পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৬ আইন বিষয়াবলী - ১১ Subject: The Code of Criminal Procedure, 1898 Topic: Section 491-565 (Habeas Corpus, Public Prosecutor, Bail, Examination of Witnesses, Disposal of Property, Transfer of Criminal Cases, Irregular Proceedings, Miscellaneous, Schedules)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারা অনুসারে, অপরাধী অজানা হলে কে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা জজ 
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫১২(২) অনুযায়ী, যদি প্রতীয়মান হয় যে কোনও অজানা ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, হাইকোর্ট বিভাগ নির্দেশ দিতে পারেন যে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এই অপরাধ সম্পর্কিত তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ করবেন।
- অন্যান্য কর্মকর্তা (জেলা জজ, দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) এই ক্ষেত্রে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown:-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(২) অনুযায়ী অভিযুক্ত যদি আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করেন, তখন বিচারক কী করতে পারেন?
  1. অভিযুক্তকে জামিন দিতে পারেন
  2. মামলাটি বাতিল করতে পারেন
  3. তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন 
  4. মামলাটি অন্য আদালতে পাঠাতে পারেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(২) অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করে বা আদালত তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজন মনে করে, তবে বিচারক কারণ লিপিবদ্ধ করে তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন, অথবা প্রয়োজন মনে করলে ওই অভিযুক্তের মামলা আলাদাভাবে গ্রহণ বা বিচার করার নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক: নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে তদন্ত ও বিচার পরিচালনার বিধান:
(১) এই কোডের অধীনে তদন্ত বা বিচারের যে কোনো পর্যায়ে  যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট, কারণ লিপিবদ্ধ করে সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের মধ্যে যে কেউ বা একাধিক জন আদালতে উপস্থিত থাকার জন্য অক্ষম, তবে তিনি, যদি ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করেন, তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং তার অনুপস্থিতিতে ওই তদন্ত বা বিচার পরিচালনা করতে পারেন, এবং পরবর্তী যে কোনো পর্যায়ে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত উপস্থিতি নির্দেশ দিতে পারেন।
(২) যদি এই ধরনের কোনো মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করেন, অথবা যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজনীয় মনে করেন, তবে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে, ওই তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন, অথবা ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির মামলা আলাদাভাবে গ্রহণ বা বিচার করার আদেশ দিতে পারেন।
(৩) এই কোডের অধীনে তদন্তের পর্যায়ে, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে, যে অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিনে আছেন এবং একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করছেন, তদন্ত প্রতিবেদন শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section- 540A. Provision for inquiries and trial being held in the absence of accused in certain cases:
(1) At any stage of an inquiry or trial under this Code,  if the Judge or Magistrate is satisfied, for reasons to be recorded, that any one or more of the accused is or are incapable of remaining before the Court, he may, if such accused is represented by an advocate, dispense with his attendance and proceed with such inquiry or trial in his absence, and may, at any subsequent stage of the proceedings, direct the personal attendance of such accused.
(2) If the accused in any such case is not represented by an advocate, or if the Judge or Magistrate considers his personal attendance necessary, he may, if he thinks fit, and for reasons to be recorded by him, either adjourn such inquiry or trial, or order that the case of such accused be taken up or tried separately.
(3) At the stage of investigation under this Code, the Judge or Magistrate may, for reasons to be recorded in writing, dispense with the personal attendance of an accused person who is on bail and represented by an advocate, until the date fixed for hearing of the investigation report.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৭ ধারা অনুযায়ী, কমিশন-এর ফেরত প্রদান এবং সাক্ষ্য কে পরিদর্শন করতে পারবে?
  1. শুধুমাত্র বিচারক
  2. শুধুমাত্র বাদী পক্ষ
  3. মামলার উভয় পক্ষ
  4. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭ অনুযায়ী, কমিশন ফেরত দেওয়ার পরে উক্ত কমিশন এবং এতে অন্তর্ভুক্ত সাক্ষ্য সব যুক্তিসংগত সময়ে মামলার উভয় পক্ষের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৭ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী, কমিশন-এর ফেরত প্রদান এবং সাক্ষ্য মামলার উভয় পক্ষের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হওয়ার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record.
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান নিচের কোন ধারার বিধানকে প্রভাবিত করে না?
  1. ১০৭ ধারার (৪) উপধারা
  2. ১১৭ ধারার (৩) উপধারা
  3. ৪৯৭ ধারা (২) উপধারা
  4. ক এবং খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৪৯৬-এর (শেষ প্রবিধান) অনুযায়ী, এই ধারার বিধান ধারা ১০৭(৪) বা ধারা ১১৭(৩)-এর প্রভাবিত করবে না। অর্থাৎ এই ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধে স্বাভাবিক জামিন পাওয়ার যে সাধারণ বিধান আছে, তা ১০৭ ধারার (৪) উপধারা (শান্তিভঙ্গ রোধে জামিন সম্পর্কিত) এবং ১১৭ ধারার (৩) উপধারা (শান্তিভঙ্গ রোধে প্রক্রিয়া চলাকালীন সাময়িক আদেশ) এর বিশেষ বিধানগুলোর ওপর প্রাধান্য পাবে না বা সেগুলোকে খর্ব করবে না। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো—উভয়ই (ক এবং খ)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।
এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 496. In what cases bail to be taken:
When any person other than a person accused of a non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, and is prepared at any time while in the custody of such officer or at any stage of the proceedings before such Court to give bail, such person shall be released on bail:
Provided that such officer or Court, if he or it thinks fit, may, instead of taking bail from such person, discharge him on his executing a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided:
Provided, further, that nothing in this section shall be deemed to affect the provisions of section 107, sub-section (4), or section 117, sub-section (3).

.
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (inherent power) ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সংরক্ষিত আছে?
  1. ৫৬১
  2. ৫৬১ক 
  3. ৫৬০ 
  4. ৫৬৫ 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (inherent power) সংরক্ষণের বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে ধারা ৫৬১ক-এ উল্লেখ আছে, যার শিরোনামই হলো "Saving of inherent power of High Court Division"।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ক-এ হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (inherent power) সংরক্ষণ করা হয়েছে, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার প্রতিরোধ করা এবং কোডের অধীনে প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারার বিধান হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ:
- এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য, বা কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য বা অন্য কোন ভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন আদেশ প্রদানের নিমিত্ত হাইকোর্ট বিভাগের যে সহজাত ক্ষমতা আছে এই বিধির কোন কিছু তা সীমাবদ্ধ বা ক্ষুণ্ন বা প্রভাবিত করবে বলে অভিহিত করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- section 561A. Saving of inherent power of High Court Division:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারা অনুযায়ী, কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করতে পারেন?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগ
  4. উল্লিখিত সকলেই 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫০৩ অনুযায়ী, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যেকোনো একটি যখন মনে করেন যে ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা প্রয়োজন এবং সাক্ষীকে হাজির করা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা সৃষ্টি করবে, তারা সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ-
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোনো কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহণ করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to a Metropolitan Magistrate, a Chief Judicial Magistrate, a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate, within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness.
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette.
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, he, or any other Magistrate as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.

.
কোনো মামলার ন্যায়বিচারের স্বার্থে বা পক্ষকারী বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার্থে স্থানান্তর প্রয়োজন বলে মনে হলে কোন আদালত স্থানান্তরের আদেশ দিতে পারে?
  1. দায়রা জজ 
  2. আপিল বিভাগ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী, মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা বিভিন্ন স্তরের আদালতের রয়েছে। প্রশ্নে উল্লিখিত শর্তগুলোর (ন্যায়বিচারের স্বার্থে বা পক্ষকারী বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার্থে) ভিত্তিতে নিম্নলিখিত আদালতগুলো মামলা স্থানান্তর করতে পারে:
১. আপিল বিভাগ (Appellate Division): ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারা অনুযায়ী, আপিল বিভাগ যেকোনো মামলা বা আপিল এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে অন্য স্থায়ী বেঞ্চে স্থানান্তর করতে পারে, যদি মনে হয় এতে ন্যায়বিচারের স্বার্থ হবে বা পক্ষকারী ও সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধা হবে।
২. হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division): ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ বিভিন্ন শর্তে মামলা স্থানান্তর করতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- যদি কোনো অধস্তন আদালতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত বা বিচার সম্ভব নয়। 
- যদি এমন আদেশ দেওয়া পক্ষকারী বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধাজনক হয়। 
- যদি ন্যায়বিচারের স্বার্থে এমন আদেশ জরুরি বলে মনে হয়।
৩. দায়রা জজ (Sessions Judge): ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬খ ধারা অনুযায়ী, দায়রা জজ যদি মনে করেন যে ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলা স্থানান্তর করা প্রয়োজন, তবে তিনি তার সেশন বিভাগের মধ্যে এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মামলা স্থানান্তর করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ যেহেতু উল্লিখিত সবকটি আদালতেরই নির্দিষ্ট শর্তে মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা রয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হলো "উপরের সবগুলো"

.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৭(২) অনুযায়ী যদি তদন্তে দেখা যায় যে আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই কিন্তু আরও তদন্ত প্রয়োজন, তখন কী হবে?
  1. আসামিকে শাস্তি দেওয়া হবে
  2. আসামিকে জামিন দেওয়া যাবে
  3. আসামিকে জামিন দেওয়া যাবে না
  4. আসামিকে অবশ্যই কারাগারে রাখতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৭(২) অনুসারে, যদি তদন্তের কোন পর্যায়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বা আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, আসামি জামিন অযোগ্য (নন-বেইলেবল) অপরাধ করেছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই, কিন্তু তার অপরাধ সম্পর্কে আরও তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ আছে, তাহলে আসামিকে সেই তদন্ত চলাকালীন জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
এক্ষেত্রে আদালত বা কর্মকর্তা নিজ বিবেচনায় তাকে বিনা জামানতে (কেবল নিজের বন্ডে) কিংবা জামানতসহ জামিন দিতে পারেন।
- সুতরাং, ধারা ৪৯৭(২) এর শর্ত পূরণ হলে জামিন দেওয়া একটি স্পষ্ট বিধান।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 497.When bail may be taken in case of non-bailable offence:
(1) When any person accused of any non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, he may be released on bail, but he shall not be so released if there appear reasonable grounds for believing that he has been guilty of an offence punishable with death or transportation for life: 
Provided that the Court may direct that any person under the age of sixteen years or any woman or any sick or infirm person accused of such an offence be released on bail. 
(2) If it appears to such officer or Court at any stage of the investigation, inquiry or trial, as the case may be, that there are not reasonable grounds for believing that the accused has committed a non-bailable offence, but that there are sufficient grounds for further inquiry into his guilt, the accused shall, pending such inquiry, be released on bail, or, at the discretion of such officer or Court, on the execution by him of a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided. 
(3) An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing. 
(4) If, at any time after the conclusion of the trial of a person accused of a non-bailable offence and before judgment is delivered, the Court is of opinion that there are reasonable grounds for believing that the accused is not guilty of any such offence, it shall release the accused, if he is in custody on the execution by him of a bond without sureties for his appearance to hear judgment delivered. 
(5) The High Court Division or Court of Session and, in the case of a person released by itself, any other Court may cause any person who has been released under this section to be arrested and may commit him to custody.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারা অনুসারে জেলে থাকা ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর হলে আদালত কাকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন?
  1. জেলা প্রশাসককে
  2. পুলিশ কমিশনারকে
  3. জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে
  4. সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০০ অনুযায়ী, যদি যে ব্যক্তি জেলে থাকে এবং তার জামিন মঞ্জুর করা হয়, তাহলে আদালত জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন, এবং উক্ত অফিসার এই আদেশ পাওয়ার পর তাকে মুক্তি দেবেন।
- অন্য কোনো কর্মকর্তা (জেলা প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) এই ক্ষেত্রে মুক্তি আদেশ কার্যকর করার জন্য নির্দেশিত হন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারার বিধান:-হেফাজত হতে মুক্তি দান:
(১) বন্ড সম্পাদিত হওয়ার সাথে সাথে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য উহা সম্পাদন করা হল তাকে মুক্তি দিতে হবে এবং সে জেলে থাকলে জামিন মঞ্জুরকারী আদালত উক্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন এবং উক্ত অফিসার এই আদেশ পাবার পর তাকে মুক্তি দিবেন।
(২) যে মামলায় বন্ড সম্পাদন করা হলো কোন ব্যক্তি সেই মামলা ব্যতীত অন্য কোন মামলায় আটক থাকতে বাধ্য হলে এই ধারা, ৪৯৬ ধারা বা ৪৯৭ ধারার কোন বিধানে তার মুক্তি দাবি করা যাবে মর্মে গণ্য করা যাবে না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 500:- Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him.
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.

১০.
পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ কোন আদালত দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক অথবা খ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮(১) অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত— উভয়েই কোনো মামলায় পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) অথবা দায়রা আদালত (Court of Session) উভয়ই পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮: জামিনে মঞ্জুর করার বা জামিনের পরিমাণ হ্রাসের ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীনে সম্পাদিত প্রতিটি মুচলেকায় (bond) টাকার পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি যথাযথভাবে বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অতিরিক্ত হবে না; এবং হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত, যে কোনো মামলায়, দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর আপিল থাকুক বা না থাকুক, নির্দেশ দিতে পারেন যে, যে কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মঞ্জুর করা হোক, অথবা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রয়োজনীয় জামিনের পরিমাণ হ্রাস করা হোক।
- (২) কোনো আদালত, অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার সময়, তার পলাতক হওয়া রোধ করতে বা তার সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 498.Power to direct admission to bail or reduction of bail:
(1) The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
(2) Any Court, while releasing the accused on bail, may impose reasonable and fair conditions to prevent his abscondence or to ensure his good behaviour.

১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারার অধীনে কার জবানবন্দি এই বিধান অনুযায়ী গ্রহণ করা যেতে পারে?
  1. আইনজীবীর
  2. সিভিল সার্জনের 
  3. পুলিশ অফিসার
  4. মামলার আসামীর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫০৯ অনুযায়ী সিভিল সার্জন বা অন্য কোনো চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। এটি ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে নেওয়া হলে বা ধারা-৪০ অনুযায়ী কমিশনে নেওয়া হলে, অভিযুক্তকে হাজির না করলেও ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে ব্যবহার করা যায়।
- অন্যান্য ব্যক্তি যেমন আইনজীবী, পুলিশ অফিসার বা মামলার আসামীর জবানবন্দি এই ধারার অধীনে গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।
(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতা:
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.

১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৭ অনুযায়ী, কোনো আদালত কোনো সম্পত্তি নিষ্পত্তির আদেশ দিলে, সাধারণত কত দিন পর্যন্ত সেই আদেশ কার্যকর করা যাবে না?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৭(৩) অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো সম্পত্তি ধ্বংস, বাজেয়াপ্তি বা হস্তান্তরের আদেশ দেয়, তবে সেই আদেশ এক মাস পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না, অথবা যদি আপিল দাখিল করা হয়, আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদেশ কার্যকর হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৭- যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ:
(১) কোন ফৌজদারি আদালতে কোন ইনকোয়ারি বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবি করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরকম আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধাজনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপিল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এ মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপিলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 517. Order for disposal of property regarding which offence committed:
(1) When an inquiry or a trial in any Criminal Court is concluded, the Court may make such order as it thinks fit for the disposal by destruction, confiscation, or delivery to any person claiming to be entitled to possession thereof or otherwise of any property or document produced before it or in its custody or regarding which any offence appears to have been committed, or which has been used for the commission of any offence. 
(2) When High Court Division or a Court of Session makes such order and cannot through its own officers conveniently deliver the property to the person entitled thereto, such Court may direct that the order be carried into effect by the Chief Metropolitan Magistrate or District Magistrate. 
(3) When an order is made under this section such order shall not, except where the property is livestock or subject to speedy and natural decay, and save as provided by sub-section (4), be carried out for one month, or, when an appeal is presented, until such appeal has been disposed of. 
(4) Nothing in this section shall be deemed to prohibit any Court from delivering any property under the provisions of sub-section (1) to any person claiming to be entitled to the possession thereof, on his executing a bond with or without sureties to the satisfaction of the Court, engaging to restore such property to the Court if the order made under this section is modified or set aside on appeal.
Explanation- In this section the term "property" includes in the case of property regarding which an offence appears to have been committed, not only such property as has been originally in the possession or under the control of any party, but also any property into or for which the same may have been converted or exchanged, and anything acquired by such conversion or exchange, whether immediately or otherwise.

১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী কোন আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার (১) উপ-ধারা শুরুই হয়েছে এই বাক্য দিয়ে: "হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন..."।
সুতরাং, এই বিশেষ ক্ষমতা শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের (High Court Division) এখতিয়ারভুক্ত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:-
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law;
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty;
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court;
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively;
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and
(2) The [Supreme Court] may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.

১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪খ অনুযায়ী অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামির ক্ষেত্রে মুচলেকা কে দেবে?
  1. আসামি নিজে
  2. অভিভাবক
  3. জামিনদার
  4. উল্লিখিত সকলেই 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪খ অনুযায়ী, যদি মুচলেকা প্রদানের জন্য অভিযুক্ত নাবালক (অপ্রাপ্তবয়স্ক) হয়, তবে আদালত তার পরিবর্তে শুধুমাত্র জামিনদার দ্বারা মুচলেকা গ্রহণ করতে পারে।
অর্থাৎ, জামিনদার (surety) এই মুচলেকা বা বন্ডে দস্তখত করবে। আসামি নিজে (নাবালক হওয়ায়) বা তার অভিভাবক সরাসরি এই মুচলেকা দিতে পারবেন না। আদালত নাবালকের সরাসরি দায়িত্ব নেওয়ার বদলে একজন জামিনদারের মাধ্যমে আইনগত নিশ্চয়তা গ্রহণ করে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-514B: Bond required from a minor:
When the person required by any Court or officer to execute a bond is a minor, such Court or officer may accept, in lieu thereof, a bond executed by a surety or sureties only.

১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুসারে জব্দকৃত সম্পত্তির মালিক অজ্ঞাত হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারিকৃত ঘোষণার পর কত সময়ের মধ্যে দাবিদারকে হাজির হয়ে তার দাবি প্রতিষ্ঠা করতে হয়?
  1. ১৫ দিনের মধ্যে
  2. এক মাসের মধ্যে
  3. তিন মাসের মধ্যে
  4. ছয় মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫২৩(২)-এর অনুযায়ী, যদি জব্দকৃত সম্পত্তির মালিক অজ্ঞাত হয়, ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ একটি ঘোষণা (Proclamation) জারি করবেন। সেই ঘোষণার তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে যে কেউ দাবিদার হিসাবে হাজির হয়ে তার দাবি প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.

১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, অনলাইনের মাধ্যমে মুচলেকা জমা দেওয়ার সময় জামিনদারের পরিচয় যাচাই করা হয়?
  1. ধারা ৪৯৯(২)
  2. ধারা ৪৯৯(৩)
  3. ধারা ৪৯৮(২)
  4. ধারা ৪৯৭(৩)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯(৩) অনুযায়ী, মুচলেকা আদালতে অনলাইনের মাধ্যমে জমা দেওয়ার সময় জামিনদারের পরিচয় এবং যোগ্যতা যাচাই করা হয়, যা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্যান্য উপযুক্ত মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
অর্থাৎ, অনলাইনে মুচলেকা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে জামিনদারদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য উপযুক্ত মাধ্যমে পরিচয় ও যোগ্যতা যাচাই করে নিতে হবে – এই বিধান শুধুমাত্র ৪৯৯(৩)-এ আছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত এবং জামিনদারদের মুচলেকা:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দেওয়ার আগে, ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত যে পরিমাণ অর্থ যথেষ্ট মনে করেন, সেই পরিমাণ অর্থের জন্য ওই ব্যক্তি কর্তৃক একটি মুচলেকা সম্পাদিত হবে, এবং যখন তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট জামিনদার কর্তৃক এই শর্তে মুচলেকা সম্পাদিত হবে যে, ওই ব্যক্তি মুলেকায় উল্লিখিত সময় এবং স্থানে উপস্থিত থাকবেন, এবং ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত কর্তৃক অন্য কোনো নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকতে থাকবেন।
(২) যদি মামলার প্রয়োজন হয়, তবে মুচলেকাটি জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত বা অন্য কোনো আদালতে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য যখনই ডাকা হবে তখনই হাজির হওয়ার জন্যও বাধ্য করবে।
(৩) এই ধারায় উল্লিখিত মুচলেকাটি অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে, বা তার উকিলের মাধ্যমে, অথবা আদালত কর্তৃক অনুমোদিত হলে অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য কোনো উপযুক্ত মাধ্যমে জামিনদারদের পরিচয় এবং যোগ্যতা যাচাই সাপেক্ষে, আদালতে জমা দিতে পারেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 499.Bond of accused and sureties:
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be.
(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
(3) The bond referred to in this section may be submitted to the Court by the accused in person, or through his pleader, or through online system, as permitted by the Court, subject to verification of the identity and eligibility of the sureties through their National Identification Number or any other appropriate means.

১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার (২) উপ-ধারা অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে কে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৪৯২(২) অনুযায়ী, যদি পাবলিক প্রসিকিউটর অনুপস্থিত হন বা নিযুক্ত না হন, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সেই মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে অন্য কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারেন, তবে এটি নিয়মিত পুলিশ কর্মকর্তার নিম্নপদস্থ নয় এমন ব্যক্তি হতে হবে, যা সরকার দ্বারা নির্ধারিত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492:Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.

১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী জরিমানা আদায় সম্ভব না হলে আসামিকে সর্বোচ্চ কতদিনের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক করা যেতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী, যদি মুচলেকার জরিমানা প্রদত্ত না হয় এবং তা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বা বিক্রি করে আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত ওই ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক করার নির্দেশ দিতে পারে।
- অর্থাৎ, জরিমানা আদায় সম্ভব না হলে আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দেওয়ানি কারাগারে সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত আটক রাখা যেতে পারে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section- 514.Procedure on forfeiture of bond:
(1) Whenever it is proved to the satisfaction of the Court by which a bond under this Code has been taken, or of a Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class,
or, when the bond is for appearance before a Court, to the satisfaction of such Court, that such bond has been forfeited, the Court shall record the grounds of such proof, and may call upon any person bound by such bond to pay the penalty thereof, or to show cause why it should not be paid.
(2) If sufficient cause is not shown and the penalty is not paid, the Court may proceed to recover the same by issuing a warrant for the attachment and sale of the movable property belonging to such person or his estate if he be dead.
(3) Such warrant may be executed within the local limits of the jurisdiction of the Court which issued it; and it shall authorize the attachment and sale of any movable property belonging to such person without such limits, when endorsed by the District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction such property is found. 
(4) If such penalty is not paid and cannot be recovered by such attachment and sale, the person so bound shall be liable, by order of the Court which issued the warrant, to imprisonment in the civil jail for a term which may extend to six months.
(5) The Court may, at its discretion, remit any portion of the penalty mentioned and enforce payment in part only. 
(6) Where a surety to a bond dies before the bond is forfeited, his estate shall be discharged from all liability in respect of the bond.
(7) When any person who has furnished security under section 106 or section 118 is convicted of an offence the commission of which constitutes a breach of the conditions of his bond, or of a bond executed in lieu of his bond under section 514B, a certified copy of the judgment of the Court by which he was convicted of such offence may be used as evidence in proceedings under this section against his surety or sureties, and, if such certified copy is so used, the Court shall presume that such offence was committed by him unless the contrary is proved.

১৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুসারে কোন ধারার অধীন কমিশন জারি হলে অনুসন্ধান মুলতবি করা যায়?
  1. ৪৯৪ ধারা বা ৪৯৫ ধারা
  2. ৫০৩ ধারা বা ৫০৬ ধারা
  3. ৫০৭ ধারা বা ৫০৯ ধারা
  4. ৫০১ ধারা বা ৫০২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০৮ অনুযায়ী, ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীনে কমিশন জারি হলে সেই কমিশন কার্যকরীকরণ এবং ফেরত দেওয়ার জন্য অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য মুলতবি রাখা যেতে পারে।
- অন্যান্য ধারার ক্ষেত্রে ধারা ৫০৮-এর মুলতবিকরণের বিধান প্রযোজ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারা অনুসারে, রিভিশন কার্যক্রমের সময় আদালত কোন শর্তে কোনো পক্ষকে শুনতে পারে?
  1. যদি পক্ষটি দাবি করে
  2. যদি হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়
  3. যদি আদালত নিজে উপযুক্ত মনে করে
  4. যদি মামলাটি গুরুতর অপরাধের সাথে জড়িত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারার প্রদত্ত অংশে (শর্ত থাকে যে) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করতে পারবেন।"
- এটি আদালতের বিবেচনাভিত্তিক ক্ষমতা (discretionary power), যেখানে পক্ষের আবেদন বা দাবি নয়, বরং আদালতের নিজস্ব সন্তুষ্টিই একমাত্র মানদণ্ড। অন্য বিকল্পগুলো এই ধারার বিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারার বিধান:
-কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা অ্যাডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে না:
শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯(২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
----------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 440: Optional with Court to hear parties:
- No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).

২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি অনুমতি ছাড়াই বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. সরকারি সলিসিটর
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. উপরিউক্ত সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(১) অনুযায়ী, অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর, অথবা সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য অফিসার অনুমতি ছাড়াই বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন। অন্য সকল ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(১) অনুযায়ী, অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর এবং সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার অনুমতি ছাড়াই মামলা পরিচালনা করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

২২.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণের জন্য কোনটি আবশ্যক নয়?
  1. কারাগারের সার্টিফিকেট
  2. আসামির ব্যক্তিগত মতামত
  3. আদালতের নথিপত্রের উদ্ধৃতি
  4. আসামির পরিচয় সম্পর্কিত সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করতে কারাগারের সার্টিফিকেট, আদালতের নথিপত্রের সত্যায়িত কপি, এবং আসামির পরিচয় সম্পর্কিত সাক্ষ্য প্রয়োজন। তবে আসামির ব্যক্তিগত মতামত প্রমাণের জন্য আবশ্যক নয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫১১- পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস কীভাবে প্রমাণ করতে হবে:-
এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় বর্তমান কার্যকর অন্য কোন আইনে বর্ণিত পদ্ধতি ছাড়া নিম্নোক্তভাবে পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে-
(ক) যে আদালত উক্ত দণ্ড বা খালাস দিয়েছিলেন সেই আদালতের নথিপত্র যে অফিসারের হেফাজতে থাকে সেই অফিসারের স্বহস্তের স্বাক্ষর কর্তৃক সত্যায়িত উক্ত দণ্ডাদেশ বা আদেশের উদ্ধৃতি কর্তৃক, কিংবা
(খ) দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে যে কারাগারে সাজা বা তার অংশ বিশেষ দেয়া হয়েছিল সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট কর্তৃক কিংবা যে আটকের পরোয়ানা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল তা পেশ করে;
উপরোক্ত দুটি ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যে একই, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 511- Previous conviction or acquittal how proved:
In any inquiry, trial or other proceeding under this Code, a previous conviction or acquittal may be proved, in addition to any other mode provided by any law for the time being in force- 
(a) by an extract certified under the hand of the officer having the custody of the records of the Court in which such conviction or acquittal was had to be a copy of the sentence or order; or 
(b) in case of a conviction, either by a certificate signed by the officer in charge of the jail in which the punishment or any part thereof was inflicted, or by production of the warrant of commitment under which the punishment was suffered; 
together with, in each of such cases, evidence as to the identity of the accused person with the person so convicted or acquitted.

২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুসারে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন- 
  1. অভিযুক্ত
  2. অভিযোগকারী
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষণার পূর্বে মামলার কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলার পুরো অংশ বা নির্দিষ্ট এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারেন।
- অভিযুক্ত, অভিযোগকারী বা পুলিশ কর্মকর্তা এই ধারা অনুসারে মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা রাখেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে বন্ডের বকেয়া অর্থ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৫১৪
  2. ধারা ৫১৫
  3. ধারা ৫১৬
  4. ধারা ৫১৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৬-এর শিরোনামই হল "Power to direct levy of amount due on certain recognizances"। এই ধারা অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত আদালতে হাজিরা দেওয়ার শর্তে প্রদত্ত কোন বন্ডের (যেমন, জামিনের বন্ড) বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিতে পারে। এটি মূলত জামিনে মুক্ত ব্যক্তির আদালতে হাজির না হওয়ার শাস্তিস্বরূপ আর্থিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি ব্যবস্থা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮:- ধারা ৫১৬- নির্দিষ্ট মুচলেকার কারণে প্রাপ্য অর্থ আদায়ের নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা:
- হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে তাদের সামনে উপস্থিত হওয়ার জন্য সম্পাদিত মুচলেকার কারণে প্রাপ্য অর্থ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে।
-------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 516. Power to direct levy of amount due on certain recognizances:
The High Court Division or Court of Session may direct any Magistrate to levy the amount due on a bond to appear and attend at such High Court Division or Court of Session.

২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩১ ধারা অনুযায়ী, ভুল স্থানে বিচার হলে সাধারণত কী হয়?
  1. মামলাটি নতুন করে শুরু করতে হবে
  2. আসামিকে খালাস দেওয়া হবে
  3. আদালতের রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে
  4. আদালতের রায় বা আদেশ বাতিল হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫৩১ অনুযায়ী, যদি কোন তদন্ত, বিচার বা কার্যধারা ভুল স্থানে (ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা অন্য স্থানীয় এলাকা) অনুষ্ঠিত হয়, তবুও সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে রায় বা আদেশ বাতিল করবে না, শুধুমাত্র তখনই বাতিল হবে যদি ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়।
অর্থাৎ ৫৩১ ধারার মূল বিধান হলো, কোনো বিচার কার্যধারা ভুল স্থানে (যেমন ভুল জেলায় বা দায়রা বিভাগে) অনুষ্ঠিত হলেও শুধুমাত্র এই কারণে আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ বাতিল করা হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা:
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 531: Proceedings in wrong place:
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.

২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সরকার নিযুক্ত বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট সাক্ষী হিসেবে না ডেকেই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫১০
  3. ধারা ৫১১
  4. ধারা ৫১২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫১০ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কেমিক্যাল এক্সামিনার, সহকারী কেমিক্যাল এক্সামিনার, সেরোলজিস্ট, হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ, আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞ বা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট – সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই – যেকোনো তদন্ত, বিচার বা কার্যক্রমে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮:- ধারা: ৫১০: রাসায়নিক পরীক্ষক, সেরোলজিস্ট ইত্যাদির রিপোর্ট:
- এই বিধির অধীনে কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যধারার সময় কোনো বিষয় বা জিনিস পরীক্ষা বা বিশ্লেষণ এবং রিপোর্ট করার জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কোনো রাসায়নিক পরীক্ষক বা সহকারী রাসায়নিক পরীক্ষক বা কোনো সেরোলজিস্ট, হস্তলিপি বিশেষজ্ঞ, আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞ বা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষরযুক্ত একটি রিপোর্ট বলে বিবেচিত কোনো নথি, তাকে সাক্ষী হিসাবে তলব না করেই, এই বিধির অধীনে যেকোনো তদন্ত, বিচার বা অন্যান্য কার্যধারায় প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। 
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 510. Report of Chemical Examiner, serologist, etc:
- Any document purporting to be a report under the hand of any Chemical Examiner or Assistant Chemical Examiner to Government or any serologist, handwriting expert, finger print expert or fire-arm expert appointed by the Government, upon any matter or thing duly submitted to him for examination or analysis and report in the course of any proceeding under this Code, may, without calling him as a witness, be used as evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code.

২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী, মামলার পক্ষগণ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতকে কী প্রদান করতে পারে?
  1. সাক্ষীর তালিকা
  2. মামলার নথিপত্র
  3. লিখিত প্রশ্নমালা
  4. জামিনের আবেদন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী, যেসব মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়, সেই মামলার পক্ষগণ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের নিকট মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারেন। পরবর্তীতে কমিশন কার্যকরকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা কর্মকর্তা ওই প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) লিখিত প্রশ্নমালা। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার বিধান: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন:-
(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী, জেরা ও পুনঃজবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 505: Parties may examine witnesses:-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.

২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭ অনুযায়ী কোন আইনজীবী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. যিনি সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে কাজ করেন
  2. যিনি শুধু হাইকোর্টে আইন ব্যবসা করেন
  3. যিনি কোনো জেলায় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে কখনো আইন ব্যবসা করেননি
  4. যিনি একই জেলায় কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নিয়মিত আইন ব্যবসা করেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭ অনুযায়ী, কোনো আইনজীবী যদি একটি নির্দিষ্ট জেলার কোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইন ব্যবসা (প্র্যাকটিস) করেন, তাহলে তিনি ওই আদালতে অথবা ওই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকার অন্য কোনো আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বসতে পারবেন না। এ নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হল স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) এবং আদালতের নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থ রক্ষা করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না:
যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts:
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.

২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে চিকিৎসককে সাক্ষী হিসেবে তলব না করেই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. যখন চিকিৎসক সাক্ষ্য দিতে অক্ষম
  2. যখন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মারা গেছেন
  3. যখন চিকিৎসক বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছেন
  4. উপরিউক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুযায়ী নিম্নলিখিত যেকোনো পরিস্থিতিতে চিকিৎসককে সাক্ষ্য দিতে তলব না করেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে—
- ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মারা গেলে, অথবা
- তিনি সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হলে, অথবা
- তিনি বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে, এবং
- তাকে হাজির করা অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা সৃষ্টি করলে।
যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত প্রতিটি শর্তই (ক, খ ও গ) ধারা ৫০৯ক-এ উল্লিখিত শর্তের অন্তর্ভুক্ত, এবং শর্তগুলো যেকোনো একটি পৃথকভাবে প্রযোজ্য হতে পারে, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরিউক্ত সবগুলো।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.

৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারায় কোন ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. আটককৃত সম্পত্তি ধ্বংস করার
  2. আটককৃত সম্পত্তি বিক্রি করার
  3. আটককৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার
  4. আটককৃত সম্পত্তি মালিককে ফেরত দেওয়ার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা রয়েছে দ্রুত ক্ষয়শীল, কম মূল্যের, অথবা মালিকের অনুপস্থিত/অজ্ঞাত অবস্থায় আটককৃত সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ প্রদান করার।
অতএব, এই ধারার মূল ক্ষমতা হলো আটককৃত সম্পত্তি বিক্রি করার ক্ষমতা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.