পরীক্ষা আর্কাইভ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

পরীক্ষাস্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
টপিক: বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি। উৎস: ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সম্পর্কিত বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি. কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
চীনের আদি মানুষকে বলা হতো -
  1. চৌ মানব
  2. জেকিয়াং মানব
  3. পিকিং মানুষ
  4. জাভা মানব
ব্যাখ্যা
চৈনিক সভ্যতা:
- ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে চিনের প্রাচীন সভ্যতা গড়ে ওঠেছিল।
- চীন পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র। দেশটির তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
→ একটি - হোয়াং হো নদীর তীরে,
→ দ্বিতীয়টি-  ইয়াং জেকিয়াং নদীর তীরে,
→ তৃতীয়টি - দক্ষিণ চিনের ভূখন্ডে।
- এই সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছিল- শাং ও চৌ রাজাদের আমলে।
- ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে চিনে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের মাথার খুলি পাওয়া গেছে।
- চিনের রাজধানী পিকিং-এর (বর্তমান বেইজিং) কাছে এই খুলি পাওয়া যায়।
- চিনের আদিম মানুষ যাদেরকে- ‘পিকিং মানুষ’ বলা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (SSC Programme), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?
  1. ১৮২১ সালে
  2. ১৮১৫ সালে
  3. ১৮১১ সালে
  4. ১৮১৭ সালে
ব্যাখ্যা
• ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়াম অবস্থিত।
-  বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম - আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ১২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট (১৮৮২ - ১৯৪৫):
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন।
- ১৯৩২ সালের নভেম্বরে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।

- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতির প্রবক্তা।
- ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির বিপরীতে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
- ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনেই হবু সংগঠনের নাম প্রথমবারের মতো - “জাতিসংঘ (United Nations)” এই নামটি ব্যবহার করা হয় এবং ফ্রাঙ্কলিন ডি. - রুজভেল্ট এই নামকরণ করেন।
 
তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
.
দক্ষিণ আফ্রিকা কত বছর শ্বেতাঙ্গ শাসনে ছিল?
  1. ৩০০ বছর
  2. ৩৩৫ বছর
  3. ৩৪২ বছর
  4. ৪০০ বছর
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ আফ্রিকা:
- ১৯৯১ সালে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সকল শ্রেণীর লোকের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ANC জয়লাভ করলে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৪২ বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান হয়। (১৬৫২ - ১৯৯৪ সাল)।
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্টের নাম - এফডব্লিউডি ক্লার্ক।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম।
.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবিধান কোন দেশের?
  1. যুক্তরাষ্ট
  2. ভারত
  3. কানাডা
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
• ভারত:
- স্বাধীনতা লাভ - ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে (যুক্তরাজ্য থেকে)।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয় - ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান - ভারতের।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী - জওহরলার নেহরু।
- প্রথম রাষ্ট্রপতি - ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
- প্রথম মুসলমান রাষ্ট্রপতি - জাকির হোসেন।
- প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি - প্রতিভা পাতিল।

→ তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
তিব্বতের ধর্মীয় নেতাকে বলা হয় -
  1. পোপ
  2. পঞ্চেন লামা
  3. দালাইলামা
  4. শেরপা তেনজিং
ব্যাখ্যা
দালাইলামা:
- তিব্বতের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধানকে দালাইলামা বলা হয়।
- মোঙ্গলীয় ভাষায় দালাই শব্দের অর্থ সমুদ্র, আর লামা শব্দের অর্থ জ্ঞানী। অর্থাৎ, দালাইলামা শব্দের অর্থ দাঁড়ায়, যে ব্যক্তির জ্ঞান সমুদ্রের মতোই গভীর।
- এই পর্যন্ত চৌদ্দ জন দালাইলামা নির্বাচিত হয়েছেন।
- বর্তমানে যিনি আছেন তানজিন গিয়েৎসো, তিনি চতুর্দশ দালাইলামা।

- ১৯৩৫ সালে ১৩তম দালাইলামার মৃত্যুর পর বর্তমান দালাইলামা তানজিন গিয়েৎসোকে খুঁজে পেতে চার বছর সময় লেগেছিল। ১৯৫০ সালে চীন কর্তৃক তিব্বত করায়ত্ব হলে, পরবর্তীতে তানজিন গিয়েৎসোর নেতৃত্বে তিব্বতের স্বাধীকার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে কিন্তু ১৯৫৯ সালে আন্দোলনটি ব্যর্থ হয়। এবং তানজিন গিয়েৎসোকে তার বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। তখন চতুর্দশ দালাইলামা ভারতে নির্বাসন গ্রহণ করেন। তিব্বত থেকে ভারতে নির্বাসিত হয়েও তিনি পৃথিবীর কাছে অহিংসার বাণী পৌঁছে দেবার কাজ থেকে নিজেকে নিবৃত্ত করেননি। এজন্য তাকে ১৯৮৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
.
ভারত কবে প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়?
  1. ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭
  2. ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০
  3. ১৪ মার্চ, ১৯৫১
  4. ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫১
ব্যাখ্যা
• ভারত:
- স্বাধীনতা লাভ - ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে (যুক্তরাজ্য থেকে)।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয় - ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ - ভারত।

-  জাতীয় প্রতীক -  অশোকচক্র।
- রাজ্য সংখ্যা - ২৮ টি।
-  বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান - ভারতের।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী - জওহরলার নেহরু।
- প্রথম রাষ্ট্রপতি - ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
- প্রথম মুসলমান রাষ্ট্রপতি - জাকির হোসেন।

→ তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের সবচেয়ে বড় অবদান কী?
  1. চিত্রলেখা
  2. বর্ণমালার উদ্ভাবন
  3. মুদ্রার প্রচলন
  4. আইন প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
ফিনিশীয় সভ্যতা:
▪ ফিনিশীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান বর্ণমালার উদ্ভাবন ও লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার। তারা মিশর ও ব্যাবিলনের বর্ণমালা থেকে ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের সমন্বয়ে সহজ লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করে।
▪ আধুনিক বর্ণমালার সূচনা এখান থেকে। গ্রীক ইতিহাসবিদ হেরেডোটাস ফিনিশীয়াকে বর্ণমালার জন্মস্থান ((birthplace of the alphabet)) বলে অভিহিত করেছেন।
▪ নৌচালনায় ও তৎকালীন সময়ে বড় জাহাজ নির্মানে ফিনিশীয়রা অত্যন্ত দক্ষতা দেখিয়েছিলেন। তারা আকাশের তারা দেখে সমুদ্রে দিক নির্ণয়ের কৌশল রপ্ত করেছিল।
▪ ভূমধ্যসাগরের তীরে প্রাচীন লেবানন এবং সিরিয়া ও ফিলিস্তিন-ইসরাইলের কিছু অংশ জুড়ে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩০০০ বছর পূর্বে ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
চীনে কত সালে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
• চীন:
- প্রথম আফিম যুদ্ধ (১৮৩৯-৪২) সংগঠিত হয় - চীন এবং ব্রিটেনের মধ্যে।
- দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ (১৮৫৬-৬০) যা তীর যুদ্ধ বা চীনে অ্যাংলো-ফরাসি যুদ্ধ নামেও পরিচিত ‍যা ব্রিটেন এবং ফ্রান্স চীনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল।
- চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৪৯ সালে।
- চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৪৯ সালে।

- ১ অক্টোবর, ১৯৪৯-এ, চীনা কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (পিআরসি) প্রতিষ্ঠা করেন।
- চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লব হয় - ১৯৬৬-১৯৭৬ পর্যন্ত।
- চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নেতৃত্বদান করেন - মাও সেতুং।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১০.
কাকে ভারতের অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা বলা হয়?
  1. রামনাথ সিং
  2. এ পি জে আবুল কালাম
  3. মাহাত্মা গান্ধী
  4. ইন্দিরা গান্ধী
ব্যাখ্যা
• মাহাত্ম গান্ধী (Mahatma Gandhi):
- অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারত রাষ্ট্রের জনক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- তিনি ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর গুজরাটের পোরবন্দ নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী বা মহাত্মা এই উপাধিটি রবীন্দ্রনাথ প্রদান করেন।

- দক্ষিণ আফ্রিকায় নাটাল ইন্ডিয়ান কংগ্রেস নামক দল গঠন করেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় তিনি ‘Indian Opinion' নামক পত্রিকাটি সম্পাদনা করতেন।
-  দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের উপর বর্ণবাদী আচরনের বিরুদ্ধে তিনি সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি সেখানে ১৯১০ সালে একটি আশ্রম গড়ে তুলেন যার নাম ছিল - তলস্তয় ফার্ম (Tolstoy Farm)।
- এই আশ্রম থেকেই আন্দোলন পরিচালিত হত এবং সেখানে তিনি একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন যার নাম “দ্যা ক্রনিকাল”। 

- ভারতে ব্রিটিশদের অত্যাচার ও ১৯১৯ সালে জালিয়ালওয়ালাগের হত্যাকান্ডের প্রেক্ষিতে তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ১৯২০ সালে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৯২১ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নির্বাহীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।
- ১৯৪২ সালে মহাত্মাগান্ধী ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ‘ভারত ছাড় আন্দোলন' (Quit India Movement) শুরু করেন। 
- ১৯৪৬ সালে তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুরী ভ্রমন করেন দাঙ্গা থামানোর লক্ষ্যে এবং সোনাইমুরীতে তার নামে একটি জাদুঘর আছে ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
১১.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন -
  1. হেনরী
  2. দেসমন্ড টুটু
  3. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
  4. কেনেথ আউন্ডা
ব্যাখ্যা
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র (১৫ জানুয়ারি, ১৯২৯ - ৪ এপ্রিল, ১৯৬৮):
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা।
- তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত 'I Have a Dream' ভাষণটি প্রদান করেন।

- সেখানে তিনি এমন একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন যা বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।
- মার্টিন লুথার হলেন খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায় ধর্মীয় নেতা।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১২.
বর্তমান বিশ্বের কোন দেশটির সংবিধানকে ‘শান্তি সংবিধান‘ বলা হয়?
  1. কোস্টারিকা
  2. জাপান
  3. পেরু
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• জাপান:
- জাপানের পূর্বনাম - নিপ্পন।
- জাপানের সংবিধানকে বিশ্বের ‘শান্তির সংবিধান‘ বলা হয়।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - ফুমিও কিশিদা।
- জনসংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর - টোকিও।
- জাপানের আইনসভার নাম - ডায়েট।
- জাপানের প্রধান দ্বীপ হচ্ছে - হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু ও ওকিনাওয়া।
- জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ - হনসু।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৩.
দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা কে ছিলেন?
  1. ইয়ান স্মিথ
  2. ইয়াস সলসবারি
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম - ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। 

- ১৯৬০ সালে শ্বেতাঙ্গ নিয়ন্ত্রিত সরকার ANC এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
- ১৯৬২ সালে “Spear of the Nation” (ANC সদস্যদের নিয়ে গেরিলা আক্রমন শুরু করেন।
 - ম্যান্ডেলাকে “রোবেন দ্বীপ”– এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- পরবর্তীতে দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন তীব্র হলে ১৯৮৯ সালে শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এফ. ডি ক্লার্ক ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দেন।

- ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পান।
- ১৯৯৯ সালে তিনি স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে অবসরে যান ।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো - ৪৬৬ এবং কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
তিনি “Yes for the children” - এর প্রতিষ্ঠাতা।
⇒ তার রচিত বই - Long Walk to Freedom (Autobiography), Conversations with Myself, The Prison Letters of Nelson Mandela, I Am Prepared to Die, No Easy Walk to Freedom, The Struggle Is My Life, In His Own Words

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১৪.
আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন -
  1. ১৮৬২ সালে
  2. ১৮৬৩ সালে
  3. ১৮৬৪ সালে
  4. ১৮৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন (১৮০৯ - ১৮৬৫):
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।
- ১৮৬২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- এ লক্ষে ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ তিনি Emancipation Proclamation এ স্বাক্ষর করেন।
- পরবর্তীতে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনফেডারেট ও ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা মার্কিন গৃহযুদ্ধ নামে পরিচিত। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১৫.
তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন -
  1. বাবর ‍মুখতার
  2. মোস্তফা কামাল পাশা
  3. জামাল আবদেল নাসের
  4. হাফিজ আল আসাদ
ব্যাখ্যা
• মোস্তফা কামাল পাশা:
- আধুনিক তুরস্কের জনক খ্যাত মোস্তফা কামাল পাশা বা কামাল আতাতুর্ক
- ১৯২৩ সালে তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করে তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- একই সময়ে তিনি তুরস্ককে একটি আধুনিক মনস্ক রাষ্ট্রে পরিণত করতে ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
- এর অংশ হিসেবে ধর্ম পালনের উপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ‍তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন- কামাল পাশা।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১৬.
কারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন?
  1. ক্যালডীয়রা
  2. ব্যাবিলনীয়রা
  3. সুমেরীয়রা
  4. অ্যাসিরীয়ারা
ব্যাখ্যা
সুমেরীয়রা প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।

• সুমেরীয় সভ্যতা (Sumerian Civilization):

- মেসোপটেমীয়া অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাচীন যে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল, তার নাম সুমেরীয় সভ্যতা।
- বর্তমানে ইরাকের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর স্থানে সুমেরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে।
- ‘চাকা’ আবিষ্কার – সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে।

- তাদের কৃষকরা প্রথম দুই চাকা বিশিষ্ট 'রথ' (Chariot) ব্যবহার শুরু করেছিল।
- উন্নত সেচ ব্যবস্থা – টাইগ্রিস ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো ।
- লিখন-পদ্ধতির আবিষ্কার - সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।
- কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো ৩২টি।

- তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।
- জলঘড়ি ও চন্দ্রপঞ্জিকা আবিষ্কারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন সুমেরীয়রা।
- সুমেরীয়রা বহু ঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিল। তাদের অনেক দেবতা ছিল। প্রধান দবতা ‘নাগাল’।
- ২২৩৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে লুগালজাগেসি (King Lugalzagesi) আক্কাডীয়ান রাজা ‘সারগন’ এর নিকট পরাজিত হলে সুমেরীয় সাম্রাজ্যের অবসান হয়। 
সুমেরীয়, ব্যবিলনীয়, এ্যাসিরীয়, ক্যালডীয় ও আক্কাদীয় সভ্যতা

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১৭.
নিচের কোন দেশের সংবিধান অলিখিত?
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. ব্রিটেন
  4. আমেরিকা
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- লিখিত সংবিধান : লিখিত সংবিধান বলতে সেই সংবিধানকে বুঝায় যার ধারা বা নিয়মাবলী কোন দলিলে লিপিবদ্ধ করা থাকে। যেমন : ফ্রান্স, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি  প্রভৃতি দেশের সংবিধান লিখিত সংবিধান।

- অলিখিত সংবিধান : অলিখিত সংবিধান বলতে সেই সংবিধানকে বুঝায় যার ধারা বা নিয়মাবলী কোন দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে না। যেমন : যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড, সৌদি আরব ও ইসরায়েল প্রভৃতি দেশের সংবিধান অলিখিত সংবিধান।

উৎস: ওয়াল্ড এটলাস।
১৮.
ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স‘ রাজ্যসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয় -
  1. কেরালা
  2. মনিপুর
  3. ত্রিপুরা
  4. মিজোরাম
ব্যাখ্যা
ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স‘ রাজ্যসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয় - কেরালা

• ভারত:
- স্বাধীনতা লাভ - ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে (যুক্তরাজ্য থেকে)।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয় - ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।

-  জাতীয় প্রতীক -  অশোকচক্র।
- রাজ্য সংখ্যা - ২৮ টি।
-  বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান - ভারতের।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী - জওহরলার নেহরু।
- প্রথম রাষ্ট্রপতি - ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
- প্রথম মুসলমান রাষ্ট্রপতি - জাকির হোসেন।

→ তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৯.
‘গ্লাসনস্ত নীতি‘ কে প্রবর্তন করেন?
  1. ব্রেজনেভ
  2. দ্বিতীয় নিকোলাস
  3. পুতিন
  4. গর্বাচেভ
ব্যাখ্যা
রাশিয়া: 
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মেয়াদ - ৬ বছর।
- সোভয়েত ইউনিয়নের স্থায়িত্বকাল - ১৯২২-১৯৯১ সাল।
- USSR (Union of Soviet Socialist Republic) বিলুপ্ত হয় - ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে।
- রাশিয়ায় রুশ বিপ্লব সংঘঠিত হয় - ১৯১৭ সালে।
- রুশ বিপ্লবের স্থায়িত্ব ছিল - ১০ দিন।

-  রুশ বিপ্লবের অন্য নাম - বলশেভিক বিপ্লব, সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব, অক্টোবর বিপ্লব ও ফেব্রুয়ারি বিপ্লব।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।
- সর্বপ্রথম অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- পঞ্চবাষির্কী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রবর্তক দেশ - রাশিয়া।
- 'Imperialism, the Highest Stage of Capitalism' বইটির লেখক - ভি. আই. লেনিন।
- ‘গ্লাসনস্ত নীতি‘ প্রবর্তন  করেন - সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট গর্বাচেভ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২০.
কে ‘লৌহ মানবী‘ বলে পরিচিত?
  1. ইন্ধিরা গান্ধী
  2. মার্গারেট থ্যাচার
  3. আং সান সুচী
  4. বেনজির ভুট্রো
ব্যাখ্যা
• মার্গারেট থ্যাচার:
- মার্গারেট থ্যাচার ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
- লৌহ মানবী বলে পরিচিত — মার্গারেট থ্যাচার।
- মৃত্যুবরণ করেন — ৮ এপ্রিল, ২০১৩
- ১৯২৫ সালের ১৩ই অক্টোবরে লিংকনশায়ারে জন্ম নেন মার্গারেট থ্যাচার।
- ১৯৭৯-১৯৯০ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মার্গারেট থ্যাচার।
- একাধারে ১৯৭৯, ১৯৮৩ এবং ১৯৮৭ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হন মার্গারেট থ্যাচার।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ।