধান চরিত্র উরুকের রাজা গিলগামেশ, রোমান উচ্চারণে যাকে বলা হয় বিলগামেশ। 

উল্লেখ্য,
- সুমেরিয়ান শহর উরুকের  মানুষের জীবন যাপন এবং তাঁদের ধর্ম বিশ্বাস, প্রকৃতির সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের উত্থান-পতনের কথা তুলে ধরা হয়েছে গিলগামেশ মহাকাব্যে।
- দেবতা, স্বর্গ-মর্ত্য-নরক ও অমরত্বের সন্ধান ইত্যাদিও উঠে এসেছে মহাকাব্যটিতে।
- সুপ্রাচীন সুমেরিয় পাঁচটি স্বতন্ত্র কাব্যের ভিত্তিতে এ মহাকাব্যটি শুরু হয় যেখানে রাজা গিলগামেশের রাজ্য পরিচালনা এবং তার পরিচিতির সন্ধান পাওয়া যায়। 

উৎস: Britannica.
.
কোন সভ্যতার ইতিহাসে পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া যায়?
  1. পারস্য সভ্যতা
  2. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. ক্যালডীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- সিরিয়ার মরুভূমি অঞ্চলে আমোরাইট নামক এক জাতি বসবাস করত।
- এরা এক সময় মেসোপটেমিয়ায় এসে নগর সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এদের এই সভ্যতাকে বলে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা।
- এ সভ্যতার পত্তন হয় খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে।
- আমোরাইট নেতা হাম্মুরাবী ছিলেন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- তাদের বড় অবদান হলো পৃথিবীতে তারাই প্রথম লিখিত আইন প্রণয়ন করে।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো মানচিত্রটি ব্যাবিলনের।
- এর নাম ইন্ডিগো মুন্ডি।
- এটি পাওয়া যায় আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ সালে।
- মানচিত্রটি ছিল একটি পোড়ামাটির ফলক।
- ৫ ইঞ্চি পাথরের ট্যাবলেটটি ব্যাবিলনের চারপাশে কেন্দ্র করে বিস্তৃত আয়তক্ষেত্র যা ইউফ্রেটিস নদীর তীরে অবস্থিত এবং উপর থেকে নীচ পর্যন্ত আঁকাবাঁকা রেখা দ্বারা চিত্রিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- প্রথম পৃথিবীর মানচিত্র আঁকার চেষ্টা করেন অ্যানাঙ্গিম্যান্ডার।
- খ্রিস্টের মৃত্যুর ১৫০ বছর পরে গ্রীক-মিশরীয় জ্যোতির্বিদ টলেমী একটি আট-খণ্ডের পাঠ্যপুস্তক "জিওগ্রাফিয়া" প্রকাশ করেন যা প্রথম গাণিতিক নীতিগুলি ব্যবহার করে মানচিত্র গঠন করে।

উৎস: i) History.com
         ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন জাতি বৃত্তকে প্রথম ৩৬০ ডিগ্রিতে ভাগ করেন?
  1. মিশরীয়রা
  2. হিব্রুরা
  3. এজিয়ানরা
  4. অ্যাসেরীয়রা
ব্যাখ্যা
অ্যাসিরীয় সভ্যতা:
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১০০০-৯০০ অব্দের মধ্যে অ্যাসিরীয় সভ্যতার পত্তন ঘটে।
- ব্যাবিলন থেকে প্রায় দু'শ মাইল উত্তরে টাইগ্রিস নদীর তীরে এই শহর গড়ে ওঠে।
- এ শহরের অধিবাসীরা অ্যাসিরীয় নামে পরিচিত ছিল।
- সামরিক ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- অ্যাসিরীয় সম্রাট বিশ্বাস করতেন তিনি দেবতা অসুরের প্রতিনিধি।
- অ্যাসিরীয়দের অর্থনীতির মূল উৎস ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে লুণ্ঠন করে আনা ধনসম্পদ।
- তারাই প্রথম বৃত্তকে ৩৬০° তে ভাগ করে।
- পৃথিবীকে সর্বপ্রথম তারা অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেছিল।
- তিন'শ বছরের এই প্রাচীন সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ অব্দে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
কোন সভ্যতায় প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় বিভক্ত করা হয়?
  1. সুমেরীয়
  2. মিশরীয়
  3. ক্যালডীয়
  4. ফিনিশীয়
ব্যাখ্যা
ক্যালডীয় সভ্যতা:
- মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় বসবাসকারী সেমিটিক জাতিভুক্ত ক্যালডীয়রা এ সভ্যতা গড়ে তোলে বলে ইতিহাসে এটি ক্যালডীয় সভ্যতা নামে পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের উল্লেখযোগ্য শাসক ছিলেন সম্রাট নেবুচাদ নেজার।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার স্থপতি হাম্মুরাবির সংস্কৃতি অনেকটাই গ্রহণ করেছিল ক্যালডীয়রা।
- সম্রাট নেবুচাঁদ নেজার তৈরি করেছিলেন আশ্চার্য সুন্দর এক বাগান, ইতিহাসে যা 'শূন্য উদ্যান' নামে পরিচিত।
- ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি।
- ক্যালডীয়দের প্রধান দেবতা ছিল বৃহস্পতি বা জুপিটার গ্রহ। 
- ক্যালডীয়রাই প্রথম সপ্তাহকে সাত দিনে বিভক্ত করে।
- তারাই প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় বিভক্ত করে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৮ অব্দে ক্যালডীয় সাম্রাজ্যের পতন ঘটিয়ে পারস্য সম্রাট কাইরাস ক্যালডীয়দের উপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
ইজিয়ান সভ্যতার তথ্য পাওয়া যায় -
  1. হোমারের ইলিয়ড ও ওডেসি মহাকাব্যে
  2. এরিস্টটলের রচনা দ্বারা
  3. হেরোডোটাসের বর্ণনার মাধ্যমে
  4. প্রত্নতাত্বিক আবিষ্কারের ফলে
ব্যাখ্যা
ইজিয়ান সভ্যতা:
- ইজিয়ান সভ্যতা প্রস্তর ও ব্রোঞ্জ যুগের সভ্যতা।
- ইজিয়ান সাগরের অঞ্চলে যথাক্রমে প্রায় ৭০০০-৩০০০ খ্রিস্টপূর্বে এবং প্রায় ৩০০০-১০০০  খ্রিস্টপূর্বে গড়ে উঠে।
- ইজিয়ান সভ্যতার অপর নাম মিনীয় (Minoan) সভ্যতা।
- মিনীয় সভ্যতা অঞ্চলটি ক্রিট, সাইক্লেডস এবং অন্যান্য কিছু দ্বীপ এবং গ্রীক মূল ভূখন্ড, পেলোপোনিজ, মধ্য গ্রীস এবং থেসালি নিয়ে গঠিত।
- ইজিয়ান সভ্যতার কেন্দ্র ছিল গ্রিস।
- ইজিয়ান সাগরের তীরবর্তী পূর্ব বলকান অঞ্চল নিয়ে ইজিয়ান সভ্যতা গড়ে উঠে।
- ইজিয়ান সভ্যতার তথ্য পাওয়া যায় গ্রিক কবি হোমারের ইলিয়ড ও ওডেসি মহাকাব্যে
- ইজিয়ান সভ্যতার পতন ঘটে ১১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। 
 
উৎস: Britannica.
১২.
বর্তমান ইসরায়েলের অধিবাসীরা কোন সভ্যতার বংশধর?
  1. হিব্রু সভ্যতা
  2. চৈনিক সভ্যতা
  3. ফিনিশীয় সভ্যতা
  4. পারস্য সভ্যতা
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতা:
- হিব্রু সভ্যতা হলো বর্তমানের ফিলিস্তিন ও ইসরাইল অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- হিব্রু সভ্যতা জেরুজালেম নগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে।
- হিব্রু মূলত ভাষার নাম, অর্থ যাযাবর বা নিম্ন শ্রেণি।
- জাতিগতভাবে হিব্রু সভ্যতার লোকজন একটি মিশ্র জাতি।
- প্রধান ধর্মীয় নেতা: হযরত মূসা (আ)।
- বাইবেলের ভাষা হিব্রু।
- পৃথিবীর প্রাচীন ভাষা হিব্রু ভাষা। 
- হিব্রু জাতি বর্তমানে ইজরাইলে বসবাস করে।
- হিব্রু সভ্যতার অবদান ধর্ম প্রচার।
 
অন্যদিকে -
- চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল হোয়াংহোও ইয়াংসিকিয়াং নদীর অববাহিকায় দক্ষিন চীনে। 
- ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল দক্ষিণ সিরিয়া, উত্তর ইসরায়েল ও লেবাননে।
- পারস্য সভ্যতা গড়ে উঠেছিল পারস্যে। 
 
উৎস: Britannica.
১৩.
পৃথিবীতে মনুষ্য নির্মিত সর্ববৃহৎ স্থাপনা কোনটি?
  1. চীনের মহাপ্রাচীর
  2. মিশরের পিরামিড
  3. ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান
  4. আর্টিমিসের মন্দির
ব্যাখ্যা
চীন সভ্যতা:
- চীনের তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- প্রথমটি হোয়াং হো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াং জে কিয়াং নদীর তীরে আর তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে।
- চীনের এই প্রাচীন সভ্যতা সৃষ্টি হয় শাং রাজাদের ও চৌ রাজাদের যুগে।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে এখানে সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।
- চীনের আদি মানুষ 'পিকিং মানুষ' নামে পরিচিত।
- চীনবাসীরা হোয়াং-হো ও ইয়াংসি নদীর দুটি পাড়েই বসবাস করত। 
- তাদের লিখন পদ্ধতির নাম আইডিও গ্রাফ। 
 
উল্লেখ্য,
- চৌ বংশের রাজা শি-হুয়াং তি-এর রাজত্বকালে নির্মিত হয়েছিল 'চীনের মহাপ্রাচীর'।
- হুনদের আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য এই প্রাচীর তৈরি করা হয়েছিল।
- দেড় হাজর মাইল দীর্ঘ এই প্রাচীরের উচ্চতা ছিল গড়ে ২৪ ফুট।
- এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারোহী পাশাপাশি চলতে পারত।
- চীনের প্রাচীর বিশ্বের আশ্চর্য বস্তুর একটি।
- চীনের মহাপ্রাচীরকে বলা হয় মানুষের হাতে তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।